ভূমিকম্প (Earthquake):- ভূ-গাঠনিক দিক থেকে বাংলাদেশ ক্রমশ ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।- বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয় পর্বতের পাদদেশীয় অঞ্চলে, পূর্বে ইন্দো-বার্মা সীমান্তে আরাকান-ইয়োমা পার্বত্য অঞ্চলে, উত্তরে আসামের খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া পাহাড় অঞ্চলে, বঙ্গোপসাগরের তলদেশে ও আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে মূলত বৃহদাকার ফাটল ও দুইটি প্লেটের মধ্যবর্তী অঞ্চলে ভূমিকম্প প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।- বাংলাদেশে ১৮৯৭ সালে ভুমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়।- ১৫৪৮ সাল থেকে বাংলাদেশে এবং তৎসংলগ্ন এলাকাতে ভূমিকম্প সংক্রান্ত রেকর্ড সংগ্রহ শুরু হয়।- ১৯৯৩ সালে সমগ্র বাংলাদেশকে তিনটি ভূ-কম্পন অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।- যথা- ১) মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল (রিখটার স্কেল মাত্রা: ৭)। ২) মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল (রিখটার স্কেল মাত্রা: ৬)।৩) কম ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল (রিখটার স্কেল মাত্রা: ৫)। উল্লেখ্য, গবেষণা অনুসারে, আড়াই হাজার বছর আগে ভূমিকম্পের কারণে গঙ্গার পথ হঠাৎ স্থানান্তরিত হয়ে যায়।

ছবির উৎস: দৈনিক গোপালগঞ্জ নিউজ পত্রিকা উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।