• ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কম্পিত বা কেঁপে ওঠাকে ঘোষ ধ্বনি বলা হয়। - আবার যখন কম্পিত হয় না বা আওয়াজে গাম্ভীর্য আসে না তখন তাকে অঘোষ ধ্বনি বলা হয়।
• স্বরতন্ত্রীর কাঁপা না কাঁপার ওপর ভিত্তি করে ব্যঞ্জনধ্বনিকে দুভাগে ভাগ করা যায়- ১. ঘোষ ধ্বনি - গ, ঘ, জ, ঝ ইত্যাদি। ২. অঘোষ ধ্বনি - ক, খ, চ, ছ ইত্যাদি।
⇒ ঘোষ ধ্বনিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়- • উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের যখন স্বল্পতা থাকে তখন তাকে অল্পপ্রাণ ধ্বনি বলে। - যেমন: ক,গ,চ,জ ইত্যাদি।
• উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের যখন আধিক্য থাকে তখন তাকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে। - যেমনঃ খ, ঘ, ছ,ঝ ইত্যাদি।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।