ক্ষার: - ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের যে সকল হাইড্রোক্সাইড পানিতে দ্রবণীয় তাদেরকেই ক্ষার বলা হয়।
- ক্ষার জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH
-) দান করে।
যেমন- সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড প্রত্যেকেই জলীয় দ্রবণে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH
-) দান করে।
ক্ষারক: - ক্ষারক হলো ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল মূলকের অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড যা এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।
যেমন- কপার অক্সাইড, আয়রন (II) অক্সাইড, আয়রন (III) অক্সাইড এর প্রত্যেকেই ক্ষারক।
- পানিতে দ্রবীভূত হয় না বলে এরা ক্ষার নয়, ক্ষারক।
তীব্র ক্ষার: - যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয় তাদেরকে তীব্র ক্ষার বলা হয়।
যেমন-
সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH),
পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH),
ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2 ইত্যাদি।
মৃদু ক্ষার: - যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে আংশিক আয়নিত হয় তাদেরকে মৃদু ক্ষার বলা হয়।
যেমন-
অ্যামেনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH4OH), আয়রন (II) অক্সাইড Fe(OH)
2, আয়রন (III) হাইড্রোক্সাইড Fe(OH)
3, অ্যালুমিনিয়াম (III) হাইড্রোক্সাইড Al(OH)
3 ইত্যাদি।
উল্লেখ্য যে,
-
অ্যামোনিয়া (NH3) ক্ষার বা ক্ষারক নয় বরং এটি একটি ক্ষার ধর্মী যৌগ।
- অ্যামোনিয়া পানিতে দ্রবীভূত হয়ে অ্যামেনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH
4OH) উৎপন্ন করে।
- অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ক্ষার।
NH
3 (g) + H
2O (l) → NH
4OH (aq) ।
উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।