• কথ্য রীতির আঞ্চলিক ভেদ সহজে বোঝা যায়। - এই আঞ্চলিক ভেদ সাধারণত অঞ্চলের নামে পরিচিতি পায় ৷ - যেমন নোয়াখালীর ভাষা, চাঁপাই নবাবগঞ্জের ভাষা, কিংবা সুন্দরবন অঞ্চলের ভাষা। - ভাষার এই আঞ্চলিকতা উপভাষা নামে আখ্যায়িত হয়ে থাকে।
• বাঙ্গালি (বাংলাদেশের মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চল), - পূর্বি (বাংলাদেশের পূর্ব অঞ্চল, ত্রিপুরা এবং আসামের বরাক অঞ্চল), - বরেন্দ্র (বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল), - কামরূপি (বিহারের পূর্ব অঞ্চল, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর অঞ্চল এবং বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চল), - রাঢ়ি (পশ্চিমবঙ্গ), - ঝাড়খণ্ডি (পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম অঞ্চল ও ঝাড়খণ্ডের পূর্ব অঞ্চল) প্রভৃতি কয়েকটি উপভাষার নাম।
• সাধু রীতি দাপ্তরিক কাজ, সাহিত্য রচনা, যোগাযোগ ও জ্ঞানচর্চার প্রয়োজনে লেখ্য বাংলা ভাষায় সাধু রীতির জন্ম হয়। - উনিশ শতকের শুরুর দিকে সাধু রীতির বিকাশ ঘটে। - প্রায় দুই শতাব্দী ধরে এই রীতি বাংলা লেখ্য ভাষার আদর্শ রীতি হিসেবে চালু থাকে।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।