• ‘সাহিত্যের ভবিষ্যৎ’: - ‘সাহিত্যের ভবিষ্যৎ’ বিষ্ণু দে রচিত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। - এই প্রবন্ধগ্রন্থে সাহিত্যের ভবিষ্যৎ নামে একটি প্রবন্ধও রয়েছে।
এই প্রবন্ধের উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগুলো হলো: - বাংলাসাহিত্যে প্রগতি, - অবনীন্দ্রনাথ, - যামিনী রায়, - বাংলাসাহিত্যের ধারা, - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, - সাহিত্যের ভবিষ্যৎ, - বীরবল থেকে পরশুরাম, - রাজায়-রাজায়, - আরাগ, - পরিবর্তমান এই বিশ্বে, - পিকাসো, - ক্যালকাটা গ্রুপ।
---------------------- • বিষ্ণু দে: - তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী। - ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম। - তাঁর পিতা অবিনাশচন্দ্র দে ছিলেন অ্যাটর্নি। - বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন। - তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন। - তাঁর কবিতায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে। - বিষ্ণু দে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে ‘সাহিত্যপত্র’।
• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো: - উর্বশী ও আর্টেমিস, - চোরাবালি, - সাহিত্যের ভবিষ্যৎ, - নাম রেখেছি কোমল গান্ধার, - তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ ইত্যাদি।
• তাঁর রচিত প্রবন্ধ: - রুচি ও প্রগতি, - সাহিত্যের ভবিষ্যৎ, - রবীন্দ্রনাথ ও শিল্প সাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা।
• অনুবাদ সাহিত্য: - এলিয়টের কবিতা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; ‘সাহিত্যের ভবিষ্যৎ’ গ্রন্থ ও বাংলাপিডিয়া।