• বাংলাদেশে বয়স্কভাতা কর্মসূচি চালু হয়- ১৯৯৮ সালে। - এই কর্মসূচি প্রাথমিকভাবে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর অংশ হিসেবে শুরু করা হয়, যা দেশের দরিদ্র ও প্রবীণ নাগরিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে গৃহীত হয়। তবে, বাংলাদেশে - ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়। --------------------------
• বিধবা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য সরকারি ভাতা: - দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়। - প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়। - পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশন এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়। - ২০১৩ সালে প্রণীত বাস্তবায়ন নীতিমালা সংশোধন করে যুগোপযোগীকরণ, অধিক সংখ্যক মহিলাকে ভাতা কার্যক্রমের আওতায় অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে মহিলাদের বয়স ৬৫ বছর থেকে কমিয়ে ৬২ বছর নির্ধারণ, উপকারভোগী নির্বাচনে স্থানীয় মাননীয় সংসদ সদস্যসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্তকরণ এবং ডাটাবেইজ প্রণয়ন।
সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে গৃহীত উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম: - সরকার ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচির জন্য মোট ৯০০৮.৮১ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করেছে, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় শতকরা ৭.১৩ ভাগ বেশি।
- চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা ৫৮.০১ লক্ষ জন, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতাভোগীর সংখ্যা ২৫.৭৫ লক্ষ জন, এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীর সংখ্যা ১.০০ লক্ষ জন।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর সংখ্যা ২৩.৬৫ লক্ষ জন হতে ২৯.০০ লক্ষ জনে উন্নীত করা হয়েছে এবং মাসিক ভাতার পরিমাণ ৮৫০ টাকা।