বক্তব্যের লক্ষ্য অনুযায়ী বাক্যকে বিবৃতিবাচক, নেতিবাচক, প্রশ্নবাচক, অনুজ্ঞাবাচক ও আবেগবাচক প্রভৃতি ভাগে ভাগ করা যায়:
বিবৃতিবাচক বাক্য: সাধারণভাবে কোনাে বিবরণ প্রকাশ পায় যেসব বাক্যে, সেগুলােকে বিবৃতিমূলক বাক্য বলে। বিবৃতিবাচক বাক্য ইতিবাচক বা নেতিবাচক হতে পারে। যেমন - আমরা রােজ বেড়াতে যেতাম। তারা তােমাদের ভােলেনি।
প্রশ্নবাচক বাক্য: বক্তা কারও কাছ থেকে কিছু জানার জন্য যে ধরনের বাক্য বলে, সেগুলাে প্রশ্নবাচক বাক্য। যেমন - তােমার নাম কী? সুন্দরবনকে কোন ধরনের বনাঞ্চল বলা হয়?
অনুজ্ঞাবাচক বাক্য: আদেশ, নিষেধ, অনুরােধ, প্রার্থনা ইত্যাদি বােঝাতে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য হয়। যেমন - আমাকে একটি কলম দাও। তার মঙ্গল হােক।
আবেগবাচক বাক্য: কোনাে কিছু দেখে বা শুনে অবাক হয়ে যে ধরনের বাক্য তৈরি হয়, তাকে আবেগবাচক বাক্য বলে। যেমন - দারুণ ! আমরা জিতে গিয়েছি। অত উঁচু পাহাড়ে উঠে আমি তাে ভয়েই মরি!
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।