কর্মবাচ্য: যে বাক্যের ক্রিয়া কর্মকে অনুসরণ করে, তাকে কর্মবাচ্য বলে। যেমন, - পুলিশ কর্তৃক ডাকাত ধৃত হয়েছে। - চিঠিটা পড়া হয়েছে।
কর্তাবাচ্য: যে বাক্যের ক্রিয়া কর্তাকে অনুসরণ করে, তাকে কর্তাবাচ্য বলে। এক্ষেত্রে ক্রিয়ার রূপটি কর্তার পক্ষ অনুযায়ী হয়। যেমন, - আমি আগামীকাল বাড়ি ফিরব। - ফ্যানটা অনেক জোরে ঘুরছে ।
ভাববাচ্য: যে বাক্যের ক্রিয়া বিশেষ্য বাক্যের ক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে ভাববাচ্য বলে। যেমন, - কোথা থেকে আসা হলো। - এবার বাঁশিটি বাজানো হোক।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।