• পর্তুগিজ:
- বাণিজ্যকে মূলধন করে পর্তুগাল থেকে পর্তুগিজরা এ উপমহাদেশে আসলেও ক্রমে তাঁরা সাম্রাজ্য বিস্তারের স্বপ্ন দেখে।
- পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দ্য-গামার উপমহাদেশে আসার পরপরই পর্তুগিজরা এ দেশে আসতে শুরু করে।
এরপর-
- ১৪৮৭ খ্রিস্টাব্দে বার্থলমিউ দিয়াজ, আলভারেঞ্জ ক্যাব্রাল ও ১৫০৯ খ্রিস্টাব্দে আলবুকার্ক গোয়াতে আগমন করেন।
- আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
- কলম্বাস বিখ্যাত ইতালীয় নাবিক ছিলেন।
- উপমহাদেশে আসার অল্পদিনের মধ্যেই তাঁরা এদেশের পশ্চিম উপকূলের কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন, কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি বন্দরে, সিংহলের নানাস্থানে এবং বাংলার হুগলী বন্দরে তাঁদের বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন।
- পর্তুগিজরা বাংলাদেশের চট্টগ্রামেও বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে এবং কুঠিগুলোকে দুর্গে পরিণত করে।
- পর্তুগিজরাই প্রথম ইউরোপীয় যাঁরা ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য কাজে এদেশে সুদূরপ্রসারী ও স্থায়ী প্রভাব রেখে গেছে।
- সুস্বাদু ফল আনারস, পেপে, পেয়ারা, জলপাই, কামরাঙ্গা প্রভৃতি তাঁরাই এদেশে প্রচলন করে।
- পর্তুগিজরা চীন, ব্রুনাই, মালাক্কা, হরমুজ, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা প্রভৃতি দেশ থেকে মূল্যবান কাপড়, বাদাম, মসলা, রং, কড়ি, কর্পূর এনে উপমহাদেশে বিক্রি করতো আর
বাংলাদেশ থেকে সূতি ও রেশমী কাপড়, পাট, তামাক, চামড়া, চাল, ডাল, ঘি, তেল, মধু মোম অন্যান্য দেশে নিয়ে যেত।
তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র (HSC Programme) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।