• ঠোটের উন্মুক্তি অর্থাৎ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে আমরা কী পরিমাণ হাঁ করছি তা নির্ধারণ করে স্বরধ্বনিকে নিম্নলিখিত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন: ১) বিবৃত স্বরধ্বনি, ২) অর্ধবিবৃত স্বরধ্বনি, ৩) অর্ধসংবৃত স্বরধ্বনি, ৪) সংবৃত স্বরধ্বনি।
বিবৃত স্বরধ্বনি: - এ স্বরধ্বনির উচ্চারণে ঠোঁট সবচেয়ে বেশি খোলা থাকে। - বাংলা ভাষায় এ জাতীয় স্বর মাত্র একটি— আ।
অর্ধবিবৃত স্বরধ্বনি: - বিবৃত স্বরধ্বনির তুলনায় ঠোঁট কম খোলা রেখে উচ্চারিত স্বরধ্বনিগুলোকে এভাবে দেখানো হয়। যেমন: - অ্যা, অ।
অর্ধসংবৃত স্বরধ্বনি: - সংবৃত স্বরধ্বনির তুলনায় ঠোঁট বেশি খোলা কিন্তু অর্ধ-বিবৃত স্বরধ্বনির তুলনায় কম খোলা থেকে অর্ধ-সংবৃত স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারিত হয়। যেমন: - এ, ও।
সংবৃত স্বরধ্বনি: - ঠোঁট সবচেয়ে কম খোলা থেকে উচ্চারিত স্বরধ্বনিগুলো এ জাতীয়। যেমন- - ই, উ।