মৌলিক স্বরধ্বনিগুলাে উচ্চারণের সময়ে বায়ু শুধু মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে। - এ সময়ে কোমল তালু স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে। - কিন্তু ধ্বনিগুলাে উচ্চারণের সময়ে কোমল তালু খানিকটা নিচে নেমে গেলে কিছুটা বায়ু নাক দিয়েও বের হয়। এর ফলে ধ্বনিগুলাে অনুনাসিক হয়ে যায়। - স্বরধ্বনির এই অনুনাসিকতা বােঝাতে বাংলা স্বরবর্ণের উপরে চন্দ্রবিন্দু (ঁ) ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- পূর্ণ স্বরধ্বনি ও অর্ধস্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হলে দ্বিস্বরধ্বনি হয়। যেমন – লাউ’ শব্দের [আ] পূর্ণ স্বরধ্বনি এবং উ] অর্ধস্বরধ্বনি মিলে দ্বিস্বরধ্বনি (আড়] তৈরি হয়েছে। - বাংলা বর্ণমালায় দুটি দ্বিস্বরধ্বনির জন্য আলাদা বর্ণ নির্ধারিত আছে, যথা: ঐ এবং ঔ।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।