Islami Bank Bangladesh PLC - Field Assistant Exam Date: 07.02.2026
চাকুরী প্রস্তুতি - ব্যাংক · পরীক্ষার সাল ২০২৬
- নিচের কোনটি তুর্কি শব্দ?
- ফিতা
- পেয়ারা
- কোর্মা
- শিশি
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- 'কোর্মা' শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে আগত।• 'কোর্মা' শব্দের অর্থ:
- তুর্কি পদ্ধতিতে দই-সহযোগে অল্প মসলায় রাঁধা মাছ মাংস প্রভৃতি।
• তুর্কি ভাষার আরো কয়েকটি শব্দ হলো:
- বাবা,
- কোর্মা,
- খাতুন,
- উজবুক
- চাকু,
- তোপ,
- বাবুর্চি ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
'পেয়ারা' 'ফিতা' পর্তুগিজ ভাষার শব্দ।
'শিশি' ফারসি ভাষার শব্দ।উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
- কোনটি ক্ষুদ্র ঋণের উদ্দেশ্য নয়?
- দারিদ্র্য বিমোচন
- নারীদের ক্ষমতায়ন
- আয় বৃদ্ধিমূলক কর্মকাণ্ড
- বিলাসিতা বৃদ্ধি
→ বিলাসিতা বৃদ্ধি ক্ষুদ্র ঋণের উদ্দেশ্য নয়।
ক্ষুদ্র ঋণ:
ক্ষুদ্র ঋণ হল দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে (বিশেষ করে দরিদ্র নারীদের) জামানতবিহীন, বিশ্বাসভিত্তিক এবং স্বল্প পরিমাণের ঋণ প্রদানের একটি বিশেষ পদ্ধতি।
- এর মূল উদ্দেশ্য দারিদ্র্য বিমোচন, স্ব-কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আয়বর্ধক কাজে সহায়তা করা।
- ক্ষুদ্র ঋণ প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে থাকা মানুষের জন্য ঋণকে মানবাধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
ক্ষুদ্র ঋণের উদ্দেশ্য:
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- এটি মূলত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আর্থিক উন্নয়নের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- বিশেষ করে দরিদ্র নারীদের স্বাবলম্বী করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং দারিদ্র্য হ্রাসে সহায়তা করে।
- এটি অর্থনীতির তৃণমূল পর্যায়ে পুঁজি প্রবাহ নিশ্চিত করে।তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা পতিকার রিপোর্ট।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য কত?
- ৪,৪২৭ কি.মি
- ৪,১৫৬ কি.মি
- ৫,১৩৮ কি.মি
- ৫,২৩৮ কিমি
বাংলাদেশের সীমান্ত:
- বাংলাদেশ পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
- বাংলাদেশের আয়তন- ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি.।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৫১৩৮ কিলোমিটার। (স্থল সীমান্ত ৪,৪২৭ কি.মি)
- বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে।
- যথা: ভারত ও মিয়ানমার।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা: ৩২টি।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা: ৩০টি।
- মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা: ৩টি।
- বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।
→ উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমানা ৪১৫৬ কি.মি.।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।
তথ্যসূত্র - ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ 'কালো পঁচিশের আগে ও পরে' এর লেখক কে?
- আবুল আসাদ
- হুমায়ুন আহমেদ
- আল মাহমুদ
- ফররুখ আহমেদ
কালো পঁচিশের আগে ও পরে:
- ‘কালো পঁচিশের আগে ও পরে’ একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ।
- 'কালো পঁচিশের আগে ও পরে' বইটির রচয়িতা আবুল আসাদ।
- বইটি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতকে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে।
- এই দিনে পাকিস্তানি বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায়, যা ইতিহাসে অপারেশন সার্চলাইট নামে পরিচিত।
- লেখক বইটিতে ২৫ মার্চের আগে ও পরের বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন।
- বইটিতে বাঙালির রাজনৈতিক সংগ্রাম, দমন-পীড়ন ও প্রতিরোধের চিত্র ফুটে উঠেছে।
→ আবুল আসাদের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ সমূহ:
• একশ বছরের রাজনীতি (ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতির ইতিহাস)।
• আমরা সেই সে জাতি।
• একুশ শতকের এজেন্ডা।
• সময়ের সাক্ষী।
• ওয়ান ইলেভেনের পূর্বাপর দৃশ্যপট।
তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও পত্রিকার রিপোর্ট। - 'জুলাই বিপ্লব' কোন ধরনের আন্দোলন হিসেবে ইতিহাসে গণ্য?
- রাজনৈতিক আন্দোলন
- ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
- সামরিক অভ্যুত্থান
- শ্রমিক আন্দোলন
জুলাই বিপ্লব' বা 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান':
- জুলাই বিপ্লব' বা 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান' ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে উদ্ভূত ছাত্র-জনতার একটি গণঅভ্যুত্থান।
- এটি প্রথমে ছাত্রদের নেতৃত্বে শুরু হওয়া কোটা আন্দোলন থেকে পরে সাধারণ জনতার ব্যাপক অংশগ্রহণে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
- বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থান নামে সর্বাধিক পরিচিত।
- আন্দোলনটি ২০২৪ সালের ৫ জুন কোটা সংস্কার দাবি থেকে শুরু হয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাসীন সরকারের পতন ঘটায়।
- এটি কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বাধীন আন্দোলন ছিল না।
- বরং ছাত্রদের স্বতঃস্ফূর্ত নেতৃত্বে এই আন্দোলন গড়ে ওঠে এবং পরিচালিত হয়।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা এটিকে 'জুলাই বিপ্লব' নামে অভিহিত করেন।
- ইতিহাসবিদ ও গবেষকরা এটিকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতা বা জেন-জেড বিপ্লব হিসেবে অভিহিত করেন।
- এটি গণতান্ত্রিক অধিকার, বৈষম্যের বিরুদ্ধে এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন হিসেবে স্বীকৃত।
তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট। - বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের কোন প্রদেশ অবস্থিত?
- মিজোরাম
- ত্রিপুরা
- মেঘালয়
- মণিপুর
→ বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের মেঘালয় প্রদেশ অবস্থিত।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত:
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা: ৩২টি।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা: ৩০টি।
- বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন ভারতের রাজ্য সংখ্যা ৫টি।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।
- বাংলাদেশের পশ্চিমে পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে ত্রিপুরা ও মিজোরাম, উত্তরে মেঘালয়, উত্তর-পূর্বে আসাম অবস্থিত।
তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন। - জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রের নাম কি?
- Unknown 30y
- Shoot Me, I Bare Chest
- Let there be light
- March to Dhaka
Shoot Me, I Bare My Chest:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রের নাম (Shoot Me, I Bare My Chest) বুক পেতেছি, গুলি কর।
- 'Shoot Me, I Bare My Chest' মূলত আবু সাঈদের হত্যাকাণ্ডের কাউন্টার ফরেনসিক অনুসন্ধানভিত্তিক একটি তথ্যচিত্র।
- চলচ্চিত্রটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান: Forensic Architecture ও Drik Picture Library.
- আবু সাঈদ ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হয়েছিলেন।
- তাঁর বুক উন্মুক্ত করে দাঁড়ানোর ভিডিওটি জুলাই আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠে।
- চলচ্চিত্রটি সরকারি বয়ানকে চ্যালেঞ্জ করে যে আবু সাঈদ প্রতিবাদকারীদের ইট-গুলিতে মারা যাননি।
- চলচ্চিত্রটির মাধ্যমে আবু সাঈদের বুক উন্মুক্ত করে দাঁড়ানোর স্লোগান ‘Shoot Me, I Bare My Chest’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
তথ্যসূত্র - ফরেনসিক আর্কিটেকচার ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট। - বিশ্বের কততম ক্রিকেটার হিসেবে মুশফিকুর রহিম শততম টেস্টের সেঞ্চুরি করেন?
- ৯ম
- ১০ম
- ১১তম
- ১২তম
শততম টেস্টে সেঞ্চুরি:
- বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর রহিম।
- ২০ নভেম্বর, ২০২৫ এ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি এই রেকর্ড গড়েন।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনটি ডাবল সেঞ্চুরির মালিক এখন মুশফিকুর রহিম।
- ২০১৩ সালে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন তিনি।
→ উল্লেখ্য:
- প্রথম ব্যাটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন ক্রাউড্রে।
- ১৯৬৮ সালে বার্মিংহামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১০৪ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট। - শরিফ ওসমান হাদি যে সংগঠনের মুখপাত্র ছিল-
- ছাত্র ঐক্য
- ছাত্র শক্তি
- ইনকিলাব মঞ্চ
- জুলাই ঐক্য
ইনকিলাব মঞ্চ:
- শরিফ ওসমান হাদি ইনকিলাব মঞ্চ নামক সংগঠনের মুখপাত্র ছিলেন।
- তিনি ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক ছিলেন এবং আন্দোলনের পর ইনকিলাব মঞ্চ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ইনকিলাব মঞ্চ একটি যুব-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত।
- সংগঠনটি জুলাই বিপ্লবের চেতনা, সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদবিরোধিতা এবং আধিপত্যবাদবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত।
- তিনি দীর্ঘদিন এই সংগঠনের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে আহ্বায়কের দায়িত্বও গ্রহণ করেন।
- ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর শরিফ ওসমান হাদি ঢাকার বিজয়নগর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন এবং ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ এ সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট। - World Economic Forum এর বাৎসরিক অধিবেশন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
- প্যারিস
- জুরিখ
- দাভোস
- বন
WEF:
- WEF এর পূর্ণরূপ World Economic Forum.
- এটি সুইজারল্যান্ডের জেনেভা ভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭১ সালে।
- সদর দপ্তর: কলগনি, সুইজারল্যান্ড।
- প্রতিষ্ঠাতা: প্রফেসর ক্লাউস শওয়াব।
- উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন।
- প্রতি বছর সুইজারল্যান্ডের দাভোসে এর সভা অনুষ্ঠানের জন্য সংগঠনটি পরিচিত।
- সর্বশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয় ২০২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি তারিখ পর্যন্ত।
- সুইজারল্যান্ডের দাভোসে WEF এর সর্বশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।তথ্যসূত্র - WEF এর ওয়েবসাইট।
- ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে কততম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে?
- একাদশ
- দ্বাদশ
- এয়োদশ
- চতুদশ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল: ৫০টি (নিবন্ধিত ৬০টি)।
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের হার ৫৯.৪৪ শতাংশ।
- মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন।
- মোট ভোট প্রদান: ১২ লাখ ২৪ হাজার ১৮৮ জন (৮০.১১%)।
- স্বতন্ত্র ২৭৩ জন (নির্বাচিত ৭ জন)।
- নির্বাচিত নারী প্রার্থী ৭ জন,
- ফলাফল: ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করে।
তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা এবং প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট। - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী মাথাপিছু জিডিপি কত?
- ২৮২০ মার্কিন ডলার
- ২৭৮০ মার্কিন ডলার
- ২৬৭১ মার্কিন ডলার
- ২৫৭০ মার্কিন ডলার
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (GDP): ৫৫,৫২,৭৫৩ কোটি টাকা।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP): ৩৪,৭৯,০০১ কোটি টাকা।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI): ৩,৩৯,২১১ কোটি টাকা।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫। - নিচের কোনটি Input Device?
- Monitor
- RAM
- Speaker
- Keyboard
• Keyboard একটি Input Device, যা ব্যবহারকারীর ডেটা ও নির্দেশনা কম্পিউটারে প্রবেশ করাতে ব্যবহৃত হয়।
• Input Device:
- Input Device হলো এমন হার্ডওয়্যার ডিভাইস, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে ডেটা বা নির্দেশনা প্রদান করে।
- এটি ব্যবহারকারীর ইনপুট গ্রহণ করে এবং কম্পিউটার প্রসেসিংয়ের জন্য প্রেরণ করে।
- কম্পিউটারের সাথে মানুষের যোগাযোগ স্থাপনে Input Device গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সাধারণ Input Device-এর মধ্যে Keyboard, Mouse, Scanner, Microphone ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।• Input Device-এর বৈশিষ্ট্য:
- ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে।
- কম্পিউটারের সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে।
- নির্দেশনা প্রদান ও তথ্য প্রবেশে ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটার সিস্টেমের প্রাথমিক ধাপে কাজ করে।• অন্যান্য অপশন:
- Monitor → Output Device, তথ্য প্রদর্শন করে।
- RAM → প্রধান স্মৃতি, ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে।
- Speaker → Output Device, শব্দ আকারে তথ্য প্রদান করে।উৎস:
১) Britannica,
২) Computer & ICT Cloud, Live Publications. - জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কতজন নারী শহিদ হন?
- ১২ জন
- ১৭ জন
- ১৪ জন
- ১০ জন
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর শহীদদের সংখ্যা:
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এ শহীদদের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে সরকার ।
- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এই গেজেট প্রকাশিত হয়।
- সরকারি এ গেজেট অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৬ জন।
- সরকারি গেজেট অনুযায়ী, ২ আগস্ট পর্যন্ত শহীদের সংখ্যা ছিল ৮৪৪ জন। ৩ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে ৮ জনের নাম বাদ দিয়ে আরেকটি গেজেট করেছে মন্ত্রণালয়। এই গেজেট অনুযায়ী, শহীদের সংখ্যা এখন ৮৩৬ জন।
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ১০ জন নারী শহিদ হন।
- শহীদ ১০ জন নারীর মধ্যে ৭ জন ঢাকায়, ২ জন ও নারায়ণগঞ্জে ১ জন।
- প্রথম নারী শহীদ নাঈমা সুলতানা।
- ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই তিনি ঢাকার উত্তরার বাসার বারান্দায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
→ উল্লেখ্য:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ আব্দুল আহাদ।
- ৪ বছরের শিশু আব্দুল আহাদ নিহত হয় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই।
- শহীদ আব্দুল আহাদ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের আবুল হাসান ও মা সুমি আক্তারের পুত্র।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগ এলাকায় নিহত হয়।
তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট। - Which is 'Al' Language Model?
- Windows
- Claude.ai
- Linux
- Chrome
• Claude.ai একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল কারণ এটি মানুষের ভাষা বুঝতে, বিশ্লেষণ করতে এবং সেই অনুযায়ী যুক্তিপূর্ণ উত্তর তৈরি করতে সক্ষম।
- এটি মূলত এনথ্রোপিক (Anthropic) দ্বারা তৈরি একটি উন্নত জেনারেটিভ এআই সিস্টেম যা বিশাল তথ্যভাণ্ডার থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।• AI Language Model:
- AI Language Model হলো এমন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সিস্টেম, যা মানুষের ভাষা বুঝতে, বিশ্লেষণ করতে এবং নতুন লেখা তৈরি করতে সক্ষম।
- এটি মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিং প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রশিক্ষিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের টেক্সট যেমন প্রশ্নোত্তর, অনুবাদ, সংলাপ তৈরি, কনটেন্ট লেখা ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- আধুনিক প্রযুক্তিতে AI Language Model তথ্য বিশ্লেষণ ও যোগাযোগকে সহজ করেছে।• AI Language Model-এর ব্যবহার:
- প্রশ্নোত্তর ও চ্যাটবট তৈরি।
- অনুবাদ ও ভাষা প্রক্রিয়াকরণ।
- কনটেন্ট লেখা ও সারাংশ তৈরি।
- শিক্ষামূলক ও তথ্যভিত্তিক সহায়তা প্রদান।• অন্যান্য অপশন:
- Windows → একটি অপারেটিং সিস্টেম, AI Language Model নয়।
- Linux → একটি অপারেটিং সিস্টেম, AI Model নয়।
- Chrome → একটি ওয়েব ব্রাউজার, AI Language Model নয়।উৎস:
১) Britannica,
২) Computer & ICT Cloud, Live Publications. - 'অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা' বইটির লেখক কে?
- মেজর শরীফুল ইসলাম ডালিম
- মেজর (অবঃ) এম.এ. জলিল
- মেজর (অবঃ) মঞ্জুর কাদের
- মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ
→ 'অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা' বইটির লেখক মেজর (অবঃ) এম.এ. জলিল।
মেজর (অবঃ) এম.এ. জলিল:
- মেজর (অবঃ) এম.এ. জলিল একাধারে একজন সামরিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
- তিনি ১৯৪২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলার উজিরপুরে জন্ম গ্রহণ করেন।
- আবদুল জলিল ১৯৬২ সালে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীতে ট্রেনী অফিসার হিসেবে যোগদান করেছিলেন।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ৯ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।
→ মেজর (অবঃ) এম.এ. জলিল রচিত রাজনীতি বিষয়ক বই:
- সীমাহীন সময়,
- দৃষ্টিভঙ্গী ও জীবন দর্শন,
- সূর্যোদয়,
- অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া। - যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম মেয়র নির্বাচিত হন কে?
- জোহরান মামদানি
- ঘাজালা হাশমি
- শেখ রহমান চন্দন
- কাইথ এলিসন
জোহরান মামদানি:
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির নির্বাচিত ১১১তম মেয়র জোহরান মামদানি।
- ০৪ নভেম্বর, ২০২৫ নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে জয় লাভ করেন তিনি।
- জোহরান মামদানি নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম মেয়র।
- ৩৪ বছর বয়সী মামদানি ১৮৯২ সালের পর নিউইয়র্ক শহরের সবচেয়ে কম বয়সী মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।
- জোহরান মামদানি উগান্ডায় জন্ম গ্রহণ করেন।
তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা পত্রিকার রিপোর্ট। - তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ কোনটি?
- চীন
- বাংলাদেশ
- ভিয়েতনাম
- ভারত
তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ:
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বের শীর্ষ দেশ চীন।
- চীনের রপ্তানি মূল্য প্রায় ২৬০.৮ বিলিয়ন ডলার।
- চীন বিশ্বের তৈরি পোশাক রপ্তানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নিয়ন্ত্রণ করে।
→ তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ সমূহ:
- ১ম অবস্থানে আছে চীন।
- ২য় অবস্থানে আছে বাংলাদেশ।
- ৩য় অবস্থানে আছে ভিয়েতনাম।
- ৪র্থ অবস্থানে আছে তুরস্ক।
- ৫ম অবস্থানে আছে ভারত।
তথ্যসূত্র - world population review. - সিরিয়ার নতুন জাতীয় প্রতীক কী?
- তলোয়ার
- সাদা মাথার ঈগল
- সোনালি ঈগল
- চাঁদ
সিরিয়ার নতুন জাতীয় প্রতীক:
- সিরিয়ার নতুন জাতীয় প্রতীক সোনালি ঈগল।
- ২০২৫ সালের ৩ জুলাই সিরিয়ার অন্তর্বর্তী সরকার আসাদ আমলের পুরনো প্রতীক বাতিল করে নতুন জাতীয় প্রতীক উন্মোচন করে।
- সোনালি ঈগল বহু শতাব্দী ধরে মধ্যপ্রাচ্যের সংস্কৃতি, শক্তি এবং সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
- এই প্রতীকের মাথায় রয়েছে তিনটি তারা, যা সিরিয়ার জনগণের মুক্তিকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরে।
- ঈগলের লেজের পাঁচটি পালক দেশটির পাঁচটি ভৌগোলিক অঞ্চল-উত্তর, পূর্ব, পশ্চিম, দক্ষিণ ও কেন্দ্রকে নির্দেশ করে।
সিরিয়া:
- সিরিয়া মধ্যপ্রাচ্যের ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূল বরাবর অবস্থিত।
- দেশটির আয়তন: ৭১,৪৯৮ বর্গ মাইল (১৮৫,১৮০ বর্গ কিমি)।
- সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক।
- দেশটির ভাষা: আরবি (অফিসিয়াল), কুর্দি, আর্মেনিয়ান।
- ধর্ম: ইসলাম (প্রধানত সুন্নি), এছাড়াও খ্রিস্টান।
- মুদ্রা: সিরিয়ান পাউন্ড।তথ্যসূত্র - Britannica.com
- জাতীয় শহিদ সেনা দিবস কবে?
- ২৩ ফেব্রুয়ারি
- ২৪ ফেব্রুয়ারি
- ২৫ ফেব্রুয়ারি
- ২৬ ফেব্রুয়ারি
জাতীয় শহীদ সেনা দিবস:
- ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিপথগামী তৎকালীন বিডিআর সদস্যদের হাতে নির্মমভাবে নিহত ৫৭ জন সেনা শহীদদের স্মরণে সরকার কর্তৃক প্রতিবছর ২৫ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালনের পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
- সরকার প্রতিবছর ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করেছে।
- ২৫ ফেব্রুয়ারি তারিখ সরকারি ছুটি ব্যতীত ‘গ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে পালন করতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস সংক্রান্ত পরিপত্রে অন্তর্ভুক্তকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক দিবসটি যথাযথভাবে পালনের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র - মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। - সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি কবে তফসিলি ব্যাংকরূপে তালিকাভুক্ত হয়?
- ১ ডিসেম্বর ২০২৫
- ২ ডিসেম্বর ২০২৫
- ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
- ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক:
- সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তফসিলি ব্যাংকরূপে তালিকাভুক্ত হয়।
- ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সভায় দুর্বল পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল
ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংককে একীভূত করে নতুন 'সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক' গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
- এ ব্যাংকের মোট ৩৫ হাজার কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা ৷
- মূলধন বিবেচনায় এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রাষ্ট্র-মালিকানাধীন এবং শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক হিসেবে যাত্র শুরু করছে।
তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি পত্রিকার রিপোর্ট। - পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রধানত কাদের বিনিয়োগ দেয়া হয়?
- গ্রামের ধনাঢ্য ব্যবসায়ী
- গ্রামের নিম্ন আয়ের নারী ও পুরুষ
- সরকারি চাকুরিজীবী
- শুধুমাত্র বড় কৃষক
পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প:
- পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প হলো বাংলাদেশে গ্রামীণ এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য গৃহীত বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি কর্মসূচি।
- পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রধানত গ্রামের নিম্ন আয়ের নারী ও পুরুষদের বিনিয়োগ দেওয়া হয়।
- পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন দরিদ্র পরিবারসমূহকে লক্ষ্য করে বিনিয়োগ ও আর্থিক সেবা দেয়।
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সমবায়ের আওতায় সংগঠিত করে বিনিয়োগ করে।
- পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পে সুবিধাবঞ্চিত নারীদের জীবনযাত্রার উন্নয়নে বিশেষ ঋণ ও বিনিয়োগ দেওয়া হয়।
- পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের মূল লক্ষ্য গ্রামের নিম্ন আয়ের মানুষের আয়বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- এই প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামের নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা হয়।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট ও পত্রিকার রিপোর্ট। - ইসলামী ব্যাংকের পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের লক্ষ্য কি?
- শিল্প বিনিয়োগ
- গ্রামীণ দুস্থদের আত্মকর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য বিমোচন
- নগর উন্নয়ন
- বৈদেশিক বাণিজ্য
→ ইসলামী ব্যাংকের পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের লক্ষ্য গ্রামীণ দুস্থদের আত্মকর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য বিমোচন।
ইসলামী ব্যাংক পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প (RDS):
- বাংলাদেশে দারিদ্র্য সীমার নীচে বসবাসকারী মানুষ ৪০%।
- মোট দারিদ্র্যের মধ্যে ১৮% নিরক্ষরতা, স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ঝুঁকি ও গ্রামীণ-শহুরে অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার।
- দেশের অর্থনীতি মূলত গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারী বৃহৎ সংখ্যাগরিষ্ঠের কৃষিপণ্যের উৎপাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- কৃষি খাত কর্মসংস্থানের জন্য আরও সুযোগ সৃষ্টি করতে পারছে না ফলে শহুরে এলাকায় গ্রামীণ জনসংখ্যার প্রবাহ ছড়িয়ে পড়ছে।
- দারিদ্র্য নিরসনের লক্ষ্যে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ সৃষ্টি এবং কৃষি ও গ্রামীণ ক্ষেত্রের বিনিয়োগ চাহিদা পূরণের জন্য ইসলামী ব্যাংক পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প (RDS) নামে একটি প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
- ১৯৯৫ সালের ৩১ জুলাই ইসলামী ব্যাংকের পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প (RDS) চালু করা হয়।
→ ইসলামী ব্যাংকের পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের লক্ষ্য:
• পল্লী অঞ্চলের দরিদ্র, ভূমিহীন, শ্রমজীবী ও গরিব চাষিদের সংঘবদ্ধ করে তাদের মধ্যে পুঁজি বিনিয়োগ করা।
• নৈতিক, ধর্মীয় ও নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া।
• বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট কাজে প্রযুক্তি জ্ঞান ও দক্ষতা লাভে সহায়তা বা উৎসাহিত করা।
তথ্যসূত্র - ইসলামী ব্যাংক ওয়েবসাইট। - আধুনিক ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
- অমর্ত্য সেন
- মুহাম্মদ ইউনূস
- ফজল হাসান আবেদ
- আরফান আলী
ক্ষুদ্র ঋণ:
- আধুনিক ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
- ১৯৭৬ সালে চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে তিনি প্রথম ক্ষুদ্র ঋণের পাইলট প্রকল্প শুরু করেন।
- তিনি জামানতবিহীন, দরিদ্র নারীদের কাছে ঋণ পৌঁছে দেওয়ার মডেল তৈরি করেন।
- বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনুসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- যা আধুনিক ক্ষুদ্র ঋণের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক রূপ।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- ক্ষুদ্র ঋণ ও দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানের জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা পত্রিকার রিপোর্ট। - বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কবে মারা যান?
- ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
- ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
- ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
- ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
বেগম খালেদা জিয়া:
- বেগম খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুর জেলার জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর আদি নিবাস ছিল ফেনী জেলার ফুলগাজী থানায়।
- ১৯৮১ সালের ৩০মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নির্মম হত্যাকান্ডের পর ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে খালেদা জিয়া দলের সহসভাপতি এবং ১৯৮৪ সালের ১০ মে চেয়ারপার্সন পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
- বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালের ২০ মার্চ বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৬টায় বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন।
- ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ এ মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হয়।
- শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে তাঁর স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট। - বাংলাদেশের মোট ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য কতটি?
- ৬২টি
- ৫২টি
- ৭২টি
- ৯২টি
জিআই পণ্য:
- ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (Geographical Indication)।
- সংক্ষেপে GI বলতে বোঝায় এমন একটি পণ্য, যা বিশেষ কোনো ভৌগোলিক এলাকা বা অঞ্চলের কারণে তার গুণগত মান, খ্যাতি বা
অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত ও স্বীকৃত।
- বাংলাদেশের দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে স্বীকৃতি পায় জামদানি।
- ১৭ নভেম্বর ২০১৬ সালে এই স্বীকৃতি লাভ করে ।
- বর্তমানে বাংলাদেশে জিআই পণ্যের সংখ্যা ৬২টি।
- বাংলাদেশের সর্বশেষ জিআই পণ্য কালিগঞ্জের তোয়ালে।
তথ্যসূত্র - পেটেন্ট, , শিল্প, নকশা, ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর ওয়েবসাইট ও বিবিসি পত্রিকার রিপোর্ট। - মানবদেহের সবচেয়ে ছোট হাড় স্ট্যাপিস কোথায় থাকে?
- নাক
- কান
- হাত
- পা
• স্ট্যাপিস (Stapes) মানবদেহের সবচেয়ে ছোট হাড়, যা মধ্যকর্ণে (Middle Ear) অবস্থান করে।
• স্ট্যাপিস (Stapes):
- স্ট্যাপিস মানবদেহের সবচেয়ে ছোট ও হালকা হাড়।
- এটি মধ্যকর্ণে (Middle Ear) অবস্থিত তিনটি শ্রবণ অস্থির (Auditory Ossicles) একটি।
- অন্যান্য দুইটি অস্থি হলো ম্যালিয়াস (Malleus) এবং ইনকাস (Incus)।
- স্ট্যাপিস শব্দ তরঙ্গকে অভ্যন্তরীণ কর্ণে (Inner Ear) প্রেরণ করতে সাহায্য করে।
- এটি কানের শ্রবণ প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।• শ্রবণ অস্থি (Auditory Ossicles):
- মধ্যকর্ণে তিনটি ক্ষুদ্র অস্থি থাকে: ম্যালিয়াস, ইনকাস, স্ট্যাপিস।
- এরা একসাথে শব্দ তরঙ্গকে বর্ধিত করে অভ্যন্তরীণ কর্ণে পৌঁছে দেয়।
- শ্রবণ প্রক্রিয়ায় এই অস্থিগুলোর সমন্বিত কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।উৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications. - খাদ্য উপাদান কয়টি?
- ৪টি
- ৫টি
- ৬টি
- ৭টি
• খাদ্য উপাদান মোট ৬টি, যা মানবদেহের পুষ্টি ও স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে প্রয়োজন।
• খাদ্য উপাদান (Nutrients):
- খাদ্যের যেসব জৈব ও অজৈব উপাদান দেহের বিভিন্ন চাহিদা পূরণ করে তাদের খাদ্য উপাদান বলা হয়।
- মানবদেহের বৃদ্ধি, শক্তি উৎপাদন, রোগ প্রতিরোধ ও শারীরবৃত্তীয় কাজ সম্পাদনে এসব উপাদান প্রয়োজন।
- খাদ্য উপাদান মোট ৬টি।• খাদ্য উপাদানের প্রকারভেদ:
- আমিষ (Protein)।
- শর্করা (Carbohydrate)।
- স্নেহ পদার্থ (Fat)।
- ভিটামিন (Vitamin)।
- খনিজ লবণ (Mineral)।
- পানি (Water)।• খাদ্য উপাদানের গুরুত্ব:
- শর্করা ও স্নেহ পদার্থ শক্তির প্রধান উৎস।
- আমিষ দেহ গঠন ও মেরামতে সাহায্য করে।
- ভিটামিন ও খনিজ লবণ দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
- পানি দেহের রাসায়নিক বিক্রিয়া ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।উৎস:
১) Britannica,
২) Science Expert, Live Publications. - বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম কি?
- বাংলাদেশ ব্যাংক
- ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
- অর্থ মন্ত্রণালয়
- পিকেএসএফ
→ বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।
ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ:
- বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য 'ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ' (MRA) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি দেশের ক্ষুদ্রঋণ খাতের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কাজ করে।
- ২০০৬ সালে 'Microcredit Regulatory Authority Act' প্রণয়নের মাধ্যমে সংস্থাটি গঠন করা হয়।
- এই আইনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমকে একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর মধ্যে আনা হয়।
- ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ মূলত এনজিওভিত্তিক মাইক্রোফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে তদারকি করে।
- কোনো প্রতিষ্ঠান ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাইলে ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক।
- ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের উপর নিয়মিত নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
তথ্যসূত্র - ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট। - জেসমিন ও আবিদার বর্তমান বয়সের অনুপাত ৩: ২ এবং আবিদা ও আনিকার বর্তমান বয়সের অনুপাত ৫: ১। আনিকার বর্তমান বয়স ৩ বছর ৬ মাস। ৫ বছর পর আবিদার বয়স কত হবে?
- ১ বছর
- ২ বছর ০৬ মাস
- ১ বছর ০৬ মাস
- ২ বছর
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।
*******************************************************************
প্রশ্ন: জেসমিন ও আবিদার বর্তমান বয়সের অনুপাত ৩: ২ এবং আবিদা ও আনিকার বর্তমান বয়সের অনুপাত ৫: ১। আনিকার বর্তমান বয়স ৩ বছর ৬ মাস। ৫ বছর পর আবিদার বয়স কত হবে?সমাধান:
দেওয়া আছে,
আনিকার বর্তমান বয়স = ৩ বছর ৬ মাস = ৩.৫ বছর।
আবিদা ও আনিকার বর্তমান বয়সের অনুপাত = ৫ : ১প্রশ্নমতে,
আবিদার বর্তমান বয়স/আনিকার বর্তমান বয়স = ৫/১
⇒ আবিদার বর্তমান বয়স/৩.৫ = ৫
⇒ আবিদার বর্তমান বয়স = ৩.৫ × ৫
∴ আবিদার বর্তমান বয়স = ১৭.৫ বছর (অর্থাৎ ১৭ বছর ৬ মাস)।∴ ৫ বছর পর আবিদার বয়স হবে:
= বর্তমান বয়স + ৫ বছর
= ১৭.৫ + ৫
= ২২.৫ বছর
∴ ৫ বছর পর আবিদার বয়স হবে ২২ বছর ৬ মাস। - দুইটি সংখ্যার যোগফল ৩৬০। সংখ্যা দুইটির অনুপাত ৪ : ৫ হলে, সংখ্যা দুইটি নির্ণয় কর।
- ১৬০ ও ২০০
- ২৬০ ও ২০০
- ১৬০ ও ১০০
- ২৬০ ও ১০০
প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার যোগফল ৩৬০। সংখ্যা দুইটির অনুপাত ৪ : ৫ হলে, সংখ্যা দুইটি নির্ণয় কর।
সমাধান:
দেওয়া আছে,
দুইটি সংখ্যার যোগফল = ৩৬০
সংখ্যা দুইটির অনুপাত = ৪ : ৫
অনুপাতের যোগফল = ৪ + ৫ = ৯∴ প্রথম সংখ্যাটি = ৩৬০ এর (৪/৯)
= ৪০ × ৪
= ১৬০∴ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩৬০ এর (৫/৯)
= ৪০ × ৫
= ২০০∴ সংখ্যা দুইটি ১৬০ ও ২০০
- ৩৩৪টি আম ১৫ জনের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দিলে কয়টি আম অবশিষ্ট থাকবে?
- ৪ টি
- ১৫ টি
- ২২ টি
- ৩৪ টি
প্রশ্ন: ৩৩৪টি আম ১৫ জনের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দিলে কয়টি আম অবশিষ্ট থাকবে?
সমাধান:
৩৩৪টি আম ১৫ জনের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করলে অবশিষ্ট আমের সংখ্যা হবে ভাগশেষ।
৩৩৪ ÷ ১৫ = ২২ (ভাগফল) এবং ৪ (ভাগশেষ)।অর্থাৎ, প্রত্যেকে ২২টি করে আম পাবে এবং ৪টি আম অবশিষ্ট থাকবে।
∴ সঠিক উত্তর: ক) ৪ টি - মাতার বয়স কন্যার বয়সের ৩ গুণ। কন্যার বয়স ১৫ বৎসর। ১০ বছর পর মাতার বয়স কত হবে?
- ২৫ বছর
- ৪৫ বছর
- ৫৫ বছর
- ৭৫ বছর
প্রশ্ন: মাতার বয়স কন্যার বয়সের ৩ গুণ। কন্যার বয়স ১৫ বৎসর। ১০ বছর পর মাতার বয়স কত হবে?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
কন্যার বর্তমান বয়স = ১৫ বছর
মাতার বয়স কন্যার বয়সের ৩ গুণ।
∴ মাতার বর্তমান বয়স = (১৫ × ৩) বছর
= ৪৫ বছর১০ বছর পর মাতার বয়স হবে:
= (বর্তমান বয়স + ১০) বছর
= (৪৫ + ১০) বছর
= ৫৫ বছর∴ সঠিক উত্তর: ৫৫ বছর
- এক ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার। ৮.৫০ ইঞ্চি সমান কত সেন্টিমিটার?
- ২০.৫৯ সে.মি
- ২২.৫৯ সে.মি
- ৫৯.২১ সে.মি
- ২১.৫৯ সে.মি
প্রশ্ন: এক ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার। ৮.৫০ ইঞ্চি সমান কত সেন্টিমিটার?
সমাধান:
১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সে.মি
∴ ৮.৫০ ইঞ্চি = ৮.৫০ × ২.৫৪ সে.মি
= (৮.৫০ × ২.৫৪)
= ২১.৫৯ সে.মি - কুইন্টাল সমান কত কেজি?
- ৪৫০ কেজি
- ৪৮৮.২০ কেজি
- ৪৪৯.৮০ কেজি
- ৫০০ কেজি
প্রশ্ন: ৫ কুইন্টাল সমান কত কেজি?
সমাধান:
আমরা জানি,
১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি
∴ ৫ কুইন্টাল = ৫ × ১০০ কেজি
= ৫০০ কেজি - থেকে ৩২ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা কয়টি?
- ১১ টি
- ১০ টি
- ৯ টি
- ৮ টি
প্রশ্ন: ২ থেকে ৩২ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা কয়টি?
সমাধান:
মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সব সংখ্যা যাদের ১ এবং ঐ সংখ্যাটি ছাড়া অন্য কোনো গুণনীয়ক নেই।
২ থেকে ৩২ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো: ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯, ২৩, ২৯, ৩১।
এখানে মোট ১১টি মৌলিক সংখ্যা রয়েছে।∴ সঠিক উত্তর: ১১ টি
- ডিগ্রি কোণের সম্পূরক কোণ কত ডিগ্রি?
- ৬৫ ডিগ্রি
- ৭৫ ডিগ্রি
- ১৪৫ ডিগ্রি
- ৫৫ ডিগ্রি
প্রশ্ন: ১২৫ ডিগ্রি কোণের সম্পূরক কোণ কত ডিগ্রি?
সমাধান:
আমরা জানি, দুইটি কোণের সমষ্টি ১৮০° হলে একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে।
সুতরাং, ১২৫° কোণের সম্পূরক কোণ হবে = (১৮০° - ১২৫°)
= ৫৫°∴ ১২৫ ডিগ্রি কোণের সম্পূরক কোণ ৫৫ ডিগ্রি।
- Synonym of 'condemn' is-
- Promulgate
- Concede
- Subliminal
- Revile
• Condemn: [verb]
English meaning: to criticize something or someone strongly, usually for moral reasons.
Bangla meaning: (verb transitive) দোষ দেওয়া; নিন্দা করা; কোনো কিছু বাতিল বা ব্যবহারের অযোগ্য বলে ঘোষণা করা।
Options,
ক) Promulgate: [verb]
- প্রচার করা/সরকারিভাবে ঘোষণা করা; উদঘোষণ করা।খ) Concede: [verb]
- মেনে নেওয়া; স্বীকার করা; অনুমতি দেওয়াগ) Subliminal: [adjective]
- চৈতন্যের দোরগোড়ার নিচে; যে সম্পর্কে বিষয়ীর সচেতন জ্ঞান থাকে না; অবচৈত্তিকঘ) Revile: [verb]
- শাপ দেওয়া; গালাগাল করা।
অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, Synonym of 'condemn' is- Revile.
Source: Accessible Dictionary. - Antonym of 'frugal' is-
- Extraordinary
- Economical
- Extravagant
- Spendthrift
• Frugal: [adjective]
English meaning: careful when using money or food, or (of a meal) cheap or small in amount.
Bangla meaning: সাবধান; মিতব্যয়ী; হিসাবি; সামান্য মূল্যের
Options,
ক) Extraordinary: [adjective]
- অসাধারণ; সাধারণ নয় এমন বিশিষ্টখ) Economical: [adjective]
- মিতব্যয়ী; হিসাবি।গ) Extravagant: [adjective]
- অপচয়কর; অপব্যয়ী।ঘ) Spendthrift: [noun, adjective][এটিও বিপরীত অর্থ বোঝায়, কিন্তু এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়]
- অমিতব্যয়ী বা অপব্যয়ী লোক।
অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, সবচেয়ে উপযুক্ত উত্তর হলো গ) Extravagant, কারণ এটি শুধুমাত্র adjective হিসেবেই ব্যবহৃত হয় এবং frugal-এর সরাসরি বিপরীত।
Source: Cambridge, Oxford and Accessible Dictionary. - By the time you get back, Rahim-
- will leave
- will have left
- will be leaving
- left
• Complete Sentence: By the time you get back, Rahim will have left.
- Bangla meaning: তুমি যখন ফিরে আসবে, তখন রহিম চলে যাবে।• Explanation:
- বাক্যে By the time দ্বারা ভবিষ্যৎ কালের কোন কিছু ঘটবে বোঝালে verb -এর future indefinite/perfect/perfect continuous tense হয়।
- অর্থাৎ, By the time দ্বারা যদি দুইটি clause যুক্ত থাকে তখন By the time -এর পরের clause টি present indefinite হয় এবং অন্য clause টি future indefinite/perfect/perfect continuous tense হয়।
- Future perfect tense -এর সঠিক structure হলো- Sub + will have + verb এর past participle form + ext.- প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে By the time এর পরের অংশটুকু যেহেতু present indefinite tense -এ আছে, তাই নিয়মানুযায়ী অন্য অংশে future indefinite/perfect/perfect continuous tense হবে।
- তাই নিয়মানুযায়ী, শূন্যস্থানে will have left হবে।
- Be careful when driving _______ adverse weather conditions.
- to
- under
- along
- during
উত্তর: খ) under
Complete sentence: Be careful when driving under adverse weather conditions.
• Under adverse weather conditions:
Meaning: প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে" বা "খারাপ আবহাওয়ার সময়"।
- 'Under' prepositionটি ব্যবহার করা হয় যখন কোনো পরিস্থিতি বা অবস্থার মধ্যে কিছু ঘটে। - "To go into liquidation' is an idiom meaning:
- To go bankrupt
- To work very smoothy
- To depart
- To procced
উত্তর: ক) To go bankrupt.
"To go into liquidation" একটি idiom, যার অর্থ হলো — একটি কোম্পানি দেউলিয়া হয়ে যাওয়া বা ব্যবসা বন্ধ করে সম্পত্তি বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করা।
Go into liquidation:
English Meaning: to close one's business by collecting assets and settling all debts.
That means - to go bankrupt.
Bangla Meaning: দেউলিয়া হওয়া।
Example: After struggling for several years, the company was forced to go into liquidation due to mounting debts.
- অন্য অপশনগুলো এখানে অপ্রাসঙ্গিক।Source: Collins Dictionary.
- Anika was _______ of the dangers of the fire juggling, but she tried it anyway and burnt herself quite badly.
- cognizant
- virulent
- conducive
- ingenuous
Options,
ক) Cognizant:
- জ্ঞাত; অবগত।খ) Virulent:
- (ব্যক্তি) শক্তিমান; মারাত্মক; (বিদ্বেষ, ঘৃণা) তিক্ত; (শব্দ ইত্যাদি) বিদ্বেষপূর্ণ; (ব্যাধি, ক্ষত) বিষাক্ত।গ) Conducive:
- সহায়ক।ঘ) Ingenuous:
- (আনুষ্ঠানিক) নিষ্কপট; অকপট; অকৈতব; নির্ব্যাজ; সরলচিত্ত; নির্মলচিত্ত।
অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, শূন্যস্থানে ক) Cognizant বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হবে।
Complete sentence: Anika was cognizant of the dangers of the fire juggling, but she tried it anyway and burnt herself quite badly.
Bangla: আনিকা আগুন নিয়ে খেলা করার বিপদ সম্পর্কে সচেতন ছিল, তবুও সে এটি চেষ্টা করেছিল এবং খুব খারাপভাবে পুড়ে গিয়েছিল।
Source: Accessible Dictionary. - The antonym of the word 'superficial' is:
- Intellectual
- Artificial
- Indifferent
- Deep
• Superficial:
English meaning: not studying or looking at something carefully or completely; seeing only what is obvious.
Bangla meaning: (১) পৃষ্ঠ বা উপরিতল সম্বন্ধী; উপরিগত; অগভীর; বাহ্য; বহিঃস্থ; পৃষ্ঠস্থ; superficial view, বাহ্যদৃষ্টি; a superficial wound; superficial area. (২) উপরিতলস্পর্শী; ভাসা-ভাসা; উপর-উপর; অগভীর: a superficial scholar.
Options,
ক) Intellectual:
- ধীশক্তি সম্বন্ধী; বৌদ্ধিক; বুদ্ধিবৃত্তিক।খ) Artificial:
- প্রাকৃতিক বা স্বাভাবিক নয় এমন; মানুষের সৃজনীশৈলী দ্বারা সৃষ্ট; কৃত্রিম।গ) Indifferent:
- নিঃস্পৃহ; অনীহ; উদাসীন; নিরুৎসুক।ঘ) Deep:
- গভীর; অগাধ।
অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, The antonym of the word 'superficial' is: Deep.
Source: Accessible Dictionary. - 'ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর' এর ইংরেজি কি?
- Smoking are injurious for health.
- Smoking are injurious to health.
- Smoking is injurious to health.
- Smoking is injurious for health.
• Injurious (to):
Meaning: (আনুষ্ঠানিক) ক্ষতিকর; অপকারী; অহিতকর; অনিষ্টকর।
তাই সঠিক উত্তর: গ) Smoking is injurious to health.
- Smoking একটি singular subject, তাই is ব্যবহার করতে হবে (are নয়)।
- "Injurious" শব্দের পরে সবসময় "to" বসে। এটি একটি fixed expression.
অন্য অপশনগুলো ভুল:
ক) Smoking are injurious for health.
- এখানে "are" ও "for" এর ব্যবহার ভুল হয়েছে।
খ) Smoking are injurious to health.
- এখানে "are" এর ব্যবহার ভুল হয়েছে, Smoking singular হবে।
ঘ) Smoking is injurious for health.
- এখানে "for" এর ব্যবহার ভুল হয়েছে।
Source: Accessible Dictionary. - মুসলিম রেনেসার কবি ফররুখ আহমদ কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
- চুয়াডাঙ্গা
- মাগুরা
- যশোর
- ঝিনাইদহ
• ফররুখ আহমদ:
- ফররুখ আহমদ ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি। ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
- ‘মুহূর্তের কবিতা’ ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহ হলো:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
- 'সব বিষয়ে অল্প জ্ঞান যার' এক কথায় প্রকাশ-
- পল্লবগ্রাহী
- সমা
- অজয়া
- স্মার্ত
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'সব বিষয়ে অল্প জ্ঞান যার' বা 'বিবিধ বিষয়ে ভাসা ভাসা জ্ঞান আছে এমন' এর এক কথায় প্রকাশ- পল্লবগ্রাহী।উল্লেখ্য,
• পল্লব শব্দের অর্থ- গাছের পাতা।
• আরো কিছু এক কথায় প্রকাশ:
- 'স্থায়ী ঠিকানা নেই যার' এক কথায় প্রকাশ = উদ্বাস্তু,
- 'যে বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে' এক কথায় প্রকাশ = উদ্বাস্তু,
- 'নষ্ট হওয়া স্বভাব নয় যার' এক কথায় প্রকাশ = অবিনশ্বর
- 'যা চিরস্থায়ী নয়' এক কথায় প্রকাশ = নশ্বর,
- 'যা কখনো নষ্ট হয় না' এক কথায় প্রকাশ = অবিনশ্বর,
- 'ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী' এক কথায় প্রকাশ = ক্ষণস্থায়ী,
- 'যা স্থায়ী নয়' এক কথায় প্রকাশ = অস্থায়ী,
- 'যার বাসস্থান নেই' এক কথায় প্রকাশ = অনিকেত,
- 'নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার' এক কথায় প্রকাশ = নশ্বর,উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
- 'বিরত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
- অবিরত
- সরত
- নিবৃত
- নিরত
• 'বিরত' এর বিপরীতার্থক শব্দ - নিরত।
• বিরত শব্দের অর্থ: ক্ষান্ত, নিবৃত
• নিরত শব্দের অর্থ: নিযুক্ত, নিবিষ্ট, ব্যাপ্ত, আসক্ত।
• আরো কিছু বিপরীতার্থক শব্দ:
- 'আকুঞ্চন' শব্দের বিপরীত শব্দা = প্রসারণ।
- 'সংহত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = বিভক্ত।
- 'প্রসারিত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = সংকুচিত।
- 'সংযত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = অসংযত।উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
- 'দুরবস্থা' শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
- দুর + অবস্থা
- দুর + বস্থা
- দুঃ + অবস্থা
- দূর + অবস্থা
• 'দুরবস্থা' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ- দুঃ + অবস্থা।
• বিসর্গ সন্ধির নিয়ম:
অ ও আ ভিন্ন অন্য স্বরের পর পরে বিসর্গ থাকলে এবং তার সঙ্গে অ, আ, বর্গীয় ঘােষ অল্পপ্রাণ ও ঘােষ মহাপ্রাণ নাসিক্যধ্বনি কিংবা য, র, ল, ব, হ-এর সন্ধি হলে বিসর্গ স্থানে ‘র’ হয়।
যেমন:
- নিঃ + আকার = নিরাকার,
- আশীঃ + বাদ = আশীর্বাদ,
- দুঃ + অবস্থা = দুরবস্থা,
- দুঃ + যােগ = দুর্যোগ ইত্যাদি।উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
- 'বাড়ি থেকে নদী দেখা যায়' - কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- অপাদানে ৭মী
- অপাদানে ৫মী
- অধিকরণে ৭মী
- অধিকরণে ৫মী
• 'বাড়ি থেকে নদী দেখা যায়' - বাক্যে 'বাড়ি থেকে' অধিকরণে পঞ্চমী বিভক্তি।
• অধিকরণ কারক:
- ক্রিয়া সম্পাদনের কাল, স্থান ও সময়কে অধিকরণ কারক বলে। অর্থাৎ যে স্থানে বা সময়ে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় সেটিই অধিকরণ কারক।
- অর্থাৎ ক্রিয়াপদকে কোথায়, কোন স্থানে, কখন, কোন সময়ে, কবে, কোন বিষয়ে বা ব্যাপারে এসব প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় সেটিই অধিকরণ কারক।- এই কারকে সাধারণত '-এ', '-য়', ‘-য়ে’, '-তে' ইত্যাদি বিভক্তি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন -
- বাবা বাড়িতে আছেন।
- বিকাল পাঁচটায় অফিস ছুটি হবে।প্রশ্নের বাক্যটি,
'বাড়ি থেকে নদী দেখা যায়' - এখানে 'কোথা থেকে নদী দেখা যায়?', প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'বাড়ি থেকে'। তাই 'বাড়ি থেকে' অধিকরণে ৫মী বিভক্তি।উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
- নিচের কোন আমল মুমিনকে অশ্লীল ও পাপাচার থেকে বিরত রাখে?
- সালাত
- সিয়াম
- যাকাত
- হজ্জ্ব
সঠিক উত্তর: ক) সালাত
সালাত:
সালাত মানুষকে অশ্লীলতা ও পাপাচার থেকে বিরত রাখে।
কারণ, নামাজ মানুষের মধ্যে আল্লাহভীতি, আত্মসংযম, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা তৈরি করে।
একজন ব্যক্তি যদি যথাযথভাবে সালাত আদায় করে, তাহলে সে খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার প্রেরণা পায়।
আল-কুরআনে বলা হয়েছে, “নিশ্চয়ই সালাত অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে।”
সূরা আল-আনকাবূত, আয়াত ৪৫।উল্লেখ্য যে,
সিয়াম → তাকওয়া ও আত্মসংযম শিক্ষা দেয়
যাকাত → সম্পদের পবিত্রতা ও সামাজিক সাম্য আনে
হজ্জ্ব → ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত - ফরজ সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত কোনটি?
- তাহাজ্জুদ সালাত
- সালাতুত তসবীস
- চাশতের সালাত
- আচরের আগে চার রাকাত নফল
সঠিক উত্তর: ক) তাহাজ্জুদ সালাত
- ফরজ সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হলো রাতের সালাত, অর্থাৎ তাহাজ্জুদ।হাদিসে এসেছে:
“ফরজ সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হলো রাতের সালাত।”
এখানে রাতের নফল সালাত বলতে মূলত তাহাজ্জুদ সালাত বোঝানো হয়।আরবি সূত্র:
أفضلُ الصلاةِ بعدَ الفريضةِ صلاةُ الليلِ
অর্থ: ফরজ সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হলো রাতের সালাত।
আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রমযানের সিয়ামের পর সর্বোত্তম সওম হচ্ছে আল্লাহর মাস মুহাররমের সওম এবং ফারয (ফরয) সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) হচ্ছে রাতের সালাত।
(ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬২২, ইসলামীক সেন্টার ২৬২১)।রেফারেন্স:
Sahih Muslim, Hadith: 1163 (আন্তর্জাতিক নাম্বার),
Jami` at-Tirmidhi, রাতের সালাত প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট বর্ণনা। - 'তারতিবসহ সালাত আদায় করা' বলতে কী বোঝায়?
- সালাতের প্রতিটি কাজ ধীরে ধীরে করা
- সালাতের আরকান ও আহকাম নির্ধারিত ক্রমে পালন করা
- মনোযোগ সহকারে পড়া
- সালাতে পরে নফল পড়া
সঠিক উত্তর: খ) সালাতের আরকান ও আহকাম নির্ধারিত ক্রমে পালন করা।
- তারতিব অর্থ হলো ক্রম বা সুশৃঙ্খল ধারাবাহিকতা।
তাই ‘তারতিবসহ সালাত আদায় করা’ বলতে বোঝায়—
সালাতের রুকন, ওয়াজিব, ও অন্যান্য কার্যাবলি নির্ধারিত নিয়ম ও ক্রম অনুযায়ী আদায় করা।যেমন:
কিয়াম-এর আগে সিজদা করা যাবে না,
রুকুর পরে দাঁড়ানো তারপর সিজদা-
অর্থাৎ প্রতিটি কাজ শরিয়ত নির্ধারিত ধারাবাহিকতায় করতে হবে। - কোন কোন সালাতের জামা'আতে যাওয়া মুনাফিকদের জন্য সবচেয়ে কঠিন?
- যোহর ও আসর
- ফজর ও এশা
- আসর ও মাগরিব
- মাগরিব ও এশা
সঠিক উত্তর: খ) ফজর ও এশা।
- হাদিসে এসেছে, মুনাফিকদের জন্য জামা'আতে আদায় করা সালাতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কঠিন হলো এশা ও ফজরের সালাত।- রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “মুনাফিকদের ওপর সবচেয়ে ভারী সালাত হলো এশা ও ফজরের সালাত।”
অর্থাৎ, এই দুই ওয়াক্তের সালাতে জামা'আতে উপস্থিত হওয়া তাদের জন্য সবচেয়ে কষ্টকর ছিল।
রেফারেন্স:
সহিহ বুখারি
সহিহ মুসলিম - কোন অবস্থায় সালাত ত্যাগের অনুমতি দেওয়া হয়েছে?
- চরম অসুস্থতা
- ভ্রমণ
- কোন অবস্থাতেই নয়
- যুদ্ধক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর: গ) কোন অবস্থাতেই নয়।
- ইসলামে সালাত কোনো অবস্থাতেই পুরোপুরি মাফ নয়।
- মানুষ অসুস্থ, ভ্রমণরত, এমনকি যুদ্ধক্ষেত্রেও থাকুক—সালাত আদায়ের বিধান বহাল থাকে; তবে পদ্ধতিতে সহজীকরণ করা হয়।যেমন:
অসুস্থ হলে বসে বা শুয়ে ইশারায় সালাত আদায় করা যায়।
ভ্রমণে কসর করা যায়।
যুদ্ধক্ষেত্রে সালাতুল খাওফ আদায় করা যায়।অর্থাৎ সালাত ত্যাগের অনুমতি নেই, বরং অবস্থাভেদে সহজ পদ্ধতিতে আদায়ের অনুমতি আছে।
দলিল:
আল্লাহ বলেন,
“নিশ্চয়ই সালাত মুমিনদের ওপর নির্ধারিত সময়ে ফরজ করা হয়েছে।”
— সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১০৩।রাসূলুল্লাহ (সা.) অসুস্থ ব্যক্তিকে বলেছেন:
“দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করো, যদি না পারো তবে বসে, তাও না পারো তবে কাত হয়ে।”
— সহিহ বুখারি, হাদিস: 1117.ভয় বা যুদ্ধের অবস্থায়ও সালাতের বিধান এসেছে:
— সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১০৩।
রেফারেন্স:
সহীহ: বুখারী ৪১৩০, মুসরিম ৮৪২, আবূ দাঊদ ১২৩৮, নাসায়ী ১৫৩৭, আহমাদ ২৩১৩৬, মুয়াত্ত্বা মালিক ৬৩২, শারহু মা‘আনির আসার ১৮৬৯, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৬০০৯, শারহুস্ সুন্নাহ্ ১০৯৪, ইরওয়া ৫১৪। - রাসুল (সাঃ) বলেছেন, 'নামাজ হচ্ছে-
- মুসলিমের পরীক্ষার স্থান
- ইসলামের ৪র্থ স্তম্ভ
- মুমিনের মিরাজ
- ঈমানে অর্ধাংশ
সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর: গ) মুমিনের মিরাজ।
- নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর অধিকতর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভ হয়। এ সম্পর্কে হুজুর (স) ইরশাদ করেন-
أَقْرَبُ مَا يَكُونُ الْعَبْدُ مِنْ رَبِّهِ وَهُوَ سَاجِدٌ فَاكْثَرُوا الدُّعاء- অর্থাৎ, 'বান্দা যখন সেজদায় রত থাকে তখনই তার প্রতিপালকের অধিকতর নিকটবর্তী হয়। অতএব সেজদায় রত অবস্থায় তোমরা অধিক পরিমাণে দোয়া করো।'
মূলত নামাজের মাধ্যমে বান্দা তার সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সাথে কথোপকথন করে। এজন্যই বলা হয়েছে- নামাজ এমনভাবে পড়, যেন তুমি আল্লাহকে দেখছো।
এতে নামাজের মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে।
শবে মিরাজে যখন রাসুল (সা.) আল্লাহ তায়ালার দরবারে হাজির হয়েছিলেন, তখন আল্লাহর বিশেষ দানস্বরূপই তিনি নিয়ে আসলেন নামাজের এ বিধান। তাই নামাজ শবে মিরাজের সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মারণিক এবং আল্লাহর দরবারে হাজির হওয়ার ও তার নৈকট্য লাভের এক অপূর্ব সুযোগ।
এ যেন বিশ্ব প্রতিপালকের পক্ষ থেকে বিশ্বমানবের জন্য শবে মিরাজের উপঢৌকন, যা বহন করে এনেছিলেন বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (স.)। যারা নামাজের প্রতি অবহেলা, উপেক্ষা ও অবজ্ঞা করে তারা যেন বিশ্ব স্রষ্টার উপঢৌকনের প্রতিই অবহেলা, উপেক্ষা ও অবজ্ঞা করে।
বাংলা-উর্দু ধর্মীয় সাহিত্য ও বক্তৃতায় “নামাজ/সালাত মুমিনের মিরাজ” কথাটি খুবই প্রচলিত।
কিন্তু হাদিসশাস্ত্রের দিক থেকে এই বাক্যটি সহিহ হাদিস হিসেবে প্রমাণিত নয়।
অর্থাৎ, রাসুল (সা.)-এর সহিহ/সুনান/মুসনাদ গ্রন্থে এ ভাষায় নির্ভরযোগ্য হাদিস পাওয়া যায় না। তাই একে প্রচলিত উক্তি বলাই সঠিক।অন্য অপশনগুলো ভুল:
ক) মুসলিমের পরীক্ষার স্থান → এ ভাষায় কোনো পরিচিত সহিহ হাদিস নেই।
খ) ইসলামের ৪র্থ স্তম্ভ → ভুল, কারণ সালাত ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ। (সহিহ বুখারি, হাদিস 8; সহিহ মুসলিম, হাদিস 16)
ঘ) ঈমানের অর্ধাংশ → এটি সালাত সম্পর্কে বলা হয়নি। “পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক” বলা হয়েছে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস 223)সিদ্ধান্ত:
পরীক্ষায় প্রচলিত উত্তর হিসেবে মুমিনের মিরাজ নেওয়া হয়েছে।
হাদিসের কঠোর বিশুদ্ধতার দৃষ্টিতে: এ বক্তব্যকে সহিহ হাদিস বলা ঠিক হবে না। - ইচ্ছাকৃত ভাবে নামাজ ছাড়ার পরিনাম কী?
- কোন গুনাহ হবে না
- রিজিকে বরকত কমে যায়
- কুফরি
- সগীরা গুণাহ
সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর: গ) কুফরি।
- তবে এতে আলেমদের মধ্যে মতভেদ আছে।
- ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ ত্যাগ করা অত্যন্ত ভয়াবহ কবিরা গুনাহ। কিছু হাদিসে এটিকে কুফর বলা হয়েছে।রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
- “বান্দা ও শিরকের মাঝে পার্থক্য হলো সালাত ত্যাগ করা।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: 82).আরও এসেছে:
- “আমাদের ও তাদের (কাফিরদের) মধ্যে অঙ্গীকার হলো সালাত; সুতরাং যে তা ত্যাগ করল, সে কুফরি করল।”
- জামি‘ আত-তিরমিযি, হাদিস: 2621.
- সুনান আন-নাসাঈ, হাদিস: 463.- তাই উত্তর হিসেবে সাধারণত কুফরি ধরা হয়।
তবে ফিকহি দৃষ্টিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো:
একদল আলেম বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত ত্যাগকারী কাফির হয়ে যায়।
অন্যদল বলেন, সে কাফির নয়, কিন্তু এটি মারাত্মক কবিরা গুনাহ। - নিচের কোনটি নামাজের রুকন?
- আযান
- দু'আ
- রুকু করা
- খুতবা পাঠ
সঠিক উত্তর: গ) রুকু করা।
- রুকন বলতে নামাজের এমন মৌলিক অংশকে বোঝায়, যা ছাড়া নামাজ শুদ্ধ হয় না।
- 'রুকু' হলো নামাজের একটি মূল রুকন।অন্যদিকে:
আযান → নামাজের আগে আহ্বান, নামাজের রুকন নয়।
দু'আ → বিভিন্ন স্থানে পড়া হয়, কিন্তু এখানে সাধারণভাবে নামাজের রুকন বলা যায় না।
খুতবা পাঠ → জুমা'আর নামাজের আগে পাঠ হয়, নামাজের রুকন নয়।কুরআনের দলিল:
আল্লাহ বলেন,
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা রুকু করো, সিজদা করো…”
— সূরা আল-হাজ্জ, ২২:৭৭হাদিসের দলিল:
যে ব্যক্তির নামাজ ঠিকভাবে হয়নি, তাকে রাসুলুল্লাহ (সা.) নামাজ শিখিয়ে বলেন:
“…তারপর রুকু করো, যতক্ষণ না তুমি রুকুতে স্থির হও…”
— সহিহ বুখারি, হাদিস: 757.
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: 397. - সফরে কয় রাকাত বিশিষ্ট ফরজ নামাজ কসর করতে হয়?
- ৪ রাকাত বিশিষ্ট নামাজ
- সব নামাজ অর্ধেক
- ২ রাকাত বাড়িয়ে ৪ রাকাত পড়তে হয়
- কেবল ফজর কম হয়
সঠিক উত্তর: ক) ৪ রাকাত বিশিষ্ট নামাজ।
- সফরে শুধু ৪ রাকাত ফরজ নামাজ কসর করে ২ রাকাত পড়তে হয়।
- অর্থাৎ, যোহর: ৪ → ২, আসর: ৪ → ২, এশা: ৪ → ২ এভাবে পড়তে হয়।- 'ফজর ২ রাকাতই থাকে, মাগরিব ৩ রাকাতই থাকে।
- অতএব, সব নামাজ অর্ধেক হয় না; বরং শুধু ৪ রাকাত বিশিষ্ট ফরজ সালাত কসর করা হয়।কুরআনের দলিল:
আল্লাহ বলেন,
“তোমরা যখন ভূমিতে সফর কর, তখন সালাত সংক্ষিপ্ত করলে তোমাদের কোনো দোষ নেই…”
— সূরা আন-নিসা, আয়াত, ১০১.হাদিসের দলিল:
ইয়া‘লা ইবন উমাইয়্যা (রা.) বর্ণনা করেন, তিনি উমর (রা.)-কে এ আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে উমর (রা.) বলেন, আমি এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করেছিলাম।
তিনি বলেন: “এটি এমন একটি সদকা, যা আল্লাহ তোমাদের প্রতি দান করেছেন। সুতরাং তোমরা তাঁর সদকা গ্রহণ কর।”
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: 686.- আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণিত:
- প্রথমে সালাত দুই রাকাত করে ফরজ করা হয়েছিল; পরে মুকীম অবস্থার সালাত পূর্ণ করা হয় এবং সফরের সালাত পূর্বের মতোই রাখা হয়।
— সহিহ বুখারি, হাদিস: 1090.
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: 685. - কোন নামাজে সিজদাহ নাই?
- ইস্তিসকার নামাজ
- সালাতুত তাসবিহ
- জানাযার নামাজ
- বিতরের নামাজ
সঠিক উত্তর: গ) জানাযার নামাজ।
- জানাযার নামাজে রুকু ও সিজদাহ নেই।
- এটি দাঁড়িয়ে তাকবির, সানা/দুরুদ, মৃতের জন্য দোয়া এবং সালাম দ্বারা আদায় করা হয়।
- জানাযার সালাতের বর্ণনায় রুকু-সিজদাহর উল্লেখ নেই, বরং এটি কিয়ামভিত্তিক দোয়ার সালাত হিসেবে প্রমাণিত।
অন্যদিকে,
ইস্তিসকার নামাজে সিজদাহ আছে।
সালাতুত তাসবিহে সিজদাহ আছে।
বিতরের নামাজে সিজদাহ আছে।
রেফারেন্স:
জানাযার সালাতে চার তাকবির দেওয়ার বর্ণনা এসেছে, যা এর পদ্ধতি বোঝায়।
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: 951.
— সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: 1333. - সিয়ামের প্রতিদান সরাসরি কার পক্ষ থেকে প্রদান করা হবে?
- আল্লাহর পক্ষ থেকে
- ফেরেস্তাদের পক্ষ থেকে
- নবীদের পক্ষ থেকে
- পরিবারের পক্ষ থেকে
সঠিক উত্তর: ক) আল্লাহর পক্ষ থেকে।
- সিয়াম বা রোজার প্রতিদান বিশেষভাবে আল্লাহ তাআলা নিজে প্রদান করবেন।
- হাদিসে কুদসিতে এসেছে, আল্লাহ তাআলা বলেন: "الصَّوْمُ لِي وَأَنَا أَجْزِي بِهِ"
- “মানুষের প্রতিটি আমল তার নিজের জন্য; কিন্তু সিয়াম ব্যতীত। কারণ তা আমার জন্য, আর আমিই এর প্রতিদান দেব।”
— সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: 1904.
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: 1151.- এ থেকে বোঝা যায়, সিয়ামের মর্যাদা এত বেশি যে এর প্রতিদান সরাসরি আল্লাহর পক্ষ থেকে দেওয়া হবে।
- তাৎপর্য: অন্যান্য ইবাদত (যেমন নামাজ বা হজ) মানুষের প্রদর্শনের সুযোগ থাকলেও সিয়ামে তা নেই। এটি বান্দা ও আল্লাহর মধ্যকার গোপন ইবাদত। - রোজাদার মনের ভুলে কিছু খাইলে তার রোজা ভঙ্গ হবে কি না?
- রোজা ভেঙ্গে যাবে।
- রোজার কোন ক্ষতি হবে না।
- রোজা হবে, তবে এর পরিবর্তে আরো একটি রোযা রাখতে হবে।
- রোজা মাকরুহ হবে।
সঠিক উত্তর: খ) রোজার কোন ক্ষতি হবে না।
- রোজাদার ভুলে বা মনে না থাকা অবস্থায় কিছু খেয়ে ফেললে বা পান করলে রোজা ভঙ্গ হবে না। বরং সে তার রোজা পূর্ণ করবে।
- ভুলে খেলে রোজা ভাঙে না, কাজা লাগবে না, কাফফারাও লাগবে না।রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
- “যে ব্যক্তি রোজা অবস্থায় ভুলে খেয়ে ফেলে বা পান করে, সে যেন তার রোজা পূর্ণ করে। কেননা আল্লাহই তাকে আহার করিয়েছেন এবং পান করিয়েছেন।”
— সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: 1933.
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: 1155. - রোজা ফরজ হয় কত হিজরীতে?
- হিজরতের পূর্বে
- ২য় হিজরীতে
- ১ম হিজরীতে
- ৬ষ্ঠ হিজরীতে
সঠিক উত্তর: খ) ২য় হিজরীতে।
- রোজা বা সিয়াম ফরজ করা হয় হিজরতের ২য় বছরে, অর্থাৎ ২ হিজরীতে।কুরআন মাজীদে সিয়াম ফরজের নির্দেশ এসেছে:
- "يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ كُتِبَ عَلَيْكُمُ ٱلصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ"
- “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।”
— সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১৮৩।রমজান মাসের রোজা প্রসঙ্গে আরও এসেছে:
- “রমজান মাস, যে মাসে কুরআন নাযিল করা হয়েছে... সুতরাং, তোমাদের মধ্যে যে এ মাস পাবে, সে যেন এ মাসে সিয়াম পালন করে।”
— সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১৮৫। - হে ঈমানদারগণ। তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরজ করা হয়েছিল, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো। - এটি কোন সুরার আয়াত?
- আলে-ইমরান
- মায়েদা
- আত-তওবা
- আল বাকারাহ্
সঠিক উত্তর: ঘ) আল-বাকারাহ্।
- উদ্ধৃত আয়াতটি সূরা আল-বাকারাহ্ -এর ১৮৩ নং আয়াত।
- আয়াতটি হলো- "يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ"
- অর্থ: “হে ঈমানদারগণ, তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।”রেফারেন্স:
সূরা আল-বাকারাহ্, আয়াত: 183. - যাকাত আদায়ের মাধ্যমে নিচের কোনটি নিশ্চিত হয়?
- সম্পদ পবিত্র ও বৃদ্ধি হয়
- সম্পদ কমে যায়
- ধনী হওয়া যায়
- কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক) সম্পদ পবিত্র ও বৃদ্ধি হয়।
- যাকাত আদায়ের মাধ্যমে মানুষের সম্পদ পবিত্র হয় এবং আল্লাহ তাআলা তাতে বরকত ও বৃদ্ধি দান করেন। যাকাত শুধু দান নয়, এটি সম্পদের হক আদায় এবং আত্মশুদ্ধিরও মাধ্যম।
- যাকাত আদায়ের মাধ্যমে সম্পদ পবিত্র হয়, সম্পদে বরকত আসে, কল্যাণকর অর্থে বৃদ্ধি হয়।আল্লাহ তাআলা বলেন:
- “তাদের সম্পদ থেকে সদকা গ্রহণ করুন, এর মাধ্যমে আপনি তাদের পবিত্র করবেন এবং পরিশুদ্ধ করবেন…”
— সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত ১০৩.আরও এসেছে:
- “আল্লাহ সুদকে ধ্বংস করেন এবং সদকাকে বৃদ্ধ করেন…”
— সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত ২৭৬.হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
“সদকা সম্পদ কমায় না…”
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: 2588.- এতে বোঝা যায়, আল্লাহর পথে ব্যয় ও যাকাত আদায়ের ফলে বাহ্যিকভাবে কিছু কম দেখা গেলেও প্রকৃত অর্থে বরকত, কল্যাণ ও সওয়াবের দিক থেকে সম্পদ বৃদ্ধি পায়।
- সৌর বছর অনুযায়ী যাকাত আদায়ের হার কত?
- ২.৫০%
- ২.৫৮%
- ৭.৫০%
- ৫.৫%
সঠিক উত্তর: খ) ২.৫৮%
- যাকাতের মূল হার হলো ২.৫%, যা চন্দ্র বছর (হিজরি বছর) অনুযায়ী হিসাবের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- কিন্তু সৌর বছর (৩৬৫ দিন) অনুযায়ী হিসাব করলে বছর কিছুটা দীর্ঘ হওয়ায় সমন্বিত হার হয় প্রায় ২.577%–২.5775%, যা সাধারণত ২.৫৮% ধরে দেওয়া হয়।অর্থাৎ,
- চন্দ্র বছর অনুযায়ী: ২.৫০%,
- সৌর বছর অনুযায়ী: প্রায় ২.৫৮%।
- যাকাত ফরজ হয়েছে কোন আয়াত দ্বারা?
- সুরা তওবা-১০৩
- সুরা বাকারা-২৭৫
- সুরা রুম-৩৯
- সুরা হাশর-৭
সঠিক উত্তর: ক) সুরা তওবা–১০৩।
- যাকাত আদায়ের স্পষ্ট নির্দেশ যে আয়াতে এসেছে, তা হলো:
- "خُذْ مِنْ أَمْوَٲلِهِمْ صَدَقَةً تُطَهِّرُهُمْ وَتُزَكِّيهِم بِهَا وَصَلِّ عَلَيْهِمْۖ إِنَّ صَلَوٲتَكَ سَكَنٌ لَّهُمْۗ وَٱللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ"
- “তাদের সম্পদ থেকে সদকা গ্রহণ করুন; এর মাধ্যমে আপনি তাদের পবিত্র করবেন এবং পরিশুদ্ধ করবেন…”
— সূরা আত-তাওবা, আয়াত ১০৩।
- এই আয়াতকে যাকাত আদায়ের বিধানসংক্রান্ত প্রধান দলিলগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়।অন্যদিকে,
সূরা বাকারা আয়াত ২৭৫ → সুদ হারাম হওয়া প্রসঙ্গে।
সূরা রূম আয়াত ৩৯ → সুদ ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দান প্রসঙ্গে।
সূরা হাশর আয়াত ৭ → ফাই-এর সম্পদ বণ্টন প্রসঙ্গে। - সুরা হজ্জের ৪১ নং আয়াতের আলোকে যাকাত আদায়ের দায়িত্ব কার?
- ব্যক্তির নিজের
- সরকারের
- ইউনিয়ন পরিষদের
- ওলামাদের
সঠিক উত্তর: খ) সরকারের।
- সুরা আল-হজ্জ, আয়াত ৪১-এ আল্লাহ তাআলা বলেন-
- "ٱلَّذِينَ إِن مَّكَّنَّـٰهُمْ فِى ٱلْأَرْضِ أَقَامُواْ ٱلصَّلَوٲةَ وَءَاتَوُاْ ٱلزَّكَوٲةَ وَأَمَرُواْ بِٱلْمَعْرُوفِ وَنَهَوْاْ عَنِ ٱلْمُنكَرِۗ وَلِلَّهِ عَـٰقِبَةُ ٱلْأُمُورِ"
- "তারা এমন লোক যে, আমি যদি তাদেরকে যমীনে প্রতিষ্ঠিত করি তবে তারা সালাত কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে এবং সৎকাজের আদেশ দেবে ও অসৎকাজে নিষেধ করবে; আর সকল কাজের পরিণাম আল্লাহরই হাতে।" (সূরা আল-হজ্জ, আয়াত: ৪১)।- এই আয়াতে যাদেরকে জমিনে ক্ষমতা দেওয়া হয় বলা হয়েছে, অর্থাৎ শাসকগোষ্ঠী/রাষ্ট্রক্ষমতাসীন কর্তৃপক্ষ। তাই এই আয়াতের আলোকে যাকাত আদায় ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব সরকার বা ইসলামী রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের ওপর বর্তায়।
- তবে ব্যক্তি নিজেও যাকাত দেওয়ার জন্য দায়িত্বশীল। কিন্তু এই আয়াতের নির্দিষ্ট আলোকে প্রশ্নের উত্তর হবে সরকার।
- এই আয়াতে মুমিনদের গুণাবলী ও ইসলামী রাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য বর্ণনা করা হয়েছে: যারা যমীনে প্রতিষ্ঠিত হলে সালাত কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, সৎকাজের আদেশ দেয় এবং অসৎকাজে নিষেধ করে। সব কাজের চূড়ান্ত পরিণতি আল্লাহর হাতে। এটি মুত্তাকীদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
ব্যাখ্যা ও তাফসীর (সংক্ষেপে):
- ক্ষমতায়নের লক্ষ্য: এই আয়াতে বলা হয়েছে, ক্ষমতা বা রাষ্ট্রযন্ত্র পাওয়ার পর মুমিনদের মূল কাজ হবে সৎ কাজের প্রচার ও প্রসারের ব্যবস্থা করা।
- প্রধান কাজসমূহ: সালাত প্রতিষ্ঠা করা (ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগতভাবে) এবং যাকাত ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে অর্থনৈতিক ভারসাম্য নিশ্চিত করা।
- সামাজিক সংস্কার: ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং অন্যায় ও পাপকাজ প্রতিরোধ করা।
- আল্লাহর ওপর নির্ভরতা: ক্ষমতার দম্ভ না করে সমস্ত কাজের ফলের জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা করা। - আল কোরআনের আলোকে যাকাতের খাত কয়টি?
- ৭টি
- ৫টি
- ৮টি
- নির্দিষ্ট নয়
সঠিক উত্তর: গ) ৮টি।
- আল-কোরআনের আলোকে যাকাতের খাত ৮টি। এটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে সূরা আত-তাওবার আয়াত ৬০-এ।
- "إِنَّمَا الصَّدَقَاتُ لِلْفُقَرَاءِ وَالْمَسَاكِينِ وَالْعَامِلِينَ عَلَيْهَا وَالْمُؤَلَّفَةِ قُلُوبُهُمْ وَفِي الرِّقَابِ وَالْغَارِمِينَ وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ وَابْنِ السَّبِيلِ"আল্লাহ তাআলা বলেন, যাকাত নির্ধারিত হলো-
১. ফকির,
২. মিসকিন,
৩. যাকাত আদায়ে নিয়োজিত কর্মচারী,
৪. যাদের অন্তর আকৃষ্ট করা প্রয়োজন,
৫. দাসমুক্তির জন্য,
৬. ঋণগ্রস্তদের জন্য,
৭. আল্লাহর পথে,
৮. মুসাফিরের জন্য। - কোন সম্পদের উপর যাকাত ফরজ নয়?
- সঞ্চিত টাকা
- ব্যক্তিগত ব্যবহার্য জিনিষ
- ব্যবসার পুঁজি
- স্বর্ণ-রূপা
সঠিক উত্তর: খ) ব্যক্তিগত ব্যবহার্য জিনিষ।
- যেসব জিনিস নিজের ব্যক্তিগত প্রয়োজন ও ব্যবহারের জন্য রাখা হয়, সেগুলোর ওপর যাকাত ফরজ নয়। যেমন-
- ব্যবহারের কাপড়চোপড়,
- বাসার আসবাবপত্র,
- বসবাসের ঘর,
- ব্যবহারের যানবাহন,
- দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।অন্যদিকে, যাকাত ফরজ হয় সাধারণত-
- সঞ্চিত টাকা,
- ব্যবসার পুঁজি,
- স্বর্ণ-রূপা, ইত্যাদির উপর।- যখন তা নিসাব পরিমাণে পৌঁছে এবং এক হিজরি বছর অতিক্রম করে।
কুরআনিক ভিত্তি:
- যাকাত সম্পদের নির্দিষ্ট হক হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
— সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত 267.
— সূরা আত-তাওবা, আয়াত 103.
ফিকহি সিদ্ধান্ত:
- ব্যক্তিগত ব্যবহার্য জিনিসে যাকাত নেই; তবে ব্যবসার উদ্দেশ্যে রাখা হলে তা যাকাতযোগ্য সম্পদের অন্তর্ভুক্ত হবে। - যাকাত আদায়ের মাধ্যমে সম্পদের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়?
- সম্পদের লাভ কমে যায়
- অল্প ক্ষতি হয়
- কোন ক্ষতি হয় না
- উপরের সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর: গ) কোন ক্ষতি হয় না।
- যাকাত আদায়ের মাধ্যমে সম্পদের প্রকৃত কোনো ক্ষতি হয় না। বাহ্যিকভাবে কিছু অংশ বের হয়ে গেলেও আল্লাহ তাআলা তাতে বরকত, পবিত্রতা ও বৃদ্ধি দান করেন।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
“আল্লাহ সুদকে ধ্বংস করেন এবং সদকাকে বৃদ্ধি করেন…”
— সূরা আল-বাকারাহ,আয়াত, ২৭৬।আরও বলেন:
“তাদের সম্পদ থেকে সদকা গ্রহণ করুন, এর মাধ্যমে আপনি তাদের পবিত্র করবেন এবং পরিশুদ্ধ করবেন…”
— সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত, ১০৩।- অতএব, যাকাত আদায়ে সম্পদ পবিত্র হয়, সম্পদে বরকত আসে, প্রকৃত অর্থে ক্ষতি হয় না।
- হজ ফরজ হওয়ার শর্ত নয় কোনটি?
- শারীরিক সক্ষমতা
- অর্থনৈতিক সক্ষমতা
- সামাজিক মর্যাদা
- নিরাপদ ভ্রমনপথ
সঠিক উত্তর: গ) সামাজিক মর্যাদা।
- হজ ফরজ হওয়ার জন্য সামাজিক মর্যাদা কোনো শর্ত নয়।
- পবিত্র কুরআনে হজকে তাদের ওপর ফরজ করা হয়েছে, “যারা সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য রাখে”—এ সামর্থ্যের মধ্যে মূলত শারীরিক সক্ষমতা, অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং ফিকহি ব্যাখ্যায় নিরাপদ পথ/নিরাপদ যাত্রার সুযোগ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।অর্থাৎ,
শারীরিক সক্ষমতা শর্ত,
অর্থনৈতিক সক্ষমতা শর্ত,
নিরাপদ ভ্রমণপথ সামর্থ্যের অংশ হিসেবে শর্ত।
সামাজিক মর্যাদা → শর্ত নয়রেফারেন্স:
সূরা আলে-ইমরান, আয়াত, ৯৭। - হজের ওয়াজিব কতটি?
- ৫টি
- ৬টি
- ৭টি
- ৯টি
সঠিক উত্তর: খ) ৬টি।
- হজের ফরজ ও ওয়াজিব আলাদা বিষয়। আমাদের উপমহাদেশের প্রচলিত ফিকহি পাঠ্যক্রমে হজের ওয়াজিব ৬টি বলা হয়।
সাধারণভাবে এগুলো হলো—
১. মীকাত থেকে ইহরাম বাঁধা,
২. সাফা-মারওয়া সায়ী করা,
৩. মুযদালিফায় অবস্থান করা,
৪. মিনায় শয়তানকে কংকর নিক্ষেপ করা,
৫. হলক বা কসর করা,
৬. বিদায়ী তাওয়াফ করা।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
“তোমরা তোমাদের হজের বিধান আমার কাছ থেকে শিখে নাও।”
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: 1297.রেফারেন্স:
সূরা আল-বাকারাহ, ২:১৯৬ — হজ ও উমরা পূর্ণ করার নির্দেশ।
সূরা আল-হাজ্জ, ২২:২৭–২৯ — হজের বিভিন্ন আমল প্রসঙ্গ।
ইসলাম শিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি। - হাজিরা কোথায় সাঈ করে?
- সাফা-মারওয়া পাহাড়ের মাঝখানে
- মিনার মধ্যে
- আরাফা-মূযদালিফার মধ্যে
- কাবা ঘরের চারপাশে
সঠিক উত্তর: ক) সাফা-মারওয়া পাহাড়ের মাঝখানে।
- হজের ওয়াজিব হিসেবে হাজিরা সাফা-মারওয়া সাঈ করে।
- হাজেরা (হাজিরা) আলাইহাস সালাম তাঁর শিশু পুত্র ইসমাঈল (আ.)-এর জন্য পানির সন্ধানে সাফা ও মারওয়া-র মাঝখানে দৌড়াদৌড়ি করেছিলেন। এই ঘটনার স্মরণেই হজ ও উমরায় সাঈ করা হয়।আল্লাহ তাআলা বলেন:
- “নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত।”
— সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত, ১৫৮।হাদিস রেফারেন্স:
- ইবন আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, হাজেরা (আ.) পানি খোঁজার জন্য সাফা ও মারওয়ার মধ্যে দৌড়িয়েছিলেন।
— সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: 3364. - বাংলাদেশের হাজিরা সাধারণত কোন প্রকারের হজ্জ্ব করে?
- কিরান
- ইফরাদ ও তামাণ্ডু
- তামাত্তু
- ইফবাদ
সঠিক উত্তর: গ) তামাত্তু।
- বাংলাদেশের হাজিরা সাধারণত হজে তামাত্তু আদায় করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সরকারের ই-হজ পোর্টালে প্রকাশিত “হজ ও উমরাহ সহায়িকা”-তেও তামাত্তু হজের ধারাবাহিক আমল আলাদাভাবে উপস্থাপিত হয়েছে, যা বাংলাদেশি হজযাত্রীদের প্রচলিত ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তামাত্তু হজ তুলনামূলক সহজ হওয়ায় অধিকাংশ বাংলাদেশি হাজি তামাত্তু-ই পালন করেন।তামাত্তু হজ হলো-
- মীকাত থেকে শুধু উমরাহর নিয়তে ইহরাম বেঁধে পবিত্র মক্কায় পৌঁছে প্রথমে উমরাহ করে ইহরাম খোলা এবং হজের জন্য অপেক্ষা করা, তারপর ৮ জিলহজ আবার হজের ইহরাম বেঁধে হজ সম্পন্ন করা। এই পদ্ধতিই বাংলাদেশি হাজিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। - মূল্যবোধ শিক্ষা অর্জনকারী ব্যক্তি হয়-
- সহনশীল
- বিবেকসম্পন্ন
- শৃঙ্খলিত
- সবগুলো
সঠিক উত্তর: ঘ) সবগুলো।
- মূল্যবোধ শিক্ষা মানুষকে নৈতিক, মানবিক ও দায়িত্বশীল করে তোলে।
- এর ফলে একজন ব্যক্তি সহনশীল হয়, বিবেকসম্পন্ন হয়, শৃঙ্খলিত হয়।- অর্থাৎ, মূল্যবোধ শিক্ষা অর্জনকারী ব্যক্তির মধ্যে উল্লিখিত সবগুলো গুণই গড়ে ওঠে।
- একটি দেশের সমাজ, রাষ্ট্র, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উৎকর্ষের অন্যতম মাপকাঠি হিসেবে কাজ করে কোনটি?
- নৈতিক শিক্ষা
- মূল্যবোধ শিক্ষা
- বৃত্তিমূলক শিক্ষা
- সুশাসনের শিক্ষা
সঠিক উত্তর: খ) মূল্যবোধ শিক্ষা।
- একটি দেশের সমাজ, রাষ্ট্র, অর্থনীতি ও রাজনীতির উৎকর্ষ অনেকাংশে নির্ভর করে মানুষের নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ, সততা, সহনশীলতা ও মানবিক গুণাবলির ওপর। এসব গুণ গড়ে তোলে মূল্যবোধ শিক্ষা।মূল্যবোধ শিক্ষা মানুষকে-
- সৎ ও দায়িত্বশীল করে,
- সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাহায্য করে,
- দুর্নীতি ও অনৈতিকতা কমাতে ভূমিকা রাখে,
- রাষ্ট্র ও সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নে সহায়তা করে।মূল্যবোধ শিক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি:
- সামাজিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করে।
- রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।
- অর্থনৈতিক সততা বজায় রাখে।
- রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলে।- তাই একটি দেশের সার্বিক উৎকর্ষের অন্যতম মাপকাঠি হিসেবে কাজ করে মূল্যবোধ শিক্ষা।
- আইনের প্রাচীনতম ভিত্তি কী?
- ধর্ম
- ন্যায়বোধ
- প্রথা
- বিচার বিভাগ
সঠিক উত্তর: গ) প্রথা।
- আইনশাস্ত্রে 'প্রথা' (custom)-কে আইনের প্রাচীনতম ভিত্তি/উৎস হিসেবে ধরা হয়।
- প্রাচীন সমাজে মানুষের দীর্ঘদিনের স্বীকৃত আচরণ, রীতি ও সামাজিক চর্চা থেকেই প্রথমদিকে অনেক আইন গড়ে উঠেছিল।আইন এর সংজ্ঞা:
- আইন হচ্ছে ব্যক্তির বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত নিয়মের সমষ্টি যা সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত।
- জন লক- "যেখানে আইন নেই সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না।"
- এরিস্টটল- "সমাজের যুক্তিসিদ্ধ ইচ্ছার অভিব্যক্তিই হচ্ছে আইন।"
- আইনবিদ স্যামন্ড এর মতে, “আইন হলো ন্যায় প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত ও প্রয়োগকৃত নীতিমালা।”আইন সম্পর্কিত গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
• প্রাচীনতম উৎস- প্রথা।
• গুরুত্বপূর্ণ উৎস- ধর্ম।
• আধুনিককালের আইনের উৎস- আইন পরিষদ।
• আইনের মৌলিক উৎস- সংবিধান।
• স্বাধীনতার রক্ষক ও অভিভাবক- আইন।
অন্যদিকে,
- ধর্ম → বহু আইনের ওপর প্রভাব রেখেছে, কিন্তু আইনশাস্ত্রের সাধারণ শ্রেণিবিভাগে প্রাচীনতম ভিত্তি হিসেবে সাধারণত প্রথা ধরা হয়।
- ন্যায়বোধ → আইনের নৈতিক ভিত্তি হতে পারে, কিন্তু source of law হিসেবে প্রথম নয়।
- বিচার বিভাগ → আইন প্রয়োগ/ব্যাখ্যার প্রতিষ্ঠান, প্রাচীনতম ভিত্তি নয়।তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- একটি জাতি থেকে অন্য জাতির পার্থক্য বোঝা যায়-
- পরিবেশ দেখে
- খেলাধুলা দেখে
- মূল্যবোধ দেখে
- কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: গ) মূল্যবোধ দেখে।
- একটি জাতির চিন্তা-চেতনা, আদর্শ, আচরণ, নৈতিকতা, সংস্কৃতি ও জীবনদৃষ্টি সবচেয়ে বেশি প্রকাশ পায় তাদের মূল্যবোধে।
- তাই এক জাতি থেকে অন্য জাতির প্রকৃত পার্থক্য বোঝা যায় মূল্যবোধ দেখে।অন্যদিকে,
পরিবেশ → বাহ্যিক অবস্থা বোঝায়, জাতিগত স্বাতন্ত্র্যের মূল সূচক নয়।
খেলাধুলা → সংস্কৃতির একটি অংশ হতে পারে, কিন্তু জাতির মৌলিক পার্থক্যের প্রধান মানদণ্ড নয়। - আয়াতুল কুরসী কোন সুরার আয়াত?
- আল বাকারাহ
- আলে ইমরান
- ইয়াসীন
- আর রহমান
সঠিক উত্তর: ক) আল-বাকারাহ।
- আয়াতুল কুরসী হলো সূরা আল-বাকারাহ-এর ২৫৫ নং আয়াত।
- আয়াতটি শুরু হয়- "اللَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ" দিয়ে।ٱللَّهُ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُۚ لَا تَأْخُذُهُۥ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌۚ لَّهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٲتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِۗ مَن ذَا ٱلَّذِى يَشْفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذْنِهِۦۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ ٱلسَّمَـٰوَٲتِ وَٱلْأَرْضَۖ وَلَا يَــُٔودُهُۥ حِفْظُهُمَاۚ وَهُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْعَظِيمُ
- আল্লাহ! তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তিনি স্বাধীন ও নিত্য নতুন ধারক, সব কিছুর ধারক। তন্দ্রা ও নিদ্রা তাঁকে স্পর্শ করেনা। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু রয়েছে সবই তাঁর। কে আছে এমন, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর নিকট সুপারিশ করতে পারে? সম্মুখের অথবা পশ্চাতের সবই তিনি অবগত আছেন। একমাত্র তিনি যতটুকু ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত, তাঁর জ্ঞানের কিছুই তারা আয়ত্ত করতে পারেনা। তাঁর আসন আসমান ও যমীন ব্যাপী হয়ে আছে এবং এতদুভয়ের সংরক্ষণে তাঁকে বিব্রত হতে হয়না। তিনিই সর্বোচ্চ, মহীয়ান। (আয়াতুল কুরসী)
- সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: 255. - আল-কুরআনের সর্বপ্রথম নাযিলকৃত পূর্ণাঙ্গ সুরা কোনটি?
- আল বাকারাহ
- আন নাস
- ফাতিহা
- ইখলাস
সঠিক উত্তর: গ) ফাতিহা।
- আল-কুরআনের সর্বপ্রথম নাযিলকৃত পূর্ণাঙ্গ সুরা হিসেবে সাধারণভাবে সূরা আল-ফাতিহা-কেই ধরা হয়।- তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য মনে রাখতে হবে-
- সর্বপ্রথম নাযিলকৃত আয়াত → সূরা আল-আলাক-এর প্রথম ৫ আয়াত।
- সর্বপ্রথম নাযিলকৃত পূর্ণাঙ্গ সুরা → সূরা আল-ফাতিহা (প্রচলিত ও পরীক্ষায় গ্রহণযোগ্য উত্তর)।ফাতিহার পরিচয়:
- সূরা নম্বর: ১,
- আয়াত সংখ্যা: ৭।
- উল্লেখ্য যে, সর্বশেষ নাযিলকৃত পূর্ণাঙ্গ সুরা → সূরা নাছর।রেফারেন্স:
প্রথম ওহি প্রসঙ্গে: সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: 3, 4953. - পবিত্র কুরআন নাজিল হয় কত বছর ধরে?
- ২২ বছর
- ২০ বছর
- ২৩ বছর
- ১৩ বছর
সঠিক উত্তর: গ) ২৩ বছর।
- পবিত্র কুরআন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর প্রায় ২৩ বছর ধরে নাযিল হয়।
- এর মধ্যে মক্কি জীবন: প্রায় ১৩ বছর, এবং মাদানি জীবন: প্রায় ১০ বছর, অর্থাৎ মোট = ২৩ বছর।কুরআনিক ইঙ্গিত:
আল্লাহ তাআলা বলেন, কুরআন ধীরে ধীরে নাযিল করা হয়েছে যাতে তা ভালোভাবে পাঠ ও অনুধাবন করা যায়।
— সূরা আল-ইসরা, আয়াত ১০৬।
- পবিত্র কুরআন প্রথম নাজিল হয় ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে।
- আর ইসলামি ইতিহাস অনুযায়ী এটি ঘটে রমজান মাসে, লাইলাতুল কদরে, হেরা গুহায়।
- প্রথম নাজিলকৃত আয়াত: সূরা আলাক-এর প্রথম ৫ আয়াত। - সাধারণত ব্যাংকিং সুদকে কি বলা হয়?
- রিবা আল নাসিয়া
- রিবা আল ফদল
- সবগুলো
- একটিও নয়
সঠিক উত্তর: ক) রিবা আল-নাসিয়া।
- সাধারণত ব্যাংকিং সুদ বলতে সেই সুদকে বোঝায়, যা সময় বৃদ্ধি বা মেয়াদের বিনিময়ে নেওয়া হয়। ইসলামী পরিভাষায় এটিকে বলা হয় রিবা আল-নাসিয়া।রিবা আল-নাসিয়া হলো-
- ঋণ বা বকেয়া অর্থের ওপর,
- সময় বাড়ানোর কারণে,
- অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া বা দেওয়া।- এটা আধুনিক ব্যাংকিং সুদের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অন্যদিকে,
- রিবা আল ফদল হলো একই ধরনের পণ্যে অসাম্য বিনিময়, যেমন স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ বেশি-কম করে লেনদেন।কুরআনিক রেফারেন্স:
- সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত ২৭৫ — আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল এবং সুদকে হারাম করেছেন।
- সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত ২৭৮–২৭৯ — সুদ পরিত্যাগের নির্দেশ।হাদিস রেফারেন্স:
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
“স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ, রৌপ্যের বিনিময়ে রৌপ্য... সমান সমান এবং হাতেহাতে হতে হবে; অতিরিক্ত হলে তা সুদ।”
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: 1587.- এই হাদিসে রিবা আল-ফদল-এর মূলনীতি এসেছে, আর ঋণভিত্তিক সময়জনিত অতিরিক্ত অংশ হলো রিবা আল-নাসিয়া।
- কুরআনের সুদের বিরুদ্ধে কোথায় উল্লেখ আছে?
- সুরা বাকারাহ, আয়াত ২৭৫
- সুরা ইয়াসিন, আয়াত ২১
- সুরা আর রহমান, আয়াত ৪১
- সুরা কাহাফ, আয়াত ৬০
সঠিক উত্তর: ক) সুরা বাকারাহ, আয়াত ২৭৫।
- কুরআনে সুদের বিরুদ্ধে স্পষ্ট উল্লেখ এসেছে সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত ২৭৫ -এ।
ٱلَّذِينَ يَأْكُلُونَ ٱلرِّبَوٲاْ لَا يَقُومُونَ إِلَّا كَمَا يَقُومُ ٱلَّذِى يَتَخَبَّطُهُ ٱلشَّيْطَـٰنُ مِنَ ٱلْمَسِّۚ ذَٲلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوٓاْ إِنَّمَا ٱلْبَيْعُ مِثْلُ ٱلرِّبَوٲاْۗ وَأَحَلَّ ٱللَّهُ ٱلْبَيْعَ وَحَرَّمَ ٱلرِّبَوٲاْۚ فَمَن جَآءَهُۥ مَوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّهِۦ فَٱنتَهَىٰ فَلَهُۥ مَا سَلَفَ وَأَمْرُهُۥٓ إِلَى ٱللَّهِۖ وَمَنْ عَادَ فَأُوْلَـٰٓئِكَ أَصْحَـٰبُ ٱلنَّارِۖ هُمْ فِيهَا خَـٰلِدُونَ
- যারা সুদ খায়, তারা তার ন্যায় (কবর থেকে) উঠবে, যাকে শয়তান স্পর্শ করে পাগল বানিয়ে দেয়। এটা এ জন্য যে, তারা বলে, বেচা-কেনা সুদের মতই। অথচ আল্লাহ বেচা-কেনা হালাল করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অতএব, যার কাছে তার রবের পক্ষ থেকে উপদেশ আসার পর সে বিরত হল, যা গত হয়েছে তা তার জন্যই ইচ্ছাধীন। আর তার ব্যাপারটি আল্লাহর হাওলায়। আর যারা ফিরে গেল, তারা আগুনের অধিবাসী। তারা সেখানে স্থায়ী হবে।
— সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত ২৭৫।আরও কঠোরভাবে সুদ পরিহারের নির্দেশ এসেছে—
— সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত ২৭৮–২৭৯ -এ। - বাংলাদেশে প্রথম শরিয়া'হ ভিত্তিক ব্যাংক কোনটি?
- ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
- আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
- আল বারাকা ব্যাংক
- শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর: ক) ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।
- বাংলাদেশে প্রথম শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক হলো ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।
- ব্যাংকটির অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এটি মার্চ ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি বাংলাদেশের প্রথম শরিয়াহভিত্তিক তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাংক।- ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশকে South and South-East Asia region-এর প্রথম Shariah-based scheduled commercial bank বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
রেফারেন্স: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। - কত হিজরীতে মক্কা বিজয় হয়?
- ৫ম
- ৬ষ্ঠ
- ৭ম
- ৮ম
সঠিক উত্তর: ঘ) ৮ম।
- মক্কা বিজয় সংঘটিত হয় ৮ হিজরীতে, রমজান মাসে।
- এ ঘটনাকে ফাতহে মক্কা বলা হয়। হুদাইবিয়ার সন্ধি ভঙ্গের পর রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহাবিদের নিয়ে মক্কা অভিমুখে অগ্রসর হন এবং ৮ হিজরীতে মক্কা বিজয় করেন।কুরআনিক ইঙ্গিত:
সূরা আল-ফাতহ, আয়াত ১ - “নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সুস্পষ্ট বিজয় দান করেছি।”
সূরা আন-নাসর, আয়াত ১ - “যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে…”হাদিস রেফারেন্স:
সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: 4276.
সহিহ মুসলিম, হাদিস: 1780. - মাওলানা সফিউর রহমান মোবারকপুরী রচিত সিরাত গ্রন্থের নাম কি?
- সিরাত ইবনে হিশাম
- সিরাতুন নবী (সাঃ)
- নবীয়ে রহমত
- আর রাহীকুল মাখতুম
সঠিক উত্তর: ঘ) আর রাহীকুল মাখতুম।
- মাওলানা সফিউর রহমান মুবারকপুরী-র রচিত বিখ্যাত সিরাতগ্রন্থের নাম আর-রাহীকুল মাখতুম (Ar-Raheeq Al-Makhtum / The Sealed Nectar)।
- এটি তাঁর সবচেয়ে পরিচিত সীরাতগ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত।
- ১৯৭৯ সালে রাবেতা এলাম আল ইসলামী আয়োজিত বিশ্বব্যাপী সিরাত প্রতিযোগিতায় ১১৮২ টি পাণ্ডুলিপির মধ্যে এটি প্রথম স্থান অধিকার করেছিল। - ইসলামী অর্থনীতির মূল ভিত্তি কি?
- যাকাত
- উশর
- জিজিয়া
- সবগুলো
সঠিক উত্তর: ক) যাকাত।
- ইসলামী অর্থনীতিতে যাকাত হলো সবচেয়ে কেন্দ্রীয় ও মৌলিক সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
কারণ এটি—
সম্পদের পুনর্বণ্টন নিশ্চিত করে,
দরিদ্রের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে,
সম্পদ পবিত্র করে,
অর্থনীতিতে সামাজিক ভারসাম্য আনে।অন্যদিকে—
উশর → কৃষিজ উৎপাদনভিত্তিক একটি নির্দিষ্ট খাত।
জিজিয়া → রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় অমুসলিম নাগরিকদের ওপর নির্ধারিত কর।
- এগুলো গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু ইসলামী অর্থনীতির প্রধান/কেন্দ্রীয় ভিত্তি হিসেবে সাধারণত যাকাত-কেই বেশি বলা হয়।তাই এখানে দুইভাবে দেখা যায়:
১. যদি প্রশ্নে “মূল ভিত্তি” কড়াভাবে ধরা হয়
তাহলে ক) যাকাত বেশি শক্তিশালী উত্তর।২. যদি প্রশ্নপ্রণেতা “উপাদানসমূহ” অর্থে করে থাকে
তাহলে ঘ) সবগুলো দিতে পারে। - কোনটি হাদীস গ্রন্থ?
- রিয়াদুস সালেহীন
- আসান ফেকাহ
- সবগুলো
- একটিও নয়
সঠিক উত্তর: ক) রিয়াদুস সালেহীন।
- রিয়াদুস সালেহীন হলো একটি বিখ্যাত হাদিস সংকলন গ্রন্থ।
- এর পূর্ণ নাম “রিয়াদুস সালিহীন” — অর্থ “সৎলোকদের উদ্যান”।
- এটি সংকলন করেছেন ইমাম ইয়াহইয়া ইবন শারাফ আন-নববী (ইমাম নববী রহ.)।- এই গ্রন্থে কুরআন ও হাদিসের আলোকে মানুষের আখলাক, আমল, ইবাদত, তাকওয়া, ধৈর্য, তওবা, দোয়া, আদব-কায়দা ইত্যাদি বিষয় সাজানোভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
অন্যদিকে,
আসান ফেকাহ → এটি ফিকহ/মাসআলা বিষয়ক গ্রন্থ, হাদীস গ্রন্থ নয়। - নারীদেরকে সম্পত্তিতে অংশীদার সর্বপ্রথম কোন ধর্মে দিয়েছে?
- ইয়াহুদী
- খ্রীষ্টান
- মুসলিম
- হিন্দু
সঠিক উত্তর: গ) মুসলিম।
- ইসলাম নারীদের জন্য সুস্পষ্ট ও নির্ধারিত উত্তরাধিকার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে।
- ইসলামে নারীর সম্পত্তি ও উত্তরাধিকার অধিকারের বিষয়টি স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয়েছে। কুরআনে বলা হয়েছে, পুরুষের যেমন অংশ আছে, নারীরও তেমনি অংশ আছে; এরপর সূরা আন-নিসার আয়াত ১১-এ নারীর নির্দিষ্ট উত্তরাধিকার অংশও বর্ণনা করা হয়েছে।
يُوصِيكُمُ ٱللَّهُ فِىٓ أَوْلَـٰدِكُمْۖ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ ٱلْأُنثَيَيْنِۚ فَإِن كُنَّ نِسَآءً فَوْقَ ٱثْنَتَيْنِ فَلَهُنَّ ثُلُثَا مَا تَرَكَۖ وَإِن كَانَتْ وَٲحِدَةً فَلَهَا ٱلنِّصْفُۚ وَلِأَبَوَيْهِ لِكُلِّ وَٲحِدٍ مِّنْهُمَا ٱلسُّدُسُ مِمَّا تَرَكَ إِن كَانَ لَهُۥ وَلَدٌۚ فَإِن لَّمْ يَكُن لَّهُۥ وَلَدٌ وَوَرِثَهُۥٓ أَبَوَاهُ فَلِأُمِّهِ ٱلثُّلُثُۚ فَإِن كَانَ لَهُۥٓ إِخْوَةٌ فَلِأُمِّهِ ٱلسُّدُسُۚ مِنۢ بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصِى بِهَآ أَوْ دَيْنٍۗ ءَابَآؤُكُمْ وَأَبْنَآؤُكُمْ لَا تَدْرُونَ أَيُّهُمْ أَقْرَبُ لَكُمْ نَفْعًاۚ فَرِيضَةً مِّنَ ٱللَّهِۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلِيمًا حَكِيمًا
- আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে নির্দেশ দিচ্ছেন, এক ছেলের জন্য দুই মেয়ের অংশের সমপরিমাণ। তবে যদি তারা দুইয়ের অধিক মেয়ে হয়, তাহলে তাদের জন্য হবে, যা সে রেখে গেছে তার তিন ভাগের দুই ভাগ; আর যদি একজন মেয়ে হয় তখন তার জন্য অর্ধেক। আর তার মাতা পিতা উভয়ের প্রত্যেকের জন্য ছয় ভাগের এক ভাগ সে যা রেখে গেছে তা থেকে, যদি তার সন্তান থাকে। আর যদি তার সন্তান না থাকে এবং তার ওয়ারিছ হয় তার মাতা পিতা তখন তার মাতার জন্য তিন ভাগের এক ভাগ। আর যদি তার ভাই-বোন থাকে তবে তার মায়ের জন্য ছয় ভাগের এক ভাগ। অসিয়ত পালনের পর, যা দ্বারা সে অসিয়ত করেছে অথবা ঋণ পরিশোধের পর। তোমাদের মাতা পিতা ও তোমাদের সন্তান-সন্ততিদের মধ্য থেকে তোমাদের উপকারে কে অধিক নিকটবর্তী তা তোমরা জান না। আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।- সূরা আন-নিসার আয়াত ১১।
- ঐতিহাসিক বালাকোটের যুদ্ধ কবে সংগঠিত হয়েছিল?
- ১৯৩১ সালের ৬ মে
- ১৯৩০ সালের ৬ মে
- ১৯২৯ সালের ৬ মে
- ১৯২৮ সালের ৬ মে
প্রদত্ত অপশনগুলোতে টাইপিং মিস্টেক হয়েছে, কারণ যুদ্ধটি ১৮৩১ সালের ৬ মে হয়েছিল। নিচে সঠিক তথ্যসহ ব্যাখ্যা দেওয়া হলো)
************************************************************************************************************************
• ঐতিহাসিক বালাকোটের যুদ্ধ ১৮৩১ সালের ৬ মে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বালাকোট নামক স্থানে সংঘটিত হয়।• বালাকোটের যুদ্ধের ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য ও প্রভাব:
- এই যুদ্ধ ছিল শিখ রাজা রণজিৎ সিং-এর বাহিনীর বিরুদ্ধে সাইয়েদ আহমদ বেরলভী এবং শাহ ইসমাইল শহীদ (রহ.)-এর নেতৃত্বাধীন মুজাহিদ বাহিনীর এক অসম লড়াই।
- এটি মূলত ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ ও শিখদের অপশাসনের বিরুদ্ধে এবং একটি আদর্শিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত জিহাদ আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায় ছিল।
- বালাকোটের এই প্রান্তরেই মুজাহিদ বাহিনীর প্রধান দুই নেতা সাইয়েদ আহমদ ও শাহ ইসমাইল শাহাদাত বরণ করেন এবং ত্যাগ ও সাহসিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
- সংখ্যায় ও অস্ত্রে পিছিয়ে থাকলেও মুজাহিদগণ ঈমানি শক্তিতে বলীয়ান হয়ে বীরত্বের সাথে লড়াই করেছিলেন।
- স্থানীয় কিছু উপজাতীয় নেতার বিশ্বাসঘাতকতার কারণে মুজাহিদ বাহিনী প্রতিকূল পরিস্থিতির শিকার হয় এবং কৌশলগত সুবিধা হারায়।
- বালাকোটের পরাজয় সাময়িক হলেও এটি পরবর্তীকালে ১৮৫৭ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধসহ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে মুসলিমদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। - কোন সুরায় নারীর অধিকার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
- সুরা তওবা
- সুরা হাদীদ
- সুরা নিসা
- সুরা হাশর
• পবিত্র কুরআনের চতুর্থ সুরা অর্থাৎ সুরা নিসা-তে নারীর অধিকার, মর্যাদা এবং পারিবারিক জীবন সম্পর্কে সবচেয়ে বিস্তৃত ও সুনির্দিষ্ট আলোচনা করা হয়েছে।
- আরবী শব্দ 'নিসা' (النِّسَاء) এর অর্থ হলো 'নারী'। এই সূরার নামকরণ থেকেই স্পষ্ট যে এতে নারীদের অধিকার ও সমস্যার সমাধান দেওয়া হয়েছে।
- প্রাক-ইসলামী জাহেলিয়াত যুগে নারীদের যে অবমূল্যায়ন করা হতো, এই সুরা অবতীর্ণ হওয়ার মাধ্যমে তার অবসান ঘটে এবং তাদের আইনি অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।• সুরা নিসায় বর্ণিত নারীর অধিকারের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- উত্তরাধিকার আইন: পিতা-মাতা বা নিকটাত্মীয়ের রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে নারীর সুনির্দিষ্ট অংশ বা মিরাস ঘোষণা করা হয়েছে।
- মোহরানা: বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার সময় নারীকে তার প্রাপ্য মোহরানা সসম্মানে প্রদান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- এতিম ও নারী অধিকার: এতিমদের সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ এবং অসহায় নারীদের প্রতি সদয় আচরণের গুরুত্ব বর্ণিত হয়েছে।
- সামাজিক ন্যায়বিচার: বিচারকার্য এবং পারিবারিক কলহ নিরসনে ইনসাফ কায়েমের নীতিসমূহ এখানে বিস্তারিত আলোচিত।
- মানবিক মর্যাদা: পুরুষ ও নারী উভয়কেই একই আত্মা থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে উল্লেখ করে তাদের মানবিক সমমর্যাদা ঘোষণা করা হয়েছে।
অন্যান্য অপশন:
- সুরা তওবা: এই সূরায় মূলত যুদ্ধ, সন্ধিভঙ্গকারী ও মুনাফিকদের সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
- সুরা হাদীদ: 'হাদীদ' অর্থ লোহা; এই সূরায় আল্লাহর ক্ষমতা, ঈমান এবং আল্লাহর পথে ব্যয় করার গুরুত্ব আলোচিত হয়েছে।
- সুরা হাশর: এই সূরায় ইহুদি গোত্র বনু নাযিরের নির্বাসন এবং হাশর বা পুনরুত্থান দিবসের ভয়াবহতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। - 'ইসলামের বুনিয়াদী শিক্ষা' বইয়ের লেখক কে?
- আশরাফ আলী থানবী রহঃ
- আল্লামা ইউসুফ ইসলামী রহঃ
- সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী রহঃ
- শহীদ হাসাদুল বান্না
• আধুনিক ইসলামি রেনেসাঁর অন্যতম অগ্রপথিক সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী রহঃ-এর একটি বিশ্ববিখ্যাত ও পাঠকপ্রিয় মৌলিক গ্রন্থ হলো 'ইসলামের বুনিয়াদী শিক্ষা'।
- এই গ্রন্থটিতে ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভ (ঈমান, নামাজ, রোজা, জাকাত ও হজ) এবং এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য অত্যন্ত সহজ ও যুক্তিনির্ভর ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
- এটি মূলত সাধারণ মানুষের জন্য ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো এবং একজন মুসলিমের জীবন কেমন হওয়া উচিত তা শেখার জন্য একটি শ্রেষ্ঠ নির্দেশিকা।
- লেখক এখানে ইসলামকে কেবল কতগুলো প্রথার সমষ্টি হিসেবে নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনদর্শন হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।
- ইসলামি শরিয়তের মূল দর্শন এবং দ্বীন কায়েমের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়ার জন্য এটি একটি আকর গ্রন্থ।
- তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কাজ হলো আল-কুরআনের তাফসীর 'তাফহীমুল কুরআন', যা বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
- তাঁর লেখনীর মূল উদ্দেশ্য ছিল মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ইসলামি রেনেসাঁ বা নবজাগরণ সৃষ্টি করা।
অন্যান্য অপশন:
- আশরাফ আলী থানবী রহঃ: তিনি উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম এবং 'বেহেশতী জেওর' গ্রন্থের লেখক।
- আল্লামা ইউসুফ ইসলামী রহঃ: তিনি একজন প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ এবং গবেষক।
- শহীদ হাসানুল বান্না: তিনি মিশরের ইখওয়ানুল মুসলিমুনের প্রতিষ্ঠাতা এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ বই ও পুস্তিকা (যেমন: রাসায়েল) লিখেছেন। - দ্বীন কায়েম করা কি?
- ফরজ
- ফরজে কেফারা
- ওয়াজিব
- সুন্নাত
• ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় আল্লাহর জমিনে আল্লাহর বিধান বা দ্বীন কায়েম করা প্রত্যেক মুসলিমের ওপর একটি অপরিহার্য দায়িত্ব বা ফরজ।
- 'দ্বীন কায়েম' অর্থ হলো জীবনের সকল স্তরে—ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলামের বিধি-বিধানগুলো বাস্তবায়ন করা।
- এটি কেবল একটি ইবাদত নয়, বরং এটি নবীদের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল।
- এর মাধ্যমে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং জুলুম ও অন্যায়ের অবসান ঘটে।• দ্বীন কায়েম করার গুরুত্ব ও বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- আল্লাহর নির্দেশ: "তিনি তোমাদের জন্য দ্বীনের সেই বিধান দিয়েছেন...... যেন তোমরা দ্বীন কায়েম করো এবং এতে অনৈক্য সৃষ্টি না করো।" (সূরা আশ-শূরা, আয়াত: ১৩)।
- নবীদের মিশন: হযরত আদম (আ.) থেকে শুরু করে সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদ (সা.) পর্যন্ত সকল নবী ও রাসুল এই দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্যই আজীবন সংগ্রাম করেছেন।
- সামগ্রিক কল্যাণ: এটি কেবল শাসন ক্ষমতা নয়, বরং মানুষের সামগ্রিক জীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যম।অন্যান্য অপশন:
- ফরজে কেফায়া: এটি এমন কাজ যা সমাজের কিছু মানুষ আদায় করলে সবার পক্ষ থেকে আদায় হয়ে যায় (যেমন: জানাজার নামাজ)। কিন্তু দ্বীন কায়েম ও সৎ কাজের আদেশ দেওয়া প্রতিটি সামর্থ্যবান মুমিনের ব্যক্তিগত দায়িত্ব।
- ওয়াজিব: ওয়াজিব ফরজের কাছাকাছি হলেও দ্বীন কায়েমের নির্দেশটি সরাসরি কুরআনের অকাট্য দলিল দ্বারা প্রমাণিত, যা একে ফরজের স্তরে উন্নীত করে।
- সুন্নাত: এন্নাত হলো রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর অনুসৃত পথ যা পালন করা সওয়াবের কাজ, কিন্তু দ্বীন কায়েম করা একটি বাধ্যতামূলক ঐশী আদেশ বা ফরজ বিধান। - প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা কিসের আলামত?
- মুনাফিকের
- মিথ্যাবাদীর
- ফাসিকের
- গুনাহের
• ইসলামি শরিয়ত ও হাদিস অনুযায়ী, মুনাফিকের প্রধান তিনটি লক্ষণের মধ্যে একটি হলো ওয়াদা বা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা।
- হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "মুনাফিকের চিহ্ন তিনটি: কথা বললে মিথ্যা বলে, ওয়াদা করলে তা ভঙ্গ করে এবং আমানত রাখলে তাতে খেয়ানত করে।" (সহিহ বুখারি ও মুসলিম)• মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য ও ইসলামি বিধান:
- অন্তরে কুফরি বা অবাধ্যতা রেখে মুখে ইসলামের দাবি করাকে নিফাক বলে। যারা এমন কাজ করে তাদের মুনাফিক বলা হয়।
- পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, "এবং তোমরা প্রতিশ্রুতি পালন করো, নিশ্চয়ই প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে (কিয়ামতের দিন) কৈফিয়ত তলব করা হবে।" (সূরা বনী ইসরাঈল, আয়াত: ৩৪)।
- মুনাফিকদের সম্পর্কে আল্লাহ ঘোষণা করেছেন যে, তারা জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে অবস্থান করবে।
- প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করার ফলে পারস্পরিক বিশ্বাস নষ্ট হয় এবং সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। - কালজয়ী আদর্শ ইসলাম-এর রচয়িতা কে?
- সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী রহঃ
- সাইয়েদ কুতুব
- মাওলানা আব্দুর রহিম
- মাওলানা ইউসুফ আল কারজাভী
• কালজয়ী আদর্শ ইসলাম' বইটির মূল রচয়িতা হলেন বিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত মিশরীয় ইসলামি চিন্তাবিদ ও সাহিত্যিক সাইয়েদ কুতুব।
- বাংলাদেশে 'বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার' থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে।
-বইটির বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেছেন এ.কে.এম নাজির আহমদ।
- এই গ্রন্থে ইসলামকে একটি গতিশীল ও চিরন্তন আদর্শ হিসেবে আধুনিক মানুষের জিজ্ঞাসার আলোকে উপস্থাপন করা হয়েছে।• সাইয়েদ কুতুব ও তাঁর সাহিত্যকর্মের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- বিপ্লবী চিন্তাধারা: সাইয়েদ কুতুব আধুনিক ইসলামি পুনর্জাগরণ আন্দোলনের অন্যতম প্রধান তাত্ত্বিক ছিলেন। তাঁর লেখনীতে তাওহীদের রাজনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব ফুটে ওঠে।
- তাত্ত্বিক গভীরতা: তিনি ইসলামকে কেবল একটি ধর্ম নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ ও বৈপ্লবিক সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
- আধুনিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা: পাশ্চাত্য মতাদর্শের ভিড়ে ইসলামের স্বাতন্ত্র্য ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে তাঁর লেখনী অত্যন্ত শক্তিশালী।
অন্যান্য অপশন:
- সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী রহঃ: তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামি চিন্তাবিদ এবং 'তাফহীমুল কুরআন'-এর রচয়িতা।
- মাওলানা আব্দুর রহিম: তিনি বাংলাদেশে ইসলামি সাহিত্যের একজন পথিকৃৎ এবং বহু অনুবাদ ও মৌলিক গ্রন্থের রচয়িতা, তবে এই বইটির মূল লেখক তিনি নন।
- মাওলানা ইউসুফ আল কারজাভী: তিনি সমসাময়িক শ্রেষ্ঠ আলেমদের একজন, তবে এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়।
উৎস: কালজয়ী আদর্শ ইসলাম (বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার সংস্করণ)। - মানব ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাসমূহ কোন মাসে সংঘটিত হয়?
- মহররম
- সফর
- রমজান
- জিলহাজ্জ
• মানব ইতিহাসের শুরু থেকে ঘটে আসা বড় বড় অলৌকিক ও ঐতিহাসিক ঘটনাবলির প্রাচুর্যের কারণে মহররম মাসকে (বিশেষ করে আশুরার দিন) সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবহুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
মহররম মাসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এই মাসে মহান আল্লাহ তাআলা পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন এবং এই মাসেই কিয়ামত সংঘটিত হবে বলে বর্ণিত আছে।
- মহররম মাসের ১০ তারিখে হযরত আদম (আ.)-এর তওবা কবুল করা হয়েছিল।
- এই দিনে হযরত নূহ (আ.)-এর কিস্তি মহাপ্লাবন থেকে রক্ষা পেয়ে জুদি পাহাড়ের পাদদেশে ভিড়েছিল।
- হযরত মুসা (আ.) এবং বনী ইসরাঈল এই দিনে ফেরাউনের জুলুম থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন।
- ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত শোকাবহ 'কারবালার প্রান্তরে' হযরত ইমাম হোসাইন (রা.)-এর শাহাদাতের ঘটনাও এই মহররম মাসের ১০ তারিখে সংঘটিত হয়।
অন্যান্য অপশন:
- সফর: এই মাসে কিছু ছোট যুদ্ধ বা অভিযান হলেও ইতিহাসের বড় বড় অলৌকিক ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু এটি নয়।
- রমজান: এই মাস কুরআন নাজিল ও বদর যুদ্ধের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও আদিকাল থেকে চলে আসা নবীদের অলৌকিক ঘটনাগুলো মহররমের সাথে বেশি সম্পৃক্ত।
- জিলহাজ্জ: এই মাসে হজ্জ ও কুরবানির মতো ইবাদত পালিত হয়, তবে মহররমের মতো এত দীর্ঘ ঐতিহাসিক ঘটনাক্রম এতে নেই। - কে ভণ্ড নবীদেরকে কঠোর হস্তে দমন করেন?
- খালিদ বিন ওয়ালিদ রাঃ
- ওমর রাঃ
- আবু বকর রাঃ
- আলী রাঃ
• ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর (রা.) তাঁর সংক্ষিপ্ত শাসনকালে অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে ভণ্ড নবীদের ফেতনা দমন করেন।
- মহানবী (সা.)-এর ওফাতের পর আরবের বিভিন্ন স্থানে মুসাইলামা কাজ্জাব, আসওয়াদ আনসী, তুলায়হা এবং সাজাহ-এর মতো ভণ্ড নবীদের আবির্ভাব ঘটে।
- এই সংকটকালীন সময়ে তিনি আপসহীন মনোভাব গ্রহণ করেন এবং এই বিদ্রোহীদের দমনে বিভিন্ন বাহিনী প্রেরণ করেন।
- এটি ইতিহাসে 'রিদ্দার যুদ্ধ' (Wars of Apostasy) নামে পরিচিত, যা ইসলামী খেলাফতকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছিল।
- তিনি ভণ্ড নবীদের পাশাপাশি যারা যাকাত দিতে অস্বীকার করেছিল, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।• হযরত আবু বকর (রা.)-এর খেলাফতকালের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- দৃঢ় নেতৃত্ব: রাসুল (সা.)-এর বিয়োগ ব্যথায় কাতর উম্মাহকে শান্ত করা এবং সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান।
- কুরআন সংকলন: ভণ্ড নবীদের দমনে ইয়ামামার যুদ্ধে অনেক হাফেজ সাহাবী শহীদ হওয়ায় তিনি পবিত্র কুরআন গ্রন্থাকারে সংকলনের উদ্যোগ নেন।
- খেলাফত ব্যবস্থা সুসংহতকরণ: মদিনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সিরিয়া ও পারস্যের দিকে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার সূচনা করা।
- যাকাত অস্বীকারকারীদের দমন: "যারা রাসুল (সা.)-এর যুগে যাকাত হিসেবে একটি উটের রশিও প্রদান করত, এখন তা দিতে অস্বীকার করলে আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করব" — তাঁর এই ঐতিহাসিক উক্তি খেলাফতের মর্যাদা রক্ষা করে।
উৎস: আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া ও আসহাবে রাসূলের জীবনকথা। - পৃথিবীতে সর্বপ্রথম রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে গর্ভবর্তী মা ও শিশুদের ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা করেন কোন খলিফা?
- খালিদ বিন ওয়ালিদ রাঃ
- ওমর রাঃ
- আবু বকর রাঃ
- আলী রাঃ
• ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) পৃথিবীতে সর্বপ্রথম রাষ্ট্রীয় কোষাগার (বায়তুল মাল) থেকে গর্ভবতী মা এবং শিশুদের জন্য নিয়মিত ভাতার ব্যবস্থা করেন।
- প্রাথমিকভাবে এই ভাতা শুধুমাত্র দুধ ছাড়ানো শিশুদের দেওয়া হতো।
- ওমর (রা.) যখন দেখলেন যে মায়েরা ভাতার আশায় শিশুদের দ্রুত দুধ ছাড়িয়ে দিচ্ছে, তখন তিনি অত্যন্ত ব্যথিত হলেন এবং ঘোষণা দিলেন যে, এখন থেকে প্রতিটি নবজাতকের জন্যই ভাতা প্রদান করা হবে।
- এটি ইতিহাসে অন্যতম প্রথম রাষ্ট্রীয় সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার উদাহরণ।
- তিনি কেবল শিশু ভাতা নয়, বরং বৃদ্ধ, পঙ্গু এবং অভাবী অমুসলিম নাগরিকদের জন্যও ভাতার ব্যবস্থা করেছিলেন।
- খলিফা হযরত ওমর (রাঃ) তার শাসনামলে সামাজিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলেন।• হযরত ওমর (রা.)-এর জনকল্যাণমূলক কাজের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- বায়তুল মালের প্রাতিষ্ঠানিক রূপায়ন ও জনসেবা।
- মজলিস-উশ-শুরা: রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তিনি যোগ্য ব্যক্তিদের পরামর্শ নেওয়ার জন্য এই পরিষদ গঠন করেন।
- প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ও বিচার বিভাগ।
- অবকাঠামো উন্নয়ন ও কৃষি সংস্কার।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও দুর্ভিক্ষ মোকাবিলা: হিজরি ১৮ সনে আরব উপদ্বীপে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ (আমুর রামাদা) দেখা দিলে ওমর (রা.) যে ভূমিকা পালন করেন তা আজও আদর্শ।
অন্যান্য অপশন:
- খালিদ বিন ওয়ালিদ রাঃ: তিনি ছিলেন ইসলামের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সেনাপতি, খলিফা নন।
- আবু বকর রাঃ: প্রথম খলিফা হিসেবে তিনি বায়তুল মাল প্রতিষ্ঠা করলেও ভাতার এই সুনির্দিষ্ট কাঠামো ও শিশু ভাতার প্রবর্তন হয় হযরত ওমর (রা.)-এর আমলে।
- আলী রাঃ: তিনি চতুর্থ খলিফা ছিলেন এবং তার সময়ে মূলত অভ্যন্তরীণ সংঘাত দমনে ব্যস্ত থাকতে হয়েছিল, এই ব্যবস্থার প্রবর্তক তিনি নন।
উৎস: আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া