১৪ তম বিজেএস (সহকারী জজ) প্রাথমিক পরীক্ষা
চাকুরী প্রস্তুতি - অন্যান্য (সরকারী) - বিজেএস · পরীক্ষার সাল ২০২১
-
‘বাঘে-মহিষে একঘাটে জল খায়’ -এ বাক্যে ‘বাঘে-মহিষে’ কোন ধরনের কর্তা?
- মুখ্য কর্তা
- প্রযোজক কর্তা
- প্রযোজ্য কর্তা
- ব্যাতিহার কর্তা
এই প্রশ্নে কর্তা হল বাঘ এবং মহিষে। কিন্তু এখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে বাঘ এবং মহিষে একসাথে জল খায়। এর মানে হলো একই কাজটি দুটি প্রাণী একসাথে করছে। তাই এখানে কর্তা হল ব্যাতিহার কর্তা। এটি ব্যাতিহার কর্তা হল কারণ এখানে দুটি প্রাণী কর্তার ভূমিকা পালটে দেওয়া হয়েছে। -
‘ছিঃ ছিঃ, তার সঙ্গে আর পারলে না ।' _ এ বাক্যে কোন অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে ?
- লজ্জা
- ধিক্কার
- ঘৃণা
- বিরক্তি
কোন ব্যক্তি কাজ সম্পন্ন করতে না পেরে নিজেকে লজ্জিত মনে করছে। অথচ ব্যক্তির কাছে বা সঙ্গীর কাছে কোন সাহায্যই নেই। তাই এই বাক্যে লজ্জার অনুভূতি প্রকাশ করা হয়েছে।
-
তিনি সৎ তাই সকলেই তাকে শ্রদ্ধা করে । এ বাক্যে ‘তাই’ কোন প্রকার অব্যয়?
- অনন্বয়ী
- ধ্বন্যাত্নক
- সংকোচক
- সংযোজক
যে অব্যয় পদ বাক্যের সঙ্গে বাক্যের বা পদের সঙ্গে পদের সংযোগ সাধন করে, তাকেই সংযোজক অব্যয় বলে।
-
‘বাংলাদেশ’ শব্দে কয়টি অক্ষর ?
- তিন
- চার
- পাঁচ
- ছয়
এই প্রশ্নে আপনাকে ‘বাংলাদেশ’ শব্দের অক্ষর সংখ্যা বের করতে হবে। যেমন শব্দটি তিনটি বর্ণ দিয়ে লিখা হলো - ব, া, ং, ল, া, দ, শ। তাই ‘তিন’ হল এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। Translation: In this question, you are asked to determine the number of letters in the word 'বাংলাদেশ'. The word is composed of three letters - ব, া, ং, ল, া, দ, শ. Therefore, 'তিন' (three) is the correct answer to this question.
এ ছাড়াও বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে শব্দের শ্রেণিবিভাগ হতে পারে।
১. গঠনমূলক শ্রেণিবিভাগ : (ক) মৌলিক ও (খ) সাধিত
২. অর্থমূলক শ্রেণিবিভাগ : (ক) যৌগিক, (খ) রূঢ়ি এবং (গ) যোগরূঢ়
৩. উৎসমূলক শ্রেণিবিভাগ : (ক) তৎসম, (খ) অর্ধ-তৎসম (গ) তদ্ভব (ঘ) দেশি ও (ঙ) বিদেশি ।
-
কোন গ্রন্থটি কাজি নজরুল ইসলাম কাব্যানুবাদ করেছেন?
- শিউলি মালা
- চক্রবাক
- বিষের বাঁশি
- রুবাইয়াৎ-ই- ওমর খৈয়াম
রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম ইরানের জীবনবাদী কবি ওমর খৈয়ামের রুবাই বা কবিতা অবলম্বনে এই অনুবাদগ্রন্থ রচনা করেন কাজী নজরুল ইসলাম।
-
‘দু-একটা উইকেট পড়লে কী হবে, কেউ না কেউ নিশ্চয় দাঁড়িয়ে যাবে ।’ _ এ বাক্যে ‘কেউ না কেউ’ কোন ধরনের সর্বনাম?
- সামীপ্যবাচক
- ব্যতিহারিক
- অন্যাদিবাচক¡
- অনির্দেশক
এখানে দুইটি শব্দ আছে 'কেউ-না-কেউ', যা হল দুইটি সর্বনামের সংমিশ্রণ এবং এদের কোনটি নিশ্চিত করা যায় না। তাই সঠিক উত্তরটি 'অনির্দেশক', কারণ এটি কোনও নির্দিষ্ট ধরনের সর্বনাম না।
-
‘Invigilator’ শব্দের বাংলা পরিভাষা _
- পরীক্ষক
- পরিরক্ষক
- পরামর্শক
- তত্ত্বাবধায়ক
'invigilator' এর অর্থ হল 'পরীক্ষার সময়কালে পরীক্ষার নিরীক্ষণ ও নির্দেশনা দেওয়ার জন্য নিয়োজিত ব্যক্তি', যার বাংলা প্রতিফলন 'তত্ত্বাবধায়ক'। তাই উত্তরটি 'তত্ত্বাবধায়ক'।
-
বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য কোনটি ?
- বীরাঙ্গনা
- পদ্মিনী
- সারদামঙ্গল
- চিত্তনামা
বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম পত্রকাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্তের বীরাঙ্গনা।
-
‘চলে মুসাফির’ কবি জসীমউদ্দীনের কোন শ্রেণির সাহিত্য রচনা ?
- কাব্য
- নাটক
- গীতিনাট্য
- ভ্রমণকাহিণি
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের রচিত " চলে মুসাফির" একটি ভ্রমণকাহিনী। " চলে মুসাফির" শিশুর সারল্য নিয়ে লেখা একটি ভ্রমণকাহিনী।
-
Which is the best example of 'palindrome' in the following?
- Nurses run
- You go
- Players play
- 12225
A palindrome is a word, phrase, number, or sequence of characters which reads the same backward as forward. We have four options to choose from - 'Nurses run', 'You go', 'Players play', '12225'. Out of these, the only word which can be read the same way from left to right and right to left is "Nurses run." Therefore, the correct answer is 'Nurses run.'
-
Choose the world which means ‘the killing of one's wife’
- uxoricide
- parricide
- herbicide
- homicide
Uxoricide (from Latin uxor meaning "wife" and -cide, from cadre meaning "to cut, to kill") is the killing of one's own wife.
-
What does the Latin expression ‘et alia’ mean?
- you are
- and others
- warrant
- yours faithfully
Certainly! The Latin expression 'et alia' means 'and others' in English. This phrase is often used in academic writing and research papers to refer to additional authors or sources that are being cited or referenced. When you see 'et al.' or 'et alia' in a list of authors or sources, it means that there are other people or works that are included in addition to the ones that have been specifically named. So, the correct answer for this question is 'and others'.
-
The word ‘nuptial’ is related to_
- Mars
- Earth
- wedding
- Lunatic
The word 'nuptial' refers to the act of getting married or anything related to a wedding ceremony. Therefore, the correct answer to this question is 'wedding'. The other options like 'Mars', 'Earth', or 'Lunatic' are not related to the act of getting married or a wedding ceremony, so they are incorrect.
-
‘To have a screw loose’ means_
- be slightly eccentric
- be lightly tied
- be slightly lose
- be a bit wrong
The phrase "to have a screw loose" is an idiomatic expression used to describe someone who behaves in a strange or eccentric manner or someone who is mentally unstable or irrational. It implies that the person's mind is not functioning properly, likening it to a loose screw in a machine. The phrase suggests that there is something mentally or psychologically "off" about the individual, leading to their unusual behavior or thinking patterns. It's often used in a lighthearted or colloquial manner to describe someone's eccentricities or quirks, but it can also be used more seriously to refer to someone who may have a mental health issue.
-
The movement of the Rohingya people in Bangladesh away from Myanmar is_
- diatonic
- ethnic cleansing
- diaspora
- diatribe
The question is asking about the reason why the Rohingya people have been leaving Myanmar and settling in Bangladesh. The correct answer is 'ethnic cleansing', which means a violent and forced removal of a particular ethnic group from a certain area by another group. Sadly, the Rohingya people have been facing discrimination and persecution in Myanmar, and many have been driven out of their homes and forced to flee the country in search of safety. This is referred to as ethnic cleansing.
-
Who quoted ‘’It is better that ten guilty persons escape than one innocent suffer''?
- William Blackstone
- Cesare Beccaria
- John Selden
- T.H. White
The question is asking who said the famous quote "It is better that ten guilty persons escape than one innocent suffer?" and the answer is William Blackstone. This quote means that it's more important to let ten guilty people go free than to punish one innocent person. William Blackstone was an English legal scholar who lived from 1723 to 1780 and is known for his influential work on English law.
-
Who is the writer of the play 'Waiting for Godot?
- F. Bacon
- T. Hardy
- A. Pope
- S. Beckett
One of the most significant works of literature of the 20th century, Samuel Beckett's Waiting for Godot is a play open to all manner of readings.
-
‘To err is human to forgive, divine who says_
- Alexander Pope
- Shakespeare
- Wordsworth
- Shelley
This question is asking about who said the famous quote "To err is human, to forgive divine". The correct answer to this question is Alexander Pope. Alexander Pope was a famous writer and poet who lived in the 17th and 18th centuries. This particular quote is one of his most well-known sayings, and it suggests that it is human nature to make mistakes, and forgiveness is an act of great kindness.
-
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা দল ‘ক্র্যাক প্লাটুন’ কোন সেক্টরের অধীন ছিল
- ২
- ৪
- ৫
- ৬
স্বাধীনতা যুদ্ধে ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকাতে আক্রমণ পরিচালনাকারী মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা দল।
-
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কোন তফসিলে বর্ণিত আছে?
- সপ্তম
- ষষ্ঠ
- পঞ্চম
- চতুর্থ
ষষ্ঠ তফসিল - ১৯৭১সালের ২৫মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা।
-
প্রথম আরব দেশ হিসেবে মঙ্গলাভিযান শুরু করে কোন দেশ ?
- বাহরাইন
- কাতার
- সৌদি আরব
- সংযুক্ত আরব আমিরাত
জ্বালানি তেলের ব্যবসা আর যথেষ্ট নয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য। তাদের দৃষ্টি এখন মহাকাশে। পাঁচ বছরের মতো সময় নিয়ে একটি মহাকাশযান তৈরি করেছে দেশটি।
যাতে জ্বালানি তেল ভর্তি করা শুরু হবে আগামী সপ্তাহে। মানবহীন এই মহাকাশযানটির নাম দেয়া হয়েছে 'আমাল'। আরবিতে যার অর্থ 'আশা'।
-
আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষ্যে ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ প্রকাশিত তথ্য মতে বাংলাদেশের নিরক্ষরতার শতকরা হার কত?
- ২৫.৪
- ২৪.৪
- ২৩.৪
- ২১.৪
৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস ২০২১ প্রকাশিত তথ্য মতে বাংলাদেশের নিরক্ষরতার শতকরা হার ২৪.৪
-
২০২১ সালে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ে বিশেষ অবদানের জন্য স্বাধীনতা পুরষ্কার পায় _
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
- বাংলাদেশ বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
কৃষি গবেষণা ও প্রশিক্ষণে গৌরবময় ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি)-কে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২১ এ ভূষিত করা হয়েছে। অদ্য ২০ মে ২০২১ তারিখে গণভবনে আয়োজিত স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গৌরবময় ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিএআরসি এবং নয় জন বিশিষ্ট ব্যাক্তিকে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২১ এ ভূষিত করেন। বিএআরসি’র পক্ষ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার । অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন কর্তৃক সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
-
২০২০ সালের মার্চ মাসের কত তারিখে COVID-19 কে WHO বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করে?
- ৯
- ১০
- ১১
- ১২
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা রোগটিকে ২০২০ সালের ১১ই মার্চ তারিখে একটি বৈশ্বিক মহামারী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
-
‘World day against Trafficking 2021’ _এর প্রতিপাদ্য কী ছিল?
- Save Lives
- Victims voice lead way
- The future we need the UN we need
- Human Trafficking : Call your government to Active
‘World day against Trafficking 2021’ _এর প্রতিপাদ্য Victims voice lead way.
-
থম আরব দেশ হিসেবে মঙ্গলাভিযান শুরু করে কোন দেশ ?
- বাহরাইন
- কাতার
- সৌদি আরব
- সংযুক্ত আরব আমিরাত
জ্বালানি তেলের ব্যবসা আর যথেষ্ট নয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য। তাদের দৃষ্টি এখন মহাকাশে। পাঁচ বছরের মতো সময় নিয়ে একটি মহাকাশযান তৈরি করেছে দেশটি।
-
ক্রিপ্টোকারেন্সীর স্বীকৃতি প্রদানকারী পৃথিবীর প্রথম দেশ কোনটি?
- এল সালভেদর
- গুয়েতেমালা
- নিকারাগুয়া
- হন্ডূরাস
এল সালভেদর হচ্ছে বিশ্বের প্রথম কোন দেশ যারা বিটকয়েনকে সরকারিভাবে একটি বৈধ মুদ্রা বা কারেন্সি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
-
ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী কোথায় অবস্থিত?
- তুরস্ক
- গ্রিস
- ইতালি
- সাইপ্রাস
ট্রয় নগরী একটি প্রাচীন নগরী ছিল যা টুরস্কে অবস্থিত ছিল, এর অবস্থান আনাতোলিয়া অঞ্চলের হিসারলিক নামক স্থানে। ট্রয়ের তুর্কী নাম ত্রুভা। অর্থাৎ, আধুনিক হিসারলিক-ই সেই প্রাচীন ট্রয় নগরী। এর ভৌগোলিক অবস্থান তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কানাক্কাল প্রদেশের সমুদ্র সৈকতের নিকটে। এটি একটি গুরুত্বপুর্ন ঐতিহ্যবাহী স্থান ছিল যা বিখ্যাত রয়েছিল তার মধ্যে একটি তুরস্ক রাজধানী ছিল। অতএব, সঠিক উত্তর ['তুরস্ক']।
-
কোনটিকে মস্তিষ্কের বোঁটা বলা হয়?
- পনস
- মেডুলা
- সেরিব্রাম
- সেরিবেলাম
কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র:
- কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের অংশ হলো মস্তিষ্ক ও মেরুরজ্জু।
- মস্তিষ্ক হলো সমগ্র স্নায়ুতন্ত্রের চালক।
- মানুষের মস্তিষ্ক করোটির মধ্যে সুরক্ষিত।
- মস্তিষ্ক মেনিনজেস নামক পর্দা দ্বারা আবৃত।
- মানুষের মস্তিষ্কের প্রধান অংশ তিনটি।
যথা- (ক) গুরুমস্তিষ্ক (খ) মধ্যমস্তিষ্ক (গ) পশ্চাৎ বা লঘুমস্তিষ্ক।
গুরুমস্তিষ্ক:
- মস্তিষ্কের প্রধান অংশ হলো গুরুমস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম।
- এটা ডান ও বাম খণ্ডে বিভক্ত, এদের ডান ও বাম সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার বলে।
- মানব মস্তিষ্কে সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার অধিকতর উন্নত ও সুগঠিত, এই দুইখণ্ড ঘনিষ্ঠভাবে স্নায়ুতন্তু দ্বারা সংযুক্ত।
- এর উপরিভাগ ঢেউ তোলা ও ধূসর বর্ণের, দেখতে ধূসর বর্ণের হওয়ায় একে ধূসর পদার্থ বা গ্রে ম্যাটার বলে।
- গুরুমস্তিষ্কের অন্তঃস্তরে কেবলমাত্র স্নায়ুতন্ত্র থাকে, স্নায়ুতন্তুর রং সাদা।
- তাই মস্তিষ্কের ভিতরের স্তরের নাম শ্বেত পদার্থ বা হোয়াইট ম্যাটার।
- শ্বেত পদার্থের ভিতর দিয়ে স্নায়ুতন্তু এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যায়।
- ধূসর পদার্থের কয়েকটি স্তরে বিশেষ আকারে স্নায়ুকোষ দেখা যায়, এই স্নায়ুকোষগুলো গুরুমস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশে গুচ্ছ বেঁধে স্নায়ুকেন্দ্র সৃষ্টি করে।
- এগুলো বিশেষ বিশেষ কর্মকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- দর্শন, শ্রবণ, ঘ্রাণ, চিন্তা-চেতনা, স্মৃতি, জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেক ও পেশি চালনার ক্রিয়াকেন্দ্র গুরুমস্তিষ্কে অবস্থিত।
- সেরিব্রামের নিচের অংশ হলো- থ্যালামাস ও হাইপোথ্যালামাস।
- এগুলো ধূসর পদার্থের পুঞ্জ।
- ক্রোধ, লজ্জা, গরম, শীত, নিদ্রা, তাপ সংরক্ষণ ও চলন এই অংশের কাজ।
মধ্যমস্তিস্ক:
- গুরুমস্তিষ্ক ও পনস-এর মাঝখানে মধ্যমস্তিষ্ক অবস্থিত।
- মধ্যমস্তিষ্ক দৃষ্টিশক্তি, শ্রবণশক্তির সাথেও সম্পর্কযুক্ত।
পশ্চাৎ বা লঘুমস্তিষ্ক:
- লঘুমস্তিষ্ক গুরুমস্তিষ্কের নিচে ও পশ্চাতে অবস্থিত।
- এটা গুরুমস্তিষ্কের চেয়ে আকারে ছোট।
- দেহের ভারসাম্য রক্ষা করা পশ্চাৎ বা লঘুমস্তিষ্কের প্রধান কাজ।
- এছাড়া লঘুমস্তিষ্ক কথা বলা ও চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করে।
- এর তিনটি অংশ- গনস সেরিবেলাম: পনসের বিপরীতদিকে অবস্থিত খন্ডাংশটি হলো সেরিবেলাম।
- এটা অনেকটা ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে।
- সেরিবেলাম ডান ও বাম দু'অংশে বিভক্ত।
পনস:
- পনস লঘুমস্তিষ্কের সামনে ও নিচে অবস্থিত।
- পনসকে মস্তিষ্কের যোজক বলা হয়।
- এটা গুরুমস্তিষ্ক, লঘুমস্তিষ্ক ও মধ্যমস্তিষ্ককে সুষুম্নাশীর্ষকের সাথে সংযোজিত করে।
মেডুলা:
- এটা মস্তিষ্কের নিচের অংশ।
- সুষুম্নাশীর্ষক পনসের নিম্নভাগ থেকে মেরুরজ্জুর উপরিভাগ পর্যন্ত বিস্তৃত।
অর্থাৎ, এটা মস্তিষ্ককে মেরুরজ্জুর সাথে সংযোজিত করে, এজন্য একে মস্তিষ্কের বোঁটা বলা হয়।
- মস্তিষ্কের এ অংশ হৃৎস্পন্দন, খাদ্যগ্রহণ ও শ্বসন ইত্যাদি কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। -
ইস্যু গঠনের কত দিনের মধ্যে দেওয়ানি মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানীর তারিখ ধার্য করতে হয়?
- ২ মাস
- ৪মাস
- ১২০ দিন
- ৬০ দিন
ইস্যু গঠনের পর উভয় পক্ষের কোন তদ্বীর আছে কিনা তার জন্য এই পর্যায়টি রাখা হয়। চূড়ান্ত শুনানীর (পি. এইচ) তারিখ হতে ১২০ দিনের মধ্যে মামলার শুনানী শেষ করতে হয় (দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ১৮, বিধি-১৯)
-
The Code of Civil Procedure, 1908- এর কোন ধারায় Second Revision- এর বিধান উল্লেখ করা হয়েছে ?
- ১১৫(১)
- ১১৫(২)
- ১১৫(৪)
- ১১৫(৫)
The Code of Civil Procedure, 1908- এর ১১৫(৪) ধারায় Second Revision- এর বিধান উল্লেখ করা হয়েছে
-
জারি মামলা দায়ের করার জন্য The Code Of Civil Procedure,1908 এর ৪৮ ধারানুযায়ী সর্বোচ্চ কত বছর সময় পাওয়া যেতে পারে?
- ৩
- ৫
- ৬
- ১২
১। নিষেধাজ্ঞার ডিক্রী ছাড়া অন্যান্য ডিক্রী জারির আবেদন করতে হয়-সর্বোচ্চ ১২ বছর
২। সাব্যস্থ দেনাদার বা দায়িক (Judgment Debtor) যদি প্রতারণা বা প্রবঞ্চনা বা শক্তি প্রয়ােগ করে ডিক্রীজারিতে বাধা দেয় তাহলে ১২ বছরের পরও ডিক্রীজারির আবেদন করা যাবে।ারে?
-
The Specific Relief Act, 1877 অনুযায়ী একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হলে দলিলের একটি অংশ বাতিলযোগ্য হলে_
- পুরো দলিল বাতিল হবে
- দলিলটি বাতিলযোগ্য হবে
- দলিলটি কেবল বাতিলযোগ্য অংশ নাকচ হবে
- দলিলটির দ্বারা দায় সৃষ্টি হলেও অধিকার সৃষ্টি হবে না
The Specific Relief Act, 1877 অনুযায়ী একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হলে দলিলের একটি অংশ বাতিলযোগ্য হলেদলিলটি কেবল বাতিলযোগ্য অংশ নাকচ হবে.
-
‘ক’ একটি সম্পত্তির দখলদার । ‘খ’ ঐ সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে তার বরাবর সস্তান্তর করতে বললে ‘ক’ ঐ জমির দখলে থাকার জন্য The Specific Relief Act, 1877 এর _ ধারায় মামলা করতে পারেন
- ৮
- ৯
- ১০
- ৪২
‘ক’ একটি সম্পত্তির দখলদার । ‘খ’ ঐ সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে তার বরাবর সস্তান্তর করতে বললে ‘ক’ ঐ জমির দখলে থাকার জন্য The Specific Relief Act, 1877 এর _ ধারায় মামলা করতে পারেন
৪২
-
The Limitation Act, 1908 অনুযায়ী দায়রা আদালত কোনো ব্যক্তির মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করলে এর বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা কত ?
- ৩ মাস
- ২ মাস
- ১৪ মাস
- ৭ মাস
The Limitation Act, 1908 অনুযায়ী দায়রা আদালত কোনো ব্যক্তির মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করলে এর বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা ৭ মাস
-
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এ জারির পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিস্পত্তির বিধান কোন ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে?
- ৩৬
- ৩৭
- ৩৮
- ৩৯
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এ জারির পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিস্পত্তির বিধান ৩৮ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে
-
The Code of Criminal Procedure, 1898 -এর কোন ধারায় ‘Double Jeopardy’ মতবাদ আলোচিত হয়েছে?
- ২০৩
- ৩০৩
- ৪০৩
- ৫০৩
The Code of Criminal Procedure, 1898 -এর ৪০৩ ধারায় ‘Double Jeopardy’ মতবাদ আলোচিত হয়েছে
-
Without any qualifying word, to a Magistrate shall be construed as a reference to a (n)_
- Executive Magistrate
- Judicial Magistrate
- Cognizance Magistrate
- District Magistrate
(1) In this Code, unless the context otherwise requires, any reference-
(a) without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate;
(b) with a qualifying word not being a word clearly indicating a Judicial Magistrate shall be construed as a reference to a Magistrate as indicated in sub-section (2) (b);
(c) to a Sub-divisional Magistrate shall be construed as a reference to-
(i) the District Magistrate if the functions exercisable are of the nature specified in clause (b) of sub-section (2); or
(ii) the Chief Judicial Magistrate or as the case may be, the Chief Metropolitan Magistrate, if the functions exercisable are of the nature specified in clause (a) of sub-section (2);
(d) to an Assistant Sessions Judge, shall be construed as a reference to a joint Sessions Judge;
(e) to any area which is included in a Metropolitan area, shall be construed as a reference to such Metropolitan area;
(f) to any reference to a Magistrate of the first, second, or third class in relation to an area that is included in a Metropolitan area, shall be construed as a reference to the Metropolitan Magistrate exercising jurisdiction in that area;
(g) to a Magistrate of the first, second, or third class in relation to an area outside a Metropolitan Area, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate of the first, second, or third class exercising jurisdiction in that area.
(2) Where, under any law for the time being in force other than this Code, the functions exercisable by a Magistrate relate to matters-
(a) which involve the appreciation or sifting of evidence or the formulation of any decision which exposes any person to any punishment or penalty of detention in custody pending investigation, inquiry or trial, or other proceeding or would have the effect of sending him for trial before any Court, they shall subject to the provision of the Code, be exercisable by a judicial Magistrate; or
(b) which are administrative or executive in nature, such as the granting of a license, the suspension or cancellation of a license, sanctioning a prosecution, or withdrawing from a prosecution, they shall, subject as aforesaid, be exercisable by an Executive Magistrate.
-
The Code of Criminal procedure ,1898 এর ৫৪ ধারার বিধান মতে কয়টি কারণে পুলিশ একজন ব্যাক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারে?
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে, `যেকোনো পুলিশ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ বা পরোয়ানা ছাড়াই যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারেন। ` ৯টি কারণে এ ধারায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে পুলিশকে
-
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন দুইটি ধারার ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যায়?
- ১৫৪ ও ২০০
- ১৫৬ ও ২০০
- ১৫৫ ও ২০৪
- ১৫৪ ও ২০৪
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৫৪ ও ২০০ দুইটি ধারার ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যায়
ধারা ১৫৪:
আমলযোগ্য মামলার সংবাদ/এজাহার/FIR/GR Case/Cognigeable Offence
ধারা ২০০:
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ফরিয়াদী ও সাক্ষীকে পরীক্ষা/ফরিয়াদীর জবানবন্দী গ্রহণ
-
The Penal Code, 1820 এর কোন ধারায় ‘Good Faith’: Nothing is said to be done or believed in good faith which is done or believed without due care and attention. উল্লেখিত হয়েছে?
- ১১
- ২২
- ৪২
- ৫২
The Penal Code, 1820 এর ৫২ ধারায় ‘Good Faith’: Nothing is said to be done or believed in good faith which is done or believed without due care and attention. উল্লেখিত হয়েছে
-
Y এর কর্মচারী X জনসাধারণের চলাচলের রাস্তার একটি আংটি কুড়িয়ে পেয়ে নিয়ে যায় । X এর অপরাধ _
- চুরি
- অসাধুভাবে সম্পত্তি অপসারণ
- চাকর বা দেরানী কর্তৃক চুরি
- অপরাধমূলক তসরুপ
Y এর কর্মচারী X জনসাধারণের চলাচলের রাস্তার একটি আংটি কুড়িয়ে পেয়ে নিয়ে যায় । X এর অপরাধ-- অপরাধমূলক তসরুপ
-
X,Y এর চলার পথে গর্ত করে মৃত্যুর ফাঁদ পেতে রাখায় Y ঐ ফাঁদে পড়ে আহত হয়ে মারা যায় । X- এর অপরাধ _
- খুন
- দন্ডনীয় নরহত্যা
- খুনের উদ্যোগ
- দন্ডনীয় নরহত্যা সংঘটনের উদ্যোগ
X,Y এর চলার পথে গর্ত করে মৃত্যুর ফাঁদ পেতে রাখায় Y ঐ ফাঁদে পড়ে আহত হয়ে মারা যায় । X- এর অপরাধ --- দন্ডনীয় নরহত্যা
<br>
-
আদালতের অনুমতি ব্যতীত কখন ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে না ?
- জেরায়
- পুনঃজবানবন্দীকালে
- পুনঃজেরাকালে
- পূর্বে প্রমাণিত বিষয়ে জবানবন্দীতে
আদালতের অনুমতি ব্যতীত কখন ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে না পুনঃজবানবন্দীকালে
-
কোন ব্যক্তি সাক্ষী হতে পারবেন?
- ফৌজদারি মামলায় আসামির স্ত্রী
- বিচার বুদ্ধিসম্পন্ন ,কিন্তু বোবা ব্যক্তি
- অপরিণত বয়স্ক বুদ্ধিমান বালক
- সকলেই
সাক্ষ্য আইন ধারা ১১৮ কে সাক্ষ্য দিতে পারে
আদালত যদি না মনে করেন যে, কোন ব্যক্তি অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাদেরকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে বা সে প্রশ্নের যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম, তা হলে সমস্ত ব্যক্তিই সাক্ষ্যদানের যােগ্যতা সম্পন্ন।
<br>
ব্যাখ্যাঃ কোন বিকৃতি মস্তিষ্ক ব্যক্তি যদি তার মস্তিক বিকৃতির দরুন তাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে বা তার যুক্তি সঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয় তবে সে ব্যক্তি সাক্ষ্য দানের অযােগ্য হবে না।
<br>
সাক্ষ্য আইন ধারা ১১৯ বােবা সাক্ষী
যে সাক্ষী কথা বলতে পারে না, সে যদি তার বক্তব্য অন্য কোন ভাবে, অর্থাৎ লিখে বা ইশারা করে বুঝাতে পারে, তবে সেভাবে সে সাক্ষ্য দিতে পারবে; তবে সে লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখতে বা করতে হবে, এরূপভাবে যে স্বাক্ষ্য দেয়া হবে তা মৌখিক সাক্ষ্য বলে পরিগণিত হবে।
<br>
সাক্ষ্য আইন ধারা ১২০ দেওয়ানি মামলার পক্ষগণ ও তাদের স্ত্রী বা স্বামী, ফৌজদারি মামলায় বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী
সমস্ত দেওয়ানি মামলায়, মামলার পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যােগ্যতাসম্পন্ন সাক্ষী হবে। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলায় সে ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যােগ্যতা সম্পন্ন সাক্ষী হবে।
<br>
সাক্ষ্য আইন ধারা ১২১ জজ ও ম্যাজিস্ট্রেষ্ট
কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যে আদালতের অধীন, সে আদালতের বিশেষ আদেশ ছাড়া জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে আদালতে স্বীয় আচরণ সম্পর্কে, অথবা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে আদালতে তার গোচরে এসেছে এমন কোন বিষয় সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য হবেন না। কিন্তু তিনি উক্ত পদের কর্তব্য পালন করার সময় অপরাপর যে সব ঘটনা তার উপস্থিতিতে ঘটেছে সেগুলি সম্পর্কে তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে।
<br>
উদাহরণ -জজ ও ম্যাজিস্ট্রেষ্ট
(ক) ক দায়রা আদালতে তার বিচারকালে বলে যে, ম্যাজিস্ট্রেট খ অন্যায়ভাবে তার জবানবন্দী গ্রহণ করেছে। উর্ধ্বতন কোন আদালতের বিশেষ আদেশ ছাড়া খ উক্ত বিষয় সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নয়।
<br>
(খ) ম্যাজিস্ট্রেট খ মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার অভিযোগে ক দায়রা আদালতে অভিযুক্ত হল । উর্ধ্বতন আদালতের বিশেষ আদেশ ছাড়া ক যা বলে ছিল, সে সম্পর্কে খ-কে প্রশ্ন করা যাবে না।
<br>
(গ) দায়রা জজ খ-এর এজলাসে ক-এর বিচারকালে জনৈক পুলিশ অফিসারকে হত্যা করার চেষ্টার অভিযোগে ক দায়রা আদালতে অভিযুক্ত হল। ঘটনা সম্পর্কে খ-এর সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে।
<br>
সাক্ষ্য আইন ধারা ১২২ বিবাহ স্থির থাকাকালীন যােগাযােগ
কোন ব্যক্তি যার সাথে বিবাহ হয়েছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সে ব্যক্তির সাথে তার স্ত্রী বা স্বামীর যােগাযােগের বিষয়বস্ত প্রকাশ করতে সে ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাবে না। তথ্য প্রেরণকারী বা তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ছাড়া পত্রের বিষয়বস্ত প্রকাশ করার অনুমতিও তাকে দেয়া যাবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানি মামলায় অথবা তাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করার দায়ে অপরজন ফৌজদারিতে সােপর্দ হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে যােগাযােগের বিষয় প্রকাশ করতে দেয়া যাবে।
<br>
সাক্ষ্য আইন ধারা ১২৩ রাষ্ট্রীয় ব্যাপারে স্বাক্ষ্য
রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সম্পর্কিত অপ্রকাশিত সরকারি দলিলপত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কাউকে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া সাক্ষ্য দেয়ার অনুমতি দেয়া যাবে না। উক্ত কর্মকর্তা অনুমতি দেয়া বা না দেয়া যা উপযুক্ত বিবেচনা করবেন, তাই করতে পারবেন।
<br>
সাক্ষ্য আইন ধারা ১২৪ সরকারি পর্যায়ের পত্রালাপ
কোন সরকারি কর্মচারীর কাছে সরকারি কোন গোপন বিষয়ে যে সব চিঠিপত্র আসে, তা প্রকাশ করলে জনস্বার্থের ব্যাঘাত হবে বলে যখন তিনি মনে করবেন, তখন তাকে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না।
<br>
সাক্ষ্য আইন ধারা ১২৫ অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে সংবাদ
কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার কোন অপরাধ সংঘটিত হবার সংবাদ কি রূপে পেয়েছেন, তা বলতে তাকে বাধ্য করা যাবে না, এবং সরকারি রাজস্ব সংক্রান্ত কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ রাজস্ব বিভাগীয় কোন অফিসার কিরূপে পেয়েছেন, তা বলতে তাকে বাধ্য করা যাবে না।
<br>
ব্যাখ্যাঃ এ ধারায় “রাজস্ব বিভাগীয় অফিসার” বলতে সরকারি রাজস্ব বিষয় সংক্রান্ত বিভাগের যে কোন শাখার কার্যে নিযুক্ত যে কোন কর্মচারীকে বুঝানাে হয়েছে।
<br>
সাক্ষ্য আইন ধারা ১২৬ পেশা সম্পর্কিত পত্রালাপ
কোন ব্যারিস্টার, এডভোকেট বা উকিল তার মক্কেল কর্তৃক ব্যারিস্টার, এ্যাডভোকেট বা উকিল হিসাবে নিযুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হতে তার কাছে লিখিত কোন পত্রের বিষয় মক্কেলের অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করতে পারবেন না, অথবা তার ব্যক্তিগত নিযুক্তি প্রসঙ্গে মক্কেলের যে সব দলিল তার কাছে পরিচিত হয়েছে, সেগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার বিষয়ে কোন বিবৃতি দিতে পারবেন না, অথবা তার নিযুক্তি প্রসঙ্গে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়েছেন, তা প্রকাশ করতে পারবেন না।
<br>
তবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ করা এ ধারায় তা নিষিদ্ধ হবে না-
<br>
(১) কোন বেআইনী উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে যে পত্রালাপ করা হয়েছে
<br>
(২) কোন ব্যারিস্টার, এডভোকেট বা উকিল স্বীয় পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকাকালে যদি এমন কোন ঘটনা লক্ষ্য করে থাকেন, যার দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তার নিযুক্তির পর কোন অপরাধ বা প্রতারণা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
<br>
অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যারিস্টার এটর্নি বা উকিলের মনােযােগ তার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হতে আকৃষ্ট করা হয়েছিল কিনা, তা গুরুত্ব পূর্ণ নয়।
<br>
ব্যখ্যাঃ এ ধারায় বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটার পরও অব্যাহত থাকে।
<br>
উদাহরণ-পেশা সম্পর্কিত পত্রালাপ
(ক) মক্কেল ক এডভােকেট খ-কে জানাল “আমি জালিয়াতি করেছি এবং আপনি আমার পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।” কোন ব্যক্তিকে দোষী জেনেও তার পক্ষে মামলা পরিচালনা করা যেহেতু অপরাধমূলক উদ্দেশ্য নয়, সেহেতু উপরােক্ত পত্রালাপের গােপনীয়তা রক্ষা করতে হবে।
<br>
(খ) মক্কেল ক এডভােকেট খ-কে জানাল,“আমি একটি জাল দলিল ব্যবহার করে সম্পত্তির দখল নিতে চাই এবং আমার পক্ষে এ বিষয়ে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করার জন্য আপনাকে অনুরােধ করছি।” একটি অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে সাধনের চেষ্টা হিসাবে এ পত্রালাপ করা হয়েছে বলে এটার গােপনীয়তা রক্ষা করার কোন বাধ্যবাধকতা নেই।
<br>
(গ) তহবিল তসরূপের দায়ে অভিযুক্ত ক তার পক্ষে মামলা পরিচালনা করার জন্য এডভােকেট খ-কে নিযুক্ত করল । মামলা চলাকালে খ লক্ষ্য করল যে, তসরূপকৃত পরিমাণ অর্থ ক-এর কাছে হতে আদায় দেখিয়ে হিসাব খাতায় একটি হিসাব লেখা হয়েছে, যা তার নিযুক্তির শুরুতে লেখা ছিল না। যেহেতু এটা এমন একটি ঘটনা, যা খ তার নিযুক্তি বহাল থাকাকালে লক্ষ্য করেছে এবং যা দ্বারা মামলা চলতে থাকাকালে প্রতারণা করা প্রতীয়মান হয়েছে, সেহেতু এটার গােপনীয়তা রক্ষা করার কোন বাধ্যবাধকতা নেই।
<br>
সাক্ষ্য আইন ধারা ১২৭ দোভাষী ইত্যাদি ক্ষেত্রে ১২৬ ধারার প্রয়োগ
দোভাষী ও এডভোকেটের কেরানী কিংবা কর্মচারীদের বেলায়ও ১২৬ ধারার বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে।
<br>
সাক্ষ্য আইন ধারা ১২৮ স্বত্বঃ প্রণোদিত সাক্ষ্য দেয়ার ফলে সুবিধা পরিত্যক্ত হয় না
কোন দেওয়ানি মামলার কোন পক্ষ যদি স্বেচ্ছায় বা অন্য কোন ভাবে মামলায় স্বাক্ষ্য দেয়, তবে তা দ্বারা একথা বুঝাবে না যে, সে ১২৬ ধারায় উল্লেখিত গোপন কথা প্রকাশের সম্মতি দিয়েছে। কোন দেওয়ানি মামলা বা কার্যক্রমের কোন পক্ষ যদি কোন ব্যারিস্টার, উকিল বা এডভোকেটকে সাক্ষ্য হিসেবে ডাকে এবং তাকে এমন কোন বিষয় সম্পর্কে প্রশ্ন করে, যে বিষয়টি উক্ত ব্যারিস্টার, উকিল বা এডভোকেট সে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা না করা হলে প্রকাশ করতে পারত না, তবে বুঝতে হবে যে, সে ব্যক্তি বিষয়টি প্রকাশ করার সম্মতি দিয়েছে।
<br>
সাক্ষ্য আইন ধারা ১২৯ আইন উপদেষ্টার সাথে গোপন পত্ৰালাপ
কোন ব্যক্তি ও তার পেশাদার আইন উপদেষ্টার মধ্যে কোন গোপন পত্রালাপ হয়ে থাকলে, সে ব্যক্তি যদি কোন মামলায় সাক্ষ্য দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ না করে, তবে সে গোপন পত্রালাপের বিষয় আদালতে প্রকাশ করতে তাকে বাধ্য করা যাবে না। যদি সে সাক্ষ্য দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে, তবে তার দেয়া সাক্ষ্যের ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপন পত্রালাপের বিষয় আদালতের জানা দরকার হলেই কেবল তাকে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে, অন্যথায় নয়।
<br>
সাক্ষ্য আইন ধারা ১৩০ মামলার পক্ষ নয় এরূপ সাক্ষীর স্বত্বের দলিল দাখিল
মামলার পক্ষ নয়, এরূপ কোন সাক্ষীকে তার সম্পত্তির স্বত্ব সংক্রান্ত কোন দলিল অথবা যে দলিল বলে কোন সম্পত্তি সে বন্ধকদার হিসাবে দখল করে, সে দলিল অথবা যে দলিল উপস্থাপন করলে তার কোন অপরাধ ধরা পড়ার আশঙ্কা থাকে এরূপ কোন দলিলর আদালতে উপস্থাপন করতে বাধ্য করা যাবে না, যদি না, যে ব্যক্তি উক্ত দলিল উপস্থাপন করাতে চায় তার বা যার মাধ্যমে সে অধিকার দাবি করছে তার সাথে সাক্ষী কোন লিখিত চুক্তিতে উক্ত দলিল উপস্থাপন করতে সম্মত হয়ে থাকে।
<br>
সাক্ষ্য আইন ধারা ১৩১ যে দলিল অপর কোন ব্যক্তির দখলে থাকলে সে তা দাখিল করতে অস্বীকার করতে পারত তা দাখিল
কোন ব্যক্তির দখলে যদি এমন কোন দলিল থাকে, যা অপর কারো দখলে থাকলে তা উপস্থাপন করতে অস্বীকার করার অধিকার সে ব্যক্তির থাকত, তবে শেষোক্ত ব্যক্তি সে দলিল উপস্থাপনের সম্মতি না দিলে প্রথমোক্ত ব্যক্তিকে তা উপস্থাপন করতে বাধ্য করা যাবে না।
<br>
সাক্ষ্য আইন ধারা ১৩২ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী কোন অপরাধের সাথে জড়িত করবে এ অজুহাতে উত্তর দান হতে সাক্ষীকে অব্যাহতি দেয়া যায় না
কোন দেওয়ানি বা ফৌজাদারী মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য বিষয়ের প্রাসঙ্গিক কোন বিষয়ে সাক্ষীকে প্রশ্ন করা হলে সে প্রশ্নের উত্তর সাক্ষীকে অপরাধমূলক কার্যে জড়িত করবে অথবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত করার সম্ভাবনা থাকবে, অথবা তার ফলে সাক্ষী শাস্তি পাবার যোগ্য হবে বা প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে শাস্তি পাবার যোগ্য হবার সম্ভাবনা থাকবে, এ অজুহাতে উক্ত সাক্ষীকে অনুরূপ প্রশ্নের উত্তর দান হতে অবশ্যই অব্যাহতি দেয়া যাবে না। তবে, সাক্ষীকে যদি অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য করা হয়, তবে তার দরুন তাকে গ্রেফতার করা বা ফৌজদারিতে সোপর্দ করা যাবে না বা কোন ফৌজদারি মামলায় তার বিরুদ্ধে তার প্রমাণ করা যাবে না। কিন্তু অনুরূপ কোন উত্তরের দরুন তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার অভিযোগে ফৌজদারি আদালতে সোপর্দ করা যাবে।
<br>
সাক্ষ্য আইন ধারা ১৩৩ সহযোগী সাক্ষী
আসামি সহযোগী আসামির বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবে। সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেয়া হলে কেবলমাত্র সে কারণেই উক্ত সাজা বেআইনী হবে না।
<br>
সাক্ষ্য আইন ধারা ১৩৪ সাক্ষীর সংখ্যা
কোন মামলায় কোন ঘটনা প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট কোন সংখ্যার সাক্ষীর দরকার হবে না।
<br>
টপিকস
সাক্ষ্য আইন নবম অধ্যায় - সাক্ষী। ধারা ১১৮ কে সাক্ষ্য দিতে পারে। ধারা ১১৯ বােবা সাক্ষী। ধারা ১২০ দেওয়ানি মামলার পক্ষগণ ও তাদের স্ত্রী বা স্বামী, ফৌজদারি মামলায় বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী। ধারা ১২১ জজ ও ম্যাজিস্ট্রেষ্ট। ধারা ১২২ বিবাহ স্থির থাকাকালীন যােগাযােগ। ধারা ১২৩ রাষ্ট্রীয় ব্যাপারে স্বাক্ষ্য। ধারা ১২৪ সরকারি পর্যায়ের পত্রালাপ। ধারা ১২৫ অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে সংবাদ। ধারা ১২৬ পেশা সম্পর্কিত পত্রালাপ। ধারা ১২৭ দোভাষী ইত্যাদি ক্ষেত্রে ১২৬ ধারার প্রয়োগ। ধারা ১২৮ স্বত্বঃ প্রণোদিত সাক্ষ্য দেয়ার ফলে সুবিধা পরিত্যক্ত হয় না। ধারা ১২৯ আইন উপদেষ্টার সাথে গোপন পত্ৰালাপ। ধারা ১৩০ মামলার পক্ষ নয় এরূপ সাক্ষীর স্বত্বের দলিল দাখিল। ধারা ১৩১ যে দলিল অপর কোন ব্যক্তির দখলে থাকলে সে তা দাখিল করতে অস্বীকার করতে পারত তা দাখিল। ধারা ১৩২ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী কোন অপরাধের সাথে জড়িত করবে এ অজুহাতে উত্তর দান হতে সাক্ষীকে অব্যাহতি দেয়া যায় না। ধারা ১৩৩ সহযোগী সাক্ষী। ধারা ১৩৪ সাক্ষীর সংখ্যা।
<br>
এখান থেকে বোঝা যাচ্ছে উক্ত সকলে সাক্ষী দিতে পারবে.
-
‘Dying Declaration’ (মৃত্যুকালীন বিবৃতি) করা যায় এর একটি_
- শুধু ম্যাজিস্ট্রেট
- শুধু পুলিশ
- শুধু ডাক্তার
- যে কারও
Dying Declaration বা মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে আপনার মাথায় প্রথমেই যে বিষয়টি মাথায় আসে, সেটি হচ্ছে বাংলা সিনেমার কোন দৃশ্য যেখানে কেউ একজন মারা যাওয়ার সময় তার হত্যাকারীর নাম বলে যাচ্ছে। সাধারণত, নায়কের বাবা বা মা মারা যাওয়ার সময় তার হত্যাকারীর নাম নায়কের কাছে বলে যায় আর নায়ক সেই হত্যাকারীকে খুন করে প্রতিশোধ নেয়; বেশির ভাগ বাংলা সিনেমার এই একই স্ক্রিপ্ট। তবে সহজ ভাষায় যেটা বুঝা যায় সেটি হচ্ছে, মৃত্যু কালীন সময়ে যে ঘোষণা দেওয়া হয়ে থাকে তাকেই মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলা হয়ে থাকে। আসুন জানি, Dying Declaration বা মৃত্যুকালীন ঘোষণা আসলেই এবং কিভাবে দেওয়া হয়ে থাকে।
<br>
প্রথমেই বলে রাখি, মৃত্যুকালীন ঘোষণা শুধুমাত্র ঘোষণা কারীর মৃত্যু সম্বন্ধীয় হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ বা যে সব অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটছে; কেবলমাত্র সে বিষয়েই মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদান করা যাবে। মৃত্যু সংক্রান্ত বিষয় ছাড়া অন্যান্য বিষয়ে মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদান করা যাবে না। যেমন ধরুন, একজন ব্যক্তি তাঁর মৃত্যুশয্যায় যদি তাঁর সম্পত্তি কাউকে দান করতে চায়, সেটি গ্রহণযোগ্য হবে না। কেননা, আমরা জানি যে সম্পত্তি হস্তান্তর করার সময় একজন ব্যক্তিকে সজ্ঞানে প্রদান করতে হয়। কিন্তু কোনও ব্যক্তির মৃত্যুর সময় পরিপূর্ণ জ্ঞান নাও থাকতে পারে। তাছাড়া শুধু মুখে বললেই সম্পত্তি প্রদান করা যায় না। সেটি অবশ্যই সাব রেজিস্টারের সামনে লিখিত হস্তান্তর হতে হবে। পাশাপাশি কেউ যদি পিতৃত্বের দাবি বা বৈবাহিক সম্বন্ধে কোনও বক্তব্য প্রদান করে সেটি মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে গণ্য হবে না। শুধুমাত্র মৃত্যুর কারণ এবং মৃত্যু সম্পৃক্ত যে ঘটনাগুলো প্রাসঙ্গিক, সেগুলিই শুধুমাত্র মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।
<br>
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, মৃত্যুকালীন ঘোষণা কার কাছে দেওয়া যাবে বা কার বরাবরে ঘোষণা করলে সেটি গ্রহণযোগ্যতা পাবে? – এ ক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো যে, মৃত্যুকালীন ঘোষণা যেহেতু মৃত্যুর সময় ঘোষিত হয়ে থাকে এবং মৃত্যুর সময় যেহেতু uncertain বা অনিশ্চিত; সেহেতু মৃত্যুকালীন ঘোষণাও নির্দিষ্ট করে পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট বা ডাক্তার এমন কারও কাছে প্রদান করতে হবে তার কোন নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। মৃত্যুকালীন ঘোষণা মৃত্যুর শয্যায় যেহেতু প্রদান করা হয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি যাকে সামনে পাবে তার কাছেই মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদান করতে পারবেন। যেমন, ধরুন কেউ যদি হাসপাতালে মাঝ রাতে মৃত্যুবরণ করেন এবং শেষ মুহূর্তে উনি হাসপাতালে থাকা কোনও নার্সের কাছে উনার মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদান করে গিয়ে থাকেন, সে ক্ষেত্রে সেই মৃত্যুকালীন ঘোষণা ও গ্রহণযোগ্যতা পাবে।
<br>
এখন দেখা যাক, Dying Declaration বা মৃত্যুকালীন ঘোষণার প্রকৃতি কেমন হবে?
মৃত্যুকালীন ঘোষণা মৌখিক, লিখিত এমনকি ইশারায়ও হতে পারে। মৃত্যুর আগে আপনি কথা বলতে পারলে মৌখিক ভাবে আপনার মৃত্যুর কারণ বলে যেতে পারবেন। যদি কথা বলার মত পরিস্থিতিতে না থাকেন, তখন যদি লিখে বুঝিয়ে দিতে পারেন, তাহলে লিখিত ঘোষণাও মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে। তাছাড়াও, কখনো কখনো ভিকটিমের শারীরিক অবস্থা এমন হয় যে, না তিনি বলতে পারেন, না লিখতে, কিন্তু হয়ত শরীরের কোন অঙ্গ দ্বারা ইশারার মাধ্যমে বুঝাতে সক্ষম যে, ওনার মৃত্যুর কারণ কি বা কে ওনাকে আঘাত/খুন করেছে; সেক্ষেত্রে ইশারার মাধ্যমে প্রকাশ করাও মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে গণ্য হবে।
<br>
এখন কথা হচ্ছে, কোনও ব্যক্তি যদি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মৃত্যুকালীন ঘোষণা দিয়ে থাকে, কিন্তু পরবর্তীতে উনি আল্লাহ্র অশেষ রহমতে মৃত্যুবরণ না করে থাকেন, সেই ক্ষেত্রে উনার ঐ মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্যতা পাবে কি না?– এই ক্ষেত্রে উত্তর হচ্ছে, সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ৩২ ধারা অনুসারে, মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্যতা পেতে হলে মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী ব্যক্তিকে অবশ্যই মৃত হতে হবে। যদি গুরুতর অবস্থা থেকেও কেউ আল্লাহ্র অশেষ রহমতে বেঁচে যান বা জীবিত থাকেন, সেক্ষেত্রে ওনার ওই মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্যতা পাবে না।
একই ভাবে, কোন ব্যক্তি যদি দাবি করে যে কোনো মৃত্যুশয্যায় থাকা ব্যক্তি/ ভিকটিম তার কাছে মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদান করেছেন, সেক্ষেত্রে দাবি উত্থাপনকারী ব্যক্তিকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে, মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছেন। কোনও ব্যক্তি যদি নিরুদ্দেশ হয়ে যায় এবং অন্য কোনো ব্যক্তি যদি দাবি করে যে ওই ব্যক্তি মারা গেছে এবং সে মৃত্যুর পূর্বে মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদান করে গেছে সেই ক্ষেত্রে উক্ত দাবি উত্থাপনকারী ব্যক্তিকে প্রথমে প্রমাণ করতে হবে যে, মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছেন। অন্যথায় ওই মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। কেননা মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণ করার পূর্বশর্ত হচ্ছে, উক্ত ঘোষণা প্রদানকারী ব্যক্তি মৃত হতে হবে।
<br>
প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ স্যারের লেখা হিমু সিরিজের একটি উপন্যাসে হিমুর মামা আততায়ীর হাতে যখন গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন, তখন তিনি থানায় গিয়ে মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে নিজের কিছু চির শত্রুর নাম উল্লেখ করে দিয়ে আসেন। যদিও তিনি আঘাতকারীদের দেখতে পাননি, কিন্তু নিজের শত্রুদেরকে দমন করার উদ্দেশ্যে মৃত্যুকালীন ঘোষণাতে তাদের নাম উল্লেখ করে তাদেরকে বিপদে ফেলার চেষ্টা করেন। এটি উপন্যাসের একটি কাল্পনিক ঘটনা। কিন্তু বাস্তবেও যদি এমনটা ঘটে থাকে যে, কোনও ব্যক্তি মৃত্যুকালীন ঘোষণার সময় মিথ্যাভাবে অন্য কোনও ব্যক্তির নাম ঘোষণা করে, সেক্ষেত্রে ওই নির্দোষ লোক কি সাজা প্রাপ্ত হবে?–এই ক্ষেত্রে সাময়িক হয়রানি হলেও মাথায় রাখতে হবে যে, মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক। তবে সেটি কখনোই চূড়ান্ত প্রমাণ নয়; সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এটি মিথ্যা প্রমাণ করা যাবে। আবার অনেক সময় মৃত্যুকালীন ঘোষণাও অসম্পূর্ণ থাকে, যার ফলে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হতে পারে। তাই, মৃত্যুকালীন ঘোষণা অবশ্যই সম্পূর্ণ হতে হবে। অসম্পূর্ণ ঘোষণা হিতে-বিপরীত হতে পারে। আবার, মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদান করার পূর্বে ঘোষণাকারী কারো সাথে পরামর্শ করে ঘোষণা দিতে পারবেন না। আজকে এই পর্যন্তই, আল্লাহ হাফেজ।
<br>
এই ঘোষণাটি উপরোক্ত যে কেউ দিতে পারে .
<br>
-
মরজ-উল-মউত এর সময় উত্তরাধিকারী নয় এমন ব্যক্তির বরাবর প্রদত্ত দান উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি ব্যতীত_
- সম্পূর্ণ বাতিল
- এক-তৃতীয়াংশ কার্যকর
- সম্পূর্ণ কার্যকর
- এক-চতুর্থাংশ কার্যকর
মরজ-উল-মউত এর সময় উত্তরাধিকারী নয় এমন ব্যক্তির বরাবর প্রদত্ত দান উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি ব্যতীত --এক-তৃতীয়াংশ কার্যকর
-
কোনটি ‘Doctrine of Juristic Preference’?
- ইসতিসলাহ
- ইজতিহাদ
- ইসতিহসান
- ইসতিদলাল
ইসতিহসান ‘Doctrine of Juristic Preference’
-
দাতার ইচ্ছাধীন সময়কালে পুনঃপ্রবর্তনযোগ্য কোনো কিছু গ্রহণ ও তার আয় ভোগ করার অস্থায়ী অনুমতিকে_বলে।
- আরিয়ত
- সাদাক
- শর্তযুক্ত হেবা
- শর্তযুক্ত ওয়াকফ
দাতার ইচ্ছাধীন সময়কালে পুনঃপ্রবর্তনযোগ্য কোনো কিছু গ্রহণ ও তার আয় ভোগ করার অস্থায়ী অনুমতিকে আরিয়ত বলে
-
‘আল-হেদায়া’ (AL- Hedayah) গ্রন্থের লেখক কে?
- ইমাম মালিক
- ইমাম আবু হানিফা
- ইবনে রুশদ
- বুরহান আল-দীন
আল-হিদায়াহ ফী শারয়ী বিদায়াতুল মুবতাদী ( লেখক মৃত্যু: ৫৯৩ হিজরি / ১১৯৭খ্রিষ্টাব্দ) ( আরবি : الهداية في شرح بداية المبتدي , আল-হিদায়া ফ শারী বিদীয়াত আল মুবতাদী ), সাধারণতঃ আল-হিদায়াহ [১] বানানটি নির্দেশিকা হ'ল বুরহান আল-দীন আল-মারঘিনানির দ্বাদশ শতাব্দীর আইনি ম্যানুয়াল, যা হানাফী আইনশাস্ত্রের ( ফিকহ ) অন্যতম প্রভাবশালী গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়। [২] এটি অসংখ্য ভাষ্যের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। [৩] বইটি অ্যাংলো-মুহাম্মাদান আইন হিসাবে পরিচিত ইসলামী এবং ব্রিটিশ আইন সংশ্লেষের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
-
ভাড়ার মাধ্যমে ভোগকখলীয় বাড়ী স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে দান করার পরও স্বামী ভাড় উত্তোলন করতে থাকলে মুসলিম আইনে দানটি _ গণ্য হবে ।
- বাতিল
- অসম্পূর্ণ
- বৈধ
- অকার্যকর
ভাড়ার মাধ্যমে ভোগকখলীয় বাড়ী স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে দান করার পরও স্বামী ভাড় উত্তোলন করতে থাকলে মুসলিম আইনে দানটি বৈধ গণ্য হবে ।
-
নিচের কোন উত্তরাধিকারীর ক্ষেত্রে হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুযায়ী ‘প্রতিনিধিত্ব মতবাদ' স্বীকৃত ?
- ভ্রাতুপুত্র
- প্রপৌত্র
- কন্যার পুত্র
- পিতার ভ্রাতা
উত্তরাধিকারীর ক্ষেত্রে হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুযায়ী ‘প্রতিনিধিত্ব মতবাদ' স্বীকৃত প্রপৌত্র
-
হিন্দু আইন অনুযায়ী দত্তক এর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক ?
- যে-কেউ দত্তক দিতে পারে
- অবিবাহিত পুরুষ দত্তক নিতে পারে না
- অবিবাহিত মহিলা দত্তক নিতে পারে
- একজন বোবাকে দত্তক নেয়া যায় না
শুধুমাত্র হিন্দু আইন অনুযায়ী অন্যের দেয়া সন্তানকে নিজের সন্তান রুপে দত্তক নেয়ার বিধান রয়েছে। নিজের ঔরষজাত সন্তান না থাকলে অথবা সন্তান থাকলেও ধর্মীয় ক্রিয়া সম্পাদনে অযোগ্য হলে হিন্দু আইনের বিধান অনুযায়ী অন্যের সন্তানকে দত্তক নেয়া যায়। দত্তক নেয়ার উদ্দেশ্য দুটি। একটি ধর্মীয় উদ্দেশ্য, অপরটি পার্থিব-- Ans: একজন বোবাকে দত্তক নেয়া যায় না
-
The Family courts Ordinance, 1985 অনুযায়ী লিখিত বর্ণনা দাখিলের কত দিনের মধ্যে Per-Trial এর জন্য ধার্য করতে হবে?
- ৭
- ১৫
- ৩০
- ৬০
The Family Courts Ordinance, 1985 অনুযায়ী লিখিত বর্ণনা দাখিলের যত দিনের মধ্যে Pre-Trial এর জন্য ধার্য করতে হবে—৩০
-
The Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 অনুযায়ী স্বামী কত বৎসর উন্মাদ থাকলে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে ?
- ২
- ৩
- ৪
- ৭
The Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 অনুযায়ী স্বামী২ত বৎসর উন্মাদ থাকলে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে ?
-
নিচের কোন কারণে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করা যাবে?
- মানসিক অসামর্থ্যের কারণে
- গুরুতর অসদাচারণের অভিযোগে
- শারীরিকভাবে অক্ষম হলে
- সবগুলো
এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারিবে; ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারিবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করিবেন।
-
Which is the best example of 'palindrome' in the following?
- Nurses run
- You go
- Players play
- 12225
Examples are civic, radar, level, rotor, kayak, madam, and refer. The longest common ones are rotator, deified, racecar and reviver; longer examples such as redivider, kinnikinnik and tattarrattat are orders of magnitude rarer.
-
নিচের কোনটি অর্থবিলের বিষয় নয়?
- কোনো কর আরোপ
- সরকারের হিসাব নিরীক্ষা
- স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কর আরোপ
- সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন
সংসদে বিল কি?
কেন্দ্রীয় বাজেটের নথির অংশ হিসেবে ফি বছর সংসদে পেশ হয় অর্থ বিল। বার্ষিক বাজেটে কর প্রস্তাবনায় কোনও পরিবর্তন করতে হলে প্রয়োজন পড়ে এই বিলের। সংবিধানের ১১০ নম্বর ধারা অনুযায়ী, অর্থ বিল শুধুমাত্র সংসদের নিম্নকক্ষ বা লোকসভায় পেশ করা যেতে পারে। এটি রাজ্যসভায় পেশ করা যাবে না বা উভয় কক্ষের যৌথ কমিটিতেও পাঠানো যাবে না।
Ans: স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কর আরোপ
-
কোনো আইনের প্রস্তাবনা (Preamble) অত্যস্ত গুরুত্বপূর্ণ । কারণ কী?
- পুরো আইনের সংক্ষপ্তসার
- বিচারকদের কার্যাবলির রুপরেখা প্রদর্শন করে
- আইনের পরিধি উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোকপাত করে
- আইনের প্রয়োগ পদ্ধতি সম্পর্কে দিক-নির্দেশনা দেয়
আইনের প্রস্তাবনা (Preamble) অত্যস্ত গুরুত্বপূর্ণ । কারণ আইনের পরিধি উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোকপাত করে
-
যুদ্ধ ঘোষণার জন্য সম্মতি প্রয়োজন _ এর
- জাতীয় সংসদ
- রাষ্ট্রপতি
- প্রধানমন্ত্রী
- মন্ত্রীপরিষদ
যুদ্ধ ঘোষণার জন্য জাতীয় সংসদ সম্মতি প্রয়োজন
-
সংবিধানের প্রথম সংশোধণীর উদ্দেশ্য কী ছিল?
- ছিটমহল বিনিময়
- জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান সংযুক্তকরণ
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সংক্রান্ত আইনগত জটিলতা নিরসন
- উপরের কোনোটিই
১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই। সংবিধানের প্রথম সংশোধনীটি ছিল যুদ্ধাপরাধীসহ অন্যান্য মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পরে এই সংশোধনীর মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা হয়। তৎকালীন আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন।
-
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনটি প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য ?
- শৃঙ্খলা রক্ষা করা
- ভোটাধিকার প্রয়োগ করা
- দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা
- দেশের উন্নয়েনে ভূমিকা রাখা
বাংলাদেশের সংবিধানের ২১(২) ধারায় বলা হয়েছে " সকল সময়ে ----চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।" শূন্যস্থান পূরণ করুন।
-
‘Freedom of press’ কোন সাংবিধানিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত ?
- Freedom of thought and conscience
- Freedom of profession
- Right to democratic culture
- Right to information
‘Freedom of press’ Freedom of thought and conscience সাংবিধানিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত.
-
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের অধিনে বাংলাদেশে জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন গঠনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ?
- ১১৪
- ১১৫
- ১১৬
- ১১৬ক
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের ১১৫ অধিনে বাংলাদেশে জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন গঠনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে
-
একটি আইনের দুইটি ধারা পুরস্পর সাংঘার্ষিক হলে আইনটি কিভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে ?
- অবস্থাভেদে একটি ধারা কার্যকর হবে
- পূর্বের ধারাটি কার্যকর হবে পরের ধারাটি বাতিল হবে
- পূর্বের ধারাটি বাতিল হবে পরের ধারাটি কার্যকর হবেপূর্বের ধারাটি বাতিল হবে পরের ধারাটি কার্যকর হবে
- এমন ভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়
<br>
একটি আইনের দুইটি ধারা পুরস্পর সাংঘার্ষিক হলে আইনটি এমন ভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়.
-
Doctrine of ‘ejusdem generis’ নীতির আলোকে আইনের ব্যাখ্যা ক্ষেত্রে
- আইনের সাধারন শব্দ নির্দিষ্ট শব্দকে অনুসরণ করে
- আইনের নির্দিষ্ট শব্দ সাধারন শব্দকে অনুসরণ করে
- আইনের সাদৃশ্য শব্দসমূহ সাধারণ শব্দকে অনুসরণ করে
- আইনের সাদৃশ্য শব্দসমূহ নির্দিষ্ট শব্দকে অনুসরণ করে
Doctrine of ‘ejusdem generis’ নীতির আলোকে আইনের ব্যাখ্যা ক্ষেআইনের সাধারন শব্দ নির্দিষ্ট শব্দকে অনুসরণ করে
-
The Contract Act, 1872 এর কোন ধারা অনুযায়ী নাবালক চুক্তি সম্পাদনের অযোগ্য ?
- ৯
- ১০
- ১১
- ১২
The Contract Act, 1872 এর ১১ ধারা অনুযায়ী নাবালক চুক্তি সম্পাদনের অযোগ্য ?
-
কোনো বেসরকারি ব্যবসা সংক্রান্ত চুক্তির ক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ধারিত থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ the Contract Act, 1872-এর ধারা আনুযায়ী কিরুপ ক্ষতিপুরণ পাবে?
- চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপুরণ
- চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপুরণের ২ ৩ ভাগ
- চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপুরণসহ ৬.৫% সুদ
- চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপুরণের সীমার মধ্যে যৌত্তিক ক্ষতিপুরণ
বেসরকারি ব্যবসা সংক্রান্ত চুক্তির ক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ধারিত থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ the Contract Act, 1872-এর ধারা আনুযায়ী কিরুপ ক্ষতিপুরণ পাবে -- চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপুরণের সীমার মধ্যে যৌত্তিক ক্ষতিপুরণ
-
The Registration Act, 1908 এর ২৬ ধারার বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের বাইরে সম্পাদিত দলিল কত সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রির জন্য দাখিল করতে হবে?
- দলিল সম্পাদনের ৩ মাসের মধ্যে
- দলিল সম্পাদনের ৬ মাসের মধ্যে
- দলিলটি বাংলাদেশে পৌঁছাবার পরবর্তী ৪ মাসের মধ্যে
- দলিলটি বাংলাদেশে পৌঁছাবার পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে
The Registration Act, 1908 এর ২৬ ধারার বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের বাইরে সম্পাদিত দলিল কত সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রির জন্য দাখিল করতে হবে -দলিলটি বাংলাদেশে পৌঁছাবার পরবর্তী ৪ মাসের মধ্যে-
-
The Transfer of Property Act, 1882-এর বিধান অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির বাৎসরিক ইজারা হলে ইজারা দাতা বা ইজারা গ্রহীতা কত দিনের নোটিশে ইজারার পরিসমাপ্তি ঘটাতে পারে?
- ১ মাস
- ৩ মাস
- ৪ মাস
- ৬ মাস
The Transfer of Property Act, 1882-এর বিধান অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির বাৎসরিক ইজারা হলে ইজারা দাতা বা ইজারা গ্রহীতা ৬ মাস নোটিশে ইজারার পরিসমাপ্তি ঘটাতে পারে.
-
The State Acquisition and Tenancy Act,1950-এর ১৪৪ ধারার অধীনে খতিয়ান প্রস্তুত বা সংশোধনের আদেশ দিলে কোন ধারানুযায়ী ঐ আদেশের বিরুদ্ধে দেওয়ানি আদালতে কোনো প্রতিকার চাওয়া যাবে না?
- 144
- 144A
- 144B
- 145
The State Acquisition and Tenancy Act,1950-এর ১৪৪ ধারার অধীনে খতিয়ান প্রস্তুত বা সংশোধনের আদেশ দিলে 144B ধারানুযায়ী ঐ আদেশের বিরুদ্ধে দেওয়ানি আদালতে কোনো প্রতিকার চাওয়া যাবে না
-
হোল্ডিং ওভার(Holding over) কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
- বন্ধন
- ইজারা
- ট্রাষ্ট
- দান
হোল্ডিং ওভার(Holding over) ইজারা ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
-
‘নিমর্রাজি’ শব্দে ‘নিম’ কোন ভাশার উপসর্গ?
- তৎসম
- হিন্দি
- ফারসি
- আরবি
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ফারসি উপসর্গ এর সংখ্যা ১০ টি। যেমন: না,নিম,ফি,বে,ব,দর,কার,বর,বদ,কম। তন্মধ্যে "নিম" একটি।" নিম" উপসর্গ টি আধা বা কম অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন: নিমরাজি,নিমখুন ইত্যাদি।
-
The Registration Act , 1908 বিধান অনুযায়ী নিচের কোনটি ‘স্থাবর সম্পত্তি নয় ?
- পতিত জমি
- ঘরবাড়ি
- জলাশয়ের মৎস্য ধারার অধিকার
- দন্ডায়মান কোনো বৃক্ষ
The Registration Act , 1908 বিধান অনুযায়ীি দন্ডায়মান কোনো বৃক্ষ ‘স্থাবর সম্পত্তি নয়
-
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- এর ৯৬ ধারার বিধানমতে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রেশনের কত সময় পর অগ্রক্রয়ের দরখাস্ত আর গ্রহণযোগ্য হবে না ?
- ২ মাস
- ১ বৎসর
- ২ বৎসর
- ৩ বৎসর
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- এর ৯৬ ধারার বিধানমতে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রেশনের ৩ বৎসর সময় পর অগ্রক্রয়ের দরখাস্ত আর গ্রহণযোগ্য হবে না
-
কোন আইন অনুসারে সিলেটে সিএস (CS) খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় ?
- The State Acquisition and Tenancy Act, 1950
- The Non-Agricultural Tenancy Act , 1949
- The Sylhet Tenancy Act, 1936
- The Bengal Tenancy Act, 1885
তবে জরিপ কার্যক্রম জরুরী বিবেচনায় ১৯৩৬ সালের সিলেটপ্রজাস্বত্ব আইনের (Sylhet tenancy Act) আওতায় জেলার ক্যাডাষ্ট্রাল সার্ভে১৯৫০ সালে আরম্ভ করা হয় এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহন ও প্রজাস্বত্বআইন ১৯৫০ এর অধীনে ঐ জরিপ ১৯৬৩ সালে শেষ হয়। উক্ত জরিপে নকশা ও রেকর্ড উভয়ইপ্রস্তুত করা হয়। সি. এস.
-
The Non-Agricultural Tenancy Act , 1949 -এর ৩ ধারায় অকৃষি প্রজাগণকে কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে?
- ২
- ৩
- ৪
- ৬
The Non-Agricultural Tenancy Act , 1949 -এর ৩ ধারায় অকৃষি প্রজাগণকে ২ টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে
-
প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ বিষয়ে শিশু আইন , ২০১৩ এর কোন ধারায় বর্ণিত আছে ?
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ: শিশু আইন, ২০১৩ এর ৫ ধারায় প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগের বিধান দেয়া হয়েছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী সরকার প্রত্যেক জেলা, উপজেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য এক বা একাধিক প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ করবেন।
Ans: 5
-
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০০ এ 'নবজাতক শিশু' অর্থ অনূর্ধ্ব _ দিন বয়সের কোনো শিশু ।
- ২১
- ৩০
- ৪০
- ৬০
নারী ও শিশু নির্যাতন ও দমন আইন-২০০০-এ প্রদত্ত শিশু ও নারীর সংজ্ঞাও বিভ্রান্তি তৈরি করছে। এই আইনে প্রদত্ত সংজ্ঞায় 'নবজাতক শিশু' অর্থ অনূর্ধ্ব ৪০ দিন বয়সের কোনো শিশু; 'শিশু' অর্থ অনধিক ১৬ বছর বয়সের কোনো ব্যক্তি এবং 'নারী' অর্থ যেকোনো বয়সের নারী।
Ans: 40
-
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০০ অনুযায়ী সাধারন জখমের সর্বোচ্চ শাস্তি কত বৎসর ?
- ১২
- ৫
- ৩
- ১
যদি কোনো ব্যক্তি মুক্তি পণ আদায়ের উদ্দেশ্যে কোনো নারী বা শিশুকে আটক করেন, তাহলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন। যদি কোনো ব্যক্তি কোনো নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন তাহলে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন ও অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন.
সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বৎসর
-
The Special Power Act,1974 অনুযায়ী নাশকতা (sabotage) - এর সর্বোচ্চ শাস্তি কত ?
- ১৫ বৎসর কারাদন্ড
- যাবজ্জীবন কারাদন্ড
- ১৪ বৎসর কারাদন্ড
- মৃত্যুদন্ড
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী সাধারণ জখমের সর্বোচ্চ শাস্তি — ৩ বছর। The Special Powers Act, 1974 অনুযায়ী নাশকতা (sabotage)-এর সর্বোচ্চ শাস্তি—- মৃত্যুদণ্ড।
-
মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে ?
- আপিল ট্রাইব্যুনালে
- দায়রা জজ আদালতে
- হাইকোর্ট বিভাগে
- স্পেশাল জজ আদালতে
মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবেহাইকোর্ট বিভাগে
-
মানিলন্ডারিং অপরাধ করলে অর্থদন্ড হবে অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির _ মূল্যের ।
- সমান
- দিগুণ
- তিন গুণ
- চার গুণ
মানিলন্ডারিং অপরাধের শাস্তি রাখা হয়েছে; (১) ব্যক্তির ক্ষেত্রেঃ অন্যূন ৪ (চার) বছর এবং অনধিক ১২ (বার) বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ড এবং (২) প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেঃ অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের
-
দুর্নীতি সম্পর্কিত কোনো অভিযোগের অনুসদ্ধান বা তদন্তের ক্ষত্রে দুর্নীতি দমন কমিশনের ক্ষমতা প্রয়োগে বাধা প্রদানের শাস্তি সর্বোচ্চ কত বৎসর ?
- ৭
- ৫
- ৩
- ১
দুর্নীতি সম্পর্কিত কোনো অভিযোগের অনুসদ্ধান বা তদন্তের ক্ষত্রে দুর্নীতি দমন কমিশনের ক্ষমতা প্রয়োগে বাধা প্রদানের শাস্তি সর্বোচ্চ ৩ বৎসর
-
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন , ২০১২ অনুসারে অপরাধের তদন্ত করতে পারেন সর্বনিম্ন কোন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা?
- সহকারী উপ-পরিদর্শক
- উপ-পরিদর্শক
- পরিদর্শক (তদন্ত)
- সহকারী পুলিশ সুপার
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন , ২০১২ অনুসারে অপরাধের তদন্ত করতে পারেন সর্বনিম্ন উপ-পরিদর্শক পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা
-
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুযায়ী সাইবার ট্রাইব্যুনাল সময় বৃদ্ধি না করলে বিচারকার্য সমাপ্তির কত দিনের মধ্যে রায় প্রদান করবেন?
- ৭
- ১০
- ১৫
- ২১
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিচার হবে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে। অভিযোগ গঠনের ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে। তবে এর মধ্যে করা সম্ভব না হলে সর্বোচ্চ ৯০ কার্যদি
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুযায়ী সাইবার ট্রাইব্যুনাল সময় বৃদ্ধি না করলে বিচারকার্য সমাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে রায় প্রদান করবেন
-
একটি বালতির ১,৩
অংশ ভর্তি আছে । যদি ৫ লিটার সরানো হয় তবে ১,৬ অংশ ভর্তি থাকে । বালতিটি কত লিটার ধারান করতে পাড়ে ?
- ২০
- ২৫
- ৩০
- ৩৫
Ans: 30