বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (BSCIC) পদের নাম: ট্যানিক্যাল অফিসার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ: ১৯.০৬.২০২৬
চাকুরী প্রস্তুতি - ৯ম থেকে ১৩তম গ্রেড · পরীক্ষার সাল ২০২৬
- নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
- চূর্ণবিচুর্ণ
- চূর্নবিচূর্ণ
- চুর্নবিচুর্ণ
- চূর্ণবিচূর্ণ
- শুদ্ধ বানান - চূর্ণবিচূর্ণ।
- এটি একটি বিশেষণ পদ।
শব্দের অর্থ:
- সম্পূর্ণ চূর্ণিত,
- সম্পূর্ণ বিনষ্ট।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। - কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি?
- শূন্যতায়
- লোহা
- পানি
- বাতাস
শব্দের বেগ:
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়।
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ, তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।
- শব্দের বেগ কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি (যেমন- ইস্পাত, লোহা) হয়।
- তরল পদার্থের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম (যেমন- পানি) হয়।
- বায়োবীয় পদার্থে সবচেয়ে কম।
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। - কোনটি দ্বন্দ্ব সমাস?
- কোকিলকণ্ঠী
- রাতজাগা
- হাটেবাজারে
- মেনিমুখো
দ্বন্দ্ব সমাস - হাটেবাজারে।
- এটি অলুক দ্বন্দ্ব সমাস।
• অলুক দ্বন্দ্ব সমাস:
- যে দ্বন্দ্ব সমাসে কোনো সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ হয় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে।
যেমন:
দুধে ও ভাতে = দুধেভাতে,
জলে ও স্থলে = জলেস্থলে,
দেশে ও বিদেশে = দেশেবিদেশে,
হাতে ও কলমে = হাতেকলমে,
হাটে ও বাজারে = হাটেবাজারে,
ধীরে ও সুস্থে = ধীরেসুস্থে,
মনে ও প্রাণে = মনেপ্রাণে ইত্যদি।
অন্যদিকে,
- কোকিলের কণ্ঠের ন্যায় কণ্ঠ যার = কোকিলকণ্ঠী - বহুব্রীহি সমাস।
- রাত জাগা = রাতজাগা - সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস।
- মেনির মত মুখ যার = মেনিমুখো - মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস।উৎস:
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। - ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থের নাম কি?
- মরুভাস্কর
- নীলদর্পণ
- জমিদার দর্পণ
- সিরাজুম মুনিরা
ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থের নাম - নীলদর্পণ।
• 'নীলদর্পণ' নাটক:
- দীনবন্ধু মিত্রের প্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক 'নীলদর্পণ'।
- এটি বাংলা সাহিত্যে একটি বিখ্যাত নাটক।
- ১৮৬০ সালে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
- এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম নাটক এবং নাটকটি ঢাকায় প্রথম মঞ্চস্থ হয়।
- A Native ছদ্মনামে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এর ইংরেজি অনুবাদ করেন।
- অনুবাদটি ১৮৬১ সালে Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror নামে প্রকাশিত হয়।
- নাটকটিতে তিনি বাংলার কৃষকদের উপর ব্রিটিশ নীলকরদের নিষ্ঠুর অত্যাচারের স্বরূপ ফুটিয়ে তুলেছেন।
- এই নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: গোলক বসু, নবীন মাধব, রাইচরণ, তোরপ, সাবিত্রী, সরলতা, ক্ষেত্রমণি প্রমুখ।
উৎস:
বাংলাপিডিয়া;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। - Questions 1 to 4: Choose from the given options the correct form of expressions in English that we use in our everyday interaction.
1) Which phrase does not mean 'return a telephone call'?- Call back
- Ring back
- Return back
- All of A, B, C
Correct Answer: গ) Return back.
Call back এবং Ring back—দুটিই অর্থ করে return a telephone call/পরে ফোন করা/ফোনের জবাব দেওয়া।কিন্তু Return back সঠিক phrase নয়।
কারণ return শব্দের মধ্যেই “back” অর্থ থাকে, তাই return back redundant/ভুল ব্যবহার।
সঠিকভাবে বলা হয়:
Return a call = কারও ফোনের জবাবে ফোন করা,
Call back = পরে ফোন করা/ফোনের জবাব দেওয়া,
Ring back = পরে ফোন করা/ফোনের জবাব দেওয়া,return someone's call (phrase):
- to call back on the telephone to someone who has called earlier.So, the phrase that does not mean ‘return a telephone call’ is: গ) Return back.
Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary. - Questions 1 to 4: Choose from the given options the correct form of expressions in English that we use in our everyday interaction.
2) Which one of the following phrases shows disagreement?- Would you mind repeating that?
- I'm afraid I don't see your point.
- I'm afraid I can't see the tower.
- All of (A) (B) (C)
Correct Answer: খ) I'm afraid I don't see your point.
“I'm afraid I don't see your point” phrase টি ভদ্রভাবে disagreement বা অসম্মতি/মতভেদ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
এর অর্থ - “দুঃখিত, আমি আপনার যুক্তি/বক্তব্যের সাথে একমত হতে পারছি না” বা “আপনার point বুঝতে/মেনে নিতে পারছি না।”Other options:
ক) Would you mind repeating that?
- আপনি কি আবার বলতে পারবেন।
- অনুরোধ করা; disagreement নয়।গ) I'm afraid I can't see the tower.
- আমি আসলে টাওয়ার টি দেখতে পারছি না।
- টাওয়ার দেখতে না পাওয়ার কথা বলা; disagreement নয়।So, the phrase that shows disagreement is: খ) I'm afraid I don't see your point.
- Questions 1 to 4: Choose from the given options the correct form of expressions in English that we use in our everyday interaction.
3) Which phrase is correct?- think you should to go home now.
- think you should going to the doctor.
- think you should tell him to come.
- All of (A) (B) (C)
Should একটি modal verb. Modal verb-এর পরে সাধারণত verb-এর base form বসে।
সঠিক structure: Subject + should + base verb.
- I think you should tell him to come.
- আমার মনে হয়, তোমার তাকে আসতে বলা উচিত।Other options:
ক) I think you should to go home now.
- ভুল। এখানে should to go ভুল; সঠিক হবে should go.খ) I think you should going to the doctor.
- ভুল। should-এর পরে going নয়, base verb go বসবে।
সঠিক হবে: I think you should go to the doctor.So, the correct phrase is: গ) I think you should tell him to come.
- Questions 1 to 4: Choose from the given options the correct form of expressions in English that we use in our everyday interaction.
4) Which phrase is the politest?- Can you help me?
- Help me
- Would you mind giving me a hand?
- All of (A)(B)(C)
- Would you mind giving me a hand?
- আপনি কি আমাকে একটু সাহায্য করবেন?Give someone a hand
- to help someone do something, especially in a practical way or with something that needs a lot of effort.
- কাউকে সাহায্য করা।Other options:
ক) Can you help me?
- এটি correct এবং polite, তবে Would you mind…? এর তুলনায় কম formal/polite.খ) Help me
- এটি direct command বা আদেশের মতো শোনায়; polite নয়।So, the politest phrase is: গ) Would you mind giving me a hand?
Source: Cambridge Dictionary. - Questions 5 to 8: Choose the word which can be substituted for the given definition.
6) The study of ancient societies.- Anthropology
- Archaeology
- Geography
- Ethnology
Given Options:
ক) Anthropology
Bangla Meaning: নরবিজ্ঞান; নরবিদ্যা; নৃতত্ত্ব।
English Meaning: the science of human beings.খ) Archaeology
Bangla Meaning: প্রত্নতত্ত্ব; প্রত্নবিদ্যা।
English Meaning: the scientific study of material remains (such as tools, pottery, jewelry, stone walls, and monuments) of past human life and activities.গ) Geography
Bangla Meaning: ভূগোলবিদ্যা বা ভূবিজ্ঞান।
English Meaning: a science that deals with the description, distribution, and interaction of the diverse physical, biological, and cultural features of the earth's surface.ঘ) Ethnology
Bangla Meaning: নৃতত্ত্ব।
English Meaning: a branch of cultural anthropology dealing chiefly with the comparative and analytical study of cultures.Correct Answer: Archaeology.
Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary. - Questions 5 to 8: Choose the word which can be substituted for the given definition.
7) One who possesses many talents.- Versatile
- Nubile
- Exceptional
- Gifted
Given Options:
ক) Versatile
Bangla Meaning: নানাবিধ বিষয়ে আগ্রহী ও কুশলী; বহুমুখী; বিচিত্রগামী।
English Meaning: embracing a variety of subjects, fields, or skills.খ) Nubile
Bangla Meaning: বিবাহযোগ্যা, আবেদনময়ী; রমণীয়া।
English Meaning: of marriageable condition or age. attractive (used of a young woman).গ) Exceptional
Bangla Meaning: ব্যতিক্রমী; অসাধারণ।
English Meaning: better than average : superior.ঘ) Gifted
Bangla Meaning: প্রভূত সহজাত গুণসম্পন্ন।
English Meaning: having great natural ability : talented.Correct Answer: Versatile.
Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary. - Questions 5 to 8: Choose the word which can be substituted for the given definition.
8) A remedy for all diseases.- Stoic
- Marvel
- Panacea
- Recompense
Given Options:
ক) Stoic
Bangla meaning: যার আত্মনিয়ন্ত্রণের উল্লেখযোগ্য ক্ষমতা আছে।
English Meaning: a person who accepts what happens without complaining or showing emotion.খ) Marvel
Bangla meaning: বিস্ময়কর কিছু; বিস্ময়।
English Meaning: one that causes wonder or astonishment.গ) Panacea
Bangla meaning: সব ধরনের রোগ নিরাময়কারী ওষুধ; সব ধরনের সংকট মোচনের উপায়।
English Meaning: a remedy for all ills or difficulties : cure-all.ঘ) Recompense
Bangla meaning: পুরস্কৃত বা দণ্ডিত করা; পাওয়া পরিশোধ করা।
English Meaning: to give something to by way of compensation (as for a service rendered or damage incurred).
Correct Answer: Panacea.
Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary. - Questions 9 to 12: Identify the missing word from the given choices.
9) Acts of generosity build a stronger, more empathetic community by people across different socioeconomic backgrounds.- connecting
- implementing
- dividing
- socializing
Correct Answer: ক) connecting.
Complete sentence: Acts of generosity build a stronger, more empathetic community by connecting people across different socioeconomic backgrounds.
বাংলা অর্থ: উদারতার কাজ বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক পটভূমির মানুষকে সংযুক্ত করার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও বেশি সহানুভূতিশীল সমাজ গড়ে তোলে।
- এখানে “by” এর পরে verb-এর -ing form বসে।
- অর্থের দিক থেকেও “connecting people” সবচেয়ে উপযুক্ত, কারণ generosity মানুষকে একে অপরের কাছে আনে বা সংযুক্ত করে।অন্যান্য অপশন:
খ) implementing - বাস্তবায়ন করা - এখানে অর্থবোধক নয়।
গ) dividing - বিভক্ত করা - generosity-এর বিপরীত অর্থ।
ঘ) socializing - মেলামেশা করা - possible হলেও “across different backgrounds” এর সাথে “connecting” বেশি সঠিক।
ঙ) No word is missing - ভুল, কারণ “by people” অসম্পূর্ণ/অস্বাভাবিক।
Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary. - Questions 9 to 12: dentify the missing word from the given choices.
10) Tourism bridges cultures, stimulates local economies job creation and drives infrastructure development.- along
- for
- through
- due to
Correct Answer: গ) through.
Complete sentence: Tourism bridges cultures, stimulates local economies through job creation and drives infrastructure development.
বাংলা অর্থ: পর্যটন সংস্কৃতির মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে, কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করে এবং অবকাঠামো উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে।
- এখানে job creation হলো local economies stimulate করার মাধ্যম। তাই “through” সবচেয়ে উপযুক্ত, কারণ through মাধ্যমে।অন্যান্য অপশন:
ক) along - বরাবর/সঙ্গে - অর্থ ঠিক হয় না।
খ) for - জন্য - বাক্যের ভাবের সাথে মানানসই নয়।
ঘ) due to - কারণে - এখানে “stimulates local economies due to job creation” গঠনটি কম স্বাভাবিক।
ঙ) No word is missing - ভুল, কারণ “economies job creation” অসম্পূর্ণ। - Questions 9 to 12: dentify the missing word from the given choices.
11) A disciplined schedule ensures that allocate adequate time for work, rest, and personal growth.- one
- because
- yourself
- you
Correct Answer: ঘ) you.
Complete sentence: A disciplined schedule ensures that you allocate adequate time for work, rest, and personal growth.
বাংলা অর্থ: একটি শৃঙ্খলাপূর্ণ সময়সূচি নিশ্চিত করে যে আপনি/তুমি কাজ, বিশ্রাম এবং ব্যক্তিগত উন্নতির জন্য যথেষ্ট সময় বরাদ্দ করতে পারো।
এখানে that-এর পরে একটি subject দরকার। “allocate” verb-এর আগে you বসলে বাক্যটি grammatically correct হয়।অন্যান্য অপশন:
ক) one - হলে সাধারণত “one allocates” হওয়া উচিত।
খ) because - conjunction, এখানে subject দরকার।
গ) yourself - reflexive pronoun, subject হিসেবে ঠিক নয়।
ঙ) No word is missing - ভুল, কারণ “that allocate” অসম্পূর্ণ। - Questions 9 to 12: dentify the missing word from the given choices.
12) When we engage in activities we are passionate about. we shift our focus from the pressures of work or academics.- toward
- on
- upon
- away
Correct Answer: ঘ) away.
Complete sentence: When we engage in activities we are passionate about, we shift our focus away from the pressures of work or academics.
বাংলা অর্থ: আমরা যখন আমাদের পছন্দের/আগ্রহের কাজগুলোতে অংশ নিই, তখন কাজ বা পড়াশোনার চাপ থেকে আমাদের মনোযোগ সরে যায়।
- এখানে shift focus away from একটি সঠিক phrase, যার অর্থ হলো “মনোযোগ কোনো কিছু থেকে সরিয়ে নেওয়া।অন্যান্য অপশন:
ক) toward - দিকে - “from” এর সাথে মানায় না।
খ) on - উপর/তে - ভুল structure.
গ) upon - উপর - এখানে উপযুক্ত নয়।
ঙ) No word is missing - ভুল, কারণ “focus from” অসম্পূর্ণ। - Questlons 13 to 16:
14) Identity the correct speling- Evenescence
- Evanescence
- Evanescense
- Evanecence
Correct Answer: Evanescence.
Evanescence (Noun)
Bangla Meaning: বিস্মৃতি; বিলুপ্তি।
English Meaning: the process or fact of evanescing.
Example Sentences:
- The evanescence of the morning mist made the sunrise feel like a brief, magical dream.
- Her writing beautifully captures the evanescence of youth and the swift passing of time.
Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary. - Questlons 13 to 16:
15) Identity the correct speling- Conspicuous
- Conspecious
- Conscpicious
- Conspeqous
Correct Answer: Conspicuous.
• Conspicuous (adjective)
English Meaning: very noticeable or attracting attention, often in a way that is not wanted.
Bangla Meaning: দৃষ্টি-আকর্ষক; সহজে দেখা যায় এমন; দর্শনীয়।Example Sentence:
1. In China, her blonde hair was conspicuous.
2. He tried not to look conspicuous and moved slowly along the back of the room.Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy. - Questlons 13 to 16:
16) Identity the correct speling- Dilapedated
- Dellapidated
- Dilapidated
- Delapidated
Correct Answer: Dilapidated.
• Dilapidated (adjective)
- English Meaning: old and in poor condition; (esp. of a structure) in bad condition and needing repair.
- Bangla Meaning: জীর্ণ; ধ্বংসপ্রাপ্ত; ক্ষয়িত; ধ্বংসস্তূপে পরিণত।
Example Sentences:
- The new owners spent months renovating the dilapidated farmhouse to bring it back to its original glory.
- Due to years of neglect, the neighborhood playground became dilapidated and unsafe for the local children.Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary, Cambridge Dictionary.
- নিচের কোনটি একটি মহাকাব্য?
- ফণিমনসা
- মরুশিখা
- মহাশ্মশান
- অনল প্রবাহ
'মহাশ্মশান' - একটি মহাকাব্য।
• 'মহাশ্মশান' মহাকাব্য:
- কায়কোবাদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'মহাশ্মশান' ১৯০৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- কাব্যটি ধারাবাহিকভাবে মুহম্মদ রওশন আলী সম্পাদিত 'কোহিনূর' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- এর উপজীব্য ১৭৬১ সালে সংঘটিত পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধ ছিল ভারতের উদীয়মান হিন্দুশক্তি মারাঠাদের সঙ্গে মুসলিমশক্তি তথা আহমদ শাহ আবদালীর নেতৃত্বে রোহিলা-অধিপতি নজীবউদ্দৌলার শক্তিপরীক্ষা; যুদ্ধে মুসলমানদের জয় হলেও কবির দৃষ্টিতে তা ছিল উভয়েরই শক্তিক্ষয় ও ধ্বংস; এজন্যই তিনি একে ‘মহাশ্মশান’ বলেছেন।
- মহাকাব্যের প্রধান চরিত্রগুলো হলো: আহমদ শাহ্ আবদালী, ইব্রাহিম কার্দি, জোহরা বেগম, হিরণ বালা, সুজাউদ্দৌলা প্রমুখ।
অন্যদিকে,
ফণিমনসা - কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ।
মরুশিখা - যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের কাব্যগ্রন্থ।
অনল প্রবাহ - সৈয়দ ইসমাঈল হোসেন সিরাজীর কাব্যগ্রন্থ।
উৎস:
বাংলাপিডিয়া;
'মহাশ্মশান' মহাকাব্য;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। - 'ইতর বিশেষ' বাগ্ধারাটির অর্থ কি?
- ভেদাভেদ
- আবোল তাবোল
- অর্থহীন কথা
- খারাপ ব্যক্তি
'ইতর বিশেষ' বাগধারাটির অর্থ - ভেদাভেদ।
• ‘ইতর বিশেষ’:
- সামান্য পার্থক্য বা দুই বা ততোধিক বস্তুর মধ্যে সূক্ষ্ম ভিন্নতা বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে,
'ধানাইপানাই' এর অর্থ - আবোল তাবোল।
'আগড়ম বাগড়ম' এর অর্থ - অর্থহীন কথা।
'শকুনি মামা' এর অর্থ - কুচক্রী বা কুটিল ব্যক্তি।
-------------------
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা:
অকাল কুষ্মাণ্ড: অপদার্থ বা অকেজো।
গোবর গণেশ: মূর্খ বা অকর্মণ্য।
বিড়াল তপস্বী: ভণ্ড সাধু বা ভণ্ড ধার্মিক।
অদৃষ্টের পরিহাস - ভাগ্যের বিড়ম্বনা।
এলাহি কাণ্ড - বিরাট আয়োজন।
কংস মামা - নির্মম আত্মীয়।
গঙ্গা পাওয়া - মারা যাওয়া।
খয়ের খাঁ - তোষামোদকারী।
ঢেঁকি অবতার - নিষ্কর্মা ও নির্বোধ লোক।
গোঁফ খেজুরে - অত্যন্ত অলস।
উৎস:
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। - 'উদ্ধত' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
- অবনত
- বিনীত
- আনত
- নত
'উদ্ধত' এর বিপরীত শব্দ - বিনীত।
• প্রচলিত ব্যাকরণ অনুযায়ী, 'উদ্ধত' এর বিপরীতার্থক শব্দ - বিনীত, নম্র।
- 'উদ্ধত' (বিশেষণ) শব্দের অর্থ - ধৃষ্ট; দুর্বিনীত; স্পর্ধিত; গর্বিত, দুরন্ত; উগ্র; গোঁয়ার।-------------
অন্যদিকে,
- 'উন্নত' এর বিপরীত শব্দ - অবনত।
- 'অবনত' শব্দের অর্থ - আনত; বিনত। এর বিপরীত শব্দ 'নত'।আরো গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীত শব্দ:
- 'উদ্যত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হচ্ছে- বিরত।
- 'ভীরু' শব্দের বিপরীত শব্দ হলো - নির্ভীক।
- 'জঙ্গম' শব্দের বিপরীত শব্দ হলো - স্থাবর।
- 'ঢালু' শব্দের বিপরীত শব্দ হলো - সমান।উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, মাহবুবুল আলম। - এক কথায় প্রকাশ করুন: 'যে কোন বিষয়ে স্পৃহা হারিয়েছে'।
- বীতস্পৃহ
- অস্পৃহ
- স্পৃহার্য্য
- অস্পৃশ্য
যে কোন বিষয়ে স্পৃহা হারিয়েছে - বীতস্পৃহ।
• বীতস্পৃহ [স. বীত+স্পৃহ] বিণ.
- এর অর্থ নিরাকাঙ্ক্ষ, স্পৃহাহীন; বিরক্ত।
অন্যদিকে,
- অস্পৃশ্য - স্পর্শ করার অযোগ্য।
- স্পৃহার্য্য, ভুল শব্দ, সঠিক হলো 'স্পৃহণীয়' - স্পৃহার যোগ্য।
- অস্পৃহ ভুল শব্দ, সঠিক হলো 'অস্পৃহণীয়' - স্পৃহার অযোগ্য।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
- যা বলা হয়েছে = উক্ত,
- যা পূর্বে কখনো হয়নি = অভূতপূর্ব,
- যা পূর্বে ছিলো এখন নেই = ভূতপূর্ব,
- যে নারী সূর্যকে দেখে না - অসূর্যম্পশ্যা,
- যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত - শুচিস্মিতা,
- যে নারীর হাসি সুন্দর - সুস্মিতা,
- ক্ষমা করার ইচ্ছা = তিতিক্ষা,
- গোপন করার ইচ্ছা = জুগুপ্সা।
উৎস:
ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ;
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। - 'ইচ্ছা' শব্দটির বিশেষণ কোনটি?
- ইচ্ছুক
- ঐচ্ছিক
- অনিচ্ছা
- অনিচ্ছুক
• ইচ্ছা (বিশেষ্য পদ),
অর্থ:
- অভিলাষ; স্পৃহা; বাসনা।
- রুচি; প্রবৃত্তি (খাওয়ার ইচ্ছা নাই)।
- অভিপ্রায় (খোদার ইচ্ছায় সব হয়)।----------
অন্যদিকে,
• ইচ্ছুক (বিশেষণ পদ),
অর্থ:
- অভিলাষী;
- বাসনাযুক্ত
- রাজি;
- সম্মত।• ঐচ্ছিক ( বিশেষণ পদ),
অর্থ:
- ইচ্ছানুরূপ,
- ইচ্ছানুযায়ী,
- ইচ্ছাধীন।- ঐচ্ছিক এবং ইচ্ছুক দুটিই বিশেষণ পদ।
- কিন্তু এখানে ইচ্ছা- কোন ব্যক্তিকে নির্দেশ করছে না, বরং একটি বিমূর্ত ধারণা প্রকাশ করছে। তাই এর বিশেষণ হিসেবেও এমন শব্দ চয়ন করা উচিত যেটা কোন ব্যক্তিকে নির্দেশ না করে একটি বিমূর্ত ধারণাকে প্রকাশ করবে।• ইচ্ছুক - সাধারণত ব্যক্তিকেই নির্দেশ করে।
• ঐচ্ছিক - বিমূর্ত ধারণা প্রকাশ করে।সুতরাং, ‘ইচ্ছা’ শব্দের সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য বিশেষণর পদ হচ্ছে- ঐচ্ছিক।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
- নিচের কোনটি চীনা শব্দ?
- চাউল
- চাকর
- চাবি
- চিনি
চীনা শব্দ - চিনি।
- ভাষা-শিক্ষা এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, মাহবুবুল আলম অনুসারে 'চিনি' কে চীনা ভাষার শব্দ উল্লেখ করা আছে।
তবে বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'চিনি' সংস্কৃত ভাষার শব্দ হতে আগত: আখ বিট প্রভৃতি উদ্ভিদের নির্যাস থেকে উৎপন্ন কেলাসিত মিষ্ট পদার্থবিশেষ।
-------------
অন্যদিকে,
চাউল - দেশি শব্দ।
চাকর - ফারসি শব্দ।
চাবি - পর্তুগিজ শব্দ।
উৎস:
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। - 'নির্বন্ধ' শব্দটির অর্থ কি?
- প্রবন্ধ
- বিধান
- নিশ্চিত
- আবেদন
'নির্বন্ধ' শব্দটির অর্থ - বিধান।
• 'নির্বন্ধ':
- এটি সংস্কৃত শব্দ ও বিশেষ্য পদ।
- এর প্রকৃতি-প্রত্যয় = নির্ + বন্ধ।
- শব্দটির অর্থ: বিধান, আগ্রহ, পীড়াপীড়ি, অভিনিবেশ, যোগাযোগ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। - সন্ধি বিচ্ছেদ করুন: 'বনৌষধি'।
- বন + ঔষধি
- বনঃ + ঔষধি
- বন + ওষধি
- বনঃ + ঔষধ
'বনৌষধি' এর সন্ধি বিচ্ছেদ = বন + ওষধি।
- এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ।
• 'অ'-কার কিংবা 'আ'-কারের পর 'ও'-কার কিংবা 'ঔ'-কার থাকলে উভয়ে মিলে 'ঔ'-কার হয়; 'ঔ'-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
বন + ওষধি = বনৌষধি,
বন + ঔষধ = বনৌষধ,
মহা + ঔষধ = মহৌষধ,
মহা + ওষধি = মহৌষধি,
পরম + ঔষধ = পরমৌষধ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। - বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীণ বর্ণ কতটি?
- ৮টি
- ১০টি
- ১২টি
- ৩২টি
বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীণ বর্ণ - ১০টি।
• বর্ণের মাত্রার ভিত্তিতে বর্ণগুলোকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়।
যথা:
পূর্ণমাত্রার বর্ণ: ৩২টি।
যথা-
স্বরবর্ণ: ৬টি (অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ)।
ব্যঞ্জনবর্ণ: ২৬টি (ক, ঘ, চ, ছ, জ, ঝ, ট, ঠ, ড, ঢ, ত, দ, ন, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, ষ, স, হ, ড়, ঢ়, য়)।অর্ধমাত্রার বর্ণ: ৮টি।
যথা-
স্বরবর্ণ: (১টি) ঋ।
ব্যঞ্জনবর্ণ: ৭টি (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)।মাত্রাহীন বর্ণ: ১০টি।
যথা-
স্বরবর্ণ: ৪টি (এ, ঐ, ও, ঔ)।
ব্যঞ্জনবর্ণ: ৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ)।উৎস:
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। - নিচের কোনটি বাংলা ব্যকরণের শাখা নয়?
- ধ্বনিতত্ত্ব
- ভাষাতত্ত্ব
- বাক্যতত্ত্ব
- রূপতত্ত্ব
বাংলা ব্যকরণের শাখা নয় - 'ভাষাতত্ত্ব'।
- 'ভাষাতত্ত্ব' হলো ভাষার উৎপত্তি, বিবর্তন প্রভৃতি সংক্রান্ত বিজ্ঞান।
অন্যদিকে,
- বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় অন্তত চারটি ভাগে বিভক্ত হয়।
যথা:
• ধ্বনিতত্ত্ব:
- ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ধ্বনি।
- লিখিত ভাষায় ধ্বনিকে যেহেতু বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয় তাই বর্ণমালা সংক্রান্ত আলোচনা এর অন্তর্ভুক্ত।
- ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য বাগ্যন্ত্র, বাগ্যন্ত্রের উচ্চারণ প্রক্রিয়া, ধ্বনির বিন্যাস, স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য, ধ্বনিদল, সন্ধি, ধ্বনির পরিবর্তন, ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান প্রভৃতি।• শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব:
- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- এই আলোচনায় বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া, ক্রিয়া বিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়।
- বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দ গঠন প্রক্রিয়া।
- এ অংশে উপসর্গ, প্রত্যয়, বিভক্তি, লিঙ্গ, কারক, বচন, সমাস ইত্যাদি আলোচিত হয়।• বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- বাক্যের নির্মাণ এবং এর গঠন বাক্যতত্ত্বের মূল আলোচ্য বিষয়।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে, বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করা হয়।
- তাছাড়া বাক্য রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতিও বাক্যতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।• অর্থতত্ত্ব:
- ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়, সে অংশের নাম অর্থতত্ত্ব।
- একে বাগার্থতত্ত্বও বলা হয়।
- বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগ্ধারা প্রভৃতি এর আলোচ্য বিষয়।
- এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এ অংশে আলোচনা করা হয়ে থাকে।উৎস:
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২৬ সংস্করণ)। - 'সে কাল আসবে এবং আমি যাব' এটি কোন শ্রেণীর বাক্য?
- সরল
- মিশ্র
- যৌগিক
- মৌলিক
'সে কাল আসবে এবং আমি যাব' এটি যৌগিক বাক্য।
• যৌগিক বাক্য:
- পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা জটিল বাক্য সংযোজক, সংকোচক, বিয়োজক, ব্যতিরেকাত্মক প্রভৃতি যোজক শব্দ দ্বারা যুক্ত হয়ে যখন একটিমাত্র বাক্য গঠন করে তখন তাকে 'যৌগিক বাক্য' বলে।
- এবং, ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কমা (,), সেমিকোলন (;), কোলন (:), ড্যাশ (−) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।
যেমন:
- তুমি আস, তবে আমি যাব। (সংযোজক)
- সে কাল আসবে এবং আমি যাব।
- তুমি ঘুমোবে, না পড়বে? (বিয়োজক)
- তারা দুজনে আড়ি পেতে ছিল, নইলে চোর ধরা পড়ত না। (ব্যতিরেকাত্মক)উল্লেখ্য,
- যৌগিক বাক্যে কমপক্ষে দুটো খণ্ডবাক্য থাকবে।
- খণ্ডবাক্যগুলো পরস্পর নিরপেক্ষ বা স্বাধীন, একে অপরের ওপর নির্ভরশীল নয়।
- খণ্ডবাক্যগুলো বিভিন্ন অব্যয়যোগে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত থাকবে।
- কখনো কখনো এগুলো উহ্যও থাকতে পারে।উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
- শূন্যস্থান পূরণ করুন: তার __________ আমাকে ক্ষুন্ন করেছে।
- মৌনব্রত
- মাধুর্যতা
- দৈন্যতা
- দীনতা
- তার দীনতা আমাকে ক্ষুন্ন করেছে।
• 'দৈন্যতা' বানানটি অশুদ্ধ। শুদ্ধ বানান: দৈন্য / দীনতা।
• দৈন্য (বিশেষ্য)
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয় = দীন + অ।
- অর্থ: দারিদ্র, দীনতা।
- অশুদ্ধ বাক্য: তার দৈন্যতা আমাকে ক্ষুন্ন করেছে।
- শুদ্ধ বাক্য: তার দৈন্য / দীনতা আমাকে ক্ষুন্ন করেছে।
---------
অন্যদিকে,
- 'মাধুর্যতা' এর শুদ্ধরূপ: মাধুর্য/মধুরতা।
- 'মৌনব্রত' (বিশেষ্য) - কথা না বলার নিয়ম বা সংকল্প।উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
- 'পঞ্চতন্ত্র' গ্রন্থটি কার রচনা?
- ফররুখ আহমেদ
- সৈয়দ মুজতবা আলী
- আবুল ফজল
- সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ
• 'পঞ্চতন্ত্র' প্রবন্ধ সংকলন:
- সৈয়দ মুজতবা আলীর 'পঞ্চতন্ত্র' (১৯৫২) দুই পর্বে বিভক্ত ব্যক্তিগত প্রবন্ধ সংকলন।
- প্রথম পর্বে ৩৪, দ্বিতীয় পর্বে ৩১, মোট ৬৫টি রচনার সংকলন।
- উল্লেখযোগ্য রচনা: বই কেনা, মোপাসাঁ, চেখফ্-রবীন্দ্রনাথ, বিদেশে, মেশেদিনী, অনুবাদ সাহিত্য, অর্থং অর্থং ইত্যাদি।
- এইসব প্রবন্ধ 'বসুমতী' ও 'দেশ' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।
- প্রবন্ধগুলোর মধ্যে মুজতবা আলীর বিশেষ ও সরস গদ্যশৈলীর পরিচয় মেলে। তাছাড়া বিচিত্র বিষয় প্রীতির নিদর্শন পাওয়া যায়।
গ্রন্থটিকে রম্যসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
----------------------
• সৈয়দ মুজতবা আলী:
- সৈয়দ মুজতবা আলী ছিলেন শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল শ্রীহট্ট (সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে তিনি জন্মগ্রহণ করেন, কিন্তু তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল মৌলভীবাজারের উত্তরসুর গ্রামে।
- তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৬ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
- সৈয়দ মুজতবা আলী 'দেশে-বিদেশে' গ্রন্থের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে প্রথম প্রবেশ ও প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। কাবুলে অবস্থানের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও অন্তরঙ্গ উপলব্ধির ফসল এই গ্রন্থখানি।
- তাঁর একটি অনবদ্য গ্রন্থ 'পূর্ব-পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা'।
- তিনি কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন।
- ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।
তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য,
- শবনম।
তাঁর রচিত রম্য-রচনা:
- পঞ্চতন্ত্র,
- ময়ূরকণ্ঠী।
তাঁর রচিত ছোটগল্পগ্রন্থ:
- চাচা-কাহিনী,
- টুনি মেম।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। - একটি ত্রিভুজের ভূমি ১০ মিটার ও উচ্চতা ৪ মিটার। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ মিটার?
- ১০
- ২০
- ৪০
- ৮০
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের ভূমি ১০ মিটার ও উচ্চতা ৪ মিটার। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গমিটার?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
ভূমি = ১০ মিটার
উচ্চতা = ৪ মিটার
আমরা জানি,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১/২) × ভূমি × উচ্চতা
= (১/২) × ১০ × ৪
= ২০ বর্গমিটার∴ ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল = ২০ বর্গমিটার
- একটি কলম ও একটি বইয়ের মূল্য একত্রে ৯৫ টাকা। কলমটির মূল্য ১৫ টাকা বেশী ও বইটির মূল্য ১৪ টাকা কম হলে কলমটির মূল্য বইটির মূল্যের দ্বিগুণ হতো। বইটির মূল্য কত টাকা?
- ৪৬
- ৪৮
- ৪৯
- ৫০
প্রশ্ন: একটি কলম ও একটি বইয়ের মূল্য একত্রে ৯৫ টাকা। কলমটির মূল্য ১৫ টাকা বেশী ও বইটির মূল্য ১৪ টাকা কম হলে কলমটির মূল্য বইটির মূল্যের দ্বিগুণ হতো। বইটির মূল্য কত টাকা?
সমাধান:
ধরি,
কলমের মূল্য = x টাকা
বইয়ের মূল্য = y টাকাপ্রশ্নমতে,
x + y = ৯৫ ..........(i)এখন,
কলমের মূল্য ১৫ টাকা বেশি এবং বইয়ের মূল্য ১৪ টাকা কম হলে, কলমের মূল্য বইয়ের দ্বিগুণ হতো।
শর্তমতে,
x + ১৫ = ২(y - ১৪)
⇒ x + ১৫ = ২y - ২৮
⇒ x = ২y - ৪৩এখন, x এর মান (i) নং সমীকরণে বসিয়ে পাই,
২y - ৪৩ + y = ৯৫
⇒ ৩y = ১৩৮
⇒ y = ৪৬∴ বইটির মূল্য = ৪৬ টাকা
- আমিন সাহেব তার মাসিক আয়ের অর্ধেক টাকা বাসা ভাড়া বাবদ খরচ করেন। বাকী অর্ধেক টাকার ৪০% তিনি সংসারের জন্য খরচ করেন এবং অবশিষ্ট অংশ সঞ্চয় করেন। তার মাসিক আয় ২০০০০ টাকা হলে তার মাসিক সঞ্চয় কত টাকা?
- ৩৫০০
- ৫০০০
- ৬০০০
- ৭৫০০
প্রশ্ন: আমিন সাহেব তার মাসিক আয়ের অর্ধেক টাকা বাসা ভাড়া বাবদ খরচ করেন। বাকী অর্ধেক টাকার ৪০% তিনি সংসারের জন্য খরচ করেন এবং অবশিষ্ট অংশ সঞ্চয় করেন। তার মাসিক আয় ২০০০০ টাকা হলে তার মাসিক সঞ্চয় কত টাকা?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
মাসিক আয় = ২০০০০ টাকা
এখন, মাসিক আয়ের অর্ধেক বাসা ভাড়া বাবদ খরচ করেন।∴ বাসা ভাড়া বাবদ খরচ করেন = মাসিক আয়/২
= ২০০০০/২
= ১০০০০ টাকা∴ অবশিষ্ট টাকা = ২০০০০ - ১০০০০
= ১০০০০ টাকাআবার,
সংসারের জন্য খরচ = অবশিষ্ট টাকার ৪০%
= ১০০০০ × (৪০/১০০)
= ৪০০০ টাকাসঞ্চয় = ১০০০০ - ৪০০০
= ৬০০০ টাকা∴ মাসিক সঞ্চয় = ৬০০০ টাকা
- যদি ৫০ জন লোক ৮০ দিনে একটি কাজের অর্ধেক করতে পারে তবে ঐ একই কাজ ৫০ দিনে করতে অতিরিক্ত কত জন লোক লাগবে?
- ৮০
- ১০০
- ১১০
- ১৬০
প্রশ্ন: যদি ৫০ জন লোক ৮০ দিনে একটি কাজের অর্ধেক করতে পারে তবে ঐ একই কাজ ৫০ দিনে করতে অতিরিক্ত কত জন লোক লাগবে?
সমাধান:
৫০ জন লোক ১/২ অংশ কাজ করে ৮০ দিনে
∴ ৫০ জন লোক ১ অংশ কাজ করে ৮০/(১/২) দিনে
= ১৬০ দিনে১৬০ দিনে ১ অংশ কাজ করতে পারে ৫০ জন লোক
∴ ১ দিনে ১ অংশ কাজ করতে পারে (৫০ × ১৬০) জন লোক
∴ ৫০ দিনে ১ অংশ কাজ করতে পারে (৫০ × ১৬০)/৫০ জন লোক
= ১৬০ জন লোক∴ অতিরিক্ত লোক লাগবে = (১৬০ - ৫০) জন
= ১১০ জন। - একটি আয়তাকার মাঠের দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থের অনুপাত ৫:৩। প্রস্থ ৯০ মিটার হলে ঐ মাঠের পরিসীমা কত মিটার?
- ৪৮০
- ২৪০
- ১৫০
- ১২০
প্রশ্ন: একটি আয়তাকার মাঠের দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থের অনুপাত ৫:৩। প্রস্থ ৯০ মিটার হলে ঐ মাঠের পরিসীমা কত মিটার?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
দৈর্ঘ্য : প্রস্থ = ৫ : ৩
মাঠের প্রস্থ = ৯০ মিটার
ধরি,
দৈর্ঘ্য = ৫x ও প্রস্থ = ৩x
প্রশ্নমতে,
৩x = ৯০
⇒ x = ৩০∴ দৈর্ঘ্য = ৫x
= ৫ × ৩০
= ১৫০ মিটার
আমরা জানি,
পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
= ২ × (১৫০ + ৯০)
= ২ × ২৪০
= ৪৮০ মিটার∴ মাঠের পরিসীমা = ৪৮০ মিটার
- একটি সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ ঐ সংখ্যার তিন-পঞ্চমাংশের চেয়ে ১০ বেশী হলে সংখ্যাটি কত?
- ১৪৪
- ১৫০
- ২০৮
- ২২৪
প্রশ্ন: একটি সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ ঐ সংখ্যার তিন-পঞ্চমাংশের চেয়ে ১০ বেশী হলে সংখ্যাটি কত?
সমাধান:
ধরি, সংখ্যাটি = xএখন,
সংখ্যাটির দুই-তৃতীয়াংশ = x-এর ২/৩ = ২x/৩
সংখ্যাটির তিন-পঞ্চমাংশ = x-এর ৩/৫ = ৩x/৫প্রশ্নমতে,
(২x/৩) - (৩x/৫) = ১০
⇒ (১০x - ৯x)/১৫ = ১০
⇒ x/১৫ = ১০
⇒ x = ১৫০
∴ সংখ্যাটি = ১৫০ - একটি রাস্তার পাশে এক সারিতে ২৫ টি গাছ লাগানো আছে। একটি গাছ থেকে আরেকটি গাছের দূরত্ব ১০ মিটার হলে প্রথম ও শেষ গাছ দুটির মধ্যে দূরত্ব কত মিটার?
- ২১০
- ২২০
- ২৪০
- ২৫০
প্রশ্ন: একটি রাস্তার পাশে এক সারিতে ২৫ টি গাছ লাগানো আছে। একটি গাছ থেকে আরেকটি গাছের দূরত্ব ১০ মিটার হলে প্রথম ও শেষ গাছ দুটির মধ্যে দূরত্ব কত মিটার?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
গাছের সংখ্যা = ২৫টি
প্রতিটি ফাঁকার দূরত্ব = ১০ মিটার
এখন,
দুইটি গাছের মাঝে ফাঁকা জায়গার সংখ্যা = ২৫ - ১
= ২৪টি∴ প্রথম ও শেষ গাছের দূরত্ব = ২৪ × ১০
= ২৪০ মিটার∴ দূরত্ব = ২৪০ মিটার
- করিম একটি কাজ ৩৬ দিনে, রহিম ১৮ দিনে এবং গফুর ১২ দিনে করতে পারে। প্রতি দ্বিতীয় দিনে রহিম এবং প্রতি তৃতীয় দিনে গফুর করিমকে সাহায্য করলে ওই কাজটি কত দিনে সম্পন্ন হবে?
- ১২
- ১৫
- ১৬
- ১৮
প্রশ্ন: করিম একটি কাজ ৩৬ দিনে, রহিম ১৮ দিনে এবং গফুর ১২ দিনে করতে পারে। প্রতি দ্বিতীয় দিনে রহিম এবং প্রতি তৃতীয় দিনে গফুর করিমকে সাহায্য করলে ওই কাজটি কত দিনে সম্পন্ন হবে?
সমাধান:
করিম ৩৬ দিনে কাজ করে ১ অংশ
∴ করিমের ১ দিনের কাজ = ১/৩৬রহিম ১৮ দিনে কাজ করে ১ অংশ
∴ রহিমের ১ দিনের কাজ = ১/১৮গফুর ১২ দিনে কাজ করে ১ অংশ
∴ গফুরের ১ দিনের কাজ = ১/১২প্রতি ৬ দিনের কাজ হিসাব করি:
১ম দিন: করিম = ১/৩৬
২য় দিন: করিম + রহিম = (১/৩৬) + (১/১৮) = ৩/৩৬
৩য় দিন: করিম + গফুর = (১/৩৬) + (১/১২) = ৪/৩৬
৪র্থ দিন: করিম + রহিম = ৩/৩৬
৫ম দিন: করিম = ১/৩৬
৬ষ্ঠ দিন: করিম + রহিম + গফুর
= (১/৩৬) + (১/১৮) + (১/১২)
= (১ + ২ + ৩)/৩৬
= ৬/৩৬৬ দিনে মোট কাজ = (১/৩৬) + (৩/৩৬) + (৪/৩৬) + (৩/৩৬) + (১/৩৬) + (৬/৩৬)
= (১ + ৩ + ৪ + ৩ + ১ + ৬)/৩৬
= ১৮/৩৬
= ১/২অর্থাৎ, ৬ দিনে কাজ করে ১/২ অংশ
১/২ অংশ কাজ করে ৬ দিনে
∴ ১ অংশ কাজ করে ৬/(১/২) দিনে
= ১২ দিনে∴ কাজটি সম্পন্ন হবে = ১২ দিনে
- আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০ শতাংশ বাড়ালে এবং প্রস্থ ২০ শতাংশ কমালে তার আয়তন কত শতাংশ কমবে?
- ২%
- ৪%
- ৫%
- ১০%
প্রশ্ন: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০ শতাংশ বাড়ালে এবং প্রস্থ ২০ শতাংশ কমালে তার আয়তন কত শতাংশ কমবে?
সমাধান:
[বি. দ্র.: প্রশ্নে ভুল আছে। আয়তন এর পরিবর্তে ক্ষেত্রফল হবে।]
ধরি,
আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ১০০ একক
আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ১০০ একক∴ ক্ষেত্রফল = (১০০ × ১০০) বর্গ একক
= ১০০০০ বর্গ এককদৈর্ঘ্য ২০% বাড়ালে নতুন দৈর্ঘ্য = ১০০ + ১০০ এর ২০%
= ১০০ + {১০০ × (২০/১০০)}
= ১০০ + ২০
= ১২০ একক
প্রস্থ ২০% কমালে নতুন প্রস্থ = ১০০ - ১০০ এর ২০%
= ১০০ - {১০০ × (২০/১০০)}
= ১০০ - ২০
= ৮০ একক∴ নতুন ক্ষেত্রফল = ১২০ × ৮০
= ৯৬০০∴ ক্ষেত্রফল কমেছে = ১০০০০ - ৯৬০০
= ৪০০শতকরা ক্ষেত্রফল কমেছে,
= (৪০০/১০০০০) × ১০০
= ৪%
∴ ক্ষেত্রফল কমবে = ৪% - একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৪৮ কিলোমিটার বেগে চলে। ট্রেনটি ৩৬০ মিটার দীর্ঘ একটি প্ল্যাটফর্ম ৬০ সেকেন্ডে অতিক্রম করলে ট্রেনটির দৈর্ঘ্য কত মিটার?
- ২৪০
- ৩০০
- ৪০০
- ৪৪০
প্রশ্ন: একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৪৮ কিলোমিটার বেগে চলে। ট্রেনটি ৩৬০ মিটার দীর্ঘ একটি প্ল্যাটফর্ম ৬০ সেকেন্ডে অতিক্রম করলে ট্রেনটির দৈর্ঘ্য কত মিটার?
সমাধান:
ধরি,
ট্রেনের দৈর্ঘ্য = x মিটার
দেওয়া আছে,
ট্রেনের বেগ = ৪৮ কি.মি./ঘণ্টা
= ৪৮ × (৫/১৮) মিটার/সেকেন্ড
= ৪০/৩ মিটার/সেকেন্ড
সময় = ৬০ সেকেন্ড∴ ৬০ সেকেন্ডে ট্রেনটির অতিক্রান্ত দূরত্ব = (৪০/৩) × ৬০
= ৮০০ মিটারএখন,
প্ল্যাটফর্ম অতিক্রম করার সময় মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ট্রেনের দৈর্ঘ্য + প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্যশর্তমতে,
x + ৩৬০ = ৮০০
⇒ x = ৮০০ - ৩৬০
⇒ x = ৪৪০∴ ট্রেনটির দৈর্ঘ্য = ৪৪০ মিটার।
- কোন ক্লাসে ৩০ জন ছাত্রের মধ্যে ১৮ জন হকি খেলে, ১৪ জন দাবা খেলে এবং ৫ জন কিছুই খেলে না। কতজন উভয় খেলাটি খেলে?
- ৬
- ৭
- ৯
- ১০
প্রশ্ন: কোন ক্লাসে ৩০ জন ছাত্রের মধ্যে ১৮ জন হকি খেলে, ১৪ জন দাবা খেলে এবং ৫ জন কিছুই খেলে না। কতজন উভয় খেলাটি খেলে?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
মোট ছাত্র, n(U) = ৩০ জন
হকি খেলে, n(H) = ১৮ জন
দাবা খেলে, n(C) = ১৪ জন
কোন খেলাই খেলে না, n(H ∪ C)' = ৫ জন∴ অন্তত একটি খেলা খেলে, n(H ∪ C) = n(U) - n(H ∪ C)'
= ৩০ - ৫
= ২৫ জনআমরা জানি,
n(H ∪ C) = n(H) + n(C) - n(H ∩ C)
⇒ n(H ∩ C) = n(H) + n(C) - n(H ∪ C)
∴ n(H ∩ C) = ১৮ + ১৪ - ২৫
= ৩২ - ২৫
= ৭ জন∴ উভয় খেলাটি খেলে = ৭ জন
- ১টি চৌবাচ্চা ১টি নল দ্বারা ১০ ঘণ্টায় পূর্ণ হয়। তবে একটি ছিদ্র থাকায় তা ১৫ ঘণ্টায় পূর্ণ হয়। ছিদ্র দ্বারা চৌবাচ্চাটি খালি হতে কত ঘন্টা লাগবে?
- ২০
- ২৫
- ৩০
- ৩৫
প্রশ্ন: ১টি চৌবাচ্চা ১টি নল দ্বারা ১০ ঘণ্টায় পূর্ণ হয়। তবে একটি ছিদ্র থাকায় তা ১৫ ঘণ্টায় পূর্ণ হয়। ছিদ্র দ্বারা চৌবাচ্চাটি খালি হতে কত ঘন্টা লাগবে?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
নল দ্বারা ১০ ঘণ্টায় চৌবাচ্চার ১ অংশ পূর্ণ হয়
∴ নল দ্বারা ১ ঘণ্টায় চৌবাচ্চার ১/১০ পূর্ণ হয়ছিদ্র থাকায়,
১৫ ঘণ্টায় চৌবাচ্চাটির পূর্ণ হয় ১ অংশ
∴ ১ ঘণ্টায় চৌবাচ্চাটির পূর্ণ হয় ১/১৫ অংশ∴ ছিদ্রের ১ ঘণ্টায় খালি করে = (১/১০) - (১/১৫) অংশ
= (৩ - ২)/৩০ অংশ
= ১/৩০ অংশঅর্থাৎ,
ছিদ্রটি চৌবাচ্চার ১/৩০ অংশ খালি করে ১ ঘণ্টায়
∴ ছিদ্রটি চৌবাচ্চার ১ অংশ খালি করে ১/(১/৩০) ঘণ্টায়
= ৩০ ঘণ্টায়∴ ছিদ্র দ্বারা চৌবাচ্চাটি খালি হতে ৩০ ঘন্টা লাগবে।
- রফিক সাহেবের মাসিক বেতন ৯% বৃদ্ধি পেয়ে ১৫,৮০৫ টাকা হল। রফিক সাহেবের মাসিক বেতন আগে কত টাকা ছিল?
- ১৪০০০
- ১৪৫০০
- ১৪৭৫০
- ১৪৮০০
প্রশ্ন: রফিক সাহেবের মাসিক বেতন ৯% বৃদ্ধি পেয়ে ১৫,৮০৫ টাকা হল। রফিক সাহেবের মাসিক বেতন আগে কত টাকা ছিল?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
৯% বৃদ্ধি পেয়ে বেতন হয়েছে = ১৫,৮০৫ টাকা
ধরি,
পূর্বের বেতন = x টাকা
৯% বৃদ্ধি পেয়ে বেতন = x + x-এর ৯%
= x + x × (৯/১০০)
= x + (৯x/১০০)
= ১০৯x/১০০
প্রশ্নমতে,
১০৯x/১০০ = ১৫৮০৫
⇒ x = ১৫৮০৫ × (১০০/১০৯)
⇒ x = ১৪৫০০∴ রফিক সাহেবের পূর্বের মাসিক বেতন = ১৪,৫০০ টাকা
- ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে মোট কতগুলো ভেন্যুতে খেলা অনুষ্ঠিত হবে?
- ১২
- ১৪
- ১৬
- ১৮
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- ২০২৬ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩ তম আসর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- আয়োজক দেশ: ৩টি। যথা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো।
- সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ থেকে ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
- তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
- যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি, মেক্সিকোর ৩টি এবং কানাডার ২টি শহর।
- অফিসিয়াল বলের নাম: ট্রায়োন্ডা।
- মাসকট: ৩টি (‘ক্লাচ’ নামের টাক ঈগল, ‘মেপল' নামের মুজ, মেক্সিকোর জঙ্গল থেকে আসা ‘জায়ু’ নামের জাগুয়ার)।
- আনুষ্ঠানিক থিম সং: 'দাই দাই' (Dai Dai)।তথ্যসূত্র - ফিফা ওয়েবসাইট।
- বাংলাদেশের কোথায় উষ্ণ পানির ঝর্ণা আছে?
- সীতাকুণ্ড
- মহেশখালী
- হিমছড়ি
- দেবতাখুম
উষ্ণ পানির ঝর্ণা:
- বাংলাদেশের একমাত্র পরিচিত উষ্ণ পানির ঝর্ণা বা উষ্ণ প্রস্রবণ চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ডে অবস্থিত।
- এই উষ্ণ পানির ঝর্ণাটি সীতাকুণ্ডের বারবকুণ্ড এলাকায় অবস্থিত।
- উষ্ণ পানির ঝর্ণা হলো ভূগর্ভ থেকে স্বাভাবিকভাবে নির্গত এমন পানি, যার তাপমাত্রা সাধারণত মানবদেহের তাপমাত্রার চেয়ে বেশি।
- এ ধরনের প্রস্রবণ ভূগর্ভস্থ তাপীয় প্রক্রিয়ার ফল।
- সীতাকুণ্ড অঞ্চলের ভূতাত্ত্বিক গঠন উষ্ণ প্রস্রবণ সৃষ্টির জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।
- এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক ও ভূতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া। - নিচের কোনটি স্বাদু পানির মাছ?
- ভেটকী
- লাক্ষা
- গলদা চিংড়ি
- বাগদা চিংড়ি
গলদা চিংড়ি:
- গলদা চিংড়ি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্বাদু পানির মাছ।
- বাংলাদেশে পাওয়া ২৪ প্রজাতির স্বাদু পানির চিংড়ির মধ্যে গলদা চিংড়ি বাণিজ্যিকভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি প্রধানত নদ-নদী, খাল-বিল, হাওর ও জলাশয়ে বসবাস করে।
- খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, গোপালগঞ্জ, পিরোজপুর, লক্ষ্মীপুর ও পটুয়াখালী অঞ্চলে এটি বেশি পাওয়া যায়।
- গলদা চিংড়ির দেহ হালকা নীল বা সবুজাভ বর্ণের হয়ে থাকে এবং দৈর্ঘ্যে প্রায় ৩২০ মি.মি. পর্যন্ত হতে পারে।
- এটি নিশাচর ও তলদেশবাসী অমেরুদণ্ডী প্রাণী, জীবিত ও মৃত উদ্ভিদ-প্রাণিজ খাদ্য গ্রহণ করে।
- চিংড়ির দেহ শক্ত কাইটিন আবরণে আবৃত থাকে এবং খোলস পরিবর্তনের মাধ্যমে এর বৃদ্ধি ঘটে।
উল্লেখ্য:
- ভেটকী, লাক্ষা ও বাগদা চিংড়ি লোণা পানির মাছ।
তথ্যসূত্র - মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। - নিচের কোন নদীটির উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশে?
- ফেনী
- হালদা
- নাফ
- ধরলা
হালদা নদী:
- হালদা নদীর উৎপত্তি, প্রবাহপথ এবং মিলনস্থল—সবই বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমার মধ্যে অবস্থিত।
- নদীটি বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক নদী।
- সরকার হালদাকে বিশেষ মৎস্য অভয়াশ্রম ও ফিশারি হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
- হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- হালদা বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী, যেখান থেকে রুইজাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ) নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।
- বাংলাদেশে কার্পজাতীয় মাছের রেণু উৎপাদনের অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক উৎস হিসেবে হালদা পরিচিত।
- প্রতিবছর এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত নদীটিতে মাছের প্রজনন মৌসুম চলে।
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময় রুইজাতীয় মাছের ডিম ছাড়ার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়।
- বিশুদ্ধ জিনগত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন রুইজাতীয় মাছের সংরক্ষণে হালদার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এ কারণে হালদা নদীকে বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক হিসেবেও অভিহিত করা হয়।তথ্যসূত্র - মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
- BIMSTEC কি ধরনের সংগঠন?
- অর্থনৈতিক
- রাজনৈতিক
- বাণিজ্যিক
- সামাজিক
BIMSTEC:
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation.
- BIMSTEC একটি অর্থনৈতিক সংগঠন।
- ৬ জুন ১৯৯৭ সালে ব্যাংকক ঘোষণা স্বাক্ষরের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালে এর নাম ছিল বিস্ট-ইসি (BIST-EC), যেখানে বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড সদস্য ছিল।
- ২২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে মিয়ানমার যোগ দিলে সংস্থাটির নাম পরিবর্তন করে বিমস্ট-ইসি (BIMST-EC) রাখা হয়।
- সংগঠনটির সদর দপ্তর ঢাকা, বাংলাদেশ।
- এর প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশের সংখ্যা: ৪টি। এগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড।
- সংগঠনটির সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ। এগুলো হলো- ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড।তথ্যসূত্র - BIMSTEC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে ডেনিম পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
- ১ম
- ২য়
- ৩য়
- ৫ম
ডেনিম পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান:
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও যুক্তরাষ্ট্র এই দুই বৃহত্তম বাজারে ডেনিম পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম।
- ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ থেকে প্রথম জিনস রপ্তানি শুরু হয়।
- ইইউ বাজারে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে সর্বাধিক ডেনিম পোশাক সরবরাহকারী দেশ হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে।
- ইইউভুক্ত দেশগুলোতে ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ১৬৪ কোটি ডলারের ডেনিম পোশাক রপ্তানি করেছে, যা তার আগের বছরের তুলনায় ২১ শতাংশ বেশি।
- দেশে ডেনিম কাপড় উৎপাদনকারী মিলের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয়ভাবে কাঁচামাল সরবরাহের সক্ষমতা বেড়েছে।
- সাশ্রয়ী উৎপাদন ব্যয়, দক্ষ শ্রমশক্তি এবং আধুনিক ওয়াশিং ও প্রসেসিং সুবিধা বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।
- আন্তর্জাতিক ডেনিম এক্সপো এবং বৈশ্বিক ক্রেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ নতুন বাজার সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট। - পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিশ্বে নিচের কোন দেশটি শীর্ষস্থান অর্জন করেছে?
- যুক্তরাষ্ট্র
- রাশিয়া
- চীন
- ফ্রান্স
পারমাণবিক বিদ্যুত উৎপাদন:
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বে উৎপাদিত মোট পারমাণবিক বিদ্যুতের প্রায় ৩০ শতাংশ উৎপাদন করে যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০২৪ সালে দেশটির পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ৮১৬ টেরাওয়াট-ঘণ্টা (TWh) বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ১৮ শতাংশ।
- দেশটিতে দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক শক্তি নির্ভরযোগ্য ও স্বল্প-কার্বন বিদ্যুতের অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- ২০২৩ সালে ভোগটল-৩ এবং ২০২৪ সালে ভোগটল-৪ ইউনিট জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।
- এর ফলে দেশটির পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
- ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ২০৫০ সালের মধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা চার গুণ বৃদ্ধি করে ৪০০ গিগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্য ঘোষণা করেছে।তথ্যসূত্র - World Nuclear Association. (লিংক)
- বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন নারী উদ্যোক্তাদের জন্য দেশের সর্বপ্রথম কোন বন্ডটি অনুমোদন করেছে?
- গ্রীন বন্ড
- ইয়েলো বন্ড
- রেড বন্ড
- অরেঞ্জ বন্ড
→ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন নারী উদ্যোক্তাদের জন্য দেশের সর্বপ্রথম অরেঞ্জ বন্ড অনুমোদন করেছে।
অরেঞ্জ বন্ড:
- বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) ২০২৬ সালে দেশের প্রথম অরেঞ্জ বন্ড অনুমোদন করে।
- এই বন্ডটি ইস্যু করে সাজিদা ফাউন্ডেশন।
- অরেঞ্জ বন্ডের মূল উদ্দেশ্য হলো নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, নারী উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন এবং লিঙ্গসমতা প্রতিষ্ঠা।
- বন্ডটির মোট মূল্য ১৫৮.৫ কোটি টাকা।
- এটি বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে প্রথম থিমেটিক জেন্ডার-ফোকাসড বন্ড হিসেবে বিবেচিত।
- সংগৃহীত অর্থের একটি বড় অংশ নারী-নেতৃত্বাধীন ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ অর্থায়নে ব্যবহৃত হবে।
- BSEC-এর অনুমোদনের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রভাবভিত্তিক (impact-based) অর্থায়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা ও ডেইলি স্টার পত্রিকার রিপোর্ট। - বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়া হান্টা ভাইরাস নিচের কোন প্রাণীটির মাধ্যমে ছড়ায়?
- বাদুড়
- ইঁদুর
- বিড়াল
- কুকুর
হান্টাভাইরাস:
- হান্টাভাইরাস হলো ইঁদুরজাতীয় প্রাণীবাহিত এক ধরনের ভাইরাস, যা মানুষের মধ্যে গুরুতর রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
- সাধারণত সংক্রমিত ইঁদুরের প্রস্রাব, মল বা লালা শুকিয়ে বাতাসে মিশে গেলে সেই কণা শ্বাসের সঙ্গে মানবদেহে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটায়।
বিরল ক্ষেত্রে সংক্রমিত ইঁদুরের কামড় বা আঁচড়ের মাধ্যমেও ভাইরাসটি ছড়াতে পারে।
- হান্টাভাইরাসের কারণে প্রধানত দুটি গুরুতর রোগ দেখা যায়।
- এর একটি হলো হান্টাভাইরাস পালমোনারি সিনড্রোম, যা ফুসফুসকে আক্রান্ত করে।
- HPS-এর প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে ক্লান্তি, জ্বর ও পেশিতে ব্যথা দেখা যায়, পরে মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, কাঁপুনি এবং পেটের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
- রোগের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে কাশি ও শ্বাসকষ্টের মতো জটিল উপসর্গ তৈরি হতে পারে।
- CDC-এর তথ্য অনুযায়ী, HPS-এ শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত উপসর্গ দেখা দিলে মৃত্যুর হার প্রায় ৩৮ শতাংশ।
- হান্টাভাইরাসের আরেকটি গুরুতর রোগ হলো হেমোরেজিক ফিভার উইথ রেনাল সিনড্রোম, যা মূলত কিডনিকে আক্রান্ত করে।
- হেমোরেজিক ফিভার উইথ রেনাল সিনড্রোম-এর জটিল পর্যায়ে নিম্ন রক্তচাপ, অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ এবং কিডনি বিকলতা দেখা দিতে পারে, যা রোগীকে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।
তথ্যসূত্র - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওয়েবসাইট ও বিবিসি বাংলা পত্রিকার রিপোর্ট। - সালে বিশ্বে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স সংগ্রহকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ এর অবস্থান কততম?
- ৫ম
- ৭ম
- ৮ম
- ৯ম
রেমিট্যান্স গ্রহণকারী দেশ:
- ২০২৫ সালে বিশ্বে রেমিট্যান্স গ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম।
- প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের শীর্ষ ১০ রেমিট্যান্স-গ্রহণকারী দেশের তালিকায় রয়েছে।
- আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশ একই সঙ্গে অন্যতম বৃহৎ শ্রমশক্তি রপ্তানিকারক দেশ।
- মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় অবদান রাখেন।
- রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- দারিদ্র্য হ্রাস, ভোগব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও এর অবদান উল্লেখযোগ্য।
→ রেমিট্যান্স গ্রহণকারী শীর্ষ দেশ সমূহ:
• ১ম অবস্থানে ভারত।
• ২য় অবস্থানে চীন।
• ৩য় অবস্থানে মেক্সিকো।
• ৪র্থ অবস্থানে ফিলিপাইন।
• ৫ম অবস্থানে মিশর।
• ৬ষ্ঠ অবস্থানে নাইজেরিয়া।
• ৭ম অবস্থানে পাকিস্তান।
• ৮ম অবস্থানে বাংলাদেশ।
তথ্যসূত্র - Worldpopulationreview. (লিংক) - প্রতি বছর কত তারিখে পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত হয়?
- ৫ জুন
- ৬ জুন
- ৮ জুন
- ৬ জুলাই
বিশ্ব পল্লি উন্নয়ন দিবস :
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ প্রতি বছরের ৬ জুলাইকে ‘বিশ্ব পল্লী উন্নয়ন দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
- দিবসটি ঘোষণার প্রস্তাব বাংলাদেশ উত্থাপন করে এবং এতে ভারত, নেপাল, পেরু, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডসহ কয়েকটি দেশ সহযোগিতা করে।
- জাতিসংঘের ৭৮তম অধিবেশনে গৃহীত রেজল্যুশনটি ভোট ছাড়াই সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।
- দিবসটির পেছনে ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে, কারণ ৬ জুলাই ১৯৭৯ সালে CIRDAP প্রতিষ্ঠিত হয়।
- গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন, দারিদ্র্য হ্রাস এবং জীবনমান উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরাই এ দিবসের প্রধান উদ্দেশ্য।
- এটি খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং টেকসই জীবিকার বিষয়েও সচেতনতা সৃষ্টি করে।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি জোরদার করার ওপর দিবসটি গুরুত্ব দেয়।
- দিবসটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) অর্জনে গ্রামীণ উন্নয়নের ভূমিকা তুলে ধরে।
- বাংলাদেশের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গ্রামীণ উন্নয়নকে নতুন গুরুত্ব দেওয়ার একটি স্বীকৃতি হিসেবে এ দিবস বিবেচিত হয়।
তথ্যসূত্র - UN ওয়েবসাইট ও বনিক বার্তা। - সর্বশেষ 'হেনলি পাসপোর্ট সূচক' অনুযায়ী নিচের কোন দেশের পাসপোর্টটি সবচেয়ে শক্তিশালী?
- জাপান
- সিঙ্গাপুর
- চীন
- হংকং
শক্তিশালী পাসপোর্টের অধিকারী দেশ:
- সর্বশেষ হেনলি পাসপোর্ট সূচক অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের অধিকারী দেশ হলো সিঙ্গাপুর।
- সিঙ্গাপুরের পাসপোর্টধারীরা পূর্বানুমতি ছাড়াই বিশ্বের ১৯২টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন।
- হেনলি পাসপোর্ট সূচক আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থা -এর তথ্যের ভিত্তিতে পাসপোর্টগুলোর বৈশ্বিক র্যাঙ্কিং প্রকাশ করে।
- সূচকটি মূলত কোনো দেশের নাগরিকরা কতটি দেশে ভিসামুক্ত বা সহজ ভিসা সুবিধা নিয়ে প্রবেশ করতে পারেন, তার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।
- ২০২৬ সালের সূচকে সিঙ্গাপুর টানা শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে।
- দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- শক্তিশালী পাসপোর্ট আন্তর্জাতিক ভ্রমণ, ব্যবসা ও বৈশ্বিক যোগাযোগকে সহজ করে।
তথ্যসূত্র - হেনলি পাসপোর্ট সূচক। (লিংক) - বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক নীতিমালা অনুসারে একজন গ্রাহক একটি নির্দিষ্ট সময়ে ব্যাংক থেকে সর্বোচ্চ কত টাকার 'ই-ঋণ' গ্রহণ করতে পারবেন?
- ১০০০০
- ২০০০০
- ২৫০০০
- ৫০০০০
ই-ঋণ:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক নীতিমালা অনুযায়ী একজন গ্রাহক এককালীন সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা ‘ই-ঋণ’ গ্রহণ করতে পারবেন।
- এই ঋণ সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রদান করা হবে, গ্রাহককে ব্যাংক শাখায় যেতে হবে না।
- ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপ, ই-ওয়ালেট বা অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঋণ গ্রহণ করা যাবে।
- ঋণের আবেদন, অনুমোদন, বিতরণ ও আদায়—সব কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন হবে।
- গ্রাহকের শারীরিক উপস্থিতি বা কাগজে স্বাক্ষরের প্রয়োজন হবে না।
- পরিচয় যাচাইয়ের জন্য বায়োমেট্রিক তথ্য, OTP এবং মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবহার করা হবে।
- ই-ঋণের সর্বোচ্চ মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ মাস।
- খেলাপি ঋণগ্রহীতারা এই সুবিধা পাবেন না।
- বাংলাদেশ ব্যাংক আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এই নীতিমালা প্রণয়ন করেছে।
তথ্যসূত্র - বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার রিপোর্ট। - নিচের কোন প্রণালীটি ইরানকে আরব উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে?
- পক
- হরমুজ
- সুয়েজ
- বেরিং
হরমুজ প্রণালী:
- হরমুজ প্রণালী মধ্যপ্রাচ্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ, যা পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এই প্রণালীটির মাধ্যমে ইরান ভৌগোলিকভাবে আরব উপদ্বীপ থেকে পৃথক হয়েছে।
- বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন করিডোর হিসেবে এর কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।
- প্রণালীটির সংকীর্ণতম অংশের প্রস্থ মাত্র প্রায় ৩৩–৩৯ কিলোমিটার।
- আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন ব্যবস্থার সুবিধার্থে এখানে দুটি পৃথক জাহাজ চলাচল লেন নির্ধারিত রয়েছে।
- প্রতিটি লেনের প্রস্থ প্রায় দুই মাইল, যার মাধ্যমে আগমন ও প্রস্থানকারী জাহাজ চলাচল করে।
- আকারে তুলনামূলক সংকীর্ণ হলেও এটি বিশ্বের বৃহত্তম তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর চলাচলের অন্যতম প্রধান পথ।
- মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোর রপ্তানিকৃত জ্বালানির বড় অংশ এই প্রণালী ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে।
- বৈশ্বিকভাবে সমুদ্রপথে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি পণ্যের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে।
- বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল বাণিজ্যের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ এই প্রণালীর মাধ্যমে পরিবাহিত হয়।তথ্যসূত্র - Britannica.com
- বাংলাদেশের নতুন পদ্মা ব্যারেজ কোথায় নির্মিত হবে?
- রাজবাড়ী
- যশোর
- কুষ্টিয়া
- রাজশাহী
পদ্মা ব্যারেজ:
- বাংলাদেশের নতুন পদ্মা ব্যারেজ নির্মিত হবে রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলায় অবস্থিত।
- ২০২৬ সালের মে মাসে একনেক (ECNEC) প্রকল্পটির প্রথম ধাপ অনুমোদন করেছে।
- প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।
- ব্যারেজটির দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ২.১ কিলোমিটার।
- এর মাধ্যমে পদ্মা নদীতে প্রায় ২,৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে।
- প্রকল্পটির অন্যতম লক্ষ্য হলো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী ব্যবস্থার পুনরুজ্জীবন ও সেচ সুবিধা বৃদ্ধি।
- এটি লবণাক্ততা অনুপ্রবেশ কমাতে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- ব্যারেজের সঙ্গে একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার পত্রিকার রিপোর্ট। - দেশের সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশনটি কোথায় অবস্থিত?
- রংপুর
- কুমিল্লা
- বগুড়া
- ময়মনসিংহ
সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন:
- দেশের সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন বগুড়া। (জুন, ২০২৬)
- বগুড়া দেশের ১৩তম সিটি কর্পোরেশন।
- ২০ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া সিটি করপোরেশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেছেন।
- এর মধ্য দিয়ে ২১টি ওয়ার্ডের সীমানা অক্ষুণ্ন রেখে দেশের ১৩তম হিসেবে বগুড়া সিটি করপোরেশনের যাত্রা শুরু হলো। বিলুপ্ত হয়ে গেল ১৫০ বছরের পুরোনো বগুড়া পৌরসভার কার্যক্রম।
→ দেশের অন্য ১২টি সিটি কর্পোরেশন:
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন,
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন,
- ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন,
- চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন,
- সিলেট সিটি কর্পোরেশন,
- কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন,
- নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন,
- বরিশাল সিটি কর্পোরেশন,
- রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন,
- খুলনা সিটি কর্পোরেশন,
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন,
- গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন।
তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট। - কম্পিউটারের র্যাম (RAM) কি ধরণের ডিভাইস?
- ইনপুট
- আউটপুট
- স্টেটারেজ
- মেমরি
সঠিক উত্তর: ঘ) মেমরি
• RAM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমরি বা Primary Memory-এর একটি অংশ।
• RAM:
- RAM-এর পূর্ণরূপ হলো Random Access Memory।
- কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় চলমান প্রোগ্রাম, নির্দেশনা ও ডেটা সাময়িকভাবে RAM-এ সংরক্ষিত থাকে।
- CPU দ্রুত ডেটা ব্যবহার করার জন্য RAM-এর সাহায্য নেয়।
- কম্পিউটার বন্ধ হলে RAM-এ থাকা তথ্য মুছে যায়; তাই একে volatile memory বলা হয়।
- এটি ইনপুট বা আউটপুট ডিভাইস নয়।
- এটি স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইসও নয়।
- RAM দ্রুতগতির মেমরি।
- এর উদাহরণ: DRAM, SRAM।
অন্যান্য অপশন:
ক) ইনপুট: কিবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার ইত্যাদি ইনপুট ডিভাইস।
খ) আউটপুট: মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার ইত্যাদি আউটপুট ডিভাইস।
গ) স্টোরেজ: এখানে বানানটি হওয়া উচিত স্টোরেজ। হার্ডডিস্ক, SSD, পেনড্রাইভ ইত্যাদি স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস।
ঘ) মেমরি: RAM হলো মেমরি ডিভাইস।
উৎস: ১। Computer & ICT Cloud [Live Publications].
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। - বিজয় লে-আউটে বাংলা লেখার সময় 'এ' বর্ণটি লিখতে কিবোর্ডে ইংরেজী কোন বর্ণগুলো চাপতে হবে?
- Shift + С
- Ctrl + G
- + C
- + G + X
সঠিক উত্তর: গ) G + C
• বিজয় লে-আউটে বাংলা স্বরবর্ণ ‘এ’ লিখতে কিবোর্ডে ধারাবাহিকভাবে G এবং C চাপতে হয়।
- এখানে G চাপলে স্বরবর্ণ লেখার জন্য প্রয়োজনীয় অংশ তৈরি হয়।
- এরপর C চাপলে পূর্ণ স্বরবর্ণ ‘এ’ লেখা হয়।
- তাই সঠিক কী-সমন্বয় হলো G + C। বিজয়ের টাইপিং নির্দেশিকায় স্বরবর্ণ লেখার জন্য একাধিক কী একসঙ্গে বা ধারাবাহিকভাবে চাপার নিয়ম দেওয়া আছে।
উৎস: (bijoyekushe.net.bd) - বেশীরভাগ প্রোগ্রামে কীবোর্ডের কোন কী-টি সাধারণত হেল্প (HELP) কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
- F1
- F2
- F5
- F12
সঠিক উত্তর: ক) F1
• অধিকাংশ প্রোগ্রামে F1 কী সাধারণত Help বা সাহায্য নির্দেশিকা খোলার জন্য ব্যবহৃত হয়।
• Function Key:
- কোনো সফটওয়্যার ব্যবহারের নিয়ম, নির্দেশনা বা সমস্যার সমাধান জানতে F1 চাপলে Help window খুলতে পারে।
- Microsoft Word, Excel, Windows এবং অনেক অন্যান্য সফটওয়্যারে F1 Help key হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- তাই সাধারণভাবে Help পাওয়ার জন্য F1 কী ব্যবহৃত হয়।
- কীবোর্ডের F1 থেকে F12 পর্যন্ত কীগুলোকে Function Key বলা হয়।
- বিভিন্ন সফটওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেমে এগুলোর কাজ ভিন্ন হতে পারে।
- তবে F1 সাধারণত Help-এর জন্য বহুল ব্যবহৃত।
অন্যান্য অপশন:
খ) F2: সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
গ) F5: সাধারণত Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
ঘ) F12: অনেক প্রোগ্রামে Save As বা Developer Tools খোলার কাজে ব্যবহৃত হতে পারে।
উৎস: ১। Computer & ICT Cloud [Live Publications]. - নীল লিটমাস কাগজ এসিডে ডোবালে কি বর্ণ ধারণ করে?
- বর্ণ পরিবর্তন হয় না
- বেগুনী
- কমলা
- লাল
সঠিক উত্তর: ঘ) লাল
• নীল লিটমাস কাগজ এসিডে ডোবালে লাল বর্ণ ধারণ করে।
• লিটমাস:
- এসিড নীল লিটমাসকে লাল রঙে পরিবর্তন করে।
- এটি কোনো দ্রবণ এসিডীয় কি না, তা শনাক্ত করার একটি সহজ পরীক্ষা।
- যেমন: হাইড্রোক্লোরিক এসিড, সালফিউরিক এসিড, নাইট্রিক এসিড ইত্যাদি নীল লিটমাসকে লাল করে।
- এসিডীয় দ্রবণে নীল লিটমাস লাল হয়।
- ক্ষারীয় দ্রবণে লাল লিটমাস নীল হয়।
- নিরপেক্ষ দ্রবণে সাধারণত লিটমাসের রঙের পরিবর্তন হয় না।
অন্যান্য অপশন:
ক) বর্ণ পরিবর্তন হয় না: নিরপেক্ষ দ্রবণে এমন হতে পারে; এসিডে নয়।
খ) বেগুনী: লিটমাসের স্বাভাবিক মিশ্র রঙ হতে পারে, কিন্তু এসিডে নীল লিটমাস লাল হয়।
গ) কমলা: লিটমাসের ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়।
উৎস: ১। Science Expert [Live Publications],
২। রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি; সাধারণ বিজ্ঞান। - কোন কম্পিউটারকে অন্য কোন কম্পিউটারের সাথে নেটওয়ার্কের মাধামে সংযুক্ত করতে হলে নিচের কোনটি প্রয়োজন?
- পিরম (PROM)
- নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড
- ইপিরম (EPROM)
- কাপলার
সঠিক উত্তর: খ) নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড
• একটি কম্পিউটারকে অন্য কম্পিউটারের সাথে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করতে নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড বা NIC প্রয়োজন হয়।
• Network Interface Card:
- NIC-এর পূর্ণরূপ হলো Network Interface Card।
- এটি কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেয়।
- নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা পাঠানো ও গ্রহণ করার কাজ NIC-এর সাহায্যে করা হয়।
- বর্তমানে অনেক কম্পিউটার ও ল্যাপটপের মাদারবোর্ডে NIC আগে থেকেই যুক্ত থাকে।
- এটি একটি নেটওয়ার্কিং হার্ডওয়্যার।
- তারযুক্ত বা তারবিহীন নেটওয়ার্কে সংযোগ স্থাপনে সাহায্য করে।
- Ethernet port বা Wi-Fi adapter NIC-এর উদাহরণ।
- প্রতিটি NIC-এর একটি নিজস্ব MAC address থাকে।
অন্যান্য অপশন:
ক) পিরম (PROM): এটি এক ধরনের প্রোগ্রামযোগ্য স্থায়ী মেমোরি; নেটওয়ার্ক সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয় না।
গ) ইপিরম (EPROM): এটি মুছে পুনরায় প্রোগ্রাম করা যায় এমন স্থায়ী মেমোরি; নেটওয়ার্ক সংযোগের ডিভাইস নয়।
ঘ) কাপলার: এটি সাধারণত বিভিন্ন যন্ত্রাংশ বা কেবল যুক্ত করার উপকরণ; কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সংযোগের প্রধান ডিভাইস নয়।
উৎস: ১। Computer & ICT Cloud [Live Publications].
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। - কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষণের ক্ষুদ্রতম একক কি?
- বিট
- বাইট
- কারেক্টার
- কিলোবাইট
সঠিক উত্তর: ক) বিট
• কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষণের ক্ষুদ্রতম একক হলো বিট (Bit)।
• বিট ও বাইট:
- Bit শব্দটি Binary Digit থেকে এসেছে।
- একটি বিটের মান হয় 0 অথবা 1।
- কম্পিউটারের সব ধরনের তথ্য—সংখ্যা, লেখা, ছবি, শব্দ ও ভিডিও—শেষ পর্যন্ত 0 এবং 1-এর সমন্বয়ে সংরক্ষিত থাকে।
- তাই তথ্য সংরক্ষণের সবচেয়ে ক্ষুদ্র একক হলো বিট।
- 1 Bit = 0 অথবা 1
- 8 Bit = 1 Byte
- একটি Byte সাধারণত একটি Character প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
- 1024 Byte = 1 Kilobyte (KB)
অন্যান্য অপশন:
খ) বাইট: 8টি বিটের সমষ্টিকে 1 বাইট বলা হয়।
গ) কারেক্টার: এটি অক্ষর, সংখ্যা বা প্রতীক বোঝায়; এটি তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক নয়।
ঘ) কিলোবাইট: এটি 1024 বাইটের সমান; বিটের চেয়ে অনেক বড় একক।
উৎস: ১। Computer & ICT Cloud [Live Publications],
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। - এম এস ওয়ার্ডে কোন টেক্সট বোল্ড (Bold) করতে হলে নিচের কোন কীবোর্ড কমান্ড ব্যবহৃত হয়?
- Ctrl+B
- Alt+B
- Shift+B
- Shift+Alt+B
সঠিক উত্তর: ক) Ctrl+B
• এম এস ওয়ার্ডে কোনো লেখা গাঢ় বা বোল্ড (Bold) করতে Ctrl+B কীবোর্ড কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
• Bold:
- আগে যে লেখা বোল্ড করতে হবে সেটি নির্বাচন করতে হয়।
- এরপর Ctrl এবং B একসাথে চাপলে লেখাটি গাঢ় হয়ে যায়।
- একই কমান্ড আবার চাপলে বোল্ড ফরম্যাট বন্ধ হয়ে যায়।
- এটি এম এস ওয়ার্ডসহ অনেক ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারে ব্যবহৃত একটি সাধারণ শর্টকাট কমান্ড।
- বোল্ড ফরম্যাট ব্যবহার করলে লেখা তুলনামূলক মোটা ও স্পষ্ট দেখায়।
- শিরোনাম, গুরুত্বপূর্ণ শব্দ, উপশিরোনাম বা বিশেষ তথ্য তুলে ধরতে এটি ব্যবহার করা হয়।
উৎস: Microsoft website. - এম এস ওয়ার্ডে আপনি ___________ ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির জন্য একই চিঠি তৈরি করতে পারেন।
- স্মার্ট লুকআপ
- নেভিগেশন পেন
- আপডেট লেবেল
- মেইল মার্জ
সঠিক উত্তর: ঘ) মেইল মার্জ
• এম এস ওয়ার্ডে একই চিঠি, নোটিশ, আমন্ত্রণপত্র বা সার্টিফিকেট বিভিন্ন ব্যক্তির জন্য তৈরি করতে মেইল মার্জ (Mail Merge) ব্যবহার করা হয়।
• Mail Merge:
- এতে একটি মূল চিঠি তৈরি করা হয় এবং আলাদা তালিকায় থাকা নাম, ঠিকানা বা অন্যান্য তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত করা যায়।
- ফলে প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য আলাদা করে পুরো চিঠি টাইপ করতে হয় না।
- এটি সময় সাশ্রয় করে এবং একই ধরনের চিঠি তৈরির কাজ সহজ করে।
- প্রধানত চিঠি, খাম, লেবেল, ই-মেইল ও সার্টিফিকেট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- এতে সাধারণত দুটি অংশ থাকে—মূল নথি এবং প্রাপকের তথ্যের তালিকা।
- মূল নথিতে নাম, ঠিকানা, পদবি ইত্যাদির জায়গায় বিশেষ ক্ষেত্র যুক্ত করা হয়।
- পরে তালিকার তথ্য অনুযায়ী প্রত্যেক প্রাপকের জন্য পৃথক নথি তৈরি হয়।
অন্যান্য অপশন:
ক) Smart Lookup: কোনো শব্দ বা বিষয়ের অতিরিক্ত তথ্য খোঁজার কাজে ব্যবহৃত হয়।
খ) Navigation Pane: নথির শিরোনাম, পৃষ্ঠা বা শব্দ দ্রুত খুঁজে বের করতে ব্যবহৃত হয়।
গ) Update Label: এটি একই চিঠি বিভিন্ন ব্যক্তির জন্য তৈরির প্রধান সুবিধা নয়; লেবেল তৈরির ক্ষেত্রে তথ্য হালনাগাদের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
ঘ) Mail Merge: একাধিক ব্যক্তির জন্য একই ধরনের চিঠি তৈরির সঠিক সুবিধা।
উৎস: Microsoft website. - পৃথিবীতে শক্তির প্রধান উৎস কোনটি?
- তেল
- গ্যাস
- কয়লা
- সূর্য
সঠিক উত্তর: ঘ) সূর্য
• পৃথিবীতে শক্তির প্রধান উৎস হলো সূর্য।
• সূর্যের ভূমিকা:
- সূর্যের আলো ও তাপ থেকেই পৃথিবীর অধিকাংশ শক্তির উৎস সৃষ্টি হয়েছে।
- উদ্ভিদ সূর্যালোক ব্যবহার করে সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করে।
- এই উদ্ভিদ ও উদ্ভিদভোজী প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে দীর্ঘ সময়ে কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানি তৈরি হয়েছে।
- বায়ুপ্রবাহ, জলচক্র, বৃষ্টিপাত এবং জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের পেছনেও সূর্যের তাপশক্তির ভূমিকা রয়েছে।
- তাই তেল, গ্যাস ও কয়লা পরোক্ষভাবে সূর্য থেকে পাওয়া শক্তিরই রূপ।
- বায়ুশক্তি ও জলবিদ্যুতের উৎসও সূর্যের তাপশক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত।
- সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে সরাসরি সূর্যের আলো ব্যবহার করা হয়।
অন্যান্য অপশন:
ক) তেল: এটি জীবাশ্ম জ্বালানি; বহু আগে উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে তৈরি হয়েছে।
খ) গ্যাস: প্রাকৃতিক গ্যাসও জীবাশ্ম জ্বালানি; এটি শক্তির প্রধান উৎস নয়, বরং সূর্যনির্ভর প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার পরোক্ষ ফল।
গ) কয়লা: এটি উদ্ভিদের দেহাবশেষ থেকে গঠিত জীবাশ্ম জ্বালানি; এর মূল শক্তির উৎসও সূর্য।
উৎস: ১। Science Expert [Live Publications],
২। রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি; সাধারণ বিজ্ঞান। - কোনটি উদ্ভিদের সালোক সংশ্লেষণে কাজ করে?
- জ্যাস্থোফিল
- জাইলেম
- ক্লোরোফিল
- ক্রোমোপ্লাস্ট
সঠিক উত্তর: গ) ক্লোরোফিল
• উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ক্লোরোফিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
• ক্লোরোফিল:
- ক্লোরোফিল হলো উদ্ভিদের পাতায় থাকা সবুজ রঞ্জক পদার্থ।
- এটি সূর্যের আলো শোষণ করে খাদ্য তৈরির প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে।
- সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে উদ্ভিদ কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি থেকে শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে।
- তাই ক্লোরোফিল ছাড়া স্বাভাবিকভাবে সালোকসংশ্লেষণ সম্ভব নয়।
- এটি প্রধানত পাতার ক্লোরোপ্লাস্টে থাকে।
- উদ্ভিদকে সবুজ দেখায়।
- সূর্যালোকের শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরে সাহায্য করে।
অন্যান্য অপশন:
ক) জ্যাস্থোফিল: সম্ভবত এখানে “জ্যান্থোফিল” বোঝানো হয়েছে। এটি হলুদ রঞ্জক পদার্থ; সালোকসংশ্লেষণে সহায়ক রঞ্জক হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে, তবে প্রধান রঞ্জক নয়।
খ) জাইলেম: এটি উদ্ভিদের পানি ও খনিজ লবণ পরিবহনের টিস্যু।
ঘ) ক্রোমোপ্লাস্ট: এটি ফুল ও ফলের হলুদ, কমলা বা লাল রঙের রঞ্জক ধারণকারী প্লাস্টিড; প্রধানত সালোকসংশ্লেষণে কাজ করে না।
উৎস: ১। Science Expert [Live Publications],
২। রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি; সাধারণ বিজ্ঞান। - বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান কোনটি?
- মিথেন
- ইথেন
- প্রপেন
- বিউটেন
সঠিক উত্তর: ক) মিথেন
• বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন (Methane)।
- মিথেনের রাসায়নিক সংকেত হলো CH₄।
- প্রাকৃতিক গ্যাসে সাধারণত মিথেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। এর সঙ্গে অল্প পরিমাণে ইথেন, প্রপেন, বিউটেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অন্যান্য গ্যাস থাকতে পারে।
- এটি একটি বর্ণহীন, গন্ধহীন ও দাহ্য গ্যাস।
- রান্না, বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানা এবং শিল্পকারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
- তুলনামূলকভাবে কম ধোঁয়া উৎপন্ন হওয়ায় এটি পরিচ্ছন্ন জ্বালানি হিসেবে বিবেচিত।
অন্যান্য অপশন:
খ) ইথেন: এটি প্রাকৃতিক গ্যাসে অল্প পরিমাণে থাকতে পারে, তবে প্রধান উপাদান নয়।
গ) প্রপেন: এটি প্রাকৃতিক গ্যাসে সামান্য থাকতে পারে; এলপিজির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
ঘ) বিউটেন: এটিও এলপিজির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান; প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান নয়।
উৎস: ১। Science Expert [Live Publications],
২। রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি; সাধারণ বিজ্ঞান। - তুঁত গাছ কোন শিল্পে ব্যবহার করা হয়?
- ঔষধ শিল্পে
- পাটি শিল্পে
- রেশম শিল্পে
- শতরঞ্চি শিল্পে
সঠিক উত্তর: গ) রেশম শিল্পে
• তুঁত গাছ রেশম শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
• রেশম শিল্প:
- তুঁত গাছের পাতা রেশম পোকার প্রধান খাদ্য।
- রেশম পোকা তুঁতপাতা খেয়ে বড় হয় এবং পরে গুটি তৈরি করে।
- সেই গুটি থেকে রেশম সুতা সংগ্রহ করা হয়।
- তাই তুঁত চাষ রেশম শিল্পের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
- রেশম উৎপাদনের জন্য রেশম পোকা পালন করা হয়।
- রেশম পোকার খাদ্য হিসেবে তুঁতপাতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- রেশম সুতা দিয়ে শাড়ি, কাপড়, স্কার্ফ, টাইসহ নানা মূল্যবান বস্ত্র তৈরি করা হয়।
- রেশম শিল্পকে সেরিকালচার (Sericulture) বলা হয়।
অন্যান্য অপশন:
ক) ঔষধ শিল্পে: তুঁত গাছের কিছু ভেষজ ব্যবহার থাকতে পারে, তবে এটি প্রধানত রেশম শিল্পের জন্য পরিচিত।
খ) পাটি শিল্পে: পাটি সাধারণত মাদুরকাঠি দিয়ে তৈরি হয়।
ঘ) শতরঞ্চি শিল্পে: শতরঞ্চি সাধারণত সুতা, তুলা বা পাটজাত উপকরণ দিয়ে তৈরি হয়; তুঁত গাছ প্রধান উপকরণ নয়।উৎস: ১। Science Expert [Live Publications].
- কোন প্রাণী ত্বকের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়?
- সাপ
- কেঁচো
- ব্যাঙ
- বিছে
সঠিক উত্তর: খ) কেঁচো
• কেঁচো ত্বকের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়।
- কেঁচোর ত্বক পাতলা, আর্দ্র ও রক্তনালিতে পূর্ণ থাকে।
- বাতাসের অক্সিজেন ভেজা ত্বকের মাধ্যমে কেঁচোর দেহে প্রবেশ করে।
- একইভাবে দেহে উৎপন্ন কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্বকের মাধ্যমে বাইরে বের হয়ে যায়।
- তাই কেঁচোকে ত্বকীয় শ্বাসপ্রশ্বাসকারী প্রাণী বলা হয়।
- যে শ্বাসপ্রক্রিয়ায় ত্বকের মাধ্যমে অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করা হয়, তাকে ত্বকীয় শ্বাসপ্রশ্বাস বলে।
- ত্বক আর্দ্র না থাকলে এই প্রক্রিয়া ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না।
- কেঁচো, জোঁক এবং কিছু উভচর প্রাণীতে এ ধরনের শ্বাসপ্রশ্বাস দেখা যায়।
অন্যান্য অপশন:
ক) সাপ: সাপ ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস নেয়।
গ) ব্যাঙ: পূর্ণাঙ্গ ব্যাঙ প্রধানত ফুসফুস এবং মুখগহ্বরের গলবিলীয় ঝিল্লির সাহায্যে শ্বাস নেয়, ত্বক তাদের একমাত্র বা প্রধান মাধ্যম নয়।
ঘ) বিছে: বিছে বা বিচ্ছু বুক-লাং (Book Lung) নামক বিশেষ অঙ্গের সাহায্যে শ্বাসকার্য সম্পন্ন করে।
উৎস: ব্রিটানিকা। - বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট কোন ধাতু দ্বারা তৈরি করা হয়?
- রূপা
- তামা
- লোহা
- টাংস্টেন
সঠিক উত্তর: ঘ) টাংস্টেন
• বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট টাংস্টেন ধাতু দিয়ে তৈরি করা হয়।
- এটি একটি কঠিন ও উচ্চ গলনাঙ্কবিশিষ্ট ধাতু।
- টাংস্টেনের গলনাঙ্ক খুব বেশি, প্রায় 3422°C।
- এর রাসায়নিক সংকেত W।
- বাল্বে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে ফিলামেন্ট অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে আলো উৎপন্ন করে।
- এত উচ্চ তাপমাত্রাতেও টাংস্টেন সহজে গলে যায় না।
- এই কারণেই বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট তৈরিতে টাংস্টেন ব্যবহার করা হয়।
- বৈদ্যুতিক বাল্ব, হ্যালোজেন ল্যাম্প এবং কিছু বিশেষ বৈদ্যুতিক যন্ত্রে এটি ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশন:
ক) রূপা: এটি বিদ্যুতের ভালো পরিবাহক, তবে বাল্বের ফিলামেন্ট তৈরিতে ব্যবহার করা হয় না।
খ) তামা: এটি তার ও বৈদ্যুতিক সংযোগে ব্যবহৃত হয়; ফিলামেন্টের জন্য উপযুক্ত নয়।
গ) লোহা: এটি সহজে জারিত হয় এবং টাংস্টেনের মতো উচ্চ তাপ সহ্য করতে পারে না।
উৎস:১। Science Expert [Live Publications],
২। পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। - কোন ধাতু স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল?
- ইউরেনিয়াম
- সোডিয়াম
- পারদ
- লিথিয়াম
সঠিক উত্তর: গ) পারদ
• পারদ স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে।
• পারদ:
- এটি একটি ভারী ধাতু।
- পারদের রাসায়নিক সংকেত হলো Hg।
- এটি একটি ধাতু হলেও সাধারণ কক্ষ তাপমাত্রায় তরল থাকে।
- এটি তাপমাত্রার পরিবর্তনে সহজে প্রসারিত ও সংকুচিত হয়।
- থার্মোমিটার, ব্যারোমিটার এবং কিছু বৈজ্ঞানিক যন্ত্রে আগে পারদ ব্যবহার করা হতো।
- পারদ বিষাক্ত হওয়ায় বর্তমানে এর ব্যবহার অনেক ক্ষেত্রে সীমিত করা হয়েছে।
অন্যান্য অপশন:
ক) ইউরেনিয়াম: এটি একটি তেজস্ক্রিয় কঠিন ধাতু।
খ) সোডিয়াম: এটি নরম কিন্তু কঠিন ধাতু; স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল নয়।
ঘ) লিথিয়াম: এটি হালকা ও কঠিন ধাতু; স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল নয়।
উৎস:১। Science Expert [Live Publications],
২। রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।