আগ্নেয় ও রূপান্তরিত শিলাতে জীবাশ্ম দেখা যায় না। শুধুমাত্র পাললিক/স্তরীভূত শিলায় জীবাশ্ম দেখা যায়।
আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহঃ
(স্ফটিকাকার
(অস্তরীভূত,
(কঠিন ও কম ভঙ্গুর,
(জীবাশ্ম দেখা যায় না এবং
(ঙ) অপেক্ষাকৃত ভারী।
রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহঃ
১। রূপান্তরিত শিলা স্ফটিক যুক্ত;
২। এই শিলা অত্যন্ত কঠিন;
৩। এই শিলায় জীবাশ্ম নেই;
৪। কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়।
পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহঃ
১। পাললিক শিলা স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়;
২। পাললিক শিলায় জীবাশ্ম পাওয়া যায়;
৩। পাললিক শিলা স্ফটিকাকার নয়;
৪। পাললিকা শিলা হালকা, ভঙ্গুর ও তরঙ্গ বিশিষ্ট।
উৎস: নবম দশম শ্রেণির ভূগোল বোর্ড বই এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্য বই।