জনশুমারি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
পরবর্তীতে ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হয় যথাক্রমে ২য়, ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম আদমশুমারি ও গৃহগণনা।
১৫-২১ জুন ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা। এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা।
৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনার প্রতিপাদ্য ছিল: “জনশুমারিতে তথ্য দিন, পরিকল্পিত উন্নয়নে অংশ নিন”।
পরিসংখ্যান আইন, ২০১৩ অনুযায়ী, আদমশুমারি ও গৃহগণনাকে ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা' নামে নামকরণ করা হয়।
জাতিসংঘের গাইডলাইন অনুযায়ী, জনশুমারিতে তিন ধরনের গণনা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।
১. De Facto Method,
২. De Jure Method,
৩. Modified De Facto Method.
De Facto Method: খানার সদস্যকে শুমারির রাত্রিতে অবস্থানকালীন স্থানে গণনা করা হয়।
De Jure Method: খানার সদস্যকে নিজ নিজ খানায় গণনা করা হয়।
Modified De Facto Method: De Facto'র আওতার বাইরে যারা শুমারি রাত্রিতে ভ্রমণরত, হাসপাতাল ও হোটেলে ছিলেন কিংবা কর্মরত থাকলেও, তাদেরকে নিজ নিজ খানায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো মডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো পদ্ধতি ব্যবহারপূর্বক জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ পরিচালনা করেছে।
জনশুমারিতে ৩৫ ধরনের তথ্য নেওয়া হয়।
SDG বাস্তবায়নের জন্য যে সূচক আছে তার মধ্যে ৯টির তথ্য জনশুমারিতে নেয়া হয়েছে।
আগের প্রতিটি শুমারি জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে অনুষ্ঠিত হলেও এবারই প্রথম বর্ষাকালে জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
এবারের জনশুমারিতে প্রথমবারের মত তৃতীয় লিঙ্গকে যুক্ত করা হয়।