বাংলা সাহিত্য MCQ
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পরবর্তী দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস কোনটি?
সঠিক উত্তর
অশনি সংকেত
সঠিক উত্তর: অশনি সংকেত
বিস্তারিত ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
⇒ ‘অশনি সংকেত’ উপন্যাস:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রটিত ‘অশনি সংকেত’ উপন্যাসের পটভূমি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের বিষময় ফল ১৩৫০ বঙ্গাব্দের দুর্ভিক্ষ।
- আর এই দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাস গ্রাম বাংলায় কীভাবে বিস্তার লাভ করেছে তার নিখুঁত বর্ণনা দিয়ে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচনা করেন এই উপন্যাসটি।
- এটা প্রথম প্রকাশ হয় ১৯৫৯ সালে। তবে পুস্তকাকারে প্রকাশের ১৯৪৪-৪৬ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে মাসিক ‘মাতৃভূমি’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- এই উপন্যাসে বিভূতিভূষণ তাঁর স্বগ্রাম বারাকপুর এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ও বনগ্রাম মহাকুমা শহরে দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাস সম্পর্কে বর্ণনা করেন।
- এই উপন্যাসটি সত্যজিৎ রায় একই নামে চলচ্চিত্রে রূপদান করেন।
অন্যদিকে,
⇒ 'অনুবর্তন' উপন্যাস:
- প্রকৃতি ও মানব জীবন সত্তার ঔপন্যাসিক বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় রচিত 'অনুবর্তন' উপন্যাসে ব্যক্তি অভিজ্ঞতার রূপায়ন ঘটেছে।
- এখানে গ্রামীণ মানুষের দলাদলি ও স্বার্থপ্রিয়তা উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয়।
- এ উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র হচ্ছে - যদু মুখুজ্জে ।
- অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র গুলো হচ্ছে - ক্ষেত্র বাবু, নারান বাবু, ছাত্র চুনি।
⇒ ‘আরণ্যক’ উপন্যাস:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মসূত্রে কিছূদিন ভাগলপুর নিকটবর্তী এক বনাঞ্চলে ছিলেন সেখানেই তিনে রচনা করেন ‘আরণ্যক’ (১৯৩৯) উপন্যাসটি।
- সেই বনভূমি ও তার সঙ্গে যুক্ত অরণ্যচারী অজস্র মানুষের সংস্পর্শের অভিজ্ঞতাই এই উপন্যাসের ভিত্তিভূমি।
⇒ ‘দেবযান’ উপন্যাস:
- ‘দেবযান’ (১৯৪৪) প্রেততত্ত্ব ও পরলোকতত্ত্ব-ভিত্তিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসটি রচনার জন্য বিভূতিভূষণ সর্বাধিক কাল ধরে পরিকল্পনা করেছিলেন।
- বাস্তব ও অধিবাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি এর কাহিনি ও চরিত্র বিন্যাসের নিয়ামক।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রটিত ‘অশনি সংকেত’ উপন্যাসের পটভূমি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের বিষময় ফল ১৩৫০ বঙ্গাব্দের দুর্ভিক্ষ।
- আর এই দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাস গ্রাম বাংলায় কীভাবে বিস্তার লাভ করেছে তার নিখুঁত বর্ণনা দিয়ে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচনা করেন এই উপন্যাসটি।
- এটা প্রথম প্রকাশ হয় ১৯৫৯ সালে। তবে পুস্তকাকারে প্রকাশের ১৯৪৪-৪৬ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে মাসিক ‘মাতৃভূমি’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- এই উপন্যাসে বিভূতিভূষণ তাঁর স্বগ্রাম বারাকপুর এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ও বনগ্রাম মহাকুমা শহরে দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাস সম্পর্কে বর্ণনা করেন।
- এই উপন্যাসটি সত্যজিৎ রায় একই নামে চলচ্চিত্রে রূপদান করেন।
অন্যদিকে,
⇒ 'অনুবর্তন' উপন্যাস:
- প্রকৃতি ও মানব জীবন সত্তার ঔপন্যাসিক বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় রচিত 'অনুবর্তন' উপন্যাসে ব্যক্তি অভিজ্ঞতার রূপায়ন ঘটেছে।
- এখানে গ্রামীণ মানুষের দলাদলি ও স্বার্থপ্রিয়তা উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয়।
- এ উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র হচ্ছে - যদু মুখুজ্জে ।
- অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র গুলো হচ্ছে - ক্ষেত্র বাবু, নারান বাবু, ছাত্র চুনি।
⇒ ‘আরণ্যক’ উপন্যাস:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মসূত্রে কিছূদিন ভাগলপুর নিকটবর্তী এক বনাঞ্চলে ছিলেন সেখানেই তিনে রচনা করেন ‘আরণ্যক’ (১৯৩৯) উপন্যাসটি।
- সেই বনভূমি ও তার সঙ্গে যুক্ত অরণ্যচারী অজস্র মানুষের সংস্পর্শের অভিজ্ঞতাই এই উপন্যাসের ভিত্তিভূমি।
⇒ ‘দেবযান’ উপন্যাস:
- ‘দেবযান’ (১৯৪৪) প্রেততত্ত্ব ও পরলোকতত্ত্ব-ভিত্তিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসটি রচনার জন্য বিভূতিভূষণ সর্বাধিক কাল ধরে পরিকল্পনা করেছিলেন।
- বাস্তব ও অধিবাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি এর কাহিনি ও চরিত্র বিন্যাসের নিয়ামক।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
সকল অপশন
রেফারেন্স মাত্র
- অশনি সংকেত সঠিক
- দেবযান
- আরণ্যক
- অনুবর্তন
প্রশ্ন তথ্য
- বিষয়
- বাংলা সাহিত্য
- শ্রেণী
- বিসিএস
- মার্ক
- 1.00