♣ সর্বনামের শ্রেণিবিভাগ: • সর্বনামকে নিচের নয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। ১. ব্যক্তিবাচক সর্বনাম:- ব্যক্তিবাচক সর্বনাম ব্যক্তিনামের পরিবর্তে বসে। - যেমন: আমি, আমরা আমাকে, আমাদের, তুমি, তোমরা, তুই তোরা, আপনি, আপনারা তোমাকে, তোকে, আপনাকে, সে, তারা, তিনি তাঁরা, এ, এরা, ওর, ওদের ইত্যাদি। ২. আত্মবাচক সর্বনাম: - কর্তা নিজেই কোনো কাজ করেছে, এ ভাবটি জোর দিয়ে বোঝানোর জন্য এ ধরনের সর্বনাম ব্যবহার করা হয়।- যেমন: নিজে, স্বয়ং ইত্যাদি। ৩. নির্দেশক সর্বনাম:- যে সর্বনাম নৈকট্য বা দূরত্ব নির্দেশ করে, তাকে নির্দেশক সর্বনাম বলে। - যেমন: এ, এই, এরা, ইনি, ও, ওই, ওরা, উনি। ৪.অনির্দিষ্ট সর্বনাম:- অনির্দিষ্ট বা পরিচয়হীন কিছু বোঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহৃত হয়, তাকে অনির্দিষ্ট সর্বনাম বলে।- যেমন: কেউ, কোথাও, কিছু, একজন ইত্যাদি। ৫. প্রশ্নবাচক সর্বনাম:- যেমন: কে, কারা, কাকে, কার, কী ইত্যাদি। ৬. সাপেক্ষ সর্বনাম:- পরস্পর নির্ভরশীল দুটি সর্বনামকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে।- যেমন: যারা-তারা, যে-সে, যেমন-তেমন ইত্যাদি। ৭. পারস্পরিক সর্বনাম:- দুই পক্ষের সহযোগিতা বা নির্ভরতা বোঝাতে পারস্পরিক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়। - যেমন: পরস্পর, নিজেরা নিজেরা ইত্যাদি। ৮. সকলবাচক সর্বনাম:- ব্যক্তি, বস্তু বা ভাবের সমষ্টি বোঝাতে সকলবাচক সর্বনাম হয়। - যেমন: সকলে, সকলকে, সবার, সমস্ত, সব ইত্যাদি। ৯. অন্যবাচক সর্বনাম: - নিজ ভিন্ন অন্য কোনো অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বোঝাতে অন্যবাচক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়। - যেমন: অন্য, অপর, পর, অমুক ইত্যাদি। উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।