• মিশরীয় সভ্যতা: সভ্যতায় মিশরীয়দের গুরুত্বপূর্ণ অবদান। যেমন: - মিশরীয় সভ্যতা ছিল কৃষি নির্ভর। সে কারণে নীল নদের প্লাবন, নাব্যতা, পানি প্রবাহের মাপ জোয়ার-ভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। এসবের সঙ্গে জ্যোতিষশাস্ত্র ও অংক শাস্ত্রের ছিল গভীর যোগাযোগ। ফলে এ দুটি বিদ্যা তারা আয়ত্ত করেছিল প্রয়োজনের তাগিদে। - তারা অংক শাস্ত্রের দুটি শাখ- জ্যামিতি এবং পাটিগণিতেরও প্রচলন করে। - মিশরীয় সভ্যতার মানুষ যোগ, বিয়োগ ও ভাগের ব্যবহার জানত। - মিশরীয় সভ্যতার চিত্রলিপিকে - হায়ারোগ্লিফিক।
- ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারক মিশরীয়রা। - খ্রিস্টপূর্ব ৪২০০ অব্দে তারা পৃথিবীতে প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে। - প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্য ঘড়ি, ছায়াঘড়ি, জলঘড়ি আবিষ্কার করে। - ধর্মের কারণে মিশরীয়রা বিজ্ঞানচর্চায় আগ্রহী ছিল। - চিকিৎসাশাস্ত্রেও প্রাচীন মিশরীয়রা বিশেষ অগ্রগতি লাভ করেছিল। তারা চোখ, দাঁত, পেটের রোগ নির্ণয় করতে জানত।
- অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চিকিৎসা করার বিদ্যাও তাদের জানা ছিল। - তারা হাড় জোড়া লাগানো, হৃৎপিন্ডের গতি এবং নাড়ির স্পন্দন নির্ণয় করতে পারত। - চিকিৎসা শাস্ত্রে মিশরীয়রাই সর্বপ্রথম ‘মেটেরিয়া মেডিকা’ বা ঔষুধের তালিকা প্রণয়নে সক্ষম হয়। - মিশরীয়দের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাস্কর্য হচ্ছে গির্জার - অতুলনীয় স্ফিংকস। স্ফিংকস হচ্ছে এমন একটি মূর্তি, যার দেহটা সিংহের মতো, কিন্তু মুখ মানুষের।
- মিশরের সবচেয়ে বড় পিরামিডটি হচ্ছে - ফারাও খুফুর পিরামিড। - তাদের প্রিয় রং ছিল - সাদাকালো। - মিশরের নীল নদের উৎপত্তি- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া থেকে। -‘মিশর নীল নদের দান’ বলেছেন - ইতিহাসের জনক ‘হেরোডোটাস’। - নিজেদেরকে সূর্য দেবতার বংশধর মনে করতেন - মিশরীয়রা।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।