মেধাবী
Toggle menu

কোনটি দ্বিত্ব ব্যাঞ্জন ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?

সঠিক উত্তর
সকাল > সক্কাল

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

⇒ দ্বিত্ব ব্যাঞ্জন বা ব্যাঞ্জনদ্বিত্বা:
কখনো কখনো জোর দেয়ার জন্য শব্দের অন্তর্গত ব্যঞ্জনের দুই বার উচ্চারণ হয়, একে বলে দ্বিত্ব ব্যাঞ্জন বা ব্যাঞ্জনদ্বিত্বা।
যেমন:
- পাকা > পাক্কা;
- সকাল > সক্কাল ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
⇒ প্রগত সমীভবন: পূর্ব ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনির পরিবর্তন ঘটে। অর্থাৎ পরবর্তী ধ্বনি পূর্ববর্তী ধ্বনির মতাে হয়, একে বলে প্রগত সমীভবন। যেমন: চক্র > চক্ক;  পক্ব > পক্ক; পদ্ম > পদ্দ; লগ্ন > লগ্গ ইত্যাদি।

⇒  মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি:
সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।
যেমন -
অ – রত্ন > রতন; ধর্ম > ধরম; স্বপ্ন > স্বপন; হর্ষ > হরষ; বস্‌তি > বসতি ইত্যাদি।
ই - প্রীতি > পিরীতি; ক্লিপ > কিলিপ; ফিল্ম > ফিলিম ইত্যাদি।
উ – মুক্তা > মুকুতা, তুর্ক > তুরুক; ভ্রু > ভুরু ইত্যাদি।
এ – গ্রাম > গেরাম; প্রেক > পেরেক; স্রেফ > সেরেফ ইত্যাদি।
ও - শ্লোক > শোলোক, মুরগ > মুরােগ > মােরগ ইত্যাদি।

⇒ সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ: 
শব্দের মধ্যবর্তী কোন স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ বলে। স্বরলোপ ৩ প্রকার যথা-
ক. আদিস্বরলোপ: শব্দের শুরুর স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে আদি স্বরাগম বলে। যেমন, অলাবু ˃ লাবু ˃ লাউ; উদ্ধার ˃ উধার ˃ ধার।
খ. মধ্যস্বরলোপ: শব্দের মধ্যবর্তী কোন স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে মধ্যস্বরাগম বলে। যেমন, গামোছা ˃ গামছা, অগুরু ˃ অগ্রু, সুবর্ণ  ˃ স্বর্ণ।
গ. অন্ত্যস্বরলোপ: শব্দের শেষের স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে অন্ত্যস্বরাগম বলে। যেমন, আশা ˃ আশ, আজি ˃ আজ, চারি ˃ চার, সন্ধ্যা ˃ সঞ্ঝ্যা ˃ সাঁঝ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

লগ্ন > লগ্গ
সকাল > সক্কাল
স্বপ্ন > স্বপন
সন্ধ্যা ˃ সঞ্ঝ্যা ˃ সাঁঝ

প্রশ্ন তথ্য

বিষয়
বাংলা ব্যাকরণ
শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন

বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড

ডাউনলোড করুন

মেধাবী অ্যাপ

বিনামূল্যে • ৪.৯★

ডাউনলোড