দূষক (Pollutant): - কোনো পদার্থ পরিবেশে তার স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রাচুর্য অপেক্ষা অধিক পরিমাণে উপস্থিত থেকে মনুষ্যজাতি অথবা অন্যান্য জীবের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করলে ঐ পদার্থটিকে দূষক বলা হয়। - বায়ুতে সল্পমাত্রায় (0.1 ppm) CO থাকে। - কিন্তু এর পরিমাণ বেড়ে (40 ppm) বা তার বেশি হলে এটি দূষক হিসেবে বিবেচিত হয়। - দূষক দুই প্রকার। যথা - ১। প্রাথমিক (প্রাইমারী) দূষক ও ২। গৌণ (সেকেন্ডারী) দূষক।
প্রাইমারী দূষক: - যেসব দূষক কোনো উৎস হতে নির্গত হয়ে সরাসরি অপরিবর্তিত অবস্থায় পরিবেশে আসে তাদের প্রাইমারী দূষক বলা হয়। যেমন - SO2, CO, CO2হাইড্রোকার্বনসমূহ, ছাই, ধূলিকণা ইত্যাদি।
সেকেন্ডারী দূষক: - এই প্রকারের দূষক কোনো উৎস থেকে সরাসরি পরিবেশে আসে না। - পরিবেশেস্থিত দূষকগুলির পারস্পরিক বিক্রিয়ায় বা প্রাথমিক দূষকের সঙ্গে পরিবেশের কোনো একটি উপদানের বিক্রিয়ায় যেসব ক্ষতিকারক পদার্থ সৃষ্টি হয় তাদের গৌণ দূষক বলে। যেমন - পারঅক্সি অ্যাসাইল নাইট্রেট (PAN), ডাই মিথাইল মার্কারি [(CH3)2Hg], SO3, NO2, O3, H2SO4 ইত্যাদি।
উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।