জঙ্গনামা' নামে হেয়াত মামুদ এবং ফকির গরীবুল্লাহ দুই জনই গ্রন্থ রচনা করেছেন। অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় বাতিল করা হয়েছে। ------------------------------
‘জঙ্গনামা’ কাব্যের বিষয় যুদ্ধ-বিগ্রহ। - জঙ্গনামা মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে মুসলিম ঐতিহ্যভিত্তিক যুদ্ধবিষয়ক কাব্য। ফারসি ‘জঙ্গ’ শব্দের অর্থ যুদ্ধ, আর ‘জঙ্গনামা’ শব্দের অর্থ তদ্বিষয়ক গ্রন্থ বা রচনা। - যেসব যুদ্ধের ঘটনা ও পরিণাম অত্যন্ত করুণ ও মর্মান্তিক, সাধারণত সেসব যুদ্ধের কথাই মানুষকে বেশি আলোড়িত করে। তাই আরবি-ফারসি সাহিত্যে যেমন, বাংলা সাহিত্যেও তেমনি ‘জঙ্গনামা’ বলতে বিশেষভাবে কারবালার যুদ্ধ ও তার বিষাদময় ঘটনাবলি সংক্রান্ত রচনাকেই বোঝায়। - জঙ্গনামা ও মর্সিয়া সাহিত্য প্রথমত আরবে, পরে পারস্যে বিকাশ লাভ করে এবং মধ্যযুগের মুসলিম শাসনামলে এ সাহিত্যধারা বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
জঙ্গনামা শ্রেণির কাব্যধারার উল্লেখযোগ্য কবি ও কাব্যের নাম হলো: - শেখ ফয়জুল্লাহ, (জয়নবের চৌতিশা) - দৌলত উজির বাহরাম খান (জঙ্গনামা), - মুহম্মদ খান (মকতুল হোসেন) - শেরবাজ (কাশিমের লড়াই ও ফাতিমার সুরতনামা) - হেয়াত মামুদ (জারি-জঙ্গনামা), - জাফর (শহীদ-ই-কারবালা ও সখিনার বিলাপ), - হামিদ (সংগ্রাম হুসেন) - ফকির গরিবুল্লাহ (জঙ্গনামা ও সোনাভান) - মুহম্মদ হামিদুল্লাহ খান (গুলজার-ই-সাহাদৎ) এবং - ওয়াহিদ আলী (বড় জঙ্গনামা)