দ্বীন কায়েম করা কি?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ফরজ
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ফরজ
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
আল-কুরআনে কয়টি সুরা আছে?
সঠিক উত্তর: ক) ১১৪
- পবিত্র আল-কুরআনে মোট ১১৪টি সূরা রয়েছে।
- সূরা হলো আল-কুরআনের অধ্যায় বা chapter.
- আল-কুরআনের প্রথম সূরা হলো সূরা আল-ফাতিহা এবং শেষ সূরা হলো সূরা আন-নাস। সূরা আন-নাসের ক্রমিক নম্বর ১১৪।
- আয়াতসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড় সূরা হলো সূরা আল-বাকারা; এতে ২৮৬টি আয়াত রয়েছে।
- শব্দ ও আয়তনের বিচারে সবচেয়ে ছোট সূরা হলো সূরা আল-কাওসার; এতে ৩টি আয়াত রয়েছে।
ইসলাম বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় আল্লাহর জমিনে আল্লাহর বিধান বা দ্বীন কায়েম করা প্রত্যেক মুসলিমের ওপর একটি অপরিহার্য দায়িত্ব বা ফরজ।
- 'দ্বীন কায়েম' অর্থ হলো জীবনের সকল স্তরে—ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলামের বিধি-বিধানগুলো বাস্তবায়ন করা।
- এটি কেবল একটি ইবাদত নয়, বরং এটি নবীদের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল।
- এর মাধ্যমে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং জুলুম ও অন্যায়ের অবসান ঘটে।
• দ্বীন কায়েম করার গুরুত্ব ও বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- আল্লাহর নির্দেশ: "তিনি তোমাদের জন্য দ্বীনের সেই বিধান দিয়েছেন...... যেন তোমরা দ্বীন কায়েম করো এবং এতে অনৈক্য সৃষ্টি না করো।" (সূরা আশ-শূরা, আয়াত: ১৩)।
- নবীদের মিশন: হযরত আদম (আ.) থেকে শুরু করে সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদ (সা.) পর্যন্ত সকল নবী ও রাসুল এই দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্যই আজীবন সংগ্রাম করেছেন।
- সামগ্রিক কল্যাণ: এটি কেবল শাসন ক্ষমতা নয়, বরং মানুষের সামগ্রিক জীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যম।
অন্যান্য অপশন:
- ফরজে কেফায়া: এটি এমন কাজ যা সমাজের কিছু মানুষ আদায় করলে সবার পক্ষ থেকে আদায় হয়ে যায় (যেমন: জানাজার নামাজ)। কিন্তু দ্বীন কায়েম ও সৎ কাজের আদেশ দেওয়া প্রতিটি সামর্থ্যবান মুমিনের ব্যক্তিগত দায়িত্ব।
- ওয়াজিব: ওয়াজিব ফরজের কাছাকাছি হলেও দ্বীন কায়েমের নির্দেশটি সরাসরি কুরআনের অকাট্য দলিল দ্বারা প্রমাণিত, যা একে ফরজের স্তরে উন্নীত করে।
- সুন্নাত: এন্নাত হলো রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর অনুসৃত পথ যা পালন করা সওয়াবের কাজ, কিন্তু দ্বীন কায়েম করা একটি বাধ্যতামূলক ঐশী আদেশ বা ফরজ বিধান।
রেফারেন্স মাত্র
ইসলাম বিষয়ের আরও প্রশ্ন