White Paper কী?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: সরকার কর্তৃক প্রকাশিত তথ্য
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: সরকার কর্তৃক প্রকাশিত তথ্য
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
শ্বেতপত্র:
- শ্বেতপত্র (White Paper) হলো সরকার বা কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত একটি প্রামাণ্য নীতিগত দলিল, যেখানে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, সমস্যা বা নীতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য, বিশ্লেষণ ও প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।
- নতুন আইন, নীতি বা প্রশাসনিক সংস্কার গ্রহণের আগে জনমত গঠন এবং বাস্তব পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করার উদ্দেশ্যে এটি প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
- অনেক ক্ষেত্রে নতুন আইন প্রণয়ন বা সংস্কারমূলক সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার পূর্বেও শ্বেতপত্র প্রকাশের প্রচলন রয়েছে।
- রাষ্ট্র পরিচালনায় দুর্নীতির চিত্র, প্রশাসনিক দুর্বলতা বা নীতিগত সমস্যাগুলো তুলে ধরে শ্বেতপত্র স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।
- ১৯৬৮ সালে জনপ্রশাসন সংস্কার সম্পর্কিত ফুলটন কমিটির প্রতিবেদনে 'স্বচ্ছ সরকার' প্রতিষ্ঠার উপর গুরুত্ব আরোপ করার ফলে
এ প্রথার অধিকতর প্রচলন দেখা যায়। তবে শ্বেতপত্র জারী করার প্রথা বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধেও দেখা যায়। উদাহরণ স্বরূপ চার্চিল হোয়াইট পেপার (১৯২২) এবং একীভূত প্যালেস্টাইনীয় রাজ্য গঠন সংক্রান্ত শ্বেতপত্র (১৯৩৯) উল্লেখ করা যায়। অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার গুরুত্বপূর্ণ শ্বেতপত্রের মধ্যে যথাক্রমে রয়েছে পূর্ণ কর্মসংস্থান (১৯৪৫) এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত শ্বেতপত্র (১৯৬৪)।
তথ্যসূত্র - ইউরোপীয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন