মেধাবী
Toggle menu

তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সম্পর্কিত কোন তথ্যটি সঠিক?

সঠিক উত্তর
ই-কমার্স সেবা কার্যক্রম চালু হয়

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন:- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়।- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি যাতে GSM, EDGE, UTMS, এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভূক্ত।- 3G প্রযুক্তি ব্যবহার করে DECT, WiMAX, Voice Call, Video Call সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব।• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয়।- উচ্চগতি সম্পন্ন ডেটা ট্রান্সফার।- GPRS স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE সিস্টেম চালু হয়।- ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2Mbps।- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।• অন্যান্য অপশন সমূহ সম্পর্কে আলোচনা:- ত্রি-মাত্রিক ছবির প্রদর্শনের ব্যবস্থা চালু হয় চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলে।- মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার শুরু হয় প্রথম প্রজন্মের মোবাইলে।- ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সুবিধা চালু হয় চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলে।উৎস: ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

ত্রি-মাত্রিক ছবির প্রদর্শনের ব্যবস্থা চালু হয়
মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার শুরু হয়
ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সুবিধা চালু হয়
ই-কমার্স সেবা কার্যক্রম চালু হয় সঠিক

প্রশ্ন তথ্য

বিষয়
আই সি টি
শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন

বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড

ডাউনলোড করুন

মেধাবী অ্যাপ

বিনামূল্যে • ৪.৯★

ডাউনলোড