নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (NESCO) পদের নাম: Sub station attendant পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ: ১০.০৪.২০২৬
চাকুরী প্রস্তুতি - ৯ম থেকে ১৩তম গ্রেড · পরীক্ষার সাল ২০২৬
- নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
- চূর্ণবিচুর্ণ
- চূর্নবিচূর্ণ
- চুর্নবিচুর্ণ
- চূর্ণবিচূর্ণ
- শুদ্ধ বানান - চূর্ণবিচূর্ণ।
- এটি একটি বিশেষণ পদ।
শব্দের অর্থ:
- সম্পূর্ণ চূর্ণিত,
- সম্পূর্ণ বিনষ্ট।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। - বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
- কামরুল হাসান
- কাইয়ুম চৌধুরী
- শিব নারায়ণ দাস
- জয়নুল আবেদিন
• বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা:
- শিল্পী কামরুল হাসান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার।
- ১৯৭২ সালে কামরুল হাসান সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের জাতীয় পতাকার নকশা করেন।
- এর পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে সিরাজুল আলম খানের নির্দেশে শিবনারায়ণ দাস ও আরো কয়েকজন মিলে চূড়ান্ত করেন।
- কামরুল হাসান মানচিত্র সম্বলিত ওই লাল-সবুজ পতাকা থেকে মানচিত্র বাদ দিয়ে যে পতাকাটি ডিজাইন করেন সেটিই এখন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।
- মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম রব প্রথম উত্তোলন করেন।
- ১৯৭১ সালের ২৩শে মার্চ বাংলাদেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকার পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও প্রথম আলো।
- নিচের কোনটি মৌলিক শব্দ?
- ছুটি
- কাব্য
- দ্বীপ
- মেঘ
মৌলিক শব্দ:
- যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন:
- গোলাপ, নাক, লাল, তিন, ভাই, কলা, ছুটি।
অন্যদিকে,
সাধিত শব্দ:
- যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায়, এক কথায় তাকেই বলা হয় সাধিত শব্দ।
- অন্যভাবে বলা যায়, মৌলিক শব্দ বা ধাতুর সাথে বিভিন্ন প্রকার প্রত্যয়, বিভক্তি, উপসর্গ যোগ করে যে শব্দ গঠিত হয়, তাকে বলা হয় সাধিত শব্দ ।
যেমন-
- দেশি, মাটির, বোনের, হাতগুলো, বউটি, গোলাপী, ভাইয়ে ইত্যাদি।
উল্লেখ্য,
সাধিত শব্দ:
মেঘ = মিহ্ + অ।
দ্বীপ = দ্বী + অপ্ + অ।
কাব্য = কবি + য।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (২০১৯ - সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। - 'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- বিপরীত
- নিকৃষ্ট
- বিকৃত
- অভাব
• 'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
বিভিন্ন অর্থে 'অপ' উপসর্গের ব্যবহার:
- বিপরীত অর্থে = অপমান, অপকার, অপচয়, অপবাদ।
- নিকৃষ্ট অর্থে = অপসংস্কৃতি, অপকর্ম, অপসৃষ্টি, অপযশ।
- স্থানান্তর অর্থে = অপসারণ, অপহরণ।
- বিকৃত অর্থে = অপমৃত্যু।তৎসম উপসর্গ:
- যেসব উপসর্গ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব উপসর্গকে বলা হয় তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। তৎসম উপসর্গ ২০টি।যেমন:
- প্র,পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দুর, বি, অধি, সু, উদ, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ।উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
- পূর্বাশা দ্বীপের অপর নাম কি?
- নিঝুম দ্বীপ
- সন্দ্বীপ
- দক্ষিণ তালপট্টি
- কুতুবদিয়া
• দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ:
- এটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্ভূক্ত বঙ্গোপসাগরের অগভীর সামুদ্রিক মহীসোপান (continental shelf) এলাকায় জেগে ওঠা একটি উপকূলবর্তী দ্বীপ।
- দ্বীপটি মূলত গঙ্গা-পদ্মা নদীপ্রণালী- এর বিভিন্ন শাখা নদীর পলল অবক্ষেপণের ফলে গড়ে উঠেছে।
- দ্বীপটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটার।
- ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনার অদূরে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ জেগে ওঠে।
- ১৯৭১ সালের মাঝামাঝি সময়ে দ্বীপটির অভ্যুদয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়।
- ভারত নতুন জেগে ওঠা দ্বীপটিকে ‘নিউমুর দ্বীপ’ The New Moore Island) নামে চিহ্নিত করে।
- সে সময় পশ্চিমবঙ্গে দ্বীপটিকে কখনও ‘নিউমুর’ আবার কখনও ‘পূর্বাশা’ নামে অভিহিত করা হতো।
- ভারত সরকারও দ্বীপটিকে নিজ রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভূক্ত বলে দাবী করে থাকে।
- দক্ষিণ তালপট্টির আর এখন অস্তিত্ব নেই।তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
- logx1/9 = - 2 হলে x এর মান কত?
- 2
- 3
- 1/3
- 1/2
প্রশ্ন: logx1/9 = - 2 হলে x এর মান কত?
সমাধান:
logx1/9 = - 2
বা, x-2 = 1/9
বা, 1/x2 = 1/9
বা, 1/x2 = 1/32
বা, x2 = 32
∴ x = 3 - ডিগ্রী কোণের পূরক কোণ কত?
- ২৮°
- ৯০°
- ১২৪°
- ৬২°
প্রশ্ন: ২৮ ডিগ্রী কোণের পূরক কোণ কত?
সমাধান:
আমরা জানি,
দুটি কোণের যোগফল ৯০° হলে তাকে পূরক কোণ বলে।
দেওয়া আছে,
একটি কোণের মান = ২৮°
∴ পূরক কোণ = (৯০ - ২৮)°
= ৬২° । - দুটি বৃত্তের ব্যাসের অনুপাত ২ : ৩ হলে এদের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত হবে?
- ৩ : ৪
- ৪ : ৯
- ২ : ৩
- ১৬ : ২৫
প্রশ্ন: দুটি বৃত্তের ব্যাসের অনুপাত ২:৩ হলে এদের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত হবে?
সমাধান:
ধরি,
দুইটি বৃত্তের ব্যাস যথাক্রমে ২x ও ৩x
∴ বৃত্ত দুইটির ক্ষেত্রফলের অনুপাত = π(২x)২/৪ : π(৩x)২/৪
= ৪πx২/৪: ৯πx২/৪
= ৪ : ৯∴ বৃত্ত দুইটির ক্ষেত্রফলের অনুপাত = ৪ : ৯ ।
- tanA = 3/4 হলে sinA এর মান কত?
- ৪/৫
- ৫/8
- ৫/৩
- ৩/৫
প্রশ্ন: tanA = 3/4 হলে sinA এর মান কত?
সমাধান:
sec2A = 1 + tan2A
⇒ sec2A = 1 + (3/4)2
⇒ sec2A = 1 + (9/16)
⇒ sec2A = 25/16
⇒ secA = 5/4
⇒ 1/cosA = 5/4
∴ cosA = 4/5আমরা জানি,
sin2A = 1 - cos2A
বা, sin2A = 1 - (4/5)2
বা, sin2A = 1 - (16/25)
বা, sin2A = (25 - 16)/25
বা, sin2A = 9/25
∴ sinA = 3/5 - কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের ফলে সৃষ্ট অ্যাসিড বৃষ্টি কোন গ্যাসের কারণে হতে পারে?
- SO2
- NO2
- CI
- HCOOH
• অ্যাসিড বৃষ্টির প্রধান কারণ হলো সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2) গ্যাস, যা কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি পোড়ানোর ফলে উৎপন্ন হয় এবং বায়ুমণ্ডলে পানির সাথে বিক্রিয়া করে অ্যাসিড তৈরি করে।
• অ্যাসিড বৃষ্টি:
- অ্যাসিড বৃষ্টি হলো এমন বৃষ্টিপাত, যেখানে বৃষ্টির পানির pH মান স্বাভাবিকের (প্রায় ৫.৬) চেয়ে কম হয়ে যায়।
- এটি প্রধানত সালফিউরিক অ্যাসিড (H2SO4) এবং নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO3) এর উপস্থিতির কারণে সৃষ্টি হয়।
- শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, যানবাহন ইত্যাদি থেকে নির্গত গ্যাস অ্যাসিড বৃষ্টির মূল উৎস।• কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- এই ধরনের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লা জ্বালিয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয় এবং সেই তাপ দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
- কয়লায় সালফার থাকায় তা পোড়ানোর সময় সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2) গ্যাস উৎপন্ন হয়।
- উৎপন্ন SO2 বায়ুমণ্ডলে উঠে অক্সিজেন (O2) এবং জলীয় বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া করে সালফিউরিক অ্যাসিড তৈরি করে, উদাহরণ: SO2 + O2 → SO3, তারপর SO3 + H2O → H2SO4।• অ্যাসিড বৃষ্টিতে অন্যান্য গ্যাসের ভূমিকা:
- নাইট্রোজেন অক্সাইড (NO2) থেকেও নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO3) তৈরি হয়, যা অ্যাসিড বৃষ্টিতে অবদান রাখে।
- তবে কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্ষেত্রে SO2 গ্যাসই প্রধান দায়ী।• অ্যাসিড বৃষ্টির প্রভাব:
- মাটি ও পানির অম্লতা বৃদ্ধি করে, ফলে উদ্ভিদ ও জলজ প্রাণীর ক্ষতি হয়।
- ভবন, ধাতব কাঠামো ও ঐতিহাসিক স্থাপনা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- মানুষের ত্বক, চোখ ও শ্বাসযন্ত্রের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।• অন্যান্য অপশন:
- Cl → ক্লোরিন গ্যাস, জীবাণুনাশক ও শিল্পে ব্যবহৃত হয়, অ্যাসিড বৃষ্টির সাথে সরাসরি সম্পর্ক নেই।
- HCOOH → ফর্মিক অ্যাসিড, জৈব অ্যাসিড, প্রাকৃতিকভাবে কিছু ক্ষেত্রে পাওয়া যায় তবে অ্যাসিড বৃষ্টির প্রধান কারণ নয়।উৎস:
১) রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ),
২) Britannica,
৩) Science Expert, Live Publications. - অপটিক্যাল ফাইবারের প্রধান উপাদান কোনটি?
- CaO
- MgO
- CuO
- SiO2
• অপটিক্যাল ফাইবারের প্রধান উপাদান হলো সিলিকন ডাই-অক্সাইড (SiO2), যা উচ্চ স্বচ্ছতা ও আলোক পরিবাহিতার জন্য ব্যবহৃত হয়।
• অপটিক্যাল ফাইবার:
- অপটিক্যাল ফাইবার হলো অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও স্বচ্ছ কাঁচ বা প্লাস্টিকের তৈরি তন্তু, যার মাধ্যমে আলোর সংকেত প্রেরণ করা হয়।
- এটি প্রধানত টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট, চিকিৎসা যন্ত্র এবং ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহৃত হয়।
- আলো সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের (Total Internal Reflection) মাধ্যমে ফাইবারের ভিতর দিয়ে অগ্রসর হয়।• প্রধান উপাদান (SiO2):
- অপটিক্যাল ফাইবার সাধারণত উচ্চ বিশুদ্ধতার সিলিকা (SiO2) দিয়ে তৈরি হয়।
- SiO2 স্বচ্ছ হওয়ায় এটি আলোকে খুব কম ক্ষতির সাথে দীর্ঘ দূরত্বে পরিবহন করতে সক্ষম।
- এর প্রতিসরণাঙ্ক উপযুক্ত হওয়ায় আলো ফাইবারের ভেতরে আবদ্ধ থাকে এবং বাইরে বের হতে পারে না।• অপটিক্যাল ফাইবারের গঠন:
- Core: কেন্দ্রীয় অংশ, যেখানে আলো চলাচল করে।
- Cladding: কোরের চারপাশে থাকে এবং কম প্রতিসরণাঙ্ক বিশিষ্ট, ফলে আলো প্রতিফলিত হয়।
- Jacket: বাইরের সুরক্ষামূলক আবরণ।• অন্যান্য অপশন:
- CaO → ক্যালসিয়াম অক্সাইড, সিমেন্ট ও কাঁচ তৈরিতে ব্যবহৃত হলেও অপটিক্যাল ফাইবারের প্রধান উপাদান নয়।
- MgO → ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড, তাপ সহনশীল পদার্থ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ফাইবার অপটিকসে নয়।
- CuO → কপার অক্সাইড, বৈদ্যুতিক ও রাসায়নিক কাজে ব্যবহৃত হয়, আলো পরিবহনে নয়।উৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications. - নিচের কোন গ্যাস দাহ্য নয়?
- অক্সিজেন
- বিউটেন
- হাইড্রোজেন
- প্রোপেন
• অক্সিজেন (O2) নিজে দাহ্য নয়, তবে এটি দহনকে সহায়তা করে (supports combustion)।
• দহন ও দাহ্য গ্যাস:
- দহন (Combustion) হলো একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া, যেখানে কোনো পদার্থ অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে তাপ ও আলো উৎপন্ন করে।
- যে সকল পদার্থ নিজে জ্বলে উঠে শক্তি উৎপন্ন করে, সেগুলোকে দাহ্য (flammable) বলা হয়।
- দাহ্য পদার্থের জন্য জ্বালানি, অক্সিজেন ও তাপ—এই তিনটি উপাদান প্রয়োজন হয়, যাকে Fire Triangle বলা হয়।• অক্সিজেনের ভূমিকা:
- অক্সিজেন নিজে জ্বলে না, বরং অন্য পদার্থকে জ্বলতে সাহায্য করে।
- এটি শক্তিশালী জারক (oxidizing agent), যা দহন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
- তাই অক্সিজেনকে দাহ্য গ্যাস বলা হয় না, বরং দহন-সহায়ক গ্যাস বলা হয়।• দাহ্য গ্যাসের উদাহরণ:
- হাইড্রোজেন (H2), বিউটেন (C4H10), প্রোপেন (C3H8) ইত্যাদি সহজেই জ্বলে উঠে এবং তাপ উৎপন্ন করে।
- এগুলো জ্বালানি হিসেবে রান্না, শিল্পকারখানা ও জ্বালানি গ্যাস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।• অন্যান্য অপশন:
- বিউটেন (C4H10) → দাহ্য গ্যাস, লাইটার ও রান্নার গ্যাসে ব্যবহৃত হয়।
- হাইড্রোজেন (H2) → অত্যন্ত দাহ্য গ্যাস, দ্রুত জ্বলে উঠে।
- প্রোপেন (C3H8) → দাহ্য গ্যাস, LPG গ্যাসের প্রধান উপাদান।উৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications. - চার্জিত ধারকে সঞ্চিত শক্তির রাশিমালা কোনটি?
- = (1/2)C2V
- =(1/2)V2/C
- = (1/2)QV
- = (1/2)Q/C
• চার্জিত ধারকে সঞ্চিত শক্তির সঠিক রাশিমালা হলো U = 1/2 QV, যেখানে Q হলো চার্জ এবং V হলো বিভব পার্থক্য।
• ধারক (Capacitor):
- ধারক হলো এমন একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র, যা তড়িৎ আধান (charge) সঞ্চয় করে রাখে।
- এটি সাধারণত দুটি পরিবাহী পাত এবং মাঝখানে একটি অন্তরক (dielectric) পদার্থ দিয়ে গঠিত।
- ধারক বিদ্যুৎ শক্তিকে বৈদ্যুতিক বিভব শক্তি (electrical potential energy) হিসেবে সঞ্চয় করে।• সঞ্চিত শক্তির ধারণা:
- ধারকে আধান সঞ্চিত হওয়ার সময় বাহ্যিক উৎস থেকে কাজ করতে হয়।
- এই কাজই ধারকের মধ্যে শক্তি হিসেবে জমা থাকে।
- এই সঞ্চিত শক্তিকে ধারকের শক্তি বা stored energy বলা হয়।• সঞ্চিত শক্তির রাশিমালা:
ধারকের সঞ্চিত শক্তি প্রকাশ করা যায় বিভিন্নভাবে, যেমন:
U = 1/2 (QV)
U = 1/2 (CV2)
U = (Q2/2C)
এখানে, C = ধারকত্ব, V = বিভব পার্থক্য, Q = আধান।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 1/2 QV সঠিকভাবে সঞ্চিত শক্তি প্রকাশ করে।উৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications,
৩) পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)। - নিম্নের চিত্রে তড়িৎ প্রবাহের মান কত?

- 1 A
- 2 A
- 2.2 A
- 2.5 A
প্রদত্ত তথ্য:
বাহ্যিক রোধ, R = 5 Ω
অভ্যন্তরীণ রোধ, r = 0.5 Ω
তড়িচ্চালক বল, E = 11 V
তড়িৎ প্রবাহের মান, I = ?
সূত্র:
I = E / (R + r)
বা, I = 11 / (5 + 0.5)
বা, I = 11 / 5.5
∴ I = 2 Aসুতরাং, বর্তনীতে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহের মান = 2 A
উৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications,
৩) পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)। - 60 W-220 V এবং 60 W-110 V লেখা বাল্বদুটির রোধের অনুপাত কত?
- 1 : 1
- 2 : 1
- 1 : 4
- 4 : 1
• রোধ নির্ণয়ের সূত্র R = V2/P ব্যবহার করে দুই বাল্বের রোধ নির্ণয় করলে অনুপাত পাওয়া যায় 4 : 1।
সমাধান:
রোধ নির্ণয়ের সূত্র:
R = V2/Pপ্রথম বাল্ব (60W - 220V):
R1 = (220)2 / 60
= 48400 / 60দ্বিতীয় বাল্ব (60W - 110V):
R2 = (110)2 / 60
= 12100 / 60অনুপাত:
R1 / R2
= 48400 / 12100
= 4 / 1∴ R1 : R2 = 4 : 1
উৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications. - চুম্বকের মেরু শক্তির একক কোনটি?
- m- 2
- m-1
- m
- m2
• চুম্বকের মেরু শক্তির একক হলো A·m, যা চুম্বকের মেরুতে কার্যকর চৌম্বক বলের পরিমাপ নির্দেশ করে।
• চুম্বকের মেরু শক্তি:
- চুম্বকের প্রতিটি মেরুর যে ক্ষমতা অন্য চৌম্বক মেরুকে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ করে, তাকে মেরু শক্তি (Pole Strength) বলা হয়।
- এটি চৌম্বক ক্ষেত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভৌত রাশি।• একক নির্ণয়:
- চুম্বকের মেরু শক্তির একক SI পদ্ধতিতে অ্যাম্পিয়ার × মিটার (A·m)।
- এটি চৌম্বক ক্ষেত্রের বল নির্ণয়ের সাথে সম্পর্কিত।উৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications. - 110 V ডিসি লাইনে কোনো লোক শক পেলে কত সমতুল্য এসি লাইনে শক পাবে?
- 150.56 V
- 155.56 V
- 160.56 V
- 170.56 V
• সমতুল্য এসি ভোল্টেজ নির্ণয়ে VAC = √2 × VDC, তাই 110 V DC ≈ 155.56 V AC।
• সমাধান:
VAC = √2 × VDC
বা, VAC = 1.414 × 110
∴ VAC = 155.54 ≈ 155.56 V∴ সমতুল্য এসি ভোল্টেজ ≈ 155.56 V
উৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications. - একটি দিক পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহের সমীকরণ I = 14 sin(314t) হলে তড়িৎ প্রবাহের কম্পাঙ্ক কত?
- 14 Hz
- 50 Hz
- 100 Hz
- 314 Hz
• দিক পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহের ক্ষেত্রে I = I0sin(ωt), এখানে ω = 2πf ⇒ f = ω/2π = 314/2π ≈ 50 Hz।
• সমাধান:
প্রদত্ত: I = 14 sin(314t)
এখানে ω = 314
সূত্র: ω = 2πf
⇒ f = ω/2π
⇒ f = 314 / (2 × 3.1416)
⇒ f ≈ 314 / 6.2832
∴ f ≈ 50 Hz∴ তড়িৎ প্রবাহের কম্পাঙ্ক = 50 Hz
উৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications.
৩) পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)। - ডায়োডকে বিমুখী বায়াস করলে নিঃশেষিত স্তর-
- হ্রাস পায়
- একই থাকে
- বৃদ্ধি পায়
- বিলুপ্ত হয়
• ডায়োডকে বিমুখী বায়াস করলে নিঃশেষিত স্তরের প্রস্থ বৃদ্ধি পায়।
• p-n জাংশন ডায়োড:
- ডায়োড একটি সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস, যা p-অঞ্চল ও n-অঞ্চল নিয়ে গঠিত।
- এই দুই অঞ্চলের সংযোগস্থলে একটি নিঃশেষিত স্তর (depletion layer) তৈরি হয়।• বিমুখী বায়াস (Reverse Bias):
- বিমুখী বায়াসে p-অঞ্চলকে ঋণাত্মক এবং n-অঞ্চলকে ধনাত্মক টার্মিনালে সংযুক্ত করা হয়।
- এর ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠ চার্জবাহক (majority carriers) জাংশন থেকে দূরে সরে যায়।• নিঃশেষিত স্তরের পরিবর্তন:
- চার্জবাহক দূরে সরে যাওয়ায় জাংশনের চারপাশে চার্জবিহীন অঞ্চল বৃদ্ধি পায়।
- ফলে নিঃশেষিত স্তরের প্রস্থ বৃদ্ধি পায় এবং তড়িৎ প্রবাহ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।• অন্যান্য অপশন:
- হ্রাস পায় → সম্মুখ বায়াসে (Forward Bias) ঘটে।
- একই থাকে → সঠিক নয়, কারণ বায়াসের ফলে স্তরের পরিবর্তন হয়।
- বিলুপ্ত হয় → কখনোই সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয় না।উৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications,
৩) পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)। - The passive form of "How can you do this?" is-
- How this can be done by you?
- How could this be done by you?
- How can this be done by you?
- How this could be done by you?
• How দ্বারা শুরু Interrogative Sentence কে Active voice থেকে Passive Voice করার নিয়ম:
- How দিয়ে Passive Voice টি শুরু হবে।
- Tense অনুসারে auxiliary verb হবে।
- Active Voice এর object টি Passive Voice এ বসে।
- মুল Verb- এর past participle form বসবে।
- by বসে।
- Active voice এর subject টি Passive Voice এ object হিসেবে বসবে।
- question mark (?) বসে।
• Active voice: How can you do this?
• Passive Voice: How can this be done by you?
Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain. - Tell me frankly why you did this. The underlined part is a/an -
- adjective clause
- noun clause
- adverbial clause
- adverbial phrase
• Tell me frankly why you did this. The underlined part is a/ an - Noun clause.
- এটি বাক্যের মধ্যে object হিসেবে কাজ করছে (tell me what/why/how…), তাই এটি noun clause.
- "why you did this" এখানে verb 'tell' এর direct object হিসেবে কাজ করছে।• Noun clause:
- যে সব subordinate clause noun এর কাজ করে থাকে অর্থাৎ, subject, object, compliment, বা case in apposition- এর কাজ করে থাকে তাদেরকে বলে noun clause.
- Noun clauses are used when a single word isn't enough.• একটি বাক্যের যেসব স্থানে Noun clause বসতে পারে -
1. Verb এর subject হিসেবে।
Example: That he has much money is known to all.2. Verb এর object হিসেবে।
Example: I know that he has done it.3. Verb এর complement হিসেবে।
Example: This is what I said.4. Preposition এর object হিসেবে;
Example: I cannot understand the meaning of what he said.5. Noun/ pronoun - এর apposition হিসেবে।
Example: The fact that he is a thief is clear to all.• Other options,
ক) Adjective clause:
- যে sub-ordinate clause কোনো noun/pronoun এর পরে বসে ঐ noun/pronoun কে modify করে তাকে Adjective Clause বলে।
- অর্থাৎ noun এর post modifier হিসাবে adjective clause বসে।গ) Adverbial clause:
- যে subordinate clause একটি বাক্যে একটি adverb হিসেবে কাজ করে এবং একটি verb,বা একটি adjective-clause বা অন্য একটি adverbial clause-কে modify করে তাকে Adverbial Clause বলে।
- Adverb এর মতো এরা - time, place, cause, effect, purpose ইত্যাদি বুঝায়।ঘ) Adverbial phrase:
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে adverb এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে ৷
- সাধারণত বাক্যকে কখন ( when), কোথায় ( where), কেন( why) ও কিভাবে (how) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটি Adverbial phrase.Source:
1. A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.
2. Advanced Learner's Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain. - It's time (you realize) your mistakes. Which one is correct?
- you realized
- that you realized
- you would realize
- you have realized
• Correct answer: It's time you realized your mistakes.
- It is time এরপর subject হিসেবে you আছে, তাই subject এরপরে verb টির past form হবে।
- তাই, এখানে সঠিক উত্তর হবে - you realized.
• It is time/ It is high time:
- It is time/ It is high time থাকলে এরপরে subject বসলে subject এরপরের verb টি past form হয়।
- Example: It is high time we started the meeting.
• It is time ও It is high time এর পরে subject না এসে, কোন verb আসলে ঐ verb এর Infinitive form হবে।
- Example: It is high time to change our attitude.
Source: A Passage To The English Language: S. M. Zakir Hussain. - 'চতুর্ভুজ' শব্দটি কোন সমাসের উদাহরণ?
- বহুব্রীহি সমাস
- তৎপুরুষ সমাস
- দ্বন্দ সমাস
- কর্মধারয় সমাস
• সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি:
পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং পরপদ বিশেষ্য হলে এবং সমস্তপদটি বিশেষণ বোঝালে তাকে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি বলা হয়।
যেমন:
- দশগজ পরিমাণ যার = দশগজি।
- চার ভুজ যে ক্ষেত্রের = চুতুর্ভুজ।
এরূপ- সেতার, দশরথ, দশানন, চারহারতি, তেপায়া ইত্যাদি সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। - 'বাতাস' শব্দের প্রতিশব্দ কোনটি?
- চপলা
- উদক
- পাথার
- অনিল
• বাতাস” শব্দের প্রতিশব্দ:
বায়ু, হাওয়া, পবন, সমীর, সমীরণ, অনিল, মরুৎ, প্রভঞ্জন।
অন্যদিকে,
• 'বিদ্যুৎ' শব্দের প্রতিশব্দ শব্দ- চপলা।
• 'পানি' শব্দের সঠিক প্রতিশব্দ - উদক।
• 'সাগর' শব্দের প্রতিশব্দ- পাথার।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। - বাবু বলিলেন 'বুঝেছ উপেন এ জমি লইব কিনে' কোন উক্তি?
- পরোক্ষ উক্তি
- স্বগতোক্তি
- প্রত্যক্ষ উক্তি
- নির্দয় উক্তি
• প্রত্যক্ষ উক্তি:
যে বাক্যে বক্তার কথা অবিকল উদ্ধৃত হয়, তাকে প্রত্যক্ষ উক্তি বলে। প্রত্যক্ষ উক্তিতে বক্তার কথা উদ্ধরণ চিহ্ন (''/" ")-এর মধ্যে থাকে এবং বক্তার কথা উদ্ধৃত করার আগে কমা () ব্যবহার করা হয়। এগুলো দেখে সহজেই প্রত্যক্ষ উক্তি চেনা যায়।
আবার, প্রত্যক্ষ উক্তি বলতে বোঝায়- যে উক্তিতে বক্তার কথাগুলো অবিকল (যেমন বলা হয়েছে ঠিক তেমন) উদ্ধৃতি চিহ্নের মধ্যে লেখা হয়।প্রশ্নে প্রদত্ত বাক্য:
- বাবু বলিলেন 'বুঝেছ উপেন এ জমি লইব কিনে'।[এখানে বাবুর বলা কথাগুলো উদ্ধৃতি চিহ্ন (' ') এর ভিতরে রাখা হয়েছে। কথাগুলো অবিকল তুলে ধরা হয়েছে। তাই এটি প্রত্যক্ষ উক্তি।]
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। - পারমানবিক বোমার আবিস্কারক কে?
- আইনস্টাইন
- ওপেনহাইমার
- অটোহ্যান
- রোজেনবার্গ
• রবার্ট ওপেনহাইমার:
- জুলিয়াস রবার্ট ওপেনহাইমার এর জন্ম ২২ এপ্রিল, ১৯০৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে।
- রবার্ট ওপেনহাইমার পারমাণবিক বোমা আবিষ্কার করেন।
- রবার্ট ওপেনহেইমার নিউ মেক্সিকোতে লস আলামোসের ল্যাবরেটরির পরিচালক ছিলেন।
- সেখানে তিনি পরমাণু বোমার নকশা করেছিলেন।
- তাকে 'Father of Atomic Bomb' হিসেবেও অভিহিত করা হয়।
- পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয় ইউরেনিয়াম-২৩৫।
- মৃত্যু: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৭ সালে নিউ জার্সির প্রিন্সটনে।উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল।
- এই প্রকল্পের নাম ছিল 'ম্যানহাটান প্রজেক্ট'।
- সেই বোমা তৈরির প্রধান বিজ্ঞানী ছিলেন রবার্ট ওপেনহাইমার।
- জাপানের দুটি শহরে এই বোমা ফেলার পর বিপুল প্রাণহানি আর ধ্বংসলীলা ঘটেছিল।
- ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ জাপানের হিরোশিমা শহরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম লিটলবয় নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ ফ্যাটম্যান নামের বোমা নিক্ষেপ করা হয় নাগাসাকি শহরে।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। - 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' নামক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ কত সালে ঘটে?
- বাংলা ১৭০৬ সালে
- বাংলা ১৩৭৬ সালে
- বাংলা ১১৭৬ সালে
- বাংলা ১৮৭৬ সালে
• ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
- 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' বাংলার ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ।
- ১১৭৬ বঙ্গাব্দে (ইংরেজি ১৭৭০ সাল) এই দুর্ভিক্ষ হয় বলে একে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ বলা হয়।
⇒ প্রেক্ষাপট: ১৭৬৯ সালের শেষের দিকে বর্ষা ব্যর্থ হয় এবং ১৭৭০ সালে তীব্র খরা দেখা দেয়। ফলে ধানের ফসল ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়। এর সাথে যুক্ত হয় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অত্যধিক রাজস্ব আদায় নীতি, খাদ্য মজুতদারি ও লুণ্ঠন। ফলে খাদ্যের মূল্য আকাশছোঁয়া হয়ে যায় এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ না খেয়ে মারা যায়।
- এই দুর্ভিক্ষে তৎকালীন বাংলার মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ মারা যায়।
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলার ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর ছিলেন জন কার্টিয়ার।
- তখন দিল্লীর সম্রাট ছিলেন শাহ আলম।
তথ্যসূত্র:
i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
ii) Academic Paper: “The British East India Company and the Great Bengal Famine of 1770”
iii) Famine Tales from India and Britain. (Link) - একটি চাকার ব্যাসার্ধ 7 cm হলে 44 km দূরত্ব অতিক্রম করতে চাকাটিকে কতবার ঘুরতে হবে? (π = 22/7)
- 2000
- 10000
- 70000
- 100000
প্রশ্ন: একটি চাকার ব্যাসার্ধ 7 cm হলে 44 km দূরত্ব অতিক্রম করতে চাকাটিকে কতবার ঘুরতে হবে? (π = 22/7)
সমাধান:
দেওয়া আছে,
চাকার ব্যাসার্ধ = 7 cm
চাকার পরিধি = 2πr cm
= {2 × (22/7) × 7} cm
= 44 cm
= 0.44 m
আমরা জানি,
1 km = 1000 m
∴ 44 km = 44000 mএকটি চাকা একবার ঘুরলে তার পরিধির সমান দুরত্ব অতিক্রম করে।
এখন,
0.44 m পথ অতিক্রম করতে চাকাটি ঘুরে = 1 বার
∴ 1 m পথ অতিক্রম করতে চাকাটি ঘুরে = 1/0.44 বার
∴ 44000 m পথ অতিক্রম করতে চাকাটি ঘুরে = (1 × 44000)/0.44 বার
= 100000 বার। - একজন বিক্রেতা টাকায় 5 টি লেবু বিক্রয় করে 40% লাভ করে। সে টাকায় কয়টি লেবু ক্রয় করেছিল?
- 9
- 6
- 7
- 3
প্রশ্ন: একজন বিক্রেতা টাকায় 5 টি লেবু বিক্রয় করে 40% লাভ করে। সে টাকায় কয়টি লেবু ক্রয় করেছিল?
সমাধান:
ধরি,
বিক্রেতা 1 টাকায় x টি লেবু ক্রয় করে
∴ প্রতি লেবুর ক্রয়মূল্য = 1/x টাকা
আবার,
1 টাকায় লেবু বিক্রি করে = 5 টি
∴ প্রতি লেবুর বিক্রয়মূল্য = 1/5 টাকা
40% লাভে,
ক্রয়মূল্য 100 টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = (100 + 40) টাকা = 140 টাকা
∴ ক্রয়মূল্য 1 টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = 140/100 টাকা
= 1.4 টাকা
শর্তমতে,
বিক্রয়মূল্য = 1.4 × ক্রয়মূল্য
বা, 1/5 = 1.4 × (1/x)
বা, 1/5 = 1.4/x
বা, x = 1.4 × 5
∴ x = 7
∴ সে টাকায় লেবু ক্রয় করেছিল = 7 টি। - একটি ঘনকের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল 384 বর্গসেমি হলে এর আয়তন কত?
- 512 cm³
- 64 cm²
- 512 cm²
- 64 cm³
প্রশ্ন: একটি ঘনকের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল 384 বর্গসেমি হলে এর আয়তন কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
ঘনকের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল, S = 384 বর্গ সেমিআমরা জানি,
ঘনকের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল, S = 6a2
⇒ 6a2 = 384
⇒ a2 = 384/6
⇒ a2 = 64
⇒ a2 = 82
∴ a = 8 সেমি
আমরা জানি,
ঘনকের আয়তন, V = a3
= 83
= 512 ঘন সেমি∴ ঘনকটির আয়তন = 512 ঘন সেমি (cm3)।
- একটি পেন্সিলের 1/8 অংশ কালো, অবশিষ্টাংশের অর্ধেক সাদা এবং বাকি 7/2 সেমি নীল হলে পেন্সিলটির দৈর্ঘ্য কত?
- 6 cm
- 7 cm
- 11 cm
- 8 cm
প্রশ্ন: একটি পেন্সিলের 1/8 অংশ কালো, অবশিষ্টাংশের অর্ধেক সাদা এবং বাকি 7/2 সেমি নীল হলে পেন্সিলটির দৈর্ঘ্য কত?
সমাধান:
ধরি,
পেন্সিলের মোট দৈর্ঘ্য = x cm
কালো অংশ = x এর 1/8 অংশ = x/8 অংশ
অবশিষ্ট অংশ = x - (x/8) অংশ = 7x/8 অংশ
সাদা অংশ (অবশিষ্টের অর্ধেক) = (1/2) × 7x/8 অংশ = 7x/16 অংশ
বাকি নীল অংশ = 7/2 অংশ
প্রশ্নমতে,
কালো + সাদা + নীল = পেন্সিলের মোট দৈর্ঘ্য
বা, (x/8) + (7x/16) + (7/2) = x
বা, (2x + 7x)/16 + (7/2) = x
বা, (9x/16) + (7/2) = x
বা, 7/2 = x - (9x/16)
বা, 7/2 = (16x - 9x)/16
বা, 7/2 = 7x/16
বা, 7 × 16 = 7x × 2
বা, 14x = 112
বা, x = 112/14
∴ x = 8
∴ পেন্সিলের মোট দৈর্ঘ্য = 8 cm। - কোন গ্যাস অগ্নি নির্বাপক হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
- CO
- SO2
- CO2
- NO2
• কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) গ্যাস অগ্নি নির্বাপক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি দহনকে বাধা দেয় এবং অক্সিজেন সরিয়ে আগুন নেভায়।
• অগ্নি নির্বাপন:
- আগুন জ্বলতে হলে জ্বালানি, অক্সিজেন ও তাপ—এই তিনটি উপাদান প্রয়োজন হয়, যাকে Fire Triangle বলা হয়।
- অগ্নি নির্বাপক পদার্থ এই তিনটির যেকোনো একটি সরিয়ে আগুন নেভায়।• CO2 গ্যাসের ভূমিকা:
- CO2 দাহ্য নয় এবং দহনকে সহায়তা করে না।
- এটি আগুনের চারপাশে একটি স্তর তৈরি করে অক্সিজেনের প্রবাহ বন্ধ করে দেয়।
- ফলে আগুন জ্বলার জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের অভাব ঘটে এবং আগুন নিভে যায়।• অন্যান্য অপশন:
- CO → বিষাক্ত গ্যাস, অগ্নি নির্বাপক হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
- SO2 → বিষাক্ত গ্যাস, শিল্পে ব্যবহৃত হয়, অগ্নি নির্বাপক নয়।
- NO2 → বিষাক্ত গ্যাস, অগ্নি নির্বাপক হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।উৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications, - বৈদ্যুতিক বাতির মধ্যে কোন নিষ্ক্রিয় গ্যাস থাকে?
- O2
- N2
- H2
- Ar
• বৈদ্যুতিক বাতির মধ্যে নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে আর্গন (Ar) ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি ফিলামেন্টকে অক্সিডেশন থেকে রক্ষা করে।
• বৈদ্যুতিক বাতি:
- বৈদ্যুতিক বাতিতে একটি টাংস্টেন ফিলামেন্ট থাকে, যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হলে তা উত্তপ্ত হয়ে আলো উৎপন্ন করে।
- ফিলামেন্টকে সুরক্ষিত রাখতে বাতির ভেতর বিশেষ গ্যাস ভরা থাকে।• নিষ্ক্রিয় গ্যাসের ভূমিকা:
- নিষ্ক্রিয় গ্যাস রাসায়নিকভাবে কম সক্রিয়, তাই সহজে বিক্রিয়া করে না।
- আর্গন (Ar) গ্যাস ফিলামেন্টের সাথে বিক্রিয়া না করে তাকে দীর্ঘস্থায়ী করে।
- এটি ফিলামেন্টের জ্বলে যাওয়া বা দ্রুত ক্ষয় হওয়া প্রতিরোধ করে।• অন্যান্য অপশন:
- O2 → সক্রিয় গ্যাস, ফিলামেন্টকে দ্রুত জ্বালিয়ে ফেলতে পারে।
- N2 → তুলনামূলক কম সক্রিয় হলেও সাধারণত ব্যবহৃত হয় না।
- H2 → দাহ্য গ্যাস, বিপজ্জনক।উৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications, - 220 V সরবরাহ লাইনের শীর্ষমান কত?
- 311 V
- 220 V
- 140 V
- 110 V
• এসি ভোল্টেজের শীর্ষমান Vmax = √2 × Vrms, তাই 220 V এর শীর্ষমান ≈ 220 × 1.414 = 311 V।
• এসি ভোল্টেজ:
- গৃহস্থালী লাইনের ভোল্টেজ সাধারণত RMS (Root Mean Square) মানে প্রকাশ করা হয়।
- শীর্ষমান (Peak Value) হলো ভোল্টেজের সর্বোচ্চ মান।• সূত্র:
Vmax = √2 × Vrms
বা, Vmax = 1.414 × 220
∴ Vmax ≈ 311 V∴ শীর্ষমান ≈ 311 V
উৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications,
৩) পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)। - কোনটি মৌলিক গেট নয়?
- OR
- AND
- NAND
- NOT
• NAND মৌলিক গেট নয়; মৌলিক গেট হলো AND, OR ও NOT, যেগুলো থেকে অন্যান্য গেট গঠন করা যায়।
• লজিক গেট:
- লজিক গেট হলো ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সের মৌলিক উপাদান, যা বাইনারি ইনপুট (0, 1) নিয়ে নির্দিষ্ট লজিক অনুযায়ী আউটপুট প্রদান করে।
- এগুলো কম্পিউটার, ক্যালকুলেটর, ডিজিটাল সার্কিট ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।• মৌলিক (Basic) গেট:
- AND, OR এবং NOT গেটকে মৌলিক গেট বলা হয়।
- AND গেটে আউটপুট 1 হয় তখনই, যখন সব ইনপুট 1 হয়।
- OR গেটে যেকোনো একটি ইনপুট 1 হলেই আউটপুট 1 হয়।
- NOT গেট ইনপুটের বিপরীত আউটপুট প্রদান করে (0 → 1, 1 → 0)।
- এই তিনটি গেট দিয়ে যেকোনো জটিল লজিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব।• Derived (উৎপন্ন) গেট:
- NAND, NOR, XOR ইত্যাদি গেট মৌলিক গেটের সমন্বয়ে তৈরি হয়।
- NAND গেট মূলত AND গেটের আউটপুটকে NOT গেট দিয়ে উল্টে তৈরি করা হয়।উৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications,
৩) পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)। - 2 eV সমান কত জুল?
- 1.6 × 10-19 J
- 3.2 × 10-19 J
- 4.8 × 10-19 J
- 6.4 × 10-19 J
• ইলেকট্রন ভোল্ট (eV):
- ইলেকট্রন ভোল্ট হলো শক্তির একটি একক, যা একটি ইলেকট্রন 1 ভোল্ট বিভব পার্থক্য অতিক্রম করলে যে শক্তি অর্জন করে।
আমরা জানি,
1 eV = 1.6 × 10-19 J
বা, 2 eV = 2 × 1.6 × 10-19 J
∴ 2 eV = 3.2 × 10-19 Jউৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications,
৩) পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)। - 30 V এর একটি ব্যাটারির এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে 60 C চার্জকে প্রবাহিত করতে কি পরিমান কাজ করতে হবে?
- 30 J
- 60 J
- 90 J
- 1800 J
দেওয়া আছে,
ভোল্টেজ, V = 30 V,
চার্জ, Q = 60 C
আমরা জানি,
কাজের পরিমাণ, W = VQ
বা, W = 30 × 60
∴ W = 1800 J∴ কাজের পরিমাণ = 1800 J
উৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications,
৩) পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)। - অ্যামিটারের আসল নাম কি?
- মাল্টিমিটার
- গ্যালভানোমিটার
- ভোল্টমিটার
- অ্যাম্পিয়ার মিটার
• অ্যামিটারের আসল নাম হলো অ্যাম্পিয়ার মিটার (Ampere meter), কারণ এটি তড়িৎ প্রবাহকে অ্যাম্পিয়ার এককে পরিমাপ করে।
• অ্যামিটার:
- অ্যামিটার হলো তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপক যন্ত্র, যা বর্তনীর সাথে সিরিজে যুক্ত করা হয়।
- এটি প্রবাহের মান সরাসরি অ্যাম্পিয়ার এককে নির্দেশ করে।• নামের ব্যাখ্যা:
- “Ampere” হলো তড়িৎ প্রবাহের SI একক এবং “meter” অর্থ পরিমাপক যন্ত্র।
- তাই Ampere + meter = Ammeter, অর্থাৎ অ্যাম্পিয়ার মিটার।• গ্যালভানোমিটার:
- গ্যালভানোমিটার একটি সংবেদনশীল যন্ত্র, যা ক্ষুদ্র তড়িৎ প্রবাহ সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- বাস্তবে গ্যালভানোমিটারের সাথে শান্ট রোধ যুক্ত করে অ্যামিটার তৈরি করা হয়।
- তাই গঠনগতভাবে অ্যামিটার গ্যালভানোমিটার থেকে তৈরি হলেও, “নামের দিক থেকে” অ্যামিটারের আসল নাম অ্যাম্পিয়ার মিটার।• অন্যান্য অপশন:
- মাল্টিমিটার → একাধিক বৈদ্যুতিক রাশি পরিমাপ করে।
- ভোল্টমিটার → বিভব পার্থক্য পরিমাপ করে।উৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications,
৩) পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। - একটি ট্রাসফরমারের মূখ্য কুণ্ডলীর পাকসংখ্যা 30, ভোল্টেজ 210 V; এর গৌণ কুণ্ডলীর পাকসংখ্যা 100 হলে, ভোল্টেজ কত হবে?
- 700 V
- 63 V
- 693 V
- 500 V
প্রশ্ন: একটি ট্রাসফরমারের মূখ্য কুণ্ডলীর পাকসংখ্যা 30, ভোল্টেজ 210 V; এর গৌণ কুণ্ডলীর পাকসংখ্যা 100 হলে, ভোল্টেজ কত হবে?
সমাধান:
আমরা জানি, ট্রান্সফরমারের ক্ষেত্রে,
Vs/Vp = Ns/Np
এখানে,
মুখ্য কুণ্ডলীর পাকসংখ্যা, Np = 30
মুখ্য কুণ্ডলীর ভোল্টেজ, Vp = 210 V
গৌণ কুণ্ডলীর পাকসংখ্যা, Ns = 100
গৌণ কুণ্ডলীর ভোল্টেজ, Vs = ?
সূত্রমতে,
Vs = (Ns/Np) × Vp
⇒ Vs = (100/30) × 210
⇒ Vs = (10/3) × 210
⇒ Vs = 10 × 70
∴ Vs = 700 V - Fill in the blank: "He is married ________ a doctor".
- with
- for
- to
- by
• Correct answer: He is married to a doctor.
• Married:
- English meaning: To begin a legal relationship with someone as their husband or wife.
- Bangla meaning: বিয়ে করা, বিয়ে দেওয়া।
• কারোর সাথে বিয়ে করা অথবা বিয়ে দেওয়া অর্থে married এর সাথে to বসে।
• Example sentence:
- She is married to a teacher.
- He is married to a doctor.
- They have been married to each other for ten years.
Source: Cambridge Dictionary. - 'Bright' এর synonym নয় কোনটি?
- luminous
- vivid
- vibrant
- glance
• Bright (Adjective):
- English meaning: Full of light, shining.
- Bangla meaning: উজ্জ্বল, বুদ্ধিমান।
• উল্লিখিত অপশনগুলো,
ক) luminous - আলোকোজ্জ্বল; উজ্জ্বল।খ) vivid - উজ্জ্বল; তীব্র; সুতীব্র।
গ) vibrant - উজ্জ্বল। (রং অর্থে)
ঘ) glance - ক্ষণিক দৃষ্টি পাত; এক পরক দৃষ্টি; ঝলক।
• সুতরাং, অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় যে, 'Bright' এর synonym নয় - glance.Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.
- 'গিজগিজ' শব্দটি কোন পদের উদাহরণ?
- সর্বনাম
- বিশেষণের অতিশায়ন
- অব্যয়
- ক্রিয়াবিশেষণ
• 'গিজগিজ' দেশি ভাষার শব্দ।
- শব্দটি অব্যয় পদ।
অর্থ:
- একত্রে অবস্থানের ভাবপ্রকাশক শব্দ, গিসগিস।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। - 'আউলিয়া চাঁদ' বাগ্ধারার অর্থ কী?
- পবিত্র তিথি
- হাতের নাগালে
- বিচলিত ব্যক্তি
- দূর্লভ বস্তু
• 'আউলিয়া চাঁদ' বাগ্ধারার অর্থ- যে অল্পেই আকুল হয়/বিচলিত ব্যক্তি।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা হলো:
- 'হস্তিমূর্খ' - নিরেট মূর্খ।
- 'কেউকেটা' - বিশিষ্ট ব্যক্তি।
- 'দুধের মাছি' - সুসময়ের বন্ধু।
- 'তালকানা' - কাণ্ডজ্ঞানহীন।
- 'আদায় কাঁচকলায়' - ঘোর শত্রুতা।
- 'আকাশের চাঁদ'- দুর্লভ বস্তু।
- 'উড়নপেকে' - অপব্যয়ী।উৎস: সংসদ বাংলা অভিধান; ব্যবহারিক বাংলা অভিধান; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
- 'শ্রীশ' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- শ্রী + ঈশ
- শ্রী + ইশ
- শ্রী + শ
- শ্রি + ইশ
• স্বরসন্ধির নিয়ম:
প্রথম পদের শেষের হ্রষ-ই বা দীর্ঘ-ঈ ধ্বনির সঙ্গে দ্বিতীয় পদের প্রথম হ্রষ-ই বা দীর্ঘ-ঈ ধ্বনির যোগে দীর্ঘ-ঈ হয়। বানানে তা দীর্ঘ-ঈ-কার হয়ে আগের বর্ণে যুক্ত হয়।
যেমন:
- সতী + ঈশ = সতীশ,
- শ্রী + ঈশ= শ্রীশ,
- মহী + ঈশ্বর = মহীশ্বর,
- ফণী + ঈশ্বর = ফণীশ্বর ইত্যাদি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। - 'সন্নিধান' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ব্যবধান
- প্রতিদান
- অন্তর্ধান
- বর্ধমান
• 'সন্নিধান' শব্দের অর্থ- নৈকট্য, নিকটে অবস্থান, আগমন, আশ্রয়।
• 'ব্যবধান' শব্দের অর্থ- আড়াল, দূরত্ব, তিরোধান, আবরণ।
• 'প্রতিদান' শব্দের অর্থ- দানের বদলে দান প্রত্যুপকার, প্রত্যপণ, পরিশোধ।
• 'অন্তর্ধান' শব্দের অর্থ- তিরোধান, পলায়ন।
• 'বর্ধমান' শব্দের অর্থ- বাড়ছে এমন, বৃদিধিশীল (কৃমবর্ধমান)।
সুতরাং, 'সন্নিধান' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - ব্যবধান।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। - আটলান্টিক মহাসাগরের নামকরণ করা হয় কার নাম অনুসারে?
- গ্রিক দেবতা
- রোমান সম্রাট
- একজন নাবিক
- একটি দ্বীপ
• আটলান্টিক মহাসাগরের নামকরণ:
- আটলান্টিক মহাসাগরের নামকরণ করা হয়েছে গ্রিক পুরাণের টাইটান গ্রীক দেবতা অ্যাটলাস’ (Atlas)-এর নাম অনুসারে।- গ্রিক শব্দ “Atlantis thalassa” যার অর্থ “Sea of Atlas” বা “অ্যাটলাসের সমুদ্র” থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের নাম এসেছে।
- গ্রিক পুরাণ অনুযায়ী, অ্যাটলাস ছিলেন একজন টাইটান যাকে দেবতা জিউস অনন্তকাল ধরে আকাশকে নিজের কাঁধে বহন করার শাস্তি দিয়েছিলেন।
- খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে গ্রিক কবি স্টেসিকরাস এবং পরবর্তীতে বিখ্যাত ইতিহাসবিদ হেরোডোটাস তাদের লেখায় এই নামের প্রথম উল্লেখ করেন।
- পরবর্তীকালে রোমান ও ইউরোপীয় নাবিক ও মানচিত্রকাররা এই নামটি গ্রহণ করে এবং আধুনিক যুগে এটি Atlantic Ocean নামে সারা বিশ্বে পরিচিত হয়।
উল্লেখ্য,
- টাইটান হলো গ্রিক পুরাণের এক শক্তিশালী ও প্রাচীন দেবকুল।
- অ্যাটলাস ছিলেন এই টাইটান বংশেরই একজন অত্যন্ত শক্তিশালী সদস্য।
তথ্যসূত্র:
i) Britannica.
ii) Ocean Conservancy. (Link) - কোন শক্তি দ্বারা মহেশখালী বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিচালিত হবে?
- কয়লা
- গ্যাস
- পানি-বিদ্যুৎ
- সৌর শক্তি
• মহেশখালী বিদ্যুৎ প্রকল্প:
- অবস্থান: কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা ইউনিয়নে প্রায় ১,৪১৪ একর জমিতে এটি অবস্থিত।
- উৎপাদন ক্ষমতা: মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১,২০০ মেগাওয়াট। এটি ৬০০ মেগাওয়াটের দুটি পৃথক ইউনিটে বিভক্ত।
- জ্বালানি: কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- প্রযুক্তি: পরিবেশ দূষণ কমাতে এতে 'আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল' প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন এবং তুলনামূলক কম কার্বন নির্গত করে।
তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। - বাংলাদেশে PGCB গঠিত হয় কোন সালে?
- ১৯৯২
- ১৯৯৬
- ২০০১
- ২০০৩
• পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (PGCB):
- পূর্ণরূপ: Power Grid Company of Bangladesh Ltd.
- বর্তমানে Power Grid Bangladesh PLC নামে পরিচিত
- বাংলাদেশের একমাত্র জাতীয় ট্রান্সমিশন ইউটিলিটি।
- গঠন: ১৯৯৬ সালে।
- গঠনের উদ্দেশ্য:
• সারা বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন এবং গ্রিড উপকেন্দ্রগুলোর মালিকানা, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।
• বিদ্যুৎ খাতে দক্ষতা, জবাবদিহিতা ও বাণিজ্যিক পরিবেশ সৃষ্টি করা।
তথ্যসূত্র: পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট। - বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ Solar Power Plant কোথায় অবস্থিত?
- ঢাকা জেলায়
- সিলেট জেলায়
- গাইবান্ধা জেলায়
- চট্টগ্রাম জেলায়
• বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট:
- প্রকল্পের নাম: তিস্তা সোলার লিমিটেড।
- নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান: বেক্সিমকো পাওয়ার লিমিটেড।
- অবস্থান: সুন্দরগঞ্জ উপজেলা, গাইবান্ধা জেলা, রংপুর বিভাগ।
- ক্ষমতা: ২০০ মেগাওয়াট।
- আয়তন: ৬৫০ একর জমি।
- উদ্বোধন: ২০২৩ সালে।
- এটি বর্তমানে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট। [ব্যাখ্যা আপডেট - এপ্রিল, ২০২৬]
তথ্যসূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও বেক্সিমকো পাওয়ার লিমিটেড। -

- a
- ab
- - abc
- abc
প্রশ্ন:

সমাধান:
= a(bc - 0) - 0(0 - 0) + 0(0 - 0)
= abc - 0
= abc - মূলবিন্দুগামী ও y = 3 সরলরেখার উপর লম্বরেখার সমীকরণ কোনটি?
- = 0
- = 1
- = 0
- = 1
প্রশ্ন: মূলবিন্দুগামী ও y = 3 সরলরেখার উপর লম্বরেখার সমীকরণ কোনটি?
সমাধান:
আমরা জানি, y = 3 রেখাটি x-অক্ষের সমান্তরাল একটি অনুভূমিক রেখা।
একটি অনুভূমিক রেখার ওপর লম্ব রেখা সবসময় একটি উলম্ব (Vertical) রেখা হয়।
উলম্ব রেখার সাধারণ সমীকরণ হলো, x = a
যেহেতু রেখাটি মূলবিন্দু (0, 0) দিয়ে যায়, তাই x এর মান হবে 0।
∴ নির্ণেয় লম্ব রেখার সমীকরণ: x = 0 - P মানের তিনটি সমান একতলীয় বল সাম্যাবস্থায় থাকলে এদের মধ্যবর্তী কোণ কত?
- ৬০°
- ৯০°
- ১২০°
- ১৮০°
প্রশ্ন: P মানের তিনটি সমান একতলীয় বল সাম্যাবস্থায় থাকলে এদের মধ্যবর্তী কোণ কত?
সমাধান:
আমরা জানি, তিনটি সমান একতলীয় বল সাম্যাবস্থায় থাকতে হলে তাদের মধ্যবর্তী কোণ সমান হবে।
ধরি, তিনটি সমান বল P, P এবং P কোনো বিন্দুতে সাম্যাবস্থায় আছে এবং এদের মধ্যবর্তী কোণগুলো যথাক্রমে α, β এবং γ।
লামির সূত্রানুসারে,
P/sinα = P/sinβ = P/sinγ
⇒ sinα = sinβ = sinγ
∴ α = β = γযেহেতু একটি বিন্দুর চারদিকের মোট কোণ ৩৬০°,
সেহেতু, ৩α = ৩৬০°
⇒ α = ৩৬০°/৩
∴ α = ১২০°
অর্থাৎ, বলগুলোর মধ্যবর্তী কোণ ১২০°। - AlCl3 দ্রবণে কত বিদ্যুৎ চালনা করলে এক মোল Al সঞ্চিত হবে?
- 0.33 F
- 1 F
- 3 F
- 6 F
প্রশ্ন: AlCl3 দ্রবণে কত বিদ্যুৎ চালনা করলে এক মোল Al সঞ্চিত হবে?
সমাধান:
AlCl3 দ্রবণে Al3+ আয়ন থাকে।
ক্যাথোডে বিক্রিয়া: Al3+ + 3e- → Al
অর্থাৎ, 1 মোল Al উৎপন্ন হতে 3 মোল ইলেকট্রন প্রয়োজন।আমরা জানি, 1 ফ্যারাডে (F) = 1 মোল ইলেকট্রন।
∴ 3 মোল ইলেকট্রন = 3 F∴ এক মোল Al সঞ্চিত হতে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ = 3 F
- হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলে তড়িৎ বিশ্লেষের মধ্য দিয়ে কোনটি চলাচল করে?
- H2
- H+
- O2
- O2-
• হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলে প্রোটন (H+) ইলেকট্রোলাইটের মধ্য দিয়ে চলাচল করে।
• হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল:
- হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল হলো একটি ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল ডিভাইস, যা হাইড্রোজেন (H2) ও অক্সিজেন (O2) এর বিক্রিয়ার মাধ্যমে সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে।
- হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলে (বিশেষ করে Proton Exchange Membrane fuel cell) ইলেক্ট্রোলাইটের মধ্য দিয়ে প্রোটন (H+) চলাচল করে।
- এই সেলে উপজাত হিসেবে কেবল পানি এবং তাপ উৎপন্ন হয়, যা পরিবেশের কোনো ক্ষতি করে না।
- প্রচলিত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তুলনায় ফুয়েল সেলের কর্মদক্ষতা অনেক বেশি (প্রায় ৭০-৮০%)।
- যতক্ষণ পর্যন্ত জ্বালানি (হাইড্রোজেন) সরবরাহ করা হবে, ততক্ষণ এটি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। এটি রিচার্জ করার প্রয়োজন হয় না।
- মহাকাশযানে বিদ্যুতের উৎস এবং পানীয় জলের চাহিদা মেটাতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে পরিবেশবান্ধব গাড়ি ও বাস চলাচলেও এর ব্যবহার বাড়ছে।
উৎস: ব্রিটানিকা [link] - কোনটি মৃদু ইলেকট্রোলাইট?
- NH4OH
- HCI
- H2SO4
- NaOH
• NH4OH হলো একটি মৃদু ইলেকট্রোলাইট (Weak Electrolyte)।
• মৃদু ইলেকট্রোলাইট (Weak Electrolyte):
- ইলেকট্রোলাইট বা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থগুলো জলীয় দ্রবণে বিয়োজিত হওয়ার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে দুই প্রকার হয়। যে পদার্থগুলো জলীয় দ্রবণে খুব সামান্য পরিমাণে বিয়োজিত হয়, তাদের মৃদু ইলেকট্রোলাইট বলা হয়।
- NH4OH একটি দুর্বল ক্ষার (weak base), আংশিকভাবে আয়নিত হয়, তাই এটি মৃদু ইলেকট্রোলাইট।
- মৃদু ইলেকট্রোলাইটগুলো জলীয় দ্রবণে আংশিক বিয়োজিত হয়, ফলে দ্রবণে আয়নের ঘনত্ব কম থাকে।
- আয়নের সংখ্যা কম হওয়ার কারণে এদের বিদ্যুৎ পরিবাহিতা শক্তিশালী ইলেকট্রোলাইটের তুলনায় অনেক কম হয়।
- মৃদু ইলেকট্রোলাইটের বিয়োজন একটি উভমুখী প্রক্রিয়া এবং এটি দ্রবণে একটি সাম্যাবস্থা বজায় রাখে।
- এদের বিয়োজন মাত্রা (α) সাধারণত ১-এর চেয়ে অনেক কম হয়।অন্যদিকে,
• তীব্র ইলেকট্রোলাইট:
- যারা জলীয় দ্রবণে প্রায় সম্পূর্ণ আয়নিত (বিয়োজিত) হয় এবং বেশি তড়িৎ পরিবহন করে। যেমন: KCl, NaCl, HCl, H2SO4, NaOH, KOH ইত্যাদি।
উৎস:
১। রসায়ন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২। ব্রিটানিকা [link] - কোনো বালের ফিলামেন্টের রোধ 40 Ω। এর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য 200 V হলে এর মধ্য দিয়ে কত তড়িৎ প্রবাহিত হবে?
- 2 A
- 3 A
- 4 A
- 5 A
প্রশ্ন: কোনো বালের ফিলামেন্টের রোধ 40 Ω। এর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য 200 V হলে এর মধ্য দিয়ে কত তড়িৎ প্রবাহিত হবে?
সমাধান:
আমরা জানি, ওহমের (Ohm)-এর সূত্র অনুযায়ী V = IR
∴ I = V/R
এখানে, V = 200 V এবং R = 40 Ω
∴ I = 200/40
= 5 A∴ তড়িৎ প্রবাহ = 5 A
- কোনো বাড়ির মিটারে 5 A -220 V লেখা আছে। 90 W এর কতগুলো বাল্ব নিরাপদে ব্যবহার করা যাবে?
- ১২ টি
- ২২ টি
- ৩৩ টি
- ৪৪ টি
প্রশ্ন: কোনো বাড়ির মিটারে 5 A - 220 V লেখা আছে। 90 W এর কতগুলো বাল্ব নিরাপদে ব্যবহার করা যাবে?
সমাধান:
মিটারে লেখা আছে 5 A - 220 V
অর্থাৎ, এই মিটার সর্বোচ্চ 5 অ্যাম্পিয়ার কারেন্ট নিরাপদে সহ্য করতে পারে।আমরা জানি,
মোট ক্ষমতা P = VI
∴ সর্বোচ্চ ক্ষমতা = 220 × 5 = 1100 W
প্রতিটি বাল্বের ক্ষমতা = 90 W
∴ বাল্বের সংখ্যা = 1100/90
≈ 12.22যেহেতু নিরাপদ ব্যবহারের জন্য পূর্ণসংখ্যা নিতে হবে,
∴ সর্বোচ্চ 12 টি বাল্ব ব্যবহার করা যাবে। (কারণ 13 টি বাল্ব হলে মোট ক্ষমতা হয় 1170 ওয়াট, যা 1100 ওয়াটের বেশি হয়ে যাবে এবং মিটার/লাইন ওভারলোড হয়ে যাবে)।∴ উত্তর: ক) ১২ টি
- নিচের কোনটি সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস?
- মোটর
- ট্রান্সফরমার
- জেনারেটর
- ট্রানজিস্টর
• সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী ডিভাইস হলো এমন ইলেকট্রনিক উপাদান যা সিলিকন বা জার্মেনিয়ামের মতো পদার্থ দিয়ে তৈরি এবং তড়িৎ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা রাখে। ট্রানজিস্টর হলো আধুনিক ইলেকট্রনিক্সের অন্যতম প্রধান সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস।
- এটি সুইচ হিসেবে, অ্যামপ্লিফায়ার হিসেবে এবং সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।• অর্ধ-পরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর (Semiconductor):
- আধুনিক জগৎ এবং আধুনিক সভ্যতা পুরোটাই ইলেকট্রনিকসের উপরে ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এবং এই ইলেকট্রনিকসের জন্য যদি কোনো এক ধরনের পদার্থের বলা হয় তাহলে সেইই পদার্থটি হবে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর।
- যে সব পদার্থের তড়িৎ পরিবহণ ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি তাদেরকে বলা হয় অর্ধপরিবাহী পদার্থ।
অর্থাৎ, যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশী এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে।
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি।
- সিলিকন হচ্ছে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সেমিকন্ডাক্টর পদার্থ।
- পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ, তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায়, আর অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়।• ট্রানজিস্টর:
- ট্রানজিস্টার হলো এমন একটি ব্যবস্থা যাতে দুটি চওড়া p-টাইপ কেলাসের মধ্যে একটি সরু n-টাইপ কেলাস যুক্ত থাকে অথবা দুটি চওড়া -টাইপ কেলাসের মধ্যে একটি সরু p-টাইপ কেলাস যুক্ত থাকে।
- প্রকৃত পক্ষে একটি অর্ধপরিবাহী খণ্ডের দুই প্রান্তে চওড়া করে তিনযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে p-টাইপ কেলাস এবং এদের মধ্যে সরু করে পাঁচযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে n-টাইপ কেলাস গঠনের মাধ্যমে p-n-p নিঃসারক ভূমি সংগ্রাহক ট্রানজিস্টার তৈরি করা হয়
- ট্রানজিস্টরে সেমিকন্ডাক্টর হিসেবে ব্যবহৃত হয় সিলিকন ও জার্মেনিয়াম।
- ট্রানজিস্টরে তিনটি টার্মিনাল থাকে।
- যথা: এমিটার, বেস এবং কালেক্টর।
- ট্রানজিস্টর হলো তিন প্রান্ত (Terminal) বিশিষ্ট একটি ডিভাইস (Device)।
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে প্রথম এর আবিষ্কার হয়।
- আবিষ্কারের পর থেকেই ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক জগতে বিপ্লবের সৃষ্টি করেছে।
- ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির এটি একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক।
- সাধারণ ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন এবং হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক থাকে বলে একে বাইপোলার ট্রানজিস্টর বলে।
- ইলেকট্রনিক বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়।উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- যে যন্ত্রের সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপাস্তরিত করা যায় তার নাম কি?
- বৈদ্যুতিক মোটর
- ডায়ানামো
- ট্রান্সফরমার
- আর্মেচার
• যে যন্ত্রের সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে (Mechanical Energy) তড়িৎ বা বৈদ্যুতিক শক্তিতে (Electrical Energy) রূপান্তরিত করা হয়, তাকে ডায়ানামো বা জেনারেটর বলা হয়।
• জেনারেটর:
- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করার যন্ত্রকে জেনারেটর বলে।
- তড়িৎ চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে জেনারেটর তৈরি করা হয়।জেনারেটর দুই ধরনের হয়ে থাকে। যেমন-
১। ডি. সি. জেনারেটর ও
২। এ. সি. জেনারেটর।- এ. সি. জেনারেটরই বহুল ব্যবহৃত হয়।
- মোটর ও জেনারেটরের গঠন প্রায় একই।
- মোটরে তড়িৎ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যান্ত্রিক শক্তি সৃষ্টি করা হয়, আর জেনারেটরে যান্ত্রিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তড়িৎ শক্তি সৃষ্টি করা হয়।উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- 5 µF, 10 µF এবং 15 F এর তিনটি ধারক শ্রেণী সমবায়ে সংযুক্ত আছে। এদের তুল্য ধারকত্ব কত?
- 2.73 µF
- 3.73 µF
- 7.32 µF
- 30 µF
প্রশ্ন: 5 µF, 10 µF এবং 15 µF এর তিনটি ধারক শ্রেণী সমবায়ে সংযুক্ত আছে। এদের তুল্য ধারকত্ব কত?
সমাধান:
শ্রেণী (Series) সমবায়ে ধারকের ক্ষেত্রে,
1/C = (1/C1) + (1/C2) + (1/C3)
এখানে,
C1 = 5 µF, C2 = 10 µF, C3 = 15 µF
∴ 1/C = (1/5) + (1/10) + (1/15)
= (6 + 3 + 2)/30
= 11/30
∴ C = 30/11 µF
= 2.72727...
= 2.73 µF∴ তুল্য ধারকত্ব = 2.73 µF
- 25 W, 40 W, 60 W ও 100 W এর বৈদ্যুতিক বাল্বকে সিরিজে যুক্ত করে তড়িৎ সংযোগ দেওয়া হলে কোন বাল্ব উজ্জ্বলতরভাবে জ্বলবে?
- 25 W বাল্ব
- 40 W বাল্ব
- 60 W বাল্ব
- 100 W বাল্ব
প্রশ্ন: 25 W, 40 W, 60 W ও 100 W এর বৈদ্যুতিক বাল্বকে সিরিজে যুক্ত করে তড়িৎ সংযোগ দেওয়া হলে কোন বাল্ব উজ্জ্বলতরভাবে জ্বলবে?
সমাধান:
আমরা জানি, বাল্বের রোধ R = V2/P
ধরি, সকল বাল্ব এর একই ভোল্টেজ V
তাহলে,
25 W বাল্বের রোধ, R1 = V2/25
40 W বাল্বের রোধ, R2 = V2/40
60 W বাল্বের রোধ, R3 = V2/60
100 W বাল্বের রোধ, R4 = V2/100
অতএব, R1 > R2 > R3 > R4আবার,
সিরিজ সংযোগে একই তড়িৎ প্রবাহিত হয়।
প্রত্যেক বাল্বে ক্ষমতা, P = I2R
∴ যে বাল্বের রোধ বেশি, সেটি বেশি উজ্জ্বলভাবে জ্বলবে।
এখানে 25 W বাল্বের রোধ সবচেয়ে বেশি।
সুতরাং, 25 W বাল্ব সবচেয়ে উজ্জ্বলভাবে জ্বলবে।∴ উত্তর: ক) 25 W বাল্ব
- একটি আদর্শ ক্যাপাসিটরের Power Factor কত?
- 0
- 1
- -1
- ∝
• একটি আদর্শ ক্যাপাসিটরের ক্ষেত্রে কারেন্ট এবং ভোল্টেজের মধ্যে দশা পার্থক্য বা ফেজ ডিফারেন্স (Phase Difference) থাকে ৯০ ডিগ্রি, যার ফলে এর পাওয়ার ফ্যাক্টর শূন্য হয়।
- Capacitor (ধারক) হলো একটি ইলেকট্রনিক উপাদান, যা বৈদ্যুতিক চার্জ (Electric Charge) সংরক্ষণ করতে পারে।
- Power Factor = cos(θ) ; যেখানে θ = ৯০° ∴ cos(৯০°) = ০।
- তাই আদর্শ ক্যাপাসিটরের Power Factor ০।• ধারক (Capacitor):
- যে বস্তু আধান ধারণ অর্থাৎ সঞ্চয় করে রাখে, তাকে আধান ধারক বা শুধু ধারক বলে।
- এটি দুটি পরিবাহী প্লেটের মধ্যে একটি ডাই-ইলেকট্রিক (Non-conductive insulating material) পদার্থ দ্বারা গঠিত হয়।
- যখন ক্যাপাসিটরের দুই প্লেটে ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হয়, তখন এটি চার্জ জমা করে এবং প্রয়োজনে সেই চার্জ সরবরাহ করতে পারে।
- বাস্তব ক্যাপাসিটরে সামান্য ইন্টারনাল রেজিস্ট্যান্স থাকলেও 'আদর্শ' ক্যাপাসিটরে কোনো রেজিস্ট্যান্স থাকে না, তাই পাওয়ার ফ্যাক্টর ঠিক শূন্য হয়।
- পাওয়ার ফ্যাক্টর ০ হওয়ার মানে হলো এটি কোনো প্রকৃত শক্তি (Real Power) খরচ করে না, বরং কেবল রিঅ্যাক্টিভ শক্তি (Reactive Power) আদান-প্রদান করে।• ক্যাপাসিটরের (ধারক) কাজ:
- এটি চার্জ ধরে রাখতে পারে এবং প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট সময়ে চার্জ মুক্ত করতে পারে।
- এটি AC প্রবাহকে পার করতে দেয়, কিন্তু DC প্রবাহকে বাধা দেয়।
- পাওয়ার সার্কিটে সার্কিটের সঠিক ভোল্টেজ বজায় রাখতে সাহায্য করে।উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- "তিনি কদাচিৎ মিথ্যা বলেন" - Which one is the correct English translation?
- He sometimes tells a lie
- He seldom tells a lie
- Somewhat he tells a lie
- He tells a lie sometimes
• "তিনি কদাচিৎ মিথ্যা বলেন" এর সঠিক English translation হলো - He seldom tells a lie.
• প্রদত্ত sentence টিতে "কদাচিৎ" এর ইংরেজী অর্থ হলো seldom (সাধারণত "না" অর্থ দেয়)।
- আর, sometimes এর বাংলা অর্থ হলো - কখনো-কখনো; মাঝে মাঝে,
- এবং Somewhat এর বাংলা অর্থ হলো - কিছুটা। যা "কদাচিৎ" এর অর্থের সাথে মিল নেই।
- তাই, এর সঠিক উত্তর হবে - খ) He seldom tells a lie.
Source: Accessible Dictionary. - Fill in the blank: She works six days ______ week.
- in
- for
- the
- a
• Correct answer: She works six days a week.
• Disguised preposition:
- কখনো কখনো preposition অর্থে 'a' ব্যবহৃত হয়, তখন সেই 'a' কে disguised preposition বলে।
- বাক্যটিতে for each অর্থে এখানে disguised preposition হিসেবে "a" ব্যবহৃত হয়েছে।
- সঠিক বাক্যাংশ হলো - "six days a week", যার অর্থ প্রতি সপ্তাহে ছয় দিন।
- তাই সম্পূর্ণ বাক্য: “She works six days a week.” → সে প্রতি সপ্তাহে ছয় দিন কাজ করে।
- তাই, অন্য অপশনগুলো এই বাক্যের সাথে অপ্রাসঙ্গিক।
• Example sentence:
- We have four English lessons a week.
- She works six days a week.
- It would probably take a week to hike that far.
Source: Merriam-webster Dictionary. - The sentence "The weather being hot, we cannot go out" is-
- Compound
- Complex
- Simple
- Compound-complex
• The sentence "The weather being hot, we cannot go out" is - Simple sentence.
• Simple sentence:
- A simple sentence consists of a single independent clause that expresses a complete thought.
- একটি simple sentence এ শুধুমাত্র একটি clause থাকে অর্থাৎ একটি subject এবং একটি finite verb থাকে।
- যেমন: The sun shines brightly in the sky.
• Simple Sentence চেনার উপায়:
- একটি মাত্র স্বাধীন Clause (Independent Clause) থাকে।
- Compound বা Complex Sentence-এর মতো অতিরিক্ত Clause থাকবে না।- "The weather being hot" অংশটি একটি participial phrase (absolute construction), যা কোনো clause নয়।
- Sentence টিতে শুধু একটি finite verb আছে (cannot go), তাই এটি simple sentence.
- এখানে একাধিক clause নেই, তাই এটি compound বা complex নয়।
• Other options,
• Compound sentence:
- এ ধরনের বাক্যে একের অধিক principal clause থাকে যাদেরকে co-ordinate clause বলা হয়।
- অর্থাৎ Compound sentence এ দুই বা ততোধিক principal clause বা co-ordinate clause থাকে।
- এছাড়া Compound sentence এ সাধারণত and, or, but, yet, so, therefore, otherwise, else, both --- and, either --- or, neither ---- nor, not only --- but also ইত্যাদি coordinating conjunction দ্বারা দুইটি principal clause যুক্ত থাকে।• Complex sentence:
- যে sentence এ একটি Principal clause এবং এক বা একাধিক Subordinate clause থাকে, তাকে Complex sentence বলে।
- Complex sentence এর subordinate clause এর শুরুতে সাধারণত if, though, although, as, because, since, so that, that, until, till, unless, when, why, who, which, where, how, before, after, whether, while বসে।
Source: A Passage To The English Language, S. M. Zakir Hussain. - "সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায়" – এটি কোন বর্তমান কালের উদাহরণ?
- সাধারণ বর্তমান
- ঘটমান বর্তমান
- নিত্যবৃত্ত বর্তমান
- পুরাঘটিত বর্তমান
• নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল:
স্বাভাবিক বা অভ্যস্ততা বোঝালে সাধারণ বর্তমান কালের ক্রিয়াকে নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল বলে।নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ:
ক. স্থায়ী সত্য প্রকাশে: চার আর তিনে সাত হয়; সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায়।
খ. ঐতিহাসিক বর্তমান: বাবরের মৃত্যুর পর হুমায়ুন দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।
গ. কাব্যের ভনিতায়: কাশীরাম দাস ভনে শুনে পুন্যবান।
ঘ. অনিশ্চয়তা প্রকাশে: কে জানে দেশে আবার সুদিন আসবে কি না।উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
- "চাঁদ দেখা যাচ্ছে" এই বাক্যে কোন বাচ্যের প্রয়োগ ঘটেছে?
- কর্তৃবাচ্য
- কর্মবাচ্য
- ভাববাচ্য
- কর্মকর্তৃবাচ্য
• 'চাঁদ দেখা যাচ্ছে'- এ বাক্যে কর্মকর্তৃবাচ্যের প্রয়োগ ঘটেছে।
বাক্যটি কর্মকর্তৃবাচ্য হওয়ার কারণ-
- এখানে কর্তা (দেখার কাজ যে করছে) উহ্য (অপ্রকাশিত)।
- “চাঁদ” কর্মপদ হয়েও কর্তৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করছে (যেন চাঁদ নিজেই দেখা যাচ্ছে)।
- ক্রিয়া (“দেখা যাচ্ছে”) কর্মকে অনুসরণ করে, কিন্তু পুরোপুরি কর্মবাচ্যের মতো “হওয়া/যাওয়া” দিয়ে গঠিত নয় — তাই এটি কর্মকর্তৃবাচ্যের বৈশিষ্ট্য।
সুতরাং,
“চাঁদ দেখা যাচ্ছে” বাক্যে কর্মপদটি কর্তার ভূমিকায় অবস্থান করায় এবং আসল কর্তা উহ্য থাকায় এটি কর্মকর্তৃবাচ্য।
------------------• কর্মকর্তৃবাচ্য:
যে বাক্যে কর্মপদই কর্তৃস্থানীয় বাক্য গঠন করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্যের বাক্য বলে।
যে বাক্যে কর্মকারক কর্তার মতো প্রতীয়মান হয় অর্থ্যাৎ ক্রিয়ার কর্তার মনোযোগ ব্যতীত সম্পাদিত হয়, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে।
যেমন:
- বিষয়টি ভালো শোনায় না।
- বাঁশি বাজে এ মধুর লগনে।
- সুতি কাপড় অনেক দিন টেকে।
- এসিটা চালু হলো।
- ফুল ফোটে।উল্লেখ্য,
- সাধারণত প্রাকৃতিক ঘটনামূলক ক্রিয়ায় এই বাচ্যের প্রয়োগ দেখা যায়।উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
- মহাস্থানগড়ের পুরাতন নাম কি?
- সুবর্ণ গ্রাম
- পুন্ড্রনগর
- চন্দ্রদ্বীপ
- সিংহজানী
• মহাস্থানগড়:
- বাংলাদেশের প্রাচীন সভ্যতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হচ্ছে মহাস্থানগড়।
- পাহাড়পুরের মত এখানেও বৌদ্ধ এবং হিন্দু সংস্কৃতির নিদর্শন পাওয়া গেছে।
- ধারণা করা হয়, বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে মহাস্থানগড়ই সর্বাধিক প্রাচীন।
- অবস্থান: বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে বাংলাদেশের প্রাচীনতম ও সর্ববৃহৎ নগরী পুন্ড্রনগরের অবস্থান।
- ঢাকা-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এই পুন্ড্রনগরই হচ্ছে মহাস্থানগড়।
- এর পূর্বদিকে করতোয়া নদী প্রবাহিত।
- প্রাচীন এ সভ্যতাটি উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১৫০০ মিটার এবং পূর্ব-পশ্চিমে ১৪০০ মিটার বিস্তৃত।
- উৎপত্তি: খ্রিস্টপূর্ব আনুমানিক দ্বিতীয় শতকে মহাস্থান ব্রাহ্মলিপিতে 'পুন্দনগল' এর উল্লেখ পাওয়া যায়।
- প্রত্নতাত্ত্বিক ও নৃবিজ্ঞানীদের ধারণা, এ পুন্দনগলই হচ্ছে প্রাচীন পুঞ্জের রাজধানী পুন্ড্রনগর বা মহাস্থানগড়।
- মৌর্য সম্রাট অশোকের একটি শিলালিপি ও চীনা পর্যটক হিউয়েন সাং- এর বর্ণনায় পুণ্ড্রনগরের উল্লেখ আছে।
- হিউয়েন সাং- এর বর্ণনা থেকেই আলেকজান্ডার কানিংহাম ১৮৭৯ সালে মহাস্থানকে পুণ্ড্রনগর বলে চিহ্নিত করেন।
- মহাস্থানগড়ের প্রাচীনতম নাম 'পুণ্ড্রনগর'।
অপরদিকে,
- চন্দ্রদ্বীপ বাংলাদেশের বরিশাল জেলার একটি ছোট অঞ্চল।
- সোনারগাঁও-এর প্রাচীন নাম ছিল সুবর্ণগ্রাম।
তথ্যসূত্র: সমাজ বিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচ এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মু্ক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। - বাংলাদেশের White gold কোনটি?
- ইলিশ
- পাট
- রুপা
- চিংড়ি
• সাদা সোনা / White gold:
- বঙ্গোপসাগর, মোহনা ও স্বাদুপানিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ চিংড়ি থাকায় বাংলাদেশকে চিংড়িসমৃদ্ধ দেশ বলা যায়।
- এদেশে মোট ৫৬টি প্রজাতির চিংড়ি শনাক্ত করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৩৭টি লবণাক্ত পানির, ১২টি কমলবণাক্ত পানির ও ৭টি স্বাদুপানির বাসিন্দা।
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।
উল্লেখ্য,
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- সত্তর দশকের শুরু থেকেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে।
- আশির দশকে বাংলাদেশের রপ্তানিপণ্যের তালিকায় যুক্ত হয় এ চিংড়ি।
- আশির দশকের শুরুতে আধা-লোনা পানিতে মৎস্য খামার স্থাপন প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা অঞ্চলে পোল্ডারের মধ্যে এবং কক্সবাজার অঞ্চলে লবণের সাথে চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে মৎস্য অধিদপ্তর হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করে এবং বেসরকারি পর্যায়ে চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে।তথ্যসূত্র:
i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো ও বাংলাপিডিয়া।
iv) Food and Agriculture Organisation Report.