দ্বন্দ্ব সমাস: - যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে। যেমন: - ক্ষুধা ও পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা, - চর্ব্য ও চূষ্য = চর্ব্যচূষ্য, - জন ও মানব = জনমানব, - টীকা ও ভাষ্য = টীকাভাষ্য ইত্যাদি।
অন্যদিকে, তৎপুরুষ সমাস: - সমস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ লােপ পেয়ে যে সমাস হয়, তার নাম তৎপুরুষ সমাস। - এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়। যেমন: - মামার বাড়ি = মামাবাড়ি, - পথের রাজা = রাজপথ, - মনকে পাওয়া = মনপাওয়া ইত্যাদি।
দ্বিগু সমাস: - সমাহার বা সমষ্টি বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। - দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয় ৷ যেমন: - তিন মাথার সমাহার = তেমাথা, - ত্রি লোকের সমাহার = ত্রিলোক।
মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস: - ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ পেয়ে যে কর্মধারয় সমাস হয় তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: - সিংহাসন = সিংহ চিহ্নিত আসন, - আয়কর = আয়ের উপর কর।
উৎস: ১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। ২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।