অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় শব্দ যে অব্যয় শব্দগুলাে কখনাে স্বাধীন পদ রূপে, আবার কখনাে শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্যে করে, সেগুলােকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলে। - অনুসর্গগুলাে কখনাে প্রতিপদিকের পরে ব্যবহৃত হয়, আবার কখনাে বা ‘কে’ এবং ‘র’ বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে বসে। বিনা : দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? (প্রতিপদিকের পরে) সনে : ময়ূরীর সনে নাচিছে ময়ূর। (ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে) দিয়ে : তােমাকে দিয়ে আমার চলবে না। (দ্বিতীয়ার ‘কে’ বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে) এরূপ : হতে, দিয়ে, থেকে, মাঝে, পরে ইত্যাদি।
অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় শব্দের বৈশিষ্ট্য ১. অনুসর্গের নিজস্ব অর্থ থাকে। ২. অনুসর্গের স্বতন্ত্র প্রয়ােগ আছে। ৩. অনুসর্গ সম্পর্কিত শব্দটির ডানদিকে একটু তফাতে বসে। ৪. অনুসর্গ সাধারণত শব্দের পরে বসলেও কখনাে কখনাে পূর্বেও বসে।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।