ওয়েস্ট পাওয়ার জোন ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড পদের নাম: সুইচবোর্ড এ্যাটেনডেন্ট (১০ম গ্রেড) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ: ০৯.০১.২০২৬
চাকুরী প্রস্তুতি - ৯ম থেকে ১৩তম গ্রেড · পরীক্ষার সাল ২০২৬
- ফেসবুক কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ২০০০ সালে
- ২০০২ সালে
- ২০০৫ সালে
- ২০০৮ সালে
ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (WZPDCL):
- সিস্টেম লস কমানো এবং আর্থিক অবস্থানকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে বিদ্যুৎ সেক্টরকে আরো জবাবদিহি এবং সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে তোলার জন্য উৎপাদন, সঞ্চালন এবং বিতরণ ব্যবস্থাকে পৃথক সংস্থাতে রুপান্তর করা হয়েছে।
- আর সংস্কার কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ সেক্টর বিভাজনসহ বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিচালন ও বিতরণ ব্যবস্থায় সিস্টম লস হ্রাসকরণ ও আর্থিক অবস্থা শক্তিশালী করণের লক্ষ্যে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী আইন/১৯৯৪ এর অধীনে নভেম্বর/২০০২ সালে বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানী হিসেবে ওজোপাডিকো গঠন করা হয়।
- পহেলা অক্টোবর, ২০০৩ সালে বিউবোর বিতরণ, পশ্চিমাঞ্চল, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ভৌগোলিক এলাকা বাদে, খুলনা, বরিশাল ও বৃহত্তর ফরিদপুর বিভাগের ২১টি জেলা ও ২১টি উপজেলায় কর্মরত মানবসম্পকে ওজাপাডিকোতে লিয়েনে হস্তান্তর করা হয়।
- চুক্তি সম্পাদনের পর পহেলা এপ্রিল, ২০০৫ সালে ওজোপাডিকো স্বাধীনভাবে তৎকালীন বিউবোর বিতরণ পশ্চিমাঞ্চলে তার নিজস্ব কার্যক্রম শুরু করেন।
- ১৬ ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে লিয়েন শেষে বিউবোর বিতরণ, পশ্চিমাঞ্চলে লিয়েনে কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ ওজোপাডিকোর চাকুরীতে যোগদান করেন।
উৎস: West Zone Power Distribution Company Limited। - কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে?
- মোহাম্মদ উল্লাহ
- হামিদুর রহমান
- ফজলুর রহমান খান
- এনামুল কবীর
• শহীদ মিনার:
- শহীদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ হয়েছিল অতিদ্রুত এবং নিতান্ত অপরিকল্পিতভাবে।
- ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন করে।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের স্থপতি।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।উৎস: ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট
- কোনটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ?
- নয়-ছয়
- খাসজমি
- কনকচাঁপা
- ত্রিফলা
• দ্বন্দ্ব সমাস:
যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে।
যেমন:
- ক্ষুধা ও পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা,
- জন ও মানব = জনমানব,
- নয় ও ছয় = নয়-ছয়,
- টীকা ও ভাষ্য = টীকাভাষ্য ইত্যাদি।অন্যদিকে,
• খাস যে জমি = খাসজমি; কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
• তিন ফলের সমাহার = ত্রিফলা; দ্বিগু সমাস।
• কনক যে চাঁপা = কনকচাঁপা, কর্মধারয় সমাস।উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
- জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
- ভিয়েনা
- জেনেভা
- প্যারিস
- নিউইয়র্ক
• জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘে যোগদান করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘের সদর দপ্তরের স্থপতি - ডব্লিউ হ্যারিসন।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
- 'ক্ষ' যুক্তবর্ণটি কোন কোন বর্ণ দিয়ে তৈরি?
- + য়
- + য়
- + ই + য়
- ক্ + ষ
• 'ক্ষ' যুক্তবর্ণটি 'ক্ + ষ' এই দুটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত।
- গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণ হলো:
- ঞ্ + জ = ঞ্জ,
- ঞ্ + চ = ঞ্চ,
- হ্ + ম = হ্ম,
- ঞ্ + ছ = ঞ্ছ,
- ক্ + ষ্ + ম = ক্ষ্ম।উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।
- "পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহ পুরুষ" কোন সমাসের উদাহরণ?
- দ্বন্দ্ব
- কর্মধারয়
- তৎপুরুষ
- বহুব্রীহি
• উপমিত কর্মধারয়:
যাকে তুলনা করা হয়, তা উপমেয়। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের সমাস হয়। এগুলোকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।যেমন:
- নয়ন পদ্মের ন্যায় = নয়নপদ্ম,
- আঁখি পদ্মের ন্যায় = পদ্মআঁখি,
- পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ,
- মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ।উৎস: ভাষা-শিক্ষা ড. হায়াৎ মামুদ।
- 'ব্যর্থ' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- বি + আর্থ
- ব্য + অর্থ
- বি + অর্থ
- ব্য + আর্থ
• 'ব্যর্থ' শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ- বি + অর্থ = ব্যর্থ।
স্বরসন্ধি:
ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ই ও ঈ ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে ই বা ঈ স্থানে য বা য-ফলা হয়। য-ফলা লেখার সময় পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে লেখা হয়।
যেমন:
- বি + অবস্থা = ব্যবস্থা।
এরূপ কিছু শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ হলো-
বি + অক্ত = ব্যক্ত,
বি + অষ্টি = ব্যষ্টি,
বি + অঞ্জন = ব্যঞ্জন,
বি + অস্ত = ব্যস্ত।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। - বাংলা অভিধানের রচয়িতা কে?
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
- কাজী নজরুল ইসলাম
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
• বাংলা অভিধান' বা বাংলার আঞ্চলিক ভাষার অভিধান প্রণয়নে ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্র অবদান অবিস্মরণীয়। তার সম্পাদনায় বাংলা একাডেমি থেকে 'বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' প্রকাশিত হয়।
• 'আঞ্চলিক ভাষার অভিধান':
- 'আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উপভাষার একটি সংকলন গ্রন্থ। ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্র সম্পাদনায় ১৯৬৫ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষাসমূহের সংকলন-জাতীয় গ্রন্থ এটিই প্রথম।- ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষাসমূহের একটি সংকলন প্রকাশ করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয় এবং এ উদ্দেশ্যে বাংলা একাডেমির তত্ত্বাবধানে তিন খণ্ডে সমাপ্ত একটি অভিধান প্রণয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।
- ১৯৫৮ সালের প্রথম দিকে এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, উচ্চ বিদ্যালয়, সাময়িক পত্রিকা ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের নিকট আবেদনপত্র প্রেরণের মাধ্যমে শব্দ সংগ্রহ করা হয়। ঢাকা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, খুলনা, পাবনা, সিলেট, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর, রংপুর, যশোর, বাখেরগঞ্জ, বগুড়া, কুষ্টিয়া, দিনাজপুর, নোয়াখালী, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও করাচি অঞ্চল থেকে ৪৫৩ জন সংগ্রাহকের মাধ্যমে মোট ১,৬৬,২৪৬টি আঞ্চলিক শব্দ সংগৃহীত হয়। সংশোধন ও বিচার-বিবেচনার পর এ থেকে প্রায় পঁচাত্তর হাজারের মতো শব্দ সংকলনের জন্য গৃহীত হয়।
অন্যদিকে,
-----------------
ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক এবং “বাংলাদেশের সাহিত্য সম্রাট” নামে পরিচিত।
গ) কাজী নজরুল ইসলাম তিনি বাংলা সাহিত্যের “জাতীয় কবি” ও বিদ্রোহী কবি। তাঁর প্রধান অবদান কবিতা, গান, ছোটগল্প ও উপন্যাসে।
ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে বড় ব্যক্তিত্ব। তিনি কবিতা, গান, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, প্রবন্ধ, ভ্রমণকাহিনি ইত্যাদি প্রায় সব শাখায় অসামান্য অবদান রেখেছেন। কিন্তু তিনি কোনো অভিধান রচনা করেননি।
উৎস: বাংলাপিডিয়া। - Identify the appropriate word in the following blanks:
i. Nobody _______ Karim knew the way.- but
- without
- only
- that
• Correct answer: Nobody but Karim knew the way.
- Bangle meaning: করিম ছাড়া আর কেউ পথটি চিনত না।
• এখানে 'but' শব্দটি 'except' বা 'ব্যতীত/ ছাড়া' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- সাধারণত 'No one', 'Nobody', 'None', 'Nothing' ইত্যাদি নেতিবাচক শব্দের পর 'except' অর্থে 'but' ব্যবহৃত হয়।
- Grammer অনুসারে, এই ধরনের কাঠামোতে 'but' একটি Preposition হিসেবে কাজ করে, যা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে আলাদা করতে সাহায্য করে।
Source: Cambridge Dictionary, Accessible Dictionary by Bangla Academy. - Select the synonym of 'Obsolete'.
- Modern
- Outdated
- Useful
- Gentle
• Obsolete (Adjective):
- English Meaning: No longer in use or no longer useful.
- Bangla Meaning: অপ্রচলিত; সেকেলে।• উল্লিখিত অপশনগুলো,
ক) Modern - বর্তমান বা সাম্প্রতিক কাল সম্বন্ধী।খ) Outdated - সেকেলে।
গ) Useful - দরকারি; কাজের; উপকারী।
ঘ) Gentle - অমায়িক; নম্র; মৃদু; শান্ত; সতর্ক।
• সুতরাং, অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The synonym of the word "Obsolete" is - Outdated.
Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.
- Choose the indirect speech of: "She said, 'Do you like music'?
- She asked if I liked music.
- She asked did I liked music.
- She asked whether do I like music.
- She asked I liked music.
• Interrogative sentence এর Indirect speech কে Direct speech এ রূপান্তরের নিয়ম:
- reported speech যদি auxiliary verb (অর্থাৎ, do, does, did, shall, will, am, is, are, was, were, can, may ইত্যাদি) দ্বারা শুরু হয় অর্থাৎ, Yes বা No দ্বারা উত্তর দেয়া যায় তবে reported speech এর পূর্বে that না বসিয়ে if/ whether বসাতে হয়।
- Sentence টি Interrogative এর পরিবর্তে Assertive sentence এ রূপান্তরিত হয়।
• Structure: Subject + ask/ inquire of + object (যদি থাকে) + if/ whether + reported speech এর subject + verb + বাকি অংশ।
• Direct speech: "She said, 'Do you like music?"
• Indirect speech: She asked if I liked music.
Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain. - বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি?
- রাঙামাটি
- চট্টগ্রাম
- কক্সবাজার
- সিলেট
রাঙ্গামাটি জেলা:
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা- রাঙ্গামাটি।
- এর আয়তন: ৬১১৬ বর্গ কিলোমিটার।
- রাঙ্গামাটি জেলার ভৌগলিক অবস্থান উত্তর অক্ষাংশের ২১৫০° হতে ২৩-৪৫০।
- এবং পূর্ব দ্রাঘিমাংশের ৯১৪৫° হতে ৯২-৫৩০।
- এ জেলার উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম।
- দক্ষিণে বান্দরবান, পূর্বে মিজোরাম ও পশ্চিমে চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান- ছেড়া দ্বীপ (না থাকলে সেন্টমার্টিন হবে)।
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান- আখাইনঠং (থানচি, বান্দরবন)।
- বাংলাদেশের পশ্চিমের স্থান- মনাকসা (শিবগড়, চাঁপাই নবাবগঞ্জ)।
- বাংলাদেশের বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান- জায়গীর জোত, বাংলা বান্ধা।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিভাগ- চট্টগ্রাম।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা নারায়ণগঞ্জ।উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
- ঢাকা শহর কে প্রতিষ্ঠা করেন?
- ঈশাঁ খা
- আজম শাহ
- ইসলাম খাঁ
- উসমান খাঁ
ঢাকা শহর:
- বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা মোঘল-পূর্ব যুগে কিছু গুরুত্বধারন করলেও শহরটি ইতিহাসে প্রসিদ্ধি লাভ করে মোঘল যুগে।
- আকবর নামা গ্রন্থে ঢাকা একটি থানা (সামরিক ফাঁড়ি) হিসেবে এবং আইন-ই- আকবরী গ্রন্থে সরকার বাজুহার একটি পরগনা হিসেবে ঢাকা বাজু উল্লিখিত হয়েছে।
- ১৬১০ খ্রিষ্টাব্দে ইসলাম খান চিশতি সুবাহ বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামানুসারে এর নামকরণ করে জাহাঙ্গীরনগর।
- প্রশাসনিকভাবে জাহাঙ্গীরনগর নামকরণ হলেও সাধারণ মানুষের মুখে ঢাকা নামটিই থেকে যায়। সকল বিদেশী পর্যটক এবং বিদেশী কোম্পানির কর্মকর্তারাও তাদের বিবরণ এবং চিঠিপত্রে ঢাকা নামটি ব্যবহার করেন।
- ঢাকার সমৃদ্ধি ও স্থাপত্য সমূহ মূলত মোঘল যুগেই শুরু হয়।উৎস: ঢাকা জেলার ওয়েবসাইট ও মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
- জাতিসংঘে বাংলাদেশ কত সালে সদস্য হয়?
- ১৯৭১
- ১৯৭২
- ১৯৭৩
- ১৯৭৪
• জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- সদস্য পদ লাভ করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সাল।
- চীন বাংলাদেশের সদস্য পদ লাভের বিরুদ্ধে ভেটো দেয়।
- ১৯৭৯-৮০ ও ২০০০-০১ সালে মোট ২বার নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদ লাভ করে।
- ১৯৮৬ সালে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন উ থান্ট।
- বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে সর্বপ্রথম ইরাক-ইরান (UNIIMOG) মিশনে অংশগ্রহণ করে।উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
- বাংলাদেশের প্রথম বিমান বন্দরের নাম কি?
- শাহজালাল
- পোস্তাগোলা
- তেজগাঁও
- শাহ আমানত
• তেজগাঁও বিমানবন্দর:
- বাংলাদেশের প্রথম বিমান বন্দর তেজগাঁও বিমানবন্দর।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় (১৯৪১-৪২ সালে) ব্রিটিশ সরকার বার্মা (বর্তমানে মিয়ানমার) ও কোহিমা রণাঙ্গনে যুদ্ধবিমান পরিচালনার জন্য ঢাকার - তেজগাঁও এলাকায় একটি সামরিক বিমান ঘাঁটি নির্মাণ শুরু করে, যা ১৯৪৩ সালে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়।
- ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর এটি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) প্রথম বেসামরিক বিমানবন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর, ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারি এই তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বেসামরিক বিমান চলাচল শুরু হয়।
অন্যদিকে,
- শাহজালাল: এটি বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান এবং বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর যা ১৯৮০ সালে চালু হয়। এর বর্তমান নাম রাখা হয় ২০১০ সালে।
- পোস্তাগোলা: এটি ঢাকার একটি এলাকা কিন্তু এখানে কোনো আন্তর্জাতিক বা প্রথম বিমানবন্দর নির্মিত হয়নি।
- শাহ আমানত: এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানবন্দর।
উৎস: বাংলাপিডিয়া। - বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রের ঘোষণা কখন দেয়া হয়?
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
- ২৬ মার্চ ১৯৭১
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১
- ২৫ মার্চ ১৯৭১
• ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।- মুজিবনগর সরকারের শপথ বাক্য পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এ ঘোষণা প্রবাসী মুজিবনগর সরকার পরিচালনার অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান হিসাবে কার্যকর হয়।স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- প্রথম বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এ ঘোষণা প্রবাসী মুজিবনগর সরকার পরিচালনার অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান হিসেবে কার্যকর হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের নতুন সংবিধান প্রণীত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এ ঘোষণা দেশের সংবিধান হিসেবে কার্যকর ছিল।বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা:
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানী সেনারা ভারী অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যায় লিপ্ত হয়।
- নিরস্ত্র ঘুমন্ত বাঙ্গালির ওপর বিভৎস এ আক্রমণ অখন্ড পাকিস্তানের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেয়।
- আনুমানিক রাত দেড়টার দিকে গ্রেপ্তার হওয়ার পূর্ব মুহূর্তে অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন।• 'স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র মুজিবনগর, বাংলাদেশ, তারিখ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১':
আমরা, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা, সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী বাংলাদেশের জনগণ যেক্ষমতাদিয়েছেন, সে মোতাবেক,তাদেরসর্বোচ্চ চাওয়া দ্রষ্টব্য যে আমাদের সংগঠিত করে একটি শাসনণতন্ত্র গঠন করা। সমাবেশ করে পারষ্পরিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র ঘোষণা ও গঠন করছি এবং আগেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া স্বাধীনতারঘোষণা নিশ্চিত করছি, এবং এতদ্বারা আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে শাসনতন্ত্র প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম উপ-রাষ্ট্রপ্রধান পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন,এবং রাষ্ট্রপ্রধান প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনীসমূহের সর্বাধিনায়ক পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন।উৎস: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র - বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া।
- West Zone Power Distribution Company Limited (WZPDCL) কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান?
- বিতরন কোম্পানী
- জেনারেশন কোম্পানী
- ট্রান্সমিশন কোম্পানী
- সবগুলো
ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (WZPDCL):
- এটি মূলত বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে (খুলনা ও বরিশাল বিভাগ এবং বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল) বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্ব পালন করে।- সিস্টেম লস কমানো এবং আর্থিক অবস্থানকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে বিদ্যুৎ সেক্টরকে আরো জবাবদিহি এবং সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে তোলার জন্য উৎপাদন, সঞ্চালন এবং বিতরণ ব্যবস্থাকে পৃথক সংস্থাতে রুপান্তর করা হয়েছে।
- আর সংস্কার কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ সেক্টর বিভাজনসহ বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিচালন ও বিতরণ ব্যবস্থায় সিস্টম লস হ্রাসকরণ ও আর্থিক অবস্থা শক্তিশালী করণের লক্ষ্যে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী আইন/১৯৯৪ এর অধীনে নভেম্বর/২০০২ সালে বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানী হিসেবে ওজোপাডিকো গঠন করা হয়।
- পহেলা অক্টোবর, ২০০৩ সালে বিউবোর বিতরণ, পশ্চিমাঞ্চল, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ভৌগোলিক এলাকা বাদে, খুলনা, বরিশাল ও বৃহত্তর ফরিদপুর বিভাগের ২১টি জেলা ও ২১টি উপজেলায় কর্মরত মানবসম্পকে ওজাপাডিকোতে লিয়েনে হস্তান্তর করা হয়।
- চুক্তি সম্পাদনের পর পহেলা এপ্রিল, ২০০৫ সালে ওজোপাডিকো স্বাধীনভাবে তৎকালীন বিউবোর বিতরণ পশ্চিমাঞ্চলে তার নিজস্ব কার্যক্রম শুরু করেন।
- ১৬ ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে লিয়েন শেষে বিউবোর বিতরণ, পশ্চিমাঞ্চলে লিয়েনে কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ ওজোপাডিকোর চাকুরীতে যোগদান করেন।অন্যদিকে,
- জেনারেশন কোম্পানী: যারা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে (যেমন: আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি)। WZPDCL নিজে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না।
- ট্রান্সমিশন কোম্পানী: যারা উৎপাদিত বিদ্যুৎ উচ্চ ভোল্টেজে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছে দেয় (যেমন: পিজিসিবি - PGCB)। WZPDCL কেবল গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়।
উৎস: West Zone Power Distribution Company Limited। - tan45° এর মান কত?
- 0
- 1
- √3
- 1/√3
প্রশ্ন: tan45° এর মান কত?
সমাধান:
আমরা জানি, সমকোণী সমদ্বিবাহু ত্রিভুজে দুটি সূক্ষ্ম কোণের প্রতিটি 45° হয় এবং এই ত্রিভুজের দুইটি লম্ব বাহুর দৈর্ঘ্য সমান থাকে।ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী,
tan θ = লম্ব ÷ ভূমি
যেহেতু 45° কোণের ক্ষেত্রে লম্ব এবং ভূমির দৈর্ঘ্য সমান, তাই∴ tan 45° = লম্ব ÷ ভূমি
= লম্ব ÷ লম্ব [লম্ব এবং ভূমির দৈর্ঘ্য সমান]
= 1অতএব, tan45° এর মান = 1
- Sin20° + Cos20° = কত?
- 0
- 1
- sin2θ
- cos2θ
প্রশ্ন: Sin20° + Cos20° = কত?
সমাধান:
ধরি,
একটি সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ r, লম্ব y এবং ভূমি x।
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী আমরা জানি:
x2 + y2 = r2এখন সমীকরণটির উভয় পক্ষকে r² দ্বারা ভাগ করে পাই:
(x2/r2) + (y2/r2) = r2/r2
⇒ (x/r)2 + (y/r)2 = 1আমরা জানি,
y/r = sin θ এবং x/r = cos θসুতরাং,
sin2θ + cos2θ = 1এখন θ = 0° বসালে,
sin20° + cos20°
= (0)2 + (1)2 [কারণ, sin 0° = 0 এবং cos 0° = 1]
= 1
অতএব, sin20° + cos20° = 1 - কমপ্লেক্স সংখ্যা i2 = কত?
- 1
- - 1
- 0
- i3
প্রশ্ন: কমপ্লেক্স সংখ্যা i2 = কত?
সমাধান:আমরা জানি,
কমপ্লেক্স সংখ্যার মৌলিক সংজ্ঞা অনুযায়ী imaginary unit i কে এমনভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয় যে, i = √(-1)এখন উভয় পাশে বর্গ করলে পাই,
i2 = {√(-1)}2সুতরাং,
i2 = - 1অতএব, কমপ্লেক্স সংখ্যা i2 এর মান হলো - 1.
- যদি x = 2 হয়, 3x2- 4x + 1 এর মান কত?
- 5
- 7
- 9
- 11
প্রশ্ন: যদি x = 2 হয়, 3x2- 4x + 1 এর মান কত?
সমাধান:
প্রদত্ত বীজগাণিতিক রাশিটি হলো:
3x2 - 4x + 1
= 3 × 22 - 4 × 2 + 1 [x = 2]
= 12 - 8 + 1
= 4 + 1
= 5
অতএব, x = 2 হলে 3x2 - 4x + 1 এর মান = 5। - একটি বৃত্তের ব্যাস ১২ সেন্টিমিটার হলে এর পরিসীমা কত সেন্টিমিটার হবে?
- ৩৭.৭০
- ৭৫.৪০
- ১১৩.১০
- ৫৯.২১
প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ব্যাস ১২ সেন্টিমিটার হলে এর পরিসীমা কত সেন্টিমিটার হবে?
সমাধান:
আমরা জানি,
বৃত্তের পরিসীমা = π × ব্যাসদেওয়া আছে,
ব্যাস = ১২ সেন্টিমিটার
পরিসীমা = π × ১২ = ১২ππ = ২২/৭ ধরলে,
∴ পরিসীমা = ১২ × (২২/৭)
= ২৬৪/৭
≈ ৩৭.৭১ সেন্টিমিটার - একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের অতিভুজের দৈর্ঘ্য ১২ সেন্টিমিটার হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেন্টিমিটার?
- √৭৬
- √৪৪
- ৩৬
- ৭২
প্রশ্ন: একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের অতিভুজের দৈর্ঘ্য ১২ সেন্টিমিটার হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেন্টিমিটার?
সমাধান:
আমরা জানি,
সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজে দুইটি লম্ব বাহু সমান হয়।ধরি,
প্রতিটি লম্ব বাহুর দৈর্ঘ্য = xপিথাগোরাসের সূত্র অনুযায়ী,
অতিভুজ2 = লম্ব2 + লম্ব2অতএব,
122 = x2 + x2
⇒ 144 = 2x2
⇒ x2 = 72
⇒ x = √72 = 6√2∴ সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = 1/2 × ভূমি × উচ্চতা
= 1/2 × x × x
= 1/2 × 72
= 36অতএব, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল = 36 বর্গ সেন্টিমিটার
- তাপমাত্রা বাড়ালে অর্ধপরিবাহীর রোধ কেমন হবে?
- বাড়বে
- কমবে
- পরিবর্তন হবে না
- শূন্য হবে
- তাপমাত্রা বাড়ালে অর্ধপরিবাহীর পরমাণুর সমযোজী বন্ধনগুলো ভেঙে যায়, ফলে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন এবং হোলের সৃষ্টি হয়। এই চার্জ বাহকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় তড়িৎ পরিবাহিতা বাড়ে এবং এর ফলে রোধ কমে যায়।
অর্ধপরিবাহী:
- যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে।
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ।
- অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অন্তরকের আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি।
- এদের আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm ক্রমের। কিন্তু কেবল আপেক্ষিক রোধ দিয়েই অর্ধপরিবাহী চিহ্নিত করা যায় না। কেননা এমন কিছু সংকর ধাতুও আছে যাদের আপেক্ষিক রোধ জার্মেনিয়াম, সিলিকন প্রভৃতির সমক্রমের কিন্তু এগুলো অর্ধপরিবাহী নয়।- অর্ধপরিবাহীর কিছু বৈশিষ্ট্য নিম্নে বর্ণনা করা হলো-
• পরম শূন্য তাপমাত্রায় (0K) এরা অন্তরকের ন্যায় কাজ করে।
• কক্ষ তাপমাত্রায় সাধারণত আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm এর মধ্যে থাকে।
• অর্ধপরিবাহীর সাথে কোনো অপদ্রব্য যোগ করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়।
• একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পাল্লা পর্যন্ত এর রোধ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে হ্রাস পায়।
• এদের পরিবহন ব্যান্ড ও যোজন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য 1.1 eV বা এর চেয়ে কম।
• কক্ষ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড আংশিক পূর্ণ ও যোজন ব্যান্ড আংশিক খালি থাকে।উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Science Expert, Live Publications.
- তাপকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে কে?
- বাষ্পীয় ইঞ্জিন
- পেট্রোল ইঞ্জিন
- রেফ্রিজারেটর
- তাপ ইঞ্জিন
- তাপ ইঞ্জিন হলো এমন একটি যন্ত্র যা তাপ শক্তিকে সরাসরি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এটি একটি উচ্চ তাপমাত্রার উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে এবং তার একটি অংশকে যান্ত্রিক কাজে পরিণত করে। অন্যদিকে, বাষ্পীয় ইঞ্জিন ও পেট্রোল ইঞ্জিন এই দুটি যদিও তাপকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে, কিন্তু এগুলো মূলত 'তাপ ইঞ্জিন'-এর বিভিন্ন ধরন বা উদাহরণ মাত্র। তাই ব্যাপক বা সাধারণ অর্থে 'তাপ ইঞ্জিন' অপশনটিই বেশি সঠিক। আবার, রেফ্রিজারেটর তাপ ইঞ্জিনের ঠিক বিপরীত কাজ করে, এটি যান্ত্রিক শক্তি ব্যবহার করে কোনো নির্দিষ্ট স্থান থেকে তাপ বের করে দেয়।
অপশন অনুযায়ী একাধিক উত্তর হয়, কিন্তু একক উত্তর হিসেবে 'তাপ ইঞ্জিন' অপশনটিই বেশি গ্রহণযোগ্য।
তাপীয় ইঞ্জিন:
- যে যন্ত্র দ্বারা তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে।
যেমন- বাষ্পীয় ইঞ্জিন, পেট্রোল ইঞ্জিন, ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি।
- তাপ ইঞ্জিনে তাপ উৎস এবং তাপ গ্রাহক থাকে।
- ইঞ্জিন কোনো উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে। তাপের যে অংশ কাজে রূপান্তরিত হয় না তা পরিবেশে বিলিয়ে দেবে এবং পুনরায় তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করবে।
- উৎসের তাপমাত্রা যে পরিবেশ বা সিস্টেমে তাপ গ্রহণ করবে তার তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হবে।
অর্থাৎ, ইঞ্জিন উচ্চতর তাপমাত্রার তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে এবং বাকি অংশ নিম্নতর তাপমাত্রার তাপগ্রাহক বা শীতল বস্তুতে ছেড়ে দিয়ে ইঞ্জিনটি আদি অবস্থায় ফিরে আসে।
- ইঞ্জিনটি এভাবে একটি চক্র সম্পন্ন করে।উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Science Expert, Live Publications.
- ওয়াটক্ষমতা বলতে কি বুঝায়?
- ১ সেকেন্ডে কৃত কাজ ১০ জুল
- ২ সেকেন্ডে কৃত কাজ ৫ জুল
- ৫ সেকেন্ডে কৃত কাজ ২ জুল
- ১০ সেকেন্ডে কৃত কাজ ১ জুল
• ১০ ওয়াট (10W) ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, কোনো যন্ত্র বা উৎস ১ সেকেন্ডে ১০ জুল (J) কাজ সম্পন্ন করে।
ক্ষমতা (Power):
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে।
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়।
- ক্ষমতাকে P দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
ক্ষমতা, P = (সম্পন্ন কাজ/প্রয়োজনীয় সময়)
বা, P = w/t
- ক্ষমতার এস. আই একক ওয়াট।
- হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়।
- এক হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (H.P) = 746 W.উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা এবং Science Expert, Live Publications.
- নিউক্লিয়ার চুল্লিতে কেন ক্যাডমিয়াম দণ্ড ব্যবহার করা হয়?
- নিউট্রন নিঃসরণের জন্য
- নিউট্রন শোষণ করার জন্য
- নিউট্রনের গতি স্থির রাখার জন্য
- নিউট্রন গতি হ্রাসের জন্য
- পারমাণবিক চুল্লিতে ক্যাডমিয়াম (Cd) দণ্ডগুলো অনেকটা গাড়ির ‘ব্রেক’-এর মতো কাজ করে। যখন বিক্রিয়ার গতি কমানোর প্রয়োজন হয়, তখন এই দণ্ডগুলো চুল্লির ভেতরে প্রবেশ করানো হয় যাতে সেগুলো নিউট্রন শুষে নিতে পারে। আর যখন বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়, তখন এগুলোকে কিছুটা বের করে আনা হয়। অর্থাৎ, এই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকলে চেইন বিক্রিয়াটি অনিয়ন্ত্রিত হয়ে বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে।
ক্যাডমিয়াম দণ্ডের ভূমিকা:
- নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টরে নিউট্রন নিয়ন্ত্রণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই নিউট্রনই পরমাণু বিভাজন (nuclear fission) প্রক্রিয়াকে চালিত করে।
- ক্যাডমিয়াম একটি শক্তিশালী নিউট্রন শোষক (neutron absorber)।
- এটি অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ করে এবং নিয়ন্ত্রিত চেইন বিক্রিয়া বজায় রাখতে সাহায্য করে।উৎস: Stanford University Website [লিঙ্ক], ব্রিটানিকা এবং Science Expert, Live Publications.
- বলের একক কোনটি?
- জুল
- নিউটন
- ওয়াট
- প্যাস্কেল
- বলের একক হলো নিউটন।
- যে পরিমাণ বল এক কিলোগ্রাম ভরের কোন বস্তুর উপর প্রযুক্ত হয় এক মিটার/সেকেন্ড২ ত্বরণ সৃষ্টি করে, তাকে এক নিউটন বলে।
অন্যদিকে,
• কাজ/শক্তি/তাপের একক - জুল।
• ক্ষমতার একক - ওয়াট।
• চাপের একক - প্যাস্কেল।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ব্রিটানিকা এবং Science Expert, Live Publications. - বৈদ্যুতিক বিভবের একক কোনটি?
- কুলম্ব
- ভোল্ট
- ওয়াট
- ওহম
ভোল্টমিটার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর যেকোনো দুই বিন্দুর মধ্যকার বিভব পার্থক্য সরাসরি ভোল্ট এককে পরিমাপ করা যায়, তাকে ভোল্টমিটার বলে।
- বর্তনীর যে দুই বিন্দুর বিভব পার্থক্য পরিমাপ করতে হবে, ভোল্টমিটারকে সেই দুই বিন্দুর সাথে সমান্তরালে সংযুক্ত করতে হয়।
- ভোল্টমিটারে মূলত একটি গ্যালভানোমিটার থাকে যার সাহায্যে বিভব পার্থক্য পরিমাপ করা যায়।
- ভোল্ট (Volt) হলো বৈদ্যুতিক বিভব (Electric Potential) বা বিভব পার্থক্যের আন্তর্জাতিক (SI) একক।
- অসীম দূরত্ব থেকে একটি একক ধনাত্মক আধানকে তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে আনতে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয়, তাকে ওই বিন্দুর বিভব বলে।
অন্যদিকে,
• কুলম্ব (Coulomb): এটি বৈদ্যুতিক আধান বা চার্জের (Electric Charge) একক।
• ওয়াট (Watt): এটি বৈদ্যুতিক ক্ষমতা বা পাওয়ারের (Electric Power) একক।
• ওহম (Ohm): এটি বৈদ্যুতিক রোধ বা রেজিস্ট্যান্সের (Resistance) একক।
উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং Science Expert, Live Publications. - এসিডের pH এর মান কত?
- ৭ এর উপরে
- ৭ এর নীচে
- ৭
- ১২
- pH স্কেলে কোনো দ্রবণের মান যদি ৭-এর কম হয়, তবে তাকে অম্লীয় বা এসিডিক দ্রবণ বলা হয়। এই মান ০ থেকে শুরু করে ৭-এর ঠিক নিচ পর্যন্ত হতে পারে। মান যত কম হয়, এসিডের তীব্রতা তত বেশি হয়।
pH স্কেল:
- কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়। কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন।
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়।
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে।
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে।
অর্থাৎ, pH = - log[H+]
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়।
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়।
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয়।
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ।উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Science Expert, Live Publications.
- NaCl এর বন্ধন কোনটি?
- সমযোজী
- আয়নিক
- ধাতব
- হাইড্রোজেন
আয়নিক বন্ধন:
- ইলেকট্রন আদান-প্রদানের মাধ্যমে গঠিত ক্যাটায়ন এবং অ্যানায়নসমূহ যে আকর্ষণ বল দ্বারা যৌগের বল দ্বারা যৌগের অণুতে আবদ্ধ থাকে তাকে আয়নিক বন্ধন বলে।
- NaCl (সোডিয়াম ক্লোরাইড)-এ একটি আয়নিক বন্ধন থাকে, কারণ- Na (সোডিয়াম) একটি ধাতু, যা ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়ন (Na+) তৈরি করে এবং Cl (ক্লোরিন) একটি অধাতু, যা সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়ন (Cl-) তৈরি করে।
- ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়নের মধ্যে বৈদ্যুতিক আকর্ষণ বা আয়নিক বল দ্বারা গঠিত হয় আয়নিক বন্ধন।
• Na → Na+ + e-
• Cl + e- → Cl-
• Na + Cl → Na+ + Cl- = NaClঅন্যদিকে,
• সমযোজী বন্ধন: এটি গঠিত হয় যখন দুইটি অধাতু ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে বন্ধন তৈরি করে।
• ধাতব বন্ধন: এটি সাধারণত কেবল দুইটি ধাতব পরমাণুর মধ্যে হয়ে থাকে।
• হাইড্রোজেন বন্ধন: হাইড্রোজেন ও উচ্চ তড়িৎঋণাত্মক পরমাণুর মধ্যে হয়।উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং Science Expert, Live Publications.
- কোনটি ক্ষারীয় ধাতু?
- Na
- Fe
- Cu
- Ag
- Na (Sodium) হলো ক্ষারীয় ধাতু। পর্যায় সারণির গ্রুপ-১ এর মৌলগুলোকে ক্ষার ধাতু বলা হয়, কারণ এরা পানির সাথে বিক্রিয়া করে তীব্র ক্ষার তৈরি করে। অন্যদিকে, Fe (আয়রন), Cu (কপার), এবং Ag (সিলভার/রূপা) হলো অবস্থান্তর ধাতু।
ক্ষার ধাতু:
- পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেন ব্যতীত গ্রুপ-1 এ অবস্থিত মৌলসমূহকে ক্ষার ধাতু (alkali metal) বলা হয়।
যেমন- Li, Na, K, Rb এর প্রত্যেকেই ক্ষার ধাতু।
- এদের বিশেষ ধর্ম হলো এরা প্রত্যেকেই পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস ও ক্ষার উৎপন্ন করে থাকে।
- এরা প্রত্যেকেই একটি মাত্র ইলেকট্রনকে দান করে ধনাত্মক একযোজী আয়নে পরিণত হয় এবং আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যৌগ গঠন করে।মৃৎক্ষার ধাতু:
- পর্যায় সারণিতে গ্রুপ-2 এ অবস্থিত মৌলগুলোকে মৃৎক্ষার ধাতু (alkaline earth metal) বলা হয়।
যেমন- Be, Mg, Ca, Sr প্রত্যেকেই মৃৎক্ষার ধাতু।
- এরাও ক্ষার ধাতুর মতো তড়িৎ ধনাত্মক মৌল।
- দুটি করে ইলেকট্রনকে দান করে দ্বিধনাত্মক আয়নে পরিনত হয়।
- অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সাইড যৌগ গঠন করে।
- এদের অক্সাইড সমূহ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্ষারীয় দ্রবন উৎপন্ন করে।
- মৃৎক্ষার ধাতুর মৌলগুলো বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে বলে এদের এরূপ নামকরণ করা হয়েছে।মুদ্রা ধাতু:
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-11 এর মাত্র তিনটি মৌলকে মুদ্রা ধাতু বলে।
যেমন- কপার বা তামা (Cu), রূপা (Ag) ও সোনা (Au)।
- এ মৌল তিনটির ধাতব উজ্জ্বলতা অসাধারণ।
- বর্তমান বাজারে সংকর ধাতুর তৈরী ধাতব মুদ্রা প্রচলিত আছে।উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Science Expert, Live Publications.
- এন্টাসিড জাতীয় ওষুধ সেবনে কোন ধরনের বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়?
- প্রশমন
- দহন
- সংযোজন
- প্রতিস্থাপন
- এন্টাসিড জাতীয় ওষুধগুলো মূলত মৃদু ক্ষারীয় পদার্থ (যেমন- ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রক্সাইড বা অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড)। আমাদের পাকস্থলীতে খাদ্য হজমের জন্য প্রাকৃতিকভাবে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl) নিঃসৃত হয়। যখন পাকস্থলীতে অতিরিক্ত অ্যাসিড তৈরি হয় (অ্যাসিডিটি), তখন এন্টাসিড সেবন করলে এর ক্ষারীয় উপাদান পাকস্থলীর অ্যাসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে এবং অ্যাসিডকে নিরপেক্ষ করে দেয়। রসায়নের ভাষায় অ্যাসিড ও ক্ষারের এই বিক্রিয়াকে প্রশমন বিক্রিয়া (Neutralization) বলা হয়।
সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট:
- এন্টাসিড জাতীয় ঔষধের রাসায়নিক সংকেত NaHCO3 বা সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট।
- আমাদের পাকস্থলির দেয়াল হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCI) উৎপন্ন করে। এ হাইড্রোক্লোরিক এসিড খাবারের সাথে বিভিন্ন ক্ষতিকারক অণুজীবকে মেরে ফেলে এবং খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে।
- পাকস্থলি থেকে অতিরিক্ত এসিড উৎপন্ন হলে বুক জ্বালা ও গলায় জ্বালাপোড়া অনুভব হয়।
- অতিরিক্ত এসিডকে প্রশমিত করতে সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট (NaHCO3) অথবা এন্টাসিড জাতীয় ওষুধ সেবন করা হয়ে থাকে।উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Science Expert, Live Publications.
- তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি ধাতুর উপর অন্য ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে কী বলে?
- গ্যালভানাইজিং
- ভলকানাইজিং
- ধাতু বিশোধন
- ইলেকট্রোপ্লেটিং
- তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় একটি কম সক্রিয় ধাতুর ওপর বেশি সক্রিয় বা অন্য কোনো ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার পদ্ধতিকে ইলেকট্রোপ্লেটিং (Electroplating) বা তড়িৎ প্রলেপন বলে। এটি সাধারণত ধাতুর ক্ষয় রোধ করতে বা সৌন্দর্য বাড়াতে ব্যবহার করা হয়।
ইলেকট্রোপ্লেটিং:
- সাধারণত তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইলেকট্রোপ্লেটিং।
- এক্ষেত্রে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়।
- যে ধাতুর উপর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়।
- এরপর তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতির মাধ্যমে ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়।গ্যালভানাইজিং:
- যেকোনো ধাতুর উপর জিংকের প্রলেপ দেওয়াকে গ্যালভানাইজিং বলে।
- এক্ষেত্রে তড়িৎ বিশ্লেষণের প্রয়োজন নেই।
- কোনো ধাতুর উপর যেকোনোভাবে জিংকের প্রলেপ দিয়ে গ্যালভানাইজিং করা হয়।ভলকানাইজিং:
- রাবারের তৈরি জিনিসপত্র শক্তিশালী ও টেকসই করার লক্ষ্যে রাবারের সাথে সালফার মেশানোকে ভলকানাইজিং বলে।
ধাতু বিশোধন:
- অবিশুদ্ধ ধাতু থেকে বিশুদ্ধ ধাতু নিষ্কাশন করা।উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং Science Expert, Live Publications.
- গ্যালভানিক কোষে কোনটি ঘটে?
- রাসায়নিক-তড়িৎ শক্তি
- তড়িৎ-রাসায়নিক শক্তি
- তাপ-রাসায়নিক শক্তি
- তড়িৎ-তাপশক্তি প্রতিস্থাপন
- গ্যালভানিক কোষ বা ভোল্টায়িক কোষে স্বতঃস্ফূর্ত রাসায়নিক বিক্রিয়ার (জারণ-বিজারণ) মাধ্যমে সঞ্চিত রাসায়নিক শক্তি সরাসরি বিদ্যুৎ বা তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। এটি একটি ব্যাটারির মতো কাজ করে যা বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।
তড়িৎ রাসায়নিক কোষ:
- যে কোষে রাসায়নিক জারণ বিজারণ বিক্রিয়ার ফলে রাসায়নিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে পরিণত হয়, তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে।
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে গ্যালভানিক কোষ বা ভোল্টায়িক কোষও বলা হয়।
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি কোষ:
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে তড়িৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বলে।
যেমন- ড্যানিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ইত্যাদি হলো প্রাথমিক কোষ।২। সেকেন্ডারি কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ:
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুত প্রবাহিত করে বিদ্যুত শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি রূপে সঞ্চিত করা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারি কোষ বলে।
যেমন- লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ, লেড সঞ্চয়ী কোষ ইত্যাদি হলো সেকেন্ডারি কোষ।উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং Science Expert, Live Publications.
- কোন গ্যাসটি এসিড বৃষ্টির কারণ?
- O2
- SO2
- CO2
- Cl2
এসিড বৃষ্টি:
- বায়ুমণ্ডলে অধঃক্ষেপণ বৃষ্টিতে pH এর মান 5.6 এর কম হলেই ঐ অধঃক্ষেপণকে এসিড বৃষ্টি বলে।
- এসিড বৃষ্টির কারণ হচ্ছে মনুষ্যসৃষ্ট বায়ু দূষণ ক্রিয়া। সাধারণত কলকারখানা অঞ্চলের এসিড বৃষ্টির পানির pH এর মান 5.6 থেকে 3.5 এর মধ্যে থাকে।
- এই এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী গ্যাস বা এসিড বৃষ্টির কারণ মূলত সালফার ডাই অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন অক্সাইডসমূহ (যেমন: NO, NO2)।
এসিড বৃষ্টির ক্ষতিকর প্রভাব ও প্রতিকার:
- শিল্পকারখানা ও যানবাহন থেকে নির্গত সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2) এবং নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx) বৃষ্টির পানির সঙ্গে মিশে এসিড বৃষ্টি সৃষ্টি করে।
- এসিড বৃষ্টি মার্বেল পাথর, ধাতব স্থাপনা, জলজ প্রাণী, উদ্ভিদ ও বনভূমির ক্ষতি করে এবং মাটির উর্বরতা নষ্ট করে। বিশেষ করে জলজ বাস্তুতন্ত্র ও বীজের অঙ্কুরোদ্গম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
- এসিড বৃষ্টির ক্ষতি কমাতে জলাশয় ও কৃষিজমিতে চুন বা চুনাপাথর প্রয়োগ এবং শিল্পকারখানা ও যানবাহনে দূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি, যেমন- FGD প্ল্যান্ট ও ক্যাটালাইটিক কনভার্টার ব্যবহার করা প্রয়োজন।
অন্যদিকে,
- অক্সিজেন (O2) একটি জীবনদায়ী গ্যাস যা শ্বাসকার্যে ব্যবহার করা হয়, এটি বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক উপাদান।
- কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) দূর্বল কার্বনিক এসিড (H2CO3) তৈরি করে যা এসিড বৃষ্টি তৈরি করতে পারে না।
- ক্লোরিন (Cl2) একটি বিষাক্ত গ্যাস হলেও এটি অ্যাসিড বৃষ্টির প্রধান কারণ নয়।
উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ) এবং Science Expert, Live Publications.