Islami Bank Bangladesh PLC - Trainee Assistant Officer (General) Exam Date: 01.11.2025
চাকুরী প্রস্তুতি - ব্যাংক · পরীক্ষার সাল ২০২৫
- কোনটি শুদ্ধ বানান?
- সন্যাসী
- স্বন্যাসী
- সন্যাসি
- সন্ন্যাসী
শুদ্ধ বানান হচ্ছে সন্ন্যাসী।
উৎসঃ বাংলা প্রশ্নের টীকা-ভাষ্য, অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর। - Which one is a complex sentence?
- He is poor but honest
- There is no mother but loves her child
- Do or die
- He tried hard to help me
সঠিক উত্তর: খ) There is no mother but loves her child.
প্রদত্ত বাক্যে but আছে এ কারনে মনে হতে পারে এটি Compound sentence কিন্তু বাক্যে but আসলে negative relative pronoun অর্থাৎ who does not অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে তাই sentence টি Complex sentence হবে।
• Complex sentence:
- যে sentence এ একটি Principal clause এবং এক বা একাধিক Subordinate clause থাকে, তাকে Complex sentence বলে।
- Complex sentence এর subordinate clause এর শুরুতে সাধারণত if, though, although, as, because, since, so that, that, until, till, unless, when, why, who, which, where, how, before, after, whether, while বসে।
other options,ক) He is poor but honest:
- এটি একটি Compound sentence (দুটি adjective "poor" এবং "honest" কে coordinating conjunction "but" দিয়ে যুক্ত করা হয়েছে।)গ) Do or die:
- এটি একটি Compound sentence.
- Do or die. - এই sentence টিতে 'or' দ্বারা দুটি clause যুক্ত আছে, তাই এটি Compound Sentence.ঘ) He tried hard to help me
- এটি একটি Simple Sentence.
একটিমাত্র Subject ও Verb আছে। "to help me" একটি Infinitive Phrase, আলাদা Clause নয়।-----------
• Simple sentence:
- A simple sentence consists of a single independent clause that expresses a complete thought.
- একটি simple sentence এ শুধুমাত্র একটি clause থাকে অর্থাৎ একটি subject এবং একটি finite verb থাকে।
- যেমন: The sun shines brightly in the sky.
• Compound sentence:
- A compound sentence is a sentence that connects two independent clauses, typically with a coordinating conjunction like and or but.
- They're best for combining two or more self-sufficient and related sentences into a single, unified one.
- Compound sentence এ একের অধিক principal clause থাকে যাদেরকে co-ordinate clause বলা হয়।• অর্থাৎ Compound sentence এ দুই বা ততোধিক principal clause বা co-ordinate clause থাকে।
- এছাড়া Compound sentence এ সাধারণত and, or, but, yet, so, therefore, otherwise, else, both and, either --- or, neither nor, not only --- but also ইত্যাদি co-ordinating conjunction দ্বারা দুইটি principal clause যুক্ত থাকে। - কোন ভিটামিনটি পানিতে দ্রবণীয়?
- ভিটামিন এ
- ভিটামিন বি
- ভিটামিন ডি
- ভিটামিন ই
• ভিটামিন বি (Vitamin B) পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন, যা শরীরে সঞ্চিত না থেকে সহজে নির্গত হয়।
• পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন:
- যে ভিটামিনগুলো পানিতে দ্রবীভূত হয় তাদের পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন বলা হয়।
- এগুলো শরীরে দীর্ঘ সময় সঞ্চিত থাকে না এবং অতিরিক্ত অংশ প্রস্রাবের মাধ্যমে বের হয়ে যায়।
- প্রধান পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন হলো ভিটামিন বি ও ভিটামিন সি।• ভিটামিন বি (Vitamin B):
- এটি একটি ভিটামিন গ্রুপ (B-complex), যার মধ্যে B1, B2, B3, B6, B12 ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
- দেহের শক্তি উৎপাদন, স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রম এবং বিপাকক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- শরীরে সঞ্চিত না থাকায় নিয়মিত খাদ্যের মাধ্যমে গ্রহণ করা প্রয়োজন।• অন্যান্য অপশন:
- ভিটামিন এ → চর্বিতে দ্রবণীয় (Fat-soluble)।
- ভিটামিন ডি → চর্বিতে দ্রবণীয়।
- ভিটামিন ই → চর্বিতে দ্রবণীয়।উৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications. - Choose the correct sentence
- A few of the three boys got a prize
- Each of the three boys got a prize
- Every of the three boys got a prize
- All of three boys got a prize
Every কখনও pronoun হিসেবে বসে না, সবসময় Adjective হিসেবে বসে ।
Each pronoun এবং Adjective উভয়ই হিসেবেই বসে ।
তাই অপশন গ ভুল ।
অপশন ক এবং ঘ তে subject ও object এর মাঝে সমন্বয় নেই।
A few ≠ a prize (singular) এবং All (plural) ≠ a prize (singular) হওয়ায় ভুল।
সঠিক উত্তর হলো Each of the three boys got a prize. - 'বদনাম' শব্দের 'বদ' কোন ভাষার উপসর্গ?
- বাংলা
- ফারসি
- আরবি
- হিন্দি
• 'বদনাম' শব্দে 'বদ' 'ফারসি' ভাষার উপসর্গ।
উল্লেখ্য,
• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
উর্দু উপসর্গ: হর।
ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। - একরে কত বর্গগজ?
- ৪৪৮৪০
- ৪৮০
- ৪৮৪০০
- ৪৮৪
প্রশ্ন: ১০ একরে কত বর্গগজ?
সমাধান:
আমরা জানি,
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ।
∴ ১০ একর = ১০ × ৪৮৪০ = ৪৮৪০০ বর্গগজ - জুলাই সনদ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করা হয় কবে?
- ৭ অক্টোবর, ২০২৫
- ১০ অক্টোবর, ২০২৫
- ১৫ অক্টোবর, ২০২৫
- ১৭ অক্টোবর, ২০২৫
জুলাই সনদ:
- জুলাই জাতীয় সনদ ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
• জুলাই জাতীয় সনদকে চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে জনগণের ত্যাগ ও রক্তদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রণীত নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে গণ্য হচ্ছে। ৩০টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কমিশনের দীর্ঘ আলোচনা শেষে ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবে ঐকমত্য ও সিদ্ধান্ত হয়। এগুলো নিয়ে তৈরি করা হয়েছে জুলাই জাতীয় সনদ।
• ১৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনের জাঁতাকলে পিষ্ট বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে এক অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থানের সূচনা হয়। এর ফলে ৫ই আগস্ট ২০২৪ তারিখে তৎকালীন ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার কিছু দোসর দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান এবং দীর্ঘকালীন দমনমূলক ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে।
উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট। - জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী কে?
- তোশিকো আবে
- আনালিনা বেয়ারবক
- সানায়ে তাকাইচি
- জুনকো তাবেই
জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী:
- জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।
• ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সানায়ে তাকাইচি (Sanae Takaichi)।
- তিনি দেশটির ইতিহাসে এই সর্বোচ্চ পদে আসীন প্রথম নারী এবং কট্টর রক্ষণশীল রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত। তিনি এলডিপি (LDP) দলের প্রতিনিধি হিসেবে এই পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
- যুক্তরাজ্যের ‘আয়রন লেডি’ খ্যাত প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার সানায়ে তাকাইচির রাজনৈতিক জীবনের আদর্শ।উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) DW. - বাংলাদেশের সফটওয়্যার প্রস্তুতকারীদের সমিতির নাম-
- সফটএস
- বেসিস
- কাটেক্সপো
- বিএসসিআইস
• বাংলাদেশে সফটওয়্যার প্রস্তুতকারীদের সমিতির নাম BASIS (Bangladesh Association of Software and Information Services)।
• BASIS (Bangladesh Association of Software and Information Services):
- BASIS হলো বাংলাদেশের সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের প্রধান বাণিজ্য সংগঠন।
- এটি দেশের সফটওয়্যার কোম্পানি ও আইটি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিত্ব করে।
- তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে আইটি শিল্পকে এগিয়ে নেয়।• BASIS-এর ভূমিকা:
- সফটওয়্যার শিল্পের উন্নয়ন ও প্রসার ঘটানো।
- আইটি খাতে আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে সহায়তা করা।
- প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা করা।
- প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি ও সহায়তা প্রদান করা।• অন্যান্য অপশন:
- সফটএস → এটি কোনো স্বীকৃত সফটওয়্যার প্রস্তুতকারীদের সমিতি নয়।
- কাটেক্সপো → এটি কোনো সফটওয়্যার সংগঠন নয়।
- বিএসসিআইস → বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন, সফটওয়্যার সমিতি নয়।উৎস:
১) BASIS Official Website,
২) Computer & ICT Cloud, Live Publications. - নির্বাচন বিধি অনুসারে প্রতিটি রাজনৈতিক দলে নারী সদস্য থাকতে হবে কত শতাংশ?
- ১৩%
- ১৫%
- ২০%
- ৩৩%
নির্বাচন বিধি:
- বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর কমিটিতে (কেন্দ্রীয় কমিটিসহ সব কমিটিতে) ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীতে সংবিধান তৈরির পর নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রথমবারের মতো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ প্রণয়ন করা হয়েছিলো। সংবিধানের অধীনেই করা হয়েছিলো গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (রিপ্রেজেন্টেটিভ পিপলস অর্ডার ১৯৭২) , যা এ পর্যন্ত অনেকবার সংস্কার হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশে ২০০৭ সালের সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই বছরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছিলো এ আইনে।
- রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন, প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতার বিষয় নিরূপণ কিংবা রাজনৈতিক দলগুলোর কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারীকে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলো সে সময়ে সংযোজিত হয়েছে।উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বিবিসি। - বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস কোথায় অবস্থিত?
- চট্টগ্রাম
- গাজীপুর
- ময়মনসিংহ
- খুলনা
বাংলাদেশের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস:
- বাংলাদেশে ব্যাংকনোট ও নিরাপত্তা নথিপত্র মুদ্রণের প্রধান প্রতিষ্ঠান 'দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিঃ গাজীপুরে অবস্থিত।
• নিরাপত্তা মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান নিঃসন্দেহে যে কোন স্বাধীন জাতির সার্বভৌমত্বের অন্যতম প্রতীক। দেশের ব্যাংক নোট ও কারেন্সী নোট এবং মূল্যবান নিরাপত্তা দলিলাদি দেশে মুদ্রণের উদ্দেশ্যে ১৯৮১ সনে গাজীপুরে সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস স্থাপনের কাজ শুরু হয়।
- ১৯৮৮ সনের জুন মাস থেকে ১ টাকার কারেন্সী নোট এবং একই বছরের নভেম্বর মাস থেকে ১০ টাকা মূল্যমান ব্যাংক নোট পরীক্ষামূলক উৎপাদনের মধ্য দিয়ে প্রকল্পের পদযাত্রা শুরু হয়। ১৯৮৮-১৯৮৯ সনে ২৮৮ মিলিয়ন পিস নোট উৎপাদিত হয়।
উল্লেখ্য,
- ব্যাংক ও কারেন্সী নোট ছাড়াও চেক, স্ট্যাম্প সরকারী বিল, বন্ড, শেয়ার, স্টক, ঋণপত্র, নিরাপত্তা প্রত্যায়নপত্র, জমাদানের প্রত্যায়নপত্র, লগ্নিকারী বিশেষ প্রতিষ্ঠান প্রকল্পের ইউনিট এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের জন্য পূর্বোক্ত ধরনের দলিলাদি ছাপানো হচ্ছে। এখানে সকল ধরনের মুদ্রণ কার্যে সর্ব্বোচ্চ নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়।
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে 'বাংলাদেশ ব্যাংক' ১৯৭২ সালে ৪মার্চ ১ টাকা ও ১০ টাকার কাগজের নোট প্রচলন করেন।
উৎস: দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিঃ। - বাংলাদেশে বিচারপতিদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা কত?
- ৫৭ বছর
- ৬০ বছর
- ৬২ বছর
- ৬৭ বছর
সংবিধান অনুযায়ী বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৬৭ বছর।
বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি:
- প্রধান বিচারপতি হলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বিচারকদের প্রধান।
- তিনি অধস্তন আদালতসহ গোটা বিচার ব্যবস্থারও প্রধান।
- সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করেই অন্যান্য বিচারপতি দের নিয়োগ দেয়া হয়।
• বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্যে ন্যূনতম দশ বছর সুপ্রিমকোর্টে অ্যাডভোকেট বা দেশের বিচার বিভাগীয় পদে দশ বছর নিযুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর। ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৯৬ ধারা পুন:স্থাপন করে বিচারপতিদের বয়স করা হয় ৬৭ বছর। অর্থাৎ, প্রধান বিচারপতি ৬৭ বছর বয়সে অবসর গ্রহণ করেন।
- বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।
উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান ২৬তম প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে জুবায়ের রহমান চৌধুরী দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
উৎস: i) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো। - বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ- এর পদবি কী ছিল?
- ক্যাপ্টেন
- লেফটেন্যান্ট
- ল্যান্সনায়েক
- সিপাহী
বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ:
- বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ-এর পদবি ছিল ল্যান্সনায়েক।
- তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি)-এর ১১ নম্বর উইং-এ কর্মরত ছিলেন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করা হয়।
উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দিয়ে যুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে আবদুর রউফ ইপিআরের ১১ নম্বর উইং চট্টগ্রামে কর্মরত ছিলেন।
- ১৯৭১ সালের ৮ এপ্রিল রাঙামাটির নানিয়ারচরের বুড়িঘাটে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের মুখোমুখি লড়াই হয়। কৌশলগত কারণে সহযোদ্ধাদের পিছু হটতে বলে তিনি নিজেই শত্রুসেনাদের মোকাবেলা করেন, একপর্যায়ে শহীদ হন। সহযোদ্ধারা পরে তাঁর লাশ উদ্ধার করে নানিয়ারচরের চিংড়ি খালসংলগ্ন একটি টিলার ওপর সমাহিত করেন।
- তিনিই বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে প্রথম শহীদ।
উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। - 'Long Walk to Freedom' এটি কার আত্মজীবনীমূলক বই?
- বেনজির ভুট্টো
- নেলসন ম্যান্ডেলা
- মহাত্মা গান্ধী
- হিলারী ক্লিনটন
Long Walk to Freedom:
- 'Long Walk to Freedom' দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের কিংবদন্তি নেতা এবং দেশটির প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনীমূলক বই।
- ১৯৯৪ সালে বইটি প্রকাশিত হয়।
- এই বইটিতে তাঁর শৈশব, বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম, ২৭ বছরের কারাবাস এবং দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাধীনতা লাভের সুদীর্ঘ যাত্রার বর্ণনা রয়েছে।
এছাড়াও,
- ম্যান্ডেলার জীবন ও রাজনীতি নিয়ে বানানো একটি চলচ্চিত্র—‘ম্যান্ডেলা লং ওয়াক টু ফ্রিডম’। ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত ম্যান্ডেলার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘লং ওয়াক টু ফ্রিডম’ থেকে একই নামে চলচ্চিত্রটি বানিয়েছেন পরিচালক জাস্টিন চ্যাডউইক। ম্যান্ডেলার ভূমিকায় দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন ব্রিটিশ অভিনেতা, র্যাপার ইদ্রিস এলবা।
উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- তার ডাকনাম মাদিবা, তাতা, রোলিহ্লাহ্লা, ডালিভুঙ্গা ইত্যাদি।
- নেলসন মেন্ডেলার রাজনৈতিক দল আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস।
- এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক দেশের বর্ণবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে সাহায্য করেছিলেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ শাসনে শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছিলেন।
- ম্যান্ডেলা এবং ডি ক্লার্ক যৌথভাবে তাদের প্রচেষ্টার জন্য ১৯৯৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
উৎস: i) Britannica.
ii) BBC. - কে বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করে বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে কৃষক-প্রজাদের সংগঠিত করেছিলেন?
- হাজী শরীয়তুল্লাহ
- মজনু শাহ
- আহমেদ বেরলভী
- সৈয়দ নিসার আলী তিতুমীর
বাঁশের কেল্লা:
- বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে কৃষক-প্রজাদের সংগঠিত করেছিলেন মীর নিসার আলী তিতুমীর।
- তিনি ১৮৩১ সালে পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার নারিকেলবাড়িয়ায় বাঁশ ও কাদা দিয়ে এই বিখ্যাত 'বাঁশের কেল্লা' নির্মাণ করেন এবং জমিদার ও নীলকরদের শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
উল্লেখ্য,
- ১৮৩১ সালে তিনি বারাসতের কাছে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে একটি বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করে সেখানে অস্ত্র জমা করেন। বাঁশ এবং কাদা দিয়ে তিনি ও তাঁর অনুসারীরা এই কেল্লা নির্মাণ করেছিলেন। তাঁর আন্দোলনের একটি বড় প্রতীকী তাৎপর্য ছিল অন্যায়, এবং শাসকবর্গের অসঙ্গত শোষণের বিরুদ্ধে একটি ন্যায়সঙ্গত অবস্থান নিয়ে দাঁড়ানো এবং প্রতিবাদে জ্বলে ওঠা।
- লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বে ১০০ অশ্বারোহী, ৩০০ স্থানীয় পদাতিক, দুটি কামানসহ গোলন্দাজ সৈন্যের এক নিয়মিত বাহিনী তিতুমীরের বিরুদ্ধে প্রেরণ করেন।
- ১৮৩১ সালের ১৪ নভেম্বর ইংরেজ বাহিনী মুজাহিদদের উপর আক্রমণ চালায়। তাঁদের সাধারণ তলোয়ার ও হালকা অস্ত্র নিয়ে তিতুমীর ও তাঁর সেনারা ব্রিটিশ সেনাদের আধুনিক অস্ত্রের সামনে দাঁড়াতে পারেননি। সেই যুদ্ধে তিতুমীর শহীদ হন।
- পাশাপাশি ১৮৩১ সালের ১৭ নভেম্বর বাঁশের কেল্লাটিকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য,
- প্রজাদের ওপর অত্যাচারের প্রতিকার তিতুমীর করতে চেয়েছিলেন শান্তিপূর্ণভাবে ও সমঝোতার মাধ্যমে। কিন্তু ব্যর্থ হয়ে বারাসাতে ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। কোম্পানির বিরুদ্ধে এটাই ছিল তাঁর প্রথম বিদ্রোহ। তিনি ২৪ পরগণার কিছু অংশ, নদীয়া ও ফরিদপুরের একাংশ নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণা করেন। এই বিদ্রোহ "বারাসাতের বিদ্রোহ" নামে পরিচিত। এই বিদ্রোহে তিরাশি হাজার কৃষক সেনা তিতুমীরের পক্ষে যোগ দিয়েছিলেন।
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC. - এ বছর শান্তিতে নোবেল বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো কোন দেশের নাগরিক?
- ভেনিজুয়েলা
- যুক্তরাষ্ট্র
- মেক্সিকো
- ইউক্রেন
শান্তিতে নোবেল বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো:
- ২০২৫ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
- তিনি ভেনেজুয়েলার নাগরিক।
- তিনি ভেনেজুয়েলার একজন বিশিষ্ট বিরোধীদলীয় রাজনীতিবিদ, অ্যাক্টিভিস্ট এবং গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করা নেত্রী।
- ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার রক্ষার জন্য দীর্ঘ সংগ্রামের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।
• মারিয়া কোরিনা মাচাদো ১৯৬৭ সালের ৭ অক্টোবর ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৯২ সালে মারিয়া অ্যাথেনিয়া ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন, যা কারাকাসের পথশিশুদের কল্যাণে কাজ করে। ২০১০ সালে বিরোধীদলীয় জোট থেকে তিনি ভেনেজুয়েলার জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১২ সালে ‘ভেন্তে ভেনেজুয়েলা’ নামের রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন মারিয়া। ২০১৪ সালে তিনি নিকোলা মাদুরোর সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন এবং রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হন।
- মাচাদো ভেনেজুয়েলায় উদার অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রবক্তা। তিনি ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ‘পিডিভিএসএ’-সহ অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠান বেসরকারীকরণে পক্ষপাতী। এ ছাড়া দেশের সবচেয়ে দরিদ্র নাগরিকদের জন্য কল্যাণমূলক কর্মসূচি চালুরও বড় সমর্থক তিনি।
- মারিয়া নিজের কর্মজীবনকে ‘মুক্তি ও ঐক্যের’ সামগ্রিক সংগ্রাম বলতে ভালোবাসেন। অর্থনৈতিক সংকট ও সামাজিক অবক্ষয়ের মুখে থাকা ভেনেজুয়েলার মানুষের মধ্যে আশা জাগিয়ে রাখাকে নিজের জীবনের প্রধান দায়িত্ব বলে মনে করেন মাচাদো।
উৎস: i) Nobel Prize ওয়েবসাইট।
ii) BBC. - 'এগারো সিন্ধু' দূর্গের নির্মাতা কে?
- শেরশাহ
- ঈশা খাঁ
- মুসা খান
- প্রতাপাদিত্য
'এগারো সিন্ধুর' দুর্গ:
- 'এগারো সিন্ধুর' দুর্গের নির্মাতা ঈশা খাঁ।
• এগারসিন্ধুর দুর্গ ঈসা খানের নাম বিজড়িত মধ্যযুগীয় একটি দুর্গ।
- এটি কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার অধীনে এগারসিন্ধুর গ্রামে অবস্থিত। ‘এগারসিন্ধু’ শব্দটি এখানে ‘এগারটি নদী’ অর্থে ব্যবহূত হয়েছে। এ দুর্গ এ নামে পরিচিত হওয়ার কারণ হলো, এক সময় এটি অনেকগুলি নদীর (বানার, শীতলক্ষা, আড়িয়াল খাঁ, গিয়র সুন্দা ইত্যাদি) সংযোগস্থলে অবস্থিত ছিল।- জনশ্রুতি অনুযায়ী, বেবুধ (ইবনঁরফুধ) নামে একজন কোচ উপজাতি প্রধান দুর্গটি নির্মাণ করে এটিকে তাঁর রাজধানীতে পরিণত করেন। এখানে পুরনো একটি দিঘি রয়েছে যেটিকে ‘বেবুধ রাজার দিঘি’ বলা হয়ে থাকে। ধারণা করা হয় যে, এ দিঘির পাড়েই রাজপ্রাসাদ অবস্থিত ছিল। ঈসা খান দুর্গটি দখল করেছিলেন। দুর্গটিকে সংস্কার করে একটি শক্তিশালী সামরিক ঘাঁটিতে উন্নীত করার কৃতিত্ব ঈসা খানের। ৫৮৯ খ্রিস্টাব্দে মানসিংহ দুর্গটি আক্রমণ করেন, কিন্তু ঈসা খানের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন করে তিনি ফিরে যান। সতেরো শতকের শুরুর দিকে ‘অহম’রা এ দুর্গটি দখল করে নেয়। ইসলাম খান তাদের পরাজিত করে দুর্গটিকে ধ্বংস করে দেন। ১৮৯৭ সালের বিধ্বংসী ভূমিকম্পে এ ধ্বংসপ্রাপ্ত দুর্গের বশিষ্টাংশও নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। সতেরো শতকে এখানে দুটি মসজিদ নির্মিত হয়, সাদী মসজিদ (১৬৫২ খ্রি.) এবং শাহ মুহম্মদ মসজিদ (১৬৮০ খ্রি.)।
উৎস: বাংলাপিডিয়া। - মানবদেহে লোহিত রক্ত কনিকার গড় আয়ু কত?
- ৯০ দিন
- ১০০ দিন
- ১১০ দিন
- ১২০ দিন
• মানবদেহে লোহিত রক্ত কণিকার (RBC) গড় আয়ু প্রায় ১২০ দিন।
• লোহিত রক্ত কণিকা (Red Blood Cell - RBC):
- লোহিত রক্ত কণিকা রক্তের একটি প্রধান উপাদান, যা অক্সিজেন পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এতে হিমোগ্লোবিন নামক লৌহঘটিত প্রোটিন থাকে, যা অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে।
- RBC অস্থিমজ্জায় (Bone marrow) উৎপন্ন হয় এবং রক্তের মাধ্যমে সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ে।
- নির্দিষ্ট সময় পরে পুরাতন RBC ভেঙে যায় এবং নতুন RBC তৈরি হয়।• RBC-এর আয়ু ও গুরুত্ব:
- লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ু প্রায় ১২০ দিন।
- পুরাতন RBC প্রধানত প্লীহা (Spleen) ও যকৃতে (Liver) ধ্বংস হয়।
- দেহে অক্সিজেন পরিবহন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- রক্তের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে RBC-এর সঠিক সংখ্যা ও আয়ু গুরুত্বপূর্ণ।উৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications. - তাজমহল, খাসমহল, শীষমহল নির্মাণ করেন কে?
- হুমায়ূন
- আকবর
- জাহাঙ্গীর
- শাহজাহান
মুঘল সম্রাট শাহজাহান:
- তাজমহল, খাসমহল এবং শীষমহল—সবগুলোই মুঘল সম্রাট শাহজাহান নির্মাণ করেন।
- তিনি তাঁর প্রিয় স্ত্রী মমতাজ মহলের স্মৃতিতে ১৬৩২-১৬৫৩ সালের মধ্যে আগ্রায় যমুনা নদীর তীরে এই বিখ্যাত স্থাপত্যগুলো নির্মাণ করেন।
উল্লেখ্য,
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময়কাল মুঘল ইতিহাসের চিত্রকলা ও স্থাপত্যের স্বর্ণযুগ বলে বিবেচিত ও প্রশংসিত। মুঘল ইতিহাসে তিনি প্রিয়তমা পত্নীর স্মৃতিতে তাজমহলের স্রষ্টা ও 'Prince of builders' নামে আজও বিখ্যাত হয়ে আছেন। মুঘল ইতিহাসে শাহজাহানের রাজত্বকাল "The Age of Marble" নামে খ্যাত। তিনি ছিলেন ভারতবর্ষের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ নির্মাতা। তিনি ইতিহাসে "The Prince of Builders or Engineer King" নামে পরিচিত।• তার রাজত্বকালে দিল্লি, আগ্রা, লাহোরে ব্যাপক স্থাপত্য শৈলী তৈরী করা হয়েছিল। কাবুল, কান্দাহার ও কাশ্মিরে মনোরম উদ্যান, প্রাসাদ, মসজিদ ইত্যাদি নির্মিত হয়েছিল।
- রাজধানী আগ্রাতে তিনি নির্মাণ করেছিলেন দীউয়ান-ই-আম, দীউয়ান-ই-খাস, মোতি মসজিদ, সালিমার উদ্যান, শীষ মহল ইত্যাদি।
- শাহজাহান ১৬৩৮ খ্রি. রাজধানী আগ্রা হতে দিল্লিতে স্থানান্তর করেন এবং নতুন নগরীর নাম দেন শাহজাহানাবাদ। এখানে তিনি লালকেল্লা, মমতাজ মহল ইত্যাদি নির্মাণ করেন।
- তার মসজিদ স্থাপত্যের মধ্যে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য ছিল দিল্লির জামে মসজিদ।
- এছাড়াও তিনি বহু মূল্যবান রত্ন খচিত জগৎবিখ্যাত ময়ূর সিংহাসন তৈরি করেন।উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
- ৭ম
- ৮ম
- ৯ম
- ১০ম
জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান:
- জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৮ম।
উল্লেখ্য,
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১৭ কোটি ৭৮ লাখের বেশি মানুষ বসবাস করছে।
- বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২.১৪% এই দেশে বসবাস করে এবং এটি বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ।
উৎস: i) World Population Review. [link]
ii) Worldometer. [link] - বিতর্কিত 'এভিন কারাগার' কোথায় অবস্থিত?
- কিউবা
- যুক্তরাষ্ট্র
- তেল আবিব
- তেহরান
বিতর্কিত 'এভিন কারাগার':
- বিতর্কিত 'এভিন কারাগার' ইরানের উত্তর তেহরানের পাহাড়ী অঞ্চলে অবস্থিত।
- 'এভিন কারাগার' ইরানের রাজধানী তেহরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি দেশটির অন্যতম কুখ্যাত এবং কঠোর নিরাপত্তা বলয়যুক্ত কারাগার যা মূলত রাজনৈতিক বন্দীদের আটকে রাখার জন্য পরিচিত।
- এই কারাগারটি ১৯৭২ সালে স্থাপিত হয় এবং বর্তমানে এটি তেহরানের সাাদাত আবাদ এলাকার অদূরে আলবোর্জ পর্বতমালার পাদদেশে অবস্থিত।
উৎস: BBC. - ভাষা আন্দোলনের ফলে কোন প্রতিষ্ঠানটি সৃষ্টি হয়?
- এশিয়াটিক সোসাইটি
- বাংলা একাডেমি
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
- শহীদ মিনার
বাংলা একাডেমি:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রধান দাবি ছিল বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া। এই আন্দোলনের সরাসরি ফসল হিসেবে ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বাংলা ভাষার উন্নয়ন ও গবেষণার জন্য নিবেদিত প্রধান জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
অন্যদিকে,
- এশিয়াটিক সোসাইটি মূলত ১৭৮৪ সালে প্রাচ্যের ইতিহাস ও সংস্কৃতি গবেষণার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা ভাষা আন্দোলনের অনেক আগের ঘটনা।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: এটি ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- শহীদ মিনার: এটি ভাষা শহীদদের স্মরণে নির্মিত একটি স্মৃতিস্তম্ভ বা স্থাপত্য, কোনো প্রশাসনিক বা গবেষণা ‘প্রতিষ্ঠান’ নয়।
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট। - বাংলাদেশের মূল রপ্তানি পণ্য রেডিমেড গার্মেন্টসের একক বৃহত্তম বাজার-
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন
- যুক্তরাষ্ট্র
- মধ্যপ্রাচ্য
- যুক্তরাজ্য
রেডিমেড গার্মেন্টসের একক বৃহত্তম বাজার:
- বাংলাদেশের মূল রপ্তানি পণ্য রেডিমেড গার্মেন্টসের একক বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
• ২০২৬ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ পোশাক রপ্তানিতে চীনকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে, তবে শুল্ক ও চাহিদা হ্রাসের কারণে আগের বছরের তুলনায় এই বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি ৮.৫৩ শতাংশ কমে ১.৩৭ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে।
- যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ স্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে চীন।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি খাতে ৮.৮৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ খাতের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে অবস্থান করছে। ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের আরএমজি রপ্তানি হয়েছে ১৯.৭১ বিলিয়ন ডলার যা দেশে মোট আরএমজি রপ্তানির ৫০.১০ শতাংশ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার (১৯.১৮ শতাংশ)।
- কানাডা ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে যথাক্রমে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার (৩.৩১ শতাংশ) এবং ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার (১১.০৫ শতাংশ)।
উৎস: প্রথম আলো। - দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চলের বর্তমান নাম কী?
- জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
- বাংলাদেশ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
- বাংলাদেশ শিল্পনগর
- বেজা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- বাংলাদেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চলের বর্তমান নাম জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (National Special Economic Zone-NSEZ)।
- চট্টগ্রামের মীরসরাই, সীতাকুণ্ড এবং ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা জুড়ে প্রায় ৩৩,৮০৫ একর জমির ওপর এই বিশাল শিল্পনগরীটি গড়ে উঠছে।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকা সন্দ্বীপ চ্যানেলের পাশে প্রায় ১৩৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল।
• 'জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' ৩টি ইকোনমিক জোন নিয়ে গঠিত।
- এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো। - বর্তমান দেশে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা কত বছর?
- ৩০ বছর
- ৩২ বছর
- ৩৪ বছর
- ৩৫ বছর
বর্তমান দেশে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা:
- বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর।
- ২০২৪ ও ২০২৫ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী এই বয়সসীমা নির্ধারণ করে আইন পাস হয়েছে, যা বিসিএসসহ সকল সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) সব ক্যাডার এবং বিসিএস বহির্ভূত সব সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৩২ বছর। স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থাগুলোর যেসব পদে নিয়োগের বয়সসীমা আগে ৩০ বা অনূর্ধ্ব ৩২ ছিল, সেখানেও এখন থেকে বয়সসীমা ৩২ বছর হবে।
- অপরিবর্তিত উচ্চতর বয়সসীমায় যেসব পদের নিয়োগ বিধিমালায় বয়সসীমা এর আগে ৩২ বছরের বেশি (যেমন: ৩৫, ৪০ বা ৪৫ বছর) নির্ধারিত আছে, সেই ক্ষেত্রে আগের উচ্চতর বয়সসীমাটিই বহাল থাকবে। অর্থাৎ এ আইনের ফলে কারো সুযোগ কমবে না। এছাড়া প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়োগের ক্ষেত্রে তাদের নিজস্ব বিদ্যমান বিধিমালা অপরিবর্তিত থাকবে।
উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) যুগান্তর। - বিটকয়েন কোন দেশের অফিসিয়াল মুদ্রা?
- উত্তর কোরিয়া
- এল সালভাদর
- ভিয়েতনাম
- ভেনিজুয়েলা
• এল সালভাদর (El Salvador) বিশ্বে প্রথম দেশ, যেখানে বিটকয়েন (Bitcoin) অফিসিয়াল মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃত।
• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন একটি ডিজিটাল বা ক্রিপ্টোকারেন্সি, যা কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সরকারের নিয়ন্ত্রণে নয়।
- এটি ব্লকচেইন প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।
- ২০০৯ সালে এটি প্রথম চালু হয় এবং বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হচ্ছে।• এল সালভাদরে বিটকয়েনের স্বীকৃতি:
- ২০২১ সালে এল সালভাদর সরকার বিটকয়েনকে আইনগত মুদ্রা (Legal Tender) হিসেবে ঘোষণা করে।
- এর ফলে দেশটিতে বিটকয়েন ব্যবহার করে পণ্য ও সেবা কেনাবেচা করা যায়।
- এটি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক রেমিট্যান্স সহজ করার উদ্দেশ্যে চালু করা হয়।• অন্যান্য অপশন:
- উত্তর কোরিয়া → বিটকয়েনকে অফিসিয়াল মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি।
- ভিয়েতনাম → বিটকয়েন ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, অফিসিয়াল মুদ্রা নয়।
- ভেনিজুয়েলা → নিজস্ব ক্রিপ্টোকারেন্সি (Petro) চালু করেছে, বিটকয়েন নয়।উৎস:
১) Britannica,
২) Computer & ICT Cloud, Live Publications. - দেশের ১৪তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ পান কে?
- মোশাররফ হোসেন
- এ.এম.এম, নাসির উদ্দিন
- খলিলুর রহমান
- অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ
দেশের ১৪তম ও বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি):
- দেশের ১৪তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত সচিব এ এম এম নাসির উদ্দিন।
- তিনি ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে এই পদে নিযুক্ত হন এবং ২২ নভেম্বর থেকে দায়িত্ব পালন করছেন।
উল্লেখ্য,
- সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ এম এম নাসির উদ্দীনকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
- এ এম এম নাসির উদ্দীন ২০০৭ সালে সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
- তিনি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এর বর্তমান সদস্য দেশ কতটি?
- ১৯০টি
- ১৯১টি
- ১৯২টি
- ১৯৩টি
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (The International Monetary Fund- IMF):
- IMF গঠনের সিদ্ধান্ত হয়: ৪ জুলাই, ১৯৪৪।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: Bretton Woods Conference।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র।
- আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫।
- কার্যক্রম শুরু করে: মার্চ, ১৯৪৭।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।উল্লেখ্য,
- ২১ অক্টোবর, ২০২৪-এ লিচেনস্টাইন IMF-এর ১৯১তম দেশ হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IMF-এর সদস্যপদ লাভ করে।
উৎস: IMF ওয়েবসাইট। - বিশ্বকাপ ফুটবলের মাসকটের নাম কি?
- Maple
- Zayu
- Clutch
- সবগুলো
২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের তিন মাসকট:
- ২০২৬ সালের ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের মাসকট হলো তিনটি—কানাডার 'মেপল™' (Maple™ the Moose), মেক্সিকোর 'জায়ু™' (Zayu™ the Jaguar) এবং যুক্তরাষ্ট্রের 'ক্লাচ™' (Clutch™ the Bald Eagle)।
- এই তিনটি মাসকট যৌথভাবে আয়োজক তিন দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করছে ।
- এই তিন মাসকট আবার ফুটবলারও। মেপল গোলকিপার, জায়ু স্ট্রাইকার এবং মাঝমাঠে সবকিছু গুছিয়ে রাখে ক্লাচ, অর্থাৎ মিডফিল্ডার। ফিফার মতে, এই মাসকটগুলো একসঙ্গে ‘একতা, বৈচিত্র্য আর ফুটবল নিয়ে ছড়িয়ে পড়া আবেগের প্রতীক।’
• ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- এটি বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩তম আসর।
- আয়োজক মহাদেশ: উত্তর আমেরিকা।
- আয়োজক দেশ: ৩টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো)।
- সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ - ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
- গ্রুপ: ১২টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ। তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
- অফিশিয়াল বলের নাম: ট্রায়োন্ডা।
উৎস: FIFA ওয়েবসাইট। - বাংলাদেশে সর্বপ্রথম গণভোট কবে অনুষ্ঠিত হয়?
- ২২ মার্চ, ১৯৭৭
- ২২ এপ্রিল, ১৯৭৭
- ২২ মে, ১৯৭৭
- ২২ জুন, ১৯৭৭
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালের ৩০ মে। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নট বাতিল করা হয়েছে।
গণভোট:
- আক্ষরিক অর্থে গণভোট বলতে জনগণের কাছে উপস্থাপিত করাকে বোঝায়। আইনসভার দ্বারা প্রণীত আইনকে ভোটের মাধ্যমে অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান করার জন্য জনসাধারণের কাছে উপস্থাপিত করাকে বলে গণভোট (Referendum)।
- এটি এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে জনগণ সরাসরি ভোট দেওয়ার মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে তাদের মতামত দেয়। এটি মূলত জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় জনমত যাচাইয়ের জন্য গণভোটকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ধরা হয়।
বাংলাদেশের প্রথম গণভোট:
- বাংলাদেশে প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৭ সালের ৩০ মে, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনকাজের বৈধতা যাচাইয়ের জন্য। ভোটের মাধ্যমে দেশের জনগণ জানান, রাষ্ট্রপতি এবং তার নীতি ও কর্মসূচির প্রতি তারা আস্থা রাখেন কি না।
- ১৯৭৭ সালের ২২ এপ্রিল গণভোটের ঘোষণা দেন জিয়াউর রহমান। দেশের ২১ হাজার ৬৮৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তখন দেশের মোট ভোটার ছিলেন ৩ কোটি ৮৪ লাখ।
- ফলাফলে দেখা যায়, ৮৮ দশমিক ১ শতাংশ ভোট পড়ে। এর মধ্যে 'হ্যাঁ' ভোট পড়েছিল ৯৮ দশমিক ৯ শতাংশ, 'না' ভোট ছিল মাত্র ১ দশমিক ১ শতাংশ।
উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় গণভোট হয় রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের শাসনামলে ১৯৮৫ সালে।
- ৩য় গণভোট ১৯৯১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- বাংলাদেশে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক ৪র্থ সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাথে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়।
উৎস: প্রথম আলো। - গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা গাজার পথে নির্ভিক অভিযাত্রায় বাংলাদেশের কে অংশগ্রহণ করেন?
- আলোকচিত্রী শহিদুল আলম
- আদিলুর রহমান খান
- আইরিন খান
- কল্পনা আখতার
শহিদুল আলম:
- গাজার অবরোধ ভেঙে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা অভিযানে বাংলাদেশের পক্ষে বিশিষ্ট আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী ড. শহিদুল আলম অংশগ্রহণ করেন।
• গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর লক্ষ্যে শুরু হয়েছিল আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’। একাধিক দেশ থেকে আগত মানবাধিকার কর্মী, ত্রাণকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা সমুদ্রপথে একত্র হয়ে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনিদের জন্য খাদ্য, ওষুধ ও জরুরি সরঞ্জাম নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন।
- তবে এক মাসব্যাপী এই অভিযাত্রা শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলি বাধা, আটক অভিযান এবং নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে থেমে গেছে।
উৎস: প্রথম আলো। - জাকসু ভিপির নাম কি?
- আবদুর রশিদ জিতু
- ইব্রাহিম হোসেন রনি
- মোস্তাকুর রহমান
- সাদিক কায়েম
জাকসু ভিপি:
- ২০২৫ সালের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ভিপি (সহ-সভাপতি) নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুর রশিদ জিতু।
- তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং Comparative Literature and Culture বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।
• আব্দুর রশিদ জিতু জাবির ‘গণঅভ্যুত্থান রক্ষা আন্দোলন’ প্ল্যাটফরমের আহ্বায়ক। কোটা সংস্কার আন্দোলনের আগে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও আন্দোলনের সময় সর্বপ্রথম ছাত্রলীগের হাতে মার খেয়ে আহত হন।
- আরিফ সোহেল আটক হলে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ব্যানারে ফার্স্ট ম্যান হিসেবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত জাহাঙ্গীরনগরের আন্দোলন পরিচালনা করেন। পরবর্তীতে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক পদ থেকে পদত্যাগ করে ‘গণঅভ্যুত্থান রক্ষা আন্দোলন’ নামে প্ল্যাটফরমের সূচনা করেন এবং এই প্ল্যাটফরম থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন।
উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে জাকসু প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই বছরই জাকসুর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
উৎস: BBC. - It is not _______ who are to blame.
- me
- we
- us
- him
সঠিক উত্তর: খ) we
Complete sentence: It is not we who are to blame.
"It is / It is not" এর পরে pronoun বসলে subjective case ব্যবহার করতে হয়।
- "We" হলো subjective form (যেমন: I, we, he, she, they).
- "Who are to blame" অংশে "who" টি "we" কে refer করে, তাই verb "are" plural হয়েছে।
অন্যগুলো ভুল:
ক) me → Singular + object pronoun, Verb "are" এর সাথে এর ব্যবহার ভুল।
গ) us → Objective case, Formal grammar এ এটি ভুল।
ঘ) him → Singular এবং masculine, "are" (plural) এর সাথে মেলে না। - He said, 'Good morning, Mr. Kamal make it indirect speech.
- He said wished Mr. Kamal good morning
- He wished Mr. Kamal good morning
- He said Mr. Kamal good morning
- He told Mr. Kamal good morning
Correct answer: He wished Mr. Kamal good morning.
-"Good morning" যুক্ত Direct Speech কে indirect speech এ রূপান্তর করার জন্য, reporting verb হিসেবে "wished" ব্যবহার করা হয়।
• Direct speech এ good morning/good evening থাকলে Indirect speech করার নিয়ম-
- Reporting verb এর subject + wished + object + good morning/good evening বসে।• Reporting verb এর tense অনুযায়ী reported speech এর verb অনুরূপ tense বসে।
• মনে রাখতে হবে - বিদায় সম্ভাষন জাতীয় শব্দ Good night এর জন্য bade এবং সাক্ষাৎকালীন সম্ভাষণ Good morning/Good evening ইত্যাদির ক্ষেত্রে wish ব্যবহৃত হয়।
- Which one of the following is an adverb-
- Somebody
- Something
- Someone
- Sometime
সঠিক উত্তর: ঘ) Sometime.
Options,
ক) Somebody: [pronoun]
English meaning: a person who is not known or mentioned by name.
Bangla meaning: কেউ; (কেউ একজন)খ) Something: [pronoun]
English meaning: a thing that is not known or mentioned by name.
Bangla meaning: (অনির্দিষ্ট প্রকৃতির) কিছু, কোনোকিছু, কোনো বস্তু, ঘটনা ইত্যাদিগ) Someone: [pronoun]
English meaning: a person who is not known or mentioned by name.
Bangla meaning: কেউঘ) Sometime: [adverb]
English meaning: at a time that you do not know exactly or has not yet been decided.
Bangla meaning: কোনো এক সময়ে
• Sometime: [adjective]
English meaning: used to refer to what somebody used to be.
Source: Oxford Dictionary. - I suggested that he _____ take legal advice.
- will
- must
- should
- can
সঠিক উত্তর: গ) should
Complete sentence: I suggested that he should take legal advice.
• "Suggest" verb-এর পর that clause এলে British English-এ সাধারণত should বসে।
- American English-এ pure subjunctive (শুধু base form: "take") বেশি ব্যবহৃত হয়।
- (British English এ "should" খুব কমন। American English এ শুধু base form/subjunctive: "I suggested that he take legal advice."• More examples:
- I suggest that he should study hard.
- She insisted that I should go with her.
- I suggest that they start the project immediately.
- She insisted that I go with her. - Verb of 'Master' is-
- Mister
- Mistress
- Mastery
- Master
সঠিক উত্তর: ঘ) Master.
Master: [noun]
English meaning: (especially in the past) a man who has people working for him, often as servants in his home.
Bangla meaning: নিয়ন্ত্রণকারী; হুকুমকারী; মালিক; প্রভু।
Master: [verb]
English meaning: to learn or understand something completely.
Bangla meaning: আয়ত্ত করা।
Master: [adjective]
English meaning: master baker/chef/mason, etc. used to describe a person who shows a lot of skill at the job mentioned, especially one who is able to teach the skills to others.
Other options,ক) Mister: [noun]
English meaning: the full form, not often used in writing, of the abbreviation Mr.
Bangla meaning: (লিখিতরূপ সর্বদা 'Mr') অন্য কোনো খেতাব না থাকলে পুরুষের বংশনাম বা পদের পূর্বে যৌজিত খেতাব; জনাব; শ্রী: Mr (John) Kent; Mr President.খ) Mistress: [noun]
Bangla meaning: (১) গৃহকর্ত্রী। (২) (বিদ্যালয়ের) শিক্ষিকা; শিক্ষয়িত্রী: the English mistress. (৩) কোনো বিষয়ে ভালো জ্ঞান বা নিয়ন্ত্রণের অধিকারিণী নারী; নিপুণা: She is mistress of the situation.গ) Mastery: [noun]
English meaning: great knowledge about or understanding of a particular thing.
Bangla meaning: সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বা জ্ঞান; ওস্তাদি।
Source: Oxford Dictionary. - 'গরীয়সী' এর বিপরীত লিঙ্গ কী?
- মহৎ
- মহান
- গরীয়ান
- মহীয়ান
• 'গরীয়সী' এর বিপরীত লিঙ্গ - গরীয়ান।
অন্যদিকে,
- পুরুষবাচক শব্দের শেষে অত্, বান্, মান, ঈয়ান থাকলে যথাক্রমে অতী, বতী, মতি, ঈয়সী হয়।
যথা:
সৎ - সতী,
মহৎ - মহতী ইত্যাদি।
• 'মহীয়ান' শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ - মহীয়সী।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। - 'দহন' শব্দের বিশেষণ কোনটি?
- দাহ্য
- দগ্ধ
- দহনকারী
- দহনীয়
• 'দহন' শব্দের বিশেষণ পদ - দাহ্য।
• বিশেষণ পদ - দাহ্য।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষার শব্দ।শব্দের অর্থ:
- দহনযোগ্য (দাহ্য পদার্থ)।
বিশেষ্য পদ - দহন।
অর্থ: - দগ্ধকরণ, জলন প্রদাহ।
অন্যদিকে,
বিশেষণ পদ - দগ্ধ।
অর্থ: - পুড়ে গেছে এমন, আগুনের উত্তাপে ঝলসানো হয়েছে এমন (দগ্ধমাংস), সন্তপ্ত, হতভাগ্য।
বিশেষণ পদ - দহনীয়।
অর্থ: - দহন-যোগ্য; দাহ করতে হবে এমন।উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
- নিচের কোন শব্দটি 'আলো' এর সমার্থক নয়?
- অংশু
- প্রভা
- ময়ূখ
- দীপ্ত
'আলো' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- প্রভা, কিরণ, দীপ্তি, কর, অংশু, রশ্মি, জ্যোতি, আলোক, বিভা, ময়ুখ, ভাতি, রেশন, রশ্মী, কিরণ, নুর, উদ্ভাস ইত্যাদি।
• 'ময়ুখ' শব্দের অর্থ - কিরণ, রশ্মি।
অন্যদিকে,
'দীপ্ত' শব্দের অর্থ - উজ্জ্বল; ভাস্কর, তেজোময়, প্রকাশ পেয়েছে এমন।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। - 'জনৈক' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ-
- জন + এক
- জন + ইক
- জনৈ + এক
- জন + ঈক
স্বরসন্ধি:
- স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনকে স্বরসন্ধি বলে।
যেমন:
- শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা,
- সূর্য + উদয় = সূর্যোদয়,
- মহা + ঋষি = মহর্ষি।
- শীত + ঋত = শীতার্ত,
- জন + এক = জনৈক।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)। - 'আবির্ভাব' শব্দটির বিপরীত কোনটি?
- অভাব
- স্বভাব
- তিরোভাব
- অনুভব
• 'আবির্ভাব' এর বিপরীতার্থক শব্দ - তিরোধান / তিরোভাব।
এরূপ কিছু বিপরীতার্থক শব্দ:
'আবাহন' - বিসর্জন।
'আকর্ষণ' - বিকর্ষণ।
'আদান' - প্রদান।
'তিক্ত' - মধুর।
'অবিরল'- বিরল।
'কুটিল' - সরল।
'জীবিত' - মৃত।
'হর্ষ' - বিষাদ।
উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। - 'ভূগোল' শব্দটির বিশেষণ পদ কোনটি?
- ভূগোলক
- ভৌগোলিক
- ভৌগলিক
- ভূগোলিক
• 'ভূগোল' শব্দটির বিশেষণ পদ - ভৌগোলিক।
উল্লেখ্য,
বিশেষ্য পদ - ভূগোল।
অর্থ - পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রকৃতি জলবায়ু জনসংখ্যা কৃষিপণ্য প্রভৃতির বিবরণসংবলিত শাস্ত্র, geography।
বিশেষণ পদ - ভৌগোলিক।
অর্থ - দেশ সমন্ধীয়।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। - চিনির মূল্য শতকরা ২৫ টাকা বেড়ে গেলে, চিনির ব্যবহার শতকরা কী পরিমাণ কমালে খরচের কোন পরিবর্তন হবে না?
- ২০%
- ২৫%
- ১৮%
- ১২%
প্রশ্ন: চিনির মূল্য শতকরা ২৫ টাকা বেড়ে গেলে, চিনির ব্যবহার শতকরা কী পরিমাণ কমালে খরচের কোন পরিবর্তন হবে না?
সমাধান:
২৫% বৃদ্ধিতে বর্তমান মূল্য = ১০০ + ২৫ = ১২৫ টাকা∴ ১২৫ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫ টাকা
∴ ১ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫/১২৫ টাকা
∴ ১০০ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে (২৫ × ১০০)/১২৫ টাকা
= ২০ টাকা∴ চিনির ব্যবহার ২০% কমালে ব্যয় বৃদ্ধি পাবে না।
- একটি আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ অপেক্ষা দৈর্ঘ্য ৪ মিটার বেশী। এর ক্ষেত্রফল ১৯২ বর্গমিটার হলে পরিসীমা কত মিটার?
- ৫২
- ৫৬
- ৫০
- ৬৫
প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ অপেক্ষা দৈর্ঘ্য ৪ মিটার বেশী। এর ক্ষেত্রফল ১৯২ বর্গমিটার হলে পরিসীমা কত মিটার?
সমাধান:
ধরি,
প্রস্থ = ক মিটার
দৈর্ঘ্য = (ক + ৪) মিটার
প্রশ্নমতে,
ক(ক + ৪) = ১৯২
⇒ ক২ + ৪ক - ১৯২ = ০
⇒ ক২ + ১৬ক - ১২ক - ১৯২ = ০
⇒ ক(ক + ১৬) - ১২(ক + ১৬) = ০
⇒ (ক + ১৬)(ক - ১২) = ০
হয়,
ক + ১৬ = ০
∴ ক = - ১৬ ; যা গ্রহণযোগ্য নয়
এবং ক - ১২ = ০
∴ ক = ১২
∴ প্রস্থ = ১২ মিটার
এবং দৈর্ঘ্য = (১২ + ৪) = ১৬ মিটার
∴ পরিসীমা = ২ (১৬ + ১২) = ২ × ২৮ = ৫৬ মিটার - ২টি শাড়ী ও ৪টি শার্ট এর মূল্য ১,৬০০ টাকা। সমপরিমাণ টাকা দিয়ে কোন ব্যক্তি ১টি শাড়ী ও ৬টি শার্ট ক্রয় করতে পারে। যদি কোন ব্যক্তি ১২টি শার্ট কিনতে চায়, তাহলে তাকে কত ব্যয় করতে হবে?
- ১,২০০
- ৪,৮০০
- ৩,৬০০
- ২,৪০০
প্রশ্ন: ২টি শাড়ী ও ৪টি শার্ট এর মূল্য ১,৬০০ টাকা। সমপরিমাণ টাকা দিয়ে কোন ব্যক্তি ১টি শাড়ী ও ৬টি শার্ট ক্রয় করতে পারে। যদি কোন ব্যক্তি ১২টি শার্ট কিনতে চায়, তাহলে তাকে কত ব্যয় করতে হবে?
সমাধান:
ধরি, ১টি শাড়ীর মূল্য = ক টাকা
এবং ১টি শার্টের মূল্য = খ টাকা
১ম শর্তমতে,
২ক + ৪খ = ১,৬০০ ...... (i)
২য় শর্তমতে,
ক + ৬খ = ১,৬০০ ...... (ii)সমীকরণ (i) ও (ii) লক্ষ করলে দেখা যায়, উভয় ক্ষেত্রেই মোট মূল্য সমান।
∴ ২ক + ৪খ = ক + ৬খ
বা, ২ক - ক = ৬খ - ৪খ
বা, ক = ২খ
অর্থাৎ, ১টি শাড়ীর দাম ২টি শার্টের দামের সমান।এখন ক এর মান সমীকরণ (ii) এ বসিয়ে পাই,
∴ ২খ + ৬খ = ১,৬০০
বা, ৮খ = ১,৬০০
বা, খ = ১,৬০০/৮
∴ খ = ২০০
অর্থাৎ, ১টি শার্টের মূল্য ২০০ টাকা।∴ ১২টি শার্ট ক্রয়ে ব্যয় হবে = ১২ × ২০০ টাকা
= ২৪০০ টাকা - মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেনের গতি ঘণ্টায় ৫৯ কিলোমিটার। ট্রেনটির বিপরীত দিক থেকে ঘণ্টায় ৭ কিলোমিটার গতিতে আসা এক ব্যক্তিকে অতিক্রম করতে উহার কত সময় লাগবে?
- ১২ সেকেন্ড
- ১৫ সেকেন্ড
- ১৮ সেকেন্ড
- ২০ সেকেন্ড
প্রশ্ন: ২২০ মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেনের গতি ঘন্টায় ৫৯ কিলোমিটার। ট্রেনটির বিপরীত দিক থেকে ঘন্টায় ৭ কিলোমিটার গতিতে আসা এক ব্যক্তিকে অতিক্রম করতে উহার কত সময় লাগবে?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
ট্রেনের গতিবেগ = ৫৯ কি.মি./ঘণ্টা
ব্যক্তির গতিবেগ = ৭ কি.মি./ঘণ্টা
যেহেতু ট্রেনটি ব্যক্তিটির বিপরীত দিক থেকে আসছে, তাই আপেক্ষিক গতিবেগ হবে দুই গতির যোগফল।
∴ আপেক্ষিক গতিবেগ = (৫৯ + ৭) কি.মি./ঘণ্টা
= ৬৬ কি.মি./ঘণ্টাআমরা জানি,
১ কি.মি. = ১০০০ মিটার
১ ঘণ্টা = ৩৬০০ সেকেন্ড
∴ ৬৬ কি.মি./ঘণ্টা = (৬৬ × ১০০০)/৩৬০০ মিটার/সেকেন্ড
= ৫৫/৩ মিটার/সেকেন্ডট্রেনটিকে ব্যক্তিকে অতিক্রম করতে হলে নিজের দৈর্ঘ্যের সমান দূরত্ব অতিক্রম করতে হবে।
অর্থাৎ, মোট দূরত্ব = ২২০ মিটারআমরা জানি, সময় = দূরত্ব/গতিবেগ
∴ সময় = ২২০/(৫৫/৩) সেকেন্ড
= (২২০ × ৩)/৫৫ সেকেন্ড
= ৪ × ৩ সেকেন্ড
= ১২ সেকেন্ড - বার্ষিক পরীক্ষায় একটি শ্রেণির ৮০% শিক্ষার্থী ইংরেজীতে পাশ করে, ৮৫% শিক্ষার্থী গণিতে পাশ করে এবং ৭৫% শিক্ষার্থী উভয় বিষয়ে পাশ করে। যদি মোট ৪০ জন উভয় বিষয়ে ফেল করে থাকে, তা হলে ঐ শ্রেণিতে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা কত?
- ৫০০ জন
- ৪৫০ জন
- ৪০০ জন
- ৪২০ জন
প্রশ্ন: বার্ষিক পরীক্ষায় একটি শ্রেণির ৮০% শিক্ষার্থী ইংরেজীতে পাশ করে, ৮৫% শিক্ষার্থী গণিতে পাশ করে এবং ৭৫% শিক্ষার্থী উভয় বিষয়ে পাশ করে। যদি মোট ৪০ জন উভয় বিষয়ে ফেল করে থাকে, তা হলে ঐ শ্রেণিতে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা কত?
সমাধান:
শুধু ইংরেজিতে পাশ করেছে = ৮০% - ৭৫% = ৫%
শুধু গণিতে পাশ করেছে = ৮৫% - ৭৫% = ১০%∴ শুধু এক বা উভয় বিষয়ে মোট পাশ করেছে = ৫% + ১০ % + ৭৫% = ৯০%
অতএব, উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = ১০০% - ৯০% = ১০%এখন, ১০ জন উভয় বিষয়ে ফেল করে মোট পরীক্ষার্থী = ১০০ জনে
∴ ৪০ জন উভয় বিষয়ে ফেল করে মোট পরীক্ষার্থী = (১০০ × ৪০)/১০ = ৪০০ জন
সুতরাং, ঐ শ্রেণিতে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪০০ জন। - ক একটি কাজ ২৫ দিনে করে। খ, ক এর চাইতে ২৫% বেশী কর্মক্ষম। তাহলে খ কাজটি কত দিনে করতে পারবে?
- ২০ দিনে
- ১৮.৭৫ দিনে
- ২২ দিনে
- ১৫ দিনে
প্রশ্ন: ক একটি কাজ ২৫ দিনে করে। খ, ক এর চাইতে ২৫% বেশী কর্মক্ষম। তাহলে খ কাজটি কত দিনে করতে পারবে?
সমাধান:
ক একটি কাজ ২৫ দিনে করে।
∴ ক এর ১ দিনে কর্মক্ষমতা = ১/২৫ অংশ
আবার,
খ, ক এর চাইতে ২৫% বেশী কর্মক্ষম।
অর্থাৎ, খ এর কর্মক্ষমতা = ক এর কর্মক্ষমতার ১২৫% = ১.২৫ গুণ
∴ খ এর ১ দিনে কর্মক্ষমতা = (১/২৫) × ১.২৫ = ১.২৫/২৫
∴ সময় = মোট কাজ/১ দিনের কর্মক্ষমতা
= ১/(১.২৫/২৫)
= ২৫/১.২৫
= (২৫ × ১০০)/১২৫
= ২০ দিন
অতএব, খ কাজটি ২০ দিনে সম্পন্ন করতে পারবে। - মহানবী (সাঃ) এর হিজরতের পূর্বে মুসলিমদের একটি দল কোথায় হিজরত করেছিলেন?
- মদীনায়
- আবিসিনিয়ায়
- তায়েফে
- সিরিয়ায়
সঠিক উত্তর: খ) আবিসিনিয়ায়।
- মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর মদীনায় হিজরতের পূর্বে মুসলিমদের একটি দল আবিসিনিয়ায় (হাবশা) হিজরত করেছিলেন।
- মক্কার নির্যাতন থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নবীজি (সাঃ) তাদের সেখানে যেতে অনুমতি দেন।
- সে সময় আবিসিনিয়ার ন্যায়পরায়ণ খ্রিস্টান শাসক নাজাশী মুসলিমদের আশ্রয় দেন।রেফারেন্স:
ইবনে হিশাম, আস-সীরাতুন নববিয়্যাহ - হাবশায় হিজরতের বর্ণনা।
আর-রাহীকুল মাখতূম - “The First Hijrah to Abyssinia” অধ্যায়।
সহিহ আল-বুখারি, হাদিস 3881 - উম্মু সালামা (রাঃ)-এর বর্ণনায় আবিসিনিয়া প্রসঙ্গ। - সিহাহ্সিত্তাহ্ কী?
- রাসূলের জীবনী
- ৬ টি বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ
- কুরআনের সূরা
- কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ) ৬ টি বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ।
- সিহাহ্ সিত্তাহ্ (الصحاح الستة) অর্থ হলো ছয়টি প্রসিদ্ধ হাদিসগ্রন্থ।
- ইসলামী পরিভাষায় এটি সাধারণত সুন্নি মুসলিমদের নিকট সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ৬টি হাদিসসংকলনকে বোঝায়।এই ৬টি গ্রন্থ হলো-
১. সহিহ আল-বুখারি,
২. সহিহ মুসলিম,
৩. সুনান আবু দাউদ,
৪. জামি‘ আত-তিরমিজি,
৫. সুনান আন-নাসাঈ,
৬. সুনান ইবনে মাজাহ।রেফারেন্স:
ইমাম নববী, তাহযীবুল আসমা ওয়াল লুগাত।
ড. মুহাম্মদ মুস্তফা আযযামী, Studies in Hadith Methodology and Literature.
মুফতি তাকি উসমানী, The Authority of Sunnah. - কুরআনের বর্ণনা অনুযায়ী মুসা (আঃ) এর লাঠি কিসের আকৃতি ধারণ করেছিল?
- বাঘ
- সাপ
- রশি
- কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ) সাপ।
- কুরআনের বর্ণনা অনুযায়ী, হযরত মুসা (আঃ)-এর লাঠি আল্লাহর হুকুমে সাপে পরিণত হয়েছিল।
- কুরআনে এ বিষয়ে বিভিন্ন জায়গায় বলা হয়েছে—
“অতঃপর তিনি তা নিক্ষেপ করলেন, তখনই তা এক সাপ হয়ে গেল…” — সূরা ত্ব-হা, আয়াত: ২০।
আরও এসেছে, “তা দ্রুতগামী সাপের ন্যায় চলতে লাগল” — সূরা আন-নামল, আয়াত: ১০।
এবং “তা প্রকাশ্য অজগর হয়ে গেল” — সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত: ১০৭। - যুননাকাতাইন কার উপাধি?
- ফাতিমা (রাঃ)
- আয়েশা (রাঃ)
- আসমা বিনতে আবুবকর (রাঃ)
- জয়নব বিনতে জাহাশ (রাঃ)
সঠিক উত্তর: গ) আসমা বিনতে আবুবকর (রাঃ)।
- “যুন-নিতাকাইন” (ذات النطاقين) ছিল হযরত আসমা বিনতে আবু বকর (রাঃ)-এর উপাধি।
- অর্থ: দুই কটিবন্ধের অধিকারিণী।- হিজরতের সময় তিনি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ও আবু বকর (রাঃ)-এর জন্য খাদ্য প্রস্তুত করে তা বাঁধার জন্য নিজের কোমরের কাপড় দুই টুকরা করেছিলেন। এজন্য তাঁকে “যুন-নিতাকাইন” বলা হয়।
রেফারেন্স:
সহিহ আল-বুখারি, হাদিস 3907 — হিজরতের সময় আসমা (রাঃ)-এর খাদ্য বেঁধে দেওয়ার ঘটনা।
ইবনে হিশাম, আস-সীরাতুন নববিয়্যাহ — হিজরত প্রসঙ্গ।
আর-রাহীকুল মাখতূম — হিজরতের বর্ণনা। - উম্মুল কুরা হল-
- মা হাফসা (রাঃ) এর উপাধি
- আরবের একটি বেদুইনের গোত্র
- মক্কানগরীর অপর নাম
- একটি অন্ধ কুপের নাম
সঠিক উত্তর: গ) মক্কানগরীর অপর নাম।
- উম্মুল কুরা (أم القرى) হলো মক্কা নগরীর অপর নাম।
- এর অর্থ “জনপদসমূহের জননী” বা “নগরসমূহের মূল কেন্দ্র”।- আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে মক্কাকে উম্মুল কুরা বলে উল্লেখ করেছেন।
সূরা আল-আন‘আম, আয়াত: ৯২ — “…যাতে আপনি উম্মুল কুরা (মক্কা) ও তার আশপাশের লোকদের সতর্ক করতে পারেন…”
সূরা আশ-শূরা, আয়াত: ৭ — “…যাতে আপনি উম্মুল কুরা (মক্কা) ও তার পার্শ্ববর্তী জনপদবাসীকে সতর্ক করেন…” - হিজরি সন কত দিনে?
- ৩৬০
- ৩৬৫
- ৩৫৪
- ৩২৪
সঠিক উত্তর: গ) ৩৫৪।
- হিজরি সন হলো চান্দ্র বছর। চান্দ্র বছরে সাধারণত ৩৫৪ দিন হয়।
- কারণ হিজরি মাসগুলো চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল, এবং ১২টি চান্দ্র মাসের মোট দিন সাধারণত ৩৫৪ বা কখনো ৩৫৫ হয়।- আরবি মাস ১২টি:
- মুহাররম, সফর, রবিউল আউয়াল, রবিউস সানি, জমাদিউল আউয়াল, জমাদিউস সানি, রজব, শা‘বান, রমজান, শাওয়াল, জিলকদ, জিলহজ।
- কিছু মাস ২৯ দিনে এবং কিছু মাস ৩০ দিনে হয়।রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন,
“বছর বারো মাসের…”
— সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: 4662.
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: 1679. - জামাতে সালাত আদায় করলে একাকী আদায়ের চেয়ে কত গুণ বেশি সাওয়াব পাওয়া যায়?
- ১০
- ৭০
- ২৭
- ১০০
সঠিক উত্তর: গ) ২৭ গুণ।
- জামাতে সালাত আদায় করলে একাকী সালাতের তুলনায় ২৭ গুণ বেশি সাওয়াব পাওয়া যায়।
- রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: “জামাতে সালাত একাকী সালাতের চেয়ে সাতাশ গুণ বেশি মর্যাদাসম্পন্ন।”হাদিস রেফারেন্স:
সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: 645.
সহিহ মুসলিম, হাদিস: 650. - রাসুল (সাঃ) কোন মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং নির্মাণ কাজে অংশ নেন?
- মসজিদে নববী
- মসজিদে জুর কাবলাতাইন
- মসজিদে নামেরাহ
- মসজিদে কুবা
সঠিক উত্তর: ঘ) মসজিদে কুবা।
- ঐতিহাসিকভাবে মসজিদে কুবা-কেই ইসলামের প্রথম মসজিদ বলা হয়, এবং এটি নবীজি (সাঃ) নিজে প্রতিষ্ঠা করেন।
- কুরআনে “প্রথম দিন থেকেই তাকওয়ার উপর প্রতিষ্ঠিত মসজিদ” প্রসঙ্গে কুবার মসজিদের ফযিলত উল্লেখ আছে।- তবে এখানে একটি সূক্ষ্ম পার্থক্য আছে: মসজিদে নববী নির্মাণেও রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নিজে সাহাবিদের সঙ্গে কাজ করেছেন।
- সহিহ বুখারির বর্ণনায় আছে, নববী মসজিদ নির্মাণের সময় সাহাবিরা কাঁচা ইট বহন করতেন এবং নবীজি (সাঃ) তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।- কিন্তু প্রশ্নে “কোন মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন” থেকে বলা যায় সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর হলো- মসজিদে কুবা।
- আর “নির্মাণকাজে অংশ নেন”—এটি মসজিদে নববীর ক্ষেত্রেও সত্য।রেফারেন্স:
সূরা আত-তাওবা, ৯:১০৮ — “لَمَسْجِدٌ أُسِّسَ عَلَى التَّقْوَىٰ مِنْ أَوَّلِ يَوْمٍ…” প্রসঙ্গ।
সহিহ আল-বুখারি — মসজিদে নববী নির্মাণে অংশগ্রহণের বর্ণনা। - জান্নাতুল বাক্বী কী?
- মদীনার একটি কবরস্থান
- মক্কার একটি স্থান
- একটি জন্নাতের নাম
- মক্কার মসজিদ
সঠিক উত্তর: ক) মদীনার একটি কবরস্থান।
- জান্নাতুল বাক্বী বা বাক্বীউল গারক্বাদ হলো মদীনায় অবস্থিত বিখ্যাত কবরস্থান।
- এখানে বহু সাহাবি, আহলে বাইতের সদস্য ও ইসলামের প্রাথমিক যুগের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তির দাফন হয়েছে।রেফারেন্স:
সহিহ মুসলিম, হাদিস 974 — রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর বাক্বী কবরস্থান জিয়ারতের বর্ণনা।
সুনান আন-নাসাঈ, হাদিস 2038 — কবরবাসীদের জন্য দোয়ার বর্ণনা। - হজ্জ কত প্রকার?
- ২
- ৩
- ৫
- ৭
সঠিক উত্তর: খ) ৩ প্রকার।
- ফিকহ ও ইসলামী শিক্ষায় হজ্জের প্রকারভেদ ৩টি হিসেবে স্বীকৃত।
- হজ্জ সাধারণত ৩ প্রকার। এগুলো হলো-
১) হজ্জে ইফরাদ: শুধু হজ্জের ইহরাম বাঁধা হয়, উমরা এতে অন্তর্ভুক্ত থাকে না।২) হজ্জে কিরান: একই ইহরামে উমরা ও হজ্জ একসাথে আদায় করা হয়।
৩) হজ্জে তামাত্তু: আগে উমরা আদায় করে ইহরাম খোলা হয়, পরে হজ্জের জন্য আবার ইহরাম বাঁধা হয়।
হাদিস রেফারেন্স:
সহিহ মুসলিম, হাদিস 1211 — জাবির (রাঃ)-এর দীর্ঘ হজ্জের হাদিসে হজ্জ ও উমরার বিভিন্ন পদ্ধতির আলোচনা এসেছে।
সহিহ আল-বুখারি, হাদিস 1568 — তামাত্তু‘ সম্পর্কিত বর্ণনা।
সহিহ আল-বুখারি, হাদিস 1562 — কিরান/ইফরাদের প্রসঙ্গ। - কোনটি সালাতের ফরজ নয়?
- রুকু থেকে সোজা হওয়া
- কেরাত পড়া
- তাকবীরে তাহরীমা বলা
- দাড়িয়ে নামাজ পড়া
সঠিক উত্তর: ক) রুকু থেকে সোজা হওয়া।
- বাংলাদেশের সাধারণ হানাফি ফিকহ অনুযায়ী সালাতের ফরজগুলোর মধ্যে আছে-
- তাকবীরে তাহরীমা বলা,
- দাঁড়িয়ে নামাজ পড়া (সামর্থ্য থাকলে),
- কেরাত পড়া,
- রুকু করা,
- সিজদা করা,
- শেষ বৈঠক করা।হাদিস রেফারেন্স:
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নামাজ শিক্ষা দিতে গিয়ে বলেন:
“তারপর তাকবীর বল, তারপর কুরআন থেকে যা সহজ হয় তা পড়, তারপর রুকু কর…”
— সহিহ আল-বুখারি, হাদিস 757.
— সহিহ মুসলিম, হাদিস 397. - শরীয়াহ শব্দের অর্থ কী?
- বিধি-বিধান
- আত্মসমর্পণ
- আইন
- ও C
সঠিক উত্তর: বিধি-বিধান ও আইন।
- শরীয়াহ (شريعة) শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো পথ, পদ্ধতি, বিধান বা আইনগত বিধি-বিধান।
- ইসলামী পরিভাষায় শরীয়াহ বলতে আল্লাহপ্রদত্ত বিধি-বিধান ও আইন উভয়ই বোঝায়।রেফারেন্স:
সূরা আল-জাসিয়া, ৪৫:১৮ — “ثم جعلناك على شريعة من الأمر…”
অর্থ: “অতঃপর আমি আপনাকে দ্বীনের এক বিধান/পথের উপর প্রতিষ্ঠিত করেছি।”
লিসানুল আরব — شريعة : পথ, বিধান, আইনগত পদ্ধতি।
আল-মু‘জামুল ওয়াসীত — شريعة : বিধান, আইন, অনুসরণীয় পথ। - কোনটি যাকাতযোগ্য সম্পদ নয়?
- গবাদি পশু
- ব্যবসায়ের পণ্য
- কারখানার যন্ত্রপাতি
- শেয়ার, বন্ড
সঠিক উত্তর: গ) কারখানার যন্ত্রপাতি।
- যাকাতযোগ্য সম্পদের মধ্যে সাধারণত থাকে-
গবাদি পশু,
ব্যবসায়ের পণ্য,
সোনা-রূপা, নগদ অর্থ,
শেয়ার,
অনেক ক্ষেত্রে বন্ড/বিনিয়োগমূল্য হিসাবেও সম্পদ বিবেচিত হয়।- কিন্তু কারখানার যন্ত্রপাতি, মেশিন, ব্যবহৃত সরঞ্জাম, অফিসের আসবাবপত্র ইত্যাদি মূলধনী ব্যবহার্য সম্পদ—এসবের ওপর সরাসরি যাকাত ফরজ হয় না।
- তবে এগুলো থেকে উৎপন্ন লাভ, বিক্রয়যোগ্য মজুদ, বা নগদ অর্থ যাকাতের হিসাবের মধ্যে আসতে পারে।অন্যদিকে,
ক) গবাদি পশু → নির্ধারিত শর্তে যাকাতযোগ্য।
খ) ব্যবসায়ের পণ্য → যাকাতযোগ্য।
ঘ) শেয়ার, বন্ড → বিনিয়োগ/আর্থিক সম্পদ হিসেবে যাকাতের আওতায় আসতে পারে।রেফারেন্স:
আল-মাওসূআহ আল-ফিকহিয়্যাহ আল-কুয়েতিয়্যাহ, যাকাত অধ্যায়।
ইউসুফ আল-কারযাভী, Fiqh az-Zakah.
সূরা আত-তাওবা, আয়াত: ১০৩ — সম্পদ থেকে যাকাত গ্রহণের নির্দেশ।
সহিহ আল-বুখারি, হাদিস 1454 — যাকাতের সম্পদ প্রসঙ্গ। - 'মোস্তফা চরিত' এর লেখক কে?
- গোলাম মোস্তফা
- আকরাম খাঁ
- শিবলী নো'মানী
- ইবনে হিশাম
সঠিক উত্তর: খ) আকরাম খাঁ।
- ‘মোস্তফা চরিত’ গ্রন্থের লেখক হলেন মাওলানা মুহাম্মদ আকরাম খাঁ।মোহাম্মদ আকরম খাঁ:
- তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও ইসলামী চিন্তাবিদ।
- তিনি বাংলাসহ আরবি, উর্দু, পারসি ও সংস্কৃত ভাষায় ব্যুৎপন্ন ছিলেন।
- তাঁর সম্পাদনায় ১৯০৩ সালে 'মাসিক মোহাম্মদী' পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- তাঁর সম্পাদিত দুটি স্বল্পস্থায়ী দৈনিক পত্রিকার নাম: উর্দু দৈনিক 'জামানা' (১৯২০) ও বাংলা দৈনিক 'সেবক' (১৯২১)।
- তাঁর সাংবাদিক জীবনের কীর্তি 'আজাদ' পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা (১৯৩৬ সালের ৩১শে অক্টোবর থেকে)।তাঁর রচিত গদ্যগ্রন্থগুলো:
- মোস্তফা চরিত,
- মোসলেম বাংলার সামাজিক ইতিহাস ইত্যাদি। - নিম্নের কোনটি তাফসীর গ্রন্থ নয়?
- তাফহিমুল কুরআন
- মারীফুল কুরআন
- ফি যিলালিল কুরআন
- আর রাহীকুল মাখতুম
সঠিক উত্তর: ঘ) আর রাহীকুল মাখতুম।
- ‘আর রাহীকুল মাখতুম’ হলো মহানবী (সাঃ)-এর জীবনীগ্রন্থ (সীরাতগ্রন্থ)। এর লেখক শাইখ সাফিউর রহমান মুবারকপুরী।
অন্যদিকে,
তাফহিমুল কুরআন → তাফসীর গ্রন্থ।
মারীফুল কুরআন → তাফসীর গ্রন্থ।
ফি যিলালিল কুরআন → তাফসীর গ্রন্থ। - আল-কুরআনে প্রথম নাজিলকৃত পূর্ণাঙ্গ সূরা কোনটি?
- সূরা আলাক
- সূরা ফাতিহা
- সূরা বাকারা
- সূরা ইখলাস
সঠিক উত্তর: খ) ফাতিহা।
- আল-কুরআনের সর্বপ্রথম নাযিলকৃত পূর্ণাঙ্গ সুরা হিসেবে সাধারণভাবে সূরা আল-ফাতিহা-কেই ধরা হয়।
- তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য মনে রাখতে হবে-
- সর্বপ্রথম নাযিলকৃত আয়াত → সূরা আল-আলাক-এর প্রথম ৫ আয়াত।
- সর্বপ্রথম নাযিলকৃত পূর্ণাঙ্গ সুরা → সূরা আল-ফাতিহা।ফাতিহার পরিচয়:
- সূরা নম্বর: ১,
- আয়াত সংখ্যা: ৭।- উল্লেখ্য যে, সর্বশেষ নাযিলকৃত পূর্ণাঙ্গ সুরা → সূরা নাছর।
রেফারেন্স:
প্রথম ওহি প্রসঙ্গে: সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: 3, 4953. - ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক - এর সদস্য দেশ কয়টি?
- ৫৭ টি
- ৬৭ টি
- ৫০ টি
- ৫৩ টি
সঠিক উত্তর: ৫৭টি সদস্য দেশ।
Islamic Development Bank (IsDB):
- ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (IsDB) হলো একটি বহুমুখী উন্নয়ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৭৩ সালের সৌদি আরবের জেদ্দায় IDB গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে: ২০ অক্টোবর, ১৯৭৫।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- ৫৭তম দেশ: গায়ানা।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ডক্টর মুহাম্মদ আল-জাসের (সৌদি আরব) (২০২১-২৬)।⇒ ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ঋণ প্রদান করে বিনা সুদে। IDB এর সদস্যপদ লাভের পূর্বশর্ত হলো ওআইসি এর সদস্য হওয়া।
- ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বর মাসে জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ইসলামি সম্মেলন সংস্থা (OIC)-এর পররাষ্ট্র মন্ত্রী সম্মেলনে একটি আন্তর্জাতিক ইসলামি অর্থ সংস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে প্রথম বারের মত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সালে অনুষ্ঠিত পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের অপর সম্মেলনে 'আইডিবি' (ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক) চার্টার গৃহীত হয়।
- এরই ফলশ্রুতিতে ১৯৭৫ সালে সৌদী আরবে 'ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক' (আইডিবি) প্রতিষ্ঠা লাভ করে।উৎস: IsDB ওয়েবসাইট।
- রাসুল (সাঃ) কোন পদ্ধতিতে খাদিজা (রাঃ) এর সাথে ব্যবসা করতেন?
- মুশারাকা
- ওয়াকালাহ
- উজরাহ
- মুদারাবা
সঠিক উত্তর: ঘ) মুদারাবা।
- হযরত খাদিজা (রাঃ) মূলধন দিতেন, আর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) সেই মূলধন নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতেন।
- ব্যবসার লাভ পূর্বনির্ধারিত অনুপাতে বণ্টিত হতো। ইসলামী অর্থনীতিতে এই পদ্ধতিকে মুদারাবা বলা হয়।
- মুদারাবা: এই পদ্ধতিতে একজন অংশীদার (ব্যাংক) শুধু মূলধন সরবরাহ করে এবং অন্যজন (গ্রাহক) তার মেধা ও শ্রম দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে। এখানে ক্ষতি হলে মূলধন সরবরাহকারী অংশীদার (ব্যাংক) বহন করে।অন্যদিকে,
- মুশারাকা → উভয় পক্ষই মূলধন দেয়।
- ইসলামী অর্থায়ন পদ্ধতিতে মুশারাকা হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে ব্যাংক ও গ্রাহক যৌথভাবে মূলধন বিনিয়োগ করে এবং লাভ-ক্ষতি ভাগাভাগি করে নেয়। এই পদ্ধতিতে উভয় পক্ষই কোনো প্রকল্প বা ব্যবসায় অংশীদার হয়, মুনাফা পূর্ব-নির্ধারিত অনুপাতে ভাগ করা হয় এবং ক্ষতি মূলধনের আনুপাতিক হারে বণ্টিত হয়।- ওয়াকালাহ → প্রতিনিধি/এজেন্সি চুক্তি।
- উজরাহ → ভাড়া বা সেবার বিনিময়ে পারিশ্রমিক। - হাদিস হলো রাসূল (সাঃ) এর-
- কথা
- কাজ
- সম্মতি
- সবগুলো
সঠিক উত্তর: ঘ) সবগুলো।
- হাদিস বলতে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কথা, কাজ, সম্মতি সবকিছুকেই বোঝায়।- ইসলামী পরিভাষায় রাসূল (সাঃ)-এর মুখনিঃসৃত বাণী, কর্ম এবং সাহাবিদের কোনো কথা বা কাজের প্রতি তাঁর নীরব সমর্থন/সম্মতি—এসবই হাদিস বা সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত।
হাদিস রেফারেন্স:
সহিহ আল-বুখারি, হাদিস 7288 — রাসূল (সাঃ)-এর অনুসরণের গুরুত্ব।
সহিহ মুসলিম, হাদিস 1718 — দ্বীনে নবীজির নির্দেশনা অনুসরণের প্রসঙ্গ।
সুনান আত-তিরমিজি, হাদিস 2676 — সুন্নাহ আঁকড়ে ধরার নির্দেশ। - সিরাত বলতে কী বুঝায়?
- সরল পথ
- বিধান
- জীবনী
- সুন্নাত
সঠিক উত্তর: গ) জীবনী।
- সিরাত (سيرة) শব্দের অর্থ হলো জীবনচরিত, জীবনী, বা জীবনবৃত্তান্ত।
- ইসলামী পরিভাষায় সিরাত বলতে সাধারণত রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর জীবনচরিত বোঝায়।যেমন: সিরাতে রাসূল (সাঃ) = রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর জীবনী।
অন্যদিকে,
ক) সরল পথ → এটি সিরাত/সিরাতুল মুস্তাকীম প্রসঙ্গে “পথ” অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে, কিন্তু সাধারণ ইসলামী পরিভাষায় “সিরাত” বলতে জীবনী।
খ) বিধান → এটি শরীয়াহ বুঝায়।
ঘ) সুন্নাত → এটি রাসূল (সাঃ)-এর কথা, কাজ, সম্মতি—অর্থাৎ আলাদা পরিভাষা। - কুরআনের ভাষ্যমতে হাজার রাত অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ রাত কোনটি?
- লাইলাতুল মিরাজ
- লাইলাতুল বরতা
- লাইলাতুল কদর
- ও C
সঠিক উত্তর: গ) লাইলাতুল কদর।
- আল-কুরআনের ভাষ্যমতে লাইলাতুল কদর হলো এমন এক রাত, যা হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ।আল্লাহ তাআলা বলেন:
“লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।”
— সূরা আল-কদর, আয়াত: ৩।- প্রশ্নে “হাজার রাত” বলা হলেও কুরআনের মূল বর্ণনা হলো হাজার মাস। আর সেই শ্রেষ্ঠ রাত হলো লাইলাতুল কদর।
রেফারেন্স:
সূরা আল-কদর। - দাউদ (আঃ) এর উপর অবতীর্ণ কিতাব কোনটি?
- তাওরাত
- যাবুর
- ইনজিল
- সহিফা
সঠিক উত্তর: খ) যাবুর।
- হযরত দাউদ (আঃ)-এর উপর অবতীর্ণ কিতাব হলো যাবুর।আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন:
“...আর দাউদকে আমি যাবুর দান করেছি।”
— সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১৬৩।
— সূরা আল-ইসরা, আয়াত: ৫৫।অন্যদিকে,
- তাওরাত → হযরত মূসা (আঃ)-এর উপর নাজিল হয়।
- ইনজিল → হযরত ঈসা (আঃ)-এর উপর নাজিল হয়।
- কুরআন → হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর উপর নাজিল হয়। - কোরআনের ভাষ্যমতে কোনটা সবচেয়ে বড় জুলুম?
- পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া
- এতিমের সম্পদ ভক্ষণ করা
- অসহায়কে নিপীড়ন করা
- আল্লাহর সাথে শিরক করা
সঠিক উত্তর: ঘ) আল্লাহর সাথে শিরক করা।
- কোরআনের ভাষ্যমতে সবচেয়ে বড় জুলুম হলো আল্লাহর সাথে শিরক করা।
- আল্লাহ তাআলা বলেন, হযরত লুকমান তাঁর সন্তানকে উপদেশ দিতে গিয়ে বলেছেন:
“হে আমার প্রিয় পুত্র, আল্লাহর সাথে শিরক করো না। নিশ্চয়ই শিরক মহা জুলুম।”
— সূরা লুকমান, আয়াত: ১৩।- আরবিতে এসেছে: إِنَّ الشِّرْكَ لَظُلْمٌ عَظِيمٌ
- অর্থ: নিশ্চয়ই শিরক এক মহা জুলুম।অন্যদিকে,
ক) পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া → বড় গুনাহ।
খ) এতিমের সম্পদ ভক্ষণ করা → এটি গুরুতর অপরাধ।
গ) অসহায়কে নিপীড়ন করা → জুলুম বটে, কিন্তু কুরআনে সর্ববৃহৎ জুলুম হিসেবে শিরককে চিহ্নিত করা হয়েছে।রেফারেন্স:
সূরা লুকমান, আয়াত: ১৩। - আসমাউল হুসনা কাকে বলে?
- রাসুল (সাঃ) এর নাম সমূহ
- আল্লাহর নামসমূহ
- ফেরেস্তাদের নামসমূহ
- আম্বিয়া কেরামের নামসমূহে
সঠিক উত্তর: খ) আল্লাহর নামসমূহ।
- আসমাউল হুসনা (الأسماء الحسنى) অর্থ হলো আল্লাহর সুন্দরতম নামসমূহ।
- এগুলো আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নাম, যেমন— আর-রহমান, আর-রহিম, আল-মালিক, আল-কুদ্দুস ইত্যাদি।- আল্লাহ তাআলা বলেন:
“আর আল্লাহর জন্যই রয়েছে সর্বোত্তম নামসমূহ। সুতরাং তোমরা তাঁকে সে নামগুলো ধরেই ডাকো।”
— সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত: ১৮০।হাদিস রেফারেন্স:
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
“নিশ্চয়ই আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম আছে, একশোর একটি কম; যে এগুলো সংরক্ষণ/আয়ত্ত করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”
— সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: 2736.
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: 2677. - ইসলামী পরিভাষায় ভূমির কর হচ্ছে-
- উশর
- খারাজ
- জিজিয়া
- ফাই
সঠিক উত্তর: খ) খারাজ।
- ইসলামী পরিভাষায় ভূমির করকে বলা হয় খারাজ।মূল পার্থক্য:
- উশর → মুসলিমের উশরি জমির উৎপন্ন ফসলের নির্ধারিত অংশ।
- খারাজ → জমির উপর ধার্যকৃত ভূমি কর।
- জিজিয়া → অমুসলিম প্রজাদের ব্যক্তিকর।
- ফাই → যুদ্ধ ছাড়াই প্রাপ্ত সম্পদ।রেফারেন্স:
আবু ইউসুফ, কিতাবুল খারাজ।
আল-মাওসূআহ আল-ফিকহিয়্যাহ আল-কুয়েতিয়্যাহ, “খারাজ” অধ্যায়।
সূরা আল-হাশর, ৫৯:৬–৭ — ফাই প্রসঙ্গে। - রজব কি কারণে তাৎপর্যপূর্ণ?
- মিরাজ
- আবিসিনিয়ায় হিজরত
- লাইলাতুল কদর
- মদীনায় হিজরত
সঠিক উত্তর: ক) মিরাজ।
- সাধারণৎ ২৭ রজব-কে শবে মিরাজ / ইসরা ও মিরাজের রাত হিসেবে ধরা হয়। কুরআনে রাসূল (সাঃ)-এর রাত্রিযাত্রার কথা এসেছে সূরা আল-ইসরা আয়াত: ১-এ।- তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইসরা-মিরাজ ঠিক ২৭ রজবেই হয়েছিল—এ মর্মে সহিহ হাদিসে নির্দিষ্ট তারিখ প্রমাণিত নয়। অনেক আলেম বলেছেন, এ ঘটনার নির্দিষ্ট রাত নিশ্চিতভাবে সহিহ সূত্রে স্থির নয়।
- প্রমাণভিত্তিক নোট: “২৭ রজব” তারিখটি প্রচলিত, তবে সহিহ হাদিসে নির্দিষ্টভাবে সাব্যস্ত নয়।রেফারেন্স:
আল-কুরআন, সূরা আল-ইসরা, আয়াত: ১। - সূরা আল হাশরের শেষ ২ আয়াতে কতগুলো 'আসমাউল হুসনা' এর বর্ণনা আছে?
- ২১
- ১৭
- ১৫
- ১০
- সূরা আল-হাশরের শেষ ২ আয়াতে ১২ টি 'আসমাউল হুসনা' বা আল্লাহর সুন্দর নামের উল্লেখ আছে।
- তবে শেষ ৩ আয়াত মিলিয়ে মোট ১৪ টি 'আসমাউল হুসনা' বা আল্লাহর সুন্দর নামের উল্লেখ আছে।- এটি উল্লেখযোগ্য যে, এই ৩ টি আয়াতে আল্লাহর সর্বাধিক সংখ্যক গুণবাচক নামের সমাবেশ ঘটেছে।
- আসমাউল হুসনার তালিকা:
২২ নং আয়াত:
- আরবি নাম - বাংলা অর্থ
- الرَّحِيمُ (আর-রাহিমু) - এই নামটি ২২ নং আয়াতে উল্লেখিত ।
- الرَّحْمَنُ (আর-রাহমানু) - এই নামটিও ২২ নং আয়াতে উল্লেখিত ।
২৩ নং আয়াত:
- الْمَلِكُ (আল-মালিকু) - সার্বভৌম রাজা,
- الْقُدُّوسُ (আল-কুদ্দুসু) - অতি পবিত্র, ত্রুটিমুক্ত,
- السَّلَامُ (আস-সালামু) - শান্তিদাতা, নিরাপত্তাদানকারী,
- الْمُؤْمِنُ (আল-মু'মিনু) - নিরাপত্তা ও বিশ্বাস দানকারী,
- الْمُهَيْمِنُ (আল-মুহাইমিনু) - পর্যবেক্ষক, রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- الْعَزِيزُ (আল-আজিজু) - পরাক্রমশালী, অপরাজেয়,
- الْجَبَّارُ (আল-জাব্বারু) - প্রবল প্রতাপশালী, যিনি যেকোনো কিছু করাতে সক্ষম,
- الْمُتَكَبِّرُ (আল-মুতাকাব্বিরু) - সত্যিকার মহিমার অধিকারী।
২৪ নং আয়াত:
- الْخَالِقُ (আল-খালিকু) - সৃষ্টিকর্তা
- الْبَارِئُ (আল-বারিউ) - উদ্ভাবনকর্তা,
- الْمُصَوِّرُ (আল-মুসাওয়িরু) - রূপদানকারী, আকৃতি ও গঠন প্রদানকারী,
- الْحَكِيمُ (আল-হাকিমু) - প্রজ্ঞাময়, তত্ত্বজ্ঞানী।
- লক্ষণীয় যে, প্রশ্নে "শেষ ২ আয়াত" উল্লেখ থাকলেও, আলোচিত আসমাউল হুসনাগুলো ২২, ২৩ ও ২৪ নং আয়াতে রয়েছে।
- মূলত শেষ ৩ আয়াতের ফজিলতের কথা উল্লেখ আছে, এই আয়াতগুলো প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় পড়ার অনেক ফজিলত ও গুরুত্ব রয়েছে। - সুদ সম্পর্কে কুরআন মজীদে প্রথম আয়াত কোনটি?
- সূরা আননিসাঃ ১৩০
- সূরা আর রূমঃ ৩৯
- সূরা আলে ইমরানঃ ১৩০
- সূরা হাশরঃ ৭
সঠিক উত্তর: খ) সূরা আর-রূমঃ ৩৯।
- সুদ (রিবা) সম্পর্কে কুরআন মজীদে প্রথম উল্লেখিত আয়াত হলো সূরা আর-রূম, আয়াত নং ৩৯।আয়াতে বলা হয়েছে:
“মানুষের সম্পদে বৃদ্ধি পাবে বলে তোমরা যে সুদ দাও, আল্লাহর কাছে তা বৃদ্ধি পায় না…”
— সূরা আর-রূম, আয়াত: ৩৯।- এরপর সুদ সম্পর্কে আরও কঠোর নির্দেশনা ধাপে ধাপে নাজিল হয়, যেমন—
সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১৬১।
সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৩০।
সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৭৫–২৭৯। - 'জেরুজালেমঃ বিশ্ব মুসলিম সমস্যা' বইটি কার লেখা?
- ইউসুফ আল কারযাবী
- সাইয়্যেদ আবুল আল মওদুদী
- সাইয়্যেদ কুতুব
- আব্বাস আলী খান
সঠিক উত্তর: ক) ড. ইউসুফ আল কারযাবী।
- ‘জেরুজালেমঃ বিশ্ব মুসলিম সমস্যা’ বইটির লেখক ড. ইউসুফ আল কারযাবী।
- মাওলানা মো. আনোয়ারুল হক অনূদিত একটি বাংলা ইসলামি সমকালীন বিষয়ক বই।
- বইটি জেরুজালেম/বায়তুল মুকাদ্দাসকে মুসলিম বিশ্বের একটি কেন্দ্রীয় সমস্যা হিসেবে আলোচনা করে।
- এটি কেবল ইতিহাসের বই নয়; বরং ধর্মীয় গুরুত্ব, মুসলিম উম্মাহর দায়বদ্ধতা, রাজনৈতিক বাস্তবতা, এবং ফিলিস্তিন-জেরুজালেম প্রশ্ন—এসবের সমন্বিত আলোচনামূলক বই। - কোন দেশে বিশ্বের প্রথম ইসলামী ব্যাংক চালু হয়?
- মিশর
- মালেশিয়া
- সৌদি আরব
- বাহরাইন
সঠিক উত্তর: ক) মিশর।
- বিশ্বের প্রথম আধুনিক ইসলামী ব্যাংকিং উদ্যোগ শুরু হয় মিশরে, Mit Ghamr Savings Bank প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে, ১৯৬৩ সালে।
- এটি ইসলামী ব্যাংকিংয়ের প্রথম মডেল হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত।- তবে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক ইসলামী ব্যাংক হিসেবে অনেক সূত্রে Dubai Islamic Bank (১৯৭৫)-কে ধরা হয়।
- 'হুজ্জাতুল ইসলাম' কে?
- ইমাম আবু হানিফা (রঃ)
- ইমাম গাজ্জালী (রঃ)
- ইমাম খোমেন (রঃ)
- ইমাম হোসেন (রাঃ)
সঠিক উত্তর: খ) ইমাম গাজ্জালী (রঃ)।
- “হুজ্জাতুল ইসলাম” উপাধিতে বিখ্যাত হলেন ইমাম আবু হামিদ আল-গাজ্জালী (রহঃ)।
- তিনি ইসলামী দর্শন, আকিদা, ফিকহ, তাসাউফ ও নীতিশাস্ত্রে অসামান্য অবদানের জন্য এ উপাধিতে পরিচিত।অন্যদিকে,
- ইমাম আবু হানিফা (রঃ) → তিনি ইমাম-এ-আযম নামে বেশি পরিচিত। - কোন যুদ্ধে হামজা (রাঃ) শহীদ হন?
- বদর
- ওহুদ
- খন্দক
- তাবুক
- কার কক্ষে রাসূল (সাঃ)ইস্তেকাল করেন?
- ফাতেমা (রাঃ)
- হাফসা (রাঃ)
- মায়মুন (রাঃ)
- আয়েশা (রাঃ)
সঠিক উত্তর: ঘ) আয়েশা (রাঃ)।
- রাসূলুল্লাহ (সাঃ) হযরত আয়েশা (রাঃ)-এর কক্ষে ইন্তেকাল করেন।
- তিনি অসুস্থ অবস্থায় স্ত্রীগণের অনুমতি নিয়ে আয়েশা (রাঃ)-এর ঘরেই অবস্থান করেন এবং সেখানেই তাঁর ওফাত হয়।- হযরত আয়েশা (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসূল (সাঃ) তাঁর বুক ও গলার মাঝখানে ভর দিয়ে ইন্তেকাল করেন।
হাদিস রেফারেন্স:
সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: 4449.
সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: 1389.
সহিহ মুসলিম, হাদিস: 2444. - সালেহ (আঃ) কে কোন জাতির নিকট পাঠানো হয়েছিল?
- কাহাফের জনগণ
- সামুদ
- মাদাইনের জনগণ
- আদ
সঠিক উত্তর: খ) সামুদ।
- হযরত সালেহ (আঃ)-কে সামুদ জাতির নিকট পাঠানো হয়েছিল।
আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন:
“আর সামূদ জাতির নিকট আমি তাদের ভাই সালেহকে প্রেরণ করেছি…”
— সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত: ৭৩।অন্যদিকে,
গ) মাদাইনের জনগণ → এদের কাছে প্রেরিত হন শু‘আইব (আঃ)।
ঘ) আদ → এদের কাছে প্রেরিত হন হূদ (আঃ)। - কোন যুদ্ধে রাসূল (সাঃ) এর দন্ত মোবারক শহীদ হয়?
- বদর
- আহযাব
- খন্দক
- ওহুদ
সঠিক উত্তর: ঘ) ওহুদ।
- উহুদ যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আহত হন এবং তাঁর দন্ত মোবারক ভেঙে যায়।
- যুদ্ধর সময় উতবাহ ইবনে আবি ওয়াক্কাসের পাথরের আঘাতে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর দন্ত মোবারক শহীদ হয়।হাদিস রেফারেন্স:
সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: 4075.
সহিহ মুসলিম, হাদিস: 1790. - আল কোরআনের মূল আলোচ্য বিষয় কি?
- মানুষ
- মুসলমান
- নবীদের ইতিহাস
- কাফির
সঠিক উত্তর: ক) মানুষ।
- আল-কোরআনের মূল আলোচ্য বিষয় হলো মানুষ—অর্থাৎ মানুষের হিদায়াত, জীবনব্যবস্থা, ঈমান, আমল, নৈতিকতা, সফলতা ও পরিণতি। কোরআন মানুষকে সঠিক পথ দেখানোর জন্য নাজিল হয়েছে।আল্লাহ তাআলা বলেন:
“রমযান মাস, যাতে কুরআন নাজিল করা হয়েছে, যা মানুষের জন্য হিদায়াত…”
— সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ১৮৫।আরও বলেন:
“এটি সমগ্র জগতের জন্য উপদেশ ছাড়া কিছু নয়।”
— সূরা ইউসুফ, আয়াত: ১০৪।
— সূরা ছোয়াদ, আয়াত: ৮৭। - কুরআন সংরক্ষণের দায়িত্ব কার?
- ফেরেস্তার
- হাফিজ সাহেবদের
- আল্লাহর
- নবীদের
সঠিক উত্তর: গ) আল্লাহর।
- কুরআন সংরক্ষণের দায়িত্ব আল্লাহ তাআলা নিজেই গ্রহণ করেছেন।আল্লাহ তাআলা বলেন:
- إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُونَ
- “নিশ্চয় আমিই এ উপদেশগ্রন্থ (কুরআন) নাজিল করেছি এবং আমিই এর সংরক্ষক।”
— সূরা আল-হিজর, আয়াত: ৯।রেফারেন্স:
সূরা আল-হিজর, আয়াত: ৯। - মুসলিম মিল্লাতে পিতা হিসাবে কোন নবীকে অভিহিত করা হয়েছে?
- মুসা (আঃ)
- ইব্রাহীম (আঃ)
- মুহাম্মদ (সাঃ)
- আদম (আঃ)
সঠিক উত্তর: খ) ইব্রাহীম (আঃ)।
- মুসলিম মিল্লাতের পিতা হিসেবে হযরত ইব্রাহীম (আঃ)-কে অভিহিত করা হয়েছে। কারণ কুরআনে মুসলিম উম্মাহকে “তোমাদের পিতা ইব্রাহীমের মিল্লাত” বলা হয়েছে।আল্লাহ তাআলা বলেন:
- “তোমাদের পিতা ইবরাহীমের মিল্লাত। তিনি পূর্বেও তোমাদের নামকরণ করেছেন মুসলিম…”
— সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত: ৭৮।আরও বলা হয়েছে:
“বল, আমার রব আমাকে সরল পথের হিদায়াত দিয়েছেন—সঠিক দ্বীনের দিকে, ইব্রাহীমের মিল্লাতের দিকে…”
— সূরা আল-আন‘আম, আয়াত: ১৬১।অন্যদিকে,
ক) মুসা (আঃ) → তিনি মহান নবী, কিন্তু মুসলিম মিল্লাতের পিতা হিসেবে অভিহিত নন।
গ) মুহাম্মদ (সাঃ) → তিনি সর্বশেষ নবী ও রাসূল।
ঘ) আদম (আঃ) → তিনি মানবজাতির আদি পিতা। - ইসলামের ইতিহাসে মহিলাদের মধ্যে প্রথম কে শাহাদাৎরণ করেন?
- হযরত আয়েশা (রাঃ)
- হয়রত খাদিজা (রাঃ)
- হযরত রমলা বিনতে আবু আউফ (রাঃ)
- হযরত সুমাইয়া (রাঃ)
সঠিক উত্তর: ঘ) হযরত সুমাইয়া (রাঃ)।
- ইসলামের ইতিহাসে মহিলাদের মধ্যে প্রথম শহীদ হলেন হযরত সুমাইয়া বিনতে খাব্বাত (রাঃ)।
- তিনি ইসলামের একেবারে প্রারম্ভিক যুগে ঈমান গ্রহণ করেন এবং মক্কার মুশরিকদের কঠোর নির্যাতনের শিকার হন। শেষ পর্যন্ত ইসলাম ত্যাগ না করায় তিনি শাহাদাতবরণ করেন।রেফারেন্স:
ইবনে হিশাম, আস-সীরাতুন নববিয়্যাহ — মক্কায় প্রথমদিকের নির্যাতিত সাহাবিদের আলোচনা।
ইবন সা‘দ, আত-তাবাকাতুল কুবরা — সুমাইয়া (রাঃ)-এর শাহাদাতের বর্ণনা।
আর-রাহীকুল মাখতূম — ইসলামের প্রথম শহীদদের প্রসঙ্গ। - 'আন কাবুত' শব্দের অর্থ কি?
- মাকড়সা
- পিপড়া
- মৌমাছা
- কানা
সঠিক উত্তর: ক) মাকড়সা।
- ‘আনকাবুত’ (العنكبوت) শব্দের অর্থ হলো মাকড়সা।
- পবিত্র কুরআনে সূরা আল-আনকাবুত নামে একটি সূরাও রয়েছে, যার নামকরণই করা হয়েছে মাকড়সা অর্থে।আল্লাহ তাআলা বলেন:
- “যারা আল্লাহ ছাড়া অন্যকে অভিভাবক গ্রহণ করে, তাদের উপমা মাকড়সার মতো…”
— সূরা আল-আনকাবুত, আয়াত: ৪১।
- রাসুল (সাঃ) কার বাড়ি-ঘড় পুড়িয়ে দিতে চেয়েছেন?
- যারা জিহাদ করেনা
- যারা জামাতে নামাজ পড়ে না
- যারা বাবা মার অবাধ্য
- যারা নামাজ পড়ে না
সঠিক উত্তর: খ) যারা জামাতে নামাজ পড়ে না।
- রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, তিনি ইচ্ছা করেছিলেন যারা জামাতে সালাতে উপস্থিত হয় না, তাদের ঘরে আগুন জ্বালিয়ে দিতে। এর মাধ্যমে জামাতে সালাতের গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে।হাদিস রেফারেন্স:
আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন যে, তিনি চেয়েছিলেন নামাজ কায়েমের নির্দেশ দেবেন, একজনকে ইমামতি করতে বলবেন, তারপর যারা জামাতে উপস্থিত হয় না তাদের ঘরবাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দেবেন।
— সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: 644.
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: 651. - ইসলাম ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ বইটির লেখক কে?
- এম. উমর চাপড়া
- মাওলানা মওদূদী (রঃ)
- শাহ আব্দুল হান্নান
- অধ্যাপক হাবিবুর রহমান
সঠিক উত্তর: ক) ড. এম. উমর চাপড়া।
- ‘ইসলাম ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ’ বইটির লেখক মুহাম্মাদ উমর চাপরা (M. Umer Chapra)।- বিশ্বের প্রায় প্রতিটি জনপদেই মানুষ বিভিন্ন সমস্যা বিশেষত: অর্থনৈতিক সমস্যার সম্মুখীন।
- এসব সমস্যা মোকাবেলায় ইসলাম কী ধরনের কল্যাণমুখী সমাধান দিতে পারে সে ব্যাপারে একটি স্বচ্ছ ও সমন্বিত কর্মসূচি অপরিহার্য।
- এসব বিষয় নিয়ে এই গ্রন্থে আলোচনা করেছেন বিশ্ববিখ্যাত অর্থনীতিবিদ ড. এম. উমর চাপরা। - 'বাইয়াত' শব্দের মৌলিক অর্থ কি?
- মুরিদ হওয়া
- নিজেকে বিসর্জন দেওয়া
- ক্রয়-বিক্রয়
- দলে যোগ দেয়া
সঠিক উত্তর: গ) ক্রয়-বিক্রয়।
- ‘বাইয়াত’ শব্দের মৌলিক/আভিধানিক অর্থ হলো ক্রয়-বিক্রয় বা লেনদেন।
- আরবি অভিধানে বাই‘আহ (بيعة)-কে sale, commercial transaction, business deal অর্থে দেখানো হয়েছে।- তবে ইসলামী পরিভাষায় অবশ্য বাইয়াত বলতে নেতা, ইমাম, শায়খ বা আমীরের হাতে আনুগত্যের অঙ্গীকার বোঝায়। এই পরিভাষাগত অর্থটি এসেছে বিক্রয়/চুক্তি-র মূল অর্থ থেকে।
তাই:
- মৌলিক অর্থ = ক্রয়-বিক্রয়।
- পরিভাষাগত অর্থ = আনুগত্যের শপথ / অঙ্গীকার। - হুদাইবিয়ার সন্ধিতে কুরাইশদের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি হিসেবে কে ছিলেন?
- আবু সুফিয়ান
- ওলিদ ইবনে মুগীরা
- সুহাইল ইবনে আমর
- ইকরামা
সঠিক উত্তর: গ) সুহাইল ইবনে আমর।
- হুদাইবিয়ার সন্ধিতে কুরাইশদের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি হিসেবে এসেছিলেন সুহাইল ইবনে আমর।
- সহিহ বুখারির বর্ণনায় আছে, সুহাইল ইবনে আমর এসে নবীজি (সাঃ)-এর সঙ্গে সন্ধির শর্ত নিয়ে আলোচনা করেন।রেফারেন্স:
সহিহ আল-বুখারি, হাদিস 2711–2712 / 2731–2732 — হুদাইবিয়ার সন্ধি ও সুহাইল ইবনে আমরের আগমনের বর্ণনা। - প্রথম আকাবার বাইয়াতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা কতজন?
- ১২
- ২২
- ৩৫
- ৩০
সঠিক উত্তর: ক) ১২ জন।
- প্রথম আকাবার বাইয়াতে মোট ১২ জন অংশগ্রহণ করেছিলেন।
- সীরাতের বর্ণনা অনুযায়ী, ইয়াসরিব (মদিনা) থেকে আগত বারোজন ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর হাতে বাইয়াত করেন।
- যারা মদিনার আউস ও খাযরাজ গোত্রের সদস্য ছিলেন। - ওহুদ যুদ্ধে কোন সাহাবী ৫০ জন তীরন্দাজ বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন?
- আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়ের
- যায়েদ ইবনে সাবিত
- জাফর ইবনে আবু তালিব
- আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা
সঠিক উত্তর: ক) আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়ের (রাঃ)।
- ওহুদ যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ৫০ জন তীরন্দাজকে একটি পাহাড়ি গিরিপথে অবস্থান নিতে বলেন এবং তাদের নেতৃত্বে নিয়োগ করেন আব্দুল্লাহ ইবনে জুবাইর (রাঃ)-কে। এ তথ্য সহিহ বর্ণনায় এসেছে।- পরে অধিকাংশ তীরন্দাজ স্থান ত্যাগ করলেও তিনি অল্প কয়েকজনকে নিয়ে অবস্থানে অবিচল ছিলেন।
- আল মাহমুদের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
- কাবিলের বোন
- উপমহাদেশ
- আগুনের মেয়ে
- ডাহুকী
সঠিক উত্তর: ক) কাবিলের বোন ও খ) উপমহাদেশ।
অপশনে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।
• 'কাবিলের বোন' উপন্যাস:
- কাবিলের বোন উপন্যাসটি কবির সবচে’ দীর্ঘ কলেবরের উপন্যাস,পাঁচটি পর্বে বিন্যস্ত।
- এ উপন্যাসটিকে মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস বলা যায়, রাজনৈতিক উপন্যাস ও বলা যেতে পারে,যেখানে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্হান,নাগরিক পরিচয়ের সংকট, গণঅভ্যুথান, মুক্তিযুদ্ধ, শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, ছাত্র সমাজের নেতৃত্বের ভূমিকার বিমূর্ত প্রকাশ ঘটেছে।
• 'উপমহাদেশ' উপন্যাস:
- "উপমহাদেশ" কবি আল মাহমুদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- সৈয়দ হাদী মীর নামক একজন কবির জবানবন্দিতে রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস এটি।
- মুক্তিযুদ্ধের সময়কার জীবনচিত্রকে আশ্রয় করে লেখা উপন্যাসটিকে ঐতিহাসিক উপন্যাস বলা না গেলেও যুদ্ধের ভয়াবহতা, হিংস্রতা, যুদ্ধের মাঝে প্রেম, দেশপ্রেম সব কিছুরই প্রতিচ্ছবি সত্যনিষ্ঠ ভাবে তুলে ধরার প্রয়াস করেছেন লেখক।
আল মাহমুদ:
- তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মৌড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- কবি আল মাহমুদের প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল-মাহমুদ।
- তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন।
- কবি আল মাহমুদ তার অনবদ্য গল্প ও উপন্যাসের জন্যখ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
-----------------------------• কবি আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- সোনালী কাবিন,
- কালের কলস,
- মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো,
- আরব্য রজনীর রাজহাঁস,
- বখতিয়ারের ঘোড়া,
- প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কাবিলের বোন,
- চেহারার চতুরঙ্গ,
- উপমহাদেশ,
- ডাহুকী,
- কবি ও কোলাহল ইত্যাদি।• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,
- ময়ূরীর মুখ,
- সৌরভের কাছে পরাজিত।উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস - মাহবুল আলম।
- 'রিয়াদুস সালেহীন' একটি-
- ইসলামের ইতিহাস গ্রন্থ
- হাদীস সংকলন গ্রন্থ
- ফিকাহ গ্রন্থ
- হাদীস সংকলন গ্রন্থ.
সঠিক উত্তর: খ) ও ঘ) হাদীস সংকলন গ্রন্থ।
খ ও ঘ—দুটি অপশনই একই, তাই প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।- রিয়াদুস সালেহীন হলো একটি বিখ্যাত হাদিস সংকলন গ্রন্থ।
- এর পূর্ণ নাম “রিয়াদুস সালিহীন” — অর্থ “সৎলোকদের উদ্যান”।
- এটি সংকলন করেছেন ইমাম ইয়াহইয়া ইবন শারাফ আন-নববী (ইমাম নববী রহ.)।- এই গ্রন্থে কুরআন ও হাদিসের আলোকে মানুষের আখলাক, আমল, ইবাদত, তাকওয়া, ধৈর্য, তওবা, দোয়া, আদব-কায়দা ইত্যাদি বিষয় সাজানোভাবে তুলে ধরা হয়েছে।