বিস্তারিত ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• দণ্ডকারণ্য মুনীর চৌধুরী রচিত নাটক। দণ্ড', 'দণ্ডধর', 'দণ্ডকারণ্য' নামে তিনটি নাটক একত্রিত করে ১৯৬৬ সালে 'দণ্ডকারণ্য' নামে প্রকাশিত হয়।
⇒ 'দণ্ড' একাঙ্ক কমেডি; ১৯৬০ সালে রচিত। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টিকারী উপকরণ এক চোর দত্ত বা লাঠির সাহায্যে চুরি করে, নিয়ে গেলে সংসারে শান্তি আসে। এই সন্দেহ এবং লাঠির ব্যবহার নিয়ে হাস্যরসাত্মক নাটক ‘দণ্ড'। এক উকিল দম্পতি (নাম নেই) এবং মঞ্চের নেপথ্যে এক চোরচরিত্র- এই তিন চরিত্রের একাঙ্ক নাটক 'দণ্ড'।
⇒ 'দণ্ডধর' ১৯৬৩ সালে রচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের অনুষ্ঠান আয়োজন, সেই আয়োজন করতে গিয়ে নিজেদের মধ্যে প্রেম-অনুরাগ বা বিরোধ সৃষ্টি, একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের ভূমিকা ইত্যাদি ‘দণ্ডধর' নাটকের বিষয়। আমিন, জাহানারা, রোকেয়া, অধ্যাপক এই নাটকের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। এটি একাঙ্ক কমেডি নাটক।
⇒ ‘দণ্ডকারণ্য' ১৯৬৫ সালে রচিত। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য নাট্যকলার সংমিশ্রণে ‘দণ্ডকারণ্য' রচিত হয়। একবার অরণ্য আবার নগর- পর্যায়ক্রমে চলতে থাকা এই দ্বিমাত্রিক মঞ্চসজ্জা সমকালে আকর্ষণীয় ছিল। পৌরাণিক আবহে রাম, লক্ষ্মণ, শূর্পণখা, সীতা ইত্যাদি চরিত্রকে মঞ্চে নিয়ে আসেন নাট্যকার। আবার সমকালের সঙ্গে তিনি খোঁজেন এর যোগসূত্র। মুনীর চৌধুরী এ একাঙ্ক নাটকে ভারতীয় মিথকে সমকালীন জীবনবাস্তবতার সঙ্গে মিলিয়েছেন।
=============
⇒ মুনীর চৌধুরী:
- মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও বাগ্মী।
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।
- মুনীর চৌধুরী শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে বামপন্থী রাজনীতি ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- কবর,
- দণ্ডকারণ্য।
অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
⇒ 'দণ্ড' একাঙ্ক কমেডি; ১৯৬০ সালে রচিত। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টিকারী উপকরণ এক চোর দত্ত বা লাঠির সাহায্যে চুরি করে, নিয়ে গেলে সংসারে শান্তি আসে। এই সন্দেহ এবং লাঠির ব্যবহার নিয়ে হাস্যরসাত্মক নাটক ‘দণ্ড'। এক উকিল দম্পতি (নাম নেই) এবং মঞ্চের নেপথ্যে এক চোরচরিত্র- এই তিন চরিত্রের একাঙ্ক নাটক 'দণ্ড'।
⇒ 'দণ্ডধর' ১৯৬৩ সালে রচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের অনুষ্ঠান আয়োজন, সেই আয়োজন করতে গিয়ে নিজেদের মধ্যে প্রেম-অনুরাগ বা বিরোধ সৃষ্টি, একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের ভূমিকা ইত্যাদি ‘দণ্ডধর' নাটকের বিষয়। আমিন, জাহানারা, রোকেয়া, অধ্যাপক এই নাটকের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। এটি একাঙ্ক কমেডি নাটক।
⇒ ‘দণ্ডকারণ্য' ১৯৬৫ সালে রচিত। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য নাট্যকলার সংমিশ্রণে ‘দণ্ডকারণ্য' রচিত হয়। একবার অরণ্য আবার নগর- পর্যায়ক্রমে চলতে থাকা এই দ্বিমাত্রিক মঞ্চসজ্জা সমকালে আকর্ষণীয় ছিল। পৌরাণিক আবহে রাম, লক্ষ্মণ, শূর্পণখা, সীতা ইত্যাদি চরিত্রকে মঞ্চে নিয়ে আসেন নাট্যকার। আবার সমকালের সঙ্গে তিনি খোঁজেন এর যোগসূত্র। মুনীর চৌধুরী এ একাঙ্ক নাটকে ভারতীয় মিথকে সমকালীন জীবনবাস্তবতার সঙ্গে মিলিয়েছেন।
=============
⇒ মুনীর চৌধুরী:
- মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও বাগ্মী।
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।
- মুনীর চৌধুরী শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে বামপন্থী রাজনীতি ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- কবর,
- দণ্ডকারণ্য।
অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
সকল অপশন
রেফারেন্স মাত্র
- মুনীর চৌধুরী সঠিক
- মামুনুর রশীদ
- সেলিম আল দীন
- ইমদাদুল হক মিলন
প্রশ্ন তথ্য
- বিষয়
- বাংলা সাহিত্য
- শ্রেণী
- বিসিএস
- মার্ক
- 1.00