প্রমিত রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
(ক) প্রমিত রীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গ হ্রস্বতর।
ক্রিয়ার ক্ষেত্রে যেমন – 'করা' ক্রিয়ার রূপ: করছে, করেছে, করল, করলে, করলাম, করত, - করবে, করছিল, করেছিল, করব, করতে, করে, করলে, করার।
সর্বনামের ক্ষেত্রে যেমন - তারা, এদের, যা, তা, ও, কেউ ইত্যাদি।
অনুসর্গের ক্ষেত্রে যেমন – থেকে, হতে, সঙ্গে ইত্যাদি।
(খ) প্রমিত রীতিতে শব্দ ব্যবহার আলোচ্য বিষয়ের উপরে নির্ভরশীল। প্রয়োজন অনুযায়ী সব ধরনের শব্দ ব্যবহার করা যায়। যেমন তৎসম 'বৎসর'-ও লেখা যায় আবার তদ্ভব ‘বছর’-ও লেখা যায়। একইভাবে ‘চন্দ্ৰ’-ও লেখা যায়, 'চাঁদ'-ও লেখা যায় ।
(গ) প্রমিত রীতিতে কথ্য রীতির বহু শব্দ বর্জনীয়, যেমন 'ধুলো, তুলো, মুলো, পুজো, সবচে' - ইত্যাদি না লিখে ‘ধুলা, তুলা, মুলা, পূজা, সবচেয়ে' ইত্যাদি লিখতে হয়।
উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, বাংলা ব্যাকরণ (২০২২ সংস্করণ)