অনুকার দ্বিত্ব:- পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে।- এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়।- এই অনুকরণ প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে ট, ফ, ব, ম, শ প্রভৃতি ধ্বনি যুক্ত থাকতে দেখা যায়।- তাতে শব্দের খানিকটা অনির্দিষ্ট, সাধারণ বা গুরুত্বহীন করা হয়।যেমন:- ঝাল-টাল,- মোটাসোটা,- নরম-সরম,- ব্যাপার-স্যাপার,- বুঝে-সুঝে,- অল্পস্বল্প,- বুদ্ধিশুদ্ধি,- গুটিশুটি,- অঙ্ক-টঙ্ক,- আম-টাম।অন্যদিকে:ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব:- কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব বলে।যেমন:- টুং টুং,- ঠুকঠুক,- শোঁ শোঁ,- খক খক,- দুম দুম।পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব:- পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে। যেমন:- জ্বর জ্বর,- পর পর,- কবি কবি,- কথায় কথায় ।উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১সংস্করণ)।