মূল বিষয়বস্তুতে যান

কোন দুটি বস্তু একই সরলরেখায় এলে প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয়?

সঠিক উত্তর

চাঁদ ও সূর্য

সঠিক উত্তর: চাঁদ ও সূর্য

এবার দেখা যাক এই প্রশ্নের উত্তরটা দিতে পারেন কিনা।

ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।

বিজ্ঞান ১ নম্বর

প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো –

বিজ্ঞান বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

১০ মার্কের MCQ কুইজ

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

জোয়ার ও ভাটা (High Tide and Low Tide): - সমুদ্র এবং উপকূলবর্তী নদীর জলরাশি প্রতিদিনই কোনো একটি সময়ে ঐ জলরাশি ধীরে ধীরে ফুলে উঠছে এবং কিছুক্ষণ পরে আবার তা ধীরে ধীরে নেমে যাচ্ছে। জলরাশির এরকম নিয়মিত স্ফীতি এবং ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। জোয়ার-ভাটার কারণ: - প্রধানত দুটি কারণে জোয়ার-ভাটার সৃষ্টি হয়। যেমন- (১) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব: - মহাকর্ষ সূত্র অনুযায়ী মহাকাশে বিভিন্ন গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র প্রভৃতি প্রতিটি জ্যোতিষ্ক পরস্পরকে আকর্ষণ করে। তাই এর প্রভাবে সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীকে আকর্ষণ করে। কিন্তু পৃথিবীর উপর সূর্য অপেক্ষা চাঁদের আকর্ষণ বল বেশি হয়। কারণ সূর্যের ভর অপেক্ষা চাঁদের ভর অনেক কম হলেও চাঁদ সূর্য অপেক্ষা পৃথিবীর অনেক নিকটে অবস্থিত। তাই সমুদ্রের জল তরল বলে চাঁদের আকর্ষণেই প্রধানত সমুদ্রের জল ফুলে ওঠে ও জোয়ার হয়। সূর্যের আকর্ষণে জোয়ার তত জোরালো হয় না। চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থিত হলে চাঁদ ও সূর্য উভয়ের আকর্ষণে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়। (২) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি: - পৃথিবী নিজ মেরুরেখার চারদিকে অনবরত আবর্তন করে বলে কেন্দ্রাতিগ শক্তি বা বিকর্ষণ শক্তির সৃষ্টি হয়। এই কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে পৃথিবীর প্রতিটি অণুই মহাকর্ষ শক্তির বিপরীত দিকে বিকর্ষিত হয় বা ছিটকে যায়। তাই পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে যেখানে মহাশক্তির প্রভাবে জল বিক্ষিপ্ত হয়েও জোয়ারের সৃষ্টি করে। জোয়ার-ভাটার প্রভাব: - মানব-জীবনের উপর জোয়ার-ভাটার যথেষ্ট প্রভাব আছে। - বিশ্বের সমুদ্র উপকূলবর্তী দেশসমূহে জোয়ার-ভাটার নিম্নের প্রভাবসমূহ লক্ষ করা যায়- ১। জোয়ার-ভাটার মাধ্যমে ভূখণ্ড থেকে আবর্জনাসমূহ নদীর মধ্য দিয়ে সমুদ্রে গিয়ে পতিত হয়। ২। দৈনিক দু'বার জোয়ার-ভাটা হওয়ার ফলে ভাটার টানে নদীর মোহনায় পলি ও আবর্জনা জমতে পারে না। ৩। জোয়ার-ভাটার ফলে সৃষ্ট স্রোতের সাহায্যে নদীখাত গভীর হয়। ৪। বহু নদীতে ভাটার স্রোতের বিপরীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ (Hydroelectricity) উৎপাদন করা হয়। ৫। জোয়ারের পানি নদীর মাধ্যমে সেচে সহায়তা করে এবং অনেক সময় খাল খনন করে জোয়ারের পানি আটকিয়ে সেচকার্যে ব্যবহার করা হয়। ৬। শীতপ্রধান দেশে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি জোয়ারের সাহায্যে নদীতে প্রবেশ করে এবং এর ফলে নদীর পানি সহজে জমে না ইত্যাদি। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

  1. সূর্য ও শুক্র
  2. চাঁদ ও সূর্য সঠিক
  3. চাঁদ ও পৃথিবী
  4. পৃথিবী ও মঙ্গল

প্রশ্ন তথ্য

বিষয়
বিজ্ঞান
শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

বিজ্ঞান বিষয়ের আরও প্রশ্ন

  1. 1

    প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো –

  2. 2

    বিজ্ঞান’ শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ কোনটি?

  3. 3

    মস্তিষ্ক কোন তন্ত্রের অঙ্গ?

  4. 4

    সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি?

  5. 5

    হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে-

মেধাবী অ্যাপ

৪.৯ · বিনামূল্যে
ইনস্টল