বিগত সালে অনুষ্ঠিত হওয়া একটিপ্রাইভেট ব্যাংকের মূল প্রশ্ন - Jul 27
চাকুরী প্রস্তুতি - ব্যাংক · পরীক্ষার সাল ২০২৬
-
পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা হতে চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যার বিয়োগফল কত?
- ১
- ৯
- ১০০
- -১
প্রশ্ন: পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা এবং চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যার অন্তর কত?
সমাধান:
৫ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১০০০০
৪ অংকের বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৯৯৯
পার্থক্য = ১০০০০ - ৯৯৯৯
= ১ - ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়-
- ১৭৮৯ সালে
- ১৭৯৯ সালে
- ১৮৮৯ সালে
- ১৯১৭ সালে
ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয় ফ্রান্সে ১৭৮৯ সালে।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই ফ্রান্সের প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- বাস্তিল দুর্গেল পতনের মাধ্যমে সমস্ত বন্দিরাও মুক্তি পায় এবং ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়। এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল। ১৭৯৯ সালে এই বিপ্লব শেষ হয়।
- ফরাসি বিপ্লবের মূলমন্ত্র ছিল 'স্বাধীনতা, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব'। এর লক্ষ্য ছিল সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা।
• ফরাসি বিপ্লবের ফলাফল:
- ফরাসি বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ফ্রান্সে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা পায়।
- ধর্মীয় ও ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত হয় এবং আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমান অধিকারের ধারণা প্রাধান্য পায়।
- ফরাসি বিপ্লব আধুনিক ইউরোপের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে।
উৎস: Britannica. - কোন বানানটি সঠিক?
- নিরীক্ষণ
- নীরিক্ষন
- নিরীক্ষন
- নীরিক্ষণ
নিরীক্ষণ (বিশেষ্য)
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় = নির্+√ঈক্ষ্+অক
অর্থ: যত্ন সহকারে অবলোকন, গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি। - চীনের মুদ্রার নাম কী?
- ফ্রা
- ইউয়ান
- তুয়ান
- ইয়েন
চীন:
- চীন পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীন।
- রাজধানী: বেইজিং।
- মুদ্রা: ইউয়ান।
- ভাষা: মান্দারিন।
- আইনসভা: ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: লি কিয়াং।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: শি জিন পিং।উল্লেখ্য,
- চীনের মুদ্রার নাম রেনমিনবি (Renminbi বা RMB)। তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এবং সাধারণ লেনদেনে এটি ইউয়ান (Yuan) নামে পরিচিত। মুদ্রার আন্তর্জাতিক কোড বা সংক্ষিপ্ত রূপ হলো CNY।
উৎস: Worldatlas. - আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে?
- বিল গেটস
- আইকেন
- চার্লস ব্যাবেজ
- জর্জ ভোলে
চার্লস ব্যাবেজ:
- চার্লস ব্যাবেজ একজন ইংরেজ যন্ত্র প্রকৌশলী, গণিতবিদ, আবিষ্কারক ও দার্শনিক।
- তাকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক মনেকরা করা হয়।
- তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিন নামে দুইটি যান্ত্রিক কম্পিউটার তৈরি করেছিলেন। তার তৈরি অ্যানালাইটিকাল ইঞ্জিন যান্ত্রিকভাবে গাণিতিক কাজ সম্পাদন করতে পারত এবং এই ইঞ্জিনের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য আজকের কম্পিউটারের ডিজাইনে এখনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়৷
- তিনি ১৮৩৩ সালে ব্যাবেজ 'অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিন' নামে একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন এবং নকশা তৈরি করেন। ব্যাবেজ আধুনিক কম্পিউটারের মতোই তাঁর মেশিনে নিয়ন্ত্রণ অংশ, গাণিতিক অংশ, স্মৃতি অংশ, গ্রহণ মুখ, নির্গমন মুখ চিহ্নিত করেন। কিন্তু সে সময়ে কারিগরি অনগ্রসরতার কারণে এ যন্ত্রের বাস্তব রূপ দিয়ে যেতে পারেননি। তবুও তাঁর চিন্তা-ভাবনাই পরবর্তীতে কম্পিউটার উন্নয়নে সাহায্য করে। তাই চালর্স ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
উল্লেখ্য,
- জন ভন নিউম্যান:
জন ভন নিউম্যান একজন হাঙ্গেরিয়ান-আমেরিকান গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী ছিলেন, যিনি আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞানে অপরিহার্য অবদান রাখেন। তিনি বিশেষ করে কম্পিউটার আর্কিটেকচারে তাঁর অবদানের জন্য পরিচিত, যা পরবর্তীতে "ভন নিউম্যান আর্কিটেকচার" নামে পরিচিত হয়।
- অ্যালান টুরিং:
তিনি কম্পিউটেশনাল থিওরি এবং অ্যালগরিদমের বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। টুরিং তাঁর "টুরিং মেশিন" ধারণার মাধ্যমে যেকোনো গণনা যন্ত্রের মৌলিক কাজ করার ক্ষমতা সম্পর্কে তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা প্রদান করেন, যা আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞানের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এই অবদানের কারণে, এলান টুরিংকে প্রায়ই "কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক" হিসেবে অভিহিত করা হয়।
উৎস: Britannica. - চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেন কে?
- লর্ড কর্নওয়ালিস
- লর্ড কার্জন
- লর্ড ডালহৌসি
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিং
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
- ১৭৯৩ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন। এই ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলার জমিদারদের সাথে নির্দিষ্ট হারে জমির কর বা রাজস্ব চিরকালের জন্য নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।
- এ চুক্তির আওতায় জমিদার উপনিবেশিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় ভূ-সম্পত্তির নিরঙ্কুশ স্বত্বাধিকারী হন।
উল্লেখ্য,
- ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস ‘পাঁচসালা বন্দোবস্ত এবং ‘একসালা বন্দোবস্ত' প্রবর্তন করেন।
- কিন্তু এ দুটি বন্দোবস্ত রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হয়নি।
- এমতাবস্থায় গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ নানা বিচার-বিশ্লেষণ করে ১৭৯৩ সালে ভূমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এক নতুন প্রথার প্রবর্তন করেন। ইতিহাসে এটি ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' নামে পরিচিত।
- এর মাধ্যমে ইংরেজরা এদেশে তাদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন।
- এক্ষেত্রে তারা অনেক সফলতা লাভ করলেও এ ব্যবস্থার ফলে সাধারণ কৃষক এমনকি অনেক সম্ভ্রান্ত বনেদি জমিদার সর্বশান্ত হয়ে পড়ে।
- অন্যদিকে নগদ টাকার মালিক ও পুঁজিপতি মহাজনরা রাতারাতি জমিদারে পরিণত হয়।
- নব সৃষ্ট এ জমিদার শ্রেণী ইংরেজ শাসনের জন্য একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি স্থাপনে সহায়ক শক্তির ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৫০ সালে এ ব্যবস্থা উচ্ছেদ করা হয়।উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। - কোন আমলে সোনারগাঁও বাংলাদেশের রাজধানী ছিল?
- সুলতানি আমলে
- মুঘল আমলে
- পাল আমলে
- মৌর্য আমলে
সোনারগাঁও:
- সোনারগাঁও প্রধানত সুলতানী আমলে (বিশেষ করে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ ও গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের শাসনামলে) বাংলার রাজধানী ছিল। পরবর্তীতে মোঘল আমলে ১৬১০ সালে ঢাকায় রাজধানী স্থানান্তরিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এটি পূর্ববঙ্গের একটি প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র ও ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের রাজধানী হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
• সোনারগাঁও বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক জনপদ এবং বাংলার প্রাচীন রাজধানী। আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়। মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।
- ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর প্রতিষ্ঠা করা বাংলার প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের রাজধানী হয় সোনারগাঁও। ইতিহাসবিদরা বলেন, এটাই সোনারগাঁ-এর সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্য়ন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী। ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী। সোনারগাঁও-এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।
উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া। - পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান কোথায়?
- ক্যারিবিয়ান সাগর
- ভারত মহাসাগর
- ভূমধ্যসাগর
- কৃষ্ণ সাগর
পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ:
- পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ বা ওয়েস্ট ইন্ডিজ (West Indies) হলো উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যবর্তী ক্যারিবিয়ান সাগরে অবস্থিত প্রায় ৭০০টিরও বেশি দ্বীপ ও প্রবাল প্রাচীরের একটি বিশাল সমষ্টি।
- এটি ক্যারিবীয় অঞ্চল নামেও ব্যাপকভাবে পরিচিত।
এই দ্বীপপুঞ্জটি মূলত তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত:
- বৃহত্তর আন্তিলীয় দ্বীপপুঞ্জ: কিউবা, জ্যামাইকা, হিস্পানিওলা (হাইতি ও ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র) এবং পুয়ের্তো রিকো।
- ক্ষুদ্রতর আন্তিলীয় দ্বীপপুঞ্জ: ক্যারিবীয় সাগরের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত ছোট ছোট দ্বীপগুলোর একটি চাপ বা বৃত্ত।
- লুকায়ান দ্বীপপুঞ্জ: কিউবার উত্তর-পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত, যার মধ্যে বাহামা এবং তুর্কস ও কাইকোস দ্বীপপুঞ্জ অন্তর্ভুক্ত।
উৎস: Britannica. - পৃথিবীর দীর্ঘতম রেলপথের নাম কী?
- Oriental Express
- Trans Canadian Railway
- Trans Siberian Railway
- Eureo Express
ট্রান্স সাইবেরিয়ান রেলপথ:
- পৃথিবীর দীর্ঘতম রেলপথের নাম ট্রান্স-সাইবেরিয়ান রেলওয়ে (Trans Siberian Railway)।
- এই রেলপথটি রাশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি রাশিয়ার রাজধানী মস্কোকে দেশটির প্রত্যন্ত অঞ্চল সাইবেরিয়ার সাথে যুক্ত করেছে।
- সেই সাথে ৯,২৮৯ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই রেলপথটি দুটি শাখার মাধ্যমে চীন, মঙ্গোলিয়া ও উত্তর কোরিয়াকেও সংযুক্ত করেছে।উল্লেখ্য,
- ট্রান্স-সাইবেরিয়ান রেলপথ সাইবেরিয়া অঞ্চলে গভীর প্রভাব ফেলেছে।
- সেইসাথে রাশিয়ান সাম্রাজ্য এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের অর্থনৈতিক ও সামরিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করছে।
- মঙ্গোলিয়া, চীন এবং উত্তর কোরিয়ায় এই রেলপথের সংযোগকারী শাখা আছে।উৎস: Britannica.
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন-
- ১৭ই মার্চ
- ২৬শে মার্চ
- ৩০শে মার্চ
- ১৮ই মার্চ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- শেখ মুজিবুর রহমান ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৪২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোপালগঞ্জ মিশনারী স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ থেকে আই.এ পাশ করেন।
• ১৯৫৩ সালে শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত এ পদে বহাল ছিলেন। ১৯৬৬ সালেই তিনি দলের সভাপতি হন। ১৯৬৬ সালে তিনি তাঁর বিখ্যাত ছয়দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া। - পলাশীর যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়-
- ২৩ জুন, ১৭৫৫
- ২৩ জুন, ১৭৫৬
- ২৩ জুন, ১৭৫৭
- ২৩ জুন, ১৭৫৮
পলাশী যুদ্ধ:
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল তাই পলাশীর যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এ যুদ্ধ আট ঘণ্টার মতো স্থায়ী ছিল।
- প্রধান সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোম্পানি কর্তৃক পরাজিত হন।
- এ যুদ্ধের রাজনৈতিক ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী ও ধ্বংসাত্মক।
- এর ফলে বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।উল্লেখ্য,
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- নবাবের পক্ষে সৈন্যসংখ্যা ছিল প্রায় ৬৫ হাজার।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পক্ষে ছিল মাত্র ৩ হাজার।
- জেতার সব ধরণের সুযোগ সুবিধার পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- ইংরেজরা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।
- অপরদিকে ফরাসিরা এদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।
- এ ভাবেই এ যুদ্ধে বাংলা তথা ভারতের স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হয়।উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয়-
- ২রা মার্চ, ১৯৭১
- ১লা মার্চ, ১৯৭১
- ৩রা মার্চ, ১৯৭১
- কোনোটিই নয়
জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রং উজ্জ্বল সবুজের মাঝখানে রক্ত বর্ণের ভরাট বৃত্ত। পতাকার সবুজ অংশ তারুণ্যের উদ্দীপনা এবং গ্রাম বাংলার বিস্তৃত সবুজ প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রতীক। পতাকার রক্তবর্ণের ভরাট বৃত্তটি স্বাধীনতার নতুন সূর্যের প্রতীক।
- সংবিধানের ৪নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪(১) অনুযায়ী, ‘প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হচ্ছে সবুজ ক্ষেত্রের ওপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।’
• প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল। শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- ২৩ মার্চ ১৯৭১, শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবনে প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করা হয় এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে উত্তোলিত হয়েছিল।
- পরবর্তীতে, ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি যখন মানচিত্র বাদ দিয়ে পতাকা সংশোধন করা হয় এবং এর চূড়ান্ত মাপ ও রং নির্ধারণ করা হয়, তখন এই আনুষ্ঠানিক নকশাটি করেছিলেন প্রখ্যাত শিল্পী কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সরকারিভাবে ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২ তারিখে গৃহীত হয়। এই দিনেই মানচিত্র খচিত প্রথম পতাকার পরিবর্তে মানচিত্র ছাড়া বর্তমান সবুজ আয়তক্ষেত্রে লাল বৃত্ত সংবলিত পতাকাটি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পায়। এর আগে ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে মানচিত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা থেকে সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের বাইরে প্রথম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় ১৮ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে কলকাতায় অবস্থিত পাকিস্তান ডেপুটি হাইকমিশনে।উৎস: i) স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
ii) প্রথম আলো।
iii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। - ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন হয়-
- ব্রিটিশ আমলে
- মুঘল আমলে
- সুলতানি আমলে
- নবাবি আমলে
১৬১০ সালে মুঘল সুবাদার ইসলাম খান প্রথম বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে এর নাম রাখেন 'জাহাঙ্গীরনগর'। মূলত এই মুঘল আমলেই ঢাকা একটি পূর্ণাঙ্গ ও গুরুত্বপূর্ণ নগরী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
রাজধানী ঢাকা:
- এটি বাংলাদেশের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর।
- মুঘল সম্রাট আকবরের সময় বাংলার রাজধানী ছিল বিহারের রাজমহল।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছানুযায়ী ১৬১০ সালে ঢাকাকে সর্বপ্রথম সুবাহ বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়।উল্লেখ্য,
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ফরমান অনুযায়ী ১৬ জুলাই ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়। সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়।
- এর আগে সম্রাট আকবরের আমলে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার প্রাদেশিক রাজধানী ছিলো বিহারের রাজমহল।
- বারো ভূইয়ার নিয়ন্ত্রণ থেকে বাংলাকে করতলগত করতে ১৫৭৬ থেকে ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বারবার চেষ্টা চালানো হয়। এরপর সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে ১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম খান চিশতীকে রাজমহলের সুবেদার নিযুক্ত করেন। তিনি ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনা করে রাজধানী রাজমহল থেকে সরিয়ে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাঙ্গাপিডিয়া। - বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়-
- ১০ই এপ্রিল, ১৯৭১
- ১৭ই এপ্রিল, ১৯৭১
- ১৬ই এপ্রিল, ১৯৭১
- ২৬শে মার্চ, ১৯৭১
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় এই সরকার শপথ গ্রহণ করে। এটি 'মুজিবনগর সরকার' নামেই সমধিক পরিচিত।
- অধ্যাপক ইউসুফ আলী অস্থায়ী সরকারের সদস্যদের শপথ পাঠ করান এবং শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ।
- শপথ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে এই সরকারের সচিবালয় বা সদরদপ্তর ছিলো কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড।• বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়: খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়: এ এইচ এম কামরুজ্জামান,
- প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী,
- চিফ অব স্টাফ: লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব,
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
⇒ সরকারকে নীতি নির্ধারণী পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য ৯ সদস্যের একটি উপদেষ্টা কাউন্সিল গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশের এই অস্থায়ী সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয়।উল্লেখ্য,
- শুধু মন্ত্রণালয় বললে ১২টি কিন্তু বিভাগ ও মন্ত্রণালয় বললে ১৫ টি।উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র: তৃতীয় খণ্ড। - বার ভূঁইয়াদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ভূঁইয়া কে ছিলেন?
- চাঁদ রায়
- কেদার রায়
- কন্দন রায়
- ঈশা খাঁ
বারো ভূঁইয়া:
- বাংলার বারো ভূঁইয়া ছিলেন ১৬শ ও ১৭শ শতাব্দীতে মুঘল সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা বারোজন স্বাধীনচেতা স্থানীয় জমিদার ও ভৌমিক।
- ভূঁইয়া শব্দের অর্থ হলো ভৌমিক বা ভূস্বামী- যিনি প্রচুর জমির অধিকারী।
- মুঘল সম্রাট আকবর ও জাহাঙ্গীরের আমলে তাঁরা বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল শাসন করতেন এবং মুঘলদের অধীনতা অস্বীকার করেছিলেন।
- বাংলার ইতিহাসে 'বারো ভূঁইয়া' বলতে কোনো নির্দিষ্ট ১২ জন ব্যক্তিকে বোঝায় না, বরং শক্তিশালী জমিদারদের একটি সমষ্টিকে বোঝায়।
- মুঘল সুবেদার ইসলাম খানের কাছে সর্বশেষ মুসা খাঁর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে বারো ভূঁইয়াদের শাসনের পতন ঘটে এবং সম্পূর্ণ বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।বাংলার বারো ভূঁইয়াগণ:
- বিভিন্ন ঐতিহাসিকগণ বাংলার বারো ভূঁইয়াদের সংখ্যা বারোজন বা তার বেশি-র উল্লেখ করেছেন। তবে এ বারো ভূঁইয়াদের মধ্যে সোনারগাঁও এর ঈসা খাঁ ও তার পুত্র মুসা খাঁ, যশোরের প্রতাপাদিত্য, বিক্রমপুরের কেদার রায় ও চাঁদ রায়, বরিশালের কন্দর্প নারায়ণ, ফরিদপুরের মুকুন্দ রাম রায়, নোয়াখালীর লক্ষ্মণ মাণিক্য, নাটোরের কংস নারায়ণ, বাকুড়ার বীর হাম্মীর, ভাওয়ালের ফজল গাজী, চন্দ্রপ্রতাপের চাঁদ গাজী, পুটিয়ার পীতাম্বর রায় এবং দিনাজপুরের প্রমথ রায় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- এছাড়াও বাহাদুর গাজী, সোনা গাজী, ওসমান খান, রাজা ছত্রজিৎ ও রাজা অনন্ত মাণিক্যও বারো ভূঁইয়াদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
উল্লেখ্য,
- বারো ভূঁইয়াদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে প্রভাবশালী ভূঁইয়া ছিলেন ঈশা খাঁ। তিনি ভাটি অঞ্চলের (বর্তমান বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ এলাকা) অধিপতি ছিলেন এবং মুঘল সম্রাট আকবরের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন বীরত্বের সাথে নিজের অঞ্চল ও স্বাধীনতা রক্ষা করেছিলেন।
উৎস: i) BBC বাংলা।
ii) বাংলাপিডিয়া। - কত সালে বঙ্গভঙ্গ হয়?
- ১৭৫৭
- ১৮৫৭
- ১৯০৫
- ১৯৪৭
লর্ড কার্জনের উদ্যোগে ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ হয়।
বঙ্গভঙ্গ:
- বঙ্গভঙ্গ বলতে মূলত ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জনের আদেশে অবিভক্ত বাংলা প্রদেশকে দু’ভাগে বিভক্ত করার ঘটনাকে বোঝায়। শাসনকার্য পরিচালনার সুবিধার্থে এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদকে দুর্বল করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর কার্যকর হওয়া এই বিভাজনের মাধ্যমে তৎকালীন বৃহৎ বাংলা প্রদেশ ভেঙে দুটি নতুন প্রদেশ তৈরি করা হয়।
- পূর্ববঙ্গ ও আসাম: ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী বিভাগ এবং আসাম নিয়ে গঠিত এই মুসলিম-প্রধান অঞ্চলের রাজধানী ছিল ঢাকা।
- পশ্চিমবঙ্গ: বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত এই হিন্দু-প্রধান অঞ্চলের রাজধানী ছিল কলকাতা।• ফলাফল ও রদ:
- বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায় এই বিভাজনকে ‘বাঙালি জাতির ঐক্যকে ধ্বংস করার চক্রান্ত’ মনে করে তীব্র প্রতিবাদ ও 'স্বদেশী আন্দোলন' গড়ে তোলে।
- তীব্র গণআন্দোলন এবং স্বদেশী আন্দোলনের মুখে ১৯১১ সালের ১২ই ডিসেম্বর দিল্লির দরবারে ব্রিটিশ সম্রাট পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন। এটি কার্যকর করেছিলেন তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ এবং বাংলা পুনরায় একত্রিত হয়।উৎস: ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- 'ডকুমেন্টারি হেরিটেজ' হিসেবে ইউনেঙ্কো কর্তৃক ঘোষিত হয়েছে -
- ছয়দফা কর্মসূচির দলিল
- বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ
- জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর বাংলা ভাষণ
- সব কয়টি
মেমরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড:
- 'মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড' (Memory of the World) হলো ইউনেস্কোর একটি আন্তর্জাতিক কর্মসূচি, যা ১৯৯২ সালে চালু হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো কাল ও জলবায়ুজনিত ক্ষয়, অবহেলা এবং ইচ্ছাকৃত ধ্বংসের হাত থেকে মানবজাতির গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য, ঐতিহাসিক দলিল ও সংগ্রহ সংরক্ষণ করা এবং বিশ্বব্যাপী এগুলোর সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা।
উল্লেখ্য,
- ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো) ইউনেস্কো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে 'মেমরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড' রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে 'বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য' বা 'ডকুমেন্টারি হেরিটেজ' হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন ওয়েবসাইট। - পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য-
- ৬.০০ কিমি
- ৬.৩০ কিমি
- ৬.১০ কিমি
- ৬.১৫ কিমি
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু। এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- প্রকল্পের নাম: পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্প।
- প্রকল্পের অবস্থান: রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলায় প্রকল্পের অবস্থান। সেতু উত্তর প্রান্তে মাওয়া, লৌহজং, মুন্সীগঞ্জ এবং দক্ষিণ প্রান্তে জাজিরা, শরীয়তপুর ও শিবচর, মাদারীপুর।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয়।
• সেতুর দৈর্ঘ্য: ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
উৎস: i) বিবিসি।
ii) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট। - কোন দেশ এশিয়া ও ইউরোপ উভয় মহাদেশে অবস্থিত?
- আজারবাইজান
- ইরান
- সৌদিআরব
- তুরস্ক
ইউরেশীয় দেশ:
- তুরস্ককে বলা হয় ইউরেশীয় দেশ। এর ইস্তানবুল শহরের একাংশ পড়েছে ইউরোপে এবং বাকি অংশ পড়েছে এশিয়ায়।
- এটি বিচ্ছিন্ন হয়েছে বসফরাস প্রণালী দ্বারা।
- তাই ইস্তানবুল শহরকে ইউরেশিয়ান শহর বলা হয়।
• তুরস্ক:
- বর্তমানে দেশটি তুর্কিয়ে (TURKIYE) প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
- এক সময়ে অটোমান সাম্রাজ্যের কেন্দ্রবিন্দু ছিল তুরস্ক। কামাল আতাতুর্কের নেতৃত্বে দেশটি আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে বিকাশ লাভ করে।
- রাজধানী: আঙ্কারা।
- বৃহত্তম নগরী ইস্তাম্বুল।
- মুদ্রা: লিরা।
উৎস: Britannica. - NATO কোন ধরনের জোট?
- রাজনৈতিক
- সামাজিক
- পরিবেশ
- সামরিক
North Atlantic Treaty Organisation (NATO) মূলত একটি রাজনৈতিক ও আন্তঃসরকারি সামরিক সহযোগিতার জোট। যদিও ন্যাটোর রাজনৈতিক লক্ষ্য বা মূল্যবোধ রয়েছে, তবে এটি মূলত কোনো সাধারণ রাজনৈতিক জোট হিসেবে গঠিত হয়নি, এর মূল ভিত্তি ও কর্মপরিধি সামরিক প্রতিরক্ষাকেন্দ্রিক।
তাই অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে সামরিক নেওয়া হয়েছে।
NATO:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- দাপ্তরিকভাবে ন্যাটো গঠনের উদ্দেশ্য হচ্ছে "উত্তর আটল্যান্টিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ" নিশ্চিত করে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর 'স্বাধীনতা, অভিন্ন ঐতিহ্য এবং সভ্যতার' রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করা। চুক্তি অনুযায়ী, ন্যাটো ভুক্ত যে কোনো দেশের উপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটি জোটভুক্ত সব দেশের উপর হামলা বলেই গণ্য হবে এবং সব দেশ একে অন্যের সহায়তায় এগিয়ে আসবে।
• উত্তর আটলান্টিক চুক্তির ৫ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, ন্যাটোর একজন সদস্যের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আক্রমণ সকল সদস্যের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং প্রতিটি সদস্যের জন্য তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসার বাধ্যবাধকতা তৈরি করে। এই সহায়তায় সশস্ত্র শক্তির ব্যবহার জড়িত থাকতে পারে বা নাও থাকতে পারে, এবং উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের নিরাপত্তা পুনরুদ্ধার এবং বজায় রাখার জন্য মিত্ররা প্রয়োজনীয় মনে করলে যে কোনও পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
উল্লেখ্য,
- ২০২৬ সালের ৭-৮ জুলাই ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত হয়।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট। - কোন দেশ বাংলা ভাষাকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে?
- ভারত
- নেপাল
- জাপান
- সিয়েরা লিওন
সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা:
- আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওন বাংলা ভাষাকে তাদের দ্বিতীয় ভাষার মর্যাদা দিয়েছে।
• ১৯৯১ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত দেশটি গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত হয়েছে।সেই সময়টাতে সিয়েরা লিওনে শান্তি ফেরাতে বিপুল পরিমাণ শান্তি বাহিনী নিয়োগ করে জাতিসংঘ। তাদের বড় একটি অংশজুড়ে ছিল বাংলাদেশি সেনাবাহিনীর সদস্যরা। বিদ্রোহীদের দখলকৃত অঞ্চলগুলোকে মুক্ত করতে বাংলাদেশের সেনা সদস্যদের কার্যক্রম ছিল অনবদ্য।
- ২০০২ সালে গৃহযুদ্ধ শেষে সিয়েরা লিওনে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশি সৈন্যদের অবদানের প্রতি সম্মান জানাতে, সে দেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আহমাদ তেজান কাব্বাহ বাংলাকে 'সম্মানসূচক ভাষা' হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।
উল্লেখ্য,
- ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমার স্ক্যানারের অনুসন্ধানে বাংলা সিয়েরা লিওনের দ্বিতীয় সরকারি, দাপ্তরিক বা রাষ্ট্রভাষা বলে দীর্ঘদিন যাবৎ প্রচার হয়ে আসা তথ্যটি সঠিক নয়।
উৎস: i) দৈনিক ইত্তেফাক।
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। - 'গ্রিনিচ' শব্দটি কীসের সাথে সম্পর্কিত?
- সময়
- দূরত্ব
- ওজন
- দৈর্ঘ্য
গ্রিনিচ:
- 'গ্রিনিচ' শব্দটি মূলত সময়ের সাথে সম্পর্কিত।
- লন্ডনের রয়্যাল গ্রিনিচ মানমন্দিরের যেটি ০° দ্রাঘিমা বা মূল মধ্যরেখা হিসেবে পরিচিত, স্থানীয় সময়কে ভিত্তি করে বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক মান সময় (GMT বা Greenwich Mean Time) নির্ধারণ করা হয়।
• গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷ বিশ্বব্যাপী সময় অঞ্চলগুলির জন্য এটি একটি আদর্শ রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহৃত হয়। তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়।
উল্লেখ্য,
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য +৬ ঘন্টা। অর্থাৎ, ৬ ঘণ্টা আগে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
উৎস: Britannica. - আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের সর্ববৃহৎ দেশ-
- কানাডা
- রাশিয়া
- ব্রাজিল
- ভারত
আয়তনের দিক থেকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দেশ হলো রাশিয়া।
রাশিয়া:
- আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়া। উত্তর এশিয়া ও পূর্ব ইউরোপের বিশাল অংশজুড়ে রাশিয়ার অবস্থান। এর উত্তরে আর্কটিক মহাসাগর, পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগর এবং দক্ষিণে কাস্পিয়ান সাগর ও ককেশাস পর্বতমালা।
- আয়তন: ১ কোটি ৭০ লাখ ৯৮ হাজার ২৪২ বর্গকিলোমিটার।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর রাশিয়ান ফেডারেশন গঠিত হয়।
- সীমান্তবর্তী দেশ: ১৪টি।
- রাজধানী: মস্কো।
- মুদ্রা: রুশ রুবল।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)।
- আইনসভা: দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট। নাম: ফেডারেল অ্যাসেম্বলি: কাউন্সিল অব দ্য ফেডারেশন (উচ্চকক্ষ), স্টেট ডুমা (নিম্নকক্ষ)।
অন্যদিকে,
- কানাডা: আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কানাডা। উত্তর আমেরিকা অঞ্চলের এ দেশটির আয়তন ৯৯ লাখ ৮৪ হাজার ৬৭০ বর্গকিলোমিটার।
- চীন: চীন আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। এর আয়তন ৯৫ লাখ ৯৬ হাজার ৯৬০ বর্গকিলোমিটার।
- যুক্তরাষ্ট্র: তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান চতুর্থ। এর আয়তন ৯৫ লাখ ২৫ হাজার ৬৭ বর্গকিলোমিটার।
উৎস: Britannica. - ATM বলতে বোঝায়-
- Automatic Telephone Machine
- Automated Teller Machine
- Approved Tariff Manual
- Approved Training Manual
ATM:
- ATM-এর পূর্ণরুপ: Automated Teller Machine.
• Automated Teller Machine (ATM) বা স্বয়ংক্রিয় টেলার মেশিন হলো একটি ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং ডিভাইস। এর সাহায্যে ব্যাংকের কর্মীর সাহায্য ছাড়াই যেকোনো সময় গ্রাহকরা নিজেদের অ্যাকাউন্ট থেকে নগদ টাকা তোলা সহ ব্যালেন্স চেক, টাকা জমা, এবং ফান্ড ট্রান্সফার করতে পারেন।
উৎস: Investopedia. - ঘাটতি বাজেট কাকে বলে?
- আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হলে
- আয়ের তুলনায় ব্যয় কম হলে
- আয় এবং ব্যয় সমান সমান হলে
- কোনোটিই নয়
যে বাজেটে আয়ের চেয়ে ব্যয়ের পরিমাণ বেশি ধরা হয় তাকে ঘাটতি বাজেট বলে।
বাজেট:
- বাজেট হচ্ছে একটি দেশের এক বছরের সম্ভাব্য সব আয় ও ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব-নিকাশ বিবরণী।
• ঘাটতি বাজেট:
- কোনো আর্থিক বছরে সরকারের প্রত্যাশিত আয় অপেক্ষা ব্যয়ের পরিমাণ বেশি হলে তাকে ঘাটতি বাজেট বলে। বাজেটের এ ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে সরকার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ঋণ, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান নিয়ে থাকে।
- ঘাটতি বাজেট বলতে বোঝায় যখন ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি হয়।
- সাধারণত মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতিকে সহনীয় বলে ধরা হয়।
• বাজেট ঘাটতি দুভাবে পূরণ করা হয়।
- বৈদেশিক উৎস: এটি মূলত বৈদেশিক ঋণ। সরকার বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও দেশ থেকে সহজ শর্তে ঋণ নেয়।
- অভ্যন্তরীণ উৎস: সরকার দুভাবে দেশের ভেতর থেকে ঋণ নেয়। যেমন, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও ব্যাংকবহির্ভূত ব্যবস্থা।উল্লেখ্য,
- উন্নয়নশীল দেশগুলো সাধারণত ঘাটতি বাজেটই প্রণয়ন করে। বাংলাদেশও শুরু থেকেই ঘাটতি বাজেট প্রণয়ন করেছে।
- উন্নয়নশীল দেশে প্রাকৃতিক সম্পদের পরিপূর্ণ ব্যবহার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি ও জনগণের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে কিছুটা ঘাটতি বাজেট প্রণয়ন করতে হয়।
- অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশে কিছুটা ঘাটতি থাকা ভালো।
উৎস: i) অর্থবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। - ইস্তানবুলের পূর্বনাম-
- আংকারা
- ইজমির
- কনস্ট্যান্টিনোপল
- আদানা
ইস্তানবুল:
- ইস্তাম্বুল হলো তুরস্কের বৃহত্তম ও সবচেয়ে জনবহুল শহর।
- এটি বিশ্বের একমাত্র শহর যা এশিয়া এবং ইউরোপ—এই দুটি মহাদেশের সীমানায় অবস্থিত। প্রাচীন রোমান, বাইজেন্টাইন এবং উসমানীয় সাম্রাজ্যের রাজধানী হিসেবে এর ইতিহাস ও স্থাপত্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত।
- বসফরাস প্রণালী (Bosphorus) ইস্তাম্বুলকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে, যার একপাশে ইউরোপ এবং অন্যপাশে এশিয়া। এটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থিত।
উল্লেখ্য,
- তুরস্কের সর্ববৃহৎ শহর ইস্তাম্বুলের প্রধান ও সর্বাধিক পরিচিত পূর্বনাম হলো কনস্ট্যান্টিনোপল। উসমানীয় সাম্রাজ্যের আমলে এটি কোসতানতিনিয়্য নামেও পরিচিত ছিল। এরও আগে প্রাচীন গ্রিক শাসনামলে এটি বাইজেন্টাইন বা বাইজান্টিয়াম নামে পরিচিত ছিল।
উৎস: Britannica. - ভারতীয় উপমহাদেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান হয়-
- ১৮৫৭ সালে
- ১৮৫৮ সালে
- ১৮৫৯ সালে
- ১৮৬০ সালে
ভারতীয় উপমহাদেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে ১৮৫৮ সালে।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যা ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নামেও পরিচিত ছিল ইংল্যান্ডের রানি প্রথম এলিজাবেথের দেওয়া রাজকীয় সনদের মাধ্যমে গঠিত একটি ব্রিটিশ জয়েন্ট-স্টক কোম্পানি।
- ১৬০৮ সালে কোম্পানিটি বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে সুরাটে প্রথম ঘাঁটি স্থাপন করে।
- মূলত এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাথে মশলা, তুলা, রেশম, নীল, চা এবং আফিম বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে এই কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- পরবর্তীতে মুঘল সম্রাট এবং বাংলার নবাবদের কাছ থেকে বাণিজ্য সুবিধা ও করমুক্ত বাণিজ্যের অনুমতি লাভ করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।
- ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে বিজয়ের পর তারা বাংলার শাসনক্ষমতা দখল করে এবং পরবর্তী এক শতাব্দী ধরে পুরো উপমহাদেশে নিজেদের শাসন ও সামরিক আধিপত্য বিস্তার করে।
- ১৭৬৫ সালে মুঘল সম্রাটের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি (রাজস্ব আদায়ের অধিকার) লাভ করে।
• ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিপ্লবের পর কোম্পানির শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়।
- সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হওয়ার পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮৫৮ সালের ২ আগস্ট ভারত শাসন আইন নামক একটি আইন পাস করা হয়।
- এই আইনে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটানো হয়। ভারতের রাষ্ট্র ক্ষমতা ব্রিটিশ রাজ্যের উপর ন্যস্ত করা হয়। ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ও সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ব্রিটিশ সরকার ভারত বিষয়ক মন্ত্রকের হাতে এর শাসন ব্যবস্থার কার্যাদি হস্তান্তর করে। ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল ভাইসরয় উপাধি নিয়ে শাসনকার্য পরিচালনা করার নিয়ম প্রবর্তিত হয়।
উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া। - 'উত্তমাশা' হলো একটি-
- হ্রদের নাম
- অন্তরীপের নাম
- দ্বীপের নাম
- নাটকের নাম
উত্তমাশা:
- 'উত্তমাশা' হলো একটি অন্তরীপ, যা ইংরেজিতে 'Cape of Good Hope' নামে পরিচিত।
- এটি দক্ষিণ আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ভৌগোলিক স্থান।
• ভৌগোলিক পরিভাষায়, ভূমির কোনো সংকীর্ণ অংশ যখন ক্রমশ সরু হয়ে জলভাগের (সাধারণত সাগর) ভেতর প্রবেশ করে, তখন তাকে অন্তরীপ বলা হয়।
- পর্তুগিজ অভিযাত্রী বার্তোলোমিউ ডিয়াস ১৪৮৮ সালে এই অঞ্চলটি আবিষ্কার করেন এবং পর্তুগালের রাজা দ্বিতীয় জন এর নামকরণ করেন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া। - কোন প্রণালি আফ্রিকা মহাদেশকে ইউরোপ থেকে পৃথক করেছে?
- মালাক্কা
- জিব্রাল্টার
- পক
- বেরিং
জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে। এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- জিব্রাল্টার প্রণালী পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- প্রণালীটি ৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ।
অন্যদিকে -
- পক প্রণালী: পক প্রণালী ভারত এবং শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে।এই প্রণালীটি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্য এবং শ্রীলঙ্কার উত্তর প্রদেশকে আলাদা করেছে এবং এটি উত্তর-পূর্বে বঙ্গোপসাগরকে দক্ষিণ-পশ্চিমে পক উপসাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।
- বেরিং প্রণালি: বেরিং প্রণালি (Bering Strait) এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশ দুটিকে পরস্পর থেকে পৃথক করেছে।
- মালাক্কা প্রণালি: মালাক্কা প্রণালি (Strait of Malacca) মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া-কে পরস্পর থেকে পৃথক করেছে।
উৎস: World Atlas. - 'আল-জাজিরা' কোন দেশভিত্তিক স্যাটেলাইট চ্যানেল?
- ইরাক
- কাতার
- মিশর
- সৌদি আরব
আল-জাজিরা:
- আল জাজিরা হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারের রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৬ সালের ১ নভেম্বর।
- প্রতিষ্ঠাতা: কাতারের আমির শেখ হামাদ ইবনে খলিফা আল থানি।
- সদর দপ্তর: দোহা, কাতার।
- এটি আরবি, ইংরেজি সহ বিভিন্ন ভাষায় বিশ্বব্যাপী সংবাদ এবং তথ্যচিত্র প্রচার করে।
উৎস: Britannica. - সবচেয়ে বড় মহাদেশ-
- আফ্রিকা
- এশিয়া
- ইউরোপ
- উত্তর আমেরিকা
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মহাদেশ হলো এশিয়া।
এশিয়া মহাদেশ:
- এশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম এবং সবচেয়ে জনবহুল মহাদেশ।
- আয়তন: প্রায় ৪ কোটি ৪৫ লক্ষ ৭৯ হাজার বর্গ কিলোমিটার।
- সীমানা: এর উত্তরে উত্তর মহাসাগর, পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগর, দক্ষিণে ভারত মহাসাগর এবং পশ্চিমে ইউরোপ মহাদেশ অবস্থিত।
- সর্বোচ্চ বিন্দু: হিমালয় পর্বতমালার মাউন্ট এভারেস্ট (৮,৮৪৮.৮৬ মিটার), যা বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।
- সর্বনিম্ন বিন্দু: জর্ডান ও ইসরায়েলে অবস্থিত মৃত সাগর বা ডেড সি।
- এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইয়াংজি (৬,৩০০ কিলোমিটার)। নদীটি চীনে অবস্থিত।
• এশিয়া মহাদেশ ৪৮টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- আয়তনে চীন বৃহত্তম (৯৫,৬১,০০০ বর্গকিলোমিটার) এবং মালদ্বীপ ক্ষুদ্রতম (২৯৮ বর্গকিলোমিটার)।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ ভারত।
- সর্বশেষ স্বাধীন রাষ্ট্র: পূর্ব তিমুর।
উল্লেখ্য,
- এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশের মাঝ বরাবর ইউরাল পর্বতমালা অবস্থিত।
- দ্বীপপুঞ্জ দ্বারা গঠিত জাপান, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া এ মহাদেশে অবস্থিত। এগুলোকে খন্ডিত রাষ্ট্রও বলা হয়।
উৎস: World Atlas. - NATO-এর একমাত্র মুসলিম সদস্য দেশ কোনটি?
- মিশর
- তুরস্ক
- সিরিয়া
- সৌদি আরব
NATO:
- NATO (North Atlantic Treaty Organisation) হলো ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার একটি আন্তঃসরকারি সামরিক ও রাজনৈতিক জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্ভাব্য আগ্রাসন প্রতিহত করতে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর সম্মিলিত নিরাপত্তার স্বার্থে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর এটি বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও সংকট ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও কাজ শুরু করে।
- এই জোটের মূল উদ্দেশ্য হলো রাজনৈতিক ও সামরিক উপায়ে এর সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নীতি (আর্টিকেল ৫): ন্যাটোর মূল ভিত্তি হলো এর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নীতি, যা চুক্তির ৫ নম্বর অনুচ্ছেদে (Article 5) উল্লেখ আছে। এর নীতি অনুযায়ী, ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ হলে তাকে সমগ্র জোটের ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং সব সদস্য দেশ যৌথভাবে তা প্রতিহত করতে বাধ্য থাকে।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট। - মোনালিসা চিত্রটির চিত্রকর কে?
- পিকাসো
- মাইকেল এঞ্জেলো
- বাতিকেল্লি
- লিওনার্দো দা ভিঞ্চি
মোনালিসা:
- বিশ্ববিখ্যাত 'মোনালিসা' চিত্রটির চিত্রকর লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি।
- শিল্পকর্মটি ফ্রান্সের ল্যুভর জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।• ধারণা করা হয় ১৫-১৬ শতকের দিকে তিনি পপলার কাঠের ওপর তেলরঙে ছবিটি এঁকেছিলেন।
- শিল্প ইতিহাসবিদদের মতে, চিত্রটিতে ফ্লোরেন্সের রেশম ব্যবসায়ী ফ্রান্সেসকো দেল জোকোন্ডোর স্ত্রী 'লিসা ঘেরার্ডিনি' (বা লিসা দেল জোকোন্ডো)-এর প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- রহস্য: মোনালিসার মুখের অমায়িক ও রহস্যময় হাসি এবং ভিন্ন ভিন্ন কোণ থেকে দেখার সময় হাসির পরিবর্তনশীল অনুভূতি শিল্পপ্রেমীদের সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করে।
- এতে 'সফুমাতো' নামক এক বিশেষ কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে ছবিটির রেখাগুলো খুব মসৃণভাবে মিশে গিয়ে এক বাস্তবসম্মত ত্রিমাত্রিক রূপ লাভ করেছে।
উল্লেখ্য,
- ১৯১১ সালে ল্যুভর মিউজিয়াম থেকে মোনালিসা চুরি হওয়ার পর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। এই চুরির ঘটনা এবং পরবর্তী পুনরুদ্ধারই সাধারণ প্রতিকৃতিটিকে রাতারাতি বিশ্বখ্যাত করে তোলে।
উৎস: Britannica. - 'আল-আকসা' মসজিদ কোথায়?
- বাগদাদ
- মক্কা
- মদিনা
- জেরুজালেম
আল-আকসা মসজিদ:
- আল আকসা মসজিদ ফিলিস্তিনের প্রাচীন জেরুজালেম শহরে অবস্থিত।
- আল-আকসা কোনো একক ভবন বা মসজিদ নয়, বরং ১৪.৪ হেক্টর (৩৬ একর) জায়গাজুড়ে থাকা একটি পুরো প্রাঙ্গণ। আল আকসা প্রাঙ্গণটি মুসলিম, ইহুদি ও খ্রিস্টান তিন ধর্মের মানুষের কাছেই পবিত্র স্থান।
• মুসলিমদের জন্য:
- মুসলিমদের কাছে এটি মক্কা ও মদিনার পর ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান। আল আকসা মসজিদটি 'মসজিদুল আকসা' বা 'বাইতুল মুকাদ্দাস' নামে পরিচিত মুসলিমদের কাছে।
- এটি মুসলিমদের প্রথম কিবলা। কাবা শরিফ প্রধান কিবলা হওয়ার আগে, মুসলিমরা এই আল-আকসা মসজিদের দিকে মুখ করেই নামাজ আদায় করতেন।
- মুসলমানরা বিশ্বাস করেন, নবী মুহাম্মদ মিরাজের রাতে কাবা শরিফ থেকে প্রথমে আল আকসায় এসেছিলেন এবং মিরাজে গমনের আগে এখানে সব নবীদের সঙ্গে নামাজের সময় ইমাম হিসেবে নামাজ আদায় করেন। এই প্রাঙ্গণের 'কুব্বাত আল-সাখরা' বা ডোম অব দ্য রক-এর ভেতরে সেই পবিত্র পাথরটি রয়েছে, যেখান থেকে মেরাজের যাত্রা শুরু হয়েছিল।
• ইহুদিদের জন্য:
- ইহুদিদের কাছে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র স্থান, যাকে তারা 'টেম্পল মাউন্ট' বা উপাসনালয় পর্বত বলে। ইহুদি বিশ্বাস মতে, এই স্থানের একটি পবিত্র পাথরকে কেন্দ্র করে ঈশ্বর পৃথিবী সৃষ্টি করেছিলেন এবং এখান থেকেই প্রথম মানব আদমকে তৈরি করা হয়েছিল। চুনাপাথর দিয়ে বানানো প্রাচীন এই দেয়ালটি 'প্লেস অফ উইপিং' বা 'কান্নার জায়গা' নামেও পরিচিত। তারা মনে করে, তিন হাজার বছর আগে রাজা সোলেমান এখানে প্রথম উপাসনালয় নির্মাণ করেছিল, যেটি ধ্বংস করেছিল ব্যাবিলনীয়রা।
- বর্তমানে এই প্রাঙ্গণের পশ্চিম পাশে থাকা একটি দেয়াল বা 'ওয়েস্টার্ন ওয়াল' (Western Wall) প্রাচীন সেই উপাসনালয়ের একমাত্র অবশিষ্ট অংশ, যেখানে ইহুদিরা সমবেত হয়ে প্রার্থনা করেন।
• খ্রিস্টানদের জন্য:
- খ্রিস্টানদের কাছে এই স্থানটি যীশু খ্রিস্টের (ঈসা আ.) জীবনের বহু স্মৃতিবিজড়িত স্থান হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খ্রিস্টানরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে এটাই সেই জায়গা যেখানে যীশু খ্রিস্ট ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন আর এখানকার গুহাতেই তার দেহ রাখা হয়েছিল।
উৎস: BBC. - কোন ইউরোপীয় ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন?
- ভাস্কো দা গামা
- ম্যাগিলেন
- কলম্বাস
- কাপ্টেন কুক
ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার:
- পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা ১৪৯৮ সালে প্রথম ইউরোপীয় হিসেবে সমুদ্রপথে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন।
- ১৪৯৭ সালের জুলাই মাসে তিনি পর্তুগালের লিসবন থেকে যাত্রা শুরু করেন এবং দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রা শেষে ১৪৯৮ সালের ২০ মে ভারতের কেরালা রাজ্যের কালিকট (বর্তমান কোঝিকোড়) বন্দরে পৌঁছান। তার আবিষ্কৃত এই সমুদ্রপথটি উত্তমাশা অন্তরীপ (Cape of Good Hope) হয়ে ইউরোপ থেকে ভারতে আসার সরাসরি পথ তৈরি করেছিল।
উল্লেখ্য,
- ১৪৭৭ সালে পর্তুগিজ অভিযাত্রী বার্তোলোমেউ দিয়াজ আফ্রিকার সর্ব দক্ষিণের বিন্দুতে পৌঁছাতে পেরেছিলেন। তিনি যখন ওখানে পৌঁছেন তখন প্রচন্ড ঝড়ের কবলে পড়েন। তাই ঐ স্থানের নাম দিয়েছিলেন "ঝড়ের অন্তরীপ”। পর্তুগালের রাজা দ্বিতীয় জন এর মধ্যে আশার আলো দেখতে পান এবং এর নাম রাখেন "উত্তমাশা অন্তরীপ”। রাজা জন আরো কিছু পরিকল্পনা করেন যেন উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে পর্তুগিজরা ভারতের দিকে রাস্তা খুঁজে পায়।
- রাজা জনের উত্তরাধিকারী রাজা প্রথম ম্যানুয়েলের আনুকূল্যে ভাস্কো দা গামা নামক এক নাবিক ১৪৯৭ খ্রিস্টাব্দে এক অভিযানে বের হন। দিয়াজের পথ ধরে তিনি উত্তমাশা অন্তরীপ অতিক্রম করেন, তারপর তিনি আরও দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে পূর্ব আফ্রিকার কেনিয়ায় পৌঁছেন। এখানে এক আরব নাবিক তাঁকে ভারত মহাসাগর অতিক্রম করে ভারতে পৌঁছুতে সহায়তা করেন।
- ১৪৯৮ সালের মে মাসে ভাস্কো দা গামা ভারতের কালিকটে পদার্পণ করেন এবং ইউরোপ থেকে দূর প্রাচ্য পর্যন্ত পৌঁছার নতুন রাস্তা আবিষ্কারকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য একটি মার্বেল পাথরের স্মরণিকা তৈরি করেন।
- দুই বছর পর ভাস্কো দা গামা পর্তুগালে ফেরত যান, কিন্তু ইতিমধ্যে তাঁর বহরের অর্ধেক জাহাজ হারিয়েছেন, লোকজনের তিনভাগের একভাগ মারা গেছে। কিন্তু অভিযানে অর্থ যত খরচ হয়েছিল তার ষাটগুণ বেশি অর্থ পাওয়া যায় জাহাজে করে ভারত থেকে আনা দারুচিনি ও মরিচ পর্তুগালের বাজারে বিক্রি করে। রাজ্য ম্যানুয়েল ভাস্কো-দা-গামার এ আবিষ্কারকে দ্রুত কাজে লাগালেন।
- ১৪০০ সালের পর থেকে পর্তুগিজ বাণিজ্য জাহাজ নিয়মিতভাবে ভারতে আসা যাওয়া শুরু করে। পর্তুগিজ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকরাও সাথী হয়। ভারতের গোয়ায় প্রথম পর্তুগিজ মিশনারি আস্তানা গড়ে ওঠে। শীঘ্রই পর্তুগিজরা সিংহল, সুমাত্রা, জাভা এবং মশলার দ্বীপে তাদের বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করে। ১৪১৭ সালে তারা চীনের ক্যান্টনে উপস্থিত হয় এবং ১৫৪২ খ্রিস্টাব্দে জাপানে প্রবেশ করে।
উৎস: i) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। - 'দ্বীন-ই-ইলাহী' কে প্রবর্তন করেন?
- সম্রাট বাবর
- সম্রাট আকবর
- সম্রাট শাহজাহান
- সম্রাট জাহাঙ্গীর
দ্বীন-ই-ইলাহী:
- মুঘল সম্রাট আকবর ১৫৮২ খ্রিষ্টাব্দে দীন-ই-ইলাহী প্রবর্তন করেন।
- আকবর সকলের মতামত মনোযোগ সহকারে শুনতেন এবং এই সকল ধর্মের দ্বন্দ্বকে একপাশে রেখে সকল ধর্মের ভাল দিকগুলো একত্রিত করে একটি নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। এটিই দ্বীন-ই-ইলাহি নামে পরিচিত।
• সম্রাট আকবর:
- সম্রাট আকবর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা। যুদ্ধক্ষেত্র, সমরনীতি, কূটনীতি ও প্রশাসন সকল ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন মুঘলদের মধ্যে সর্বশেষ্ঠ শাসক। ইতিহাসে তাই তিনি 'Akbar the Great' নামে পরিচিত।
- তাঁর পিতা ছিলেন দ্বিতীয় মুঘল সম্রাট হুমায়ুন এবং মাতা হামিদা বানু বেগম।
- ১৫৫৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর উপাধি নিয়ে মাত্র ১৩ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- সুবিশাল ভারতকে শাসন করার জন্য আকবর তার সাম্রাজ্যকে ১৫৮২ খ্রি. ১৫টি সুবা বা প্রদেশে বিভক্ত করেন এবং সুবার শাসক হিসেবে ১ (এক) জন সুবাদার নিয়োগ করেন। সুবাদার ছাড়াও প্রদেশের এ শাসনকার্যে একজন দিওয়ান, আমিল, ফৌজদার, কাজি ইত্যাদি পদের রাজকর্মচারি ছিলেন। শাসনকার্যের সুবিধার জন্য প্রত্যেক সুবাকে কতগুলো সরকার ও প্রত্যেক সরকারকে কতগুলো পরগনায় বিভক্ত করেছিলেন।
- কৃষিকাজের ও খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন। এটি কার্যকর হয় সম্রাট আকবরের সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে। নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।
- সম্রাট আকবরের শাসনামলে 'বাংলার বারো ভুঁইয়ার' অভ্যুত্থান ঘটে।
উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। - কারবালা কোন দেশে অবস্থিত?
- ইরান
- ইরাক
- জর্ডান
- সিরিয়া
কারবালা:
- কারবালা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাকে অবস্থিত।
- এটি রাজধানী বাগদাদ থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ফোরাত নদীর তীরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক শহর। শিয়া মুসলমানদের জন্য এটি মক্কার পরে অন্যতম পবিত্র তীর্থস্থান।
• কারবালার যুদ্ধ ইসলাম তথা মানব ইতিহাসের অন্যতম এক কলঙ্কজনক ও হৃদয়বিদারক অধ্যায়। ৬৮০ খ্রিস্টাব্দের ১০ অক্টোবর (৬১ হিজরির ১০ মহররম) ইরাকের কারবালা প্রান্তরে ফোরাত নদীর তীরে এই ঘটনা ঘটে। এটি কেবল কোনো ক্ষমতার লড়াই ছিল না, বরং ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সত্য প্রতিষ্ঠার এক চরম আত্মত্যাগ।
- প্রিয়নবী (সা.)-এর দৌহিত্র হুসাইন (রা.) পরিবার-পরিজন, সঙ্গী-সাথীসহ ৭২ জন কারবালা-প্রান্তরে শহীদ হন।
উৎস: Britannica. - যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা কে বিলুপ্ত করেন?
- আব্রাহাম লিংকন
- জন এফ কেনেডি
- টমাস জেফারসন
- জর্জ ওয়াশিংটন
যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন আইনগত ও সাংবিধানিকভাবে দেশটিতে দাসপ্রথা বিলুপ্ত করেন।
আব্রাহাম লিংকন:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন।
- তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ও জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
• আব্রাহাম লিংকন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বহু বছরের দাসপ্রথা বিলুপ্ত করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির আধুনিকীকরণে তিনি অসামান্য ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৮৬৩ সালে দাসপ্রথার বিলুপ্তি ঘোষণা করেন। এটি ছিল দাসপ্রথার বিরুদ্ধে নেওয়া পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ।
উৎস: History Channel. - সুয়েজ খাল সংযুক্ত করেছে-
- ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে
- ভূমধ্যসাগর ও মর্মর সাগরকে
- লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে
- কোনোটিই নয়
সুয়েজ খাল সংযুক্ত করেছে লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে।
সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত একটি কৃত্তিম সামুদ্রিক খাল। খালটি মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথোরিটির মালিকানাধীন।
- এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- এটি আফ্রিকা ও এশিয়ার মধ্যে সীমানা নির্ধারণকারী এবং ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যকার সবচেয়ে সংক্ষিপ্ততম সামুদ্রিক পথ।
- নির্মাণ শুরু হয়েছে: ২৫ এপ্রিল, ১৮৫৯।
- নির্মাণ শেষ হয়: ১৭ নভেম্বর, ১৮৬৯।
- শুরুতে এর দৈর্ঘ্য ছিল ১৬৪ কিলোমিটার এবং গভীরতা ছিল ৮ মিটার, সম্প্রসারণের পর ২০১০ সালের হিসাব মতে এর দৈর্ঘ্য ১৯০.৩ কিলোমিটার, গভীরতা ২৪ মিটার।
- বন্দর: সুয়েজ খালের উত্তর প্রান্তে পোর্ট সাইদ এবং দক্ষিণ প্রান্তে সুয়েজ শহর অবস্থিত। বিশ্ব বাণিজ্যের ১২ থেকে ১৫ শতাংশ পণ্য এই খাল দিয়ে পরিবাহিত হয়।
• সুয়েজ খালের নির্মাণ কাজ ফরাসি প্রকৌশলী ফার্দিনান্দ ডি লেসেপসের নেতৃত্বে ১৮৫৯ সালে শুরু হয়ে ১৮৬৯ সালে শেষ হয়। ১৮৬৯ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়।
- সুয়েজ খাল খননের মূল উদ্দেশ্য ছিল, আফ্রিকা মহাদেশকে অতিক্রম না করে, ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে সরাসরি জলপথ সংযোগ স্থাপন করা, যা বাণিজ্য ও শিপিং কার্যক্রমকে দ্রুততর এবং সুবিধাজনক করে তোলে।
- দীর্ঘ ৮৭ বছর ফরাসি ও ব্রিটিশদের নিয়ন্ত্রণে থাকার পর, ১৯৫৬ সালে মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গামাল আবদেল নাসের আসওয়ান বাঁধ নির্মাণের অর্থ জোগাতে এই আন্তর্জাতিক জলপথটি জাতীয়করণ করেন; যার জেরে ব্রিটেন, ফ্রান্স ও ইসরায়েল মিশরের ওপর সামরিক আক্রমণ চালালে বিশ্বজুড়ে তীব্র 'সুয়েজ সংকট' তৈরি হয়।
- তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক চাপ এবং জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় আক্রমণকারী বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হলে খালের ওপর মিশরের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎস: i) Suez Canal Authority.
ii) US Naval Institute. - হরোপ্পা মহেঞ্জোদারো কোন সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত?
- রোমান
- গ্রিক
- সিন্ধু
- চৈনিক
হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো হলো প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতার প্রধানতম নিদর্শন।
সিন্ধু সভ্যতা:
- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
- সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে। পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের মহেঞ্জোদারোতে এবং পাঞ্জাবের হরপ্পায় এই সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়। মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পা উভয় অঞ্চল একই সভ্যতার অন্তর্গত।
- সিন্ধু সভ্যতার সিল ও মাটির পাত্রের সাথে মেসোপটেমীয় দ্রব্যের মিল দেখে এ সভ্যতার আনুমানিক সময়কাল নির্ণয় করা হয়েছে। ধারণা করা হয় যে, দ্রাবিড় জাতি-এ সভ্যতা গড়ে তুলেছিল।
- হরপ্পা এবং মহেঞ্জোদারো—উভয় নগরীই তাদের সুসংগঠিত নগর পরিকল্পনা, উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং পোড়ামাটির ইটের ব্যবহারের জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত।
• মহেঞ্জোদারো: এটি সিন্ধু সভ্যতার একটি অন্যতম প্রধান শহর, যা পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে অবস্থিত। এটি ১৯২২ সালে প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আবিষ্কৃত হয়।
• হরপ্পা: পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে রাভী নদীর তীরে অবস্থিত এই প্রাচীন শহরটি সিন্ধু সভ্যতার প্রথম আবিষ্কৃত স্থান, যার নামানুসারে অনেক সময় একে 'হরপ্পা সভ্যতা'ও বলা হয়।
উল্লেখ্য, সিন্ধু সভ্যতার ধ্বংস:
- সিন্ধু সভ্যতা ধ্বংস হয় ২৭০৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দে।
- প্রত্নতত্ত্ববিদদের মতে, এ সময় প্রলয়ঙ্করী বন্যা হয়। বন্যায় হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো নগরী তলিয়ে যায়। প্রাপ্ত নিদর্শন থেকে ধারণা করা হয় যে, ক্রমাগত বন্যায় নগর দুটি ধীরে ধীরে মাটির নিচে হারিয়ে যায়।
উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। - পানামা খাল কোন মহাদেশে?
- এশিয়া
- উত্তর আমেরিকা
- দক্ষিণ আমেরিকা
- আফ্রিকা
পানামা খাল:
- পানামা খাল উত্তর আমেরিকা মহাদেশে বিশেষ করে মধ্য আমেরিকা অঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি মূলত উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের সংযোগস্থলে অবস্থিত পানামা নামক দেশটির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এই কৃত্রিম জলপথটি আটলান্টিক মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এই খালটি পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিপিং রুট এবং বাণিজ্যিক যোগাযোগের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।
• পানামা খাল নির্মাণ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- পানামা খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ৮২ কিলোমিটার।
- এটি পরিচালনা করে পানামা খাল কর্তৃপক্ষ, যা পানামার একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
উৎস: Britannica. - মরক্কোর রাজধানী কোনটি?
- কায়রো
- রাবাত
- জেদ্দা
- তেহরান
মরক্কো:
- মরক্কো আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পশ্চিম কোণে অবস্থিত। দেশটির পূর্বে আলজেরিয়া, উত্তরে ভূমধ্যসাগর ও স্পেন এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর। অ্যাটলাস পর্বতমালা মরক্কোকে সাহারা থেকে আলাদা করেছে।
- মরক্কো জিব্রাল্টার প্রণালীর ওপারে অবস্থিত।
- এটি একমাত্র আফ্রিকান দেশ যা আফ্রিকান ইউনিয়নের সদস্য নয়।
- রাজধানী: রাবাত।
- বৃহত্তম শহর: কাসাব্লাঙ্কা।
- মুদ্রা: মরোক্কান দিরহাম।
- সরকার পদ্ধতি: ইউনিটারি পার্লামেন্টারি কনস্টিটিউশনাল মনার্কি।
- আইনসভা: পার্লামেন্ট।
উৎস: Britannica. - অর্থনীতিতে চাহিদা বলতে কী বোঝায়?
- আকাঙ্ক্ষা ও অর্থ প্রদানের সামর্থ্য
- আকাঙ্ক্ষা
- অর্থ প্রদানের সামর্থ্য্য
- কোনোটিই নয়
অর্থনীতিতে চাহিদা (Demand) হলো কোনো দ্রব্য পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা এবং তা কেনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদানের সামর্থ্য ও ইচ্ছা।
অর্থনীতিতে চাহিদা (Demand):
- সাধারণত চাহিদা বলতে কোনো দ্রব্য বা সেবা পাওয়ার ইচ্ছা বা আকাঙ্খাকে বুঝায়। কিন্তু অর্থনীতিতে এটি চাহিদা নয়।
- অর্থনীতিতে চাহিদা হতে হলে কোনো দ্রব্য বা সেবা পাওয়ার আকাঙ্খার সাথে সাথে ঐ দ্রব্য বা সেবা ক্রয় করার সামর্থ্য এবং অর্থ ব্যয় করে দ্রব্যটি ক্রয়ের ইচ্ছা থাকলেই তাকে চাহিদা বলা যাবে।
- একটি উদাহরণ এর মাধ্যমে বিষয়টিকে স্পষ্ট করা যায়। ধরাযাক, একজন ভিক্ষুক একটি মোটর গাড়ী ক্রয়ের ইচ্ছা পোষণ করল। ভিক্ষুকের এই ইচ্ছা অর্থনীতিতে চাহিদা বলে বিবেচিত হবে না। কারণ মোটর গাড়ী ক্রয় করার সামর্থ্য তার নেই। আবার ধরা যাক একজন ধনী লোক একটি মোটর গাড়ীক্রয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করল। কিন্তু, সে কৃপণ অর্থাৎ সে অর্থ খরচ করে মোটর গাড়ী কিনতে চায় না। এক্ষেত্রেও তা চাহিদা হবে না।
- তাই অর্থনীতিতে চাহিদা হতে হলে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ হতে হবে। এই তিনটি শর্ত হলো-
ক) কোনো দ্রব্য বা সেবা পাওয়ার ইচ্ছা বা আকাঙ্খা
খ) ঐ দ্রব্যটি ক্রয় করার সামর্থ্য
গ) অর্থ ব্যয় করে ঐ দ্রব্য বা সেবা ক্রয় করার ইচ্ছা
তাই বলা যায়, উপরোক্ত তিনটি শর্ত একযোগে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোন দ্রব্য বা সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে পূরণ হলে তাকে চাহিদা বলা হয়।
উৎস: ব্যষ্টিক অর্থনীতি, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। - মুদ্রাস্ফীতি কী?
- অর্থের মূল্য কমে আসা
- অর্থের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়া
- অর্থের মূল্য সমান থাকা
- কোনোটিই নয়
মুদ্রাস্ফীতি:
- মুদ্রাস্ফীতি হলো এমন একটি অর্থনৈতিক অবস্থা যেখানে বাজারে পণ্য ও সেবার দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকে, যার ফলে মুদ্রার ক্রয়ক্ষমতা বা অর্থের মূল্য কমে আসে। অর্থাৎ, একই পরিমাণ অর্থ দিয়ে আগের চেয়ে কম জিনিস কেনা যায়।
• যদি পণ্যের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ অনেক বেড়ে যায় অর্থাৎ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত মাত্রায় টাকা ছাপায় তখনই মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি।
- এতে করে টাকা তথা মুদ্রার মান হ্রাস পায়। পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়।
- উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে মুদ্রা সংকোচন ঘটে।
• মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব:
- উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব: পূর্ণ নিয়োগস্তর অতিক্রান্ত হওয়ার পর যদি মুদ্রাস্ফীতি ঘটে তাহলে মূল্যবৃদ্ধি উৎপাদন ও কর্মনিয়োগ সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয় না। ফলে মুদ্রাস্ফীতি চরম আকার ধারণ করে এবং দেশের উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।
- আয় বণ্টনের উপর প্রভাব: মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থ ও সম্পদ এক শ্রেণীর লোকের হাত হতে অন্য এক শ্রেণীর লোকের হাতে চলে যায়।
- মুদ্রাস্ফীতির ফলে সাধারণ মূল্যস্তর ও উৎপাধন ব্যয় বৃদ্ধি পায়। ফলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায়।
উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। - কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয় কোন অংশকে?
- সিপিহউ
- মনিটর
- কী-বোর্ড
- মাউস
CPU:
- CPU-এর পূর্ণরুপ: Central Processing Unit.
- কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয় CPU কে।
- কম্পিউটারের প্রদত্ত সব কমান্ড প্রক্রিয়াকরণ হয় CPU তে।
- CPU ই সব কিছুর নিয়ন্ত্রক।
• CPU তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
- গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU (Arithmetic Logic Unit),
- নিয়ন্ত্রণ অংশ বা Control Unit,
- স্মৃতি অংশ বা Memory/Register.
উৎস: i) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica. - 'ময়ূর সিংহাসন'-এর নির্মাতা কে?
- সম্রাট আকবর
- সম্রাট শাহজাহান
- সম্রাট জাহাঙ্গীর
- সম্রাট আওরঙ্গজেব
বিখ্যাত 'ময়ূর সিংহাসন'-এর নির্মাতা হলেন মুঘল সম্রাট শাহজাহান।
ময়ূর সিংহাসন:
- ১৭শ শতাব্দীতে মুঘল সম্রাট শাহজাহান সোনার তৈরি ময়ূর সিংহাসন নির্মাণ করেন।
- সিংহাসনটিতে রূপার সিড়ি দিয়ে আরোহণ করা হতো। সিংহাসনের পেছনে দুটি ময়ূরের ছবি ছিল, যারা তাদের অনিন্দ্যসুন্দর পেখম ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। আর এই পেখমগুলো খচিত ছিল নানা রকম দুষ্প্রাপ্য আর অতিমূল্যবান রত্নপাথর দিয়ে। এর মাঝে ছিল নীলকান্ত মণি, পান্না, চুনি কিংবা পদ্মরাগ মণি, মুক্তা ও অন্যান্য মূল্যবান পাথর।উল্লেখ্য,
- ১৭৩৯ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট মোহাম্মদ শাহের শাসনামলে, পারস্য সম্রাট নাদির শাহ ভারতবর্ষ অভিযানকালে লুণ্ঠন করে নিয়ে যায় সিংহাসনটি।
- এর সৌন্দর্য দেখে পাগল হয়ে নাদির শাহ সিংহাসনটি সঙ্গে নিয়ে যান নিজ দেশ পারস্যে অর্থাৎ বর্তমান ইরানে।
- ১৭৪৭ সালে নাদির শাহ আততায়ীর হাতে নিহত হন। এরপরই আসল ময়ূর সিংহাসনটি হারিয়ে যায়।
উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) Britannica. - রিখটার স্কেল দ্বারা কী পরিমাপ করা হয়?
- ভূ-আলোড়নের সংখ্যা
- কম্পন সংখ্যা
- ভূ-কম্পন শক্তি
- ক্ষয়-ক্ষতির মাত্রা
রিখটার স্কেল:
- রিখটার স্কেল হলো একটি গাণিতিক পরিমাপক পদ্ধতি যা ভূমিকম্পের কেন্দ্র থেকে নির্গত মোট শক্তির পরিমাণ বা ভূমিকম্পের মাত্রা (Magnitude) পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
- রিখটার স্কেল মূলত ভূমিকম্পের শক্তির তীব্রতা (Magnitude) পরিমাপ করে।
• রিখটার স্কেল একটি সাধারণ স্কেল নয়, এটি একটি লগারিদমিক স্কেল। এর অর্থ হলো:
- ১০ গুণ বড় তরঙ্গ: স্কেলে ১ মাত্রা বৃদ্ধির অর্থ হলো কম্পন তরঙ্গ পূর্বের তুলনায় ১০ গুণ বেশি শক্তিশালী। যেমন- ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের তরঙ্গ ৪ মাত্রার চেয়ে ১০ গুণ বড়।
- ৩২ গুণ বেশি শক্তি: তরঙ্গের আকার ১০ গুণ বাড়লে তার ভেতর থেকে নির্গত শক্তির পরিমাণ বা এনার্জি বাড়ে প্রায় ৩২ গুণ। অর্থাৎ, ৫ মাত্রার ভূমিকম্প ৪ মাত্রার চেয়ে ৩২ গুণ বেশি ধ্বংসাত্মক শক্তি নিয়ে আঘাত করে।
অন্যদিকে,
- ভূমিকম্পের সময় ভূ-গর্ভ থেকে যে কম্পন তরঙ্গ (Seismic wave) তৈরি হয়, তা সিসমোগ্রাফ যন্ত্রে রেকর্ড করা হয়।
উৎস: Britannica. - রাইট-ভ্রাতৃদ্বয় নিচের কোনটি উদ্ভাবন করেছিল?
- বেলুন
- বাই সাইকেল
- এরোপ্লেন
- কোনোটিই নয়
রাইট-ভ্রাতৃদ্বয়:
- রাইট-ভ্রাতৃদ্বয় (অরভিল ও উইলবার রাইট) এরোপ্লেন উদ্ভাবন করেছিলেন। ১৯০৩ সালে তারা বিশ্বের প্রথম সফল মোটরচালিত বিমান তৈরি ও আকাশে ওড়ান।
• ১৯০৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যারোলিনার কিটি হক নামক স্থানে রাইট-ভ্রাতৃদ্বয় বিশ্বের প্রথম সফল মোটরচালিত, নিয়ন্ত্রিত এবং বাতাসের চেয়ে ভারী বিমান উড্ডয়ন করান।
- তাদের তৈরি প্রথম সফল বিমানটির নাম ছিল 'রাইট ফ্লায়ার-১'। প্রথম দফায় ছোট ভাই অরভিল রাইট পাইলট হিসেবে বিমানটি নিয়ে মাত্র ১২ সেকেন্ডে ১২০ ফুট দূরত্ব অতিক্রম করেছিলেন। ওই একই দিনে তারা আরও ৩ বার বিমানটি ওড়ান, যার মধ্যে শেষ দফায় বড় ভাই উইলবার রাইট ৫৯ সেকেন্ডে ৮৫২ ফুট পথ পাড়ি দিতে সক্ষম হন।
- তাদের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব ছিল বিমানের তিন-অক্ষের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আবিষ্কার করা। এটি পাইলটকে বিমানের ভারসাম্য রক্ষা করতে এবং আকাশে যেকোনো দিকে সঠিকভাবে মোড় নিতে সাহায্য করত, যা আধুনিক বিমান চালনার মূল ভিত্তি।
উৎস: Britannica. - কোনটি ভূবেষ্টিত রাষ্ট্র?
- ইরান
- ইরাক
- নেপাল
- শ্রীলংকা
নেপাল:
- নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি সম্পূর্ণ স্থলবেষ্টিত বা ভূ-বেষ্টিত রাষ্ট্র। এই দেশের উত্তরে চীন এবং পূর্ব, পশ্চিম ও দক্ষিণে ভারত বেষ্টন করে রয়েছে।
- এর কোনো নিজস্ব সমুদ্র উপকূল বা উন্মুক্ত মহাসাগরের সাথে সরাসরি সংযোগ নেই।
• স্থলবেষ্টিত দেশ (Landlocked Countries):
- যেসকল দেশের সাথে কোন সাগর বা মহাসাগরের সীমান্ত নেই এবং সম্পূর্ণরূপে ভূমি দ্বারা বেষ্টিত এরকম দেশগুলোকে স্থলবেষ্টিত দেশ বলা হয়। সমুদ্রের সাথে সীমান্ত না থাকায় এই দেশগুলোর কোন সমুদ্র বন্দর নেই।
- স্থলবেষ্টিত বৃহত্তম দেশ হলো কাজাখস্থান এবং ক্ষুদ্রতম দেশ হলো ভ্যাটিকান সিটি।
- এশিয়ার স্থল বেষ্টিত ১২টি দেশ হলো:
- আফগানিস্তান, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, ভুটান, তুর্কমেনিস্তান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, লাওস, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান।
অন্যদিকে,
- ইরান: ইরানের দক্ষিণে পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর এবং উত্তরে কাস্পিয়ান সাগর অবস্থিত।
- ইরাক: ইরাকের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পারস্য উপসাগরের সাথে একটি ছোট উপকূলীয় সীমানা রয়েছে।
- শ্রীলঙ্কা: শ্রীলঙ্কা চারদিকে ভারত মহাসাগর দ্বারা পরিবেষ্টিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
উৎস: Worldatlas. - কোন প্রণালি উত্তর আমেরিকা থেকে এশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করেছে?
- পক
- ফ্লোরিডা
- জিব্রাল্টার
- বেরিং
বেরিং প্রণালি:
- বেরিং প্রণালি উত্তর আমেরিকা থেকে এশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করেছে। এটি রাশিয়ার (এশিয়া) পূর্ব প্রান্ত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার (উত্তর আমেরিকা) মধ্যবর্তী অংশে অবস্থিত।
- এটি আর্কটিক মহাসাগরের চুকচি সাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরের বেরিং সাগরকে যুক্ত করে।
- এটি প্রায় ৮৫ কিলোমিটার (৫৩ মাইল) চওড়া এবং এর গড় গভীরতা ৩০ থেকে ৫০ মিটার (৯৮ থেকে ১৬৪ ফুট)।উল্লেখ্য,
- মি. বেরিং এর নেতৃত্বে ১৭৪১ সালে পরিচালিত আরেকটি অভিযান সফল হওয়ায় আলাস্কা উপকূলে মানুষ পাঠানো হয়।
- তবে ঊনবিংশ শতকের দিকে ব্রিটিশ এবং আমেরিকান পশম ব্যবসায়ীরা রাশিয়ানদের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে। ১৮২৪ সালে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার নিরসন হয় যখন রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের সাথে পৃথক চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- সামুদ্রিক ভোঁদড়ের প্রায় বিলুপ্তি এবং ক্রিমিয়ান যুদ্ধের (১৮৫৩ - ৫৬) রাজনৈতিক প্রভাবে রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আলাস্কা বিক্রি করতে রাজি হয়।
- ১৯৫৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে আলাস্কা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৯তম অঙ্গরাজ্যে পরিণত হয়।
- আলাস্কার রাজধানী জুনো যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র রাজধানী যেখানে শুধু নৌকা বা বিমানে পৌঁছানো যায়।
উৎস: i) Britannica.
ii) BBC. - OIC-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
- জেদ্দা
- রাবাত
- কায়রো
- কুয়ালালামপুর
The Organisation of Islamic Cooperation (OIC):
- The Organisation of Islamic Cooperation (OIC) হলো মুসলিম বিশ্বের আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংস্থা ও রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- ১৯৭২ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ওআইসি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।
- এতে পর্যবেক্ষক হিসেবে ওআইসির সঙ্গে যুক্ত আছে পাঁচটি দেশ (রাশিযা, বসনিযা, থাইল্যান্ড, সিএআর ও তুর্কি সাইপ্রাস) এবং সাতটি সংগঠন ও সংস্থা।
উৎস: OIC ওয়েবসাইট। - আল-কুরআনে কয়টি সুরা আছে?
- ১১৪
- ১১৫
- ১১৩
- ১১২
সঠিক উত্তর: ক) ১১৪
- পবিত্র আল-কুরআনে মোট ১১৪টি সূরা রয়েছে।
- সূরা হলো আল-কুরআনের অধ্যায় বা chapter.
- আল-কুরআনের প্রথম সূরা হলো সূরা আল-ফাতিহা এবং শেষ সূরা হলো সূরা আন-নাস। সূরা আন-নাসের ক্রমিক নম্বর ১১৪।
- আয়াতসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড় সূরা হলো সূরা আল-বাকারা; এতে ২৮৬টি আয়াত রয়েছে।
- শব্দ ও আয়তনের বিচারে সবচেয়ে ছোট সূরা হলো সূরা আল-কাওসার; এতে ৩টি আয়াত রয়েছে। - আল-কুরআন কত বৎসর ধরে অবতীর্ণ হয়?
- ২১ বৎসর
- ২৫ বৎসর
- ২৪ বৎসর
- ২৩ বৎসর
সঠিক উত্তর- ২৩ বৎসর।
আল-কুরআন একসাথে অবতীর্ণ হয়নি; বরং প্রয়োজন ও প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ধাপে ধাপে নাজিল হয়েছে।
প্রচলিত ও স্বীকৃত মত অনুযায়ী, মহানবি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর কুরআনের আয়াত ও সুরাসমূহ প্রায় ২৩ বছর ধরে অবতীর্ণ হয়।
- পবিত্র রমজান মানুষের ইহলৌকিক কল্যাণ ও পারলৌকিক মুক্তির দিকদর্শন আল-কোরআন নাজিলের মাস।
- রমজান মাসের শ্রেষ্ঠতম নিয়ামত ‘আল-কোরআন’ বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি আল্লাহর কাছ থেকে জিব্রাইল ফেরেশতা মারফত সুদীর্ঘ ২৩ বছরে অবতীর্ণ হয়।
- এটি মানবজাতির সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ ও মুক্তির দিশারি বা পথপ্রদর্শক। - কসরের ছালাত কখন পড়তে হয়?
- সকাল বেলায়
- রাতের শেষ দিকে
- মুসাফির অবস্থায়
- এশার নামাজের পর
সঠিক উত্তর: গ) মুসাফির অবস্থায়।
- কসরের সালাত অর্থ হলো সফর অবস্থায় চার রাকাত ফরজ সালাতকে দুই রাকাত করে আদায় করা।
- যেমন: জোহর, আসর ও এশার ৪ রাকাত ফরজ নামাজ মুসাফির অবস্থায় ২ রাকাত করে পড়া হয়। ফজর ও মাগরিবের ফরজ সালাতে কসর হয় না।
মূলত কোনো ব্যক্তি তার অবস্থানস্থল থেকে ৪৮ মাইল তথা ৭৮ কিলোমিটার দূরে সফরের নিয়তে বের হয়ে নিজ শহর বা গ্রাম পেরিয়ে গেলেই শরিয়তের দৃষ্টিতে সে মুসাফির হয়ে যায়। (জাওয়াহিরুল ফিকহ: ১/৪৩৬)
মুসাফির ব্যক্তি চার রাকাতবিশিষ্ট ফরজ নামাজ দুই রাকাত (কসর) পড়বেন। এই সংক্ষেপে আল্লাহ প্রদত্ত কল্যাণ রয়েছে।
কোরআনে বলা হয়েছে ‘তোমরা যখন জমিনে সফর করবে, তখন তোমাদের জন্য নামাজের কসর করায় কোনো আপত্তি নেই। (সুরা নিসা, আয়াত: ১০১)কুরআনের দলিল:
আল্লাহ বলেন,
“তোমরা যখন ভূমিতে সফর কর, তখন সালাত সংক্ষিপ্ত করলে তোমাদের কোনো দোষ নেই…”
— সূরা আন-নিসা, আয়াত, ১০১.হাদিসের দলিল:
ইয়া‘লা ইবন উমাইয়্যা (রা.) বর্ণনা করেন, তিনি উমর (রা.)-কে এ আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে উমর (রা.) বলেন, আমি এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করেছিলাম।
তিনি বলেন: “এটি এমন একটি সদকা, যা আল্লাহ তোমাদের প্রতি দান করেছেন। সুতরাং তোমরা তাঁর সদকা গ্রহণ কর।”
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: 686. - সিয়াহ সিত্তাহ কী?
- কুরআনের একটি সুরা
- ছয়টি হাদিস গ্রন্থ
- মুহাম্মদ (স.) এর জীবনী
- কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ) ছয়টি হাদিস গ্রন্থ।
- সিহাহ সিত্তাহ বা কুতুবুস সিত্তাহ বলতে সুন্নি ইসলামে প্রসিদ্ধ ছয়টি হাদিস গ্রন্থ বোঝায়।
- আব্বসীয় শাসনামলে হাদিস সংকলিত হয়ে সহিহ সিত্তাহ ৬টি বিশুদ্ধ হাদীস গ্রন্থে লিপিবদ্ধ হয়।
- এগুলো হলো: ১) সহিহ বুখারী ২) সহিহ মুসলিম ৩) জামে তিরমিজি ৪) সুনান ইবনে মাজাহ ৫) সুনান আবু দাউদ, ৬) সহিহ আল নিসাই।
- বিভিন্ন হাদিস-গবেষণায় এগুলোকে Sunni Islam-এর “six canonical hadith collections” বলা হয়। - আল-কুরআনের কোন সুরার শুরুতে 'বিসমিল্লাহ' নেই?
- সুরা বাকারা
- সুরা ফাতিহা
- সুরা নিসা
- সুরা তওবা
সঠিক উত্তর: ঘ) সুরা তওবা।
আল-কুরআনের সুরা তওবা বা সুরা বারাআহ-এর শুরুতে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” নেই।
কুরআনের অন্যান্য সুরার শুরুতে বিসমিল্লাহ থাকলেও সুরা তওবা ব্যতিক্রম।
ইসলামি আলেমদের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, মুসহাফে সুরা তওবার শুরুতে বিসমিল্লাহ লেখা হয়নি; তাই তিলাওয়াতের সময়ও সুরার শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়া হয় না। - যাকাত বণ্টনের খাত কয়টি?
- ৫টি
- ৬টি
- ৭টি
- ৮টি
যাকাত বণ্টনের খাত ৮টি।
- আল-কোরআনের আলোকে যাকাতের খাত ৮টি। আল-কুরআনের সুরা আত-তওবা, আয়াত নং ৬০-এ যাকাতের খাতগুলো উল্লেখ আছে।
- "إِنَّمَا الصَّدَقَاتُ لِلْفُقَرَاءِ وَالْمَسَاكِينِ وَالْعَامِلِينَ عَلَيْهَا وَالْمُؤَلَّفَةِ قُلُوبُهُمْ وَفِي الرِّقَابِ وَالْغَارِمِينَ وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ وَابْنِ السَّبِيلِ"আল্লাহ তাআলা বলেন, যাকাত নির্ধারিত হলো-
১. ফকির,
২. মিসকিন,
৩. যাকাত আদায়ে নিয়োজিত কর্মচারী,
৪. যাদের অন্তর আকৃষ্ট করা প্রয়োজন,
৫. দাসমুক্তির জন্য,
৬. ঋণগ্রস্তদের জন্য,
৭. আল্লাহর রাস্তায় (দ্বীনি কাজ বা জিহাদে রত ব্যক্তি),
৮. মুসাফিরের জন্য। - ফসলের যাকাতকে কী বলে?
- সাদকা
- খারাজ
- ওশর
- জিজিয়া
সঠিক উত্তর: গ) ওশর।
শরীয়তের পরিভাষায়-ফসলের যাকাতকে ‘ওশর’ ও ‘খিরাজ’ বলে।
“উশর” অর্থ এক-দশমাংশ। কুরআনে ফসল কাটার দিন তার প্রাপ্য হক আদায়ের নির্দেশ আছে—ফসলের হক/যাকাত আদায় করতে বলা হয়েছে।
জমিতে উৎপাদিত ফসলের যাকাতকে 'উশর' বলা হয়। উশর মানে হলো দশমাংশ (১০%)।
বৃষ্টির পানি বা প্রাকৃতিক সেচ: যে শস্য প্রাকৃতিক পানির মাধ্যমে উৎপাদিত হয়, তার যাকাত হলো 'উশর' অর্থাৎ এক দশমাংশ বা ১০%।
সেচ দিয়ে উৎপাদিত ফসল: যে শস্য সেচ বা পানি দিয়ে উৎপাদিত হয়, তার যাকাত হলো 'নিসফে উশর' বা বিশ ভাগের এক ভাগ, অর্থাৎ ৫%। - পবিত্রতা – অঙ্গ।
- ইসলামের
- ঈমানের
- কুরআনের
- সালাতের
পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ।
হাদিসে এসেছে—“পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক”। অর্থাৎ ইসলামে শারীরিক ও আত্মিক পবিত্রতার গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।
নামাজসহ অনেক ইবাদতের জন্য অজু, গোসল ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অপরিহার্য।হাদিস শরিফে রয়েছে, আবু মালিক আশআরী (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আত তহুরু শাতরুল ইমান।’ অর্থাৎ, পবিত্রতা ইমানের অঙ্গ।
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তোমরা তোমাদের উঠান ও আঙিনা পরিচ্ছন্ন রাখো।’ মুহাম্মদ (সা.) আরও বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ পবিত্র, তিনি পবিত্রতাকে ভালোবাসেন।’
তাই বাক্যটি হবে: পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ। - 'হাক্কুল ইবাদ' শব্দের অর্থ-
- আল্লাহর হক
- বান্দার হক
- প্রতিবেশীর হক
- মাতা-পিতার হক
'হাক্কুল ইবাদ' শব্দের অর্থ- বান্দার হক।
হক আরবি শব্দ। এর অন্যতম একটি অর্থ হলো অধিকার, দাবি, পাওনা।
হাক্কুল ইবাদ অর্থ হলো বান্দার হক বা মানুষের অধিকার। এখানে “হক” মানে অধিকার/প্রাপ্য, আর “ইবাদ” অর্থ বান্দা বা আল্লাহর সৃষ্টি মানুষ।ইসলামে সাধারণত হক দুই ধরনের বলা হয়—
হাক্কুল্লাহ: আল্লাহর হক, যেমন—নামাজ, রোজা ইত্যাদি।
হাক্কুল ইবাদ: বান্দার হক, যেমন—কারও সম্পদ, সম্মান, জীবন, আমানত, ঋণ, প্রতিবেশীর অধিকার ইত্যাদি।তাই ‘হাক্কুল ইবাদ’ = বান্দার হক।
- 'শেষের কবিতা' কী ধরনের গ্রন্থ?
- কাব্য
- উপন্যাস
- নাটক
- প্রহসন
'শেষের কবিতা' - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস।
• ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাস:
- 'শেষের কবিতা' একটি গীতিধর্মী উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯২৮ সালে 'প্রবাসী' পত্রিকায় ছাপা হয় এবং ১৯২৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- এই উপন্যাসের বিষয়বস্তু হচ্ছে 'কোন পুরুষ বা নারীর পক্ষে এক সঙ্গে দু জনকে অবিরোধে ভালবাসা সম্ভব না এবং সে ভালবাসা এক পাত্রসম্পর্কিত ( স্বামী বা স্ত্রী), অপর পাত্র নিঃসম্পর্ক হতে পারে'।
- অমিত, লাবণ্য, কেতকী, শোভনলাল প্রমুখ উপন্যাসের চরিত্র।
- উপন্যাসের কতিপয় বাক্য আজ প্রবাদের মর্যাদা পেয়েছে।
যথা:
- ফ্যাশনটা হলো মুখোশ, স্টাইলটা হলো মুখশ্রী।
- কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও।
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ তাঁর ইংরেজি 'গীতাঞ্জলি' (১৯১১) কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ঘরে-বাইরে,
- চোখের বালি,
- শেষের কবিতা,
- যোগাযোগ,
- নৌকাডুবি,
- দুই বোন,
- মালঞ্চ,
- গোরা,
- রাজর্ষি,
- চার অধ্যায় ইত্যাদি।উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। - 'কপর্দকহীন' অর্থ-
- বোকা
- নিঃস্ব
- অসহায়
- মলিন
'কপর্দকহীন' অর্থ- 'নিঃস্ব'।
• ‘কপর্দকহীন’:
- এটি সংস্কৃত শব্দ এবং বিশেষণ পদ।
- এর প্রকৃতি-প্রত্যয় = কপর্দক + হীন।
- 'কপর্দক' অর্থ: মুদ্রারূপে ব্যবহৃত কড়ি, প্রাচীন মুদ্রার ক্ষুদ্রতম ভাগ।
- 'হীন' অর্থ: শূন্য।
- 'কপর্দকহীন' অর্থ- নিঃসম্বল।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। - 'ভূত' শব্দের বিপরীত অর্থ-
- ভবিষ্যত
- ভোতা
- প্রেত
- ভায়া
• 'ভূত' শব্দের বিপরীত অর্থ - 'ভবিষ্যত'।
- 'ভূত' শব্দের অর্থ: অতীত।
অন্যদিকে,
• 'ভোতা' এর বিপরীত শব্দ - 'চোখা'।
• 'প্রেত' শব্দের অর্থ - ভূত, পিশাচ।
• 'ভায়া' শব্দের অর্থ - ভাই বা ভ্রাতৃস্থানীয় ব্যক্তি, জ্ঞাতিভাই।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দ:
- ‘বন্ধুর’ এর বিপরীত শব্দ - মসৃণ,
- 'প্রবিষ্ট' এর বিপরীত শব্দ - প্রস্থিত,
- 'ক্ষীয়মাণ' এর বিপরীত শব্দ - বর্ধমান,
- 'দরদি' এর বিপরীত শব্দ - নির্দয়,
- ‘ঊর্ধ্ব’ এর বিপরীত শব্দ - অধঃ,
- 'উদ্ধত' এর বিপরীত শব্দ - বিনীত,
- 'প্রসন্ন' এর বিপরীত শব্দ - বিষণ্ণ,
- 'উগ্র' এর বিপরীত শব্দ - মৃদু / সৌম্য,
- 'ঔদ্ধত্য' এর বিপরীত শব্দ - বিনয়।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি। - 'ভানুসিংহ' কার ছদ্মনাম?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রমথ চৌধুরী
- মোহিতলাল মজুমদার
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
'ভানুসিংহ' - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম।
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার বিভিন্ন রচনার ক্ষেত্রে অনেকগুলো ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:
- ভানুসিংহ ঠাকুর,
- অকপটচন্দ্র ভাস্কর,
- আন্নাকালী পাকড়াশী,
- দিকশূণ্য ভট্টাচার্য,
- নবীন কিশোর শর্মন,
- ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মা,
- বানীবিনোদ বিদ্যাবিনোদ,
- শ্রীমতি কনিষ্ঠা,
- শ্রীমতি মধ্যমা।
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- তিনি ১৯১৫ সালে ইংরেজ প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি পান এবং ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের কারণে ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দেন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
অন্যদিকে,
প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল - বীরবল।
মোহিতলাল মজুমদারের সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল - কৃত্তিবাস ওঝা, সত্যসুন্দর দাস ইত্যাদি।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল - অপরাজিতা দেবী, অনিলা দেবী, অপরূপা দেবী ইত্যাদি।
উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। - 'সংশয়'-এর বিপরীত শব্দ-
- বিস্ময়
- প্রত্যয়
- নির্ভয়
- নির্ণয়
• 'সংশয়' - এর বিপরীত শব্দ 'প্রত্যয়'।
- সংশয় অর্থ: সন্দেহ, দ্বিধা, ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনিশ্চয়তাবোধ।
- প্রত্যয় অর্থ: প্রতীতি, বিশ্বাস, নিশ্চয়াত্মক ধারণা ইত্যাদি।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দ:
'ক্ষীয়মাণ' এর বিপরীত শব্দ - বর্ধমান,
'অনুরক্ত' এর বিপরীত শব্দ - বিরক্ত,
'অনুমেয়' এর বিপরীত শব্দ - অননুমেয়,
'নিয়ত' এর বিপরীত শব্দ - বিরত,
'অর্বাচীন' এর বিপরীত শব্দ - প্রাচীন,
'প্রবিষ্ট' এর বিপরীত শব্দ - প্রস্থিত,
'দরদি' এর বিপরীত শব্দ-নির্দয়,
'উদ্ধত' এর বিপরীত শব্দ-বিনীত,
'উগ্র' এর বিপরীত শব্দ-মৃদু / সৌম্য,
'ঔদ্ধত্য' এর বিপরীত শব্দ-বিনয়।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। - 'ত্রিফলা' কোন সমাস?
- কর্মধারয়
- দ্বিগু
- বহুবীহি
- অব্যয়ীভাব
'ত্রিফলা' - দ্বিগু সমাস।
- এর ব্যাসবাক্য: তিন ফলের সমাহার।
• দ্বিগু সমাস:
- যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে বসে সমাহার বোঝায় এবং পরপদের অর্থই প্রাধান্য পায় তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসে সমাস নিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়।
যেমন:
- সব রত্নের সমাহার = নবরত্ন,
- সপ্ত অহের সমাহার = সপ্তাহ,
- তিন ফলের সমাহার = ত্রিফলা,
- তিন কালের সমাহার = ত্রিকাল,
- চৌরাস্তার সমাহার = চৌরাস্তা,
- তিন মাথার সমাহার = তেমাথা,
- শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। - 'গাছ থেকে ফল পড়ে' কোন কারক?
- অপাদান
- করণ
- অধিকরণ
- সম্প্রদান
• ‘গাছ থেকে ফল পড়ে’ বাক্যটিতে ‘গাছ থেকে’ অপাদান কারক।
• অপাদান কারক:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।
যেমন:
- গাছ থেকে ফল পড়ে (বিচ্যুত)
- দুধ থেকে দই হয়। (গৃহীত)
- খেজুর রসে গুড় হয়। (জাত)
- পাপে বিরত হও। (বিরত)
- দেশ থেকে পঙ্গপাল চলে গেছে। (দূরীভূত)
- বিপদ থেকে বাঁচাও। (রক্ষিত)
- সোমবার থেকে পরীক্ষা শুরু। (আরম্ভ)
- বাঘকে ভয় পায় না কে? (ভীত)• অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তি ছাড়াও হইতে, হতে, থেকে, দিয়া, দিয়ে ইত্যাদি অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়।
অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ:
• প্রথমা বিভক্তি:
- গাড়ি ঢাকা ছাড়ল।• দ্বিতীয়া বিভক্তি:
- বাবাকে বড্ড ভয় পাই।• পঞ্চমী বিভক্তি:
- শুক্রবার থেকে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা শুরু।• ষষ্ঠী বিভিক্তি:
- ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না।• সপ্তমী বিভক্তি:
- বীজে গাছ জন্মে।উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, মাহবুবুল আলম; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
- 'জানিবার ইচ্ছা' এককথায়-
- তপস্যা
- সাধনা
- অন্বেষা
- সম্প্রদান
'জানিবার ইচ্ছা' এককথায় - 'অন্বেষা'।
- সাধারণত, 'জানিবার ইচ্ছা' এককথায় - 'জিজ্ঞাসা'।
- তবে, অপশনে 'জিজ্ঞাসা' না থাকায় সঠিক উত্তর হিসেবে 'অন্বেষা' নেওয়া হয়েছে।
- অন্বেষণ করার ইচ্ছা = 'অন্বেষা'।
- 'অন্বেষণ' অর্থ: অনুসন্ধান, খোঁজ, তালাশ।
অন্যদিকে,
• 'তপস্যা':
- এর অর্থ: পাপক্ষয়, স্বর্গলাভ, জ্ঞানার্জন প্রভৃতি মহৎ উদ্দেশ্যে কঠোর সাধনা।
• 'সাধনা':
- এর অর্থ: আরাধনা, চেষ্টা, সিদ্ধি, উপাসনার বিষয়।
• 'সম্প্রদান':
- এর অর্থ: স্বত্ব ত্যাগ করে দান, সম্পূর্ণরূপে অর্পণ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। - 'পাইবার ইচ্ছা' এককথায়-
- লিপ্সা
- বুভুক্ষা
- ক্ষুধা
- প্রার্থনা
'পাইবার ইচ্ছা' এককথায় - 'লিপ্সা'।
- এর অর্থ: প্রাপ্তির প্রবল আকাঙ্ক্ষা, নিরতিশয় লোভ, প্রচণ্ড স্পৃহা।
- তবে প্রচলিতভাবে ‘পাইবার ইচ্ছা’ এক কথায় বলে = ঈপ্সা।
- আর 'লাভ' করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ হলো = লিপ্সা।
• গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাক্যসংকোচন:
- ‘ভোজন করার ইচ্ছা’ = বুভুক্ষা।
- 'প্রবেশ করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ = বিবিক্ষা।
- 'বলার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ = বিবক্ষা।
- 'বমন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ = বিবমিষা।
- 'বাস করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ = বিবৎসা।
- 'জয় করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ = জিগীষা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি অভিগম্য অভিধান। - 'সুলোচন' শব্দের অর্থ-
- যার চোখ সুন্দর
- যার নাক সুন্দর
- যার কপাল সুন্দর
- যার চুল সুন্দর
'সুলোচন' শব্দের অর্থ- 'যার চোখ সুন্দর'।
• সুলোচন (বিশেষণ):
- এটি সংস্কৃত শব্দ ও বিশেষণ পদ।
- এর প্রকৃতি-প্রত্যয় = সু + লোচন
- শব্দটির অর্থ: সুন্দর চোখ বিশিষ্ট, সুন্দর চোখ, হরিণ.
অন্যদিকে,
যার চুল সুন্দর = সুকেশী।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। - 'সারমেয়' শব্দের অর্থ-
- বিড়াল
- বাঘ
- হরিণ
- কুকুর
'সারমেয়' শব্দের অর্থ - 'কুকুর'।
• সারমেয়:
- এটি সংস্কৃত শব্দ ও বিশেষ্য পদ।
- এর প্রকৃতি-প্রত্যয় = সরমা + এয়।
- শব্দটির অর্থ: অপরাধী শনাক্তকরণ, মাদকদ্রব্য সন্ধান, রোগনির্ণয় প্রভৃতি বিশেষায়িত কাজের জন্য প্রশিক্ষিত করা যায় এমন প্রখর ঘ্রাণশক্তিসম্পন্ন চতুষ্পদ মাংসাশী স্তন্যপায়ী মেরুদণ্ডী প্রাণী, কুকুর, কুত্তা।
- এর স্ত্রীবাচক শব্দ: সারমেয়ী।
অন্যদিকে,
বিড়ালকে বলা হয় - মার্জার, মেকুর।
হরিণকে বলা হয় - কুরঙ্গ, মৃগ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। - 'ধূমকেতু' কার ছদ্মনাম?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- কাজী নজরুল ইসলাম
- জসীমউদ্দীন
- মোস্তফা কামাল
• 'ধূমকেতু' - কাজী নজরুল ইসলামের ছদ্মনাম।
• জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অনেকগুলো ছদ্মনাম রয়েছে।
যেমন:
- ধূমকেতু,
- নুরু,
- ব্যাঙাচি,
- নজর আলী ইতাদি।
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- নজরুল ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- তিনি ধূমকেতু ছদ্মনামে লিখতেন।
- করাচি সেনানিবাসে বসে রচিত এবং কলকাতার বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত নজরুলের রচনাবলির মধ্যে রয়েছে ‘বাউন্ডুলের আত্মকাহিনী’ নামক প্রথম গদ্য রচনা।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা ‘মুক্তি’ (বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা, জুলাই ১৯১৯)।
- ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে কুমিল্লা থেকে কলকাতা ফেরার পর নজরুলের দুটি ঐতিহাসিক ও বৈপ্লবিক সৃষ্টিকর্ম হচ্ছে ‘বিদ্রোহী’ কবিতা ও ‘ভাঙার গান’ সঙ্গীত। এ দুটি রচনা বাংলা কবিতা ও গানের ধারাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছিল; ‘বিদ্রোহী’ কবিতার জন্য নজরুল বিপুল খ্যাতি ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
অন্যদিকে,
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম - ভানুসিংহ ঠাকুর, অকপটচন্দ্র ভাস্কর, আন্নাকালী পাকড়াশী, দিকশূন্য ভট্টাচার্য ইত্যাদি।
• জসীমউদ্দীনকে বলা হয় - পল্লীকবি।
উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। - বাংলা সাহিত্যের নোবেল বিজয়ী-
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বাংলা সাহিত্যের নোবেল বিজয়ী - 'রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর'।
- তিনি 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
• 'গীতাঞ্জলি' ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- গীতাঞ্জলি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১) রচিত অন্যতম একটি কাব্যগ্রন্থ।
- এই গ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- বাংলা গীতাঞ্জলি (রচনাকাল, ১৯০৮-১৯০৯) কাব্যগ্রন্থ ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদগ্রন্থ 'The Song Offerings' প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালে।
- বাংলা গীতাঞ্জলি হলো ১৫৭টি গীতিকবিতার সংকলন আর ইংরেজি গীতাঞ্জলী হলো ১০৩ টি গীতি কবিতার সংকলন।
- বাংলা গীতাঞ্জলী থেকে ইংরেজি গীতাঞ্জলিতে ৫৩টি কবিতা/গানকে স্থান দিয়েছেন। অবশিষ্ট ৫০টি কবিতা/গান নিয়েছেন ৯টি কাব্যগ্রন্থ থেকে, যেমন-গীতিমাল্য থেকে ১৬টি, নৈবেদ্য থেকে ১৫টি, খেয়া থেকে ১১টি, শিশু থেকে ৩টি, কল্পনা থেকে ১টি, চৈতালি থেকে ১টি, উৎসর্গ থেকে ১টি, স্মরণ থেকে ১টি এবং অচলায়তন নাটক থেকে ১টি।
উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। - আমপারার কাব্যানুবাদ করেন-
- গোলাম মোস্তফা
- কাজী নজরুল ইসলাম
- ফররুখ আহমদ
- সৈয়দ আলী আহসান
আমপারার কাব্যানুবাদ করেন - কাজী নজরুল ইসলাম।
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৯৩৩ সালে অনুবাদ করেন ‘কাব্য আমপারা’।
- কাজী নজরুল ইসলাম,(১৮৯৯-১৯৭৬) বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- নজরুল ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- করাচি সেনানিবাসে বসে রচিত এবং কলকাতার বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত নজরুলের রচনাবলির মধ্যে রয়েছে ‘বাউন্ডুলের আত্মকাহিনী’ (সওগাত, মে ১৯১৯) নামক প্রথম গদ্য রচনা।
- প্রথম প্রকাশিত কবিতা ‘মুক্তি’ (বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা, জুলাই ১৯১৯)।
- ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে কুমিল্লা থেকে কলকাতা ফেরার পর নজরুলের দুটি ঐতিহাসিক ও বৈপ্লবিক সৃষ্টিকর্ম হচ্ছে ‘বিদ্রোহী’ কবিতা ও ‘ভাঙার গান’ সঙ্গীত। এ দুটি রচনা বাংলা কবিতা ও গানের ধারাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছিল; ‘বিদ্রোহী’ কবিতার জন্য নজরুল বিপুল খ্যাতি ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া। - 'সব্যসাচী' অর্থ-
- যার দেহে শক্তি বেশি
- যার বামহাতে শক্তি বেশি
- যার দুই হাত সমানে চলে
- যে শর নিক্ষেপে পারদর্শী
'সব্যসাচী' অর্থ - যার দুই হাত সমানে চলে।
• গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাক্যসংকোচন:
- যার দেহে শক্তি বেশি = বলিষ্ঠ,
- যা কষ্টে নিবারণ করা যায় = দুর্নিবার,
- যা দমন করা কষ্টকর = দুর্দমনীয়,
- যে নারীর নতুন বিয়ে হয়েছে = নবোঢ়া,
- যে নারীর বিয়ে হয়েছে = ঊঢ়া,
- যে পুরুষ বিয়ে করে নি= অকৃতদার,
- যে মেয়ের বিয়ে হয়নি = অনূঢ়া,
- যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানেনা = অজ্ঞাতকুলশীল,
- যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে = প্রত্যুৎপন্নমতি,
- যার কোনো তিথি নেই = অতিথি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। - বাংলা ভাষার আদিরূপ -
- সংস্কৃত
- চর্যাপদ
- প্রাকৃত
- পালি
বাংলা ভাষার আদিরূপ - 'প্রাকৃত'।
• প্রাকৃত মধ্যভারতীয় আর্যভাষা।
- ‘প্রকৃতি' অর্থ সাধারণ জনগণ এবং তাদের ব্যবহৃত ভাষাই প্রাকৃত ভাষা, অর্থাৎ প্রাকৃত জনের ভাষা প্রাকৃত ভাষা।
- প্রাকৃত ভাষা প্রধানত পাঁচ প্রকার - মহারাষ্ট্রী, শৌরসেনী, মাগধী, অর্ধমাগধী ও পৈশাচী।
- মাগধী প্রাকৃত ছিল পূর্বভারতীয় মগধের ভাষা, তাই এর নাম হয়েছে ‘মাগধী’।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রমাণ করেন যে, গৌড়ী বা মাগধী প্রাকৃত থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া। - 'কারাগারের রোজনামচা'-এর লেখক-
- কাজী নজরুল ইসলাম
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- সৈয়দ আলী আহসান
- মওলানা ভাসানী
'কারাগারের রোজনামচা' এর লেখক - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
• 'কারাগারের রোজনামচা':
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দিনলিপি গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- এটি ১৭ মার্চ, ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে ।
- এই গ্রন্থটি মূলত একটি ডায়রি যা বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬-১৯৬৮ সময়ে কারাগারে বন্দিবস্থায় লিখেছিলেন ।
উৎস: কারাগারের রোচনামচা। - 'শকুন্তলা'র অনুবাদক-
- মোহিতলাল মজুমদার
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
'শকুন্তলা'র অনুবাদক - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- প্রাচীন সংস্কৃত মহাকবি কালিদাস রচিত অভিজ্ঞান শকুন্তলা নাটক অবলম্বনে ১৮৫৪ সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একটি আখ্যান কাহিনী লিখে তার নাম দেন শকুন্তলা।
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতালপঞ্চবিংশতি'।
- তার আত্মজীবনীর নাম 'বিদ্যাসাগর চরিত' বা 'আত্মচরিত'।
তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।
শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।
উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ। - They live _____ catching fish.
- by
- on
- with
- for
• Correct answer: They live by catching fish.
• Live by (Phrasal verb):
- English meaning: to survive by (doing something)
- Bangla meaning: জীবনধারণ করা বা জীবিত থাকার উদ্দেশ্যে কিছু করা।
• জীবনধারণ করা বা জীবিত থাকা বুঝাতে Live এর সাথে by বসে।
• Example sentence: They were ancient people who lived by hunting and gathering.
- Bangla meaning: তারা ছিল প্রাচীন যুগের মানুষ, যারা শিকার ও খাদ্য সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করত। - He has been ill — last Friday.
- from
- on
- in
- since
• Correct answer: He has been ill since last Friday.
- Bangla meaning: সে গত শুক্রবার থেকে অসুস্থ।
• 'Since' preposition টি point of time অর্থাৎ কোনো কাজ শুরুর নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
• Example sentence:
- He has been ill since last Friday.
- Fahima has lived in Dhaka since 2016.• অন্যদিকে, 'For' preposition টি period of time অর্থাৎ অনির্দিষ্ট সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- Example: He has been ill for three months. - What is the time ----- your watch?
- by
- in
- at
- with
• Preposition 'by' এর অর্থ হলো according to.
- তোমার ঘড়িতে অর্থ বুঝাতে ‘by your watch’ phrase টি ব্যবহৃত হয়।- অতএব, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হিসেবে 'by' বসবে।
- Complete Sentence: What is the time by your watch? - 'Dangerous' means-
- Pleasant
- Risky
- Tedious
- Boring
• Dangerous (Adjective):
- English meaning: Likely to injure or harm somebody, or to damage or destroy something.
- Bangla meaning: বিপজ্জনক; বিপৎসংকুল।
• উল্লিখিত অপশনগুলো,
ক) Pleasant - সুখাবহ; মনোরম; মনোজ্ঞ; সুখদ; সুখকর; সুপ্রিয়।
খ) Risky - ঝুঁকিপূর্ণ।
গ) Tedious - ক্লান্তিকর; অনাকর্ষণীয়; বিরক্তিকর।
ঘ) Boring - বিরক্তিকর বা ক্লান্তিকর।
• সুতরাং, অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় যে, 'Dangerous' means - Risky.Source: Merriam-Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.
- 'Maiden speech' means :
- First speech
- Last speech
- Late speech
- Early speech
• 'Maiden speech' means - First speech.
• Maiden speech:
- English meaning:
01. A politician's maiden speech is the first speech that he or she makes in parliament after becoming a member of it.
02. The first formal speech made by a British Member of Parliament in the House of Commons or by a member of the House of Lords.
- Bangla meaning: প্রথম বক্তৃতা বা প্রথম ভাষণ।• Example sentence:
- I am most grateful for the opportunity to make my maiden speech in this debate.
- I spoke about referendums in my maiden speech and have done so on a number of other occasions.• সুতরাং, Maiden speech means - First speech.
Source: Cambridge Dictionary, Collins Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
- The verb of the word 'soft' is --
- softly
- softer
- soften
- softest
• The verb of the word 'soft' is - soften.
• Soften (Verb):
- English meaning: To become, or to make something softer.
- Bangla meaning: নরম, কোমল, মৃদু, মসৃণ, নমনীয়, দুর্বল ইত্যাদি করা বা হওয়া।• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
- Softly (Adverb) - মৃদু বা কোমলভাবে।
- Softer (Adjective) - আরও নরম; স্পর্শে আরও কোমল।
- Softest (Soft এর superlative form) - সবচেয়ে নরম, অতি কোমল।Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary
- He has been suffering ----- fever.
- by
- in
- from
- with
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - from.
• Correct answer: He has been suffering from fever.
• Suffer from:
- English meaning: To have a particular physical or emotional problem.
- Bangla Meaning: ভোগা; ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া; শান্তি/ কষ্ট পাওয়া।• অর্থাৎ, রোগে ভোগা অর্থ বোঝাতে suffer এরপর preposition হিসাবে from ব্যবহৃত হয়।
- Everybody should tell ----- truth.
- a
- the
- at
- to
• Correct answer: Everybody should tell the truth.
- tell the truth একটি নির্দিষ্ট ও বহুল ব্যবহৃত idiomatic expression, যার অর্থ সত্য কথা বলা।
- তাই, এখানে article হিসেবে the ব্যবহৃত হবে।
- সঠিক উত্তর: খ) the. - The word 'extempore' means---
- Preparation
- Without preparation
- Memorization
- Oblivion
• Extempore (Adverb & Adjective):
- English Meaning: Made or done without previous thought or preparation.
- Bangla Meaning: প্রস্তুতি ছাড়া; উপস্থিত বক্তৃতা।
• উল্লিখিত অপশনগুলো,
ক) Preparation - প্রস্তুতকরণ; প্রস্তুতি; আয়োজন।
খ) Without preparation - পূর্ব প্রস্তুতি ব্যাতীত।
গ) Memorization - মূখস্থ।
ঘ) Oblivion - বিস্মরণ; বিস্মৃতি।
• সুতরাং, অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The word 'extempore' means - Without preparation.Source: Merriam-Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.
- Noun of the word 'beautiful' is --
- Beauty
- Beautify
- Beautification
- Nothing else
• Noun of the word 'beautiful' is - Beauty.
• Beautiful (Adjective):
- English meaning: Having beauty; giving pleasure to the senses or to the mind.
- Bangla meaning: সুন্দর, চমৎকার; মন ও ইন্দ্রিয়কে আনন্দ দেয় এমন।• Beauty (Noun):
- English meaning: The quality of being pleasing and attractive, especially to look at.
- Bangla meaning: সৌন্দর্য, শ্রী, রূপ, লাবণ্য।• Other options:
- Beautify (Verb) - সুন্দর করা।
- Beautification (Noun) - প্রসাধন।
- Nothing else - আর কিছু নয়; উল্লেখিত বিষয় ছাড়া অন্য কিছু নয় বা দরকার নেই।Source: Cambridge, Oxford and Accessible Dictionary.
- টাকায় ৩টি করে কিনে টাকায় ২টি করে বিক্রি করলে শতকরা কত লাভ হয়?
- ৫০%
- ৪০%
- ৩০%
- ২০%
প্রশ্ন: টাকায় ৩টি করে কিনে টাকায় ২টি করে বিক্রি করলে শতকরা কত লাভ হয়?
সমাধান :
৩টি জিনিসের ক্রয়মূল্য = ১ টাকা
∴ ১টি জিনিসের ক্রয়মূল্য = ১/৩ টাকা২ টি জিনিসের বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা
∴ ১টি জিনিসের বিক্রয়মূল্য = ১/২ টাকা∴ লাভ = (১/২) - (১/৩)
= (৩ - ২)/৬ টাকা
= ১/৬ টাকা১/৩ টাকায় লাভ হয় = ১/৬ টাকা
∴ ১ টাকায় লাভ হয় = {(১/৬)/(১/৩)} টাকা
∴ ১০০ টাকায় লাভ হয় = {(১/৬)/(১/৩)} × ১০০ টাকা
= {(১/২) × ১০০} টাকা
= ৫০ টাকা
∴ শতকরা লাভ = ৫০% - ১ এর বর্গমূল কত?
- ০.১
- ০.০১
- ০.২৫
- ০.৩১
প্রশ্ন: ০.১ এর বর্গমূল কত?
সমাধান:
০.১ এর বর্গমূল = √০.১
=০.৩১ - গ্রামের জনসংখ্যা ১০% বেড়ে ১১০০ হলে, পূর্বের জনসংখ্যা কত ছিল?
- ৮০০
- ৯৯০
- ১০০০
- ৯০০
প্রশ্ন: গ্রামের জনসংখ্যা ১০% বেড়ে ১,১০০ হলে পূর্বের জনসংখ্যা কত ছিল?
সমাধান:
জনসংখ্যা ১০% বৃদ্ধিতে
পূর্বের জনসংখ্যা ১০০ জন হলে বর্তমান জনসংখ্যা = (১০০ + ১০) জন = ১১০ জনবর্তমান জনসংখ্যা ১১০ জন হলে পূর্বের জনসংখ্যা ১০০ জন
বর্তমান জনসংখ্যা ১ জন হলে পূর্বের জনসংখ্যা ১০০/১১০ জন
বর্তমান জনসংখ্যা ১,১০০ জন হলে পূর্বের জনসংখ্যা (১০০ × ১,১০০)/১১০ জন
= ১০০০ জন - ০২৩ এর ১% সমান কত?
- ০.০০০২৩
- ০.০০২৩
- ০.২৩
- ২.৩
প্রশ্ন: ০.০২৩ এর ১% সমান কত?
সমাধান:
০.০২৩ এর ১%
= ০.০২৩ এর ১/১০০
= ০.০০০২৩ - ০৫ এর ০.৩ গুণ শতকরার কত?
- ০.১৫%
- ১.৫%
- ০.০১৫%
- ১৫%
প্রশ্ন: ০.০৫ এর ০.৩ গুণ শতকরার কত?
সমাধান:
০.০৫ এর ০.৩ গুণ
= ০.০৫ × ০.৩
= ০.০১৫এখন শতকরায়,
০.০১৫ × ১০০%
= ১.৫% - মিলিয়নে কত কোটি?
- ৫
- ৫০
- ৫০০
- ২০
প্রশ্ন: ৫০ মিলিয়নে কত কোটি?
সমাধান:
আমরা জানি
১০ মিলিয়ন = ১ কোটি
∴ ১ মিলিয়ন = ১/১০ কোটি
∴ ৫০ মিলিয়ন = ৫০/১০ কোটি
= ৫ কোটি - কেজিতে কত কুইন্টাল?
- ৫
- ৫০
- ১০
- ৫০০
প্রশ্ন: ৫০০০ কেজিতে কত কুইন্টাল?
সমাধান:
১০০ কেজি = ১ কুইন্টাল
১ কেজি = ১/১০০ কুইন্টাল
৫০০০ কেজি = ১ × ৫০০০/১০০ কুইন্টাল
= ৫০ কুইন্টাল - একরে কত বর্গগজ?
- ৪৪৮৪০
- ৪৮০
- ৪৮৪০০
- ৪৮৪
প্রশ্ন: ১০ একরে কত বর্গগজ?
সমাধান:
আমরা জানি,
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ।
∴ ১০ একর = ১০ × ৪৮৪০ = ৪৮৪০০ বর্গগজ