বিস্তারিত ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
তাজহাট জমিদার বাড়ি:
- রংপুর জেলার তাজহাট, ডিমলা, কাকিনা, মন্থনা, পীরগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু জমিদার বংশ ছিল। তাদের ছিল বিশাল আয়তনের বেশ কিছু প্রাসাদ।
- রংপুর জেলার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত ছিল তাজহাট জমিদার বাড়ি।
- এটি তাজহাট রাজবাড়ি নামেও পরিচিত।
- তৎকালীন জমিদার মহারাজা কুমার গোপাল রায় প্রাসাদটি নির্মাণ করেছিলেন।
- এটি নির্মাণে সময় লেগেছিল প্রায় ১০ বছর।
- পাঞ্জাব থেকে আগত মান্নালাল রায় এই জমিদারির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
- তাজহাট জমিদার বাড়ি একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ।
- ১৯৮৪ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত রংপুর হাইকোর্ট ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একটি শাখা বা বেঞ্চ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এই প্রাসাদ।
- ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ তাজহাট জমিদার বাড়িকে একটি সংরক্ষিত স্থাপনা তথা স্থাপত্য হিসেবে ঘোষণা করে।
- এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনুধাবন করে ২০০৫ সালে রংপুর জাদুঘরকে সরিয়ে এই প্রাসাদের দোতলায় নিয়ে আসে।
উৎস: বাংলা ট্রিভিউন এবং জাগো নিউজ পত্রিকা রিপোর্ট।
- রংপুর জেলার তাজহাট, ডিমলা, কাকিনা, মন্থনা, পীরগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু জমিদার বংশ ছিল। তাদের ছিল বিশাল আয়তনের বেশ কিছু প্রাসাদ।
- রংপুর জেলার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত ছিল তাজহাট জমিদার বাড়ি।
- এটি তাজহাট রাজবাড়ি নামেও পরিচিত।
- তৎকালীন জমিদার মহারাজা কুমার গোপাল রায় প্রাসাদটি নির্মাণ করেছিলেন।
- এটি নির্মাণে সময় লেগেছিল প্রায় ১০ বছর।
- পাঞ্জাব থেকে আগত মান্নালাল রায় এই জমিদারির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
- তাজহাট জমিদার বাড়ি একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ।
- ১৯৮৪ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত রংপুর হাইকোর্ট ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একটি শাখা বা বেঞ্চ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এই প্রাসাদ।
- ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ তাজহাট জমিদার বাড়িকে একটি সংরক্ষিত স্থাপনা তথা স্থাপত্য হিসেবে ঘোষণা করে।
- এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনুধাবন করে ২০০৫ সালে রংপুর জাদুঘরকে সরিয়ে এই প্রাসাদের দোতলায় নিয়ে আসে।
উৎস: বাংলা ট্রিভিউন এবং জাগো নিউজ পত্রিকা রিপোর্ট।
সকল অপশন
রেফারেন্স মাত্র
- রংপুর সঠিক
- মানিকগঞ্জ
- বগুড়া
- রাজশাহী
প্রশ্ন তথ্য
- বিষয়
- বাংলাদেশ বিষয়াবলি
- শ্রেণী
- বিসিএস
- মার্ক
- 1.00