সাধু ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য: - সাধু ভাষার রূপ অপরিবর্তনীয়। - অঞ্চলভেদে বা কালক্রমে এর কোনো পরিবর্তন হয় না। - সাধু ভাষারীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি বলে এ ভাষায় এক প্রকার আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য আছে। - এ ভাষারীতি ব্যাকরণের সুনির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে চলে। - এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট। - সাধু ভাষারীতি শুধু লেখায় ব্যবহার হয়। - তাই কথাবার্তা, বক্তৃতা, ভাষণ ইত্যাদির উপযোগী নয়। - সাধু ভাষারীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়। - গুরুগম্ভীর ও আভিজাত্যের অধিকারী।
উৎস: ১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। ২) বাংলাপিডিয়া। ৩) অষ্টম শ্রেণীর ব্যকরণ বই।