পলিমার: - গ্রিক শব্দ 'পলি' (poly) অর্থ বহু বা অনেক এবং 'মেরোস' (meros) অর্থ একক বা অংশ। - এ দুটি শব্দ থেকেই পলিমার শব্দের উৎপত্তি। - প্রকৃত অর্থে পলিমার বলতে বোঝায় বহু অংশযুক্ত উচ্চ আণবিক ভর সম্পন্ন বৃহদাকার অণু। - পলিমার সাধারণত দুই প্রকার। যথা- ক) প্রাকৃতিক পলিমার ও খ) কৃত্রিম পলিমার।
ক)প্রাকৃতিক পলিমার: - সাধারণভাবে প্রাকৃতিক উৎস বিশেষ করে উদ্ভিদ ও প্রাণি থেকে প্রাপ্ত পলিমার এ জাতীয় পলিমার। যেমন- প্রাকৃতিক রাবার, স্টার্চ, সেলুলোজ ইত্যাদি।
খ)কৃত্রিম পলিমার: - পরীক্ষাগারে কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত পলিমার সমূহ এ জাতীয় পলিমার। যেমন- পলিইথিলিন, পলিস্ট্যারিন, পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC), নাইলন, টেফলন, টেরিলিন ইত্যাদি।
- গঠন ও তাপীয় বেশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে কৃত্রিম পলিমারকে আবার দুই শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। যেমন- ১। থার্মোপ্লাস্টিক ও ২। থার্মোর্সেটিং প্লাস্টিক।
থার্মোসেটিং প্লাস্টিক: - এরা অপেক্ষাকৃত শক্ত ও কম নমনীয় হয়। - তাপ প্রয়োগে এগুলো গলে যায় না বরঞ্চ কালো কয়লায় পরিণত হয়। - এ জাতীয় পলিমার অণুতে পরমাণুগুলোর শিকলের মধ্যে সমযোজী এবং পার্শ্ববর্তী শিকলের গঠনের সাথে দৃঢ়ভাবে হাইড্রোজেন বন্ধন বর্তমান থাকে। যেমন- ব্যাকেলাইট প্লাস্টিক, ফাইবার গ্লাস, কৃত্রিম রেজিন ইত্যাদি।
উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।