• উপমিত কর্মধারয়: যাকে তুলনা করা হয়, তা উপমেয়। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের সমাস হয়। এগুলােকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: - নয়ন পদ্মের ন্যায় = নয়নপদ্ম; - আঁখি পদ্মের ন্যায় = পদ্মআঁখি; - পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ; - মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ।
[এই সমাসে উভয় পদই বিশেষ্য হয়।]
• উপমান কর্মধারয় সমাস: যার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তা উপমান। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমানের সঙ্গে গুণবাচক শব্দের সমাস হয়। এগুলােকে উপমান কর্মধারয় বলে। যেমন: - কাজলের মতাে কালাে = কাজলকালাে; - শশের মতাে ব্যস্ত = শশব্যস্ত; - কুসুমের ন্যায় কোমল = কুসুমকোমল।
[এই সমাসে পরপদ সাধারণত বিশেষণ হয়।]
• রূপক কর্মধারয় সমাস: কিছু কর্মধারয় নমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের অভেদ কল্পনা করা হয় । এগুলোকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: - বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু; - মন রূপ মাঝি = মনমাঝি।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।