ব্যঞ্জনচ্যুতি: শব্দের শেষে পাশাপাশি সমউচ্চরণ সম্পন্ন দুটো ব্যঞ্জনধ্বনি থেকে একটি লোপ পাওয়াকে ব্যঞ্জনচ্যুতি বা ধ্বনিচ্যুতি বলে। যেমন- বড়দিদি > বড়দি, বড়দাদা > বড়দা ইত্যাদি।
ব্যঞ্জন বিকৃতি: শব্দের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি পরিবর্তিতি হয়ে যদি কোনো নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি ব্যবহৃত হয়, তাকে ব্যঞ্জন বিকৃতি বলে। যেমন- ধোবা > ধোপা, শাক > শাগ ইত্যাদি।
ধ্বনিবিপর্যয়: উচ্চারণের সময় শব্দের কোনো কোনো ধ্বনি স্থান পরিবর্তন হলে ধ্বনিবিপর্যয় ঘটে। যেমন - পিশাচ > পিচাশ, রিক্সা > রিস্কা, নকশা > নশকা ইত্যাদি।
অন্তর্হতি: শব্দের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পেলে তাকে অন্তর্হতি বলে। যেমন - ফলাহার > ফলার, ফাল্গুন > ফাগুন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।