• সাধারণ নারীবাচক শব্দ দুই ধরনের: - পত্নীবাচক; - অপত্নীবাচক।
⇒ পত্নীবাচক: স্বামী- স্ত্রী সম্পর্ক বোঝালে পত্নীবাচক হয়। যেমন: পিতা - মাতা, চাচা - চাচি, দাদা - দাদি, জেলে - জেলেনি, গুরু - গুরুপত্নী, নন্দাই - ননদ ইত্যাদি।
⇒ অপত্নীবাচক: স্বামী- স্ত্রী সম্পর্ক না বোঝালে অপত্নীবাচক হয়। যেমন: খোকা- খুকি, ছাত্র - ছাত্রী, শিক্ষক - শিক্ষিকা, নেতা - নেত্রী, পাগল - পাগলি,তেজস্ব- তেজস্বিনী, বালক - বালিকা ইত্যাদি।
• কিছু শব্দে ভিন্ন শব্দ ব্যবহার করে লিঙ্গ পরিবর্তন করা হয়। যেমন: কুলি = কামিন, খানসামা = আয়া, চাকর = ঝি, শুক = শারি, গোলাম = বাঁদী, সাধু = সাধবী ইত্যাদি।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।