জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: সৈয়দ মাইনুল হোসেন
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: সৈয়দ মাইনুল হোসেন
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধের (সম্মিলিত প্রয়াস) নকশাকার ও প্রধান স্থপতি হলেন সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭৮ সালে অনুষ্ঠিত উন্মুক্ত নকশা প্রতিযোগিতায় তাঁর নকশা নির্বাচিত হয়।
- এবং ১৯৮২ সালে স্মৃতিসৌধটি উদ্বোধন করা হয়।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাতটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজাকৃতির স্তম্ভের সমন্বয়ে নির্মিত।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট।
- এই সাতটি স্তম্ভ বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ের প্রতীক।
- এগুলো যথাক্রমে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকে প্রতিনিধিত্ব করে।
- স্মৃতিসৌধটি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের গৌরবময় ইতিহাসের স্মারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
উৎস: প্রথম আলো [লিঙ্ক]।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন