শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি মোস্তফা আলী কুদ্দুস।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ: - জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত বেসামরিক বাঙালি ও অবাঙ্গালিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা - এটি সাভারে অবস্থিত। - এর অপর নাম 'সম্মিলিত প্রয়াস'। - জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। - ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য একটা জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় এবং নকশা আহবান করে। - স্মৃতিসৌধের রয়েছে ৭টি খাঁজ। - ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ৭টা বড় আন্দোলন হয়েছিল। - ওই খাঁজগুলো দিয়ে সেই সব আন্দোলন বোঝানো হয়েছে।
অপরাজেয় বাংলা: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য অপরাজেয় বাংলা। - অপরাজেয় বাংলার স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ। - ভাস্কর্যটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সম্মুখ প্রাঙ্গনে অবস্থিত। - ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর এটি উদ্বোধন করা হয়। - অপরাজেয় বাংলা শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য।
জাগ্রত চৌরঙ্গী: - ডান হাতে গ্রেনেড, বাঁ হাতে রাইফেল, লুঙ্গি পরা, খোলা শরীর, দৃপ্ত পায়ে পেশিবহুল মুক্তিযোদ্ধার ভাস্কর্যটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার সড়কদ্বীপে দাঁড়ানো। - এটিই দেশে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ভাস্কর্য। - মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ১৯ মার্চের সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধে নিহত ও আহত বীরদের অসামান্য আত্মত্যাগ স্মরণে ১৯৭৩ সালে নির্মিত হয়েছিল জাগ্রত চৌরঙ্গী। - ঢাকা আর্ট কলেজের সেই সময়ের অধ্যক্ষ দেশের খ্যাতিমান ভাস্কর আবদুর রাজ্জাকের হাতের ছোঁয়ায় তৈরি হয়েছিল এই দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যকর্ম।
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ: - বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়। - পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী এই বর্বর কাজে সহায়তা করেছে রাজাকার ও আলবদর বাহিনী। - পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর চূড়ান্ত পরাজয়ের দুই দিন পূর্বে ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। - তাঁদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকার মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। - শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি ছিলেন মোস্তফা আলী কুদ্দুস।