• দুই শব্দের সংযোগ দেখাতে- হাইফেন বসে। --------------- • যতিচিহ্ন: - মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে যতিচিহ্ন বলে। - বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে। - যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।
• হাইফেন বা সংযোগ চিহ্ন (-): - সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেখানোর জন্য হাইফেনের ব্যবহার হয়। - একাদিক শব্দ বা পদ সংযোগ দেবার জন্য হাইফেন ব্যবহার করা হয়। যেমন - → এ আমাদের শ্রদ্ধা-অভিনন্দন, আমাদের প্রীতি-উপহার।
অন্যদিকে, • কমা ব্যবহৃত হয় - শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে। • ড্যাস ব্যবহৃত হয় - যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা তার বেশি বাক্যের সমন্বয় বা সংযোগ বোঝাতে। • বিন্দু ব্যবহৃত হয় - ক্রম নির্দেশের কাজে। • একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একবাক্যে লিখতে মাঝখানে সেমিকোলন হয়। • উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত প্রয়োগ করতে হলে কোলন এবং ড্যাশ চিহ্ন একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়। • প্রত্যক্ষ উক্তিতে বক্তার কথা উদ্ধরণ চিহ্ন (‘ ’/“ ”)-এর মধ্যে থাকে
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।