ক্ষার ধাতু : পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেন ব্যতীত গ্রুপ-১ এ অবস্থিত মৌলসমূহকে ক্ষার ধাতু বলা হয়। যেমন- Li, Na, K, Rb এর প্রত্যেকেই ক্ষার ধাতু। এদের বিশেষ ধর্ম হলো এরা প্রত্যেকেই পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস ও ক্ষার উৎপন্ন করে থাকে। এরা প্রত্যেকেই একটি মাত্র ইলেকট্রনকে দান করে ধণাত্নক একযোজী আয়নে পরিণত হয় এবং আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যৌগ গঠন করে।
মৃৎক্ষার ধাতু : পর্যায় সারণিতে গ্রুপ-২ এ অবস্থিত মৌলগুলোকে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়। যেমন- Be, Mg, Ca, Sr প্রত্যেকেই মৃৎক্ষার ধাতু। এরাও ক্ষার ধাতুর মতো তড়িৎ ধণাত্নক মৌল। দুটি করে ইলেকট্রনকে দান করে দ্বিধণাত্নক আয়নে পরিনত হয়। অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সাইড যৌগ গঠন করে। এদের অক্সাইড সমূহ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্ষারীয় দ্রবন উৎপন্ন করে। মৃৎক্ষার ধাতুর মৌলগুলো বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে বলে এদের এরূপ নামকরণ করা হয়েছে।
সূত্রঃ রসায়ন, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়