• যতিচিহ্ন: - মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে যতিচিহ্ন বলে। - বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে। - যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।
• যতিচিহ্নকে দুভাগে ফেলা যায়। যথা: ১. প্রান্তিক অর্থাৎ বাক্য যেখানে শেষ হয়। যেমন: দাঁড়ি, প্রশ্নচিহ্ন, বিস্ময়চিহ্ন। ২. বাক্যান্তর্গত অর্থাৎ যেখানে বাক্য শেষ হয় না। যেমন: কমা, সেমিকোলন, ড্যাশ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।