মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় পদের নাম: মৎস্য জরিপ কর্মকর্তা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ: ২০.০১. ২০২৬ Exam Taker: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (PSC)
চাকুরী প্রস্তুতি - ৯ম থেকে ১৩তম গ্রেড · পরীক্ষার সাল ২০২৬
- নিচের কোনটি output device নয়?
- monitor
- microphone
- printer
- speaker
• microphone - 'output device' নয়।
ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি।আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- কোন বানানটি শুদ্ধ?
- নিশিথিনী
- নীশিথিনী
- নিশীথিনী
- নিশিথিনি
• 'নিশীথিনী'- বানানটি শুদ্ধ।
বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান অনুসারে,
- 'নিশীথিনী' সংস্কৃত শব্দ।
- 'নিশীথিনী' (বিশেষ্য) শব্দের অর্থ- রাত্রি; রজনী।উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান।
- বাংলা একাডেমি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ১৯৫৮
- ১৯৫৫
- ১৯৬১
- ১৮৫৫
• ১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
• বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৫ সালের ৩রা ডিসেম্বর।
- এদিন ‘বর্ধমান হাউস’-এর সম্মুখস্থ বটতলায় উদ্বোধন-অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
- পূর্ববাংলার তদানীন্তন মুখ্যমন্ত্রী জনাব আবু হোসেন সরকার ‘উদ্বোধনী ভাষণ’ পাঠ করেন।
- পূর্ববাংলার তদানীন্তন শিক্ষামন্ত্রী জনাব আশরাফ উদ্দীন আহমদ চৌধুরীও অনুষ্ঠানে ভাষণ প্রদান করেন।সূত্র: বাংলা একাডেমি ওয়েভসাইট।
- Find out the correct spelling.
- questionaire
- questionairre
- questionnairre
- questionnaire
• The correct spelling is - Questionnaire. (অপশন 'ঘ')
• Questionnaire (noun)
English Meaning: a set of printed or written questions used for gathering information from individuals.
Bangla Meaning: প্রশ্নপত্র; কোনো বিষয়ে তথ্য বা মতামত সংগ্রহের জন্য প্রস্তুতকৃত প্রশ্নমালা।
Example Sentence:
- The students were asked to fill out a questionnaire about their study habits.
- The researcher designed a detailed questionnaire to survey customer satisfaction.
Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy. - Which of the following sentences is correct?
- The speaker made the audience to listen to him.
- The speaker made the audience listen to him.
- The speaker made the audiences to listen to him.
- The speaker made the audience listening to him.
সঠিক উত্তর হলো: খ) The speaker made the audience listen to him.
- ইংরেজিতে make verb-টি causative verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এবং এর পরে bare infinitive (to ছাড়া infinitive) ব্যবহার করতে হয়।• Causative Verb
- বাক্যের Subject যে Verb গুলোর সাহায্যে নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করায় সেই Verb গুলোকে বলা হয় causative verb.
- Have, Get, Help, Let, Make ইত্যাদি হলো বহুল প্রচলিত causative verb.
- এগুলোর সাহায্যে অনেক verb- কে causative verb -এ পরিণত করা যায়।• Causative Verb হিসাবে 'Make' -এর ব্যবহার:
- Make এরপরে কোনো ব্যক্তি বা বস্তু (Action doer) থাকলে এরপরে verb -এর base form বসে।
- কাউকে কোনো কিছু করতে বাধ্য করা অর্থে Causative Verb হিসাবে Make ব্যবহার করা হয়।• Structure: Subject + make (any tense) + action doer + verb -এর base form + ext.
• More examples:
- She made me wait for an hour.
- My friend made me try the new restaurant. - Find out the correct sentence.
- Do you know where does he live?
- Do you know where did he live?
- Do you know where he lives?
- Do you know where is his living place?
সঠিক বাক্যটি - Do you know where he lives?
- Do you know where he lives?
- এর অর্থ: আপনি কি জানেন তিনি কোথায় থাকেন?• An embedded question is a question that is included inside another question or statement.
- অর্থাৎ, Embedded Question হলো এমন একটি প্রশ্ন, যা আরেকটি বাক্যের ভেতরে সংযুক্ত থাকে এবং এটি সাধারণত indirect question হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত statement বা indirect question আকারে থাকে, যেখানে স্বাভাবিক প্রশ্নবোধক কাঠামো পরিবর্তিত হয়।
- এতে সরাসরি প্রশ্নের মতো auxiliary verb (do, does, did) ব্যবহৃত হয় না।Embedded Question-এর বৈশিষ্ট্য:
- Subject-verb এর স্বাভাবিক বিন্যাস বজায় থাকে (অর্থাৎ, উল্টে যায় না)উদাহরণ:
• Direct Question: Where does he live? (সে কোথায় থাকে?)
• Embedded Question: Do you know where he lives? (তুমি কি জানো, সে কোথায় থাকে?)- তাই, Do you know where he lives? - সঠিক। এখানে "where he lives" – statement-এর মতো word order (he lives) ব্যবহার করা হয়েছে। এটিই সবচেয়ে স্বাভাবিক ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বাক্য।
Options,
ক) Do you know where does he live?
- ভুল। কারণ পরোক্ষ প্রশ্নে "does" ব্যবহার করে inversion করা যায় না।খ) Do you know where did he live?
- ভুল। "did" ব্যবহার করা হয়েছে, যা past tense-এর জন্য। কিন্তু বাক্যটি present-এর কথা বলছে। তাছাড়া inversionও ভুল।ঘ) Do you know where is his living place?
- ভুল। "where is his living place" – এখানে inversion (is his) করা হয়েছে, যা indirect question-এ হওয়া উচিত নয়। তাছাড়া "his living place" বলার চেয়ে "where he lives" অনেক বেশি স্বাভাবিক। - আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ-
- ধূলিকণা
- বায়ুস্তর
- বৃষ্টির কণা
- অতি বেগুনী রশ্মি
- আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ- বৃষ্টির কণা।
- সূর্য থেকে যে আলোর রশ্মি পৃথিবীতে আসে তার রঙ মূলত সাদা।
- এই সাদা রঙের ভেতরে বেগুনী, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি রং বিদ্যমান থাকে।
- সাদা আলোর একটি বিশেষ ধর্ম আছে যা প্রিজমের মধ্য দিয়ে গমন করলে সাদা আলো সাতটি ভিন্ন রঙে বিশ্লেষিত হয়ে যায়।
- আকাশে যখন বৃষ্টি পড়ে তখন বৃষ্টির ফোঁটাগুলো ভাসমান প্রিজমের মতো কাজ করে।
- সূর্য হতে আলো বৃষ্টির ফোঁটার একপাশ দিয়ে প্রবেশ করে বের হবার সময় সাত রঙের বর্ণালী সৃষ্টি করে।
- বৃষ্টির ফোঁটা বা কণার প্রিজমসুলভ বৈশিষ্ট্যের কারণেই সৃষ্টি হয় রংধনু।
- বৃষ্টির ফোঁটা হতে বের হওয়া সাত রঙের আলো আমাদের চোখে এসে পৌঁছায় বলেই আমরা রংধনুকে দেখতে পাই।
- ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে যাওয়ার সময় আলোকরশ্মি যদি দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে মাধ্যম দুটির সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হয়, তবে ওই আপতিত রশ্মি, দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত হওয়ার পর ওর সবটুকুই প্রতিফলিত হয়ে আবার ঘন মাধ্যমেই ফিরে আসে, এই ঘটনাকে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে।উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
- কোন তাপমাত্রায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেল সমান?
- -32°
- -40°
- 273°
- 373°
• - 40° তাপমাত্রায় ফারেনহাইট ও সেলসিয়াস স্কেলের তাপমাত্রার মান সমান হয়।
• তাপমাত্রা পরিমাপের স্কেলের মধ্যে অন্যতম হলো সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেল।
আমরা জানি, সেলসিয়াস (C) ও ফারেনহাইট (F) এর মধ্যে সম্পর্ক:
C/5 = (F - 32)/9ধরি,
সেলসিয়াস স্কেলের পাঠ C = ফারেনহাইট স্কেলের পাঠ Fএখন,
C/5 = (C - 32)/9
⇒ 5(C - 32) = 9C
⇒ 5C - 160 = 9C
⇒ 9C - 5C = - 160
⇒ 4C = - 160
⇒ C = - 160/4 = - 40∴ C = F = - 40°
অর্থাৎ - 40° তাপমাত্রায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের মান সমান হবে।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। - কোনটি জারক পদার্থ নয়?
- হাইড্রোজেন
- অক্সিজেন
- ক্লোরিন
- ব্রোমিন
• জারক পদার্থ:
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে অর্থাৎ জারক পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহীতা।
- জারক ইলেকট্রন গ্রহণের পর নিজে বিজারিত হয়।
- যে পদার্থের ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি জারকধর্মী হয়।
- যেমন: O2, Cl2, F2, HNO3, H2SO4, H2O2 প্রভৃতি জারক পদার্থ।
- ফ্লোরিন, ক্লোরিন, অক্সিজেন, ওজোন ইত্যাদি হলো গ্যাসীয় জারক পদার্থ।
- তরল ব্রোমিন, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, নাইট্রিক এসিড, সালফিউরিক এসিড ইত্যাদি হলো তরল জারক পদার্থ।
- আয়োডিন, পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট, পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট, ফেরিক ক্লোরাইড ইত্যাদি হলো কঠিন জারক পদার্থ।• বিজারক পদার্থ:
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন দান করে তাকে বিজারক বলে অর্থাৎ বিজারক পদার্থ ইলেকট্রন দাতা।
- বিজারক ইলেকট্রন দান করার পর নিজে জারিত হয়।
- যে পদার্থের ইলেকট্রন দান করার প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি বিজারকধর্মী হয়।
- হাইড্রোজেন, হাইড্রোজেন সালফাইড, সালফিউরাস এসিড ইত্যাদি হলো বিজারক পদার্থের উদাহরণ।উৎস: রসায়ন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির, (হাজারী-নাগ)।
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত?
- নারায়নগঞ্জ
- কক্সবাজার
- চট্টগ্রাম
- খুলনা
জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত।
- বাংলাদেশে জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত কারখানা ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত।
• খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড:
- খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড (KSY) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বাধীন সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এটী বাংলাদেশ নৌবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ও পরিচালিত হয়।
- এটি রূপসা নদীর পশ্চিম তীরে খুলনায় অবস্থিত।
- ইয়ার্ডটিতে ৯০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৭০০ টন লাইটওয়েট পর্যন্ত স্টিল/অ্যালুমিনিয়াম জাহাজ নির্মাণের ক্ষমতা রয়েছে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র গর্বিত যুদ্ধজাহাজ নির্মাতা।
- এটি পশ্চিম জার্মান সহায়তায় ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ১৯৯৯ সালে নৌবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে তৈরি প্রথম যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণ করে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড।
- এটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিএনএস পদ্মা’।
উৎস: i) খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট। - Which of the following words cannot be used as a verb?
- eye
- host
- accolade
- holiday
সঠিক উত্তর: গ) accolade.
eye, host, holiday — এই তিনটি শব্দই verb হিসেবে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু accolade শুধু noun, কখনো verb হয় না।ক) eye → Noun (চোখ) এবং Verb (তাকানো, লক্ষ্য করা)।
eye: [noun]
English meaning: either of the two organs on the face that you see with.
Bangla meaning: চোখ; চক্ষু; নেত্র; অক্ষি।
Example: She rolled her eyes in disgust.eye: [verb]
English meaning: to look at someone or something with interest.
Bangla meaning: লক্ষ করা।
Example: I eye the cake suspiciously.খ) host → Noun (আয়োজক, স্বাগতকারী) এবং Verb (আয়োজন করা, হোস্ট করা)।
host: [noun]
English meaning: a person who invites guests to a meal, a party, etc. or who has people staying at their house
Bangla meaning: আয়োজক, স্বাগতকারী।
Example: Sonja stayed with an Argentine host family.host: [verb]
English meaning: to organize an event to which others are invited and make all the arrangements for them
Bangla meaning: আয়োজন করা, হোস্ট করা।
Example: Qatar hosted the 2022 World Cup finals.গ) accolade → Noun (প্রশংসা, পুরস্কার, সম্মান)।
accolade: [noun]
English meaning: praise or an award for an achievement that people admire.
Bangla meaning: প্রশংসা; সমাদর; অনুমোদন।
Example: Four restaurants have been awarded the highest accolade of a three-star rating.ঘ) holiday → Noun (ছুটি, উৎসব) এবং Verb (ছুটি কাটানো)।
holiday: [noun]
English meaning: a period of time when you are not at work or school.
Bangla meaning: ছুটির দিন।
Example: She spent her holiday decorating the flat.holiday: [verb]
English meaning: to spend a holiday somewhere.
Bangla meaning: ছুটি কাটানো; অবকাশ যাপন করা।
Example: We often holidayed together.Source: Oxford Dictionary.
- কোন ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি কত?
- 180°
- 150°
- 270°
- 360°
প্রশ্ন: কোন ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি কত?
সমাধান:

ত্রিভুজের যেকোন বাহুকে বর্ধিত করলে বহিঃস্থ যে কোণ উৎপন্ন হয় তা বিপরীত অন্তঃস্থ দুই কোণের সমষ্টির সমান।
∠CBD = ∠A + ∠C
∠BAF = ∠B + ∠C
∠ACE = ∠A + ∠Bবহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি = ∠CBD + ∠BAF + ∠ACE
= ∠A + ∠C + ∠B + ∠C + ∠A + ∠B
= 2(∠A + ∠B + ∠C)
= 2 × 180° [ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০°]
= 360° - সর্বাপেক্ষা ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ হচ্ছে -
- আলফা রশ্মি
- বিটা রশ্মি
- গামা রশ্মি
- রঞ্জন রশ্মি
- তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে ছোট হয় সেটাকে আমরা বলি আল্ট্রা ভায়োলেট আলো, আরও ছোট হলে এক্স-রে আরও ছোট হলে গামা রে- যেটা তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে বের হয়।
- আবার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড় হয় সেটাকে আমরা বলি ইনফ্রারেড, আরও বড় হলে মাইক্রোওয়েভ এবং আরও বড় হলে রেডিও ওয়েভ।
-জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হলাে গামা রশ্মি।
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতাও সবচেয়ে বেশি। পারমাণবিক বিস্ফোরণে গামা রশ্মি নির্গত হয়।উৎস: পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি, নাসা ওয়েবসাইট।
- স্থায়ী সালিসী আদালত কোথায় অবস্থিত?
- জেনেভায়
- লন্ডনে
- প্যারিসে
- হেগে
স্থায়ী সালিশি আদালত (Permanent Court of Arbitration - PCA) নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।
Permanent Court of Arbitration (PCA):
- স্থায়ী সালিশি আদালত একটি আন্তঃসরকারী সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৮৯৯ সালে।
- সদরদপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ডস।
- স্বাক্ষরকারী: ১২৭টি।
- বর্তমান মহাসচিব: ড. হাব. মার্সিন চেপেলাক।⇒ আদালতের সদস্যরা ছয় বছরের মেয়াদের জন্য নিযুক্ত হন।
- কাজ: রাষ্ট্র, রাষ্ট্রীয় সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি করা।
উৎস: International Criminal Court ওয়েবসাইট। - কোনটি কাব্যনাট্য?
- কৃষ্ণকুমারী
- বীরাঙ্গনা
- বিসর্জন
- নীলদর্পণ
'বিসর্জন' নাটক:
- 'বিসর্জন' (১৮৯১) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি নাটক।
- 'রাজর্ষি' উপন্যাসের প্রথমাংশ অবলম্বনে 'বিসর্জন' নাটকটি রচিত হয়।
- রবীন্দ্রনাথ রচিত বিসর্জন নাটকে গোমতী নদীর কথা উল্লেখ আছে।
- এই নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: জয়সিংহ, রঘুপতি, অর্পনা।
- নাটকটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বিসর্জন' একটি সার্থক কাব্যনাট্য।
--------------
• কৃষ্ণকুমারী:
- 'কৃষ্ণকুমারী' নাটকের কাহিনি উইলিয়াম টডের ‘রাজস্থান' নামক গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত।
- এই নাটকে মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক রচনা করেন।- এই নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো:
→ কৃষ্ণকুমারী,
→ মদনিকা,
→ ভীম- সিংহ,
→ জগৎসিংহ,
→ ধনদাস প্রমুখ।
• বীরাঙ্গনা কাব্য:
- 'বীরাঙ্গনা কাব্য' মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্য। এটি ১৮৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- পত্রাকারে এ ধরনের কাব্য বাংলা সাহিত্যে এটাই প্রথম।
- রোমান কাব্য 'হেরোইদাইদস্স' কাব্যের অনুসরণে 'বীরাঙ্গনা' কাব্যগ্রন্থটি বাংলায় রচিত। এই কাব্যে মোট ১১টি পত্র আছে।
- পৌরাণিক নারীরা মধুসূদনের হাতে যেন আধুনিক মানুষ হিসেবে পুনর্জাগরিত হয়ে নিজেদের প্রণয় কামনা ইত্যাদি প্রকাশ করতেও কুণ্ঠিত নয়।
• 'নীলদর্পণ' নাটক:
- দীনবন্ধু মিত্রের প্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক — নীলদর্পণ।
- এটি বাংলা সাহিত্যে একটি বিখ্যাত নাটক।
- ১৮৬০ সালে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
- এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম এবং নাটকটি ঢাকায় প্রথম মঞ্চস্থ হয়।
- A Native ছদ্মনামে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এর ইংরেজি অনুবাদ করেন।
- অনুবাদটি ১৮৬১ সালে Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror নামে প্রকাশিত হয়।উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
- পদাবলীর প্রথম কবি কে?
- গোবিন্দ দাস
- বিদ্যাপতি
- চন্ডিদাস
- লুইপা
বাঙালি কবি জয়দেবকে বৈষ্ণব পদাবলির প্রথম পদকর্তা বলা হয়।
- রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা অবলম্বনে রচিত ‘গীতগোবিন্দম্’ কাব্যটি আদি বৈষ্ণব পদাবলির নিদর্শন।
- তবে এটি বাংলা ভাষায় নয়, সংস্কৃত ভাষায়।পরবর্তীতে,
- বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষায় প্রথম বৈষ্ণব পদ রচনা করেন।
- বাংলা ভাষায় প্রথম বৈষ্ণব পদাবলীর রচনা করেন চণ্ডীদাস।
- বৈষ্ণব পদাবলী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ফসল।উল্লেখ্য,
- যদি প্রশ্ন হয় “বৈষ্ণব পদাবলির আদি পদকর্তা/প্রথম পদকর্তা/আদিকবি কে?” এবং অপশনে "জয়দেব" থাকে; তাহলে উত্তর নিঃসন্দেহে - জয়দেব। কেননা তিনি সবচেয়ে প্রাচীন কবি যিনি বৈষ্ণব পদ রচনা করেছেন।- যদি একই প্রশ্নের অপশনে জয়দেব না থাকে এবং "বিদ্যাপতি" থাকে তাহলে বিদ্যাপতি উত্তর হবে। কেননা, জয়দেবের পর তিনিই বৈষ্ণব পদ রচনা করেন এবং বৈষ্ণব পদের উৎকর্ষ তার মাধ্যমে শুরু হয়। উল্লেখ্য, রেফারেন্স বইগুলােতে দুইজনকেই বৈষ্ণব পদের প্রথম রচয়িতা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- যদি প্রশ্ন হয় "বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচয়িতা কে?" তাহলে অপশনে যাই থাকুক না কেন, উত্তর হবে - চন্ডীদাস।
তথ্যসূত্র:- (তথ্যকল্পদ্রুম) , লাল নীল দীপাবলি, ড. হুমায়ুন আজাদ , বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, অধ্যাপক মাহবুবুল আলম , বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
- 'গৃহী' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
- প্রবাসী
- পরবাসী
- সন্ন্যাসী
- গৃহহীন
• 'গৃহী' শব্দের বিপরীত শব্দ - সন্ন্যাসী।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ:
উত্তম - অধম,
উত্তমর্ণ - অধমর্ণ,
উত্তরণ - অবতরন,
উত্তরায়ণ - দক্ষিণায়ন,
উত্তাপ - শৈত্য,
উত্তীর্ণ - অনুত্তীর্ণ,
কৃষ্ণাঙ্গ - শ্বেতাঙ্গ,
উত্থান - পতন,
কৃশ - স্কুল,
কৃপণ - বদান্য।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। - নিচের কোনটি কৃদন্ত শব্দের উদাহরণ?
- ভাজি
- বিবাহিত
- দৈনিক
- পাগলামি
কৃৎ-প্রত্যয়:
- ধাতুর পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলোকে কৃৎ-প্রত্যয় বলে।
- কৃৎপ্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে কৃদন্ত শব্দ বলে।
যেমন:
- দুল্+অনা= দোলনা,
- কৃ+তব্য= কর্তব্য,
'অনা' ও 'তব্য' হলো কৃৎপ্রত্যয় এবং 'দোলনা' ও 'কর্তব্য' হলো কৃদন্ত শব্দ।
- ভাজ + ই= ভাজি,
এখানে 'ই' হলো কৃৎপ্রত্যয় এবং 'ভাজি' হলো কৃদন্ত শব্দ।
অন্যদিকে,
- 'পাগলামি = পাগল+ আমি' তদ্ধিতান্ত শব্দের উদাহরণ।
- 'দিন + ইক = দৈনিক' হলো তদ্ধিতান্ত শব্দ।
- বিবাহ (বিশেষ্য) + ইত (তদ্ধিত প্রত্যয়) = বিবাহিত।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১ ও ২০১৯)। - পরীবিবি কে ছিলেন?
- আওরঙ্গজেবের কন্যা
- শায়েস্তা খানের কন্যা
- মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রী
- আজিমুসশানের মাতা
পরী বিবি:
- পরী বিবি বাংলার মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান এর কন্যা।
- বাদশাহ আওরঙ্গজেব এর পুত্র মুহম্মদ আজম এর স্ত্রী।
- তাঁর আসল নাম ইরান দুখত।
উল্লেখ্য,
- ঢাকাকে বহিঃশত্রুর হাত থেকে রক্ষা করতে ১৬১৮ সালে মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের তৃতীয় ছেলে আজম শাহ নির্মাণ করেন লালবাগ দুর্গ।
- লালবাগ কেল্লা ১৭শ শতকে নির্মিত একটি অসমাপ্ত মুঘল দুর্গ স্থাপনা।
- এটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ১৬৭৮ সালে, মুঘল সুবাদার মুহাম্মদ আজম শাহ কর্তৃক।
- মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করেন। কিন্তু ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে কন্যা বিবি পরীর অকাল মুত্যৃতে তিনি দুর্গ নির্মাণ একটি অশুভ লক্ষণ ভেবে বন্ধ করে দেন। দুর্গের অভ্যন্তরে মসজিদের পূর্ব দিকে বিবি পরীকে সমাহিত করা হয়। শায়েস্তা খান কন্যার সমাধির উপর একটি সুদৃশ্য সৌধ নির্মাণ করেন।
উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো। - জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?
- ৪৬.৫ মি.
- ৪৬ মি.
- ৪৫.৫ মি.
- ৪৫ মি.
ঢাকার সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ১৫০ ফুট বা ৪৬ মিটার।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত বেসামরিক বাঙালি ও অবাঙ্গালিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা।
- এটি সাভারে অবস্থিত।
- এর অপর নাম 'সম্মিলিত প্রয়াস'।
- এর স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য একটা জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় এবং নকশা আহবান করে।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট (৪৬ মিটার)।⇒ ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে সৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।উল্লেখ্য,
- স্মৃতিসৌধের রয়েছে ৭টি খাঁজ। ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ৭টা বড় আন্দোলন হয়েছিল। ওই খাঁজগুলো দিয়ে সেই সব আন্দোলন বোঝানো হয়েছে।
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন।
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন।
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন।
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন।
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। - কোনটি উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ?
- ভিখারি
- প্রবীন
- বাবুয়ানা
- সেলাই
অপশন বিশ্লেষণ:
ক) ভিখারি-
ভিক্ষা + আরি (প্রত্যয়) = ভিখারি।
এটি প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ, উপসর্গ নয়।
খ) প্রবীন-
প্র (উপসর্গ) + বীণ = প্রবীণ।
অর্থ: অভিজ্ঞ, বয়োজ্যেষ্ঠ।
এটি উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ।
গ) বাবুয়ানা-
বাবু + আনা (প্রত্যয়) = বাবুয়ানা।
এটি প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ, উপসর্গ নয়।
ঘ) সেলাই-
- মৌলিক শব্দ।
এটি উপসর্গ বা প্রত্যয় ছাড়া গঠিত।
সঠিক উত্তর: খ) প্রবীন।
- 'প্র' উপসর্গ যোগে 'প্রবীণ' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৮-সংস্করণ)। - সূর্য এর প্রতিশব্দ কী?
- সুধাংশু
- গগণ
- নক্ষত্র
- আদিত্য
'সূর্য' এর প্রতিশব্দ:
- রবি, সবিতা, দিবাকর, দিনমনি, দিননাথ, আদিত্য, দিবাবসু, অর্ক, ভানু, তপন, ভাস্কর, মার্তণ্ড, অংশু, প্রভাকর, কিরণমালী, অরুণ, মিহির, দিনপতি ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
'চাঁদ' এর প্রতিশব্দ: সুধাংশু, শশাঙ্ক, বিধু।
'গগন' এর প্রতিশব্দ: আকাশ, অম্বর, খ, নভঃ।
'নক্ষত্র' এর প্রতিশব্দ: তারা, তারকা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। - চর্যাপদ প্রকাশিত হয় কত সালে?
- ১৯০৭
- ১৯০৯
- ১৯১৭
- ১৯১৬
• ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়।
• চর্যাপদ:
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় পুথিখানি হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা নামে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক প্রকাশিত হয়।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
- 'Pedagogy' -এর পরিভাষা কী?
- শিক্ষানীতি
- শিক্ষাতত্ত্ব
- নারীশিক্ষা
- সহশিক্ষা
বাংলা একাডেমির অভিগম্য অভিধান অনুসারে, 'Pedagogy' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ- 'শিক্ষণবিজ্ঞান'।
Cambridge Dictionary অনুসারে,
'pedagogy' means - the study of the methods and activities of teaching.
অপশন বিবেচনায়, 'pedagogy' শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসাবে সঠিক উত্তর হবে- শিক্ষাতত্ত্ব।
অন্যান্য অপশনের পারিভাষিক শব্দ:
'Coeducation' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ ছেলেমেয়েদের একত্র শিক্ষা; সহশিক্ষা
'Education policy' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ - শিক্ষানীতি।
উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি; Cambridge Dictionary এবং অভিগম্য অভিধান, বাংলা একাডেমি। - 'চন্দ্রাবতী'কী?
- কাব্য
- পদাবলী
- পালাগান
- নাটক
• 'চন্দ্রাবতী' কাব্য:
- 'চন্দ্রাবতী' কাব্যের রচয়িতা কোরেশী মাগন ঠাকুর।
- মধ্যযুগে আরাকান রাজ সভায় বাংলা সাহিত্যচর্চা শুরু হয়।
- কোরেশী মাগন ঠাকুর আরাকান রাজসভার প্রধান উজির ছিলেন।
- তার পৃষ্ঠাপােষকতায় আরাকান বা রােসাঙ্গ রাজসভায় বাংলা সাহিত্য চর্চা শুরু হয়েছিল।
- তিনি আলাওলকে দুটি কাব্য ‘পদ্মাবতী’ ও ‘সয়ফুলমুলক বদিউজ্জামান' লিখতে পৃষ্ঠপােষকতা করেছিলেন।
- আলাওল, দৌলত কাজী, কোরেশী মাগন ঠাকুর আরাকান রাজসভার উল্লেখযােগ্য কবি।-----------------------------------
- উল্লেখ্য, চন্দ্রাবতী নামে ময়মনসিংহ গীতিকার একজন মহিলা কবি রয়েছেন যিনি প্রথম রামায়ণ বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন।
- আরও উল্লেখ্য, চন্দ্রাবতীকে নিয়ে মৈমনসিংহ-গীতিকায় নয়ানচাঁদ ঘোষ নামে একজন কবির পালা রয়েছে। এই পালাটি বিভিন্ন নামে পরিচিত - ‘জয়-চন্দ্রাবতী’, 'চন্দ্রাবতী চরিত', 'চন্দ্রাবতী উপাখ্যান'।
- এছাড়াও, ১৯৩২ সালে দীনেশচন্দ্র সেন চন্দ্রাবতীর রামায়ণ প্রকাশ করেন। পূর্ববঙ্গ-গীতিকার চতুর্থ খণ্ডের ২য় ভাগে এ রামায়ণ স্থান পেয়েছে।উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলার পুরনারী - দীনেশচন্দ্র সেন, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
- বাক্যের মধ্যে একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে যা ব্যবহৃত হয়
- কমা
- কোলন
- হাইফেন
- ড্যাশ
• বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে হাইফেন (-) যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
যতিচিহ্ন:
- মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।হাইফেন:
- বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- মা-বাবার কাছে সন্তানের গৌরব সবচেয়ে বড় গৌরব।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে নিয়েই গড়ে উঠেছে এই ক্লাব।
• অন্যদিকে:
- বাক্যের প্রথম অংশের কোনো উক্তিকে দ্বিতীয় অংশে ব্যাখ্যা করা এবং উদাহরণ উপস্থাপনের কাজে কোলন ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত দুটি বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে এবং ব্যাখ্যাযোগ্য বাক্যাংশের আগে-পরে ড্যাশ ব্যবহৃত হয়।
- কমা (,)- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।
যেমন - গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত বাংলাদেশ এই ছয়টি ঋতুর দেশ।উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটা?
- ক্রীতদাসের হাসি
- মাটি আর অশ্রু
- হাঙর নদী গ্রেনেড
- সারেং বউ
• 'হাঙর নদী গ্রেনেড' উপন্যাস:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিতে বেশ কিছু উপন্যাস লিখেছেন সেলিনা হোসেন। তার মধ্যে ভীষণ আলোচিত উপন্যাস 'হাঙর নদী গ্রেনেড'।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এ উপন্যাসটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- মুক্তিযুদ্ধের এক আবেগী ও প্রতিবাদী উপন্যাস এটি।
- হলদী গ্রামের এক বয়স্ক নারীর জীবন এই উপন্যাসে মূর্ত হয়ে ওঠে।
- এই নারী তাঁর নিজের ছেলেদের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে যেমন উদ্বুদ্ধ করেন, তেমনি মুক্তিযোদ্ধাদের বাঁচাতে নিজের মানসিক প্রতিবন্ধী ছেলেকে তুলে দেন পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে।
- উপন্যাসে এই মায়ের আত্মসংগ্রাম, দেশের জন্য ত্যাগের অপার মহিমা ভাস্বর হয়ে ওঠে।
- আর উপন্যাসে বর্ণিত গ্রামটিও যেন মুক্তিযুদ্ধের প্রতীকী এক বাংলাদেশ।
---------------
• ক্রীতদাসের হাসি:
- শওকত ওসমানের কালােত্তীর্ণ উপন্যাস ক্রীতদাসের হাসি।
- এটি একটি প্রতিকাশ্রয়ী উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসে তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খানের সমালােচনা করা হয়েছিল রূপক-প্রতীকের আশ্রয়ে।
- বাগদাদের বাদশা হারুন অর রশিদ অত্যাচারী। সে ক্রীতদাস তাতারি ও বাঁদি মেহেরজানের প্রণয়ে বাধা সৃষ্টি এবং তাতারিকে গৃহবন্দি ও অত্যাচার করে।
- তাতারি আমৃত্যু বাদশা হারুনের নির্যাতনের প্রতিবাদ করে যায়।
- এখানে তাতারি বাঙালি জনতার এবং বাদশা হারুন আইয়ুব খানের প্রতীক তাতারির হাসি উপন্যাসে বাঙালির স্বাধীনতার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
- এটি শওকত ওসমানের সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস বলে স্বীকৃত। এই গ্রন্থ রচনার জন্য তাঁকে আদমজি পুরস্কার দেয়া হয় ১৯৬৬ সালে।
• ‘মাটি আর অশ্রু’ সিকান্দার আবু জাফর রচিত উপন্যাস।
- গ্রন্থটি ১৯৪২ সালে প্রকাশিত হয়।
'সারেং বউ' উপন্যাস:
- শহীদুল্লা কায়সার রচিত উপন্যাস সারেং বউ। তাঁর 'সারেং বউ' উপন্যাসের চরিত্র কদম সারেং ও তাঁর স্ত্রী নবিতুন।
- এ উপন্যাসে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী জনপদের বিশ্বস্ত চিত্র আছে।
- এছাড়াও পুরো উপন্যাস জুড়ে রয়েছে নবিতুনের সংগ্রামী জীবন কাহিনী।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া। - 'বাগযন্ত্র' ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
- ধ্বনিতত্ত্ব
- রূপতত্ত্ব
- অর্থতত্ত্ব
- বাক্যতত্ত্ব
• 'বাগযন্ত্র' ব্যাকরণের 'ধ্বনিতত্ত্ব' অংশের আলোচ্য বিষয়।
• ধ্বনিতত্ত্ব:
- ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ধ্বনি।
- লিখিত ভাষায় ধ্বনিকে যেহেতু বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয়, তাই বর্ণমালা সংক্রান্ত আলোচনা এর অন্তর্ভুক্ত।
- ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য বাগযন্ত্র, বাগযন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া, ধ্বনির বিন্যাস, স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য, ধ্বনিদল, ষ-ত্ব ও ণ-ত্ব বিধান,
সন্ধি প্রভৃতি।• ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় অন্তত চারটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- ধ্বনিতত্ত্ব।
- রূপতত্ত্ব।
- বাক্যতত্ত্ব।
- অর্থতত্ত্ব।বাকি অপশনগুলো:
• অর্থতত্ত্ব
- ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়, সেই অংশের নাম অর্থতত্ত্ব।
- একে বাগর্থতত্ত্বও বলা হয়।
- বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগ্ধারা প্রভৃতি বিষয় অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
- এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এই অংশে আলোচনা থাকে ।• রূপতত্ত্ব:
- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- এই আলোচনায় বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়।
- বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দনির্মাণ ও পদনির্মাণ প্রক্রিয়া ।• বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- বাক্যের নির্মাণ এবং এর গঠন বাক্যতত্ত্বের মূল আলোচ্য।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে, বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করা হয়।
- এছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতিও বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়ে থাকে ।উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২১ সংস্করণ)।
- 'গায়ক' এর সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- গো + অক
- গা + অক
- গা + য়ক
- গৈ + অক
সন্ধির নিয়ম:
• এ, ঐ, ও, ঔ-কারের পর এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব্ ও আব্ হয়।যেমন:
- শে + অন = শয়ন,
- নৈ + অক = নায়ক,
- গৈ + অক = গায়ক,
- পো + অন = পবন,
- পো + ইত্র = পবিত্র।উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
- নিচের কোন শব্দটি সমাসবদ্ধ নয়?
- গাছপাকা
- বিদ্যালয়
- সিংহাসন
- দিলদরিয়া
• সমাসবদ্ধ শব্দ নয় - বিদ্যালয়।
- এর সন্ধিবিচ্ছেদ - বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়।
- এটি স্বর সন্ধির উদাহরণ।
অন্যদিকে,
- সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস - গাছে পাকা = গাছপাকা।
- মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস - সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন।উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
- 'মুহূর্তের কবিতা' লিখেছেন-
- সিকান্দার আবু জাফর
- সুফিয়া কামাল
- আহসান হাবীব
- ফররুখ আহমদ
কবি ফররুখ আহমদের সনেট সংকলন - মুহূর্তের কবিতা।
-------------
• মুহূর্তের কবিতা:
- ‘মুহূর্তের কবিতা’ গ্রন্থটি ১৯৬৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এতে মোট ৯৩টি সনেট কবিতা রয়েছে যা শেক্সপিয়ারিয়-পেত্রার্কীয় রীতিতে ৬৮ অক্ষর চরণ মাত্রায় রচিত।
- উল্লেখযোগ্য কবিতা: মুহূর্তের কবিতা, অশান্ত পৃথিবী, পরিচিতি, ধানের কবিতা ইত্যাদি।• ফররুখ আহমদ:
- ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনি কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
- ‘মুহূর্তের কবিতা’ ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।
• ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহ হলো:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া। - 'সওগাত' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
- মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
- এস, ওয়াজেদ আলী
- মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন
- লুৎফর রহমান
'সওগাত' পত্রিকা:
- 'সওগাত' প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল কলকাতার ১৯১৮ সালে। সম্পাদক ছিলেন- মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন।
- পরবর্তীকালে পত্রিকাটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
- কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সওগাতের প্রধান লেখকদের অন্যতম।
- তিনি যখন করাচিতে বেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত, তখন 'বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী' নামে একটি ছোট গল্প পাঠান। এটিই ছিল তাঁর সওগাতে প্রকাশিত প্রথম লেখা।
উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম, বাংলাপিডিয়া। - 'বাঙালি মুসলমানের মন' কার লেখা?
- আহমেদ শরীফ
- আহমদ ছফা
- আনিসুজ্জামান
- আবুল ফজল
আহমদ ছফা:
- আহমদ ছফা ছিলেন একজন প্রতিবাদী লেখক, প্রগতিপন্থি সাহিত্যকর্মী ও সংগঠক।
- আহমদ ছফা ৩০শে জুন, ১৯৪৩ সালে গাছবাড়িয়া, চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত ছিলেন চিন্তাবিদ ও সাহিত্যিক।
- তিনি স্বদেশ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ১৯৭০ সালের গোড়ার দিকে আহমদ ছফার সম্পাদনায় সাহিত্য পত্রিকা ‘স্বদেশ’ প্রকাশিত হয়েছিল। মাত্র তিন সংখ্যা প্রকাশের পর পত্রিকাটির প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়।
• বাঙালি মুসলমানের মন:
- রচয়িতা: আহমদ ছফা।
- প্রথম প্রকাশ: ১৯৮১ সাল।• আহমদ ছফা রচিত উপন্যাস:
- গাভী বিত্তান্ত,
- ওঙ্কার,
- অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী।• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস,
- বাঙালি মুসলমানের মন,
- সাম্প্রতিক বিবেচনা: বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস,
- সিপাহী যুদ্ধের ইতিহাস।কবিতা গ্রন্থ:
- জল্লাদ সময়,
- দুঃখের দিনের দোহা ইত্যাদি।উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।
- কোনটি জসীম উদ্দীনের কাব্য?
- চলে মুসাফির
- রাখালী
- বিষের বাঁশি
- সোনালি কাবিন
'রাখালী' কাব্যগ্রন্থ:
- জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ - রাখালী।
- এই কাব্যে ১৯টি কবিতা আছে।
- বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি এই কাব্যের অন্তর্গত।
- এই কাব্যের প্রথম কবিতা হচ্ছে 'রাখালী'।
অন্যদিকে,
- চলে মুসাফির - জসীম উদ্দীনের উল্লেখযোগ্য ভ্রমণকাহিনীগুলোর মধ্যে একটি।
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ - বিষের বাঁশি।
- 'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থের রচিয়তা আল মাহমুদ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া। - 'কৈ মাছের প্রান' বাগধারার সঠিক অর্থ কোনটি?
- সংকীর্ণমনা লোক
- খুব অলস
- খুব চালাক
- যা সহজে মরে না
• 'কৈ মাছের প্রাণ' বাগ্ধারার অর্থ - যা সহজে মরে না।
অন্যদিকে,
- 'কুয়োর ব্যাঙ' বাগ্ধারার অর্থ - সংকীর্ণমনা লোক।
- 'গভীর জলের মাছ' বাগ্ধারার অর্থ - খুব চালাক।
- 'গোঁফ খেজুরে' বাগ্ধারার অর্থ - খুব অলস।উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ) ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
- Passive form of the sentence- "His performance surprised me."
- was surprised by his performance.
- had been surprised with his performance.
- was surprised for his performance.
- was surprised at his performance.
• প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যটি past indefinite tense এ আছে।
- Past indefinite যুক্ত বাক্যকে passive করার নিয়ম -
- Active এর object প্রথমে
- Tense অনুযায়ী auxiliary verb
- মূল verb এর past participle form
- by
- Active এর subject + extension.• সাধারণত Passive voice এর verb এর past participle এর পর by বসলেও active voice এ surprise verb হিসাবে থাকলে এবং verb টির পর বস্তু বুঝালে at বসে; ব্যক্তি বুঝালে with বসে।
Active: His performance surprised me.
Passive: I was surprised at his performance. - Find out the complex sentence.
- That she will reciprocate my passion for her is certain.
- He did his work and I, mine.
- In case of your failure to move, you will die.
- Because of his playing well, he won the game
সঠিক উত্তর হলো: ক) That she will reciprocate my passion for her is certain.
এটি একটি complex sentence, কারণ এতে -
- Main clause: is certain.
- Subordinate (noun) clause: 'That she will reciprocate my passion for her',
- এখানে “that” দিয়ে শুরু হওয়া noun clause-টি পুরো বাক্যের subject হিসেবে কাজ করছে।• Complex sentence:
- যে sentence এ একটি Principal clause এবং এক বা একাধিক Subordinate clause থাকে, তাকে Complex sentence বলে।
- Complex sentence এর subordinate clause এর শুরুতে সাধারণত if, though, although, as, because, since, so that, that, until, till, unless, when, why, who, which, where, how, before, after, whether, while বসে।Other options,
খ) He did his work and I, mine.
- Compound Sentence.
- দুটো independent clause: "He did his work" এবং "I [did], mine"
- "and" দিয়ে যুক্ত (coordinating conjunction) → দুটো clause সমান গুরুত্বপূর্ণ। এটা compound.গ) In case of your failure to move, you will die.
- এখানে "In case of your failure to move" = prepositional phrase (একটি clause নয়, শুধু phrase)।
- পুরো বাক্যে শুধু একটি independent clause ("you will die") আছে।
- এটি simple sentence (শুধু একটি independent clause + phrase)।ঘ) Because of his playing well, he won the game.
- "Because of his playing well" = prepositional phrase (gerund phrase), clause নয়।
- শুধু একটি independent clause ("he won the game").
- এটিও simple sentence - Nobody ever goes to see her. What kind of pronoun is 'nobody' in the sentence?
- distributive
- indefinite
- possessive
- relative
Nobody ever goes to see her. Here, 'Nobody' is - Indefinite pronoun.
- ‘Nobody’ একটি indefinite pronoun.
- এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা জিনিসকে বোঝায় না, বরং অজানা বা অস্পষ্ট কোনো ব্যক্তিকে নির্দেশ করে।
Indefinite pronoun:
- যে noun দ্বারা কোন নির্দিষ্ট জিনিস না বুঝিয়ে অনির্দিষ্ট ভাবে বোঝানো হয় তাকে Indefinite pronoun বলে।
- অনির্দিষ্ট অর্থজ্ঞাপক Pronoun হলো: One, someone, everyone, nobody.
- এগুলো দ্বারা নির্দিষ্ট ভাবে কাউকে না বুঝিয়ে সাধারণ ভাবে বোঝানো হয়।• Pronoun ৮ প্রকার। যেমন:
1. Personal pronoun: (I, we, me, it)
2. Demonstrative pronoun: (this, that)
3. Interrogative pronoun: (what, who)
4. Relative pronoun: (what, who, that)
5. Indefinite pronoun: (one, some, any, all, many)
6. Distributive pronoun: (each, every)
7. Reflexive pronoun: (myself, themself)
8. Reciprocal pronoun: (each other, one another) - Sadman is all but ruined. Here "all but" means
- in fact
- nearly
- truly
- seldom
সঠিক উত্তর: খ) nearly.
"Sadman is all but ruined." বাক্যে "all but" এর অর্থ হলো nearly বা almost.• All but
- English Meaning: very nearly; almost.
- Bangla Meaning: প্রায়।• Ex. Sentence: The villagers are all but ruined.
- Bangla Meaning: গ্রামবাসী প্রায় নিঃস্ব হয়ে গেছে৷Source: Website Lecture.
- Theocracy is the rule by the.......
- nobility
- wealthy class
- church authorities
- philosophers
সঠিক উত্তর: গ) church authorities.
Theocracy শব্দটির অর্থ হলো ধর্মীয় শাসন বা ঈশ্বরের শাসনের নামে শাসন।
- এই শাসনব্যবস্থায় ধর্মীয় নেতা, পুরোহিত বা চার্চের কর্তৃপক্ষ (church authorities) রাষ্ট্রের শাসনক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে।
- আইন-কানুন, শাসনব্যবস্থা সবকিছুই ধর্মগ্রন্থ বা ধর্মীয় নির্দেশ অনুসারে পরিচালিত হয়।
• Theocracy:
English meaning: a country that is ruled by religious leaders.
Bangla meaning: ধর্মরাষ্ট্র; এমন রাষ্ট্র যেখানে সব আইনকে ঈশ্বরের আইন বলে ধরে নেওয়া হয়; পুরোহিতশাসিত; মোল্লাতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
Source: Cambridge Dictionary. - The dress does not fit me. I will have to have it ____.
- altered
- loosened
- tightened
- tailored
The correct answer is ক) altered.
Complete sentence: The dress does not fit me. I will have to have it altered.
• যখন কোনো পোশাক (dress, shirt, trousers ইত্যাদি) ঠিকমতো ফিট করে না (খুব বড়, ছোট, আলগা, টাইট বা অন্য কোনো সমস্যা আছে), তখন সাধারণত সেলাই করে পরিবর্তন/সংশোধন করা হয়।
- Altered মানে পরিবর্তন করা, সংশোধন করা।
- ইংরেজিতে এই কাজকে "have something altered" বলা হয়। "Altered" - changed / adjusted / modified to make it fit better.
"Have something done" এর গঠন:
- Subject + have/get + object + past participle (V3).
- এই structure দিয়ে বোঝায় অন্য কেউ কাজটি করবে
Example: I will have it altered. (আমি এটি পরিবর্তন করিয়ে নেব।)
অন্যান্য অপশন ভুল:
খ: "loosened" - শুধু ঢিলা করা বোঝায়, কিন্তু পোশাক ছোটও হতে পারে।
গ: "tightened" - শুধু আঁটসাঁট করা বোঝায়, কিন্তু পোশাক বড়ও হতে পারে।
ঘ: "tailored" - নতুন পোশাক তৈরি করা বোঝায়, পুরনো পোশাক সংশোধন নয়। - Who is known as the 'Lady of the Lamp?"
- Sorojini Naidu
- Hellen Killer
- Florence Nightingale
- Mother Teresa
সঠিক উত্তর হলো: গ) Florence Nightingale.
'Lady of the Lamp' নামে পরিচিত হলেন Florence Nightingale.
• Florence Nightingale:
- ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ছিলেন আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত।
- তিনি ছিলেন ইতালিয়ান নাগরিক।
- ১৮২০ সালের ১২ মে ইতালির ফ্লোরেন্সে জন্মগ্রহণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
- তিনি Lady with the Lamp নামে পরিচিত।
- ১৯১০ সালের ১৩ আগস্ট লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।⇒ ইংল্যান্ডের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নেও তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন।
- লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালে নার্সিংকে সম্পূর্ণ পেশারূপে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ১৮৬০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘নাইটিঙ্গেল ট্রেনিং স্কুল’ যার বর্তমান নাম ‘ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল স্কুল অব নার্সিং।উল্লেখ্য,
- তিনি ক্রিমিয়ার যুদ্ধে যুদ্ধরত সৈন্যদের চিকিৎসা সেবায় এগিয়ে আসেন।
- যুদ্ধটি ১৮৫৩-১৮৫৬ সময়কালে সংঘটিত হয়।
- তিনি দিনের বেলায় কাজ করে রাতের বেলায় আহত সৈন্যদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করতেন।
- এ যুদ্ধে চিকিৎসা সেবায় অসামান্য অবদানের জন্য তাকে বলা হয় ‘লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প‘।⇒ ১৮৮৩ সালে রানি ভিক্টোরিয়া তাকে ‘রয়েল রেডক্রস’ পদক প্রদান করেন।
- প্রথম নারী হিসেবে ‘অর্ডার অব মেরিট’ খেতাব লাভ করেন ১৯০৭ সালে।
- ১৯০৮ সালে লাভ করেন লন্ডন নগরীর ‘অনারারি ফ্রিডম’ উপাধি।উৎস: Britannica.
- They gave me a form and told me to.........
- fill in it
- fill it in
- fill on it
- none of these
• সঠিক উত্তর: fill it in.
• Complete sentence: They gave me a form and told me to fill it in.
অর্থ: তারা আমাকে একটি ফর্ম দিল এবং বলল এটি পূরণ করতে।
• ইংরেজিতে fill in একটি phrasal verb যার অর্থ হলো কোনো ফর্ম, ফাঁকা জায়গা বা খালি স্থান পূরণ করা।এখন এই phrasal verb-এর ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো:
• যখন object টা noun হয় (যেমন: the form, a form), তখন আমরা বলতে পারি দুইভাবে:
- fill in the form.
- fill the form in. (দুটোই ঠিক।)
কিন্তু যখন object টা pronoun হয় (যেমন: it, him, them), তখন শুধু particle (in) টাকে object-এর পরে বসাতে হয়। অর্থাৎ:fill it in → ঠিক।
fill in it → ভুল।
অপশনগুলো:
ক) fill in it → ভুল (pronoun-এর ক্ষেত্রে in আগে বসে না।)
গ) fill on it → ভুল ("on" এখানে একদমই ব্যবহার হয় না।) - We look at a thing, but look..........a matter.
- up
- in
- into
- to
সঠিক উত্তর হলো: গ) into.
Full sentence: We look at a thing, but look into a matter.
"Look at" এবং "Look into" - এই দুটি phrasal verb-এর ব্যবহার ভিন্ন।
look into something:
English meaning: To examine carefully or investigate.
Bangla meaning: (ক) তদন্ত করা; পরীক্ষা করা; (খ) মগ্ন হওয়া; ডুব দেওয়া (বই ইত্যাদিতে); (গ) গভীরে প্রবেশ করা।
look …… a matter:
- এখানে “matter” বলতে কোনো বিষয়, সমস্যা বা পরিস্থিতির কথা বোঝানো হয়েছে।
- এই ক্ষেত্রে সঠিক phrasal verb হলো look into.
- look into - কোনো বিষয়/সমস্যা গভীরভাবে তদন্ত করা, খতিয়ে দেখা, বিবেচনা করা।
---------
We look at a thing:
- look at - কোনো কিছুর দিকে চোখ দিয়ে তাকানো / পর্যবেক্ষণ করা (physical দেখা)।
উদাহরণ:
Look at that beautiful bird!
She looked at the painting for a long time. - Which of the following is not a synonym of "spurious"?
- false
- counterfeit
- spurn
- forged
Spurious:
English meaning: false, although seeming to be real or true.
Bangla meaning: মেকি; মিথ্যা; জাল; ভেজাল।Options,
ক) false:
- ভ্রান্ত; মিথ্যা।খ) counterfeit:
- জাল; নকল; কৃত্রিম; জাল টাকা; নকল হীরা; কৃত্রিম শোক।গ) spurn:
- অবজ্ঞাভরে প্রত্যাখ্যান করা; ঘৃণাভরে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া।ঘ) forged:
- নকল; জাল; কৃত্রিম; অচল; জাল-করা।অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, “spurn” শব্দটি spurious-এর synonym নয়।
Source: Accessible Dictionary. - Why did you end up........in forestry?
- having major
- majoring
- have majored
- to have majored
সঠিক উত্তর: খ) majoring.
Complete sentence: Why did you end up majoring in forestry?
• ইংরেজিতে end up একটি খুবই কমন phrasal verb.
- এর অর্থ হয়—কোনো প্রক্রিয়া বা ঘটনার পরিণতিতে শেষ পর্যন্ত কোনো অবস্থায়/জায়গায়/কাজে পৌঁছে যাওয়া (সাধারণত অপ্রত্যাশিত বা পরিকল্পনা বহির্ভূত ফলাফল)।
• end up এর পরে যদি কোনো verb আসে, তাহলে সেটি gerund (-ing form) হিসেবে আসতে হবে।
- Infinitive (to + verb) আসে না।
end up + doing something:
অর্থ: শেষ পর্যন্ত কিছু করা/হওয়া (যা হয়তো পরিকল্পিত ছিল না)।
Example:
- I ended up studying medicine.
- They ended up moving to Dhaka.অন্য অপশনগুলো কেন ভুল:
ক) having major:
- ভুল। “having major” বলে কোনো সঠিক গঠন নেই। “having majored” হতে পারত কিন্তু তাও এখানে ফিট করে না।
গ) have majored:
- ভুল। এটা present perfect tense, কিন্তু “end up” এর পরে infinitive বা finite verb এভাবে আসে না।
ঘ) to have majored:
- ভুল। “end up” এর পরে to + verb বা perfect infinitive সাধারণত ব্যবহার হয় না। - Which word of the following sentence must be changed to make the sentence correct?
The value of the dollar declines as the rate of inflation raises.- value
- declines
- as
- raises
সঠিক উত্তর হলো: ঘ) raises.
এখানে ভুল আছে "raises" শব্দে। সঠিক শব্দ হবে "rises".
Raise vs Rise-এর পার্থক্য:
• Raise [transitive verb]
- এর পরে object লাগে।
- অর্থ: কোনো কিছু উঠানো/বাড়ানো।
- Raise - কোনো কিছুকে (অন্য কিছু) বাড়ানো বা উঠানো (transitive verb) → এর জন্য object লাগে।
উদাহরণ:The government raises taxes. (সরকার কর বাড়ায়)
He raised his hand. (সে হাত তুলল)
কিন্তু "rate of inflation raises" বললে অর্থ হয় না, কারণ এখানে কোনো object নেই এবং inflation rate নিজে থেকে বাড়ছে।• Rise [intransitive verb]
- এর পরে object লাগে না।
- অর্থ: ওঠা/বৃদ্ধি পাওয়া (নিজে নিজে)।
- Rise - নিজে নিজে বাড়া বা উঠা (intransitive verb) → কোনো কিছু বাড়লে আমরা বলি "it rises".
- এখানে inflation rate নিজেই বাড়ছে, কেউ এটাকে বাড়াচ্ছে না। তাই: the rate of inflation rises (ঠিক।)এই বাক্যে:
"The rate of inflation" নিজে নিজে বৃদ্ধি পায়, কেউ এটাকে বাড়ায় না। তাই intransitive verb "rises" ব্যবহার হবে।Correct sentence: The value of the dollar declines as the rate of inflation rises.
অর্থ: মুদ্রাস্ফীতির হার বৃদ্ধি পেলে ডলারের মূল্য হ্রাস পায়।
- "Sweet are the uses of adversity."- This sentence is an example of -
- hyperbole
- climax
- anti-climax
- paradox
• 'Sweet are the uses of adversity' is an - Example of - Paradox.
• A self-contradictory statement that hides a rational meaning is called Paradox.
- Paradox হচ্ছে আপাত বিরোধী কিন্তু সত্য।
-'Sweet are the uses of adversity' যেখানে surface meaning কিংবা আপাত দৃষ্টিতে লাইনটির অর্থ contradictory মনে হয় যে adversity is bitter।
- কিন্তু এর deeper meaning এ বোঝা যায় যে adversity carries within itself the sweetness of achievement.
- যেখানে surface meaning কিংবা আপাত দৃষ্টিতে লাইনটির অর্থ contradictory.• More Examples of paradox:
- I must be cruel to be kind
- The world will be saved by failure.
- Cowards die many times before their deaths.
- There is no one so poor as a wealthy miser.
- The world will be saved by failure.
- Ignorance is strength.Other options,
Climax:
- Climax হলো কোনো গল্প, নাটক বা উপন্যাসের সবচেয়ে নাটকীয় ও আবেগঘন মুহূর্ত, যখন কাহিনী সর্বোচ্চ উত্তেজনায় পৌঁছে যায়।
- এটিই মূল টার্নিং পয়েন্ট, যেখানে Rising Action শেষ হয়ে Falling Action শুরু হয়।
- অলঙ্কারশাস্ত্রে Climax বলতে বোঝায়-শব্দ বা বাক্যগুলোকে এমনভাবে সাজানো, যাতে প্রতিটি ধাপ আগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বা শক্তিশালী হয়।• Hyperbole:
- An exaggerated statement or an extreme overstatement.
- অতিশয়োক্তি; অত্যুক্তি; অতিরঞ্জন।
- কমেডিতে ইচ্ছাকৃতভাবে অতিরঞ্জিত ভাব প্রকাশের জন্য Hyperbole ব্যবহৃত হয়।
- Love poetry তে প্রিয়জনের প্রতি তীব্র প্রশংসা জানাতে Hyperbole ব্যবহৃত হয়।
- Hyperbole হাসির উদ্রেক অথবা কঠিন সমালোচনা প্রকাশ করতে পারে।Anticlimax:
- an event or experience that causes disappointment because it is less exciting than was expected or because it happens immediately after a much more interesting or exciting event.Source: An ABC of English Literature - Dr. M Mofizar Rahman.
- The disgruntled man grumbled _____ his fate.
- at
- on
- against
- over
Complete sentence: The disgruntled man grumbled at his fate.
• Grumble (verb)
English Meaning: to mutter in discontent.
Bangla Meaning: বিড়বিড়িয়ে ক্ষোভ বা অসন্তোষ প্রকাশ করা।- "অসন্তোষ প্রকাশ" বোঝাতে grumble এরপর 'at' বসে।
Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy. - are activities which a heart patient must forego.
- Heavy smoking and to overeat.
- Smoking heavily and to overeat
- To smoke heavily and overeating
- Heavy smoking and overeating
সঠিক উত্তর: ঘ) Heavy smoking and overeating.
Complete sentence: Heavy smoking and overeating are activities which a heart patient must forego.এই বাক্যে Parallelism বা সমান্তরাল গঠন মেনে চলতে হবে।
• Parallelism:
- Parallelism in grammar is defined as two or more phrases or clauses in a sentence that have the same grammatical structure.• Parallelism এর নিয়ম অনুসারে শব্দের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হয়।
- এই নিয়মানুসারে and এর পূর্বে gerund থাকলে and এর পরেও gerund বসে।বিকল্পগুলো বিশ্লেষণ:
ক) Heavy smoking and to overeat:
- ভুল: "smoking" (gerund) + "to overeat" (infinitive) - ভিন্ন গঠন। Parallelism বা সমান্তরাল গঠন মেনে চলেনি।
খ) Smoking heavily and to overeat:
- ভুল: "smoking" (gerund) + "to overeat" (infinitive) - ভিন্ন গঠন। Parallelism বা সমান্তরাল গঠন মেনে চলেনি।
গ) To smoke heavily and overeating:
- ভুল: "to smoke" (infinitive) + "overeating" (gerund) - ভিন্ন গঠন। Parallelism বা সমান্তরাল গঠন মেনে চলেনি। - We wear warm _____ in winter.
- clothe
- cloth
- clothing
- clothes
সঠিক উত্তর: ঘ) clothes.
Complete sentence: We wear warm clothes in winter.
• Clothes হলো plural noun যা পোশাক-পরিচ্ছদ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সবসময় plural form-এ থাকে এবং পোশাকের সেট বা বিভিন্ন ধরনের পোশাক বোঝায়।
- যেমন: warm clothes, winter clothes, new clothes, old clothes ইত্যাদি।
- অর্থাৎ, পোশাক বোঝাতে সবসময় "clothes" ব্যবহার হয়।
অন্যান্য অপশন ভুল:
ক: "clothe" - এটি verb, noun নয়। এখানে noun প্রয়োজন।
খ: "cloth" - এটি কাপড়ের উপাদান বোঝায়, পোশাক নয়।[(সুতা,পশম,রেশম প্রভৃতিতে তৈরি) কাপড়; বস্ত্র।]
গ: "clothing" - এটিও সঠিক হতে পারে, কিন্তু খুবই কম ব্যবহৃত, তবে "clothes" বেশি প্রচলিত এবং স্বাভাবিক। - Dr. Jamal Nazrul Islam is a noted physicist
- as well as an effective teacher
- and too a very efficient teacher
- but he teaches very good in addition
- however he teaches very good also
The correct answer is ক) as well as an effective teacher.
Complete sentence: Dr. Jamal Nazrul Islam is a noted physicist as well as an effective teacher.
• যখন একই ব্যক্তি বা বিষয়ের দুটি ইতিবাচক গুণ বা বৈশিষ্ট্য একসঙ্গে দেখাতে হয়, তখন as well as ব্যবহার করা হয়।
- অর্থ: এবং সেই সঙ্গে / সেইসাথে / এছাড়াও।
- as well as এর পরে যে phrase আসে, সেটা noun phrase বা adjective phrase হয় (এখানে "an effective teacher" হচ্ছে noun phrase). Verb-এর পুরো clause আসে না।
- Subject-এর সঙ্গে verb-এর agreement as well as-এর পরের অংশের ওপর নির্ভর করে না — শুধু প্রথম subject-এর ওপর নির্ভর করে।
অন্যান্য অপশন ভুল:
খ: "and too a very efficient teacher" - ভুল গঠন। "Too" এভাবে ব্যবহার করা যায় না। সঠিক রূপ: "and also a very efficient teacher"
গ: "but he teaches very good in addition" - "but" মানে বিপরীতমুখী (contrast), এখানে কোনো contrast নেই, দুটোই positive quality, "teaches very good" ভুল, adverb হবে very well (teaches very well), তাছাড়া বাক্যের গঠন অস্বাভাবিক ও অপ্রাকৃতিক।
ঘ: "however he teaches very good also" - "however" মানে "তবে" / "কিন্তু", contrast দেখায়, যা এখানে দরকার নেই। "Good" এর জায়গায় "well" হবে। - দুইটি সংখ্যার অনুপাত 7: 5 এবং তাদের ল.সা.গু 140 হলে সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু কত?
- 4
- 6
- 9
- 12
প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার অনুপাত 7 : 5 এবং তাদের ল.সা.গু 140 হলে সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু কত?
সমাধান:
মনে করি,
সংখ্যা দুইটি যথাক্রমে 7x এবং 5x
∴সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু = x
এবং ল.সা.গু = 35xপ্রশ্নমতে,
35x = 140
⇒ x = 140/35
∴ x = 4অতএব, সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু 4
- একটি জলাধারের তিন পঞ্চমাংশ পানি দ্বারা পূর্ণ এবং এতে আরো ৩০ লিটার পানি ঢাললে জলাধারটি ৮০% পানিপূর্ণ হয়। জলাধারটির পানি ধারণক্ষমতা কত?
- ৭৫ লিটার
- ১০০ লিটার
- ১৫০ লিটার
- ৩০০ লিটার
প্রশ্ন: একটি জলাধারের তিন পঞ্চমাংশ পানি দ্বারা পূর্ণ এবং এতে আরো ৩০ লিটার পানি ঢাললে জলাধারটি ৮০% পানিপূর্ণ হয়। জলাধারটির পানি ধারণক্ষমতা কত?
সমাধান:
ধরি, জলাধারের ধারণক্ষমতা = x লিটার
শুরুতে পানি ছিল = ৩/৫ অংশ = ৬০% (যেহেতু ৩/৫ × ১০০ = ৬০)
৩০ লিটার পানি যোগ করার পর হয় = ৮০%শর্তমতে,
(৮০% - ৬০%) = ৩০ লিটার
⇒ ২০% = ৩০ লিটার
⇒ ১০০% = (৩০ × ১০০)/২০ লিটার
∴ ১০০% = ১৫০ লিটারসুতরাং, জলাধারের ধারণক্ষমতা ১৫০ লিটার।
- একটি প্রকৃত ভগ্নাংশের লব ও হরের অন্তর ২। লব থেকে ৩ বিয়োগ ও হরের সাথে ৩ যোগ করলে যে ভগ্নাংশ পাওয়া যাবে তা ১/৩ সমান।
- ৫/৭
- ৭/৯
- ১/৩
- ৩/৫
প্রশ্ন: একটি প্রকৃত ভগ্নাংশের লব ও হরের অন্তর ২। লব থেকে ৩ বিয়োগ ও হরের সাথে ৩ যোগ করলে যে ভগ্নাংশ পাওয়া যাবে তা ১/৩ এর সমান।
সমাধান:
মনে করি, প্রকৃত ভগ্নাংশটির লব = x এবং হর = x + ২প্রশ্নমতে,
(x - ৩)/(x + ২ + ৩) = ১/৩
⇒ (x - ৩)/(x + ৫) = ১/৩
⇒ ৩(x - ৩) = x + ৫
⇒ ৩x - ৯ = x + ৫
⇒ ৩x - x = ৫ + ৯
⇒ ২x = ১৪
⇒ x = ৭∴ ভগ্নাংশটির লব = ৭ এবং হর = (৭ + ২) = ৯
অতএব, ভগ্নাংশটি = ৭/৯
- + ৯ + ১৩ + .............. + ৮৫ = ?
- ৭৮০
- ৮৬১
- ৯৪৫
- ৯০০
প্রশ্ন: ৫ + ৯ + ১৩ + .............. + ৮৫ = ?
সমাধান:
এটি একটি সমান্তর ধারা।
এখানে,
ধারার প্রথম পদ, a = ৫
সাধারণ অন্তর, d = ৯ - ৫ = ৪
শেষ পদ, p = ৮৫আমরা জানি, সমান্তর ধারার n-তম পদ = a + (n - ১)d
⇒ ৮৫ = ৫ + (n - ১)৪
⇒ ৮৫ - ৫ = (n - ১)৪
⇒ ৮০ = (n - ১)৪
⇒ n - ১ = ৮০/৪
⇒ n - ১ = ২০
⇒ n = ২১সমান্তর ধারার সমষ্টির সূত্র অনুযায়ী,
Sn = (n/২){2a + (n - ১)d}
⇒ S২১ = (২১/২){২ × ৫ + (২১ - ১)৪}
⇒ S২১ = (২১/২){১০ + ২০ × ৪}
⇒ S২১ = (২১/২){১০ + ৮০}
⇒ S২১ = (২১/২) × ৯০
⇒ S২১ = ২১ × ৪৫∴ সমষ্টি = ৯৪৫
- পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি ৬০ বছর ৫ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত হবে ৫ : ২ । পুত্রের বর্তমান বয়স কত?
- ১০
- ২০
- ১৫
- ২২
প্রশ্ন: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি ৬০ বছর ৫ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত হবে ৫ : ২ । পুত্রের বর্তমান বয়স কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে, পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি = ৬০ বছর
৫ বছর পর তাদের বয়সের সমষ্টি হবে = ৬০ + (৫ + ৫) = ৭০ বছরধরি, ৫ বছর পর পিতার বয়স হবে ৫x এবং পুত্রের বয়স হবে ২x
প্রশ্নমতে,
৫x + ২x = ৭০
⇒ ৭x = ৭০
∴ x = ১০∴ ৫ বছর পর পুত্রের বয়স হবে = ২x = ২ × ১০ = ২০ বছর
∴ পুত্রের বর্তমান বয়স = ২০ - ৫ = ১৫ বছর - f(x) = √(9 - x2) ফাংশনটির রেঞ্জ কত?
- [- 3, 0)
- (- 3, 3]
- [0, 3]
- (0, 3]
প্রশ্ন: f(x) = √(9 - x2) ফাংশনটির রেঞ্জ কত?
সমাধান:
ধরি, y = f(x) = √(9 - x2)রেঞ্জ বের করার জন্য আমাদের দেখতে হবে y-এর সম্ভাব্য মানগুলো কী কী হতে পারে।
1. বর্গমূলের (√) ভেতরে থাকা রাশি কখনো ঋণাত্মক হতে পারে না। তাই ডোমেন নির্ণয়ের জন্য,
9 - x2 ≥ 0
⇒ x2 ≤ 9
⇒ - 3 ≤ x ≤ 3 (এটি হলো ডোমেন)2. যেহেতু y = √(9 - x2), এবং বর্গমূলের ফলাফল কখনো ঋণাত্মক হয় না, তাই y ≥ 0 হবে।
3. এখন x-এর সীমার মধ্যে y-এর মানগুলো লক্ষ্য করি:
যখন x = 0, তখন y = √(9 - 0) = 3 (এটি সর্বোচ্চ মান)
যখন x = 3 বা - 3, তখন y = √(9 - 9) = 0 (এটি সর্বনিম্ন মান)অতএব, y-এর মান 0 থেকে শুরু করে 3 পর্যন্ত যেকোনো সংখ্যা হতে পারে।
∴ রেঞ্জ = [0, 3]
- 5kx - 4y + 7 = 0 ও 2x + 5y - 3 = 0 সরলরেখাদ্বয় পরস্পর লম্ব হলে k এর মান কত হবে?
- -2
- 0
- 2
- 1/2
প্রশ্ন: 5kx - 4y + 7 = 0 এবং 2x + 5y - 3 = 0 সরলরেখাদ্বয় পরস্পর লম্ব হলে k এর মান কত হবে?
সমাধান:
দুটি সরলরেখা পরস্পর লম্ব হওয়ার শর্ত হলো তাদের ঢালদ্বয়ের গুণফল - 1 হতে হবে।প্রথম সরলরেখা, 5kx - 4y + 7 = 0
⇒ 4y = 5kx + 7
⇒ y = (5k/4)x + 7/4
∴ প্রথম রেখার ঢাল, m1 = 5k/4দ্বিতীয় সরলরেখা, 2x + 5y - 3 = 0
⇒ 5y = - 2x + 3
⇒ y = (- 2/5)x + 3/5
∴ দ্বিতীয় রেখার ঢাল, m2 = - 2/5সরলরেখাদ্বয় পরস্পর লম্ব হওয়ার শর্তানুসারে,
m1 × m2 = - 1
⇒ (5k/4) × (- 2/5) = - 1
⇒ - 10k/20 = - 1
⇒ - k/2 = - 1
⇒ k = 2∴ k এর মান 2 হলে সরলরেখাদ্বয় পরস্পর লম্ব হবে।
- জন সদস্যের একটি পর্যটক দলের ৫৫ জন ল্যাটিন এবং ৪০ জন জার্মান ভাষায় কথা বলে। তাঁদের মধ্যে ২০ জন ল্যাটিন বা জার্মান কোন ভাষাতেই কথা বলে না। তাহলে কতজন কেবলমাত্র একটি ভাষাতেই কথা বলে?
- ১৫
- ২৫
- ৪০
- ৬৫
প্রশ্ন: ১০০ জন সদস্যের একটি পর্যটক দলের ৫৫ জন ল্যাটিন এবং ৪০ জন জার্মান ভাষায় কথা বলে। তাঁদের মধ্যে ২০ জন ল্যাটিন বা জার্মান কোন ভাষাতেই কথা বলে না। তাহলে কতজন কেবলমাত্র একটি ভাষাতেই কথা বলে?
সমাধান:
মোট সদস্য সংখ্যা, n(U) = ১০০ জন
ল্যাটিন বা জার্মান কোনো ভাষাতেই কথা বলে না = ২০ জন
অন্তত একটি ভাষায় কথা বলে, n(L ∪ G) = ১০০ - ২০ = ৮০ জনল্যাটিন ভাষায় কথা বলে, n(L) = ৫৫ জন
জার্মান ভাষায় কথা বলে, n(G) = ৪০ জনআমরা জানি,
n(L ∪ G) = n(L) + n(G) - n(L ∩ G)
⇒ ৮০ = ৫৫ + ৪০ - n(L ∩ G)
⇒ ৮০ = ৯৫ - n(L ∩ G)
⇒ n(L ∩ G) = ৯৫ - ৮০
∴ n(L ∩ G) অর্থাৎ, যারা উভয় ভাষায় কথা বলে = ১৫ জনকেবল ল্যাটিন ভাষায় কথা বলে = ৫৫ - ১৫ = ৪০ জন
কেবল জার্মান ভাষায় কথা বলে = ৪০ - ১৫ = ২৫ জন∴ কেবলমাত্র একটি ভাষায় কথা বলে = ৪০ + ২৫ = ৬৫ জন
- (x/3) - (2/y) = 1 এবং (x/4) + (3/y) = 3 হলে (x, y) = ?
- (2, 5)
- (4, 3)
- (2, 6)
- (6, 2)
প্রশ্ন: (x/3) - (2/y) = 1 এবং (x/4) + (3/y) = 3 হলে (x, y) = কত?
সমাধান:
দেয়া আছে,
x/3 - 2/y = 1 ........ (1)
x/4 + 3/y = 3 ........ (2)
(1) নং সমীকরণকে 3 দ্বারা এবং (2) নং সমীকরণকে 2 দ্বারা গুণ করি:
(1) × 3 ⇒ x - 6/y = 3 ........ (3)
(2) × 2 ⇒ x/2 + 6/y = 6 ........ (4)
এখন (3) ও (4) নং সমীকরণ যোগ করি:
(x + x/2) = 3 + 6
⇒ 3x/2 = 9
⇒ 3x = 18
∴ x = 6
এখন x-এর মান (1) নং সমীকরণে বসিয়ে পাই:
6/3 - 2/y = 1
⇒ 2 - 2/y = 1
⇒ 2 - 1 = 2/y
⇒ 1 = 2/y
∴ y = 2
∴ (x, y) = (6, 2) - ক এর বেতন ১০% কমানোর পর হ্রাসকৃত বেতন ১০% বাড়ানো হলে ক এর কতটুকু ক্ষতি হলো?
- ০%
- ১%
- ২%
- ১০%
প্রশ্ন: ক এর বেতন ১০% কমানোর পর হ্রাসকৃত বেতন ১০% বাড়ানো হলে ক এর কতটুকু ক্ষতি হলো?
সমাধান:
ধরি, ক এর মূল বেতন = ১০০ টাকা১০% কমানোর পর বেতন = ১০০ - (১০০ এর ১০%)
= ১০০ - (১০০ এর ১০/১০০)
= ১০০ - ১০
= ৯০ টাকা
আবার, ১০% বৃদ্ধিতে বর্তমান বেতন = ৯০ + (৯০ এর ১০%)
= ৯০ + (৯০ এর ১০/১০০)
= ৯০ + ৯
= ৯৯ টাকা∴ মোট ক্ষতি = (১০০ - ৯৯) টাকা = ১ টাকা
∴ শতকরা ক্ষতি = (১/১০০) × ১০০% = ১% - একটি গাছের পাদদেশ হতে 20 মিটার দূরে ভূমির কোন বিন্দুতে গাছের চূড়ার উন্নতি কোণ 60° হলে, গাছটির উচ্চতা কত?
- 20 মিটার
- 20√3 মিটার
- 20√2 মিটার
- 20/√3 মিটার
প্রশ্ন: একটি গাছের পাদদেশ হতে 20 মিটার দূরে ভূমির কোন বিন্দুতে গাছের চূড়ার উন্নতি কোণ 60° হলে, গাছটির উচ্চতা কত?
সমাধান:

মনে করি, গাছটির উচ্চতা AB = h মিটার।
গাছের পাদদেশ থেকে বিন্দুর দূরত্ব BC = 20 মিটার।
উন্নতি কোণ, ∠ACB = 60°আমরা জানি, সমকোণী ত্রিভুজ ABC-এর ক্ষেত্রে,
tan ∠ACB = AB/BC
⇒ tan 60° = h/20
⇒ √3 = h/20
∴ h = 20√3 মিটার∴ গাছটির উচ্চতা 20√3 মিটার।
- 5 সে.মি. ব্যাসার্ধের বৃত্তের কেন্দ্র হতে 3 সে.মি. দূরত্বে অবস্থিত জ্যা এর দৈর্ঘ্য কত?
- 8
- 9
- 10
- 12
প্রশ্ন: 5 সে.মি. ব্যাসার্ধের বৃত্তের কেন্দ্র হতে 3 সে.মি. দূরত্বে অবস্থিত জ্যা এর দৈর্ঘ্য কত?
সমাধান:

মনে করি, বৃত্তের কেন্দ্র O এবং জ্যা হলো AB।
কেন্দ্র হতে জ্যা এর ওপর লম্ব দূরত্ব OD = 3 সে.মি. এবং ব্যাসার্ধ OA = 5 সে.মি.।
এখানে, ∆OAD একটি সমকোণী ত্রিভুজ।পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে,
OA2 = OD2 + AD2
⇒ 52 = 32 + AD2
⇒ 25 = 9 + AD2
⇒ AD2 = 25 - 9
⇒ AD2 = 16
∴ AD = 4 সে.মি.আমরা জানি, বৃত্তের কেন্দ্র থেকে ব্যাস ভিন্ন অন্য কোনো জ্যা-এর ওপর অঙ্কিত লম্ব ওই জ্যা-কে সমদ্বিখণ্ডিত করে।
∴ জ্যা এর দৈর্ঘ্য, AB = 2 × AD
⇒ AB = 2 × 4
∴ AB = 8 সে.মি. - ৮% সরল সুদে কোনো মূলধন কত বছরে সুদে-আসলে তিনগুন হবে?
- ৮ বছর
- ১২ বছর
- ১৫ বছর
- ২৫ বছর
প্রশ্ন: ৮% সরল সুদে কোনো মূলধন কত বছরে সুদে-আসলে তিনগুণ হবে?
সমাধান:
ধরি, মূলধন = P টাকা
সুদের হার = ৮%
সময় = n বছরসুদে-আসলে ৩ গুণ হলে, সুদ-আসল = ৩P
অর্থাৎ, মূলধন + সুদ = ৩P
∴ সুদ = ৩P - P = ২Pআমরা জানি,
সরল সুদ, I = Pnr/১০০
∴ ২P = (P × ৮ × n)/১০০
বা, ২P = (৮Pn)/১০০
বা, ২ = ৮n/১০০
বা, ২০০ = ৮n
বা, n = ২০০/৮
∴ n = ২৫ বছর -

- 0
- 1
- 2
- 3
প্রশ্ন:

সমাধান:
- একটি বৃত্তস্থ বর্গের প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য 2 সে.মি. হলে বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত?
- π
- 2π
- √2π
- 2√2π
প্রশ্ন: একটি বৃত্তস্থ বর্গের প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য 2 সে.মি. হলে বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
বৃত্তস্থ বর্গের প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য = 2 সে.মি.
যদি একটি বর্গ বৃত্তস্থ হয়, তবে বৃত্তের ব্যাস = বর্গক্ষেত্রের কর্ণ∴ বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = √(22 + 22)
= √(4 + 4)
= √8
= 2√2 সে.মি.
অতএব, বৃত্তের ব্যাস = 2√2 সে.মি.এখন,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ, r = (2√2)/2 = √2 সে.মি.আমরা জানি,
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2
= π × (√2)2 = 2π বর্গ সে.মি. - দুইজন প্রার্থী একটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে একজন মোট ভোটের ৬৪% ভোট পেয়ে ৩৩৬ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হলে মোট ভোটের সংখ্যা কত হবে?
- ১২০০
- ১৫০০
- ১৮০০
- ২৪০০
প্রশ্ন: দুইজন প্রার্থী একটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে একজন মোট ভোটের ৬৪% ভোট পেয়ে ৩৩৬ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হলে মোট ভোটের সংখ্যা কত হবে?
সমাধান:
বিজয়ী প্রার্থী ভোট পান = ৬৪%
∴ পরাজিত প্রার্থী ভোট পান = (১০০ - ৬৪)% = ৩৬%
দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান = (৬৪ - ৩৬)% = ২৮%প্রশ্নমতে,
২৮% = ৩৩৬
⇒ ১% = ৩৩৬/২৮
∴ ১০০% বা মোট ভোট = (৩৩৬ × ১০০)/২৮ = ১২০০∴ মোট ভোটের সংখ্যা ১২০০
- টাকায় ৮ টি কমলা বিক্রয় করলে ২৫% ক্ষতি হয়। ১২টি কমলার ক্রয়মূলা কত?
- ১৬ টাকা
- ১৫ টাকা
- ১২ টাকা
- ১০ টাকা
প্রশ্ন: ৫ টাকায় ৮ টি কমলা বিক্রয় করলে ২৫% ক্ষতি হয়। ১২টি কমলার ক্রয়মূল্য কত?
সমাধান:
২৫% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = (১০০ - ২৫) টাকা = ৭৫ টাকাবিক্রয়মূল্য ৭৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
∴ বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০/৭৫ টাকা
∴ বিক্রয়মূল্য ৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৫)/৭৫ টাকা
= ২০/৩ টাকাএখন,
৮ টি কমলার ক্রয়মূল্য = ২০/৩ টাকা
∴ ১ টি কমলার ক্রয়মূল্য = ২০/(৩ × ৮) টাকা
∴ ১২ টি কমলার ক্রয়মূল্য = (১২ × ২০)/(৩ × ৮) টাকা
= ১০ টাকা∴ ১২ টি কমলার ক্রয়মূল্য ১০ টাকা।
-

- 64
- 128
- 256
- 512
প্রশ্ন:

সমাধান:
- নিপোর্ট (NIPORT) কী ধরনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান?
- জনসংখ্যা গবেষণা
- নদী গবেষণা
- মিঠাপানি গবেষণা
- বন্দর গবেষণা
NIPORT:
- জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট NIPORT-এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- এটি ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
• স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- নিপোর্ট স্বস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনোভাবের পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে।
- নিপোর্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিকে জোরদার করার জন্য কর্মসূচিভিত্তিক মূল্যায়নধর্মী অপারেশনাল গবেষণা ও সার্ভে পরিচালনা করা এবং কর্মসূচি উন্নয়নের জন্য গবেষণার ফলাফল কার্যকরভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে উপস্থাপন করা।
- নিপোর্ট প্রধান কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ সুবিধা ছাড়াও বিভাগীয় ও জেলা শহরেরয়েছে ১২টি পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (FWVTI), উপজেলা পর্যায়ে রয়েছে ২০টি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (RTC)। এছাড়া, ১২টি এফডব্লিউভিটিআই-এর সাথে আরো ৩১টি মাঠ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (FTC) সংযুক্ত রয়েছে।
• রূপকল্প: ২০৩০ সালের মধ্যে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টরে মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান ও গবেষণা পরিচালনার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি নেতৃস্থানীয় প্রতিষ্ঠান (Centre of excellence) হিসেবে নিপোর্টকে গড়ে তোলা।
- অভিলক্ষ্য: গুণগতমানে উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলে ও চাহিদাভিত্তিক গবেষণা পরিচালনা করে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচির উন্নয়ন ঘটিয়ে দেশের জনসংখ্যাকে সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা।
• নিপোর্টের ৩টি পরিচালনা ইউনিট রয়েছে- প্রশাসন, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা।
- মহাপরিচালক নিপোর্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট। - জাপান কবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
- ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- ১৫ আগস্ট ১৯৭৫
বাংলাদেশকে জাপানের স্বীকৃতি:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করার পর প্রথম যে কয়টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে, জাপান তার মধ্যে অন্যতম।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমপর্ণের মাধ্যমে নয় মাস ব্যাপী রক্তক্ষয়ী মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে।
- বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের। বাংলাদেশের বিজয় অর্জনে জাপানিপত্র-পত্রিকায় শিরোনাম করল 'Pakistanis Ink Surrender Papers'.
- ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি জাপান এয়ার লাইন্সের একটি বিরাট বিমান নানা সাহায্য সামগ্রী নিয়ে ঢাকা পৌঁছায়। জাপানের জনগণ ও স্কুলের ছেলেমেয়েরা জাপান রেডক্রসের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের জন্য এই সাহায্য দান করেন। জাপানি স্কুল শিশুরা তাদের টিফিনের অর্থ বাঁচিয়ে মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশিদের পাশে দাঁড়িয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- স্বীকৃতি দান প্রসঙ্গে হায়াকাওয়া বলেন, জাপান স্বাধীন বাংলাদেশকে দ্রুত স্বীকৃতি দিয়েছিল। সিদ্ধান্তটি ছিল অতি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর জাপান কূটনীতির ক্ষেত্রে এই প্রথম স্বতস্ফূর্তভাবে একটা উদ্যোগ নিল।
- ১৯৭২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি: জাপান বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। জাপান বাংলাদেশে দূতাবাসের কার্যক্রম চালু করে। তাকাশি ওয়ামাদা বাংলাদেশে নিযুক্ত প্রথম জাপানি রাষ্টদূত।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম ভুটান স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভুটান ও ভারত উভয় দেশই বাংলাদেশকে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি প্রদান করে।
উৎস: i) সংগ্রামের নোটবুক।
ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। - কোনটি জনসংখ্যা বন্টনের প্রাকৃতিক প্রভাবক?
- সামাজিক
- মৃত্তিকা
- অর্থনৈতিক
- সংস্কৃতি
জনসংখ্যা বন্টনে প্রভাবকসমূহ:
- পৃথিবীর জনসংখ্যার বন্টনও সর্বত্র সমান নয়।
- স্থানভেদে এই জনসংখ্যা বন্টনের তারতম্য রয়েছে।
- জনসংখ্যা বন্টনে কতকগুলো নিয়ামক কাজ করে।
- এই নিয়ামকগুলো জীবনধারণের জন্য অনুকূল হলে সেখানে মানুষের সংখ্যাধিক্য থাকে।
- আবার প্রতিকূল অবস্থায় জনসংখ্যার পরিমাণ কমে যায়।
- পৃথিবীর জনসংখ্যা বন্টনে যেসব নিয়ামক গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হিসেবে কাজ করে সেগুলোকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
• প্রাকৃতিক প্রভাবক।
• অপ্রাকৃতিক নিয়ামক।
→ প্রাকৃতিক প্রভাবকসমূহ:
• মৃত্তিকা, জলবায়ু, ভূমিরূপ, ভৌগোলিক অবস্থান, পানির প্রাচুর্যতা, সম্পদের পর্যাপ্ততা ও জীবজগৎ।
→ অপ্রাকৃতিক প্রভাবকসমূহ:
• কর্মসংস্থানের সুযোগ, শিল্প ও বাণিজ্য, প্রযুক্তি, অভিগমন, অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের ধরণ, ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক ও সরকারি নীতি।
তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। - বাংলার প্রাচীনতম স্থান কোনটি?
- সোনারগাঁও
- বিক্রমপুর
- পুন্ড্র
- চন্দ্রদ্বীপ
পুন্ড্র:
- বাংলার প্রাচীনতম স্থান বা নগরকেন্দ্র হলো বগুড়া জেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড় যা প্রাচীনকালে 'পুণ্ড্রনগর' বা 'পুন্ড্রবর্ধন' নামে পরিচিত ছিল।
• খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের (আনুমানিক) মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপিতে উল্লিখিত পুদনগল (পুণ্ড্র নগর) এবং বগুড়া যে অভিন্ন তা একাধিক উৎস থেকে প্রমাণ করা যায়।
- প্রাচীন এই জনপদের সীমানা চিহ্নিত করে ড. নীহাররঞ্জন রায় লিখেছেন, "পুণ্ড্রবর্ধনের কেন্দ্র বা হৃদয়স্থানের একটি নতুন নাম পাইতেছি দশম শতক হইতে; এ নাম বরেন্দ্র অথবা বরেন্দ্রী।"
- অর্থাৎ এই প্রাচীন জনপদটি ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে দুটো ভিন্ন নামে পরিচিতি লাভ করেছিল।
- কতিপয় লিপি প্রমাণে এ কথা বলা যায় যে, বরেন্দ্র পুণ্ড্রবর্ধনেরই অংশবিশেষ। মধ্যযুগের মুসলিম ঐতিহাসিকরা বরেন্দ্রিকে বলতেন বরীন্দ্র।
• প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুন্ড্র।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। পরবর্তীকালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল। পুন্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- গুপ্ত যুগে পুন্ড্রনগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
উল্লেখ্য,
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুন্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান।
উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। - জুলাই সনদ কবে স্বাক্ষরিত হয়?
- ১৬ অক্টোবর, ২০২৫
- ১৭ অক্টোবর, ২০২৫
- ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
- ১৯ অক্টোবর, ২০১৫
জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫:
- ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
• ১৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনের জাঁতাকলে পিষ্ট বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে এক অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থানের সূচনা হয়।
- এর ফলে ৫ই আগস্ট, ২০২৪ তারিখে তৎকালীন ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার কিছু দোসর দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান এবং দীর্ঘকালীন দমনমূলক ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে।
- জনগণের বিজয়ের ফল হিসেবে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়।⇒ জুলাই জাতীয় সনদে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব উপস্থাপিত হয়েছে।
- এরই মধ্যে রাষ্ট্রীয় সংস্কারের ১৭টি বিষয়ে ৩২টি রাজনৈতিক দল ও জোটের পূর্ণ ঐকমত্যের ভিত্তিতে ৮৪ দফার জুলাই জাতীয় সনদ চূড়ান্ত করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন; বাকি ৬৭টি বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কেউ কেউ বিরোধিতা করেছে এবং দিয়েছে নোট অব ডিসেন্ট।
উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট। - 'WIPO' এর সদর দপ্তর -
- ব্রাসেলস
- লন্ডন
- জেনেভা
- প্যারিস
WIPO:
- জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা WIPO-এর পূর্ণরূপ: World Intellectual Property Organization.
- WIPO হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ জুলাই, ১৯৬৭।
- কার্যকর হয়: ১৯৭০ সালে।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার অন্তর্ভুক্ত হয় ১৯৭৪ সালে।
- সংশোধিত হয়: ১৯৭৯ সালে।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান মহাপরিচালক: ড্যারেন ট্যাং (সিঙ্গাপুর)।
- মূল উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল বা সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডকে উৎসাহিত করা।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালের ১১ মে WIPO এর সদস্যপদ লাভ করে।
উৎস: WIPO ওয়েবসাইট। - NATO কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ৪ আগষ্ট ১৯৪৭
- ৪ এপ্রিল ১৯৪৯
- ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৭
- ৪ মে ১৯৪৭
ন্যাটো (NATO - North Atlantic Treaty Organization) ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- ন্যাটোর মূলনীতি হলো- ‘ইউরোপ বা উত্তর আমেরিকায় জোটের এক বা একাধিক সদস্যের বিরুদ্ধে যেকোনো সশস্ত্র আক্রমণকে জোটের সকল সদস্যের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।’
উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
- যুক্তরাষ্ট্রে নাইন-ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলার পর ন্যাটো তাদের রক্ষায় মাঠে নামে।
- এর প্রত্যেকটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের সামরিক বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখতে বদ্ধপরিকর।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট। - বিশ্বখ্যাত মোনালিসা চিত্রটির চিত্রকর কে?
- মাইকেল অ্যাঞ্জেলো
- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি
- পাবলো পিকাসো
- ভ্যানগগ
মোনালিসা:
- বিশ্ববিখ্যাত 'মোনালিসা' চিত্রটির চিত্রকর লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি।
• ধারণা করা হয় ১৫০৩ থেকে ১৫০৬ সালের মধ্যে তিনি এ ছবিটি এঁকেছিলেন।
- শিল্পকর্মটি ফ্রান্সের ল্যুভর জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
- ল্যুভর জাদুঘরের তথ্যমতে প্রায় ৮০% পর্যটক শুধু মোনালিসার চিত্র টি দেখার জন্য আসে।
- ছবিটি আঁকতে তার প্রায় চারবছর সময় লাগে।
- মোনালিসার এই ছবিটির মূল্য নির্ধারণ করা হয় প্রায় ৮৩০ মিলিয়ন ডলার।
- অনেক শিল্প গবেষক পোর্ট্রেটের এই বিখ্যাত নারীকে ফ্লোরেন্টাইনের বণিক ফ্রান্সিসকো দ্য গিওকন্ডোর (Gioconda) স্ত্রী লিসা গেরাদিনি বলে সনাক্ত করেছেন।
- আবার অনেকে প্রায় লোমহীন মুখটায় অনেকে দাড়ি লাগিয়ে স্বয়ং লিওনার্দোকেই আবিষ্কার করে ফেলেন, অর্থাৎ তারা দাবি করেন, মোনা লিসা চরিত্রটি লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির নারীসত্ত্বা (এক্ষেত্রে ড্যান ব্রাউন এর দ্য ভিঞ্চি কোড বইটিতেও কিছুটা বলা হয়েছে)।
উল্লেখ্য,
- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি একজন ইতালীয় রেনেসাঁ পলিমাথ, চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, স্থপতি, সংগীতশিল্পী, বিজ্ঞানী, গণিতবিদ, প্রকৌশলী, উদ্ভাবক, অ্যান্টোনিস্ট, ভূতত্ত্ববিদ, ম্যাগাজিনর, উদ্ভিদবিদ এবং লেখক।
- তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানবতার একজন।
- লিওনার্দো ফ্লোরেন্স কাছাকাছি Tuscany, ছোট শহরে ভ্যানি মধ্যে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর বিখ্যাত শিল্পকর্ম: The Last Supper, Mona Lisa, The Vitruvian Man, The Portrait of a Lady with an Ermine, The Virgin of the Rocks, The Baptism of Christ, The Adoration of the Magi (1481), The Virgin and Child with St Anne (1510), The Madonna and Child with St. Anne, The Madonna and Child with a Cat, Portrait of Ginevra de' Benci (1474-1476)।
উৎস: Britannica. - 'তাহরির স্কয়ার' কোথায় অবস্থিত?
- সিউল
- আম্মান
- কায়রো
- তেহরান
তাহরির স্কয়ার:
- তাহরির স্কয়ার মিশরের কায়রোতে অবস্থিত।
- এটিই কায়রোর গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থল।
• মিশরের বিপ্লব: তাহরির স্কোয়ারে ১৮ দিন
- মিশরের তাহরির স্কোয়ারে ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি বিপ্লব শুরু হয়।
- মিশরে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ক্ষমতাসীন ছিলেন হোসনি মুবারক, যিনি একদিকে দেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার দাবি করলেও, তার শাসনামলে রাজনৈতিক স্বাধীনতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং দুর্নীতির অভিযোগ বেড়ে যায়।
- ২৫ জানুয়ারি, ২০১১, মিশরের পুলিশ দিবসে, বিরোধী আন্দোলনকারীরা তীব্র প্রতিবাদ শুরু করে। তাদের দাবী ছিল মুবারকের সরকারের পতন এবং গণতান্ত্রিক সংস্কার।
- এই প্রতিবাদ মিশরের রাজধানী কায়রোর তাহরির স্কোয়ারে কেন্দ্রীভূত হয়ে ওঠে, যা বিপ্লবের প্রধান স্থান হয়ে ওঠে।উল্লেখ্য,
- ১৮ দিনের প্রতিরোধ এবং চাপের পর, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১১-এ হোসনি মুবারক পদত্যাগ করেন।
উৎস: BBC. - আমেরিকাকে এশিয়া থেকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?
- ফ্লোরিডা
- পক
- জিব্রাল্টার
- বেরিং
আমেরিকাকে এশিয়া থেকে পৃথক করেছে বেরিং প্রণালী।
বেরিং প্রণালি:
- 'বেরিং প্রণালি' এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- এটি রাশিয়া (এশিয়া) এবং আলাস্কা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (উত্তর আমেরিকা)-কে পৃথক করেছে।
- এটি আর্কটিক মহাসাগরের চুকচি সাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরের বেরিং সাগরকে যুক্ত করে।
- প্রণালিটি এশিয়া (চুকচি উপদ্বীপ) ও উত্তর আমেরিকা (আলাস্কা)-এর মধ্যে অবস্থিত।
- এটি প্রায় ৮৫ কিলোমিটার (৫৩ মাইল) চওড়া এবং এর গড় গভীরতা ৩০ থেকে ৫০ মিটার (৯৮ থেকে ১৬৪ ফুট)।
অন্যদিকে -
- ফ্লোরিডা কোনো প্রণালী নয়, এটি একটি রাজ্য।
- পক প্রণালী: ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করে।
- জিব্রাল্টার প্রণালী: ইউরোপ (স্পেন) ও আফ্রিকা (মরক্কো) পৃথক করে।
উৎস: i) Britannica.
ii) BBC. - বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ 'অ্যাডাম স্মিথ' কোন দেশে জন্মগ্রহন করেছিলেন?
- স্কটল্যান্ড
- ফ্রান্স
- জার্মানী
- ইতালী
অ্যাডাম স্মিথ:
- অ্যাডাম স্মিথ ছিলেন একজন বিখ্যাত স্কটিশ দার্শনিক, নীতিবিদ এবং রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ।
- তিনি স্কটল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক হিসেবে পরিচিত।
• প্রধান বই:
- এডাম স্মিথ ১৭৭৬ সালে Wealth of Nations গ্রন্থটি রচনা করেন। তাঁর লেখা 'Wealth of nations' বইটি তাঁকে আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক হিসেবে পরিচিত করেছে। এই বইয়ে তিনি অর্থনীতির মূল বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা দেন। বইটিতে স্মিথ শ্রমের বিভাজন, উৎপাদনশীলতা এবং মুক্ত বাজারের মতো বিষয়গুলিকে সম্বোধন করেন।
- এডাম স্মিথ ১৭৫৯ সালে তাঁর ‘Theory of Moral Sentiment’ গ্রন্থটি রচনা করেন। বইটিতে তিনি বুঝাতে চেয়েছিলেন মানুষ কীভাবে সঠিক এবং ভুল নির্ধারণ করে। কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষ কিছু জিনিসকে নৈতিকভাবে প্রয়োজনীয়, বাকিগুলো নৈতিকভাবে নিষিদ্ধ, আবার কিছু কিছু জিনিসকে নৈতিকভাবে উদাসীন খুঁজে পায়।
• তাঁর প্রধান মতবাদসমূহ:
- অদৃশ্য হাত (Invisible Hand): তাঁর মতে, মানুষের স্ব-স্বার্থ বা নিজেদের স্বার্থ পূরণের আকাঙ্ক্ষা সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতির মূল চালিকাশক্তি।
- মুক্ত বাজার ও সীমিত রাষ্ট্র: অবাধ বাণিজ্য এবং অর্থনীতিতে সরকারের কম হস্তক্ষেপের পক্ষে ছিলেন।
- শ্রম বিভাগ: উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষীকরণের কথা বলেন।
এছাড়াও,
- 'Economics is the science of wealth'- উক্তিটি অ্যাডাম স্মিথের।
উৎস: i) Investopedia ওয়েবসাইট।
ii) Britannica. - কোনটির কার্যপ্রণালিতে তাড়িত চৌম্বক আবেশকে ব্যবহার করা হয়?
- ট্রানজিস্টর
- মোটর
- ট্রান্সফর্মার
- অ্যামপ্লিফায়ার
• ট্রান্সফর্মারের - কার্যপ্রণালিতে তাড়িত চৌম্বক আবেশকে ব্যবহার করা হয়।
• তড়িৎ-চৌম্বকীয় আবেশ:
- একটি গতিশীল চুম্বক বা তড়িৎবাহী বর্তনীর সাহায্যে অন্য একটি বদ্ধ বর্তনীতে ক্ষণস্থায়ী তড়িচ্চালক শক্তি ও তড়িৎ প্রবাহ উৎপন্ন হওয়ার পদ্ধতিকে তাড়িতচৌম্বকীয় আবেশ বা তড়িৎ-চৌম্বকীয় আবেশ বলে।• রূপান্তরক বা ট্রান্সফর্মার (Transformer):
- যে যন্ত্রের সাহায্যে পর্যাবৃত্ত বা দিক পরিবর্তী উচ্চবিভবকে নিম্নবিভবে এবং নিম্নবিভবকে উচ্চবিভবে রূপান্তরিত করা যায় তাকে রূপান্তরক বা ট্রান্সফর্মার বলা হয়।• তড়িৎ-চৌম্বকীয় আবেশ বা তাড়িতচৌম্বক আবেশের ওপর ভিত্তি করে ট্রান্সফর্মার তৈরি করা হয়।
• ট্রান্সফর্মার সাধারণত দুই প্রকারের হয়।যথা-
- আরোহী বা স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার: যে ট্রান্সফর্মার অল্প বিভবের অধিক তড়িৎপ্রবাহকে অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে আরোহী বা স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার বলা হয়।- অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার: যে ট্রান্সফর্মার অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহকে অল্প বিভবের অধিক তড়িৎপ্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার বলা হয়।
তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন। - অ্যালুমিনিয়াম সালফেটকে কী বলে?
- চুন
- ফিটকিরি
- কস্টিক সোডা
- সোডা অ্যাস
- অ্যালুমিনিয়াম সালফেটের চলতি বাংলা 'ফিটকিরি' বলে যার রাসায়নিক সংকেত: [K2SO4.Al2(SO4)3. 24H2O] ।
পটাশ অ্যালাম:
- পটাশ অ্যালাম বা ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ।
- পটাশ অ্যালাম সাধারণ মানুষের কাছে ফিটকিরি নামে পরিচিত।
- এটি সাধারণত পানি বিশুদ্ধকরণ কাজে ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ।
- অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস।
- পটাস অ্যালামে ২৪ অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে।উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- কোন এনজাইমের প্রভাবে গ্লুকোজ ইথানলে পরিণত হয়?
- মন্টেজ
- জাইমেজ
- ইনভাটেজ
- ডায়াসটেজ
• গ্লুকোজ থেকে ইথানল রূপান্তর:
- গ্লুকোজ থেকে ইথানল তৈরির প্রক্রিয়াকে ফারমেন্টেশন (Fermentation) বলা হয়।
- এই প্রক্রিয়াটি সাধারণত ইস্ট (Yeast) এর উপস্থিতিতে ঘটে।
- ফারমেন্টেশনের সময় গ্লুকোজ ভেঙে ইথানল ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়।
- এই জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে নির্দিষ্ট এনজাইমের প্রয়োজন হয়।• জাইমেজ (Zymase):
- জাইমেজ হলো এক ধরনের এনজাইম কমপ্লেক্স যা ইস্ট কোষে পাওয়া যায়।
- এটি গ্লুকোজকে ধাপে ধাপে ভেঙে ইথানলে রূপান্তর করে।
- অ্যালকোহলিক ফারমেন্টেশনের জন্য জাইমেজ অপরিহার্য।
- জাইমেজের উপস্থিতিতেই গ্লুকোজ থেকে ইথানল উৎপাদন সম্ভব হয়।• ইনভাটেজ (Invertase):
- ইনভাটেজ এনজাইম সুক্রোজকে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজে ভেঙে দেয়।
- এটি সরাসরি গ্লুকোজকে ইথানলে রূপান্তর করে না।
- তাই ইথানল উৎপাদনের ক্ষেত্রে এটি প্রধান এনজাইম নয়।• ডায়াসটেজ (Diastase):
- ডায়াসটেজ স্টার্চকে মালটোজ বা গ্লুকোজে রূপান্তর করে।
- এটি হজম ও অঙ্কুরোদ্গম প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ।
- তবে এটি গ্লুকোজকে ইথানলে পরিণত করে না।• মন্টেজ (Montase):
- মন্টেজ নামে কোনো পরিচিত এনজাইম নেই যা গ্লুকোজকে ইথানলে রূপান্তর করে।
- এটি এই প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়।সুতরাং, গ্লুকোজকে ইথানলে রূপান্তরের জন্য দায়ী এনজাইম হলো জাইমেজ।
সঠিক উত্তর: খ) জাইমেজ।
সূত্র - sciencedirect journal. - গঠন প্রক্রিয়া অনুযায়ী শিলা কয় প্রকার?
- দুই
- তিন
- চার
- আট
- ভূত্বক গঠিনকারী উপাদানসমূহ শিলা নামে পরিচিত
- গঠন অনুসারে শিলা তিন প্রকার। যথা:-
১। আগ্নেয় শিলা,
২। পাললিক শিলা ও
৩। রূপান্তরিত শিলা ।
আগ্নেয় শিলা:
- পৃথিবী সৃষ্টির প্রাথমিক পর্যায়ের উত্তপ্ত ও গলিত অবস্থা হতে ক্রমান্বয়ে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তা আগ্নেয় শিলা নামে পরিচিত।
- আগ্নেয় শিলা দুপ্রকার। যথা: অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা এবং বহিঃজ আগ্নেয় শিলা।
অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা:
- গ্রানাইট
- গ্যাব্রো
- ডলোরাইট
- ল্যাকোলিথ
- ব্যাথোলিথ
- ডাইক
- সিল প্রভৃতি।
বহিঃজ আগ্নেয় শিলা:
- ব্যাসল্ট
- রায়োলাইট
- অ্যান্ডিসাইট।
পাললিক শিলা:
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে পাললিক শিলা বলে।
- পাললিক শিলায় জীবাশ্ম ও স্তর লক্ষ্য করা যায় ।
- পাললিক শিলা নরম, ভঙ্গুর ও সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয় ৷
- বেলেপাথর, চুনাপাথর, কাঁদাপাথর, কয়লা, কেওলিন, শেল প্রভৃতি পাললিক শিলার উদাহরণ।রূপান্তরিত শিলা:
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা প্রচন্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক পরিবর্তনের ফলে রূপান্তরিত শিলা গঠন করে।
- রূপান্তরিত শিলা স্ফটিকযুক্ত এবং খুব কঠিন হয়।
- এতে জীবাশ্ম দেখা যায় না।
- গ্রানাইট থেকে নিস বা নাইস, কয়লা থেকে গ্রাফাইট, চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট ইত্যাদি রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ।উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি ৷
- কোন মৌলটির উপস্থিতি কয়লার মান নষ্ট করে?
- নাইট্রোজেন
- ফসফরাস
- সালফার
- অক্সিজেন
• কয়লার মান নষ্টকারী মৌল (সালফার):
- কয়লায় সালফারের উপস্থিতি কয়লার গুণগত মান কমিয়ে দেয়।
- সালফারযুক্ত কয়লা জ্বালালে দুর্গন্ধযুক্ত গ্যাস (SO2) উৎপন্ন হয়, যা পরিবেশ দূষণ ঘটায়।
- এই গ্যাস বায়ু দূষণ ও অ্যাসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী।
- শিল্পকারখানায় সালফারযুক্ত কয়লা ব্যবহার করলে যন্ত্রপাতিতে ক্ষয় (corrosion) দেখা যায়।
- তাই উচ্চ সালফারযুক্ত কয়লাকে নিম্নমানের কয়লা হিসেবে ধরা হয়।• অন্যান্য মৌলগুলোর প্রভাব:
- নাইট্রোজেন সাধারণত কয়লার মান নষ্ট করার প্রধান কারণ নয়।
- ফসফরাস ধাতব শিল্পে ক্ষতিকর হলেও কয়লার প্রধান মাননষ্টকারী মৌল নয়।
- অক্সিজেন কয়লার দহন প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়, কিন্তু সরাসরি কয়লার মান নষ্ট করে না।সুতরাং, কয়লার মান নষ্ট করার জন্য প্রধানত দায়ী মৌল হলো সালফার।
সঠিক উত্তর: গ) সালফার।
সূত্র - sciencedirect journal. - কোনটি অস্থির বৈশিষ্ট্য?
- স্থিতিস্থাপক
- তন্তুময়
- দৃঢ়
- নরম
• অস্থির বৈশিষ্ট্য - দৃঢ়।
অস্থির বৈশিষ্ট্য:
- এক ধরনের অনমনীয়, কঠিন এবং ভঙ্গুর কঙ্কাল যোজক কলা
- স্থিতিস্থাপক নয়।
- ম্যাট্রিক্স কঠিন। এতে অস্টিওব্লাস্ট ও অষ্টিওক্লাস্ট নামক অস্থিকোষ থাকে।
- কোষগুলো মাকড়সার জালের মতো।
- বাইরের আবরণকে পেরিঅস্টিয়াম বলে।
- এদের মজ্জাগহ্বর থাকে।
- নিরেট অস্থিতে হ্যাভারসিয়ানতন্ত্র থাকে।তরুণাস্থির বৈশিষ্ট্য:
- অর্ধকঠিন এক ধরনের নমনীয় যোজক কলা।
- স্থিতিস্থাপক।
- ম্যাট্রিক্সকে কনড্রিন বলে। এটা কঠিন নয়। ম্যাট্রিক্সে কনডিওসাইট নামক কোষ থাকে।
- কোষগুলো গোলাকৃতির।
- বাইরের আবরণকে পেরিকনড্রিয়াম বলে।
- এদের কোন ফাঁকা স্থান বা মজ্জাগহ্বর থাকে না।
- কোষে হ্যাভারসিয়ানতন্ত্র থাকে না।উৎস: জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান), এইচ এস সি, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- হিমোগ্লোবিন কোন জাতীয় পদার্থ?
- আমিষ
- স্নেহ
- আয়োডিন
- লৌহ
হিমোগ্লোবিন:
- হিমোগ্লোবিন এক ধরনের আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় পদার্থ।
- হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির জন্য রক্তের রং লাল হয়।
- এর প্রধান কাজ হলো ধমনি থেকে দেহের সব স্থানে অক্সিজেন ও বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করা।
- হিমোগ্লোবিনের প্রতিটি অণুতে চারটি আয়রন পরমাণু থাকে। আর প্রতিটি আয়রন পরমাণু একটি করে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
- রক্তে ৯৭-৯৮% অক্সিজেন পরিবাহিত হয় লোহত কণিকার অক্সিজেনের মাধ্যমে।
- একটি হিমোগ্লোবিন অণু একই সাথে ৪টি অক্সিজেন অণুর সাথে যুক্ত হতে পারে।

- অক্সিজেনের সাথে হিমোগ্লোবিনের রাসায়নিক বিক্রিয়া উভমুখী।উৎস: জীববিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. গাজী আজমল) এবং প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন কোনটি?
- ২১ মার্চ
- ২১ জুন
- ২৩ সেপ্টেম্বর
- ২২ ডিসেম্বর
• উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত - ২২ ডিসেম্বর।
• দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত - ২২ ডিসেম্বর।
• উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত - ২১ জুন।
• দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত - ২১ জুন।
• পৃথিবীর দিনরাত্রি সর্বত্র সমান - ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর।উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
- কোন পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য 200V এবং তড়িৎ প্রবাহ মাত্রা 20A হলে এর রোধ কত?
- 4000Ω
- 0.1Ω
- 10Ω
- 1Ω
দেওয়া আছে,
বিভব পার্থক্য, V = 200 V
তড়িৎ প্রবাহ, I = 20 A
এবং রোধ, R = ?
আমরা জানি,
I = V/R
বা, R = V/I
বা, R = 200/20
= 10Ω
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। - সবচেয়ে ভাল তাপ পরিবাহক কোনটি?
- লোহা
- তামা
- সীসা
- ব্রোঞ্জ
- উল্লিখিত অপশনের মধ্যে সবচেয়ে ভালো তাপ পরিবাহক হচ্ছে তামা।
পরিবাহী:
- যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে।
- সাধারণত ধাতব পদার্থ তড়িৎ সুপরিবাহী হয়।
যেমন- তামা, রূপা, লোহা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি পরিবাহী।
- পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ অনেক কম হয় প্রায় 10-8 Ωm ক্রমের।
- রূপা হলো সবচেয়ে উত্তম ধাতব পরিবাহক।
- পরিবাহীতে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে।
- ফলে পরিবাহীর দুই প্রান্তে সামান্য বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করলেই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে।উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- কোনটি প্রাইমারি দূষক?
- SO3
- N2O5
- NO
- HNO3
• প্রাইমারি দূষক:
- যে সকল দূষক পদার্থ কোনো উৎস থেকে নির্গত হয়ে অপরিবর্তিত অবস্থায় পরিবেশে বিদ্যমান থাকে এবং পরিবেশের দূষণ ঘটায় তাদেরকে প্রাইমারি দূষক বলে। যেমন:
- নাইট্রিক অক্সাইড (NO)
- কার্বন মনোক্সাইড (CO)
- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂)
- সালফার ডাইঅক্সাইড (SO₂)
- অ্যামোনিয়া (NH3)
- ছাই, ধুলিকণা
- Volatile organic compounds (VOCs)• সেকেন্ডারি দূষক:
- যে সকল দূষক পদার্থ সরাসরি কোনো উৎস থেকে পরিবেশে আসে না, বরং বায়ুমণ্ডলে নির্গত হওয়া প্রাথমিক দূষকগুলো থেকে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে সেকেন্ডারি দূষক বলে।
- যেমন:
- সালফার ট্রাইঅক্সাইড (SO3)
- নাইট্রিক এসিড (HNO3)
- সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄)
- হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড (H₂O₂)
- ওজোন (O3)উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- সোডিয়ামের (Na) নিউট্রন সংখ্যা কত?
- ২৩
- ১২
- ১১
- ৩৫
ভর সংখ্যা:
- কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থিত প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যাকে ঐ পরমাণুর ভর সংখ্যা বলা হয়।
- ইলেকট্রনের ভর প্রায় শূন্য ধরা হয়।
যেমন- সোডিয়াম ধাতুর পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা 11 টি এবং নিউট্রন সংখ্যা হল 12 টি। তাই সোডিয়ামের ভর সংখ্যা 23 ।পারমাণবিক সংখ্যা:
- কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটনের সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা (Atomic number) বলে।
- কোনো একটি মৌলের ধর্ম মৌলের পারমাণবিক সংখ্যার উপর নির্ভর করে, পারমাণবিক সংখ্যাই মৌলের মৌলিক ধর্ম।
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসের বাইরে চারদিকে বিভিন্ন শক্তিস্তরে ইলেকট্রনসমূহ নিজস্ব শক্তি অনুযায়ী বিভিন্ন কক্ষপথে অবস্থান নিয়ে ঘুরতে থাকে।
- ইহাকে Z দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
যেমন- হাইড্রোজেন (H) পরমাণুর নিউক্লিয়াসে 1 টি প্রোটন আছে, কাজেই উহার পারমাণবিক সংখ্যা 1 । আবার, কার্বনের পরমাণুতে 6টি প্রোটন আছে, বিধায় কার্বনের পারমাণবিক সংখ্যা 6 । কার্বন পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা 6 টি এবং নিউট্রন সংখ্যা 6 টি।উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- রক্ত শূন্যতার অপর নাম কী?
- লিউকেমিয়া
- অ্যানিমিয়া
- সিরোসিস
- জন্ডিস
• রক্ত শূন্যতার অপর নাম - অ্যানিমিয়া।
• অ্যানিমিয়া:
- অ্যানিমিয়া (Anemia) হলো এমন একটি শারীরিক অবস্থা, যেখানে রক্তে হিমোগ্লোবিন এর মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়।
- হিমোগ্লোবিন একটি আয়রন-সমৃদ্ধ প্রোটিন, যা লোহিত রক্তকণিকায় থাকে এবং শরীরের বিভিন্ন কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে।
- যখন শরীরে আয়রনের ঘাটতি হয়, তখন পর্যাপ্ত হিমোগ্লোবিন তৈরি হয় না তখন সে অবস্থা কে বলা হয় অ্যানিমিয়া বা রক্তশুন্যতা ।
- এর ফলে শরীরে অক্সিজেন পরিবহন কমে যায় ।• অ্যানিমিয়ার লক্ষণ-
- দুর্বলতা ও অবসাদ
- মাথা ঘোরা
- শ্বাসকষ্ট
- ত্বক ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া।
- হাত-পা ঠান্ডা লাগা।• আনিমিয়ার কারণ-
- আয়রন-ঘাটতিজনিত অ্যানিমিয়া (Iron Deficiency Anemia)।
- ভিটামিন B12 বা ফোলেটের ঘাটতি।
- দীর্ঘস্থায়ী রক্তপাত (যেমন: ঋতুস্রাব, পেপটিক আলসার)।• এ সমস্যা থেকে পরিত্রানের জন্য পর্যাপ্ত আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।
• আয়রনের উৎস -
- প্রাণিজ উৎস: লিভার, গরুর মাংস, ডিম, মাছ।
- উদ্ভিজ্জ উৎস: পালংশাক, কলাই, মসুর ডাল, কিশমিশ।
- আয়রন শোষণে সহায়ক: ভিটামিন C (লেবু, আমলকি)।
অপশন আলোচনা-
ক) লিউকেমিয়া – রক্তের ক্যানসার, যেখানে অস্বাভাবিক শ্বেত রক্তকণিকা তৈরি হয়।
খ) অ্যানিমিয়া – রক্তে হিমোগ্লোবিন বা লাল রক্তকণিকার অভাবের কারণে রক্ত শূন্যতার অবস্থা।
গ) সিরোসিস – যকৃতের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষয়জনিত রোগ, যা রক্ত শূন্যতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
ঘ) জন্ডিস – ত্বক ও চোখ হলদেটে হয়ে যাওয়া, প্রধানত লিভারের সমস্যা থেকে ঘটে।তথ্যসূত্র:
- সাধারণ বিজ্ঞান – অষ্টম শ্রেণি (জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড)।
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; গাজী আজমল।
- ব্রিটানিকা। - রংধনুতে হলুদ রঙের দুই পাশের সংলগ্ন রঙ দুইটি কি কি?
- নীল, কমলা
- সবুজ, লাল
- বেগুনি, নীল
- সবুজ, কমলা
রংধনু:
- রংধনু তৈরি হয় পানির পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন দিয়ে।
- শুধু তা-ই নয়, যারা প্রিজমের অভাবে সাদা আলোকে তার রংগুলোতে ভাগ করে দেখতে পারেনি তারাও এই ব্যাপারটি রংধনুতেই ঘটতে দেখেছে।
- বৃষ্টি হওয়ার পরপর যদি রোদ ওঠে, তাহলে রংধনু দেখা যায়, কারণ তখন বাতাসে পানির কণা থাকে এবং পানির কণায় সেই আলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলিত হওয়ার সময় ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলো ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে বেঁকে যায়।
- এই আলোর রশ্মিগুলো দিয়ে রংধনুর ভিন্ন ভিন্ন রঙের ব্যান্ড (Band) তৈরি হয়।
- সঠিক উত্তর: ঘ) সবুজ, কমলা।রংধনুর ৭টি রঙের ক্রম (বাইরে থেকে ভিতরে):
লাল (Red) - R
কমলা (Orange) - O
হলুদ (Yellow) - Y ← এটি আমাদের প্রশ্নের রঙ
সবুজ (Green) - G
নীল (Blue) - B
আসমানি (Indigo) - I
বেগুনি (Violet) - V
মনে রাখার কৌশল: VIBGYOR বা "বেনীআসহকলা" (বেগুনি-লাল-কমলা-হলুদ-নীল-আসমানি-বেগুনি)হলুদ রঙের দুই পাশে:
উপরে (বাইরের দিকে): কমলা,
নিচে (ভিতরের দিকে): সবুজ,
সুতরাং, হলুদ রঙের দুই পাশের সংলগ্ন রঙ হলো সবুজ এবং কমলা।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। - বাতাসের আদ্রতা মাপার যন্ত্রের নাম কী?
- মাইক্রোমিটার
- হাইগ্রোমিটার
- ব্যারোমিটার
- গ্রাভিমিটার
• বাতাসের আদ্রতা মাপার যন্ত্র (Hygrometer):
- হাইগ্রোমিটার হলো একটি যন্ত্র যার মাধ্যমে বাতাসের আদ্রতার মাত্রা (humidity) পরিমাপ করা হয়।
- এটি পরিবেশগত আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ, কৃষি, গৃহস্থালি, এবং গবেষণায় ব্যবহার হয়।
- হাইগ্রোমিটার বিভিন্ন প্রকার হতে পারে, যেমন- ক্যাপাসিটিভ, রেজিস্টিভ, বা সায়োকোমেট্রিক টাইপ।
- মাইক্রোমিটার, ব্যারোমিটার বা গ্রাভিমিটার বাতাসের আদ্রতা মাপার জন্য ব্যবহার হয় না।
- সুতরাং, বাতাসের আদ্রতা মাপার জন্য হাইগ্রোমিটার ব্যবহার করা হয়।
অপশন আলোচনা -ক) মাইক্রোমিটার – ক্ষুদ্র দৈর্ঘ্য বা বস্তুর মাত্রা মাপার যন্ত্র।
খ) হাইগ্রোমিটার – বাতাসের আদ্রতা (humidity) মাপার যন্ত্র।
গ) ব্যারোমিটার – বায়ুর চাপ (atmospheric pressure) মাপার যন্ত্র।
ঘ) গ্রাভিমিটার – পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি মাপার যন্ত্র।সঠিক উত্তর: খ) হাইগ্রোমিটার।
সূত্র - ব্রিটানিকা। - যকৃতের রোগ কোনটি?
- জন্ডিস
- টাইফয়েড
- হাম
- কলেরা
• যকৃতের রোগ হচ্ছে - জন্ডিস।
জন্ডিস:
- জন্ডিস হলো ভাইরাস জনিত রোগ।
- জন্ডিস হলে রক্তে বিলরুবিনের মাত্রা বেড়ে যায় ফলে ত্বক, চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যায়।
- বিলিরুবিন তৈরি হয় যকৃতে এবং অস্থিমজ্জায়। জমা হয় প্লীহাতে।
- যকৃতের মধ্যে অবস্থিত প্লীহা বিলিরুবিন উৎপন্ন হওয়ার প্রধান স্থান হিসেবে স্বীকৃত।
- যা কনজুগেশনের মাধ্যমে যকৃতে পৌঁছায়।উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
- DNA অণুতে অনুপস্থিত-
- ইউরাসিল
- গোয়ানিন
- এডিনিন
- সাইটোসিন
• DNA অনুতে অনুপস্থিত - ইউরাসিল।
• জীবকোষে দুই প্রকার নিউক্লিক অ্যাসিড থাকে। এদের একটি DNA এবং অপরটি হলো RNA ।• নিউক্লিক অ্যাসিডে দুই প্রকার নাইট্রোজেন ক্ষারক থাকে। নাইট্রোজেন, কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন দিয়ে এই ক্ষরকসমূহ গঠিত। ক্ষারকগুলো এক রিং বিশিষ্ট বা দুই রিং বিশিষ্ট হতে পারে।
• এই রিং এর সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে ক্ষারক দুই প্রকার;
যথা-
(i) পিউরিন:
- দুই রিং বিশিষ্ট ক্ষারককে বলা হয় পিউরিন। । নিউক্লিক অ্যাসিডে দুই প্রকার পিউরিন ক্ষারক থাকে।
যথা-
- অ্যাডিনিন ( A )
- গুয়ানিন ( G )(ii) পাইরিমিডিন:
- এক রিং বিশিষ্ট ক্ষারক কে বলা হয় পাইরিমিডিন। নিউক্লিক অ্যাসিডে তিন প্রকার পাইরমিডিন ক্ষারক থাকে।
যথা-
- থাইমিন ( T )
- সাইটোসিন ( C )
- ইউরাসিল ( U )• ক্ষারকগুলোর মাঝে থাইমিন উপস্থিত থাকে কেবল DNA তে এবং ইউরাসিল উপস্থিত থাকে কেবল RNA তে।
অর্থাৎ নাইট্রোজেন ক্ষারক গুলোর মধ্যে ইউরাসিল DNA তে অনুপস্থিত থাকে।তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।