• রূঢ় বা রূঢ়ী শব্দ:
- যে সব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের অনুগামী না হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় রূঢ় বা রূঢ়ী শব্দ। উদাহরণ:
'সন্দেশ' শব্দের মূল অর্থ 'সংবাদ' পরিবর্তিত হয়ে 'মিষ্টান্ন' অর্থ ব্যবহার হয়।
'চিকন' শব্দের মূল অর্থ 'চকচকে' পরিবর্তিত হয়ে 'সরু' অর্থ ব্যবহার হয়।
'জ্যাঠামি' শব্দের মূল অর্থ 'জেঠার ভাব' পরিবর্তিত হয়ে 'চাপল্য' অর্থ ব্যবহার হয়।
'প্রবীণ' শব্দের মূল অর্থ 'প্রকৃষ্ট বীণাবাদক' পরিবর্তিত হয়ে 'বয়স্ক ব্যক্তি' অর্থ ব্যবহার হয়।
- এরূপ আরও শব্দ হলো— অতিথি, কুশল, গবাক্ষ, দুহিতা, পাঞ্জাবি, বাঁশি, রাখাল, স্নাতক ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
• যোগরূঢ় শব্দ: মন্দির, জলদ, রাজপুত, অন্ন, জলধি, মহাযাত্রা, সরোজ ইত্যাদি।
• যৌগিক শব্দ: গুণবান, পাঠক, মিতালি, ভাড়াটে, সংবাদদাতা, বিদ্যালয়, পাচক, চরণ, পক্ষী ইত্যাদি।
• মৌলিক শব্দ: গাছ, পাখি, ফুল, হাত, গোলাপ ইত্যাদি।
তথ্যসূত্র: বাংলা ২য় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।