রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত আত্মজীবনী হলো: • জীবনস্মৃতি, (এতে রবীন্দ্রনাথের ২৫ বছর পর্যন্ত ঘটনা লিপিবদ্ধ আছে।) • ছেলেবেলা।
• 'জীবনস্মৃতি': - 'জীবনস্মৃতি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আত্মজীবনী। - এটি প্রকাশিত হয় ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে। - এখানে রবীন্দ্রনাথের বাল্যকাল থেকে পঁচিশ বছর বয়স পর্যন্ত কালের কাহিনি ও ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে। - আত্মজীবনী রচনার প্রচলিত নিয়ম ভেঙ্গে রবীন্দ্রনাথ এ গ্রন্থে নতুন ধারা সৃষ্টি করেছেন।
• ছেলেবেলা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখিত 'ছেলেবেলা' শুধু তাঁর ছেলেবেলার কাহিনীই নয়, বরং তা হয়ে উঠেছে সে সময়কার এক সুখপাঠ্য ইতিহাস। - 'ছেলেবেলা' বইটির পাতায় পাতায় রবীন্দ্রনাথ তাঁর ফেলে আসা শৈশব ও কৈশোরের জন্যে হাপিত্যেশ করেছেন, যেমন প্রত্যেকটি মানুষই তা করে থাকে।
উল্লেখ্য, আমার ছেলেবেলা- হুমায়ুন আহমেদ এর আত্মজীবনী এবং অন্যান্য অনেক লেখক ই 'আমার ছেলেবেলা' নামে গ্রন্থ রচনা করেছেন। -------------------- এছাড়া, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিঠিপত্র: • ছিন্নপত্র: ১৫৩টি পত্র আছে। প্রথম ৮টি শ্রীশচন্দ্র মজুমদারকে লেখা। পরবর্তী ১৪৫টি ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা দেবীকে লেখা। •ভানুসিংহের পত্রাবলী : রানু অধিকারীকে লেখা। পথে ও পথের প্রান্তে নির্মলকুমারী মহলানবিশকে লেখা।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রবন্ধগ্রন্থ হলো: - কালান্তর, - পঞ্চভূত, - বিচিত্র প্রবন্ধ, - সাহিত্য, - শিক্ষা, - মানুষের ধর্ম।
উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।