⇒ ‘সহরতলী' উপন্যাস: • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা (১৯৪১ সালে)। • নিম্ন মধ্যবিত্ত ও শ্রমিকশ্রেণির মানুষের জীবনের কাহিনি ও সেইসঙ্গে প্রবৃত্তির নিরাবরণ প্রকাশের উপন্যাস, মানুষের আচরণের বলিষ্ঠতা ও কপটতা, ঈর্ষা ও ইন্দ্রিয়ালুতার রূপায়ণ এখানে আছে। • 'যশোদা' চরিত্রটির বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব ও আত্মসম্ভ্রম বাংলাসাহিত্যে একটি ব্যতিক্রমী নারীচরিত্র হিসেবে স্বীকৃত।
⇔ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়: - ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মে পিতার কর্মস্থল বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে। - প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম। - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় জীবনের প্রথম পর্বে মনোবিজ্ঞানী ফ্রয়েড, ইয়ুং, অ্যাডলার প্রমুখ দ্বারা প্রভাবিত হলেও পরবর্তী সময়ে তিনি মার্কসবাদে দীক্ষা নেন।
⇔ তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গন্থ: ⇒ উপন্যাস: • জননী, • দিবারাত্রির কাব্য, • পদ্মানদীর মাঝি, • পুতুলনাচের ইতিকথা, • সহরবাসের ইতিকথা, • সহরতলী, • সার্বজনীন, • অহিংসা, • আরোগ্য ইত্যাদি।
⇒ গল্প: • অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প, • প্রাগৈতিহাসিক, • সরীসৃপ, • আত্মহত্যার অধিকার, • মিহি ও মোটা কাহিনী, • সমুদ্রের স্বাদ, • বৌ, • হলুদ পোড়া, • আজ কাল পরশুর গল্প ইত্যাদি।
⇒ ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দের ৩ ডিসেম্বর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।